15/05/2026
📢 Research Webinar On ~
🔍 𝗪𝗼𝗿𝗸𝗽𝗹𝗮𝗰𝗲 𝗛𝗮𝗿𝗱𝘀𝗵𝗶𝗽𝘀 𝗮𝗻𝗱 𝗠𝗮𝘁𝗲𝗿𝗻𝗶𝘁𝘆 𝗥𝗲𝗮𝗹𝗶𝘁𝗶𝗲𝘀:
𝘼 𝙌𝙪𝙖𝙡𝙞𝙩𝙖𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙀𝙭𝙥𝙡𝙤𝙧𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣 𝙤𝙛 𝙋𝙧𝙚𝙜𝙣𝙖𝙣𝙩 𝙂𝙖𝙧𝙢𝙚𝙣𝙩 𝙒𝙤𝙧𝙠𝙚𝙧𝙨 𝙞𝙣 𝘽𝙖𝙣𝙜𝙡𝙖𝙙𝙚𝙨𝙝
🤰This session will explore the lived experiences, workplace challenges, psychosocial realities, and policy implications surrounding pregnant garment workers in Bangladesh through a qualitative research perspective.
The webinar aims to encourage evidence-based discussion on maternal wellbeing, labor rights, mental health, and workplace support systems.
🎙 Speaker:
𝙈𝙖𝙝𝙖𝙙𝙞-𝙐𝙡-𝙈𝙤𝙧𝙨𝙝𝙚𝙙
Mahadi-Ul-Morshed
Researcher & Policy Analyst
Lead Researcher, CRM
Head, Research & Development Division, BONDHU
🪑 Session Chair:
𝙆𝙝𝙖𝙩𝙪𝙣𝙚 𝙅𝙖𝙣𝙣𝙖𝙩
Lecturer and Researcher,
Dept. of Sociology and Institute of Forensic Science and Cyber Security (IFSC)
National University, Gazipur
💬 Discussant:
𝙉𝙪𝙧𝙪𝙣𝙣𝙖𝙝𝙖𝙧 𝙉𝙪𝙥𝙪𝙧
Founder and Managing Director, Positive Thinking.
BSC(Hons) in Occupational Therapy. Masters in Special Education (Australia)
📅 𝗗𝗮𝘁𝗲: 15 May 2026 (Friday)
🕘 𝗧𝗶𝗺𝗲: 8:00 PM – 9:30 PM
📍 𝗣𝗹𝗮𝘁𝗳𝗼𝗿𝗺: Google Meet
🎟 𝗙𝗿𝗲𝗲 𝗥𝗲𝗴𝗶𝘀𝘁𝗿𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 & 𝗘-𝗰𝗲𝗿𝘁𝗶𝗳𝗶𝗰𝗮𝘁𝗲
📎 𝐑𝐞𝐠𝐢𝐬𝐭𝐫𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐋𝐢𝐧𝐤: https://forms.gle/3LTLGpqXgfy5gZSi9
✅ 𝗢𝗣𝗘𝗡 𝗙𝗢𝗥 𝗔𝗟𝗟 — Mental health advocates, students, researchers, and policymakers are encouraged to join.
We warmly encourage participation from individuals interested in research, maternal health, labor studies, psychology, sociology, gender studies, and public policy.
🌱 Let’s come together to discuss research, reality, and responsibility toward maternal wellbeing in the workplace.
📍 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤 𝐄𝐯𝐞𝐧𝐭: https://www.facebook.com/share/18GetXtz9d/
📌 Organized by:
𝐂𝐞𝐧𝐭𝐫𝐞 𝐅𝐨𝐫 𝐑𝐞𝐬𝐞𝐚𝐫𝐜𝐡 𝐈𝐧 𝐌𝐮𝐥𝐭𝐢𝐝𝐢𝐬𝐜𝐢𝐩𝐥𝐢𝐧𝐞 – 𝐂𝐑𝐌
-----------------------------------------------------------------------
🔘 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐚𝐜𝐭 𝐖𝐢𝐭𝐡 𝐔𝐬‼️
📧 𝐄𝐦𝐚𝐢𝐥: [email protected]
📞 𝐏𝐡𝐨𝐧𝐞: 01714-685151 [Whatsapp only]
🌐 𝐅𝐁: Centre For Research In Multidiscipline - CRM
#মানসিকস্বাস্থ্য #সায়েন্টিফিকওয়েবিনার #মানসিকস্বাস্থ্য
#গবেষণাভিত্তিকআলোচনা
10/05/2026
International Mother's Day উপলক্ষে " Parenting styles of pregnant garment workers in Bangladesh: a qualitative study" শীর্ষক গবেষণা পেপার উপস্থাপনে Session Expert হিসেবে ছিলাম। এই আয়োজনটি আজকে রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সেশনটির আয়োজক ছিলো BONDHU।
03/03/2026
"Work-Life Balance among Primary School Teachers: Influence of Multiple Income Streams on Physical and Mental Well-Being" শীর্ষক গবেষণায় দেখা যায় যে,
বর্তমান সময়ে আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে অনেক প্রাথমিক শিক্ষক মূল চাকরির পাশাপাশি প্রাইভেট টিউশনি বা অন্য ছোটখাটো কাজ (মুনলাইটিং) করতে বাধ্য হচ্ছেন। যদিও বাড়তি আয়ের লক্ষ্য থাকে অভাব মেটানো, কিন্তু এর ফলে শিক্ষকদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের গবেষণার মূল বিষয় হলো এই বাড়তি কাজের চাপ কীভাবে একজন শিক্ষকের স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করছে।
সাধারণত মনে করা হয়, কাজ শেষে মানুষ বিশ্রাম নিয়ে আবার সতেজ হয়ে ওঠে। কিন্তু যখন একজন শিক্ষক স্কুল শেষ করেই অন্য কাজে লেগে পড়েন, তখন তার শরীর ও মস্তিষ্ক বিশ্রামের কোনো সুযোগ পায় না। একেই বলা হয় 'রিকভারি প্যারাডক্স'। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি, অনিদ্রা এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, যা সরাসরি শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের গুণগত মান কমিয়ে দেয়।
এই গবেষণাটি দেখায় যে, শিক্ষকদের সুস্থতা কেবল তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নয়; বরং এটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি বড় সংকট। যদি শিক্ষকরাই সুস্থ না থাকেন, তবে তারা শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারবেন না। তাই শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত বেতন এবং মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি, যাতে তাদের টিকে থাকার জন্য বাড়তি কাজের পেছনে ছুটতে না হয়।
ছবি জেমিনি এআই।
30/01/2026
‘ওয়েল-বিয়িং প্ল্যান ২০২৬’:
মানসিক সুস্থতা কি আদৌ আমাদের ‘জাতীয় অগ্রাধিকার’? 🧠🇧🇩
---------------------------------------------------------------------------
মাহাদী-উল-মোর্শেদ
Mahadi-Ul-Morshed
গবেষক,
ও পলিসি এনালিস্ট
---------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশের উন্নয়নের জয়গাথা এ যাবৎকাল ছিল মূলত একরঙা যেখানে ইট-পাথর, অবকাঠামো, অর্থনীতি আর ডিজিটাল কানেক্টিভিটির জয়গান গাওয়া হয়েছে 🏗️📊📡। কিন্তু উন্নয়নের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রধান চালিকাশক্তি যে তরুণ সমাজ, তারা যখন মানসিকভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, তখন সেই উন্নয়ন প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য। আজ আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে দেশের উচ্চশিক্ষার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, হতাশা ও পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (পিটিএসডি) মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক গবেষণার পরিসংখ্যানগুলো কেবল সংখ্যা নয়, বরং একটি জাতীয় সংকটের অশনিসঙ্কেত ⚠️।
🖇️ জুলাই-আগস্ট আন্দোলনঃ একটি বিশাল মনস্তাত্ত্বিক ক্ষত
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী রাজনৈতিক অধ্যায় ✊📜। কিন্তু এই আন্দোলনের রাজপথের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মনে যে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে, তার খবর আমরা কতটুকু রাখছি? ‘সেন্টার ফর সাইকোলজিক্যাল হেল্থ’ এবং ‘সেন্টার ফর রিসার্চ ইন মাল্টিডিসিপ্লিন - সিআরএম’ কর্তৃক পরিচালিত সাম্প্রতিক গবেষণা (শারমিন ও মাহাদী, ২০২৫) এই ট্রমার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। গবেষণার তথ্যমতে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, জুলাই-আগস্টের সেই দুঃসহ অভিজ্ঞতার পর ৭৬.৫২ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী গভীর মানসিক চাপে ভুগছেন, যা পুরুষ শিক্ষার্থীদের (৭২.৯০ শতাংশ) তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার গ্রাফ আরও ভয়ংকর 📈। যেখানে প্রায় ৯২.৬৮ শতাংশ নারী এবং ৮৬.৭৩ শতাংশ পুরুষ শিক্ষার্থী তীব্র উদ্বেগের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়া গুরুতর হতাশায় ভুগছেন ৩৫.৪ শতাংশ নারী ও ২১.৬১ শতাংশ পুরুষ শিক্ষার্থী। এই পরিসংখ্যানগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে, আন্দোলনের ট্রমা কেবল সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বরং এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
🖇️ মানসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক দীনতা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মানসিক স্বাস্থ্য একটি বৈশ্বিক সমস্যা হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর প্রকটতা বহুগুণ বেশি 🌍। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা কেবল একাডেমিক চাপের মধ্যেই নেই, তারা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতা, সামাজিক অস্থিরতা এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার এক ত্রিমুখী চাপে পিষ্ট। অথচ দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আমাদের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো কার্যকর পেশাদার কাঠামো নেই।
অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে কাউন্সেলিং সেবা অত্যন্ত সীমিত বা নামমাত্র 🏫। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংবেদনশীলতা ও প্রশিক্ষণের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। ফলে একজন শিক্ষার্থী যখন মানসিক চাপে ভোগেন, তখন সামাজিক কুসংস্কার ও ‘পাগল’ তকমা পাওয়ার ভয়ে তিনি সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকেন। বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রতিষ্ঠিত সত্য হলো “প্রতিরোধ ও প্রাথমিক সহায়তা যত দ্রুত নিশ্চিত করা যায়, পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তত বাড়ে।” কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কাঠামো যেন এই সত্যটি বুঝেও না বোঝার ভান করছে।
🖇️ ওয়েল-বিয়িং প্ল্যান ২০২৬: একটি সমন্বিত রূপরেখা
এই সংকটময় প্রেক্ষাপটেই “WELL-BEING Plan 2026: A National Youth Mental Health Initiative” প্রস্তাবনাটি একটি বৈপ্লবিক রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে সামনে এসেছে 🧩।
এটি কেবল মানসিক স্বাস্থ্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানায় না বরং এটিকে জাতীয় রাজনীতির ‘চূড়ান্ত অগ্রাধিকার’ হিসেবে দেখার প্রস্তাব দেয়। এই পরিকল্পনার মূল নির্যাস হলো মানসিক সুস্থতা কেবল একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় নয় এটি শিক্ষা, অবকাঠামো, রাজনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের সমন্বিত দায়িত্ব।
পরিকল্পনার প্রথম ধাপে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য টাস্কফোর্স’ গঠনের কথা বলা হয়েছে, যেখানে মনোবিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও যুব প্রতিনিধিরা নীতিনির্ধারণী ভূমিকা পালন করবেন। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি জেলা পর্যায়ে ‘মেন্টাল হেলথ অ্যাম্বাসেডর’ তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষজ্ঞের চেম্বার থেকে বের করে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে আসা।
🖇️ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তির সমন্বয়
‘ওয়েল-বিয়িং প্ল্যান ২০২৬’-এর সবচেয়ে কার্যকর দিক হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি হস্তক্ষেপ 🎓। প্রতিটি স্কুলে কাউন্সেলিং কর্নার স্থাপন, পিয়ার সাপোর্ট গ্রুপ গঠন এবং শিক্ষকদের জন্য ‘সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড’ প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা এই পরিকল্পনার প্রধান স্তম্ভ। শারমিন ও মাহাদীর (২০২৫) গবেষণায় যে পিটিএসডি-র চিত্র উঠে এসেছে, তা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ‘সেফ স্পেস’ বা নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করা এখন সময়ের দাবি 🛡️।
পাশাপাশি, বর্তমান প্রজন্মের ডিজিটাল অভ্যস্ততাকে কাজে লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সচেতনতা প্রসারের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে 📱।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক সহায়তার একটি সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তোলাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। এটি কেবল একটি সমাধান নয় এটি একটি নতুন সামাজিক শোনার সংস্কৃতি (Listening Culture) গড়ে তোলার আন্দোলন।
🖇️ রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
মানসিক স্বাস্থ্যকে অনেক সময় ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে দেখা হলেও বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক গবেষণাগুলো বলছে অন্য কথা। মানসিক অসুস্থতা সরাসরি একটি দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে 💼।
একজন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত তরুণ কখনোই একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বা টেকসই উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে না। তাই রাষ্ট্রীয় বাজেটে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং এটি একটি দূরদর্শী জাতীয় বিনিয়োগ।
সহিংস রাজনীতি, উগ্রবাদ বা সামাজিক অসহিষ্ণুতার শেকড় অনেক সময় অবদমিত মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে নিহিত থাকে।
‘ওয়েল-বিয়িং প্ল্যান ২০২৬’ প্রস্তাবিত ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ও সহমর্মিতার প্রশিক্ষণ যদি রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তবে তা একটি সুস্থ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে বিপ্লব ঘটাবে 🤝।
🖇️ মনের সুস্থতাই আগামীর ভিত্তি
আমাদের মনে রাখতে হবে, বড় বড় সেতু বা চওড়া রাস্তা একটি দেশের কঙ্কাল হতে পারে, কিন্তু সেই দেশের প্রাণ হলো তার মানুষ । আর মানুষের প্রাণের সুস্থতা নির্ভর করে তার মনের ওপর। চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের পর আমাদের যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, সেই স্বপ্নের মূলে থাকতে হবে একটি মানসিকভাবে সুস্থ ও লড়াকু প্রজন্ম।
আজকের তরুণরা রাষ্ট্রের কাছে শুধু সার্টিফিকেট বা কর্মসংস্থান চায় না তারা চায় সম্মান, সুরক্ষা এবং তাদের কথা কেউ শুনবে এমন একটি সহানুভূতিশীল পরিবেশ। ‘ওয়েল-বিয়িং প্ল্যান ২০২৬’ সেই পরিবেশ তৈরিরই একটি জাতীয় রূপরেখা। সময় এসেছে উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রে মানুষের মনকে স্থাপন করার।
🌱 কারণ একটি সুস্থ মনের প্রজন্মই পারে একটি শক্তিশালী ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে ।
তাই বলবো মানসিক স্বাস্থ্য কোনো গৌণ বিষয় নয় এটিই জাতীয় উন্নয়নের আসল লিটমাস টেস্ট ✅
19/01/2026
যোগাযোগের প্রকারভেদ ও প্রক্রিয়াঃ একটি সহজ পাঠ
যোগাযোগ হলো একে অপরের সাথে মনের ভাব, তথ্য বা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার একটি সেতু। এটি ছাড়া আমাদের ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবন অচল। মূলত যোগাযোগের মাধ্যম ও কৌশলের ওপর ভিত্তি করে একে চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়ঃ
১. মৌখিক যোগাযোগ (Verbal Communication)
যখন আমরা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে একে অপরের সাথে কথা বলি, সেটাই মৌখিক যোগাযোগ।
উদাহরণঃ সামনাসামনি কথা বলা, মোবাইল কল বা জুম মিটিং।
সুবিধাঃ এতে দ্রুত উত্তর বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়।
২. অ-মৌখিক যোগাযোগ (Non-Verbal Communication)
অনেক সময় আমরা মুখে কিছু না বলেও মনের ভাব প্রকাশ করি। আমাদের শরীরের ভঙ্গি, চোখের ইশারা বা মুখের হাসি এখানে বার্তার কাজ করে।
উদাহরণঃ ক্লাসে শিক্ষক ঢোকার পর হাত তুলে সম্মান জানানো বা মাথা নেড়ে সম্মতি দেওয়া।
সুবিধাঃ এটি মানুষের আবেগ ও মেজাজ বুঝতে সাহায্য করে।
৩. লিখিত যোগাযোগ (Written Communication)
যখন কোনো তথ্য লিখে প্রকাশ করা হয়। এটি প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
উদাহরণঃ ই-মেইল, ফরমাল লেটার, টেক্সট মেসেজ বা অফিসের রিপোর্ট।
সুবিধাঃ এটি স্থায়ী প্রমাণ হিসেবে ভবিষ্যতে ব্যবহার করা যায়।
৪. দৃশ্যমান বা ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ (Visual Communication)
মানুষ যা দেখে দ্রুত বুঝতে পারে, সেটাই ভিজ্যুয়াল যোগাযোগ। ছবি বা চিহ্নের মাধ্যমে এটি করা হয়।
উদাহরণঃ ট্রাফিক সিগন্যাল, কোনো বিষয়ের গ্রাফ বা ম্যাপ।
সুবিধাঃ অল্প সময়ে অনেক তথ্য সহজভাবে বোঝানো যায়।
যোগাযোগ প্রক্রিয়া মডেল (Communication Process Model)
যোগাযোগ কেবল একতরফা কথা বলা নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ চক্র। নিচের মডেলটি দেখলে আমরা বুঝতে পারি একটি বার্তা কীভাবে একজনের কাছ থেকে অন্যজনের কাছে পৌঁছায়ঃ
১. প্রেরক (Sender): যিনি কথা বলা বা যোগাযোগ শুরু করেন।
২. বার্তা (Message): মূল তথ্য বা কথা যা জানানো হবে।
৩. এনকোডিং (Encoding): বার্তাকে শব্দ, চিত্র বা লেখার মাধ্যমে রূপ দেওয়া।
৪. চ্যানেল (Channel): যে মাধ্যম (ফোন, ইন্টারনেট বা সরাসরি কথা) ব্যবহার করা হচ্ছে।
৫. নয়েজ (Noise): যোগাযোগের মাঝখানের বাধা (যেমন: নেটওয়ার্ক সমস্যা বা বাইরের শব্দ)।
৬. ডিকোডিং (Decoding): প্রাপক যখন বার্তাটি শুনে বা পড়ে তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন।
৭. প্রাপক (Receiver): যার কাছে বার্তাটি পাঠানো হয়েছে।
৮. ফিডব্যাক (Feedback): এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রাপক যখন উত্তর দেন বা প্রতিক্রিয়া দেখান, তখনই যোগাযোগ প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
জীবনে সফল হওয়ার জন্য কেবল কথা বলাই যথেষ্ট নয়, বরং 'কার্যকর যোগাযোগ' জানা প্রয়োজন। যেখানে আমরা অন্যের কথা শুনব এবং নিজের কথা স্পষ্টভাবে বোঝাতে পারব।
13/12/2025
গফরগাঁও রেইলওয়ে স্টেশন, ময়মনসিংহ
06/12/2025
The Lancet এ পেপার জমা দিলাম। এডিটর এসাইন করেছে। হয়তো SSRN এ প্রি-প্রন্টে দিবে। রিভিউ করলে বাদ পরবে বা টিকবে। সেটা নিয়ে ভাবছিনা।
ভাবার কারণ হলো আমাদের দেশের জন্য এভেইলেবল Ethical Approval কমিটি নেই। এটার জন্য লিখতে হয় আমাদে নেই। আর যেটা আছে সেটায় আমাদের রিচ কম।
একটা বিষয় খেয়াল করে দেখেছি ছাত্রসংসদ নির্বাচনে "তথ্য ও গবেষণা" পদ আছে। তারা খুব হেঁয়ালিপূর্ণ এজেন্ডা দেয় জয়লাভ করলে নির্বাচনে এই করবে সেই করবে বলে! কিন্তু আদতে কি তারা পারবে? কয়জনের গবেষণার কাজ জানা আছে। কপি পেস্ট দিয়ে কি এজেন্ডা বানাতে হয়?
প্রায় সকল সকল দলে "তথ্য ও গবেষণা" পদ আছে। তারা কি সেখানে আসলেই যোগ্যলোককে পদ দেয়?
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার মান কম থাকায় আমাদের এই Ethical Approval নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক গবেষণা পারেনা। অথচ প্রশিক্ষণ ঠিকই নেয়। কথাগুলো তিতা সত্য। এই দু'জায়গায় উন্নতি হলে আমার বা আমাদেরমত আগ্রহীরা গবেষণার কাজ আরো ভালোভাবে শিখতে পারবে।
বাই দ্যা ওয়ে এই পেপারটি PsychOpen GOLD publishing platform এর Europe’s Journal of Psychology থেকে ডিক্লাইন করে দিয়েছে। তারা বলেছে পেপারটি scope, methodology, innovation, and alignment কে সমর্থন করেনা।
তাই বলবো প্রকৃত "তথ্য ও গবেষণা" র লোককে প্রকৃত জায়গায় বসালে দেশের উন্নয়ন হবে। কাচঘেরা দেয়ালে বসে আর দেশের পলিসি মেইকিং করা প্রয়োজন হবেনা।
04/12/2025
WORKPLACE HARDSHIPS AND MATERNITY REALITIES: A QUALITATIVE EXPLORATION OF PREGNANT GARMENT WORKERS IN BANGLADESH শীর্ষক গবেষণায় গর্ভবতী মহিলাদের একটি পরিসংখ্যানিক ব্যাখ্যা পেলাম (Figure 1ঃ Bar Chart)। ৪০ জন অংশগ্রহণকারী এই গবেষণায় তথ্য দিয়েছিলেন। দেখা যাক কি পাওয়া গেলো।
এই গ্রাফটিতে ৪০ জন অংশগ্রহণকারীর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার গড় মান (Mean Score) বার আকারে দেখানো হয়েছে। যেহেতু স্কেল ছিল ১ = না, ২ = হ্যাঁ । তাই মান যত ২- এর কাছাকাছি, সমস্যাটি তত বেশি প্রচলিত।
গ্রাফের মূল দিকগুলোঃ Frequent Body Ache, Back Pain, Skin Irritation, Pain in Joints, এবং Anemia এগুলোতে গড় মান ১.৭-১.৯ এর মধ্যে। অর্থাৎ এই সমস্যাগুলো অধিকাংশ অংশগ্রহণকারীই অভিজ্ঞতা করেছেন।
অপরদিকে Headache, Nausea, এবং Stomach Ache/Ulcer এগুলোর গড় মান ১.২-১.৩ এর মধ্যে। এগুলো তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।
Respiratory Problems এবং Fainting at the Workplace (কর্মক্ষেত্রে অজ্ঞান হওয়া) এগুলোর মান মাঝামাঝি (প্রায় ১.৫-১.৬), অর্থাৎ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অংশগ্রহণকারী এ সমস্যাগুলো অনুভব করেছেন।
পরিশেষে, গ্রাফ থেকে দেখা যায় যে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাংসপেশির ব্যথা, জয়েন্টের ব্যথা, ত্বকের জ্বালা, অ্যানেমিয়া এবং সাধারণ শরীর ব্যথা খুব বেশি প্রচলিত। বিপরীতে মাথাব্যথা, বমিভাব এবং পেটব্যথা তুলনামূলকভাবে কম।
Figure 2-এর ব্যাখ্যা (Line Graph) য় দেখা যায় যে, এই লাইনের মাধ্যমে প্রতিটি স্বাস্থ্য সমস্যার গড় মান ধারাবাহিকভাবে দেখানো হয়েছে। এটি দেখায় কোন সমস্যাটি বেশি বা কম প্রচলিত, এবং সমস্যাগুলোর মধ্যে পার্থক্য কেমন।
গ্রাফের মূল দিকগুলোঃ Line graph-এ পরিষ্কার দেখা যায়, Frequent Body Ache, Joint Pain, Skin Irritation, এবং Anemia সবচেয়ে ওপরে অবস্থান করছে। এগুলোর মান বেশি, অর্থাৎ এগুলো সবচেয়ে বেশি রিপোর্ট করা সমস্যাগুলো।
অপরদিকে Eye Problems, Headache, Nausea, Stomach Ache এগুলোর মান নিচের দিকে। অর্থাৎ এগুলোর প্রাদুর্ভাব কম।
গ্রাফে সামগ্রিকভাবে মান বেড়ে-কমে ওঠানামা করেছে, যা দেখায় যে সব সমস্যার প্রাদুর্ভাব একই নয় কিছু খুব বেশি, কিছু মাঝারি, কিছু খুব কম।
দুইটি গ্রাফই একই তথ্য ভিন্ন উপায়ে দেখিয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রচলিত স্বাস্থ্য সমস্যার তালিকাঃ Frequent body ache, Skin irritation, Pain in joints, Anemia, Back pain। আবার সবচেয়ে কম প্রচলিত স্বাস্থ্য সমস্যার তালিকাঃ Frequent headache, Nausea & vomiting, ও Stomach ache/ulcer
তাই বলা যায় যে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শারীরিক পরিশ্রম সংক্রান্ত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সংক্রান্ত এবং পুষ্টিগত ঘাটতি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।
পেপারটি প্রকাশ পেয়েছে রোমানিয়ান জার্নাল অফ সাইকোলজিক্যাল স্টাডিজ শীর্ষক সাময়িকীর নভেম্বর, ২০২৫ সংখ্যায়।
29/11/2025
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত লাখো নারীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ গর্ভবতী অবস্থায় কর্মসংস্থানের নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। সীমিত মাতৃত্বকালীন সুবিধা, কম পুষ্টি গ্রহণ, শিশুসেবার অনুপস্থিতি এবং কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীনতা সব মিলিয়ে এটি মা ও শিশুর শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। এই গবেষণার উদ্দেশ্য হলো প্রমাণভিত্তিক ও বাস্তবানুগ হস্তক্ষেপের প্রস্তাব তুলে ধরা, যাতে সরকার, কারখানা মালিক, উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় কমিউনিটি একসাথে কাজ করতে পারে। PARENTING STYLES OF PREGNANT GARMENT WORKERS IN BANGLADESH: A QUALITATIVE STUDY by Mahadi-Ul-Morshed শীর্ষক গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে Romanian Journal of Psychological Studies নভেম্বর,২০২৫ সংখ্যায়।
আমার গবেষণায় যে চ্যালেঞ্জগুলো পাওয়া গিয়েছেঃ ১) সাশ্রয়ী ও মানসম্মত ডে-কেয়ার সুবিধার অভাব। ২) সেক্টরজুড়ে অসম মাতৃত্বকালীন ছুটি। ৩) অপর্যাপ্ত পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা। ৪) শ্রমিকদের শিশুদের শিক্ষার অসম সুযোগ। ৫) নিরাপদ খেলার জায়গার অভাব। ৬)
প্যারেন্টিং সাপোর্টের অভাব। ৭) যৌন হয়রানি ও ৮) কর্মস্থলের নিরাপত্তাহীনতা।
.......................................................................................................................................
WORKPLACE HARDSHIPS AND MATERNITY REALITIES: A QUALITATIVE EXPLORATION OF PREGNANT GARMENT WORKERS IN BANGLADESH by Mahadi-Ul-Morshed শীর্ষক গবেষণায় বাংলাদেশের আরএমজি খাতে কর্মরত গর্ভবতী নারী শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে। কম মজুরি, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, স্বাস্থ্যসেবার অভাব, সীমিত মাতৃত্বকালীন সুবিধা এবং অপ্রতুল স্যানিটেশন ও শিশুসেবা সব মিলিয়ে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যৌন হয়রানি, চাকরির অনিশ্চয়তা এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের ঘাটতি তাদের দুর্বলতা আরও বাড়িয়ে তোলে। এসব প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা শুধু মাতৃস্বাস্থ্য নয়, শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। গর্ভবতী শ্রমিকদের অধিকার, সুরক্ষা ও সুস্থ জীবনমান নিশ্চিত করতে কঠোর আইনপ্রয়োগ, লিঙ্গ-সংবেদনশীল সংস্কার এবং শ্রমিক ক্ষমতায়ন অপরিহার্য।
সুপারিশসমূহঃ ১) মাতৃত্বকালীন ছুটি, বেতন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রম আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন। ২) বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, পুষ্টিকর খাবার এবং গর্ভবতী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। ৩) যৌন হয়রানি প্রতিরোধে স্পষ্ট নীতি, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ ও গোপন অভিযোগ ব্যবস্থাপনা চালু। ৪) সাশ্রয়ী বা কারখানাসংলগ্ন Childcare Center ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন সুবিধা প্রদান। ৫) শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকার ও ইউনিয়ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা।
এই গবেষণাটিও প্রকাশ পেয়েছে Romanian Journal of Psychological Studies নভেম্বর,২০২৫ সংখ্যায়।
#গবেষণা BONDHU
Centre For Research In Multidiscipline - CRM
24/11/2025
20 Minute Medical এর আমন্ত্রণে আজকে (রাত ৯টা - ১১.০৫ টা পর্যন্ত) Research: From Idea to Publication শীর্ষক একটি গবেষণার সেশন নিলাম। এতে ১৭৪ জন অংশগ্রহণ করেছে। অনেক বড় একটা বিষয়কে সামারী করে টাইমফ্রেমে আনা ও অংশগ্রহণকারীদেরকে বুঝিয়ে বলাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিলো।
তবে আমি ফিডব্যাক পেয়েছি বেশ দারুণ। কারণ অংশগ্রহণকারীরা আরো নতুন নতুন বিষয় নিয়ে সেশন করতে আগ্রহী আছেন বলে জানিয়েছেন।
ধন্যবাদ Jahidul Hasan আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য।