কীভাবে বুঝবেন বিপদ, পরীক্ষা না শাস্তি⁉️
Nurul Quran Academy-NQA
ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষাদানের বিশ্বস্ত একটি অনলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
আমাদের একাডেমিতে আছে বিভিন্ন বিষয়ের পেইড ও ফ্রি কোর্স সমূহ। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- www.nlquran.com
পেইড কোর্সসমূহ-
১- কুরআন শিক্ষা কোর্সের বিবরণ
https://nlquran.com/courses/learning-quran-course/
২- কুরআন সহীহকরণ (নাযেরা) কোর্সের বিবরণ
https://nlquran.com/courses/quran-correction-course/
৩- হিফজুল কুরআন কোর্সের বিবরণ
https://nlquran.com/courses/hifzul-quran-course/
৪- শুধু ৩০ নং
16/05/2026
প্রতিদিন মাগরিব টু মাগরিব নিজের জন্য দুরুদ ও ইস্তেগফারের একটা টার্গেট রাখা যায়।
৫/১০ হাজার হতে হবে কথা নেই। যার পক্ষে যতটুকু যিকর সম্ভব, সে ততটুকু করবে৷ সত্যি বলতে আমার এমন দিনও যায় যে ৫০০ ইস্তেগফারও হয়না। এটা যার যার ব্যক্তিগত সময়-সুযোগ-সুস্থতার উপর নির্ভর করে। তবে পরিমাণে বেশি করতে পারাটাই উত্তম।কোনোদিন কম,কোনোদিন বেশি হবে এমনটাই স্বাভাবিক। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
কাজের ফাঁকে বা পড়াশোনার মাঝে দুরুদ ও ইস্তেগফারের ছোট ছোট টার্গেট নিলে অনেক বেশি আমল করা যায় আল্লাহর রহমতে। ❝এই থালাবাসনগুলো পরিষ্কার করতে করতে ১০ বার দুরুদে ইবরাহীম পড়বো,বইয়ের এই পৃষ্ঠা পড়া শেষ হলে ১০০ বার ছোট দুরুদ(ﷺ) পড়বো, রুমটা পরিষ্কার করতে করতেই কয়েকশো ইস্তেগফার করবো❞_এভাবে নিজেকে তাগাদা দিলে কাজের পাশাপাশি ইবাদাতও হয়। কাজের সময় বিরক্তি,অলসতা কমে।
অপ্রয়োজনীয় আলাপ ও অহেতুক চিন্তা বাদ দিলে সেই সময়টুকু ইস্তেগফার ও দুরুদ পাঠ করা যায়। আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়। ডিপ্রেশন কমে। দুআ কবুলের সম্ভাবনা বাড়ে। প্রয়োজন পূরণ হয়।
-Tahia islam
পৃথিবীতে মুসলমানরা নারীদের নিয়ে যখন কথা বলেছে
তখন আজকাল নারীবাদীদের জন্মও হয়নি‼️
15/05/2026
সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার দিন আজ।
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:"সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন।" (সহিহ মুসলিম)
🔹 জুমার দিনের বিশেষ আমল গুলো:
১. গোসল করা: জুমার দিন ফজরের পর গোসল করা সুন্নত। এটি পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার নিদর্শন।
হাদিসে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করবে, তার জন্য এটি পবিত্রতার কারণ হবে।" (সহিহ বুখারি, ৮৮০)
২. পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা: সাদা পোশাক পরা উত্তম এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নত।
৩. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করা: জুমার দিন সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে একটি নূর থাকবে।" (সহিহ মুসলিম)
৪. দুরুদ পাঠ করা: রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "জুমার দিন আমার উপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ কর।" (আবু দাউদ, ১০৪৭)
৫. জুমার খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনা: খুতবা চলাকালে কথা বলা নিষিদ্ধ। খুতবা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে।
৬. জুমার বিশেষ দুআ কবুলের সময়ে দুআ করা: হাদিসে এসেছে, "জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যখন বান্দা যদি আল্লাহ্র কাছে কোনো দুআ করে, তা কবুল করা হয়।" (সহিহ বুখারি, ৯৩৫)
এই দিনে আমরা যেন বেশি বেশি ইস্তেগফার, দান-সাদাকা, কুরআন তিলাওয়াত ও নেক আমল করার চেষ্টা করি।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে জুমার দিনের মর্যাদা বুঝে আমল করার তাওফিক দিন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দান করুন।
আমিন।
14/05/2026
ঘুমন্ত অবস্থায় ভয় এবং একাকিত্বের অস্বস্তিতে পড়ার দো‘আ-
ইনশাআল্লাহ, আজ রাত ৯:৩০ এ অনুষ্ঠিত হবে 'কুরআন অনুধাবনের গুরুত্বপূর্ণ ১০ নীতি' শীর্ষক ওয়েবিনার। রেজিষ্ট্রেশন লিংক কমেন্টে দেখুন।
14/05/2026
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট‼️
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।
সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।
২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা: বারবার বলি: *আস্তাগফিরুল্লাহ*
নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।
৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:
এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:
আল্লাহু আকবার*
আলহামদুলিল্লাহ*
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ*
সুবহান-আল্লাহ*
এভাবেও পড়তে পারি:
--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
৪. কুরআন তিলাওয়াত করা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।
৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:
বিশেষ করে:
* তাহাজ্জুদ
* সালাতুদ দুহা
৬. রোযা রাখা
সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি। বিশেষভাবে *আরাফার দিনের রোযা* অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!
৭. বেশি বেশি দোয়া করা:
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।
৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:
কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।
৯. সদকা করা:
সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।
১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।
১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:
যেমন:
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা
* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া
* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো
১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর
হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।
কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।
এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:
* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা
* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া
* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা
* অন্তরকে নরম করা
এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।
১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:
আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।
১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:
যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন। আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।
এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:
"লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক"
অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি। হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।
১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:
এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।
১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:
ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।
এক নজরে আমল চেকলিস্ট:
☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
☐ কুরআন তিলাওয়াত
☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির
☐ ইস্তিগফার
☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা
☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা
☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা
☐ সদকা দেয়া
☐ নফল সালাত
☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা
☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
☐ ভালো ব্যবহার করা
☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া
☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে
নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --
“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"
আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন। আমিন।
—শারিন সফি আদ্রিতা
'কুরআন অনুধাবনের গুরুত্বপূর্ণ ১০ নীতি' শীর্ষক ওয়েবিনারটি আগামীকাল রাত ৯:৩০ এ অনুষ্ঠিত হবে। রেজিষ্ট্রেশন করেছেন তো? লিংক কমেন্টে
দেরী হবে কিন্তু একটা সময় সব হবে⁉️
হাকীমুল উম্মাত শাহ আশরাফ আলী খনিজ লাম!
রহিমাহুল্লাহকে একজন মুরীদ বলেন, "শায়খ, খুব ভয় হয় -মৃত্যুর সময় কি কালেমা নসিব হবে?" ভিডিওটি আপনার প্রিয় বন্ধু ও পরিবারের সাথে শেয়ার ও ১ শায়খ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লাহ তাকে উত্তমভাবে নির্দেশ দিলেন: "আমি তোমাকে একটি খুব সহজ পদ্ধতি শিখাই।
এটি করলে, ইনশাআল্লাহ, মৃত্যুর সময় কালেমা নসিব হবে। পদ্ধতিটি হলো: কোনো এক সময় দুই রাকাত সালাতুল হাজত পড়ো। সালাতের পরে সুন্দরভাবে কালেমা শাহাদাত পড়ো। মুনাজাতে আল্লাহ পাককে বলো: 'হে আমার আল্লাহ! আমি এই কালেমা আপনার নিকট আমানত হিসেবে রেখে দিলাম। মৃত্যুর সময় আপনি আমাকে এই আমানত ফিরিয়ে দিন।'
শায়খ আরও বলেন, "জেনে রাখো, আল্লাহ পাক থেকে উত্তম আমানত রক্ষাকারী আর কেউ নেই। তিনি তোমাকে ঠিক সময়ে তোমার রাখা আমানত ফিরিয়ে দেবেন।" আমরাও এই সহজ আমলটি করে আল্লাহর নিকট আমাদের কালেমা আমানত রাখতে পারি।
©
কোরআনের সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত কোনটি⁉️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Bosila, Muhammadpur
Dhaka