Taallumbd

Taallumbd দ্বীনে ইলম শিখার অনলাইন প্লাটফর্ম

31/07/2025

"নবী (ﷺ)-এর যুগে হাফেজ সাহাবী ছিলেন মাত্র ৪ জন" – এই কথাটা কি সত্যি? 🤔

সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বিভিন্ন আলোচনায় প্রায়ই এই দাবিটি শোনা যায়। অনেকে সহীহ বুখারীর একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেন যে, মাত্র চারজন সাহাবী পূর্ণ কুরআনের হাফেজ ছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে কেউ কেউ এমনকি কুরআনের সংরক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

কিন্তু আসল সত্যটা কী? আসুন, আমরা গভীরে যাই। 📜
১. যে হাদীসটি নিয়ে বিভ্রান্তি:
সহীহ বুখারীতে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে এসেছে, তাঁকে যখন জিজ্ঞাসা করা হলো, "নবী (ﷺ)-এর যুগে কারা কুরআন সংকলন করেছিলেন?" তিনি চারজন আনসারী সাহাবীর নাম উল্লেখ করেন। (বুখারী: ৫০০৩)

২. এখানেই কি শেষ? মোটেও না!
ইসলামী জ্ঞানচর্চা শুধু একটি হাদীসের উপর ভিত্তি করে চলে না। মুহাদ্দিসগণ একটি বিষয়ের সকল হাদীস ও ঐতিহাসিক ঘটনাকে সামনে রেখে সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

৩. অকাট্য প্রমাণ যা ভিন্ন কথা বলে:
বীরে মাউনা'র ঘটনা: খোদ আনাস (রাঃ) থেকেই বর্ণিত অন্য একটি হাদীসে এসেছে, নবী (ﷺ) ৭০ জন হাফেজ সাহাবীর একটি দলকে এক অভিযানে পাঠিয়েছিলেন, যারা বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে শহীদ হন। (বুখারী: ৪০৯১)
ইয়ামামার যুদ্ধ: আবু বকর (রাঃ)-এর যুগে ইয়ামামার যুদ্ধে আরও ৭০ জন হাফেজ সাহাবী শহীদ হয়েছিলেন। (আল-ইতকান, সুয়ূতী)
একটু ভাবুন, দুটি ঘটনাতেই যদি ১৪০ জন হাফেজের শাহাদাতের কথা জানা যায়, তাহলে মোট হাফেজের সংখ্যা কত ছিল? নিঃসন্দেহে হাজার হাজার!
ইমাম যারকাশী (রহঃ) বলেছেন, "অগণিত সাহাবী কুরআন মুখস্থ করেছিলেন এবং এর প্রতিটি অংশও এত বেশি লোক মুখস্থ করেছিল যে, তা তাওয়াতুরের পর্যায়ে পৌঁছেছিল।" (আল-বুরহান)

৪. উম্মাহর আলোকবর্তিকা নারী সাহাবীগণ:
কুরআন হিফজে নারীরাও পিছিয়ে ছিলেন না!
হযরত 'আয়িশা (রাঃ), হাফসা (রাঃ) ও উম্মু সালামা (রাঃ) ছিলেন কুরআনের হাফেজা।
হযরত হাফসা (রাঃ)-এর কাছেই কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপিটি সংরক্ষিত ছিল!
উম্মু ওয়ারাকা (রাঃ) নামক একজন আনসারী নারী পূর্ণ কুরআনের হাফেজা ছিলেন, যাঁকে নবী (ﷺ) তাঁর ঘরের নারীদের ইমাম নিযুক্ত করেছিলেন।

৫. তাহলে আনাস (রাঃ) কেন ৪ জনের কথা বললেন?
আলেমগণ এর অনেক সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

তিনি হয়তো সেই মুহূর্তে যাদের নাম মনে করতে পেরেছিলেন, তাদের কথাই বলেছেন।
ওই চারজন হয়তো সরাসরি নবী (ﷺ)-কে পূর্ণ কুরআন পাঠ করে শুনিয়েছিলেন।
তাঁরাই হয়তো সকল কিরাআতসহ হিফজ করেছিলেন।
অথবা, তারাই হয়তো হিফজের সাথে সাথে আমলের দিক থেকেও শ্রেষ্ঠ ছিলেন।

শেষ কথা:
"মাত্র ৪ জন হাফেজ ছিলেন" – এই ধারণাটি একটি খণ্ডিত ও ভুল ব্যাখ্যা। কুরআন ও হাদীসের অকাট্য প্রমাণ অনুযায়ী, হাফেজ সাহাবীর সংখ্যা ছিল অগণিত। কুরআনের সংরক্ষণ ব্যবস্থা ছিল এতটাই শক্তিশালী যে, এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশই নেই।

এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন। 💬
#কুরআন #হাফেজ #সাহাবী #ইসলাম

31/07/2025

আল্লাহ কি শুধু কুরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন? হাদীসের নয়? 🤔

একটি প্রচলিত সংশয়, যার উত্তর লুকিয়ে আছে কুরআনের মধ্যেই!
আমরা সবাই জানি, আল্লাহ বলেছেন তিনি কুরআন সংরক্ষণ করবেন। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, "তাহলে হাদীসের নির্ভরযোগ্যতা কতটুকু? হাদীস তো মানুষের মুখে মুখে বর্ণিত হয়েছে।"

আসুন, সরাসরি কুরআন থেকে এর উত্তর খুঁজি।
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
"তাড়াতাড়ি ওহী আয়ত্ত করার জন্য আপনি জিহ্বা নাড়বেন না। নিশ্চয় এর সংরক্ষণ (جمعَهُ) ও পাঠ করানোর (وَقُرْآنَهُ) দায়িত্ব আমারই... অতঃপর এর বিশদ বর্ণনা (بَيَانَهُ) দেওয়ার দায়িত্বও আমারই।"
📖 [সূরা আল-কিয়ামাহ: ১৬-১৯]

লক্ষ্য করুন, আল্লাহ এখানে তিনটি প্রতিজ্ঞা করেছেন:
১. কুরআনকে সংকলন ও সংরক্ষণ করা।
২. নবী (ﷺ)-কে তা নির্ভুলভাবে পাঠ করানো।
৩. এর ‘বয়ান’ বা বিশদ বর্ণনা দেওয়া।

এই ‘বয়ান’ বা ব্যাখ্যা আসলে কী?
এর উত্তরও আল্লাহ অন্য আয়াতে দিয়েছেন:
"আর আমি আপনার প্রতি যিকির (কুরআন) নাযিল করেছি, যাতে আপনি মানুষের জন্য সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা (لِتُبَيِّنَ) করে দেন, যা তাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে।"
📖 [সূরা আন-নাহল: ৪৪]

এর মানে কী দাঁড়ায়?
আল্লাহ কুরআনের ব্যাখ্যার দায়িত্ব নিয়েছেন এবং সেই ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যম হিসেবে নিযুক্ত করেছেন তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে। সুতরাং, রাসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহই হলো কুরআনের সেই প্রতিশ্রুত ও অনুমোদিত ব্যাখ্যা (বয়ান)।

যৌক্তিক সিদ্ধান্ত:
যদি আল্লাহ কুরআনের ব্যাখ্যার (সুন্নাহ) দায়িত্ব নিয়ে থাকেন, তবে এর অর্থ হলো—তিনি যেভাবে কুরআনের মূল বাণীকে সংরক্ষণ করেছেন, ঠিক সেভাবেই এর ব্যাখ্যাকেও সুরক্ষিত করেছেন। একটি সুরক্ষিত গ্রন্থ আর তার অসুরক্ষিত ব্যাখ্যা আল্লাহর প্রজ্ঞার সাথে মেলে না।

তাহলে হাদীস শাস্ত্রের কাজ কী?
আল্লাহর এই সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে মুহাদ্দিসগণের বিস্ময়কর প্রচেষ্টার মাধ্যমে। তাঁরা এমন এক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (হাদীস শাস্ত্র) তৈরি করেছেন, যা দিয়ে যাচাই করা হয় কোনটি রাসূল (ﷺ)-এর প্রকৃত কথা আর কোনটি নয়।

সুতরাং, আমাদের কাজ হাদীসের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করা নয়, বরং যাচাই করে বিশুদ্ধ হাদীসকে আঁকড়ে ধরা। কারণ, কুরআন ও সুন্নাহ অবিচ্ছেদ্য। একটিকে ছাড়া অন্যটি অপূর্ণ।

এই বিষয়ে আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন। 💬

#হাদীস #কুরআন #সুন্নাহ #ইসলাম

31/07/2025

কুরআন সংকলনের ইতিহাসকে আমরা কী নামে চিনি? ‘জাম'উল কুরআন’ (جمع القرآن) বনাম ‘তারিখুল কুরআন’ (تاريخ القرآن)? 🤔

এই পরিভাষাগুলোর মধ্যে পার্থক্য শুধু শাব্দিক নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি জ্ঞানতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আদর্শিক দর্শন। আসুন, এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জেনে নিই, যা সাধারণত আলোচনার বাইরে থেকে যায়। 📖

📜 ১. ক্লাসিক্যাল পরিভাষা: ‘জাম'উল কুরআন’ (جمع القرآن الكريم)
ইসলামী জ্ঞানকাণ্ডের সোনালী যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত মুসলিম স্কলারদের কাছে সর্বাধিক পরিচিত ও গৃহীত পরিভাষা হলো এটি। এর অর্থ বুঝতে হলে ‘জাম'’ (جمع) শব্দের গভীরতা জানা প্রয়োজন।

🔸 ‘জাম'’ (جمع) শব্দের গভীরতা:
আভিধানিক অর্থ: আরবের শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদগণ এর মূল অর্থ করেছেন "বিক্ষিপ্ত জিনিসকে একত্রিত করা"। যেমন:
ইমাম আল-জাওহারী (মৃ. ৩৯৩ হি.): কোনো কিছুকে সামগ্রিকভাবে একত্র করা।
ইমাম রাগেব আল-ইসফাহানী (মৃ. ৫০২ হি.): বস্তুর অংশগুলোকে নিকটবর্তী করে একত্রিত করা।
ইমাম ইবনু মানযূর (মৃ. ৭১১ হি.): বিক্ষিপ্ত বস্তুকে তার সকল অংশ থেকে একত্র করা।
ইমাম আল-ফায়রুযাবাদী (মৃ. ৮১৭ হি.): বিক্ষিপ্ত জিনিসের সংকলন।

পারিভাষিক অর্থ: উলুমুল কুরআনে এর দুটি প্রধান অর্থ রয়েছে:
স্মৃতিতে ধারণ করা (الحفظ في الصدور): অর্থাৎ, পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করা। যেমন আল্লাহ বলেন, "নিশ্চয় এর সংকলন (আপনার বক্ষে) এবং পাঠ করানোর দায়িত্ব আমারই।" (সূরা আল-ক্বিয়ামাহ: ১৭)।
সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাঃ)-এর উক্তি "جَمَعْتُ الْقُرْآنَ" (আমি কুরআন সংকলন করেছি) এই অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছিল, যার মানে ছিল "আমি পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করেছি"।

লিখিত আকারে একত্রিত করা (الكتابة في السطور): এর প্রমাণ মেলে আবু বকর (রাঃ)-এর যুগে কুরআন সংকলনের ঘটনায়, যেখানে যায়েদ (রাঃ) বলেন, "...আমি খেজুরের ডাল, পাতলা পাথর এবং মানুষের বক্ষ থেকে কুরআন অনুসন্ধান করে তা একত্রিত করতে লাগলাম।"

এই কারণেই ইমাম বদরুদ্দীন আয-যারকাশী (মৃ. ৭৯৪ হি.) তাঁর ‘আল-বুরহান ফী উলুমিল কুরআন’ (البرهان في علوم القرآن) গ্রন্থে এবং ইমাম জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃ. ৯১১ হি.) তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলুমিল কুরআন’ (الإتقان في علوم القرآن) গ্রন্থে এই শিরোনামটিই ব্যবহার করেছেন।

✒️ ২. প্রাচ্যবিদ ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি: ‘তারিখুল কুরআন’ (تاريخ القرآن)
‘কুরআনের ইতিহাস’—এই পরিভাষাটি মূলত পশ্চিমা প্রাচ্যবিদদের (Orientalists) মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পায়।
থিওডোর নোলডেকে (Theodor Nöldeke): জার্মান এই প্রাচ্যবিদ তাঁর Geschichte des Qorāns বইয়ের মাধ্যমে এই পরিভাষাটিকে জনপ্রিয় করেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল কুরআনকে অন্যান্য ঐতিহাসিক গ্রন্থের মতো সাধারণ সমালোচনামূলক পদ্ধতিতে (historical-critical method) বিশ্লেষণ করা।

কিছু আধুনিক মুসলিম লেখকও এই নামটি গ্রহণ করেছেন:
ড. আব্দুস সবুর শাহীন (মৃ. ১৪৩১ হি.) এবং ড. ইবরাহীম আল-ইবইয়ারী (মৃ. ১৪১৫ হি.) উভয়েই ‘তারিখুল কুরআন’ (تاريخ القرآن) নামে গ্রন্থ লিখেছেন। যদিও তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম দৃষ্টিকোণ থেকে এর ইতিহাস তুলে ধরা।

🛡️ ৩. আধুনিক ইসলামী সংশ্লেষণ: ‘তারিখু তাওসিকিল কুরআন’ (تاريخ توثيق القرآن)
বিংশ শতাব্দীর কিছু মুসলিম স্কলার একটি মধ্যমপন্থী ও অধিকতর সুনির্দিষ্ট পরিভাষা ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ ‘কুরআন নথিভুক্তকরণের ইতিহাস’। ‘তাওসিক’ (توثيق) মানে হলো কোনো কিছুকে নির্ভরযোগ্য (authentic) ও প্রামাণ্য (verified) হিসেবে সাব্যস্ত করা।
ড. আদনান যারযুর (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন): তিনি তাঁর সুবিশাল গ্রন্থ ‘আল-কুরআনুল কারীম: উলুমুহু ওয়া ই'জাযুহু ওয়া তারিখু তাওসিকিহি’-তে এই পরিভাষা ব্যবহার করে দেখিয়েছেন যে, কুরআনের সংকলন কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুশৃঙ্খল ও নিবিড় নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া।

🧐 ৪. ‘নাস’ (النص) বিতর্ক: কুরআন কি কেবলই একটি ‘পাঠ্য’ (Text)?
এই আলোচনার গভীরে আরও একটি সূক্ষ্ম বিতর্ক রয়েছে:
ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টিভঙ্গি: ক্লাসিক্যাল আলেমরা কুরআনকে ‘নাস’ বা ‘পাঠ্য’ বলতে সতর্ক থাকতেন, যেন এটি সাহিত্যের (النص الأدبي) মতো মানবীয় রচনার সাথে মিশে না যায়।

আধুনিক ও প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি: প্রাচ্যবিদ এবং তাদের দ্বারা প্রভাবিত গবেষকরা, যেমন নাসর হামিদ আবু যায়েদ (মৃ. ১৪৩১ হি.), প্রায়শই ‘আন-নাসসুল কুরআনি’ (النص القرآني) বা ‘কুরআনিক টেক্সট’ পরিভাষাটি ব্যবহার করেন, যা এটিকে সাধারণ সাহিত্যিক পাঠ্যের মতো বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি করে।

✨ আলোচনাকে যারা আরও সমৃদ্ধ করেছেন:
এই বিষয়ে আরও অনেক মনীষী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, যা এই আলোচনার পরিধিকে বিস্তৃত করে:
ইমাম আবু বকর আল-বাকিল্লানী (মৃ. ৪০৩ হি.): তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ই'জাযুল কুরআন’ (إعجاز القرآن)-এ কুরআনের অলৌকিকত্ব প্রমাণের পাশাপাশি এর সংরক্ষণ ও ভাষাগত অখণ্ডতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ড. মুহাম্মাদ মুস্তাফা আল-আ'যামী (মৃ. ১৪৩৯ হি.): তাঁর যুগান্তকারী গ্রন্থ The History of the Qur’ānic Text (আরবি সংস্করণ: تاريخ النص القرآني...)-এ তিনি আধুনিক গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহার করে কুরআনের প্রামাণ্যতাকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
ড. গানিম কদ্দূরী আল-হামাদ (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন): কুরআনের লিপি ও বানানরীতি বিষয়ে বিশ্বের অন্যতম এই বিশেষজ্ঞের গ্রন্থ ‘রাসমুল মুসহাফ...’ (رسم المصحف...) কুরআনের পাঠের ঐতিহাসিক প্রামাণ্যতার এক অসামান্য উদাহরণ।

🔚 উপসংহার:
‘জাম'উল কুরআন’, ‘তারিখুল কুরআন’ বা ‘তারিখু তাওসিকিল কুরআন’—এই পরিভাষাগুলো কেবল ভিন্ন ভিন্ন শব্দগুচ্ছ নয়, বরং এগুলো একেকটি স্বতন্ত্র জ্ঞানতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আদর্শিক অবস্থানের পরিচায়ক। কোনো লেখক কোন পরিভাষাটি ব্যবহার করছেন, তা থেকে কুরআন বিষয়ে তাঁর মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

এই পরিভাষাগুলো নিয়ে আপনার ভাবনা কী? কমেন্টে জানাতে পারেন।
পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।

#কুরআন #ইসলাম #উলুমুল_কুরআন #কুরআন_সংকলন
#ইসলামিক_জ্ঞান #ইতিহাস

এটাই তিক্ত বাস্তবতা - অথচ মানুষ ভাবে, সে না থাকলে কি না কি হয়ে যাবে। আসলে কিছুই হবে না, সবকিছু ঠিক আগের মতই চলবে - কারণ ...
29/03/2025

এটাই তিক্ত বাস্তবতা -
অথচ মানুষ ভাবে, সে না থাকলে কি না কি হয়ে যাবে।
আসলে কিছুই হবে না, সবকিছু ঠিক আগের মতই চলবে - কারণ শূণ্যস্থান কখনো বাকি থাকে না।

‎আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃইয়া রাসূলাল্লাহ! সদাচার প্রাপ্তির অগ্রগণ্য ব্যক্তি কে? তিনি বলেনঃ তোমার মা। তিনি বলেন, ...
02/02/2025

‎আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
ইয়া রাসূলাল্লাহ! সদাচার প্রাপ্তির অগ্রগণ্য ব্যক্তি কে?
তিনি বলেনঃ তোমার মা। তিনি বলেন, তারপর কে?
তিনি বলেনঃ তোমার মা। তিনি বলেন, তারপর কে?
তিনি বলেনঃ তোমার মা। তিনি বলেন, তারপর কে?
তিনি বলেনঃ তোমার পিতা।
(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ, তাহাবী)
• আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং ৫
• হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

25/01/2025

امي ان كباوكن ان يم +دتم به سم سنبل سافق سمنك😂😂😂

মা, যদি তুমি সুখী হতে চাও

06/01/2025
ফরজ সালাতের পরবর্তী আমল...!
06/01/2025

ফরজ সালাতের পরবর্তী আমল...!

25/12/2024

রাতের জন্য এই দুটি আয়াতই যথেষ্ট!

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সূরাহ বাকারার শেষে এমন দু’টি আয়াত রয়েছে যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দু’টি তিলাওয়াত করবে তার জন্য এ আয়াত দু’টোই যথেষ্ট। (সহীহ বুখারী ৪০০৮)

জীবনের খেলাঘর কত অদ্ভুত—ভাবতে পারেন এই বাড়িতে একসময় হইচই এ মেতে থাকতো পুরো পরিবার। তারপর ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে চলে যায় যে যা...
22/12/2024

জীবনের খেলাঘর কত অদ্ভুত

ভাবতে পারেন এই বাড়িতে একসময় হইচই এ মেতে থাকতো পুরো পরিবার। তারপর ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে চলে যায় যে যার মতো প্রতিষ্ঠিত হতে। থেকে যায় বাবা মা অথবা পরিবারের ব্যয়োজৈষ্ঠরা। ছেলেমেয়েরা প্রথমে প্রতি সপ্তাহে আসতো তাদের সঙ্গে দেখা করতে। তারপর সেটা বেড়ে গিয়ে হলো মাসে একবার। তারপর সংসার আর কর্ম জীবনে প্রবেশ করে সেটা গড়ায় বছরে একবার সেটা শুধু ঈদের দিন দেখতে আসা । এক ঈদ বাবার বাড়ি এক ঈদ শশুর বাড়ি। এভাবেই বাড়তে থাকে দুরত্ব। এই আসা যাওয়ার অপেক্ষায় একসময় বাবা মায়ের সময় শেষ হয়ে যায়। বাবা মা জীবিত থাকতে এই হলো আসা যাওয়ার গল্প। আর যখন তারা মারা গেলো তখন সেখানে ঝড়া পাতা আর পোকামাকড়ের বসতি এখন আর কয়েকবছরে ও হয়তো আসেনা। জীবন বড় অদ্ভুত। এমন জীবন দিয়ে কি হয়?

15/12/2024

বউ-শাশুড়ীর কুরআন তিলাওয়াত।

09/11/2024

মহাকবি আল্লামা ইকবালের ১৪৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

বিংশ শতাব্দীর মুসলিম জাগরণের অন্যতম নকীব, মানবতাবাদী অমর কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। আল্লামা ইকবাল ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ এবং ইসলামি চিন্তাবিদ। ইকবাল তাঁর ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তার ক্ষুরধার লেখনী ও জাদুমন্ত্রবত্ বর্ণনায় ইসলামি শিক্ষা সংস্কৃতি, ইতিহাস ঐতিহ্য যেভাবে প্রতিভাত হয়ে উঠে তা সত্যিকার অর্থেই একজন সচেতন পাঠককে রীতিমতো পুলকিত ও চমকিত করে।

মুসলিম রেনেসার কবি আল্লামা ইকবাল তার ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। মানবতাবাদী কবি আল্লামা ইকবালের ১৪৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৮৭৭ সালের এই দিনে তিনি পাঞ্জাবের সিয়ালকোটে জন্মগ্রহণ করেন। মুসলিম মিল্লাতের অমর কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। তিনি মুসলিম মিল্লাতের জন্য সবসময় প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

ভিডিও: Khwaab e Ghaflat - আল্লামা ইকবাল

Address

Khilgaon, Taltola
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taallumbd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Taallumbd:

Shortcuts

Share