উপমহাদেশ

উপমহাদেশ

Share

বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত গ্রুপ।

27/04/2026

২৭ বছর বয়সী নাহিদা বৃষ্টি আর ২৭ বছর বয়সী জামিল লিমনকে লাস্ট দেখা গিয়েছিল ১৬ই এপ্রিল সকালে।

কোর্টের ডকুমেন্টস অনুযায়ী, বৃষ্টির এক বন্ধু ইউএসএফ পুলিশকে জানায় যে সে ১৭ই এপ্রিল বৃষ্টির সাথে কন্টাক্ট করার ট্রাই করে, কিন্তু তার ফোন অফ ছিল। এরপর সে তাদের কমন ফ্রেন্ড লিমনের সাথে কন্টাক্ট করার ট্রাই করে, কিন্তু লিমনের ফোনও অফ পাওয়া যায়। নিখোঁজ স্টুডেন্টদের আরেকজন ফ্রেন্ড জানায়, ১৬ই এপ্রিল সকাল ১১:৩০-এ বৃষ্টির সাথে তার ফোনে লাস্ট কথা হয়। এরপর দুপুর ২:১৪-তে বৃষ্টি তাকে ফোন করে তার চশমাটা নিয়ে আসতে বলে। ওই ফ্রেন্ড বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওয়েট করে, কিন্তু বৃষ্টি আর আসেনি। সে বৃষ্টিকে কল করার ট্রাই করে, রিং হয়, কিন্তু বৃষ্টি ফোন ধরে নাই। এরপর সে আরও কয়েকবার কল দেয়, কিন্তু সবগুলা কল সোজা ভয়েসমেলে চলে যায়।

১৭ই এপ্রিল, প্রথম বন্ধুটা লিমনকে তার ১৩৬১২ অ্যাভালন হাইটস বুলেভার্ডের অ্যাপার্টমেন্টে খুঁজতে যায়। সেখানে লিমনের এক রুমমেটের সাথে তার কথা হয়। ওই রুমমেট জানায় সে জানে না লিমন কোথায়, আর লিমনের স্কুটারটা অ্যাপার্টমেন্টেই ছিল। লিমনের আরেকজন রুমমেট ছিল, যার নাম হিসাম আবুঘারবিয়েহ।

১৮ই এপ্রিল ইউএসএফ পুলিশ বৃষ্টির ওয়ার্কপ্লেসে যায় এবং তার অফিসের ভেতর লাঞ্চবক্স, ম্যাকবুক, একটা বড় পার্স আর আইপ্যাডসহ তার বেশ কিছু পার্সোনাল জিনিসপত্র খুঁজে পায়। আইপ্যাডে লিমন আর বৃষ্টির ফেসবুক মেসেঞ্জারের কনভারসেশন ছিল, যা থেকে কনফার্ম হওয়া যায় যে তারা নিজেদের লোকেশন শেয়ার করেছিল। এই লোকেশন থেকে জানা যায় ১৬ই এপ্রিল দুপুর ১২:৪১-এ বৃষ্টি ফ্লেচার অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি ছিল এবং লিমনকে কল করেছিল। এরপর দুপুর ২:৩৯-এ বৃষ্টির অ্যাকাউন্ট থেকে লিমনকে একটা মেসেজ পাঠানো হয়, কিন্তু কোর্টের ডকুমেন্টস বলছে এটা অন্য একটা ভাষায় ছিল এবং কনটেক্সট ক্লিয়ার না। এরপর বৃষ্টি ২:৪২ এবং ২:৫২-তে আরও দুইটা কল করে।

ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় ১৬ই এপ্রিল দুপুর ১২:০৮-এ বৃষ্টি তার অফিস বিল্ডিং থেকে বের হচ্ছে। আরেকটা ক্যামেরায় দেখা যায় ১২:০৯-এ সে রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা মাথায় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। ডিটেকটিভরা লিমনের ওই রুমমেটের সাথে দেখা করে, যে কিনা দাবি করেছিল ১৫ই এপ্রিল সন্ধ্যায় সে লিমনকে লাস্ট ভাত রান্না করতে দেখেছিল। ১৬ই এপ্রিল দুপুর ১টায় যখন ওই রুমমেট অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হয়, তখনো লিমনের স্কুটারটা সেখানেই ছিল।

ইউএসএফ পুলিশ লিমনের ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে। দেখা যায় বিকেল ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে ফোনটা লিমনের স্কুল/রেসিডেন্সের আশেপাশে ছিল। এরপর সন্ধ্যা ৭:৪৩-এ সেটা কোর্টনি ক্যাম্পবেলের দিকে যায় এবং রাত ৮:২৫-এর পর ক্লিয়ারওয়াটারে অবস্থান করে। যেহেতু লিমনের অ্যাপার্টমেন্ট হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিসের আন্ডারে পড়ে, তাই তারা লিমনের ইনভেস্টিগেশনের দায়িত্ব নেয়। আর বৃষ্টিকে যেহেতু ক্যাম্পাসে লাস্ট দেখা গেছিল, তাই ইউএসএফ পুলিশ তার ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যায়। শেরিফ অফিস লিমনের রুম সার্চ করে এবং তার টুথব্রাশ, ল্যাপটপ চার্জার আর পাসপোর্টসহ বিভিন্ন পার্সোনাল জিনিসপত্র খুঁজে পায়।

ডিটেকটিভরা যখন দুই রুমমেটকেই ইন্টারভিউ করে, তখন হিসাম আবুঘারবিয়েহ দাবি করে যে সে এই দুই স্টুডেন্ট কোথায় আছে সে ব্যাপারে কিছুই জানে না। একজন ডিটেকটিভ খেয়াল করেন যে আবুঘারবিয়েহের বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙুল কাটা এবং সেটা প্যাঁচানো ছিল। কীভাবে সে এই ব্যথা পেল জিজ্ঞেস করলে, সে পুলিশকে বলে যে পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে আঙুল কেটে গেছে। সে এটাও কনফার্ম করে যে সে একটা সাদা হুন্ডাই জেনেসিস জি৮০ গাড়ি চালায়।

গাড়ির ট্যাগ ট্র্যাক করে দেখা যায় ১৬ই এপ্রিল সন্ধ্যা ৭:৫৩-তে গাড়িটা কোর্টনি ক্যাম্পবেল কজওয়ের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল। কোর্টের ডকুমেন্টস বলছে, লিমনের ফোনের লাস্ট লোকেশন পিং হওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই আবুঘারবিয়েহের গাড়িটা ব্রিজের ওপর মুভিং অবস্থায় ছিল। অতিরিক্ত তল্লাশিতে দেখা যায় আবুঘারবিয়েহের গাড়ি আর লিমনের ফোন একই এলাকায় ছিল, যখন ডিভাইসটা কোর্টনি ক্যাম্পবেলের কাছে ছিল এবং যখন সেটা ক্লিয়ারওয়াটার বিচের স্যান্ড কির কাছে ছিল।

পুলিশ আবুঘারবিয়েহের সাথে আবার ইন্টারভিউ করে। তখন সে দাবি করে যে লিমন এবং বৃষ্টি কখনোই তার গাড়িতে ওঠেনি এবং সে ক্লিয়ারওয়াটারেও যায়নি। নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা থাকার কথাও সে অস্বীকার করে। যখন তাকে তার গাড়ি ক্লিয়ারওয়াটারে থাকার ব্যাপারে চ্যালেঞ্জ করা হয়, তখন আবুঘারবিয়েহ দাবি করে যে সে তার ফোনের ম্যাপস অ্যাপ ইউজ করে মাছ ধরার জায়গা খুঁজতে সেখানে গেছিল। পুলিশ যখন তার সার্চের লোকেশন হিস্ট্রি দেখতে চায়, আবুঘারবিয়েহ বলে সেগুলা সে ডিলিট করে দিয়েছে।

পুলিশ তখন তাকে লিমনের ডিভাইস ক্লিয়ারওয়াটারে শো করার কথা বলে। তখন আবুঘারবিয়েহ বলে যে লিমন তাকে আর তার গার্লফ্রেন্ড বৃষ্টিকে ক্লিয়ারওয়াটারে ড্রপ করে দিতে বলেছিল। আবুঘারবিয়েহ এর কোনো কারণ জানায়নি, শুধু বলেছে সে তাদের নামিয়ে দিয়ে চলে আসে। পুলিশ আবার তাকে জিজ্ঞেস করে যে তার বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙুল কীভাবে কাটল। সে আগের কথাই ধরে রাখে যে পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে কেটেছে। তখন জিজ্ঞেস করা হয় যে পেঁয়াজ দিয়ে সে কী রান্না করছিল? সে দাবি করে তার মনে নেই। সে পুলিশকে এটাও বলে যে আঙুল কাটার পর সে ডাক্ট টেপ আর টয়লেট পেপার দিয়ে সেটা পেঁচিয়ে রেখেছিল।

পুলিশ যখন অ্যাপার্টমেন্টের সামনের ময়লার বিন চেক করে, তখন তারা একটা সিভিএসের রিসিট পায়। সেখানে ট্র্যাশ ব্যাগ, লাইসল ওয়াইপস, ফেব্রিজ, ফানিয়নস আর আইরিশ বডি ওয়াশ কেনার লিস্ট ছিল। রিসিটের ডেট ছিল ১৬ই এপ্রিল রাত ১০:৪৭। সেখানে সিলভার ডাক্ট টেপের কিছু টুকরাও ছিল, যার ভেতরে সাদা টিস্যুর মতো কিছু ছিল আর টেপের ভেতরের দিকে রক্ত লেগে ছিল। পুলিশ যখন প্রথম রুমমেটকে এই রিসিটের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে, সে জানায় আবুঘারবিয়েহ এগুলো ডেলিভারি দিতে অর্ডার করেছিল।

আবুঘারবিয়েহ এই জিনিসগুলো কেনার কথা অস্বীকার করে এবং দাবি করে ১৫ই এপ্রিলের পর সে সিভিএসে যায়নি। পুলিশ সিভিএসের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে দেখে যে ক্রেতা মূলত একজন ডেলিভারি ড্রাইভার ছিল।

২২শে এপ্রিল ইউনিটগুলো ক্লিয়ারওয়াটারের স্যান্ড কি পার্কে তল্লাশি চালায়। সেখানে তারা ম্যাগাজিনে গুলি ভর্তি কিন্তু চেম্বারে গুলি ছাড়া একটা পুরনো গ্লক আগ্নেয়াস্ত্র খুঁজে পায়। কোর্টের ডকুমেন্টস বলছে, অস্ত্রটা ফ্লোরিডা কিজের ম্যারাথনের একজনের নামে ট্র্যাক করা হয়েছে। তবে ইউনিটগুলো সেখান থেকে স্পষ্ট প্রমাণ হওয়ার মতো কোনো জিনিস পায়নি।

পুলিশ প্রথম রুমমেটের সাথে আবার কথা বলে। সে জানায়, ১৬ই এপ্রিল রাত ১১টায় সে যখন বাসায় ফেরে, তখন সে কমন এরিয়া থেকে কয়েকটা জিনিস মিসিং দেখে: একটা কালো কুশন কিচেন ফ্লোর ম্যাট, লিমনের হাঁড়ি-পাতিল, এবং কাউন্টার থেকে সাদা গ্যাটোরয়েড বা পাওয়ারেড লোগোওয়ালা একটা তোয়ালে। ডিটেকটিভরা লিমনের বেডরুম আবার সার্চ করে এবং দরজার কাছে ফ্লোরে মেয়েদের ৬ সাইজের একজোড়া পুমা স্নিকার্স দেখতে পায়। তারা ডেস্কের ওপর একটা কালো ছাতাও পায়। প্রথম রুমমেট কনফার্ম করে যে স্নিকার্সগুলো বৃষ্টির ছিল। কোর্টের ডকুমেন্টস বলছে, ইউএসএফ সিসিটিভি ফুটেজে বৃষ্টি এই একই জুতো পরে ছিল এবং ছাতাটাও অবিকল ওইটার মতোই যেটা নিয়ে সে তার অফিস থেকে বের হয়েছিল।

রুমমেট এটাও জানায় যে ১৬ই এপ্রিল গভীর রাতে সে দেখেছিল আবুঘারবিয়েহ তার গ্রে রঙের রোলার ট্রলি কার্ট ইউজ করে লিমনের রুমের ভেতর থেকে অনেকগুলো কার্ডবোর্ডের বাক্স সাইটের কম্প্যাক্টর ডাম্পস্টারে ফেলে দিয়ে আসে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে আবুঘারবিয়েহ বলে, সে তার পুরনো জামাকাপড় ফেলে দিয়েছে যেগুলো তার আর দরকার নেই। পুলিশ অ্যাপার্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের সাথে কথা বলে কনফার্ম হয় যে ১৬ই এপ্রিলের পর ডাম্পস্টারটা রিপ্লেস করা হয়নি।

২৩শে এপ্রিল পুলিশ ওই কম্প্যাক্টরে তল্লাশি চালায় এবং নিচের জিনিসগুলো খুঁজে পায়:
- নিখোঁজ হওয়া সেই কালো কুশন কিচেন ফ্লোর ম্যাট, যেটাতে রক্ত লেগে ছিল।
রান্নার হাঁড়ি এবং পাতিল।
একটি কালো ওয়ালেট, যার ভেতরে লিমনের ইউএসএফ আইডি ব্যাজ, চেজ স্টার ওয়ার্স থিমড ভিসা কার্ড, বিল্ট মাস্টারকার্ড এবং একটি ক্রেডিট কার্ড ছিল।
একটি ধূসর (Grey) রঙের শার্ট, যেটাতে ফুটো, কাটার দাগ এবং রক্ত লেগে ছিল।
একটি হালকা গোলাপি রঙের আইফোন কেস, যা বৃষ্টির বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রক্তমাখা ধূসর রঙের হাফপ্যান্ট।
তিন জোড়া মোজা, যেগুলোর প্রতিটিতেই রক্ত লেগে ছিল।
রক্তমাখা ট্যান কালারের স্লাইডস (স্যান্ডেল)।
লিমনের চশমার সাথে হুবহু মিলে যায় এমন একজোড়া চশমা।

এই জিনিসগুলো থেকে সোয়াব (swab) নেওয়া হয় এবং অধিকতর পরীক্ষার জন্য পাইনেলাস কাউন্টিতে পাঠানো হয়। পরীক্ষার রেজাল্টে দেখা যায় কিচেন ম্যাট থেকে পাওয়া রক্ত বৃষ্টির এবং ধূসর টি-শার্টের রক্ত লিমনের ডিএনএ-র সাথে ম্যাচ করেছে।

পুলিশ স্যান্ড কি এরিয়া থেকে আরও সিসিটিভি ফুটেজ কালেক্ট করে, যেখানে একটা সাদা জেনেসিস গাড়িকে ক্যামেরার সামনে দিয়ে যেতে দেখা যায়। তারা কালো পোশাক পরা একটা অবয়বকেও স্যান্ড কি সেইলিং মেরিনা থেকে হেঁটে যেতে দেখে, যা পরে ক্যামেরা থেকে দূরে ব্রিজের নিচে ফুটপাতে মিলিয়ে যায়। এরপর পুলিশ আবুঘারবিয়েহের অ্যাপার্টমেন্ট, তার গাড়ি, ফোন এবং তার ছবি তোলার জন্য একটা সার্চ ওয়ারেন্ট জোগাড় করে।

আবুঘারবিয়েহ আবার স্টুডেন্টদের নিখোঁজ হওয়ার সাথে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে এবং দাবি করে যে সে যখন তাদের নামিয়ে দেয় তখন তারা দুজনেই জীবিত ছিল। আবুঘারবিয়েহের ছবি তোলার সময় পুলিশ তার বাম হাতের উপরের দিকে ট্রাইসেপসে একটা ব্যান্ডেজ খেয়াল করে। কোর্টের ডকুমেন্টস অনুযায়ী, ব্যান্ডেজটা খুললে দেখা যায় সেটা একেবারে নতুন একটা ক্ষত। তার আঘাতের জায়গাগুলোর ছবি তোলা হয়।

পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি চালিয়ে কিচেন থেকে আবুঘারবিয়েহের বেডরুমের দিকে যাওয়ার হলওয়েতে ছোট ছোট রক্তের দাগ দেখতে পায়। আবুঘারবিয়েহের বেডরুমের ফ্লোরের কার্পেটেও দাগ ছিল। তিনটা জায়গা ছাড়া বাকি সব জায়গার টেস্ট রেজাল্টে রক্তের উপস্থিতি পজিটিভ আসে। রক্তমাখা জায়গাগুলোতে যখন এনহান্সমেন্ট এজেন্ট ইউজ করা হয়, তখন ফোয়ার থেকে শুরু করে কিচেন হয়ে হলওয়ে দিয়ে আবুঘারবিয়েহের বেডরুমের দিকে রক্তের একটা বড় প্যাটার্ন দেখা যায়। আবুঘারবিয়েহের বেডরুমের ফ্লোরে মানুষের আকারের মতো দুইটা আলাদা রক্তের প্যাটার্ন ছিল যা কার্পেটের একেবারে ভেতরে ঢুকে গেছিল। এনহান্স করা রক্তের প্যাটার্নগুলো দেখে মনে হচ্ছিল কিছু একটা ঘষে এবং টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আবুঘারবিয়েহের বিছানার নিচে হেভি-ডিউটি কালো ট্র্যাশ ব্যাগের তিন রোলের একটা বাক্স পাওয়া যায়, যা কম্প্যাক্টর থেকে পাওয়া জিনিসগুলোর ব্যাগের মতোই ছিল। তার বাথরুমে ডাক্ট টেপও পাওয়া যায়। লিমনের রুমে ডিটেকটিভরা ডেস্কের ওপর একটা ছোট বানি ক্লাচ খুঁজে পান। এই পার্সের ভেতর বৃষ্টির ইউএসএফ আইডি এবং ক্রেডিট কার্ড ছিল। এটা প্রমাণ করে যে নিখোঁজ হওয়ার আগে বৃষ্টি ওই অ্যাপার্টমেন্টেই ছিল।

পুলিশ আবুঘারবিয়েহের ফোনটা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে নিয়ে যায়। ফোনের ফরেনসিক ডাউনলোড থেকে জানা যায় যে আবুঘারবিয়েহ ৭ই এপ্রিল অ্যামাজন থেকে ডাক্ট টেপ অর্ডার করেছিল। সে ১১ই এপ্রিল অ্যামাজন থেকে ফায়ার স্টার্টার, চারকোল, ট্র্যাশ ব্যাগ এবং লাইটার ফুয়েল অর্ডার করেছিল। একটা পারচেস কনফার্মেশনে দেখা যায় ১৫ই এপ্রিল অ্যামাজন থেকে একটা নকল দাড়ি শিপমেন্ট করা হয়েছে।

১৩ই এপ্রিল আবুঘারবিয়েহ চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞেস করেছিল, "একজন মানুষকে যদি কালো গার্বেজ ব্যাগে ভরে ডাম্পস্টারে ফেলে দেওয়া হয়, তাহলে কী হবে?" চ্যাটজিপিটি যখন উত্তর দেয় যে এটা বিপজ্জনক শোনাচ্ছে, তখন আবুঘারবিয়েহ রিপ্লাই দেয়, "তারা কীভাবে খুঁজে বের করবে?" পরবর্তী কয়েক দিনে আবুঘারবিয়েহ চ্যাটজিপিটিকে আরও কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিল, যেমন, "গাড়ির ভিন নাম্বার কি চেঞ্জ করা যায়?" এবং "লাইসেন্স ছাড়া কি বাসায় বন্দুক রাখা যায়?"

১৭ই এপ্রিল রাত ১২:২৬-এ চ্যাটজিপিটিতে একটা সার্চ করা হয়, "হিলসবরো রিভার স্টেট পার্কে কি গাড়ি চেক করা হয়?" এই সার্চ করার পর ডিটেকটিভরা আবুঘারবিয়েহের ডিভাইসের লোকেশন ট্র্যাক করেন। তার ফোন রাত ১:০৪-এ অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স থেকে বের হয় এবং ১:৩০-এ হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে থামে। রাত ১:৩৫-এ ফোনের লোকেশন পশ্চিম দিকে যেতে থাকে, ব্রিজের ওপর দিয়ে গিয়ে রুজভেল্ট বুলেভার্ড, নর্থে টার্ন নেয়। রাত ১:৪৬-এ ফোনের লোকেশন ব্রিজে পূর্ব দিকে যাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং ১:৪৯-এ আবার শুরু হয়। রাত ২:০৯-এ ফোনের লোকেশন আবার অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে ফিরে আসে।

১৯শে এপ্রিল চ্যাটজিপিটিকে আরও কিছু প্রশ্ন করা হয়, যার মধ্যে ছিল, "মাথায় স্নাইপারের গুলি লাগার পর কি কেউ বেঁচে ফিরেছে?", "আমার প্রতিবেশীরা কি আমার বন্দুকের শব্দ শুনতে পাবে?", এবং "আগের ইউজারের পর নতুন আইফোন ইউজার কে, সেটা কি অ্যাপল জানতে পারবে?" ২৩শে এপ্রিল চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞেস করা হয়, "missing endangered adult মানে কী?"

এই ডেভেলপমেন্টগুলোর পর ২৪শে এপ্রিল ডিটেকটিভরা ব্রিজে তল্লাশি চালান এবং একটা কালো হেভি-ডিউটি ট্র্যাশ ব্যাগ পান। সেখান থেকে পচা লাশের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল বলে কোর্টের ডকুমেন্টস বলছে। ব্যাগটা আবুঘারবিয়েহের বিছানার নিচে এবং কম্প্যাক্টরে পাওয়া ব্যাগের মতোই ছিল। ব্যাগের ভেতর যে মানুষের দেহাবশেষ ছিল, তা অলরেডি অনেক বেশি পচে যাওয়া অবস্থায় ছিল, যা পরে লিমনের বলে কনফার্ম করা হয়। তার মৃত্যুর ধরনকে হোমিসাইড হিসেবে রুলিং দেওয়া হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ হিসেবে মাল্টিপল শার্প ফোর্স ইনজুরি উল্লেখ করা হয়েছে।

লিমনের শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাত এবং কাটার দাগ ছিল, এবং তার হাতের কবজি আর পায়ের গোড়ালি বাঁধা অবস্থায় ছিল। মেডিকেল এক্সামিনার আরো জানিয়েছেন যে, তার পিঠের নিচের দিকে প্রায় দশ সেন্টিমিটার গভীর একটা ক্ষত ছিল, যা তার লিভার পর্যন্ত ভেদ করে গেছিল।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃষ্টিকে পাওয়া যায়নি। কোর্টের ডকুমেন্টস বলছে, নাহিদা বৃষ্টি এখনো বেঁচে আছে এমন সম্ভাবনার পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, আবুঘারবিয়েহ লিমন ও বৃষ্টিকে মারার জন্য কোনো ধারালো অস্ত্র ইউজ করেছে। এরপর সে বিভিন্ন ক্লিনিং সাপ্লাই ইউজ করে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করেছে, এবং ব্রিজের বাম পাশে বডি ফেলে আসার আগে আগে থেকে কিনে রাখা বড় কালো ট্র্যাশ ব্যাগে লিমনের বডি লুকিয়ে রেখেছিল। আবুঘারবিয়েহ দুই ভিকটিমের পার্সোনাল জিনিসপত্র ট্র্যাশ কম্প্যাক্টরে ফেলে দিয়েছিল বলেও অভিযোগ আছে।

স্টুডেন্টদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় শুক্রবার আবুঘারবিয়েহকে অ্যারেস্ট করা হয়। শনিবার তার বিরুদ্ধে ফার্স্ট-ডিগ্রি মার্ডারের দুইটা চার্জ আনা হয়েছে। শনিবার সকালে এক হিয়ারিংয়ে জজ ডিসিশন নেন যে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তার পরবর্তী কোর্টে উপস্থিতির আগ পর্যন্ত তাকে বিনা জামিনে জেলেই রাখা হবে।

26/04/2026

১৯৯৬ সালের স্বাধীনতা দিবসে গান গাইতে জীবনের প্রথম আমেরিকা গিয়েছিলাম, ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেস শহরে। আমি আমার জীবন সঙ্গী ছাড়া কোথায় যাই না। কিন্তু তিনি ছবি তুলতেই চান না।যাইহোক - একটা অনুষ্ঠান করে আয়োজকদের কথায় সেখানে রয়ে গেলাম এক মাস ২৭ দিন। অনেকগুলো অনুষ্ঠান শেষে লস এঞ্জেলেস থেকে ডালাস এসে গান গেয়ে বাংলাদেশ ফিরেছিলাম। ছবিতে পেছনে সান্তামনিকা বিচ দেখা যাচ্ছে।

Kanak chapa

24/04/2026

গ্রীষ্মকালিন আপনার প্রিয় ফল কী?

23/04/2026

মৌসুমী, ওমর সানি'র বিয়ে উৎসবে দুই বোন ববিতা, চম্পা 👩‍❤️‍👩

মৌসুমী, ওমর সানি ১৯৯৫ সালে গোপনে বিয়ে করেন। ১৯৯৬ সালে সন্তানসম্ভাবা মৌসুমী এবং তার হাসবেন্ড ওমর সানি বিয়ের কথা প্রকাশ করেন এবং বিয়ে উৎসব নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

মৌসুমী, ওমর সানি'র বিয়ে উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের তিন কন্যার দুই কন্যা ববিতা ও চম্পা।

বর-কনেকে এভাবেই আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান দুই বোন। সাথে ছিলেন মৌসুমী'র মা।

সবমিলিয়ে, মৌসুমী, ওমর সানি'র বিয়ে গোপন থাকলেও বিয়ে উৎসব কিন্তু বেশ জমজমাটই ছিলো, বলা যায়।

23/04/2026

“৩১ মার্চ ১৯৭৫ (টুঙ্গিপাড়া), পিতা শেখ লুৎফর রহমানের মৃত্যুতে তাঁর শয়নকক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে বঙ্গবন্ধু কেঁদে বলছেন, 'কে এখন আমাকে মুজিব বলে ডাকবে।'”

21/04/2026

১৯ এপ্রিল। ১৮৮৪ সালের এই দিনটি বাঙালির জাহাজ ব্যাবসার ইতিহাসে সোনার জলে লেখা থাকবে। বিলিতি জাহাজ কোম্পানি ফ্লোটিলার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খুলনা-বরিশাল জলপথে ফেরি চালাবেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ বুঝতে পারেননি, ওটাই হয়ে উঠবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিন।
জাহাজের উদ্বোধনের কোনও কর্মকাণ্ডে স্ত্রী কাদম্বরীকে জড়াননি জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। বলেছেন, একেবারে উদ্বোধনের দিন জাহাজে নিয়ে গিয়ে চমকে দেবেন।
কাদম্বরী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিশু তাঁতিনিকে ডেকে নতুন একটি কমলারঙা স্বর্ণচরী শাড়ি বেছেছেন উদ্বোধনে পরার জন্য, গয়না বেছে বেছে আয়নার সামনে পরে দেখছেন। শুধু জ্যোতিই তাঁকে চমক দেবেন তা হয় না, কাদম্বরীও চমকে দেবেন জ্যোতিকে।
জীবনের সেরা সাজ সাজবেন তিনি। রূপের উজ্জ্বলতা নিয়ে যখন জাহাজের ডেকে গিয়ে দাঁড়াবেন, লোকের চোখ তাঁকেই ঘুরেফিরে দেখবে।
শাড়ি-গয়না নাড়াচাড়া করেন, আর অপেক্ষা করতে থাকেন ১৯-এর বিকালের জন্য।
জাহাজে তখন শেষমুহুর্তের চাপ। একদিকে প্রবল কর্মযজ্ঞ আর অন্যদিকে অনন্ত প্রতীক্ষা।
১৯ এপ্রিল বিকালের আগেই কমলা রঙের স্বর্ণচরীতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছেন হেকেটি ঠাকরুন, এবার সবার মাথা ঘোরানোর পালা। উদ্বেগে ঘরে-বাইরে করছেন, ভাবছেন কীভাবে জ্যোতির মুখোমুখি হবেন!
কিন্তু জ্যোতি কিছুতেই সময় পাচ্ছেন না জাহাজ ছেড়ে বেরতে। শেষে আদরের ছোটো ভাই রবিকে বললেন তাঁর নতুন বউঠানকে নিয়ে আসতে।
রবি জানেন তাঁর নতুন বউঠান কতখানি অভিমানিনী, তিনি সাহস পান না, বলেন, না জ্যোতিদাদা, আজ তোমাকেই যেতে হবে। আজ আমি তাঁকে সামলাতে পারব না।
কিন্তু জ্যোতি বেরতে গেলেই কেউ না কেউ পিছু ডাকেন, থেমে যেতে হয়।
কাদম্বরী অপেক্ষা করেন। বিকাল পেরিয়ে সন্ধে হয়, সন্ধে পেরিয়ে রাত। ছাদ থেকে কে যেন বলে ওঠে, কই লো নতুনবউ, তোর বর নিতে এল না?
অভিমানে এক এক করে সব গয়না খুলে ফেললেন কাদম্বরী। শাড়ি খুলে মেঝেতে ফেলে দিলেন। সাটিনের পেটিকোট আর রেশমি জ্যাকেট পরে শুয়ে পড়লেন বিছানায়। কী অপমান!
অনেক রাতে উঠে হাতির দাঁতের কৌটো খুলে বিশু তাঁতিনির কাছ থেকে চেয়ে রাখা আফিমের সবটা মুখের মধ্যে ঢেলে দিলেন কাদম্বরী। তারপর জল খেয়ে মাতালের মতো টলতে টলতে শুয়ে পড়লেন মেঝেতে।
সকালে তাঁকে মৃতপ্রায় অবস্থায় আবিষ্কার করার পরে শুরু হল যমে মানুষে টানাটানি। যন্ত্রণায় ছটফট করছেন কাদম্বরী, তাঁর পঁচিশ বছরের স্বর্গীয় সৌন্দর্যরাশি যেন ক্রমশ বিষাক্ত আইভিলতার চেহারা নিচ্ছে।
রবি টানা দু'দিন তাঁর শয্যার পাশে বসে রইলেন অপরাধী হৃদয়ে। জ্যোতির অবস্থা উদ্ভ্রান্তের মতো। সত্যি সত্যি কাদম্বরী যে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবে, এটা তাঁর ভাবা উচিত ছিল! সেরেস্তার কাজ বন্ধ। দুই বিখ্যাত ডাক্তার নীলমাধব হালদার ও সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়কে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করেও কিছু করা গেল না।
২১ এপ্রিল ভোরে কাদম্বরী মারা গেলেন।
তাঁর শেষযাত্রায় সঙ্গ নিলেন রবি, সোমেন্দ্র, দ্বিপেন্দ্র ও অরুণেন্দ্র। সারাটা পথ রবি একটিও কথা বললেন না। ফিরে এসেও না। চব্বিশ বছরের জীবনে মৃত্যুকে এত কাছ থেকে আগে কখনও দেখেননি তিনি। তাঁর সবচেয়ে আপন মানুষটিই অভিমান করে চলে গেলেন, কত কী সাধ অপূর্ণ রয়ে গেল, কত কথা অকথিত রইল। আর-একটু মনোযোগ দিলে এই বিপত্তি ঘটত না, এই আপশোস কখনও যাবে না।
মহর্ষির নির্দেশে পুড়িয়ে ফেলা হল কাদম্বরীর সমস্ত হাতের লেখা। খবরের কাগজে মোটারকম ঘুষ দিয়ে খবর বন্ধ করা হল। এইভাবেই ঠাকুরবাড়ির সুন্দরীতমা, বিষণ্ণতমা নারীটির মৃত্যু ঢাকা পড়ে গেল অনন্ত রহস্যের মোড়কে।
কিন্তু রবির হৃদয় থেকে তাঁকে উপড়ে ফেলতে পারলেন না কেউই। কাদম্বরীর প্রথমবারের আত্মহননের চেষ্টার পরে 'তারকার আত্মহত্যা'য় রবি লিখেছিলেন, "যদি কেহ শুধাইত/আমি জানি কী যে সে কহিত/ যতদিন বেঁচে ছিল/ আমি জানি কী তারে দহিত।" এখন আবার ঘোরের মধ্যে একটার পর একটা কবিতায় নতুনবউঠানের সঙ্গে কথোপকথন শুরু করলেন তিনি।

19/04/2026

২০২৪ সালের কথা সবে মাত্র ইন্টার্নীতে ঢুকেছি। মাঝ রাতে একজন ভর্তি হল "A**l Fistula" নিয়ে পরের দিন OT হবে। পরে আমি গেলাম ফলোআপ দিতে।

আমি যেহেতু বেশি কথা বলি অনেক ডিটেইলস হিস্টরি নেই। কথা বলতে বলতে যা বুঝলাম রোগীর প্রায় ২-৩ বছর যাবত পাইলের সমস্যা,এর জন্য সে ডাক্তার দেখাইসে কিন্তু ডাক্তার তাকে নাকি একটা ওষুধ দিসে আর বলছে শাকসবজি খেতে এবং বাথরুম নরম রাখতে।

তার এই এডভাইস ভালো লাগে নাই, গেছে কবিরাজের কাছে। কবিরাজ তাকে অশ্বত্থ গাছের শিকড় বেঁটে "ছাপায়" লাগায় রাখতে বলছে। তার কাছে ব্যাপারটা রোমাঞ্চকর মনে হইসে সে খুশি মত লাগাইছে।

এভাবে ৬ মাস লাগানোর পর তার "ছাপাতে" abscess হয়ে গেছে। ব্যথার জন্য সে আবার আগের ডাক্তারের কাছে গেছে। স্যার উনাকে বকা দিসে , দিয়ে কিছু এন্টিবায়োটিক দিয়ে ৭ দিন পর দেখা করতে বলছে।

এবার ফার্মেসী থেকে ওষুধ কিনতে যেয়ে শুনে এই এন্টিবায়োটিক খেলে নাকি
"যৌণ দুর্বলতা" হয়। তাই সে খায় নাই আবার গেছে সেইম কবিরাজের কাছে (ন্যাড়া একবার বেল তলায় গেলেও বাঙ্গালী বার বার যায়)।

এবার কবিরাজ একই ভাবে তাকে গাব গাছের পাতা লাগাতে দিসে। ১০-১২ দিন লাগানোর পর abscess ফেটে গেছে, সেখান থেকে A**l Fistula । এরপর আরও ৬ মাস বিভিন্ন ঔষধ খাবার পরও কাজ হয় নাই আবার আসছে স্যারের কাছে OT করতে।

এত সব ঘটনা ঘটনা পর OT শেষ করে বাড়ি যাবার আগের দিন আমাকে জিজ্ঞেস করতেছে
"বাবা, আমার কবিরাজ ভাই বলছে অপারেশনের জায়গায় তেতুঁল লাগালে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়, তোমরা একটু কষ্ট করে ব্যান্ডেজের এক পাশ কেটে দাও ঐটা দিয়ে লাগাব"

বলেন এইসব মানুষদের কিভাবে চিকিৎসা দিব আমরা?

-সাদীদ হোসেন
(মেডিকেল ক্যাম্পাস)

18/04/2026

“২৬-ডিসেম্বর-১৯৭২, শেখ মুজিবুর রহমান যশোরে শহীদ মশিউর রহমান স্মৃতিসৌধ উদ্বোধনকালে তাঁর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শোকাভিভূত হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁর পাশে বসা বেগম মশিউর রহমানও অত্যন্ত আবেগপ্লুত ও শোকাভিভূত হন।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহচর মশিউর রহমানকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকহা*নাদার বাহিনী যশোর শহরের নিজ বাসভবন থেকে যশোর সেনানিবাসে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন করে ২৩ এপ্রিল তাঁকে হ*ত্যা করে।"
Credit : Nurul Amin

Photos from উপমহাদেশ's post 13/04/2026

৪৬ বছর আগের ১লা বৈশাখ (১৯৭৭) রমনা বটমূল।

Md Shahidul Alam স্যারের টাইমলাইন থেকে!

13/04/2026

১৯৯০ সালের পহেলা বৈশাখ। স্বৈ*রা*চা*র বি*রো*ধী গণআ*ন্দো*ল*ন তখন তুঙ্গে। বৈশাখের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে, পান্তাভাত খাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী বেগম খালেদা জিয়া এখন সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থ হবার তাওফিক দান করেন।
* পত্রিকায় প্রকাশিত এই ছবির নিচে লেখা ছিলো, ছবি: নিজস্ব আলোকচিত্রী।

Copied

Photos from উপমহাদেশ's post 13/04/2026

আজ পহেলা অগ্রহায়ণ। নবান্নের মাস। একসময় আমন ধানের মৌ মৌ গন্ধ ভাসতো বাংলার বাতাসে। ধান কাটা, মাড়ানো, সিদ্ধ করা, ভাঙা এ সব কাজে ব্যাস্ত থাকতো এ দেশের কৃষক, গৃহবধু সহ গ্রাম গঞ্জের মানুষ। চলতো পিঠা বানানোর উৎসব। কিন্তু, সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে মানুষ। সময়ের প্রয়োজনে এসেছে নতুন নতুন উচ্চ ফলনশীল ধান। এক ফসলী ক্ষেতে এখন দুই বা তিন ফসলী ধান উৎপন্ন হয়। এখন আর "ঢেঁকিতে পাড় দিয়া" গৃহবধূরা, কন্যারা ধান ভানেনা। আধুনিক সব মেশিনের শব্দে হারিয়ে গেছে ঢেঁকির ছন্দ। তবুও, বাংলার এই উৎসব আমরা এখনও ভুলিনি। গ্রামের গৃহবধুরা এখনও পিঠা বানান, শহরে আধুনিক সব রেস্তোরায়, ক্লাবে আয়োজন হয় পিঠা উৎসবের। সেখানে থাকে দামি পারফিউমের সুবাস। বাতাসে থাকেনা আমনের মৌ মৌ গন্ধ। এবার এই নির্বাচনের ডামাডোলে সেটাও কী থাকবে? জানা নেই কারো। হেঁসেলের চুলার আগুনের বদলে এখন সন্ত্রাসীদের দেয়া আগুনে জ্বলছে বাহণ, জ্বলছে মানুষ। সিন্ডিকেটের কালো থাবায় জ্বলছে মানুষের উদর। জানা নেই কবে কাটবে এই আতংক। প্রার্থনা করি, এই বাংলার মানুষ যেন আবার ফিরে পায় তাদের হারিয়ে যাওয়া ছন্দ। ফিরে আসুক আবার সেই মৌ মৌ গন্ধ, ফিরে আসুক সেই পিঠে উৎসব। সেই নবান্ন।
ছবিঃ বামে বিলুপ্তির পথে, ঢেঁকি (উপরে) ও জাঁতা (নিচে)। (ডানে) অগ্রহায়ণ মাসে নবান্নের বিভিন্ন পর্যায়ের ছবি।

13/04/2026

Rest In Peace Asha Bohosle Mam 🙏

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka