17/01/2026
ক্লাস টু এর বাচ্চার এরাবিক হাতের লিখা। স্কুলেই তাকে আরবী লিখতে হতো।আর এখন দেখি আরবী না লিখিয়ে না শিখিয়ে এই কালিমা বাংলায় উচ্চারণে লিখা পড়া শিখাচ্ছে বিভিন্ন স্কুল!! এটা যে কত বড় গুনাহের কাজ করছে তারা নিজেরাও জানে না।
এটাই হচ্ছে পার্থক্য ইসলামিক আর নন ইসলামিক স্কুলের। আর আমরা মায়েরা যেসব স্কুল এরাবিক রেখেছে সেখানে দিতে চাই না। এরাবিক নাকি বার্তি চাপ!! আস্তাগফিরুল্লাহ...
কোন স্কুলই হতে পারে মানুষ গড়ার কারিগর, সেটা এখনকার অনেক অভিভাবক বুঝেন না। কিন্তু আমার সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে ছোট বেলা থেকেই।কারণ আমিও একটা আদর্শ স্কুলের স্টুডেন্ট ছিলাম। পরে অন্য স্কুলে গিয়ে বুঝেছি, আদর্শ স্কুলের কতটা প্রয়োজন।
আদর্শ স্কুলের চাকচিক্য আভিজাত্য থাকে না। সেগুলা থাকে আদর্শহীন স্কুলে। আর আমরাও সেইসব স্কুলকে বেছে নিচ্ছি এখন। আর যার ফল অচিরেই ভোগ করি।যখন ভোগ করি তখন কিছুই করার থাকে না।
14/01/2026
আমরা বেশিরভাগ অভিভাবক এখন মনে করি,সন্তানকে কোনরকম একটা ওস্তাদ/আরবি পড়ায় এমন কাওকে রেখে কোনরকম কোরআন খতম দিলেই ইসলামিক শিক্ষা দেওয়া শেষ।
আর কিছু ওস্তাদ/ওস্তাজাও মনে করে কোরআন খতম করিয়ে দিয়েছি ৪-৫ মাসে মাশা আল্লাহ আমি খুব ভালো ওস্তাজা/ওস্তাদ!! অভিভাবক যেমন ওস্তাদজীরাও তেমন মাশা আল্লাহ। দুইজন দুইজনের স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে!! আস্তাগফিরুল্লাহ..
এভাবেই তার ইসলামের এলেম বিতরণ করে চলেছেন!! আর অভিভাবকরাও জীবনে একবার সন্তানকে এদের হাতে কোরআন খতম দেওয়াই গর্বিত!!
কোরআন রিডিং পড়ে খতম করায় দিলেই যেমন ওস্তাদজীদের কোরআন ও ইসলামিক শিক্ষা দেওয়া শেষ হয়ে যায় না,তেমনি আপনার সন্তানেরও কোরআনকে জানা হয় না, ইসলামকে জানা হয় না। এই কোরআন শিক্ষার কোন মানে হয় না। কোন ফায়দাও নেই। যদি ফায়দা হতো তাহলে আমাদের সমাজটা সত্যি অন্যরকম হতো।
26/10/2025
কুরআন মুখস্থ করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফায়দা ও ফজিলত:
১. কুরআন মুখস্থ করা হলো নবীর ﷺ অনুসৃত সুন্নাহ।
তিনি নিজেই কুরআন মুখস্থ করেছিলেন এবং প্রতি বছর জিবরাইল (আঃ)-এর সাথে তা পুনরাবৃত্তি করতেন। (সহিহ মুসলিম)
২. হাফেজকে আল্লাহ আগুন থেকে রক্ষা করবেন।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি কুরআনকে নিজের মধ্যে ধারণ করেছে, আল্লাহ তাকে আগুনে পুড়াবেন না।” (বায়হাকি, সহিহ করেছেন আলবানী)
৩. কুরআন কিয়ামতের দিন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে। (সহিহ মুসলিম)
৪. কুরআন পাঠকারীকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দেবে।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “কিয়ামতের দিন হাফেজকে বলা হবে, ‘পড়ো এবং ওঠো, যেমন দুনিয়াতে পড়তে।’ তোমার স্থান হবে সেই আয়াত পর্যন্ত যা তুমি পড়বে।” (আহমদ, তিরমিজি, আবু দাউদ)
৫. হাফেজকে সম্মান করা মানে আল্লাহকে সম্মান করা।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “আল্লাহকে সম্মান করার অংশ হলো মুসলিম বৃদ্ধ, কুরআন বহনকারী (যিনি অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি বা অবহেলা করেন না), এবং ন্যায়পরায়ণ শাসককে সম্মান করা।” (আবু দাউদ, সহিহ আলবানী)
৬. হাফেজরা আল্লাহর বিশেষ বান্দা।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহর কিছু বিশেষ বান্দা আছে।” সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, “তারা কারা?” তিনি বললেন: “তারা হলো কুরআনের আহল — আল্লাহর আপনজন।” (নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
৭. কুরআন হিফজ দুনিয়া ও আখিরাতে মর্যাদা বৃদ্ধি করে।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “আল্লাহ এই কিতাবের মাধ্যমে কিছু জাতিকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করবেন এবং অন্যদের নিচে নামাবেন।” (সহিহ মুসলিম)
৮. ইমামতি করার অগ্রাধিকার হাফেজের।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি কুরআনে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী, সে-ই ইমামতি করবে।” (সহিহ মুসলিম)
৯. কুরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি ফেরেশতাদের সঙ্গী।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি কুরআনে পারদর্শী, সে সম্মানিত ও সৎ ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে।” (বুখারি ও মুসলিম)
১০. প্রকৃত গর্ব বা ঈর্ষার যোগ্যতা কেবল হাফেজের।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “ঈর্ষা কেবল দুইজনের প্রতি — একজন যাকে আল্লাহ কুরআন দিয়েছেন, সে দিনরাত তা পাঠ করে; আরেকজন যাকে আল্লাহ ধন দিয়েছেন, সে তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে।” (বুখারি ও মুসলিম)
১১. কুরআন শেখা ও শেখানো দুনিয়ার সব কিছুর চেয়ে উত্তম।
রাসূল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি সকালে মসজিদে গিয়ে কুরআনের দুইটি আয়াত শেখে, তা দুইটি উট পাওয়ার চেয়েও উত্তম; তিনটি আয়াত তিনটি উটের চেয়েও উত্তম; চারটি চারটি উটের চেয়েও উত্তম।” (সহিহ মুসলিম)
Noore hera
সংগৃহীত
17/10/2025
"আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সবকিছু দিয়েছেন। আর বান্দার কাছে চেয়েছেন কেবল
"তাঁর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ।"
আবার বান্দার কাছে তিনি যা চেয়েছেন, তার প্রতিদান জান্নাত-ও রেখেছেন ওই বান্দার জন্যই।
ভেবেছেন, কতো সুন্দর আমার আল্লাহর নিয়মকানুন?
01/08/2025
আসসালাতু আসসালামু আ'লা রাসুলিল্লাহি আস্তাগফিরুল্লাহ...
01/08/2025
যে শহরের ঘুম থেকে উঠতে সকাল ১০ টা বাজে আর কর্মক্ষেত্র শুরু হয় সকাল ১১ টায় সেই শহরে রহমত বরকতের কোন স্থান নেই। আজও মদিনায় দিন শুরু হয় সুবহে সাদিকে, বাদ ফযরে, রাতের তাহাজ্জুদে দরবেশদের দেখা মেলে হরহামেশাই!
শুধু মদিনা কেন? উন্নত ইহুদি ও খ্রিস্টান দেশেও ভোর হয়, মানুষ জাগে ভোরেই। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব শুরু হয় ভোর থেকেই। শুধু বাঙালী সব ছেড়ে ছুড়ে ইসলামের নিয়মের বাইরে চলছে।
আর আল্লাহ তাই সব রহমত, বরকত, সুস্থ্যতা উঠিয়ে নিচ্ছে পরিবার গুলো থেকে।
এখনো আমরা শুরু করতে পারি চোরে উঠে কোরআন পড়া। আগেকার সেই মক্তবের মত অনলাইনেই। কে কে আছেন নিজেকে ও সন্তানদের সকাল শুরু করতে চান কোরআন শিখার মাধ্যমে??
01/08/2025
আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন,
সবার আগে আপনার সন্তানের মস্তিষ্কে
ইসলামের বীজ বপন করুন।
আর মাঝে মাঝে সেটার পরিচর্যাও করুন।
পরিচর্যার অভাবেও অনেক কিছু শেষ হয়ে যায়।
21/07/2025
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন...
16/03/2025
রোযার বিধান -
হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেওয়া হল, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা সংযমশীল হতে পার। - সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩
রমজানের গুরুত্ব -
রমাযান মাস- যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকেদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে, কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোযা পালন করে আর যে পীড়িত কিংবা সফরে আছে, সে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান, যা কষ্টদায়ক তা চান না যেন তোমরা মেয়াদ পূর্ণ করতে পার, আর তোমাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করার কারণে তোমরা আল্লাহর মাহাত্ম্য ঘোষণা কর, আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পার। - সূরা আল-বাকারা ২:১৮৫
*************************************
তারাবীহ সালাত সম্পর্কিত হাদিস - ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) ...আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
"আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের আশায় কিয়াম (তারাবীহ) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।"
(সহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ ২৪, তারাবীহর সালাত)
*************************************
সেহরী সম্পর্কে হাদিস - আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা সেহরী গ্রহণ কর, কেননা এতে বরকত রয়েছে।" - (সহীহ আল-বুখারী ১৯২৩, বই ৩২, হাদিস ৩২)
*************************************
ইফতার -
হজরত সাহল ইবনে সাআদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যত দিন লোকেরা ওয়াক্ত হওয়ামাত্র ইফতার করবে, তত দিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে।’ (বুখারি, সাওম অধ্যায়, হাদিস: ১৮৩৩)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ রোজা রাখলে খেজুর দিয়ে যেন ইফতার করে, খেজুর না হলে পানি দ্বারা; নিশ্চয়ই পানি পবিত্র।’ (তিরমিজি ও আবু দাউদ; আলফিয়্যাতুল হাদিস: ৫৬২, পৃষ্ঠা: ১৩১-১৩২)।
ইফতার করানোর ফজিলত -
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে এবং রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব সে লাভ করবে। তবে ওই রোজাদারের সওয়াব কম করা হবে না।’
*************************************
মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি (লাইলাতুল কদর) হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। - সূরা আল-কাদর, 97:3
‘আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করতেন এবং বলতেনঃ তোমরা রমাযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।
- সহীহ বুখারী (তাওহীদ) | অধ্যায়ঃ ৩২/ লাইলাতুল ক্বদর-এর ফাযীলাত | হাদিস নাম্বার: 2020
*************************************
সদাকাতুল ফিতর (ফিতরা) - ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজাদারের অশ্লীল কথাবার্তা ও অপ্রীতিকর আচরণ থেকে পবিত্রকরণের জন্য এবং মিসকিনদের আহারের সংস্থান করার জন্য সদাকাতুল ফিতর (ফিতরা) নির্ধারণ করেছেন। ঈদের সালাতের পূর্বে এটি আদায় করা উত্তম।
(সূত্র: আবু দাউদ ১৬০৯, সহীহ বুখারী ১৫০৩, সহীহ মুসলিম ৯৮৪, ইবনে মাজাহ ১৮২৭, সহীহ ইবনে খুযাইমাহ ২৩৪১)
©কপি পোস্ট