ইলমে লাদুনী العلم اللدّني

ইলমে  লাদুনী  العلم اللدّني Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইলমে লাদুনী العلم اللدّني, Educational Research Center, Dhaka.

আমাদের অফিসিয়াল What's App চ্যানেল লিংক ⬇️
https://whatsapp.com/channel/0029VbBfRqR6mYPNzTGMt940
আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল লিংক ⬇️
https://youtube.com/?si=oo87jxAAoYMDi3dU

হযরত সুলতান বাহু (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর বর্ণনা✍️ ইলমে  লাদুনী  العلم اللدّني হযরত সুলতান বাহু (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বর...
26/09/2026

হযরত সুলতান বাহু (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর বর্ণনা

✍️ ইলমে লাদুনী العلم اللدّني

হযরত সুলতান বাহু (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বর্ণনা করেন, “হুযুর গাউসে আ‘যম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর দু’প্রকারের মুরীদ আছেন।
এক, নেককার-পরহেযগার;
দুই, গোনাহগার-পাপিষ্ঠ।

নেককার মুরীদ হযরত পীর দস্তগীর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর আস্তিনের মধ্যে থাকেন। আর তিনি নিজে বদকার মুরীদের আস্তিনের মধ্যে বিরাজ করেন।

যখন কেউ তাঁর মুরীদের অনিষ্ট (বা ক্ষতি) করতে চায়, তখন তিনি জালালী হালতে তাঁর আস্তিন ঝাড়তে থাকেন। পরিণতিতে, অনিষ্টসাধনের যারা চেষ্টা করে, তাদের সাত পুরুষ পর্যন্ত বরবাদ হয়ে যায়।”

📗 মাযহারে জামালে মুস্তফায়ী

শাইখ আব্দুল কাদির জিলানী রাদিআল্লাহু তাআলার কাশফ✍️ ইলমে  লাদুনী  العلم اللدّني শায়খ শিহাবউদ্দিন ওমর সোহরাওয়ার্দী বলেন, আ...
25/09/2026

শাইখ আব্দুল কাদির জিলানী রাদিআল্লাহু তাআলার কাশফ

✍️ ইলমে লাদুনী العلم اللدّني

শায়খ শিহাবউদ্দিন ওমর সোহরাওয়ার্দী বলেন, আমি কোন বইটি পড়ব? ইমামুল হারমাইন আল জুআয়ইনির বই আল ইশাদ পড়ব নাকি ইমাম শাহরাস্তানির বই নিয়াহাকাতুল ইকদাম পড়ব? আমার স্পষ্ট ধারণা ছিল না যে আমি কোন বইটি পড়ব নাকি আমার শায়খ আবু নজীব সোহরাওয়ার্দীর (যিনি তাঁর চাচা শায়খ ছিলেন) তার বইটি পড়ব। তাই আমি দ্বিধা দ্বন্দ্ব হয়ে আমার শায়খ ইমাম আবু নজীব সোহরাওয়ার্দীর সাথে সাইয়্যেদুনা গাউছে আজমের দরবারে হাজির হলাম।

এ কথা কে বলছেন? শেখ শিহাবউদ্দিন সোহরাওয়ার্দী। আর এটি কে বর্ণনা করছেন? আল্লামা ইবনে তাইমিয়া তাঁর "আল ইস্তিকামাহ" বইয়ে এটি বর্ণনা করছেন। আমি হযরত গাউসে আজমের কাছে গেলাম এবং আমার চাচা ও আমার শায়খ আবু নজীব সোহরাওয়ার্দী তাঁর সময়ে এক পূর্নাঙ্গ অলী ও আবদাল হওয়া সত্ত্বেও হযরত গাউছে পাকের ইমামতিতে নামাজ আদায় করছেন। তাই আমার শায়খ আমাকে সেখানে নিয়ে গেলেন এবং চিন্তা ছিল যে নামাজ থেকে অবসর হয়ে যখন মজলিস হবে, তখন আমরা আপনার কাছে আবেদন জানাবো এবং নিদের্শনা নেবো আপনি যেই বই বলবেন সেই বই পড়া শুরু করব।

এই চিন্তাধারা নিয়ে আমরা গেলাম তখনও নামাজ শেষ হয়নি, মজলিসও শুরু হয়নি চিন্তাটা শুধু মনের মধ্যে ছিল। তিনি বললেন, শায়খ আবদুল কাদের আমার দিকে তাকালেন এবং আমাকে দেখেই সাইয়্যেদুনা গাউছুল আজম (রাঃ) আমার দিকে মনোযোগ দিলেন এবং আমাকে বললেন হে ওমর! তুমি যে বইগুলো পড়ার ইচ্ছে রাখছো তা কবরে কোনো পুঁজি বা কাজে আসার মতো জিনিস নয়।

তুমি ইলমে কালাম, যুক্তিশাস্ত্র, ও দর্শনের যে বইগুলো পড়ার ইচ্ছে রাখছো বা জিজ্ঞেস করতে এসেছো তা কবরে কোনো কাজে আসবে না। কবরে কোনো কাজে আসবে না। তখন আমি তা থেকে ফিরে এলাম এবং বুঝতে পারলাম যে হযরত গাউছে পাকের কাশফ (আধ্যাত্মিক দর্শন) হয়েছে এবং তিনি আমার অন্তরের অবস্থা জেনে আমাকে হেদায়েত করেছেন। তাই আমি তওবা করলাম।

এরপর আল্লামা ইবনে তাইমিয়া লিখেছেন নিশ্চয়ই শায়খ তার অন্তরে যা ছিল সে সম্পর্কে কাশফ লাভ করেছিলেন (অর্থাৎ শায়খ আবদুল কাদের জিলানী কথা জেনে ফেলেছিলেন)।

বয়ানে শাইখ উল ইসলাম ডক্টর মুহাম্মদ তাহির উল কাদরী মাদ্দাজিল্লাহুল আলী

পীরানে পীর দস্তগির জিলানি (রহ.)✍️ ইলমে  লাদুনী  العلم اللدّني তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি। মুসলিম জাতির চরম দুর্দিনে তাঁর ...
22/09/2026

পীরানে পীর দস্তগির জিলানি (রহ.)

✍️ ইলমে লাদুনী العلم اللدّني

তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি। মুসলিম জাতির চরম দুর্দিনে তাঁর আগমন। ঘটেছিল। ১ রমজান হিজরি ৪৭০ অথবা ৪৭১ সালে জিলান নগরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা হযরত আবু সালেহ মুসার (রহ.) বংশগত সম্পর্ক ছিল হযরত ইমাম হাসানের (রহ.) সঙ্গে। আর মাতা হযরত সাইয়্যেদা ফতেমার (রহ.) বংশগত সম্পর্ক ছিল ইমাম হুসাইনের (রা.) সঙ্গে।

হযরত গাওসুল আজম মুহিউদ্দিন শায়খ আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) প্রথমে জ্ঞান অন্বেষণ এবং পরে প্রেমময় আল্লাহ পাকের মারেফত লাভের জন্য কঠোর সাধনা চালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি একাধারে ৪০ বছর এশার অজু দিয়ে ফজরের নামাজ পড়েছেন। তাঁর জীবন বহু অলৌকিক ঘটনার সমষ্টি। আমাদের প্রিয় রাসুলের (সা.) আদর্শ বাস্তবায়নই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। সাধারণত সপ্তাহে তিনি তিনবার ওয়াজ-নসিহত করতেন। শনি ও মঙ্গলবার মাদ্রাসায়ে কাদেরিয়ায় আর রবিবার খানকায়। তাঁর মজলিশে ৭০ হাজারের বেশি শ্রোতা হাজির থাকতেন। দীর্ঘ ৪০ বছর পর্যন্ত শ্রোতারা তাঁর অমিয় বাণী শ্রবণে জীবন ধন্য করেছেন। আল্লাহর একত্ববাদের শিক্ষা দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন- 'নজর নিবন্ধ রাখো তাঁর দিকেই যিনি তোমাকে সর্বদা দেখছেন। যিনি তোমাকে ভালো বাসছেন তাকেই ভালোবাসো। যিনি তোমাকে সর্বদা রক্ষা করছেন তাঁর কাছেই আত্মসমর্পণ করো।'

হযরত জিলানি (রহ.) বলেছেন, একবার বিজন প্রান্তরে অবস্থানকালীন পিপাসায় কাতর ছিলেন তিনি। হঠাৎ আকাশ থেকে বর্ষণ হলে আল্লাহর শোকর করে তৃষ্ণা মেটালেন। অতঃপর মেঘ খণ্ডের এক তীব জ্যোতি থেকে আওয়াজ ভেসে এলো। বলা হলো- 'হে আবদুল কাদের, আমি হলাম তোমার প্রভু, তোমার ইবাদতে সন্তুষ্ট। তাই তোমার জন্য প্রতিটি হারামকে হালাল করে দিলাম।' এ কথা শুনে তিনি আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম পড়ে বললেন, 'ওহে মরদুদ তুই দূর হ।'

হযরত জিলানিকে (রহ.) একজন প্রশ্ন করেছিল, আপনি কী করে বুঝলেন এটা শয়তানের কাজ? জবাবে তিনি বলেছিলেন, 'আল্লাহ পাক কখনই হারাম কাজের হুকুম করেন না আর হারাম কাজ তাঁর পছন্দ নয়।'

বর্তমানে অসাধু সাধকরা অল্প কিছু ইবাদত-বন্দেগি করার পর মনে করে তারা শরিয়তের বিধান থেকে মুক্ত। তারা বাহ্যিক নামাজ থেকে মুক্ত। আত্মিক নামাজ পড়ে। হারাম তাদের জন্য হালাল হয়ে গেছে। তাদের ভণ্ডামি থেকে অবশ্যই আমরা সচেতন থাকব। বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানির (রহ.) এ ঘটনা থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয়, তরিকতের কোনো স্তরই শরিয়তের বাইরে নয়।

৫৬১ হিজরির ১১ রবিউস সানি রোজ সোমবার তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি আজীবন ইসলামের খেদমত করে গেছেন। শিক্ষা প্রচার ও গ্রন্থ রচনা করে তিনি পৃথিবীতে অমর হয়ে রয়েছেন। তাঁর বিখ্যাত ফতহুল গায়ব নামক গ্রন্থের দুটি বাণী পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

22/09/2026
🔷 গাউছে পাকের জ্ঞানের স্তর✍️ ইলমে  লাদুনী  العلم اللدّني হযরত সায়্যিদুনা হাফিজ আবুল আব্বাস আহমদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন...
20/09/2026

🔷 গাউছে পাকের জ্ঞানের স্তর

✍️ ইলমে লাদুনী العلم اللدّني

হযরত সায়্যিদুনা হাফিজ আবুল আব্বাস আহমদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমি আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর সাথে একবার হুজুর গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর ইজতিমায়ে গাউসিয়ায় উপস্থিত ছিলাম। একজন ক্বারী কুরআনে কারীমের তিলাওয়াত করলেন। তিলাওয়াতের পর হুজুর গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি বয়ান শুরু করলেন এবং তিলাওয়াতকৃত আয়াতে মুবারাকা হতে একটি আয়াতের তাফসীর বর্ণনা করতে গিয়ে আয়াতের একটি অর্থ বর্ণনা করলেন।

আমি আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-কে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনার কি এই তাফসীর সম্পর্কে জানা আছে? তিনি উত্তর দিলেন: হ্যাঁ! আমার এই তাফসীরী উক্তি জানা আছে।

​এরপর হুজুর গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি এক এক করে এগারোটি তাফসীরী উক্তি আলোচনা করলেন। আমার জিজ্ঞাসার কারণে প্রতিবারই আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলতে থাকেন, এই তাফসীরী উক্তিটি তাঁর জানা আছে। হাফিজ আবুল আব্বাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন যে, হুজুরে গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি সেই একটি আয়াতের চল্লিশটি তাফসীরী উক্তি বর্ণনা করেন এবং প্রতিটি উক্তির বর্ণনাকারীর নামও বর্ণনা করেন।

কিন্তু এগারোটি তাফসীরের পর থেকে প্রতিটি তাফসীর সম্পর্কে আমার জিজ্ঞাসার উত্তরে আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি না-বোধক মাথা নাড়তে থাকেন যে, এই তাফসীর তাঁর জানা নেই। –(আখবারুল আখইয়ার, পৃষ্ঠা-১১; বাহজাতুল আসরার, পৃষ্ঠা-২২৪; যুগদাল আসার, পৃষ্ঠা-৫২)

​এই ঘটনা দ্বারা হুজুর গাউসে আযম রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর জ্ঞানের স্তর ও মর্যাদার উচ্চতা স্পষ্টভাবে অনুভব করা যায় যে, তিনি একই সময়ে একটি আয়াতে মুবারাকার ৪০টি তাফসীর বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে ২৯টি তাফসীর আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর জানা ছিল না।

অথচ আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি সেই সময়ের অনেক বড় আলিম ও ইমাম ছিলেন। তিনি ইলমে কুরআন, ইলমে হাদীস, ইলমে ফিকাহ, ভূগোল শাস্ত্র, চিকিৎসা শাস্ত্র, ইতিহাস, তাফসীর, ইলমে নাহু, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত শাস্ত্র, সাহিত্য ইত্যাদির মতো বহুবিধ বিষয়ে কিতাব প্রণয়ন করেছেন। তাঁর প্রণীত কিতাবের সংখ্যা ৩০০-এরও অধিক বলা হয়ে থাকে। তন্মধ্যে কিছু কিতাব বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত, আবার কতগুলো একক রিসালা। –(উয়ুনুল হিকায়াতের ভূমিকা, ১/৫)

​ইমাম ইবনে কুদামা হাম্বলী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন: ইমাম ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি নিজ যুগে বয়ান ও খেতাবতের ইমাম ছিলেন, বিভিন্ন বিষয়ে খুবই সুন্দর সুন্দর কিতাব রচনা করেছেন, পাঠদানও করতেন এবং তিনি হাফিজুল হাদীসও ছিলেন। (হাফিজুল হাদীস কাকে বলা হয়? ১,০০,০০০ হাদীস শরীফ সনদসহকারে যাঁর মুখস্থ, তাঁকে হাফিজুল হাদীস বলা হয়)। –(আঁসুয়ো কা দরিয়া এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা-১৫)

​কিন্তু যুগের এত বড় ইমাম হওয়ার পরও আল্লামা ইবনে জাওযী রহমাতুল্লাহি আলাইহি হুজুর গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর বর্ণনাকৃত ৪০টি তাফসীরী উক্তির মধ্যে মাত্র ১১টি সম্পর্কে জানতেন, যা দ্বারা হুজুর গাউসে পাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর জ্ঞানের সমুদ্রের গভীরতা অনুমান করা যায়।

❝পীরের প্রতি যার মহব্বত যত বেশি হবে তার সফলতাও তত বেশি হবে  আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার জন্য এই পন্থাই সর্বোত্তম অযোগ্য মুর...
20/09/2026

❝পীরের প্রতি যার মহব্বত যত বেশি হবে তার সফলতাও তত বেশি হবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার জন্য এই পন্থাই সর্বোত্তম অযোগ্য মুরীদ যখন পীরের সঙ্গে সীমাতিরিক্ত মহব্বতে বিভোর হয়ে পীরের ধ্যানে মগ্ন হয়ে পড়ে, তখন কামেল মুর্শিদ খোদা প্রদত্ত ক্ষমতা বলে মুরীদের মধ্যে যোগ্যতা সৃষ্টি করে দিয়ে থাকেন।❞

➥কওলুল জামিল, কৃত হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী (র.)

19/09/2026

অমিয় বাণী

fans

🟩 কুরআন তিলাওয়াতের প্রকৃত সাফল্য✍️ ইলমে  লাদুনী  العلم اللدّني ইমাম ইবনুল আরাবী (রহ.) বলেন:“যে ব্যক্তি পরপর দুইবার কুরআ...
19/09/2026

🟩 কুরআন তিলাওয়াতের প্রকৃত সাফল্য

✍️ ইলমে লাদুনী العلم اللدّني

ইমাম ইবনুল আরাবী (রহ.) বলেন:“যে ব্যক্তি পরপর দুইবার কুরআন তিলাওয়াত করেও একই রকম উপলব্ধিতেই সীমাবদ্ধ থাকে, সে ক্ষতিগ্রস্ত। আর যে প্রতিবার তিলাওয়াতে নতুন শিক্ষা ও নতুন উপলব্ধি লাভ করে, সেই সফল। আর যে কুরআন পড়ে কিন্তু কিছুই বুঝতে পারে না, আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন।”

হযরত সালমান আল-ফারসী (রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু) বলেন:“মানুষ ততদিন কল্যাণের উপর থাকবে, যতদিন পূর্ববর্তী প্রজন্ম পরবর্তী প্র...
18/09/2026

হযরত সালমান আল-ফারসী (রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু) বলেন:“মানুষ ততদিন কল্যাণের উপর থাকবে, যতদিন পূর্ববর্তী প্রজন্ম পরবর্তী প্রজন্মকে দ্বীনের শিক্ষা দেবে। আর যখন প্রথম প্রজন্ম চলে যাবে, অথচ পরবর্তীরা তাদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে না, তখনই তারা ধ্বংসের পথে পতিত হবে।”

📗 তথ্যসূত্র: ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (রহ.), কিতাবুয যুহদ

Address

Dhaka
1360

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইলমে লাদুনী العلم اللدّني posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share