21/01/2026
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২৪/২৫ সেশন বি ইউনিটের মেরিট লিস্ট। ২/১ টা সাবজেক্টে কিঞ্চিত সংশোধন আছে তাছাড়া বাদবাকি সব ঠিকঠাক।
Essential updates, expert insights, and student support in one place.
21/01/2026
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২৪/২৫ সেশন বি ইউনিটের মেরিট লিস্ট। ২/১ টা সাবজেক্টে কিঞ্চিত সংশোধন আছে তাছাড়া বাদবাকি সব ঠিকঠাক।
20/01/2026
Idea for DU B unit
এটা গতবার ক্লাস শুরুর দুইমাস পরে দেওয়া স্পেশাল মাইগ্রেশন এর নোটিশ।
এর বাইরে মেরিট যায় নি, সাধারণ।
ঢাবি কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান
ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বছর ২ হাজার ৯৩৪ টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ৭ হাজার ৭১২ জন আবেদন করে। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩ হাজার ৬১১ জন। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ হাজার ৫৫৩ জন। মানবিক শাখার ৪ হাজার ১০৯ জন, বিজ্ঞান শাখার ২ হাজার ৯৮১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ৪৬৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ৫ জনের পরীক্ষা বাতিল হয়েছে। পাশের হার ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত ১৩ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় মানবিক শাখা থেকে মো. শাহরিয়ার শিমুল, বিজ্ঞান শাখা থেকে রিফাত আল রাফি এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে মো. আবির আহমেদ রোহান প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে জানা যাবে। এছাড়া, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক অথবা টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে DU ALS ˂roll no˃ টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS-এ ফলাফল জানা যাবে।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকাল ৩টা থেকে ০৫ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩ টা পর্যন্ত বিস্তারিত ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে পারবে। বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের আগামী ০১ ফেব্রুয়ারি থেকে ০৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংগ্রহ ও যথাযথভাবে পূরণ করে উক্ত সময়ের মধ্যে ডিন অফিসে জমা দিতে হবে। ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ফি প্রদান সাপেক্ষে ২১ থেকে ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে।
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
13/10/2025
আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে ঢাবি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট
প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৫ বুধবার দুপুর ১২টায় শুরু হবে। আগামী ১৬ নভেম্বর ২০২৫ রোববার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হবে। আজ ১৩ অক্টোবর ২০২৫ সোমবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে ‘আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম’-এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে- ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং আইবিএ ইউনিট। আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৫ সোমবার থেকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।
সভায় ‘আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম’-এ ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সময়সূচি অনুযায়ী ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা আগামী ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার, ‘চারুকলা ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) আগামী ২৯ নভেম্বর ২০২৫ শনিবার এবং আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ নভেম্বর ২০২৫ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিট ছাড়া সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১:০০টা থেকে দুপুর ১২:৩০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০.০০ টা থেকে দুপুর ১২.০০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
চারুকলা ইউনিট ও আইবিএ ইউনিট ব্যতীত অন্য ৩টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় কেন্দ্রসমূহ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ/কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিশাল এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় চারুকলা ইউনিট ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শুধু চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের MCQ এবং ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চারুকলা ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এরমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে ২০ নম্বর।
ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ২০২০ থেকে ২০২৩ সন পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০২৫ সনের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫, ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ এবং ‘চারুকলা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৬.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে।
ফররুখ মাহমুদ
উপ পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ঢাবি প্রথম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে
৩৪০টি শূন্য আসন পূরণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ৩৪০টি শূন্য আসন পূরণ করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির এক জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব শূন্য আসন পূরণ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২০২৫ সেশনে প্রথমবর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরও কয়েকটি ইউনিটে কিছু আসন শূন্য ছিল। ডিনস কমিটির জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব শূন্য আসন পূরণের জন্য বিশেষ মাইগ্রেশনের সুযোগ দেওয়া হয়। বিশেষ মাইগ্রেশনের মাধ্যমে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ৩৪০টি শূন্য আসন পূরণ করা হয়। এর মধ্যে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ১৯১টি, বিজ্ঞান ইউনিটের ১৪৫টি, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ৩টি এবং চারুকলা ইউনিটের ১টি শূন্য আসন পূরণ করা হয়েছে।
(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম )
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আপা যে পরহেজগার কামেল মহিলা তার প্রমাণ! ৭ দিনের ভিতর দোয়া কবুল
দোয়া: ২৮ জুলাই ২০২৪
দোয়া কবুল: ৫ আগস্ট ২০২৪
আপার পানি পড়ার জন্য লাইন দেন! স্টক সীমিত
27/07/2025
২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন । ঢাবিতে ভর্তির জন্য মোট আবেদন করেছিলো ৩ লাখ ৬ হাজার যেখানে মোট আসন সংখ্যা মাত্র ৫ হাজার ৯৬৫ অর্থাৎ আসন সংখ্যার ৫১ গুণ আবেদন পড়েছে।
বিজ্ঞান শাখায় মোট পরীক্ষার্থীর ৯৪ শতাংশ, মানবিকে ৯০ শতাংশ, ব্যবসায় ৮৬ শতাংশ করেছে ফেইল , নুন্যতম পাশমার্কও তুলতে পারেনি। এইযে লাখ লাখ জিপিএ-৫ পেয়েছে তাদের মধ্য থেকে শতকরা ৯০ শতাংশ পাসই করতে পারেনি এ দায় কার? এই ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থা ,এতো এতো জিপিএ-৫ লইয়া কি করবো আমরা?
একদিকে লাখ লাখ জিপিএ-৫ অন্যদিকে যোগ্য শিক্ষার্থীর অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ৫০০+ আসন খালি রেখেই ভর্তি সমাপ্ত করতে হচ্ছে । আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মান কত নিচে নামতেছে চিন্তা করতে পারতেছেন? এই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এআই, রোবট, হাই-টেক, ন্যানো টেকনোলজির দুনিয়ায় ফাইট দিবেন কেমনে? দ্রুত প্রতিকার জরুরি নাহলে ভবিষ্যত অন্ধকার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানে সিট আছে ১০০ টা। এবার ভর্তি হইছে ৬৪ জন ; বাকি ৩৬ সিট ফাকা । স্টুডেন্ট নাই।
এবারের বিজ্ঞান ইউনিটে ভর্তি পরিক্ষাতেই ৯৪.৭% শিক্ষার্থী ফেল করেছিলো।
ফিজিক্সে ভর্তি হতে চাইলে, ভর্তি পরিক্ষায় পাশ করার পাশাপাশি ফিজিক্সে ২৫ মার্কের মধ্যে মিনিমাম ১২ পাইতে হয়। অনেকে ভর্তি পরিক্ষায় পাশ করলেও হয়তো ফিজিক্সে ১২ এর কম পাওয়ায় ফিজিক্স চয়েজ ই দিতে পারেনাই।
ব্যাপারটা অনেকটা এমন : প্রতিযোগিতা তো অনেক পরের আলাপ। বিশ্ববিদ্যালয় ফাকা সিট নিয়ে বসে আছে ; স্টুডেন্ট নাই।
যোগ্য স্টুডেন্ট নাই*
25/07/2025
এবছরও ৫০০ আসন ফাকা রেখেই ঢাবিতে ২০২৪-২৫ সেশনের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন।
নিউজ লিংক কমেন্টে!
HSC26 , HSC-27 ব্যাচের ভাই-আপুরা,কী অবস্থা সবার? পড়াশোনা চলতেছে তো নাকি! কী পড়বা/কী কী পড়লে বুঝবা একটা অধ্যায়ের প্রিপারেশন শেষ!এই নিয়ে বিস্তারিত:
১/পদার্থবিজ্ঞান:
ক্লাস+যেকোনো বইয়ের থিওরি পড়া+ ইসহাক,আমির স্যারের দাগানো লাইন,অনুশীলনী,উদাহরণ এর সব করা+বোর্ড CQ,MCQ করা।
২/রসায়ন:
ক্লাস+যেকোনো বইয়ের থিওরি পড়া+হাজারী স্যারের দাগানো লাইন,উদাহরণ+বোর্ড CQ, MCQ করা।
৩/জীববিজ্ঞান:
দাগানো লাইন দেখে আবুল হাসান ও গাজী আজমল স্যারের বই দাগিয়ে নেওয়া+মূল বইয়ের সব রিডিং পড়া+রিভিশন এর সময় দাগানো লাইন পড়া+বোর্ড CQ,MCQ করা।
৪/উচ্চতর গণিত:
ক্লাস+কেতাব স্যারের/যেকোনো বই করা+বোর্ড MCQ দেখা।কেতাব স্যারের বই আগে না করে থাকলে এখন করতে পারো,যে কয়টা অধ্যায় পড়তে পারো এডমিশন আগাই থাকবে। বিশেষ করে কেতাব স্যারের বই থেকে সরলরেখা,বৃও,কনিক, স্থিতিবিদ্যা,গতিবিদ্যা করা, এই অধ্যায়গুলো থেকে হুবহু কমন আসে ইঞ্জিনিয়ারিং এডমিশনে। এর বাইরে যেকোনো বই করতে পারো।
৫/বাংলা ও আইসিটি:
সপ্তাহে মিনিমাম একদিন এগুলো বই থেকে রিডিং পড়ে নিবা/ক্লাস করবা,আর পারলে একটু সৃজনশীল গুলো দেখবা।
৬/ইংরেজি:
আমি ব্যক্তিগতভাবে ইংরেজি প্রাইভেট ব্যাচে পড়া পছন্দ করি। ইংরেজি বোর্ড প্রশ্নগুলো ভালো করে সল্ভ করবা।একাডেমিক+এডমিশন ইংলিশ যেন একাডেমিক লাইফেই শেষ হয়ে যায়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিক ভালো করে পড়লেই হয়।
বিঃদ্রঃ:এখন রিভিশন নিয়ে ভাবতে হবে না, একবার বইয়ের সিলেবাস শেষ করো, এইচএসসির আগে পরীক্ষা, রিভিশনের অভাব হবে না। আর মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং যেই প্রিপারেশনই নিবা বলে ভাবতেছ তারা উচ্চতর গণিত আর জীববিজ্ঞান নিয়ে খুব সাবধান। কোনটার যেন খারাপ প্রিপারেশন না থাকে, না হলে এডমিশনে এসে অনেক প্যরা খাওয়া লাগবে। আর সাথে সবাই দাগানো পিডিএফ দেখে বই দাগিয়ে পড়বা। একটা কথা মনে রাখবা, একাডেমিক পড়াশোনা ভালো থাকলে এডমিশনের প্রিপারেশন ৭০% হয়ে যায়। যত দ্রুত সিলেবাস শেষ করতে পারবা, তত আগাই থাকবা।
মাইলস্টোন স্কুলের যে ক্লাসরুম গুলো পুড়ে গিয়েছে সেগুলো ঠিকঠাক করার জন্যে মিস্ত্রী আনা হয়েছে, কিছু কিছু রুম ঘষেমেজে পরিষ্কার করা হচ্ছে।
রক্তের দাগ, মেঝেতে লেগে থাকা পোড়া শরীরের ঝলসানো মাংস, হাড়গোড় সবকিছুই পরিষ্কার করে সরানো হচ্ছে।
রবিবার থেকে স্কুল খোলার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
বাচ্চারা আবারও সেই চিরচেনা ক্লাসরুমে যাবে।
স্কাই সেকশন, ক্লাউড সেকশনের বাচ্চারা দেখবে তাদের পরিচিত অনেক বন্ধুরাই নেই, শুধু বেঞ্চে লেগে থাকা ঝলসানো মাংস আর স্মৃতিগুলো আছে।
এই ক্লাসরুমে বসেই তো একসাথে ক্লাস করতো, খেলতো, গান গাইতো ওরা। অথচ অনেকেই আর ক্লাসে আসবে না।
স্কুলের মাঠ দেখে বাকি স্টুডেন্টদেরও মনে পড়বে সেদিনের কথা।
কিন্তু বছর ঘুরলেই বাচ্চারাও হয়তো চিরায়ত নিয়ম মেনে আবারও ক্লাস করবে, গান গাইবে, খেলবে, ভুলে যাবে অনেককিছু।
পৃথিবী কারো জন্যেই থেমে থাকে না। ঝলসানো শরীরে মারা যাওয়া নিষ্পাপ বাচ্চাদের জন্যেও হয়তো থেমে থাকবে না।
এক টপিকের পর আরেক টপিক আসবে, নতুন কনটেক্সটের ভিড়ে আমরাও হয়তো ভুলে যাব সবকিছু।
কিন্তু যেই মা তার সন্তানের পোড়া লাশ ছুঁয়েছে সে-ই মা কি আর কোনদিনও ভুলতে পারবে.?