25/04/2026
মুসলিম বিশ্বাস করে আল্লাহ প্রতি রাতে শেষ আসমানে আসেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘আমাদের মহামহিম রব প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার নিকটবর্তী আসমানে নেমে ঘোষণা করতে থাকেন, “কে আছে ডাকবে আমি সাড়া দেবো? কে আছে কিছু চাইবে আমি দেবো? কে আছে ক্ষমা চাইবে আমি ক্ষমা করব?” [সহিহ বুখারি, কিতাবুত তাহাজ্জুদ : ১১৪৫; সহিহ মুসলিম, কিতাবু সালাতিল মুসাফিরিনা ওয়া কাসরিহা : ৭৫৮]
এই বিশ্বাস তার অন্তরে আল্লাহর প্রতি ইমান, ভালোবাসা ও টান বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সে দুআয় মশুগুল হয়। কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদে যত্নবান হয়। সে বুঝে নেয়, কিয়ামুল লাইলই আল্লাহর নৈকট্যলাভের উত্তম উপায়। সে গভীর রাতে আল্লাহর ডাকে সাড়া দেয়। একান্তে রবের ইবাদত করে।
____
বই : কিশোর তাওহিদ শিক্ষা [‘মিম্বারুত তাওহিদ’ সংকলিত]
পুনঃসংকলন, সংযোজন ও বিন্যাস : তাইব হোসেন
23/04/2026
❝পূর্ববর্তী ফকিহগণ বলতেন— আমল ছাড়া কেবল মুখের কথার কোনো মূল্য নেই; আবার শুদ্ধ নিয়ত বা ইখলাস ছাড়া কথা ও কাজ কোনোটিই যথার্থ হয় না; আর যতক্ষণ পর্যন্ত কথা, কাজ এবং নিয়ত সবই সুন্নাহর অনুগামী হচ্ছে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তার কোনোটিই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয় না।❞
—ইমাম সুফিয়ান আস-সাওরি (রাহিমাহুল্লাহ)
[ আল-ইবানাতুল কুবরা, ইবনু বাত্তাহ (১/২-৮০৭) ]
21/04/2026
উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছিলেন—‘আগে আদব শেখো, তারপর ইলম।’ সালাফ, উলামা কিরাম ইলমের সাথে আদব-শিষ্টাচার শেখার প্রতি গুরুত্বারোপ করতেন। ইলমের মূল হাকিকতই আসলে চরিত্র ও আদবে। উত্তম আখলাক ও আদব অমূল্য সম্পদ। বক্ষ্যমাণ বইটি মূলত ইমাম ইবনু কুদামাহ আল-মাকদিসি রাহিমাহুল্লাহর 'মুখতাসারু মিনহাজিল কাসিদিন'-এর এক অংশের অনূদিত রূপ। দুয়া করি আল্লাহ যেন সবার চরিত্রশুদ্ধিতে এ বইকে অন্যতম মাধ্যম করেন। এ বই যেন সংশ্লিষ্ট সবার নাজাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
মুখবন্ধ | চরিত্রশুদ্ধি
প্রকাশনা বিভাগ,
ইলমওয়েব
17/04/2026
জুমাবারে করণীয় দশটি আমল
জুমার সালাত সম্মিলিত ইবাদত। মুসলিমরা প্রত্যেক শুক্রবার যুহরের সালাতের পরিবর্তে আদায় করে থাকেন। এ দিনে করণীয় :
১. নখ কাটা
২. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করা
৩. দুয়া করা
৪. গোসল করা
৫. পরিচ্ছন্ন ও উত্তম কাপড় পরা, মিসওয়াক করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৬. আগে আগে মসজিদে যাওয়া
৭. জুমার সালাত আদায় করা
৮. রাসুলের ওপর প্রচুর দরুদ পড়া
৯. মসজিদে হেঁটে যাওয়া
১০. মনোযোগসহ কান লাগিয়ে জুমার খুতবা শোনা
↓↓
১. নখ কাটা
আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘পাঁচটি জিনিস মানুষের স্বভাবজাত (ফিতরাতগত) বিষয়—১. খতনা করা ২. ক্ষৌরকার্য করা (নাভির নিচের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা) ৩. গোঁফ ছোট করা ৪. নখ কাটা ৫. বাহুর নিচের বা বগলের লোম পরিষ্কার করা।
২. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করা
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তার জন্য এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত আলোকোজ্জ্বল হবে। [আল-হাকিম, ইমাম আল-আলবানির সহিহ বলেছেন]
৩. দুয়া করা
এই সুবর্ণ সুযোগটি মিস করবেন না! শুক্রবার অর্থাৎ জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে যখন আল্লাহ বান্দার ডাকে সাড়া দেন এবং সব দুয়া কবুল করেন। সমস্ত প্রশংসা ও মাহাত্ম্য আল্লাহর। আল্লাহ সপ্তাহের অন্য দিনগুলোর ওপর এই দিনটিকে যে মর্যাদা দান করেছেন এটা তারই অংশ।
আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনকে উল্লেখ করে বললেন—এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে মূহুর্তে কোনো মুসলিম বান্দা দাঁড়িয়ে সালাত পড়া অবস্থায় আল্লার কছে কোনো কিছু চাইলে তিনি অবশ্যই সেটা দান করেন। আর তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত। [বুখারি : ৯৩৫; মুসলিম : ৮৫২]
ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) নিচের হাদিসের পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন যে, জুমার দিনে দুয়া কবুলের সঠিক সময়টি হলো আসরের পর থেকে মাগরিবের সালাতের আগপর্যন্ত।
'জুমার দিনে ১২টি ঘন্টা রয়েছে। এর মাঝে এমন একটি ঘন্টা রয়েছে যে সময় কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে সেটি দান করে থাকেন। অতএব, তোমরা আসরের (সালাত) পর শেষ সময়ে সেটি তালাশ করো।’ [সুনানু আবি দাউদ, সুনানুন নাসায়ি]
৪. গোসল করা
উত্তমভাবে গোসল করার মাধ্যমে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—যে ব্যক্তি জুমায় উপস্থিত হতে চায়, সে যেন গোসল করে নেয়।’ [সহিহ মুসলিম]। এই হাদিস ও পূর্বোল্লেখিত হাদিসগুলোর দিকে লক্ষ করলে বোঝা যায়, সাধারণভাবে গোসল করা ছাড়াও পানি ব্যবহারের মাধ্যমে উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করা প্রয়োজন।
৫. উত্তম পোশাক পরা, মিসওয়াক করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা
ওই দিনকে স্মরণে রাখুন, যে দিন বিশাল কোনো উপলক্ষকে কেন্দ্র করে আপনি আপনার সমস্ত দেহাবয়বকে সবদিক থেকে পরিচ্ছন্ন-পরিমার্জিত করতে রেস্টরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করেছেন এবং হরেক রকমের সুগন্ধি ব্যবহার করেছেন। অবিকল সেভাবে সে দিনের মতোই জুমার জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত। নিজেকে পবিত্র করুন, সুনানুল ফিতরা অর্থাৎ নখ কাটা থেকে বাহুর নিচের লোম পরিষ্কার করা, নাভির নিচের অবাঞ্চিত লোম অপসারণ, বেশি বেশি সুগন্ধি ব্যবহার এবং অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রে নিশ্চিত ও যত্নবান হোন। নিশ্চিত হয়ে নিন, আপনার জুমার পোশাকটি যেন উত্তম, দাগহীন হয়। সেটি যেন আঁটসাঁট কিংবা ২ দিন আগের পরিহিত কোনো পোশাক বা রঙিন ও গোটানো কোনো পোশাক না হয়। এ ছাড়াও মুখের পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিন। দাঁত ব্রাশ করতে প্রস্তাবিত চারটি মিনিট ব্যয় করুন। এলকোহলমুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন। মিসওয়াক করুন। সারকথা, এই দিনটিতে আপনি যথাযথ পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে নিন।
আবু সায়িদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—শুক্রবারে (জুমা) প্রত্যেক সাবালক মুসলিমের ওপর গোসল এবং মিসওয়াক দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা ওয়াজিব ও সাধ্যমতো সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত। [সহিহ বুখারি]
৬. আগে আগে মসজিদে যাওয়া
না, খতিব মসজিদে প্রবেশ করার ১০ মিনিট আগের কথা আমি এখানে বলছি না। প্রকৃতপক্ষে আগে আগে যাওয়ার অর্থ হলো দুই বা তিন ঘন্টা আগে গিয়ে উপস্থিত হওয়া। মসজিদ যদি খুব বেশি দূরে না হলে হেঁটেই মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করুন। সবার আগে গিয়ে মসজিদে উপস্থিত হতে চেষ্টা করুন আর এ হাদিখানা স্মরণ করুন, ‘জুমার দিন মসজিদের দরজায় মালাইকা অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে পূর্বে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো, যে একটি উট কুরবানি করে। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় মুহূর্তে গেল, সে যেন একটি গাভি কুরবানি করল। যে ব্যক্তি তৃতীয় মুহূর্তে গেল, সে যেন শিংওয়ালা একটি মেষ কুরবানি দিলো। যে ব্যক্তি চতুর্থ মুহূর্তে গেল, সে যেন একটি মুরগি কুরবানি (সাদাকাহ) করল। যে ব্যক্তি পঞ্চম মুহূর্তে গেল, সে যেন একটি ডিম কুরবানি (সাদাকাহ) করল। পরে ইমাম যখন (সালাতের উদ্দেশ্যে) বের হয়ে পড়েন, তখন মালাকরা সালাতে উপস্থিত হয়ে খুতবা শুনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।’ [সহিহ বুখারি]
৭. জুমার সালাত আদায় করা
আল্লাহ বলেন, ‘হে ইমানদারেরা, জুমার দিন যখন সালাতের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে। [সুরা জুমুআহ, ৬২: ৯]
৮. রাসুলের ওপর প্রচুর দরুদ পড়া
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে জুমার দিন। এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং এই দিনেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। এই দিনেই শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে এবং এই দিনেই সমগ্র সৃষ্টি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলবে। সুতরাং এই দিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পড়ো। কারণ, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’ উপস্থিত সাহাবা কিরাম বললেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ, আপনি মাটিতে পরিণত হয়ে যাওয়ার পর আমাদের দরুদ কীভাবে আপনার কাছে পেশ করা হবে?’ তিনি বললেন—আল্লাহ নবিদের দেহ খেয়ে ফেলা মাটির ওপর হারাম করে দিয়েছেন। [সুনানু আবি দাউদ : ১০৪৭; ইমাম ইবনুল কাইয়িম ও শাইখ আল-আলবানি সহিহ বলেছেন]
৯. মসজিদে হেঁটে যাওয়া
মসজিদে হেঁটে যাওয়ার বিনিময়স্বরূপ একদিকে প্রতি পদক্ষেপের জন্য সাওয়াব পাওয়া যায় এবং অন্যদিকে গুনাহ মাফ হয়। এ বিষয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথাকে আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এভাবে বলেছেন,
‘যে ব্যক্তি নিজ ঘরে পবিত্রতা অর্জন করে (ওযু) এবং যেকোনো একটি আল্লাহর ঘরের দিকে ফরয সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে হেঁটে যায়, তার প্রথম পদক্ষেপে গুনাহ মাফ করে দেয়া হয় এবং দ্বিতীয় পদক্ষেপে মর্যাদা (জান্নাতে) বৃদ্ধি করে দেয়া হয়।’ [সহিহ মুসলিম]
১০. মনোযোগসহ কান লাগিয়ে জুমার খুতবা শোনা
ইমাম খুতবা দেয়ার সময় কেউ যদি কাউকে বলে, চুপ করুন, তবে সেও অনর্থক কাজ করল। [সহিহ মুসলিম, সহিহ বুখারি]
16/04/2026
উন্মুক্ত হালাকাহ
মুদাররিস : উসতায শাইখুল ইসলাম (হাফিযাহুল্লাহ)
তারিখ : ১৭ এপ্রিল, শুক্রবার
সময় : বিকেল ৪.০০ টা
স্থান : ৮৩১, সর্দারবাড়ি, শহিদ লতিফ সড়ক, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০ (গুগল ম্যাপ লোকেশন লিংক : https://share.google/1vr5MJPaDQsF5OAIY)
যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ০১৫৫০৭০৮৬৯০ (হোয়াটসঅ্যাপ)
[ নোট : ইলমওয়েব স্কুলিং -এ আসরের সালাতের জামাত বেলা ৩.৪৫ থেকে শুরু হয়। তাই অনুরোধ থাকবে আপনারা সময়ের ব্যাপারটা মাথায় রেখে রওনা হবেন। ]
14/04/2026
❝অনেক মানুষ আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু তারা শিরকও করে (ঈমান আনার পরেও মুশরিক)।❞
[সুরা ইউসুফ, আয়াত : ১০৬]
13/04/2026
মূলত পূর্ণ শরিয়াতকেই ইসলামি আকিদাহর অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে গুরুত্বের বিবেচনায় এর বিভিন্ন অংশকে বিভিন্ন নামে নামকরণ করা হয়ে থাকে। আকিদাহ ছাড়া কোনো আমল বিশুদ্ধ হয় না এবং তা উপকারও করে না। বান্দার সর্বপ্রথম দায়িত্ব আকিদাহ বিশুদ্ধকরণ। যেমন, সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, মুয়ায বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ইয়ামানে পাঠানোর সময় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন— তাদের প্রতি তোমার প্রথম আহ্বান হবে, তারা যেন আল্লাহর একত্ববাদকে মেনে নেয়।রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতেও আমরা দেখতে পাই, তিনি আমল শেখানোর আগে মানুষকে তাওহিদ ও আকিদাহ শিখিয়েছেন। এমনকি মক্কার তের বছরের সময়কালে তেমন কোনো বিধিবিধানও দেয়া হয়নি। মাক্কি সুরাগুলোর প্রায় সকল আলোচনাই তাওহিদ ও আকিদাহ নিয়ে। যেহেতু আকিদাহ এমন এক ভিত্তি, যার ওপর মানুষের সকল আমল কবুল হওয়া নির্ভর করে, তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আকিদাহ বিশুদ্ধকরণ।
____
ইলমি : ইলমওয়েব ম্যাগাজিন
আকিদাহপাঠ : গুরুত্ব ও ক্রমবিকাশ (খন্ডাংশ)
উসতায শাইখুল ইসলাম
11/04/2026
❝যদি তোমাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া না থাকত, (তাহলে তোমরা ধ্বংস হয়ে যেতে)। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ অধিক তাওবাহ গ্রহণকারী, প্রজ্ঞাময়।❞
[ সুরা আন-নুর, ২৪ : ১০ ]
10/04/2026
❝তুমি সালাফদের পথ আঁকড়ে ধরো, যদিও মানুষ তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে। আর মানুষের (ব্যক্তিগত) মতামত থেকে বেঁচে থাকো, যদিও তারা কথা দিয়ে তোমার কাছে সাজিয়ে উপস্থাপন করে।❞
____
ইমাম আল-আওযায়ী রাহিমাহুল্লাহ
(আশ-শারিয়া’হ ১/৪৫)
10/04/2026
❝আমাদের জাতির এই লোকেরা তাঁর পরিবর্তে বহু ইলাহ গ্রহণ করেছে, তারা তাদের ইলাহদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ পেশ করে না কেন? তার থেকে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে?❞
[ সুরা আল-কাহফ, ১৮ : ১৫ ]
04/04/2026
ইমাম মালিক কি শাওয়ালের ছয় সাওমকে মাকরুহ মনে করতেন?
—শাইখ হাসান আল-কাত্তানি
গ্রেনাডার সর্বশেষ আলিম হিসেবে স্বীকৃত ইমাম আল-মাওয়াক পার্শ্বটীকা হিসাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম উল্লেখ করেছেন। তিনি তাঁর উসতায শাইখুশ শুয়ুখ ইবনু লুব, ইমাম আল-হাফফারসহ আরও কয়েকজন থেকে বর্ণনা করেন যে, আদেশ ও নিষেধের ক্ষেত্রে আমরা মালিকি, কিন্তু পছন্দনীয়-অপছন্দনীয় বিষয়ে আমরা আহলুল হাদিসকে অনুসরণ করে থাকি। যেহেতু শাওয়ালের সিয়াম দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে, তাই তাঁরা আহলুল হাদিস উলামা কিরামের অনুসরণ করতেন।
[ সম্পূর্ণ আর্টিকেলের লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া হল]
03/04/2026
রমাদান পরবর্তী প্রথম অফলাইন হালাকাহ।