30/11/2020
🏁শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো🏁
সমাজের অধঃপতন ও বিপদের সময় দেখা যায়, আমরা কত শ্রেণির মানুষ একটা সমাজকে নিয়ে ভাবি। একটি ভংগুর সমাজকে টেনে তুলতে কতগুলো মানুষের চিন্তা, কর্ম, আর সহযোগিতা প্রয়োজন হয়? স্বাভাবিকভাবে দেখলে মনে হবে। আমাদের চলার পথে সমাজের কোন অবদান নেই। কিন্তু মূল বিষয় হলো, আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে রয়েছে সমাজ ও সামাজিক প্রক্রিয়ার নানা অবদান। উদহরণসরূপ বলা যায়, যখন আমাদের সমাজে কোন বিপর্যয় নেমে আসে বিশেষ করে মহামারি, অগ্নিকান্ড বা খরা, বন্যা জলোচ্ছ্বাসের মত কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ তখন আমাদের চারপাশ থেকে সহযোগিতার অসংখ্যা হাত বেরিয়ে যায় নানা সংগঠনের নামে। অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তাদের কাজ করতে দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকা-, ভবন ধস, জাহাজ ডুবিতে এর যথেষ্ট প্রমাণ আমরা দেখেছি। অর্থাৎ আমাদের জীবন পরিচালনা করার পথে যেমন পরিবারের ভূমিকা রয়েছে, তেমনি সমাজের নানা ধরনের সংগঠনের ভূমিকাও রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে।
#সংগঠনের করণীয়ঃ আমাদের সববিছুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সামাজিক সংগঠন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা, গনসচেতনতা, সুনাগরিকত্ব ইত্যাদি সহ সার্বিক সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যেই সামাজিক সংগঠন এর প্রতিষ্ঠা করা হয়। একটি সংগঠন এর সাধারনত নিম্মে লিখিত কাজ গুলো করতে হয়।
#সমন্বয় সাধনঃ সামাজিক সংগঠন কখনোই ব্যক্তিগত কিছু নয়। একা কোন মানুষ একটি সংগঠন পরিচালনা করতে পারে না। তাই সকলের সমন্বিত উদ্দেশ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান একত্র করে সংগঠন সৃষ্টি করতে হয়।
#সুনির্দিষ্ট কাঠামোঃ প্রতিটি সংগঠন একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় গড়ে ওঠে। অর্থাৎ একটি সংগঠন কোন ধরনের কাজ করবে তা সুনির্দিষ্ট থাকবে।
#সামাজিক উন্নয়নঃ সংগঠনকে অবশ্যই সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে।
#নৈতিক উন্নয়নঃ যাদের নিয়ে সংগঠন গঠিত তাদের সবার আত্ম উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
#শিল্পসংস্কৃতি চর্চাঃ সংগঠনের অন্যতম কাজ হওয়া উচিত শিল্প সংস্কৃতির চর্চার মাধ্যমে শিল্পমনস্ক মানুষ তৈরী করা। যে দেশের শিক্ষা যতবেশী সমৃদ্ধ সে দেশের মানুষ ততবেশী নৈতিকতায় সমৃদ্ধ প্রতিটি সংগঠনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিল্পসাহিত্য ও নৈতিক গুণচর্চার মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট থাকা।
#সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যঃ লক্ষ্য বিহীন কোন কিছুরই অস্তিত্ব বেশীদিন ঠিকিয়ে রাখা যায় না। সুতর