জগন্নাথপুর উপজেলা- সুনামগঞ্জ

জগন্নাথপুর উপজেলা- সুনামগঞ্জ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জগন্নাথপুর উপজেলা- সুনামগঞ্জ, Dhaka.

27/11/2025

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ।
লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাসপাতাল পয়েন্ট, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।
১লা ডিসেম্বর থেকে রোজ রবিবার, সোমবার, বুধবার এবং বৃ্হস্পতিবার নিয়মিত রগী দেখবেন।

সিরিয়ালের জন্য: 01765-808083

22/04/2025

“আর যদি তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে পূর্বে একটি কথা নির্ধারিত না হতো এবং একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকত, তাহলে তাদের জন্য শাস্তি অবশ্যই সংঘটিত হয়ে যেত।”

19/04/2025

Concealing the faults of others:

18/04/2025
18/04/2025

ঐক্যের সীমা ও বিভেদের প্রাসঙ্গিকতা: শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিকার এবং আহলে সুন্নাতের অবস্থান

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা, যেখানে আক্বিদা ও আমলের বিশুদ্ধতা অপরিহার্য। আজকাল মুসলিম সমাজে কিছু বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ড দেখা যায়, যা একদিকে হক্বপন্থী দলগুলোর ঐক্যের মাঝে বাধা সৃষ্টি করছে, অপরদিকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে—সবাইকে নিয়ে ঐক্য জরুরি, নাকি হক্ব ও বাতিলের স্পষ্ট ফারাক নির্ধারণ করে বিভ্রান্তি প্রতিরোধ করা জরুরি?

হক্ব দরবারে নেই যেসব কাজ:
ইদানীং কিছু দরবার বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তারা এমন কিছু কাজ করে থাকেন যা শরীয়তের পরিপন্থী এবং সুস্পষ্টভাবে বিদআত ও শিরকের শামিল। যেমন:

মাজারে সেজদা করা

পীরকে সেজদা দেওয়া বা অতিরঞ্জিত ভক্তি দেখানো

মাজারে গান-বাজনা চালানো, নাচ করা

ওয়াজ মাহফিলে বাউলা গান গাওয়া

জিকিরের নামে “হিম হে হিম হে”, “ঢেলে দেই ফেলি দেই”, “খাজা বাবাকে দান করে আল্লাহ গেছেন গায়েব হয়ে (নাউযুবিল্লাহ)”—এসব স্পষ্ট শিরকি ও কুফরি কথা প্রচার করা।

এরা এমনকি আহলে সুন্নাতের ইমাম ও অলিদের গালাগালি করে, কাফির ফতোয়া দেয়। বিশেষ করে ইমামুত তারিকাত সাইয়্যিদ আহমদ (রহ.)-এর প্রতি গালাগালি ও বিদ্বেষ ছড়ানো অত্যন্ত নিন্দনীয় যা এসব মাজারপূজারী বাউলা বক্তা বাতিলপন্থীদের কাজ।

তাহলে সমাধান কী?
এসব কর্মকাণ্ড ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মূলনীতি থেকে স্পষ্ট বিচ্যুতি। হক্ব দরবারে এসবের কোন স্থান নেই, এবং এগুলোকে জারি রাখার নাম করে কোন ঐক্যই গ্রহণযোগ্য নয়।

অন্যদিকে মাজারবিরোধী ভাঙচুরকারীরা:

অন্য একটি শ্রেণী রয়েছে, যারা ‘শিরক ও বিদআতের বিরোধিতা’ করতে গিয়ে মাজার ভাঙচুর, অলিদের অসম্মান, এমনকি বিশুদ্ধ তাসাউফ ও তরিকতের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয়।

ঐক্যের নামে হক্ব ও বাতিলের মিশ্রণ গ্রহণযোগ্য নয়।
শরীয়ত ও তরিকতের সঠিক পথকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

শিরক, বিদআত, কুফরি গান, পীরপূজা, মাজারে অশ্লীলতা—এসবকে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সমাজে সুন্নতের পথে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

একইসাথে, আল্লাহর ওলিদের অসম্মান, কুসংস্কার বিরোধিতার নামে প্রকৃত তাসাউফের বিরোধিতা করাও প্রতিরোধযোগ্য।

ঐক্যের সংজ্ঞা হোক হক্বভিত্তিক

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আক্বিদা ও আদর্শ মেনে চলা।

18/04/2025

ঐক্যের সীমা ও বিভেদের প্রাসঙ্গিকতা: শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিকার এবং আহলে সুন্নাতের অবস্থান

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা, যেখানে আক্বিদা ও আমলের বিশুদ্ধতা অপরিহার্য। আজকাল মুসলিম সমাজে কিছু বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ড দেখা যায়, যা একদিকে হক্বপন্থী দলগুলোর ঐক্যের মাঝে বাধা সৃষ্টি করছে, অপরদিকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে—সবাইকে নিয়ে ঐক্য জরুরি, নাকি হক্ব ও বাতিলের স্পষ্ট ফারাক নির্ধারণ করে বিভ্রান্তি প্রতিরোধ করা জরুরি?

হক্ব দরবারে নেই যেসব কাজ:
ইদানীং কিছু দরবার বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তারা এমন কিছু কাজ করে থাকেন যা শরীয়তের পরিপন্থী এবং সুস্পষ্টভাবে বিদআত ও শিরকের শামিল। যেমন:

মাজারে সেজদা করা

পীরকে সেজদা দেওয়া বা অতিরঞ্জিত ভক্তি দেখানো

মাজারে গান-বাজনা চালানো, নাচ করা

ওয়াজ মাহফিলে বাউলা গান গাওয়া

জিকিরের নামে “হিম হে হিম হে”, “ঢেলে দেই ফেলি দেই”, “খাজা বাবাকে দান করে আল্লাহ গেছেন গায়েব হয়ে (নাউযুবিল্লাহ)”—এসব স্পষ্ট শিরকি ও কুফরি কথা প্রচার করা।

এরা এমনকি আহলে সুন্নাতের ইমাম ও অলিদের গালাগালি করে, কাফির ফতোয়া দেয়। বিশেষ করে ইমামুত তারিকাত সাইয়্যিদ আহমদ (রহ.)-এর প্রতি গালাগালি ও বিদ্বেষ ছড়ানো অত্যন্ত নিন্দনীয় যা এসব মাজারপূজারী বাউলা বক্তা বাতিলপন্থীদের কাজ।

তাহলে সমাধান কী?
এসব কর্মকাণ্ড ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মূলনীতি থেকে স্পষ্ট বিচ্যুতি। হক্ব দরবারে এসবের কোন স্থান নেই, এবং এগুলোকে জারি রাখার নাম করে কোন ঐক্যই গ্রহণযোগ্য নয়।

অন্যদিকে মাজারবিরোধী ভাঙচুরকারীরা:

অন্য একটি শ্রেণী রয়েছে, যারা ‘শিরক ও বিদআতের বিরোধিতা’ করতে গিয়ে মাজার ভাঙচুর, অলিদের অসম্মান, এমনকি বিশুদ্ধ তাসাউফ ও তরিকতের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয়।

ঐক্যের নামে হক্ব ও বাতিলের মিশ্রণ গ্রহণযোগ্য নয়।
শরীয়ত ও তরিকতের সঠিক পথকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

শিরক, বিদআত, কুফরি গান, পীরপূজা, মাজারে অশ্লীলতা—এসবকে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সমাজে সুন্নতের পথে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

একইসাথে, আল্লাহর ওলিদের অসম্মান, কুসংস্কার বিরোধিতার নামে প্রকৃত তাসাউফের বিরোধিতা করাও প্রতিরোধযোগ্য।

ঐক্যের সংজ্ঞা হোক হক্বভিত্তিক

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আক্বিদা ও আদর্শ মেনে চলা—এটাই

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka