18/08/2026
“ফেনীর মরহুম রুহুল আমিনকে বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত স্নেহ করতেন। ভুসির ব্যবসা করত বলে তিনি তার নামই দিয়েছিলেন ‘ভুসি’। আমি তখন সংসদ সদস্য। এলাকায় গেলেই আমার কাছে ভ্যানভ্যান করত, ‘আমার কিছু হলো না, দেশ ও দলের জন্য এত কিছু করেছি, সর্বস্বান্ত হয়েছি। মুজিব ভাই প্রধানমন্ত্রী হলেন, অথচ আমি কিছুই পেলাম না।’ এত সব ঘ্যানরঘ্যানর শুনে বিরক্ত হয়ে বললাম, ‘চলো, তোমাকে বঙ্গবন্ধুর কাছে নিয়ে যাই। যা বলার তাঁকেই বলো।’
ঢাকায় এল ভুসি, বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের বাড়িতে নিয়ে গেলাম। বঙ্গবন্ধু তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন, ‘ওরে আমার ভুসি আসছে’ বলে হইচই করে উঠলেন। ভুসি মাখনের মতো একেবারে গলে গেল। বঙ্গবন্ধু যতই বলেন, ‘কেমন আছিস, কোনো অসুবিধা নেই তো?’ ভুসি ততই খালি তোতলায় আর বলে, ‘ভা-ভা ভালোই আছি। ক-ক কোনো অসুবিধা নেই।’ বঙ্গবন্ধু তার পরিবার, এলাকার, দেশের অবস্থার খোঁজখবর নিলেন। আধা ঘণ্টা পর ভুসিকে নিয়ে বেরিয়ে এলাম। রেগে বললাম, ‘কী হলো, এত প্যানপ্যানানি গেল কই, কিছুই তো বললে না, চাইতে পারলে না!’ ভুসি আমতা আমতা করে বলল, ‘কী করব, নেতাকে দেখে যে সবই ভুলে গেলাম।’
বুঝলাম, এরই নাম ক্যারিশমা’। আর এজন্যই ক্যারিশমা শব্দটি শুধু শেখ মুজিবের ক্ষেত্রে শতভাগ প্রযোজ্য ছিল। ইনিই হচ্ছেন একমেবাদ্বিতীয়ম শেখ মুজিব, জনগণের শেখ সাহেব, কর্মীদের মুজিব ভাই। সহকর্মীরা তাঁকে সম্বোধন করেন ‘নেতা’ বলে। সাধারণ মানুষ বলেন ‘শ্যাখ সাহেব’, কর্মীরা বলেন ‘নেতা’, ‘মুজিব ভাই’ অথবা ‘বঙ্গবন্ধু’। এসবই হতে পেরেছিলেন, তিনি যেহেতু বিরাট একখানি হৃদয় নিয়ে জনগণের কাছে যেতে পেরেছিলেন, জনগণ তাঁর কাছে আসতে পেরেছিল।“ _প্রায়ত সাংবাদিক, সাংসদ এ বি এম মুসা।
ছবি : ৩০ অক্টোবর ১৯৭৩, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গণভবনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।"
18/08/2026
একটি চিঠি, ১৯৮৭
পুরোনো কাগজপত্র ঘাঁটতে গিয়ে হঠাৎ এই চিঠিগুলো হাতে এলো। তারিখ—২৩ ও ২৪ এপ্রিল, ১৯৮৭। উপরে লেখা University of Utah। কাগজের ওপর আমার নিজের হাতের লেখা।
প্রায় চল্লিশ বছর পর নিজেরই লেখা চিঠি পড়তে গিয়ে মনে হলো, আমি যেন হঠাৎ ফিরে গেছি সেই সময়টায়—যখন আমাদের বিয়ের মাত্র দু’মাসও হয়নি, আর আমি Salt Lake City-তে, Pauline ঢাকায়।
আমাদের বিয়ে হয়েছিল ঢাকায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭। বিয়েটা ছিল পারিবারিকভাবে ঠিক করা। বিয়ের আগে দু-তিনবার দেখা হয়েছিল, কিছু কথাবার্তাও হয়েছিল। কিন্তু Pauline ছিল খুব লাজুক। সেই অল্প পরিচয়ে তখন কি আর বোঝা সম্ভব, এই মেয়েটিই একদিন আমার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ হয়ে উঠবে?
বিয়ের পরের এক মাসেই সবকিছু যেন বদলে গেল।
আমরা একে অন্যকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম। কথা বাড়ল, পরিচয় গভীর হলো, আর সেই পরিচয়ের মধ্যেই কখন যে ভালোবাসা এসে জায়গা করে নিল, আমরা নিজেরাও বুঝতে পারিনি।
মাত্র এক মাস।
আজ এত বছর পর মনে হয়, সময়টা কত অল্প ছিল! অথচ সেই এক মাসের মধ্যেই আমাদের মধ্যে এমন একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল, যার গভীরতা তখন হয়তো পুরোপুরি বুঝিনি।
তারপর আমাকে ফিরে আসতে হলো Salt Lake City-তে।
Pauline তখন ঢাকায় থেকে তার Botany-তে Bachelor’s degree শেষ করার জন্য পরীক্ষাগুলো দিচ্ছে। আমাদের বিয়ের আনন্দ, নতুন সংসারের স্বপ্ন—সবকিছু তখনও একেবারে নতুন। আর সেই সময়েই আবার দুজনকে দুদিকে চলে যেতে হলো।
আমার জন্য ফিরে আসাটা খুব কঠিন ছিল।
বিয়ের আগে হয়তো দূরত্বকে এতটা কঠিন মনে হয়নি। কিন্তু এক মাস একসঙ্গে থাকার পর হঠাৎ হাজার হাজার মাইল দূরে চলে গেলে বোঝা যায়, একজন মানুষ কত দ্রুত আর কত গভীরভাবে জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।
Salt Lake City-তে ফিরে এসে প্রতিদিনের জীবন আবার শুরু হলো—university, class, homework, পরীক্ষা, পরিচিত মানুষজন। বাইরে থেকে সবকিছু আগের মতোই ছিল। কিন্তু আমার ভেতরে অনেক কিছু বদলে গেছে।
দিনের মধ্যে কত ছোট ছোট ঘটনা ঘটত। কিছু দেখলে মনে হতো, এটা Pauline-কে বলি। কোনো কথা মনে পড়লে মনে হতো, ওকে বললে ভালো লাগত। অথচ সে তো অনেক দূরে—ঢাকায়।
তখন চিঠিই ছিল আমাদের সবচেয়ে কাছের যোগাযোগ।
আজকের মতো মুহূর্তের মধ্যে ফোন করা, ছবি পাঠানো কিংবা ছোট্ট একটা message দিয়ে মনের কথা জানিয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল না। একটা চিঠি লিখতে হতো। তারপর অপেক্ষা। চিঠি পৌঁছাতে সময় লাগত, আবার তার উত্তর আসত আরও পরে।
তাই চিঠি লেখা বা পাওয়া—দুটোই ছিল এক ধরনের অপেক্ষা।
এই চিঠিগুলোও সেই অপেক্ষারই অংশ।
২৩ ও ২৪ এপ্রিলের এই চিঠিগুলো আমি লিখেছিলাম University of Utah থেকে। নিজের পড়াশোনা, class, assignment, পরীক্ষা—এসবের কথা লিখেছি। Pauline-এর পড়াশোনার খবরও জানতে চেয়েছি। তার পরীক্ষা কেমন হচ্ছে, দিন কেমন কাটছে—এইসব সাধারণ প্রশ্ন।
আজ পড়তে গিয়ে মনে হয়, সেসব প্রশ্ন আসলে শুধু খবর জানার জন্য ছিল না।
আমি তার জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাইছিলাম।
দূরত্ব যেন আমাদের দুজনের মাঝখানে খুব বেশি জায়গা করে নিতে না পারে—এই ছিল চিঠি লেখার একটা অদৃশ্য চেষ্টা।
আমরা তখন সপ্তাহে দুই-তিনটা করে চিঠি লিখতাম। চিঠির পাতায় আমাদের প্রতিদিনের জীবন ধীরে ধীরে একে অন্যের কাছে পৌঁছে যেত।
কখনও কখনও সেই পাতায় চোখের জলও পড়ত।
Pauline যখন আমার লেখা চিঠি পড়ত, তার চোখের জলের দাগে কিছু শব্দ ঝাপসা হয়ে যেত। সেই দাগগুলোও আজও কাগজে রয়ে গেছে। প্রায় চল্লিশ বছর পর সেই ভেজা দাগগুলো দেখতে গিয়ে মনে হলো—কিছু অনুভূতি সময় মুছে ফেলতে পারে না।
ঢাকায় যাওয়ার আগে এক রাতে Pauline হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল,
“How much do you love me?”
আমি একটু চুপ করে ছিলাম।
তারপর বলেছিলাম—আমি সেটা বুঝব যখন আমাকে আবার Salt Lake City-তে ফিরে যেতে হবে।
আমি জানতাম, উত্তরটা তার খুব একটা ভালো লাগবে না। কিন্তু তখন সেটাই ছিল আমার সবচেয়ে সত্য কথা।
আমি জানতাম না, আলাদা হয়ে যাওয়ার পর তাকে কতটা মিস করব। শুধু জানতাম, তাকে ছেড়ে চলে যাওয়াটা খুব কঠিন হবে।
শেষ পর্যন্ত তাই-ই হলো।
আজ সেই চিঠিগুলো হাতে নিয়ে মনে হয়, আমাদের দাম্পত্য জীবনের গল্পটা আসলে বিয়ের পরের সেই এক মাসের একসঙ্গে থাকা দিয়ে শুরু হলেও, তার গভীরতা তৈরি হয়েছিল এই বিচ্ছেদের সময়টাতেই।
একসঙ্গে থাকার আনন্দ আমরা পেয়েছিলাম মাত্র এক মাস।
তারপর শিখেছিলাম দূরে থেকেও কীভাবে একজন আরেকজনের খুব কাছে থাকা যায়।
চিঠির পাতায়, অপেক্ষার মধ্যে, চোখের জলের দাগে—আর প্রতিদিনের ছোট ছোট কথার ভেতর দিয়ে।
১৯৮৭-এর সেই দিনগুলোতে আমি Salt Lake City-তে, Pauline ঢাকায়।
দুজনের মাঝখানে ছিল হাজার হাজার মাইল দূরত্ব।
কিন্তু আশ্চর্যভাবে, সেই দূরত্বই হয়তো আমাদের ভালোবাসাকে আরও গভীর করে দিয়েছিল।
আমরা দূরে ছিলাম—কিন্তু খুব কাছেই ছিলাম।
ছবিঃ আমার মা আর পলিন, ১৯৮৭ সন !
Credit : Atiur Rahman
#স্মৃতিরপাতা #একটিচিঠি১৯৮৭ #পুরোনোচিঠি #আমাদেরগল্প #ভালোবাসারগল্প #দূরত্বেরভালোবাসা #নবদম্পতি #স্মৃতিকথা
18/08/2026
৩৯ বছরের পথচলা—আমাদের বিবাহবার্ষিকী
দেখতে দেখতে আমাদের বিবাহিত জীবনের ৩৯ বছর পার হয়ে গেল। সময় যে কীভাবে চলে গেল, সত্যিই বুঝতে পারলাম না। ছাত্রজীবনেই বিয়ে করেছিলাম। তাই জীবনের শুরুটা ছিল অনেক সংগ্রামের, অনেক অনিশ্চয়তার।
সেই কঠিন সময়ে কয়েকজন মানুষ আমার পাশে না থাকলে আজ আমি কোথায় দাঁড়িয়ে থাকতাম, জানি না। সর্বপ্রথম আমার বাবা—তিনি সবসময় চেষ্টা করেছেন আমাকে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে। তখন আমার নিজের কিছুই ছিল না, বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকতাম। মা-আমাকে আদর করে রেজু বলে ডাকতেন । আমার হাতে কোনো টাকা থাকত না; আম্মা প্রায় প্রতিদিন আমাকে ৫০ টাকা করে দিতেন। সেই টাকা নিয়ে আমি মতিঝিলে যেতাম—ব্যবসা করব, কিছু একটা করব, নিজের পায়ে দাঁড়াব—এই স্বপ্ন নিয়ে। সেই দিনগুলোর কথা আজও ভুলতে পারি না।
আর আমার স্ত্রী কেকা—আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে সে আমার পাশে থেকেছে। আমি যেন কিছু করতে পারি, নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি, সেই সাহস ও সহযোগিতা সে আমাকে দিয়েছে। সে চাইলে সেই কঠিন সময়ে আমার পাশে না থেকেও চলে যেতে পারত, কিন্তু যায়নি। আজও সেই ভালোবাসা ও ত্যাগের জন্য আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ।
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের সন্তান—জাহিন, শাম্মা ও zuwayrea কে দিয়েছেন। তারা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ ও আশীর্বাদ। তারা নিজেদের জীবন গড়ার পাশাপাশি আমাদের পরিবার ও আপনজনদের পাশে থাকার চেষ্টা করে, যেকোনো প্রয়োজনে আমার পাশে এসে দাঁড়ায়—এটাই একজন বাবা হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
আজ আমাদের ৩৯তম বিবাহবার্ষিকীতে অতীতের সব সংগ্রাম, কষ্ট, ভালোবাসা আর প্রাপ্তির কথা মনে পড়ছে। পেছনে তাকালে মনে হয়—জীবনে অনেক কিছুই ছিল না, কিন্তু কিছু অসাধারণ মানুষ আমার পাশে ছিল। আর সেই কারণেই আজকের এই পথচলা।
আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।
সবাই আমাদের জন্য, বিশেষ করে আমার জাহিন, শাম্মা zuwayrea র জন্য দোয়া করবেন, যেন আল্লাহ তাদের সুস্থ, সুখী ও সফল রাখেন এবং মানুষের পাশে থাকার তৌফিক দেন।
আমাদের ৩৯ বছরের ভালোবাসা ও পথচলার জন্য সবার দোয়া কামনা করছি। ❤️🤲
Credit : Lodi Nazmul
16/08/2026
নওশীন (আমার ছেলের বউ) মাঝে মাঝেই খুব দুঃখ করে বলে " ইশ আম্মা আমার খুব মন খারাপ হয় যখন মনে হয় আপনার বিয়ে হয়েছিলো এতো কম বয়সে আহারে কতো ছোট ছিলেন.. কতো কিছু সামলাতে হয়েছে আপনাকে "!এ যুগের মেয়ে ওদের চিন্তা ভাবনাই অন্যরকম...!
জন্ম,মৃত্যু,বিয়ে সবটাই মহান রাব্বুল আলামীন এর ইচ্ছায় এই কথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি ...তবুও...
...নওশীনের কথাটা আমাকেও বেশ ভাবায় ..!!
ইউনিভার্সিটি তে পড়াশোনা তখন মাত্র শুরু করেছি স্বাধীন জীবনের স্বাদটাও তখন বেশ উপভোগ করছি ..কিন্তু কি কারনে বিয়ের কথা শুনে আনন্দে লাফাতে লাফাতে রাজী হয়ে গেলাম নিজেও জানিনা...
বন্ধুদের কারো তখন কিছুই হলোনা কিন্তু আমার পায়ে বেড়ি পড়ে গেলো সবার আগে..😞!
ইউনিভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরে দেখে বাসার গেট খোলা ভিতরে খয়েরী রংয়ের একটা গাড়ি দাড়িয়ে ...ভাবলাম কে আবার আসলো ?? ভিতর থেকে অনেকের কথাবার্তাও কানে আসছিল.. একটু চিন্তিতভাবেই বসার ঘরে উঁকি দিয়ে দেখে নিজের ঘরে চলে গেলাম...
সেদিন কি কারনে জানি শাড়ি পড়ে ইউনিভার্সিটি তে গিয়েছিলাম .. চুপচাপ বসে আছি কিছুটা যে আঁচ করতে পারিনি তা নয়.. হঠাৎ দেখি একে একে আমার ঘরে কয়েকজনের ঢুকে আমার দিকে একঝলক দেখে অন্য দরজার দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে... আমার আবার সবসময় হাসির ব্যারাম আছে..ওদের এই কান্ড দেখে ওদের সামনে দন্ত বিকশিত করে হঠাৎ হেসে উঠলাম😄ব্যাস এটাই আমার বাপের বাড়ি থেকে ভাত উঠে যাওয়ার প্রথম কারন ছিলো ...!
ওদের মতে যে মেয়ে এমন হাসতে পারে .. তাকে পছন্দ না হয় কিভাবে? ... দুপক্ষই রাজি ..পরবর্তী পর্ব হবে বাগদানের মাধ্যমে...!
এরপর এক দূপুরে আমার কাছে জানতে চাওয়া হলো আমার কি মতামত? আমি আর কি বলবো? ওই হাসি দিয়েই বললাম তোমরা যা ভালো বোঝ তাই করো... পাত্র দেখলাম না জানলাম না ..তা ..তা থই ..থই ..করতে করতে রাজি হয়ে গেলাম....🙃 আব্বা আম্মা খুশি তাই আমিও খুশি.. বিয়ে হবে কি মজা 😁 আর এভাবে শুরু হলো জীবনের নতুন আরেক অধ্যায়... !
(বাগদানের দিন আমার মরহুম শ্বশুর সাহেব আমাকে আদর করছিলেন)
Sarwat jahan
16/08/2026
স্মরণ: শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সরফরাজ
খুলনার তেরখাদা এলাকার ছাত্রনেতা সরফরাজ মুক্তিযু*দ্ধের প্রস্তুতিপর্বে স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের পর সরফরাজ প্রথমে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা নর্থ খুলনা মুক্তিবাহিনীর সাথে যুক্ত হন। পরে যু*দ্ধ শুরু হলে তিনি মেজর জলিলের ৯নং সেক্টরের অধীনে কমান্ডার ফহম উদ্দিনের নেতৃত্বে মুক্তিযু*দ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৪ আগস্ট ১৯৭১ সালে তিনি রা*জা*কা*রদের হাতে আটক হন।রা*জা*কা*ররা তাঁকে তেরখাদা ডাকবাংলোর কাছে নিয়ে গু*লি করে মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দেয়। সৌভাগ্যক্রমে তিনি প্রাণে বেঁচে যান এবং গুরুতর আহত অবস্থায় নড়াইলের বাওয়েলা গ্রামে পৌছাতে সক্ষম হন। গু*লিবিদ্ধ অবস্থায় পরদিন ১৫ আগস্ট তিনি প্রাণত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তাঁকে বাওয়েলা গ্রামে সমাহিত করা হয়। তথ্য ও ছবিসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর।
15/08/2026
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে অবসরে আনন্দে কবুতর প্রেমী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
ছবি কৃতজ্ঞতা: মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু।
আলোকচিত্রী অজানা।
12/08/2026
Cristiano Ronaldo & wife Georgina are now Married, Congratulations to them. 👰♀️🤵💞
Cristiano Ronaldo has just shared the rings in his Instagram 💍✨
10/08/2026
"৩০ অক্টবর ১৯৭৩, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।"