08/06/2026
যাদের মা-বাবা আছেন তাদের খেদমত করুন!!
Al-Quran International Academy Dhaka is one of the leading Islamic religious schools in Dhaka. It was founded in 2021.
Besides compulsory Arabic studies & general studies, we offer spoken English courses. Our effort for our students makes us one of the best schools in Dhaka. Al-Quran International Academy is an international school for Muslim children. The idea behind the foundation of this school was to provide English medium education to Muslim students from low-income families at a reasonable tuition fee.
08/06/2026
যাদের মা-বাবা আছেন তাদের খেদমত করুন!!
03/06/2026
Power of Ayatul Kursi 🔥
02/06/2026
সাহাবায়ে কেরাম যখন তাদের গাছে প্রথম ফল দেখতেন, তখন সেগুলো নিয়ে তারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের কাছে আসতেন। নবীজি দোয়া করতেন। তারপর তিনি সবচেয়ে ছোট যে শিশুটিকে দেখতেন, তাকে ডেকে এনে উক্ত ফল দিয়ে দিতেন।
- শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস নং ২০২
সাহাবীদের গাছে যখন প্রথম ফলটি পাকতো বা তোহফা দেওয়ার উপযোগী হত, তখন তাঁরা তা বরকত লাভের জন্য নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হাদিয়া দিতেন। তা ছাড়া ফল পাকা শুরু হয়েছে এটা অবগত করানোও তাঁদের উদ্দেশ্য থাকত।
মোল্লা আলী কারী (র.) ও বাজুরী লিখেছেন, এতে বুঝা গেল, গাছের প্রথম ফলটি এলাকার বুযুর্গ আলেমের খেদমতে পেশ করা উত্তম।
(المواهب اللدنية : ص ١٤٥ ، جمع الوسائل : ص ۲۹۸)
শিশুদের ফল দিয়ে দেওয়া থেকে বুঝা যায়, ঐ নতুন ফল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খেতেন না। এর রহস্য হল, নতুন ফল খাওয়ার জন্য সাধারণত শিশুরা বেশি আগ্রহী থাকে। ঐ দিকে তাদের মন লেগে থাকে। তা ছাড়া পবিত্রাত্মার মহৎ লোকেরা কোন কিছুর জন্যই লালায়িত থাকেন না। এতে শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সোহাগ, মমতা, নিজের উপর অন্যকে প্রাধান্য দেয়ার গুণ ফুটে উঠে।
- সূত্র : মাওয়াহিবে এলাহিয়া শরহে শামায়েলে নববিয়া, পৃষ্ঠা ৪৫১-৪৫২
- কবির আহমেদ কাসেমী হাফি.
#ইসলামের_ইতিহাস #বাংলার_ইসলামি_ইতিহাস #বাংলার_মুসলিম_জাগরণ #মাদরাসা #ইসলামি_শিক্ষা #মুসলিমবীর #অন্যায়েরবিরুদ্ধে #ইতিহাসেরপাঠ
01/06/2026
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন:
"তিনটি বৈশিষ্ট্য এমন রয়েছে, যা কোনো ব্যক্তির মাঝে বিদ্যমান থাকলে আল্লাহ তাআলা তার অন্তরকে ঈমান দিয়ে পরিপূর্ণ করে দেন;
১. দীন বা ইসলামের গভীর সমঝদার (ফকীহ/জ্ঞানী) ব্যক্তির সাহচর্য লাভ করা,
২. আল-কুরআন তিলাওয়াত করা, এবং
৩. রোজা রাখা।"
(বাহজাতুল মাজালিস ওয়া উনসুল মুজালিস-১৯৯)
ইবনে আবদিল বার রাহিমাহুল্লাহ
23/05/2026
🌸 আলহামদুলিল্লাহ 🌸
মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ জন্য আমরা মহান রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।
সকল সম্মানিত শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক সহযোগিতা, দোয়া ও পরিশ্রমের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও বরকতময় করুন এবং শিক্ষার্থীদের দ্বীনি ও দুনিয়াবি উভয় শিক্ষায় সফলতা দান করুন। আমীন। 🤲
— আল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি
20/05/2026
উবাই ইবনে কা‘ব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
রাসূলুল্লাহ ﷺ একদিন আবুল মুনযিরকে লক্ষ্য করে বললেন,
— “হে আবুল মুনযির! তুমি কি জানো, আল্লাহর কিতাবের যে আয়াতগুলো তুমি হিফয করেছ, তার মধ্যে কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?”
আবুল মুনযির বলেন, আমি বললাম—
“আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জানেন।”
তিনি আবার বললেন—
“হে আবুল মুনযির! তুমি কি জানো, আল্লাহর কিতাবের যে আয়াতগুলো তুমি হিফয করেছ, তার মধ্যে কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?”
তখন আমি বললাম—
﴿ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَيُّ ٱلْقَيُّومُ ﴾
“আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক ও নিয়ন্ত্রক...”
তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ আমার বুকে আলতো চাপড় দিয়ে বললেন—
“হে আবুল মুনযির! ইলম তোমার জন্য কল্যাণময় হোক।”
📖 সহীহ মুসলিম — ৮১০
──────────────────
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত দীর্ঘ এক হাদীসে এসেছে, এক আগন্তুকের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের এক পর্যায়ে সে বলল—
﴿ إِذَا أَوَيْتَ إِلَى فِرَاشِكَ فَاقْرَأْ آيَةَ الْكُرْسِيِّ، لَنْ يَزَالَ مَعَكَ مِنَ اللَّهِ حَافِظٌ، وَلَا يَقْرَبُكَ شَيْطَانٌ حَتَّى تُصْبِحَ ﴾
“তুমি যখন রাতে শয্যায় যাবে, তখন আয়াতুল কুরসি পড়বে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন হেফাযতকারী তোমার সঙ্গে থাকবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার নিকটবর্তী হতে পারবে না।”
পুরো ঘটনা শুনে রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন—
﴿ صَدَقَكَ وَهُوَ كَذُوبٌ، ذَاكَ شَيْطَانٌ ﴾
“সে মিথ্যাবাদী হলেও এবার সত্য বলেছে। সে ছিল শয়তান।”
📖 সহীহ বুখারী — ৫০১০
19/05/2026
সুরা আল ফাতিহাকে যদি আমরা কুরআনের ভূমিকা হিশেবে ধরি, তাহলে কুরআনের মূল কনটেক্সট শুরু হয় মূলত সুরা আল বাকারাহ থেকে।
সুরা আল বাকারার একেবারে শুরুটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা করেছেন সফলতা আর ব্যর্থতার উদাহরণ দিয়ে। কারা সফল এটা জানাতে গিয়ে তিন নাম্বার আয়াতেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলছেন—
‘যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে, সালাত প্রতিষ্ঠা করে এবং আমার দেওয়া রিযিক থেকে খরচ করে।’
অদৃশ্যে বিশ্বাস মানে তো সহজেই বোঝা যায়—আল্লাহ, ফেরেশতা, আখিরাত, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদিতে বিশ্বাস স্থাপন। সালাত প্রতিষ্ঠা করাও সহজে বোধগম্য। কুরআনে অসংখ্য অসংখ্যবার এই শব্দটার পুনরাবৃত্তি আছে৷ কিন্তু, আমার সবসময় একটা কৌতূহল ছিল আয়াতের শেষের অংশটি নিয়ে। আল্লাহ কেন বললেন যে—‘আমার দেওয়া রিযিক থেকে খরচ করে?’ তিনি তো বলতে পারতেন ‘যারা যাকাত দেয়’, অথবা ’যারা দান সাদাকা করে’, কিংবা ‘যারা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে।’
এইসব না বলে, তিনি কেন বললেন যে—‘যারা আমার দেওয়া রিযিক থেকে খরচ করে?’
এখানে একটা অসাধারণ ব্যাপার আছে বোঝার মতো।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এই আয়াতে সেই সকল বিশ্বাসী মানুষদের প্রশংসা করছেন এবং সফলকাম বলে উল্লেখ করছেন যারা খরচ করে। এই খরচটা কি কেবলই দান সাদাকা যেভাবে আমরা গরিব অসহায়দের দান করে থাকি? এটা কি কেবলই যাকাত যেটা সাধারণত রামাদান মাস এলে আমরা পরিশোধ করে থাকি?
একদম তা নয়৷ এটা তারচেয়েও বেশি কিছু। আমি যতগুলো ক্ল্যাসিক্যাল তাফসির পড়েছি, প্রায় সকল তাফসিরেই আমি দেখেছি, আয়াতের এই অংশে ‘খরচ করা’ বলতে সকল তাফসিরকারক যাকাত দেওয়া, সাধারণ দান সাদাকা করার পাশাপাশি খুবই জোরালোভাবে উল্লেখ করেছেন নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য খরচ করার ব্যাপারটি।
অর্থাৎ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যখন ‘যারা আমার দেওয়া রিযিক হতে খরচ করে’ বলছেন, এই খরচ করার মানে কেবল দান করা, যাকাত দেওয়ার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়৷ নিজের বাবা-মা’র জন্য, স্ত্রীর জন্য, সন্তানদের জন্য, ভাই-বোনদের জন্য যে খরচাগুলো একজন সাধারণ মানুষ করে থাকেন জীবনে, সেই খরচটাও এখানে অন্তর্ভুক্ত।
আমি কিছু মানুষকে চিনি যাদের আয় উপার্জন খুব বেশি নয়৷ পরিবারের জন্য খরচ করার পরে তাদের হাতে কোনোরকম বাড়তি টাকা অবশিষ্ট থাকে না দান সাদাকা করার মতো। এমনকি, রাস্তাঘাটে একজন সাধারণ ভিক্ষুককেও ১০/২০ টাকা দিতে তাদের অনেক হিশেবনিকেষ করতে হয়।
তারা হয়তো এক ধরণের আত্মপীড়ায় ভুগেন৷ হয়তো ভাবেন, ‘চারপাশে কতো মানুষ কতো কতো সাদাকা করে, অথচ আমি কিছুই করতে পারি না।’
এধরণের মর্মপীড়ায় পীড়িত বিশ্বাসী মানুষদের জন্য এই আয়াতে রয়েছে দারুন সু-সংবাদ। অন্যদের মতো দুহাত ভরে দান সাদাকা করতে না পারলেও কোনো অসুবিধা নেই।
বাবা-মা’র দেখভালের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন?
সঠিকভাবে স্ত্রী, সন্তানদের ভরণপোষণ সামলাচ্ছেন?
ভাই-বোনদের জন্যেও খরচা করছেন সাধ্যমতো?
যথেষ্ট!
এসব সামলিয়ে যদি কূলোতে না পারেন, যদি সাধারণ দান সাদাকা করার মতো আপনার সামনে আর সুযোগ না থাকে, তাহলে দুঃখ নেই৷ কারণ, যারা হালাল উপার্জন থেকে নিজের ঘরের, বাবা-মা’র, স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ বহন করে, তাদের জন্য খরচ করে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ইতোমধ্যেই তাদের জন্য সু-সংবাদ জানিয়ে রেখেছেন৷ তা-ও কোথায় সেই সু-সংবাদ জানেন? কুরআনের একেবারে শুরুতে। প্রথম তিন আয়াতের একটিতে।
তার মানে এই না যে, টাকাপয়সা থাকলে সাধারণ দান সাদাকা থেকে হাত গুটিয়ে রাখতে হবে৷ তা তো কোনোভাবেই করা যাবে না। এখানে বরং তাদের কথাই আলোচ্য যারা সীমিত উপার্জন দিয়ে কেবল নিজের আপন মানুষগুলোর ভরণপোষণ সামলান।
নিঃসন্দেহে, এইটাই তো সবচেয়ে বড় সাদাকাহ 💚
18/05/2026
জিলহজ্জ মাস শুরু হয়ে গেলে কুরবানি দেয়ার নিয়ত থাকলে, নখ ও চুল কাটা থেকে বিরত থাকা সুন্নাহ...!
17/05/2026
16/05/2026
সবকিছু ঠিকঠাক চলছে, তারপরও এক হাহাকার করা শূন্যতা কি ভর করে আছে আপনার মনে? কাজ করছেন কিন্তু পূর্ণতা পাচ্ছেন না, আয় উপার্জন করছেন কিন্তু কূলোতে পারছেন না, চেষ্টা করছেন সবকিছু ঠিক করার, কিন্তু বারংবার কোথাও যেন এসে সবকিছু ভেঙে পড়ছে।
ভাবছেন, কেন এমন হচ্ছে, তাই না?
সম্ভবত, আপনার জীবনে এখন একটা জিনিসেরই ঘাটতি, আর সেটা হলো—বারাকাহ।
কিছু কিছু ঘটনা আছে, যে ঘটনাগুলো জীবন থেকে বারাকাহ হারানোর কারণ হয়ে উঠে। তন্মধ্যে কয়েকটা কারণ জানতে চাইলে, এই পোস্টে থাকা প্রত্যেকটা ছবি আর ছবির সাথে জুড়ে থাকা ক্যাপশান মনোযোগ সহকারে পড়তে পারেন...