30/10/2022
#আদমজী_ক্যান্টনমেন্ট_কলেজ (ACC)
আদমজী, আমাদের স্বপ্নের একটি পরিপূর্ণ বাস্তব রূপ। প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থীদের ভীড়ে নিতান্তই কিছু ভাগ্যবান শিক্ষার্থীর সুযোগ হয় এখানে ভর্তি হবার। সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্বাবধানে এবং শিল্পপতি জনাব গুল মোহাম্মদ আদমজী এর অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান টি মূলত স্কুল হিসেবে ১৯৬০ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ শাখাকে স্কুল শাখা থেকে পৃথক করা হয়। স্বাধীনতার পূর্বে এ কলেজের শিক্ষাদানের মাধ্যম ছিল ইংরেজি। স্বাধীনতা পরবর্তী কালে শিক্ষাদানের মাধ্যম হয় বাংলা। কলেজের প্রথম দুজন অধ্যক্ষ ছিলেন ব্রিটিশ নাগরিক। বেসরকারী ও অনাবাসিক এই প্রতিষ্ঠান এ উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স ও বি বি এ কোর্স চালু রয়েছে।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আবেদনকারী লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এস,এস,সি পরীক্ষায় উচ্চ নাম্বার সম্পন্ন মোট প্রায় ২৬০০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতি বছর নতুন করে যাত্রা শুরু করে আমাদের কলজ। এখানে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীর অনুপাত ২ঃ১। কলেজের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫৫০০।
ভর্তি হওয়ার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা :
বিজ্ঞান বিভাগ - জিপিএ ৫.০০
(অবশ্যই ১১৮০+ পেতে হয়। কারণ সাধারণত দেশের শীর্ষ স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তির জন্য আবেদন করে।)
ব্যবসায় শিক্ষা - জিপিএ ৪.৫০
মানবিক বিভাগ - জিপিএ ৪.০০
যাদের মুক্তিযোদ্ধা কোটা কিংবা সামরিক বাহিনী কোটা আছে তাদের জন্য চান্স পাওয়া ইজি! ১১৪০ এর কাছাকাছি পেলেও চ্যান্স হয়ে যায়।
যাই হোক!
আদমজীতে ভাই অনেক প্যারা!পড়াশুনা করতে করতে জান শেষ!খালি পড়ায়!কিন্তু ভাই এর মধ্যেই আনন্দ!
যখন এর করিডর দিয়ে হাটবা,একটা ফিল আসবে!
বেস্ট কলেজ অফ বাংলাদেশ!
আদমজীতে অনেক লিজেন্ডরা পড়াশুনা করছে। অনেক সেলিব্রেটিরাও!
সালমান শাহ, ফেরদৌস,সবার প্রিয় আয়মান সাদিক,সবার অপ্রিয় সালমান মুক্তাদির, বর্তমানে নৌবাহিনীর প্রধান স্যার.....অভাব নাই আসলে!
শৃঙ্খলা :
আর্মিরা ডিসিপ্লিনে ফেমাস! এটা আর্মিরাই চালাচ্ছে, সবথেকে বেশি প্রায়োরিটি এরা ডিসিপ্লিনেই দেয়। পুরো কলেজে সিসি ক্যামেরা,প্রত্যেক করিডরে, প্রত্যেকটা জায়গায় একচুয়ালি,গ্রাউন্ড,বাগান সবজায়গায়। অর্থাৎ প্রতিটি শিক্ষার্থী সবসময় নজরদারিতে থাকে।
কলেজের সিকিউরিটি ইনচার্জ অধিকাংশ সময় কলেজ রাউন্ডে থাকে ওয়াকিটকি নিয়ে। কোনো ছাত্র অনিয়ম করলে সাথে সাথে একশন নিবে, আইডি কার্ড নিয়ে নিবে,অথবা ভাইস প্রিন্সিপ্যাল এর কাছে নিয়ে যাবে!
কোচিং এ আসলেও টি শার্ট পড়ে আসা যাবেনা, স্লিপার পড়ে আসা যাবেনা। সিকিউরিটি ঢুকতেই দিবেনা। শুধু প্রিন্সিপ্যাল ছাড়া অন্য যে কোনো বান্দাকেও যদি উনাদের ফোনে ধরিয়ে দেওয়া হয় ঢুকতে দেয়ার জন্য,দিবে না।
কলেজে ঢুকতেই সামনের গেটে দুইটা মেটাল ডিটেক্টর,পিছনের গেটে একটা।
ব্যাগ চেক করে মাঝে মাঝে গেটে, মোবাইল পেয়ে গেলে এইচএসসির আগে আর দিবে না। জরিমানা হয় ৫০০ টাকা। এছাড়াও পড়াশোনা রিলেটেড ছাড়া অন্যকিছু থাকলে যেমন পারফিউম, হেডফোন ইত্যাদি থাকলে নিয়ে নেয়!
মাঝে মাঝে ক্লাসে হানা দেয় বস্তা নিয়ে,মোবাইল খুজতে।
একদিন না আসলে জরিমানা ৫০টাকা, লেট করে ঢুকলে জরিমানা ১০০ টাকা, কলেজে থেকেও ক্লাস বাংক দিলে ২০০ টাকা জরিমানা।
এছাড়াও গেটে চেয়ার টেবিল নিয়ে স্যার ম্যামদের একটি টিম বসে থাকেন! চুল বড় থাকলে ৫০ টাকা, আইডি কার্ড না থাকলে ৫০ টাকা, টাই না থাকলে ৫০ টাকা, মানে কোনো অসংগতি পেলেই ৫০/১০০ ধরায় দেয়!
মাসশেষে বেতনের সাথে জরিমানাও উঠে আসে! সবারই কম-বেশি আসে।
পরিবেশ :
কলেজটা যেন ছোটখাটো একটা পিকনিক স্পট! সবাই কেমন খুশি খুশি থাকে এখানে আসলে। একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে এটাই বেস্ট এনভায়রনমেন্ট।
ক্যান্টনমেন্ট এরিয়া এমনিতেই সুন্দর, তারমধ্যে আদমজী যেনো আরো সুন্দর। বাগানের বেঞ্চগুলোতে বসে কতো গল্প, গাছগুলো কতো গল্পের সাক্ষী। সবজায়গায়ই মাথার উপর ছায়া, ঠাণ্ডা শীতল একটা পরিবেশ।
একটা সুন্দর মসজিদ,একটা ক্যান্টিন।একটা বাস্কেটবল গ্রাউন্ড,একটা ইয়া বড় খেলার মাঠ।
কলেজে নান্দনিক পরিবেশের পাশাপাশি রয়েছে মনোরম বাগান, দেশি বিদেশি বিভিন্ন গাছ, বাংলাদেশের মানচিত্র এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি। রয়েছে শহীদ রুমির নামে একটি মুক্তমঞ্চ ও শহীদ মিনার।
ইউটিউবে আয়মান সাদিক ভাইয়ার একটা ভিডিও আছে আদমজী নিয়ে। এছাড়াও অনেক ভিডিও আছে Zakia Sultana ম্যাম এর চ্যানেলে।
কিছু বিশেষ সুযোগ-সুবিধা :
একটা বিল্ডিং এ লিফট আছে, অন্যগুলোতে নেই। ক্লাসছাড়া প্রায় সবগুলোরুমেই এসি আছে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসই বেশি হয়।
ল্যাবগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ জিনিসপত্র, কম্পিউটার ল্যাবে ১০০+ কম্পিউটার।
গার্লস কমনরুম, বয়েস কমনরুম দুইটাই অনেক সুন্দর। ক্যারম, টেবিল টেনিস, দাবা খেলা হয় টিফিনে! গার্লস কমনরুমে ছোট একটা ক্যান্টিন আছে।
সব করিডরে ঠাণ্ডা পানির ব্যবস্থা।
সবকিছুই পার্ফেক্ট,কমতি বলে কিছু নাই আদমজীর, টু বি অনেস্ট।
২ তলাবিশিষ্ট একটা লাইব্রেরি আছে।এখানে অনেক বইয়ের পাশাপাশি ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, পত্রিকা আছে! টিফিনে সময় কাটানোর একটা বেস্ট জায়গা এটা।
একটা প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র আছে,সেখানে সব সময়ই ডাক্তার বসেন।
সপ্তাহে একজন সাইকোলজিস্ট আসেন কলেজে,শিক্ষার্থীদের প্রব্লেম থাকলে সলভ করার জন্য।
একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় শিক্ষাসফর এবং বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৮ এ অত্র কলেজ শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ২০০০ সালেও অত্র কলেজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করেছিল। এছাড়া প্রতি বছর বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা নানাবিধ পুরষ্কার অর্জন করে থাকে।
শিক্ষক-শিক্ষিকা :
কোয়ালিটি মেইন্টেইন করছে কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে। বেস্ট কলেজের টিচারদেরও তো বেস্ট হতে হয়।
আদমজীর টিচাররা যথেষ্ট ফ্রি তাদের স্টুডেন্টদের সাথে! আদমজীর স্টুডেন্টরা তাদের টিচারদের লেখা বই-ই পড়ে থাকে। সব সাবজেক্টেই এখানের টিচারদের লেখা মানসম্পন্ন বই আছে।
এখানে ৩ টা ফেমাস নাম আছে।
মিজান স্যার, আনোয়ার স্যার, কামরুজ্জামান স্যার। একজন টিচারের ফেইম লেভেল কতোটা হাই হতে পারে উনাদের দেখলে বোঝা যায়। আরো কিছু যুক্ত হয়েছেন এখন।
টিচারদের চাইলেই ফেসবুকে যুক্ত করে নিতে পারো, কথা বলতে পারো, প্রব্লেম শেয়ার করতে পারো, এমনই ফ্রি উনারা।
কলেজ টাইম:
৭.৩০ থেকে ১.১৫ পর্যন্ত ক্লাস হয়। শীতকালে ৭.৪৫ থেকে ১.৩০ পর্যন্ত। এরপর কোচিং শুরু।
ভার্শন :
এখানে দুইটা ভার্শন আছে সাইন্সে, ইংলিশ ও বাংলা। ইংলিশ ভার্শনের ৪ টা সেকশন - s-1, s-2, s-3, s-14।
বাংলা ভার্শনের ১০ টা।
এখানে ফেইল করলে অঙ্গীকারনামায় সাইন করতে হয় প্যারেন্টস দের, যেসব বিষয়ে ফেইল করেছে সেসব বিষয়ে একজন করে টিচারের দায়িত্ব নিতে হয় তার হয়ে। জরিমানা দিতে হয় পার সাবজেক্ট ১০০০ টাকা। অনেক ফর্মালিটিস।
বার্ষিকে একের বেশি সাবজেক্টে ফেইল করলে বের করে দেয়।
প্রশ্ন এতোটাই কঠিন হয় যে এতো ভালো রেজাল্ট নিয়ে ঢুকেও গত অর্ধবার্ষিকে ৫৭ জন ৭ সাবজেক্টেই ফেইল করেছে। পাশের হার অর্ধেকের কম।
খারাপ করলে যেমন প্যারা,ভালো করলে ততোই সম্মান। টপ করতে পারলে ১০ হাজার টাকা ও প্রিন্সিপালস এ্যাওয়ার্ড।
শীর্ষ ২০ জনই টাকা পেয়ে থাকে।এদের প্যারেন্টসদের নিয়ে হয় প্রিন্সিপালস ডিনার।
স্টুডেন্ট অফ দি ইয়ার নির্বাচন করা হয়। কলেজে ঢুকতেই Student of the year এর লিস্ট চোখে পড়ে।
প্রিফেক্টশিপের জন্য ভাইভা নেয় প্রিন্সিপ্যাল নিজে, নমিনেশন দেয় ক্লাস টিচার। ক্লাব গুলোর, ক্লাসের, প্রত্যেক হাউজের প্রিফেক্ট, এসিস্টেন্ট প্রিফেক্ট বানানো হয়।
কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস!
☆ ৪০ % এ পাশ এখানে।
☆ আদমজীতে প্রচুর জরিমানা হয়।শুধু বেতন খুব কম স্টুডেন্টই দিতে পারে।
☆ ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধরে এনে পাকিস্তানিরা এখানে রাখছিলো, রুমটা এখন ইকোনোমিকস ডিপার্টমেন্ট মেবি।
☆ যুদ্ধের সময় এটা হানাদারদের বাংলাদেশে গড়া সবথেকে বড় ক্যাম্পগুলোর একটা ছিলো।
☆ আদমজী মেইনলি ইংল্যান্ডের ইটন ও হ্যারোর আদলে তৈরি।
☆ আদমজীতে উৎসব লেগেই থাকে, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন এসেও দেখবেন কলেজ সেজে টেজে একাকার।
☆ খুব সকালে কলেজে এলে কানে রবীন্দ্র সংগীত বাজবে।
☆ সরকারি কলেজের চাকরি ছেড়ে এসে এখানে জয়েন করা টিচার পাবেন বেশ কয়েকজন।
☆ অনেক এন্টারটেইনিং টিচার আছে এখানে, ইউটিউবে আদমজীর টিচারদের নাচের ভিডিওর অভাব নাই।
☆ শুধু এই কলেজেই প্রিফেক্টদের/ক্যাপ্টেনদের এতো পাওয়ার দেয়া হয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিচারদের থেকেও বেশি।
☆ কোনো একটা অনুষ্ঠান আসলেই ক্লাব মেম্বার আর কলেজ কতৃপক্ষ যেনো মরিয়া হয়ে যায় কলেজ সাজাতে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন :
👉👉 কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য কি নিজস্ব পরিবহন বা আবাসন ব্যবস্থা আছে?
উত্তর : না। কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য কোনো বাস বা কোনো হোস্টেল নেই। তবে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য একটি বাস আছে।
👉👉 কলেজের সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলো কেমন?
উত্তর : ২০/২৫ টা ক্লাব আছে আদমজীতে! একো আমাইকা ক্লাব, এক্সপ্লোরারস ক্লাব, ফটোগ্রাফি ক্লাব, বিএনসিসি, আর্ট ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, বিজনেস ক্লাব,তায়কোয়ান্দো ক্লাব, এমইউএন ক্লাব ইত্যাদি।
প্রত্যেকটা ক্লাবই অসাধারণ। অডিটোরিয়ামে একটা না একটা ক্লাবের অনুষ্ঠান লেগেই থাকে!
ওয়ার্কশপ থাকে প্রতি বৃহস্পতিবার প্রত্যেক ক্লাবের। ক্লাবগুলোর হয়ে ফরেন ভিজিট করতে যায় মাঝে মাঝে, ফেস্ট এ জয়েন করতে।
কয়েকদিন আগে সাউথ এশিয়ান গেমস এ শুটিং এ ব্রোঞ্জ পাওয়া আপু এই কলেজের স্টুডেন্ট ছিলো।
এছাড়াও কয়েকজন সুপার ট্যালেন্টেড স্টুডেন্ট থাকে প্রতিবছর, যারা কলেজে থাকা অবস্থায়ই দেশ বিদেশ মাতিয়ে বেড়ায়।
ফেস্ট লেগেই থাকে কলেজে,ট্যালেন্ট হান্ট থাকে বছরে একবার। সুতরাং, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ অদম্য।
👉👉 কলেজে পড়াশোনার খরচ কেমন?
উত্তর :
বেতন :
আদমজী কিছুটা ব্যয়বহুল বটে তবে পরিবেশ এবং সুযোগ সুবিধার তুলনায় এ খরচ যেন সার্থক হয়ে উঠে। অসামরিক খাতের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন বাংলা মাধ্যমে ২৫২৫ টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩৫৫০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ২৪৭৫ টাকা এবং সামরিক খাতের শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন বাংলা মাধ্যমে ১১২৫ টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ১৮৭৫ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ১০২৫ টাকা।