নলেজ পয়েন্ট কেয়ার

নলেজ পয়েন্ট কেয়ার

Share

একাডেমিক কোচিং জগতে অনন্য ও অদ্বিতীয় I have completed my graduation and post graduation from University of Dhaka. I launched this institution from 2011.

Please pray for me.

14/06/2026

09/06/2026

অধিকাংশ মানুষ জানেই না বজ্রপাত আমাদের জন্য আসলে কী করে!

যে বজ্রপাতকে আমরা প্রকৃতির ধ্বংসলীলা বলে মনে করি, আপনি কি জানেন—তা যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে পৃথিবীর সমস্ত জীবজগৎ একদিন না খেয়ে মারা যাবে?

আমরা যখন আকাশে মেঘের বিকট ডাক শুনি বা বিদ্যুৎ চমকাতে দেখি, তখন স্বাভাবিকভাবেই ভয়ে জানলা-কপাট বন্ধ করে দিই। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানের জানলা দিয়ে তাকালে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতার দেখা মেলে।

আমরা যে সবুজ প্রকৃতি দেখি বা যে শস্যদানা আমাদের প্লেটে তুলে নিই, তার একটি বড় অংশের জোগান আসে আকাশ থেকে ছিটকে পড়া এক একটি ভয়ংকর বজ্রপাতের মাধ্যমে। যে বজ্রপাত দেখে আমরা আঁতকে উঠি, জানলে অবাক হবেন—সেটি যদি না হতো, তবে পৃথিবীর সমস্ত গাছপালা পুষ্টির অভাবে মরে যেত এবং পুরো পৃথিবী এক ধূসর মরুভূমিতে রূপ নিত।

আমাদের বেঁচে থাকার জন্য যেমন অক্সিজেন লাগে, তেমনি পৃথিবীর সমস্ত গাছপালার বেঁচে থাকার আর বড় হওয়ার জন্য সবচেয়ে জরুরি উপাদান হলো নাইট্রোজেন। আমাদের বাতাসে প্রচুর নাইট্রোজেন আছে (প্রায় ৭৮%)। কিন্তু সমস্যা হলো, গাছ এত বোকা যে বাতাস থেকে সরাসরি এই নাইট্রোজেন টেনে নিতে পারে না। এটা অনেকটা এমন—আপনি সাগরের মাঝখানে তৃষ্ণায় ছটফট করছেন, কিন্তু নোনা পানি হওয়ায় তা পান করতে পারছেন না!

গাছের এই অসহায়ত্ব দূর করতেই প্রকৃতিতে ঘটে এক অলৌকিক মেকানিজম।
যখন আকাশে মেঘে মেঘে প্রচণ্ড ঘর্ষণ লাগে এবং লাখ লাখ ভোল্টের বিদ্যুৎ চমকায়, তখন ওই এলাকার তাপমাত্রা সূর্যের পৃষ্ঠভাগের চেয়েও বেশি গরম হয়ে যায়। এই অবিশ্বাস্য তাপে বাতাসে ভেসে থাকা অলস নাইট্রোজেন আর অক্সিজেন জোরপূর্বক একে অপরের সাথে জোড়া লেগে তৈরি করে ‘নাইট্রেট’ বা প্রাকৃতিক সার।

এরপর বৃষ্টির ফোঁটাগুলো যখন আকাশ থেকে নিচে নামে, তারা ওই নাইট্রেটকে সাথে করে মাটির ভেতরে নিয়ে যায়। মাটি তখন পরম তৃপ্তিতে এই ‘রেডিমেড খাদ্য’ শুষে নেয়, যা শেকড়ের মাধ্যমে গাছের কোণায় কোণায় পৌঁছে যায়। আর তাতেই গাছপালা হয়ে ওঠে সবুজ ও সতেজ। অর্থাৎ, প্রতিটি বজ্রপাত আসলে কোটি কোটি টাকার নাইট্রোজেন সার ফ্রিতে মাটিতে স্প্রে করে দিয়ে যায়!

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে, যখন মানুষের কোনো ল্যাবরেটরি ছিল না, রসায়নের কোনো বালাই ছিল না—তখন পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা একদম স্পষ্ট করে এই রহস্যের কথা আমাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন:
“আর তাঁর অন্যতম নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদেরকে ভয় ও ভরসা দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ দেখান এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা দ্বারা মৃত্তিকাকে (মাটিকে) পুনরুজ্জীবিত করেন।” > — (সুরা আর-রূম: ২৪)


সুবহানাল্লাহ! একটু আয়াতটার দিকে তাকান। আল্লাহ প্রথমে বললেন বিদ্যুতের (ভয়) কথা, তারপরেই বললেন বৃষ্টির কথা, আর তার ঠিক পরপরই বললেন মৃত মাটিকে বাঁচিয়ে তোলার (ভরসা) কথা! বিজ্ঞান আজ ২০ শতকে এসে প্রমাণ করল যে বজ্রপাতের বিদ্যুতই মূলত মাটিকে নাইট্রোজেন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে। অথচ কুরআন এই সিকোয়েন্সটা ১৪০০ বছর আগেই সাজিয়ে রেখেছে।

আমরা যেটাকে প্রকৃতির তাণ্ডব বা শাস্তি ভাবি, তার ভেতরেও আমাদের বেঁচে থাকার কত বড় নেয়ামত লুকিয়ে আছে—ভাবা যায়?

আমাদের রব যে কী সুনিপুণ কারিশমায় আমাদের রক্ষা ও লালন করেন এবং আমাদের জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে তাঁর কী পরিমাণ কুদরত লুকিয়ে আছে—তা আমাদের কল্পনার বাইরে।
সংগৃহীত

27/05/2026

21/05/2026

এই ছবিটা শুধু একটা দৃশ্য না, এটা জীবনের বাস্তবতা। ভেড়া জিজ্ঞেস করছে “পানি কতটুকু?” আর উট উত্তর দিচ্ছে “বেশি না, গলা পর্যন্ত।” কিন্তু উটের “গলা পর্যন্ত”
আর ভেড়ার “গলা পর্যন্ত”
এক জিনিস না।

এখানে উট টিকে যাবে কিন্তু
ভেড়া ডুবে যাবে।

ঠিক এটাই আমরা জীবনে বুঝতে ভুল করি।

আমরা দেখি,

সে এই পথে হেঁটে সফল হয়েছে,
আর ভাবি “সে যদি পারে, আমিও পারব।”

অথবা দেখি,

সে পারেনি
আর ধরে নিই “আমিও পারব না।”

এটাই সবচেয়ে ভয়ংকর ভুল ধারণা। ইসলাম কখনো অন্ধ অনুকরণ শেখায় না। মহান আল্লাহ বলেন:

“আল্লাহ কোনো প্রাণের ওপর তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপিয়ে দেন না।”
(সূরা আল-বাকারা: ২৮৬)

অর্থাৎ প্রত্যেক মানুষের সামর্থ্য আলাদা,
পরিস্থিতি আলাদা,
পরীক্ষা আলাদা। যেটা উটের জন্য সহনীয়,
সেটা ভেড়ার জন্য ধ্বংসের কারণ হতে পারে।

আবার যেটাকে মানুষ অসম্ভব মনে করে, সেটাই
আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে চেষ্টা করলে
তা আপনার জন্য সহজ হয়ে যেতে পারে। তাই মানুষের অভিজ্ঞতা থেকে আইডিয়া নিন,
কিন্তু অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না।

নিজের সামর্থ্য বুঝুন, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করুন,
ধৈর্য ধরুন, দোয়া করুন আর আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রেখে সিদ্ধান্ত নিন। মানুষের উপর আস্থা রেখে নয়, বিশ্বাস রাখুন একমাত্র আল্লাহর উপর। ইনশাআল্লাহ, আপনি ডুববেন না।

Photos from নলেজ পয়েন্ট কেয়ার's post 10/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ
মে মাসের সাপ্তাহিক পরীক্ষা চলছে...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Mohammadpur
Dhaka
1207