টেক্সটাইলে সুতার কাউন্ট জানা অত্যন্ত জরুরি, কারন সুতার কাউন্ট জানা না থাকলে বুনন কাপড়ের জি,এস,এম নির্ধারন করা যায়না।সুতার কাউন্ট থেকে প্রডাক্সন ক্যালকোলেশন করা যায়।তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কাউন্ট কি, এদ্বারা কিভাবে জি,এস,এম এবং কাপড় প্রডাক্সন ক্যালকোলেশন করা যায়।আমি আমার নিজের ভাষায় সহজে বুঝার জন্য উপস্হাপন করার চেষ্টা করছি।
Hank হচ্ছে একটি দৈর্ঘের একক,৮৪০ গজ=১ Hank
এরকম যতটা Hank এর ওজন ১পাউন্ড,তার কাউন্ট হচ্ছে তত।যদি কোন একটি সুতার কাউন্ট ৩০ হয় তার মানে ৩০ টা Hank এর ওজন ১ পাউন্ড বা ৪৫৪ গ্রাম।অর্থাৎ ৮৪০ গজের ৩০টা hank মানে ৮৪০×৩০=২৫২০০ গজের ওজন হচ্ছে ৪৫৪ গ্রাম।সুতরাং দেখা যাচ্ছে কাউন্ট হচ্ছে দৈর্ঘ্যের সাথে ওজনের সম্পর্ক,তার মানে কোন কাপড়ে ব্যবহ্রত সুতার সামগ্রীক দৈর্ঘ্য বের করতে পারলে ঐ সুতার কাউন্ট থেকে সামগ্রীক কাপড়ের ওজন বের করা যাবে আবার ওজন জানলে সুতার দৈর্ঘ্য বের করা যাবে।এভাবে কাপড়ের প্রডাক্সন,এবংজি,এস,এম বের করা যাবে সুতার কাউন্ট থেকে।
এখানে শুধু ব্রিটিশ/ইনডাইরেক্ট /কটন কাউন্ট এর কথা বলা হয়েছে।
RMG Specialist in Bangladesh
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RMG Specialist in Bangladesh, Educational consultant, Dhaka.
To make sustainable RMG business in Bangladesh by saving cost and controlling wastageTo Safe RMG sector in Bangladesh during this global economical crisesTo safe employment in my country from coming unemployment crises.A small trying/effort from my heart.
কোন কম্পানির কে,পি,আই (KPI) সেট করতে হলে প্রথমেই Goal সেট করতে হবে,আর এই Goal সেটিংটা হতে হবে SMART.ইংরেজি এই পাঁচটি বর্ণ goal সেটিং টুলস নির্ধারন করে।
S-Specific, নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারন করা।বা লক্ষ্যকে নির্দিষ্ট করা.
M-Measurable, অর্থাৎ নির্দিষ্ট লক্ষ্য টি পরিমাপ যোগ্য হবে।
A-Achievable,নির্দিষ্ট লক্ষ্যটি অর্জন করার মত হতে হবে।
R-Realistic, নির্দিষ্ট লক্ষ্যটি বাস্তবসম্মত হতে হবে।কাল্পনিক বা অবাস্তব হলে হবে না।
T-Time bound,নির্দিষ্ট লক্ষ্যটি অর্জনে সময় নির্ধারন করে দিতে হবে।
এই পাঁচটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে goal set করতে হবে।এই নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের ধারাবাহিক ডাটা গুলো সংরক্ষণ করতে হবে।লক্ষ্য অর্জনের নির্দিষ্ট সময়ে তার অর্জিত ফলাফলের ডাটা প্রকাশ করতে হবে।
যেমন একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য হতে পারে এফিসিয়েন্সি। কোনো কোম্পানির বর্তমান এফিসিয়েন্সি ৪৫%,এটাকে ৬০% এ উন্নত করতে চাই। তাহলে প্রথমে ১ বছরে ১০% উন্নতির টার্গেট স্থির করতে পারি।
তাহলে এখানে SMART Goal set করা হয়েছে :
নির্দিষ্ট লক্ষ্য(Specific)-এফিসিয়েন্সি,যাহা পরিমাপ যোগ্য(Measurable) এবং যাহা চেষ্টা করলে অর্জন করা সম্ভব(Achievable),এটা বাস্তব সম্মত,কাল্পনিক নয়(Realistic) এবং ১ বছর টাইম নির্ধারণ বা বেধেঁ দেওয়া হয়েছে(Time Bound)।
কোন কম্পানির মিনিট কস্ট বের করা নিয়ে আলোচনা করব আজ।আমরা পৃর্বে কি কি কস্ট কন্সিডার করতে হবে এবং কি ভাবে ডিপ্রেসিয়েসন বের করে তা নিয়ে আলোচনা করেছি।ধরুন কোন কম্পানির মাসিক অভারহেড কস্ট ৩০০০০০০০ টাকা,ডিপ্রেসিয়েসন ক্যালকোলেশন করা হয়েছে মাসিক ২৫০০০০০ টাকা।তাহলে মাসিক মোট খরচ ৩২৫০০০০০টাকা।মাসে ২৬ দিন যদি কর্ম দিবস ধরা হয় তবে কম্পানিটির রোজ খরচ,৩২৫০০০০০÷২৬=১২৫০০০০ টাকা। ধরুনঐ কম্পানিতে সর্বোমোট ২৫০০ লোক কর্মরত আছে, রোজ যদি ৮ ঘন্টা কর্ম ঘন্টা হয়,তাহলে ঐ কম্পানির রোজ ব্যয় মিনিট/এবেলেবল মিনিট হয় ২৫০০×৮×৬০=১২০০০০০ মিনিট৷তারমানে রোজ ১২০০০০০ মিনিট ব্যবহার করে ব্যয় হয় ১২৫০০০০ টাকা।তাহলে কম্পানির প্রতি মিনিটে ব্যয় বা খরচ হচ্ছে১২৫০০০০/১২০০০০০=১.২৫টাকা। এটা হচ্ছে কম্পানিটির ১০০%ইফিসিয়েন্সিতে মিনিট কস্ট কিন্তু বিভিন্ন লসের কারনে কম্পানির ইফিসিয়েন্সি ধরুন ৩০%.(এখানে শুধু সুইং সেকশনের ইফিসিয়েন্সি ধরা হয়নি,পুরো কম্পানির ইফিসিয়েন্সি ধরা হয়েছে)। তাহলে রিয়েল মিনিট কস্ট দাড়ায় (১.২৫×১০০)/৩০=৪.১৭টাকা।নোট-এখানে কম্পানির ইফিসিয়েন্সি৩০% হলে দেখা যাবে আমাদের দেশের কালচার অনুসারে শুধু সুইং সেকশনের ইফিসিয়েন্সি হবে প্রায় ৬০%.
এই পদ্ধতি ছাড়াও আরো পদ্ধতিতে এই মিনিট কস্ট ক্যালকুলেশন করা যায় যা পরে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ।
ইফিসিয়েন্সি ইম্প্রোভমেন্টের অন্যতম পন্থা হচ্ছে লাইন ব্যালেঞ্চিং।লাইনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ক স্টেশনে সম ক্যাপাসিটি নিশ্চিত করনই হচ্ছে লাইন ব্যালেঞ্চিং।এই ব্যালেঞ্চিং বিভিন্ন ভাবে করা হয় অবস্হার উপর নির্ভর করে।কখনো মেশিন রি-প্লেস(নন অটো থেকে অটোতে) বা এডিং এর মাধ্যমে,কখনো ওয়ার্কার রি-প্লেস (more skilled)বা এডিংএর মাধ্যমে।, কখনো এটাচ্মেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে আবার কখনো ম্যাথড ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে,কখনোবা ট্রাবল সোটের মাধ্যমে। আর লাইনটা যখন ব্যালেঞ্চ হবে তখন ম্যান,মেশিন, সময় সবকিছুরই সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে,কস্ট কমে আসবে,উৎপাদন বেশি হবে।তার মানে ইফিসিয়েন্সি ইম্প্রোভ হবে।
ধরুন,২০০ পিচ ঘন্টায় প্রডাক্সন টার্গেটের ১টি লাইনে ৩০টি ওয়ার্ক স্টেশন আছে এবং স্টাইলটির SMV-5 m. লাইনের ১ম ২০ টি ওয়ার্কস্টেশনের প্রত্যেকটার ক্যাপাসিটি ২০০-২২০ পিচ।২১তম ও.স্টেশনের ক্যাপাসিটি ১৫০ পিচ,সামনের বাকি ৯টা স্টেশনের ক্যাপাসিটিই ২০০-২২০ পিচ।তাহলে এ লাইন থেকে আউটপুট আসবে ১৩০-১৪০ পিচ।বাকি ৬০-৭০ পিচের ক্যাপাসিটি অব্যবহ্রিত থাকবে ঐ ১টা স্টেশনের ক্যাপাসিটি কম থাকার কারনে।অর্থাৎ ব্যয় মিনিট(৩০*৬০=১৮০০ মি) ঠিকই থাকলো কিন্তু আয় মিনিট (১৩০*৫=৬৫০মি) কমে গেল ইম্ব্যলেঞ্চের কারনে।মানে ইফিসিয়েন্সি কমে গেল।ধরুন ২১তম স্টেশনের কাজটা হচ্ছে পকেট জয়েন্ট,এখানে অপারেটর স্কিল কিন্তু ক্লাচমটর মেশিন,প্রতিটা টার্নিং পয়েন্টে সময় অপচয় হয়। যদি এখানে কম্পিউটারাইস্ড মেশিন দেওয়া হয় তবে ম্যান,মেশিন এড না করেও ক্যাপাসিটি ২০০+ করা সম্ভব।তখন আউটপুট হবে ২০০ পিচ,তার মানে আয়মিনিট (২০০*৫=১০০০মি,পুর্বে-৬৫০মি) বেড়ে যাবে।যেহেতু ব্যায় মিনিট অপরিবর্তিত রেখে আয় মিনিট বাড়লো, সুতরাং ইফিসিয়েন্সি বাড়বে।
পৃর্বেই আলোচনা করা হয়েছে যে আর্ন মিনিট বাড়লে ইফিসিয়েন্সি বাড়ে।তারমানে প্রডাক্সন যত বেশি হবে (ব্যয় মিনিট ঠিক রেখে)আর্ন মিনিট তত বেশি হবে ফলে ইফিসিয়েন্সিও সমহারে বেড়ে যাবে।এখন এই প্রডাক্সন কি করে বাড়ানো যায় তার কিছু উপায় নিচে আলোচনা করা হলো, যদিও এটা অনেক ব্যপক আলোচনা, আমি চেষ্টা করব মুল কিছু বিষয় তুলে ধরতে।
১.লাইন ব্যালেঞ্চ করা।এটা খুবই ইম্পর্টেন্ট ইফিসিয়েন্সি বাড়ানোর ক্ষেত্রে।এটা ব্যপক আলোচনার বিষয়। তবে আমি মোটামুটি মৌলিক বিষয় গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করব। লাইনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটা ওয়ার্কস্টেশনের ক্যাপাসিটির সমতা বিধান করাই হচ্ছে লাইন ব্যালেঞ্চ।ধরুন প্ল্যান অনুসারে লাইনের আয়ারলি প্রডাক্সন টার্গেট ২০০ পিস তাহলে লাইনের প্রতিটা ওযার্কস্টেশনে ক্যাপাসিটি ২০০ পিসের থাকতে হবে।যদি কম থাকে তবে ঐ স্হানে বোটলনেক আর যেখানে বেশি সেখানে ক্যাপাসিটি আনইউটিলাইস্ড/আইডিয়াল থাকবে।যে স্টেশনে বোটলনেক হবে তার পরের সবকয়টা স্টেশনই ক্যাপসিটি অনুসারে ইউটিলাইস্ড হবেনা পিছন থেকে সেই পরিমান বডি না পাওয়ার কারনে।আর ক্যাপাসিটি যত বেশি ইউস করা যাবে ইফিসিয়েন্সি ততই ইম্প্রোভ করবে।আর এটার ওপায় হচ্ছে লাইন ব্যালেঞ্চ করা।নিম্মের বিষয় গুলোর মাধ্যমে লাইন ব্যালেঞ্চ করা যায় (শুধু ট্রিপ্স দেওয়া হলো ব্যাপকতার জন্য)
-ওয়ার্কার ম্যানেজম্যান্ট
-মেশিন ম্যানেজম্যান্ট
-এটাচ্মেন্টের ব্যবহার
-ম্যাথড ডেভেলপমেন্ট
-ট্রাবল সোটিং ইত্যাদি। এর প্রত্যেকটার রয়েছে ব্যাপক আলোচনা। চলবে....।
ইফিসিয়েন্সি হচ্ছে কোন ফ্যাক্টরির এবেইলেবল/স্পেন্ড/ব্যয় মিনিট এবং আর্ন/অর্জিত মিনিটের আনুপাতিক শতকরা হার।অর্থাৎ ব্যয় মিনিট যদি ১০০ মিনিট হয়,অর্জিত মিনিট যদি ৬০ হয় তবে ইফিসিয়েন্সি =(৬০/১০০)×১০০=৬০ %।এখন কথা হল ব্যয় মিনিট টা কি?ধরুন আপনার ফ্যাক্টরিতে 1০০ জন লোক আছে, তাহলে তারা যদি ১মিনিট কাজ করে তবে মোট কাজ হল=১×১০০=১০০মিনিট বা ব্যয় মিনিট হলো ১০০ মি.।এ মিনিট টা ব্যয় কারন এই সময়ের জন্য টাকা ব্যয়/ খরচ করতে হয় মজুরি হিসাবে।
এবার আসুন জানা যাক আয় মিনিট কি?ধরুন তারা ১মিনিট কাজ করে যে গার্মেন্টস প্রডাক্সন দিল তার SMV =৫ মিনিট এবং১০০ জন লোকে ১ মিনিট কাজ করে অর্থাৎ ১০০ মিনিট ব্যয় করে প্রডাক্সন করল ১২ পিস গার্মেন্টস।তাহলে আয় মিনিট=১২×৫=৬০ মি.।এটা আয় কারন এটা বিক্রি করে আয় হয়।১২ পিস গার্মেন্টস বিক্রি করা মানে হচ্ছে ৬০ মিনিট বিক্রি করা।এই আয় মিনিট যত বেশি হবে ইফিসিয়েন্সি তত বেশি হবে,আবার ব্যয় মিনিট যত কম হবে ইফিসিয়েন্সি তত বেশি হবে।তার মানে হচ্ছে ইফিসিয়েন্সি সরাসরি আয়-ব্যয়ের সাথে সম্পৃক্ত।এতটুকু বুঝে থাকলে কিভাবে ইফিসিয়েন্সি বাড়ে বা কমে তা বুঝতে সহজ হবে।তারপর আমরা এ নিয়ে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ।সাথেই থাকবেন।চলবে......।
SMV কি,কেন,কিভাবে? ইত্যাদি নিয়ে একটু আলোচনা করব ইনশাল্লাহ।
SMV- Standard Minute Value.প্রতিটা কাজেরই একটা standard minute value থাকে।অর্থাৎ সঠিক পদ্ধতিতে,সঠিক লোকে,সঠিক টুলস ব্যবহার করে,বাধ্যতামুলক অপচয় সময় ধরে কোন নির্দিষ্ট কাজ করতে যে সময় ব্যয় হয় তাই ঐ কাজের SMV।যেমনঃআমাদেন দৈনন্দিন জীবনে যত কাজই করি(খাওয়া দাওয়া, অজু,গোসল ইত্যাদি) যদি আমরা তার Standard time মেনে চলতাম তবে হয়ত আমরা আরো বেশি কিছু করতে পারতাম,তখন প্রতিটা কাজই জেনে বুঝে করতাম এতে ফায়দাটা বেশি হত।
প্রতিটা পরিমাপক জিনিসেরই একটা unit বা একক থাকে,একক ছাড়া কোন জিনিসই পরিমাপ করা যায় না,যেমন,ওজনের একক গ্রাম,কেজি ইত্যাদি, সময়ের একক সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা ইত্যাদি।অনুরূপ ভাবে গার্মেন্টসের বিভিন্ন বিষয় পরিমাপের একক হচ্ছে এই SMV. এটার সাহায্যে আমরা কর্মদক্ষতা,productivity, P.Target,capacity,costing ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় পরিমাপ করে থাকি।কিন্ত ফ্যাক্টরি গুলোতে এটার সঠিক ক্যালকুলেশন বা সঠিক ধারনার যথেষ্ট ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়, যার ফলশ্রতিতে এই একক ব্যবহার করে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোর ক্যালকুলেশনেও সঠিকতা পাওয়া যায় না!সঠিক SMV পেতে হলে আমি মনে করি নিম্মের বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে।
-কাজটা করার সঠিক পদ্ধতি
-কাপড়ের গুনাগুন
-মেশিনের দক্ষতা, মান,টাইপ।
-এটাচ্মেন্টের ব্যবহার
-ওয়ার্কারের কাজের দক্ষতা
-বিভিন্ন এলাউন্সের ধারনা এবং সময় ইত্যাদি।
ক্যাফ হাইট এবং ক্যাফ উইথ উভয়ই যদি মাসল বেশি বা বডি ফিল্ডার হয় তবে বেশি রাখতে হয়।আবার থাই বড় প্রয়োজন হলে সাইড একটু কার্ভ করে প্যাটার্ণ তৈরি করতে হয়,যেন crossটাকে বড় না করে থাই ঠিক রাখা যায়।এটাকে ব্যাগি সেপ বলে। এমনটা হয় যদি হিপ বড় থাকে।বাইসেপ মাপটা আগে সঠিক বুঝতে হবে, আমি দেখেছি অনেকে বাইসেপ মাপটা ভুলভাবে মাপে। আর্ম পিট পয়েন্ট থেকে আপার আর্মের সাথে যেখানে ম্যাজারিং টেপ ৯০°হয় সেই মাপটাই হচ্ছে বাইসেপ।বাইসেপ এবং স্লিপ ওপেনিং এর মধ্যে যদি অনেক পার্থক্য হয় তবে স্লিপ ওপেনিং একটু ডাউনওয়ার্ড কার্ভ করে এটাকে ব্যালেন্চ করতে হয়।এর সবই স্ট্রেড আর কার্ভ লাইনের মুলনীতি থেকেই তৈরি। কাজেই এই মুল নীতি বুঝতে পারলে প্যাটার্ণের টেকনিক সহজ হয়ে যাবে। চলবে.....
যে কোন কাজ করার পুর্বে যদি আমরা জানতে পারি এ কাজের উদ্দেশ্য, ব্যবহার এবং গুরুত্ব তবে সেই কাজে ভুল ভ্রান্তি কম হবে,সঠিক সময়ে কাজটা সম্পন্ন করা সহজ হবে।আর এজন্যই আজ এমন কিছু টেকনিক্যাল বিষয় আলোচনা করব যা থেকে আমরা আমাদের rmg সেক্টরের কিছু অন্ধ ধারনা থেকে মুক্তি পাব।
আমরা অনেক সময় দেখেছি যে বায়ার কোন স্টাইলে সোলডার ফরওয়ার্ড চায়, কখনো ডিফারেন্ট সোলডার স্লোপ, কখনোবা স্লিপে তালপাট , কখনো ডার্ট আবার কখনো ফ্রন্টে টেইল চায়। কখনোবা আর্মহোল বেশি স্কুপিং,কখনো ক্যাপ উইথ,লেন্থ ছোট -বড়, থাই,বাইসেফ ইত্যাদি বড় এমন শতশত না জানা বিষয় আছে যা আমরা অন্ধের মত করি আর বারবার ভুল করি এবং লিড টাইম নষ্ট করি।এমন আরো অনেক আছে যা সুইংএ,কাটিং এ,ডাইং ফিনিশিংএ অহরহ করে থাকি,যা থেকে আমাদের প্রচুর সময়, শ্রম এবং মেটেরিয়াল নষ্ট বা অপচয় হয়ে থাকে।
যদি কোন মানুষের পিঠের উপরি অংশটা একটু উঁচু হয় তবে তার পিছনের সারকামটা(দৈর্গ্য-প্রস্হ উভয়) সামনের সারকাম থেকে কিছু টা বেশি হয়,সেজন্য প্যাটার্নে সোলডার ফরওয়ার্ড দিয়ে সামনে- পিছনে দৈর্গ্যের ব্যালেন্স করা হয় এবং তালপাট দিয়ে প্রস্হের ব্যালেন্স করা হয়।সোলডারের মাংশপেশির কারনে SHP থেকে SLP পর্যন্ত স্লোপ কম বেশি হয়, আবার বয়সের তারতর্ম্যের কারনেও এটা কম বেশি হয়,সেকারনেই প্যাটার্নে সোলডার স্লোপ কম বেশি হয়।সাধারণত আর্মহোলের অতিরিক্ত কাপড়টাকে কমিয়ে ফিটিংস ঠিক করার জন্য আর্মহোলে বেশি স্কুপিং করা হয়,এটাও একধরনের ডার্ট।আবার মানুষের বডির X-front & X- back এর মধ্যে যদি পার্থক্য হয় তবে তালপাট হয়।আর এ পার্থক্য উপরের দুটা কারনেই হতে পারে।মেযেদের বাস্টের কারনে ড্রেসের সামনের অংশে দৈর্ঘে কিছু টা বেশি কাপড় লাগে তাই বটমে ব্যালেন্স করার জন্য ফ্রন্ট লেন্থে টেইল দিতে হয়।আপনি যদি দুটি বিন্দুর মিলনস্থল স্ট্রেড ও কার্ভ লাইনের পার্থক্য বুঝেন তবে প্যাটার্নের অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। যদিও দুটি বিন্দু মিলনস্হল কিন্তু স্ট্রেড লাইনের দৈর্ঘের চেয়ে কার্ভ লাইনের দৈর্ঘ বেশি হবে!
টেক্সটাইল ফাইবারের গুনাগুন জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারন ফাইবারের গুনাগুন না জানলে ডাইং এবং প্রিন্টিংএ কেমিক্যাল ও কালারের এপ্লিকেশন যেমন সঠিক ভাবে করা যাবেনা তেমনি কোন সিজনের, কোন এরিয়ার,কোন ধরনের মানুষের জন্য বা কিরকম ডিজাইনের জন্য কোন ধরনের গুনাগুন সম্পন্ন কাপড় ব্যবহার করতে হবে,কি ধরনের ডিজাইন বায়ার কে উপস্হাপন করতে হবে তাও সঠিক ভাবে নিরুপন করা যাবেনা।কোন কাপড়ের কি ধরনের কেয়ার নিতে হবে জানা যাবেনা।যেমনঃযে কাপড়ের ঘনত্ব বেশি তার ওজন বেশি,পাশাপাশি যার আদ্রতা ধারন এবং গেইন করার ক্ষমতা বেশি সেই ধরনের ফাইবারের কাপড়ে ড্রেপিং কোয়ালিটি বেশি থাকে,ফলে এ ধরনের কাপড় দিয়ে কাউল বা লেডিস লং ড্রেস তৈরি করা হয যেমনঃ ভিসকস। আবার যার রেসিলিয়েন্সি দুর্বল তার ক্রিজ পরার প্রবনতা বেশি ফলে আয়রন ছাড়া পরিধান করা যায়না যেমনঃ কটন,ভিসকস ইত্যাদি। কোন ফাইবার এসিডে ডিজলভড,কোন ফাইবার এলকালিতে ডিজলভড হয় তার উপর নির্ভর করে এলকালিক ও এসিডিক মিডিয়ায় ডাইং করা হয।কোন কাপড় ব্লিজ করা,কোনটা ড্রাই ক্লিন করা যাবে বা যাবেনা,কোনটাকে আয়রন করা যাবে বা যাবেনা ইত্যাদি সবই নির্ভর করে ফাইবারের গুনাগুনের উপর।যে সব ফাইবার ময়েশচার রিগেইন বেশি সেসব ফাইবারের সুতা ক্রয় করার সময় অবশ্যই ময়েশচার চেক করে ক্রয় করতে হবে তা না হলে সুতা কিনে ঠকতে হবে,বিশেষ করে আদ্র মৌসমে।কোন কাপড় দিয়ে শীত মৌসমের,কোন কাপড় দিয়ে গরম মৌসমের ড্রেস তৈরি করা হবে তাও নির্ভর করে ফাইবারের গুনাগুনের উপর।আরো অনেক কিছু যা লিখে শেষ করা যাবেনা।এখানে শুধু গুরুত্ব বুঝানোর জন্য কিছু তুলে ধরা হল।কাজেই বুঝতে পারছেন ফাইবারের গুনাগুন জানা কতটা অপরিহার্য।চলবে....
Comments
গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীগুলোতে এপ্প্রাইজাল/মুল্যায়ন করা হয কোয়ালিটিটিভ কে,পি,আইয়ের মাধ্যমে যা কিনা খুবই হাস্যকর আর স্বজন প্রীতির একটা উৎস। আর এ ভাবেই কম্পানিগুলোকে তেলবাজ আর খয়ের খাঁদের সুযোগ করে দিয়ে কম্পানিগুলোকে ধ্বংসের পথে নিয়ে এসেছে, অথচ এরাই আবার কম্পানিতে বহু আদর যত্নে,দাপটে রহাল তবিয়তে আছে! হায়রে আমার দেশ,সোনার বাংলা শুধু নামেই রয়ে গেল,কাজে আর হলোনা!!
আচ্ছা আপনারাই বলেন,একটা লোক কতটা সৎ,কতটা ডেডিকেটেড,কতটা দক্ষ,কতটা মেধাবী এসব আপনি কিভাবে পরিমাপ করবেন???বস যদি বলে সে সৎ৯০%,সে দক্ষ ৮০%,তবেই সে এসব হয়ে গেল,আর যদি না বলে তবে সে তা হলনা!নির্ভর করবে সম্পুর্ন বসের মর্জির উপর!আর এভাবেই চাটুকাবাজদের বিস্তার ঘঠতে থাকে!এধরণের পলিসি দিয়ে কম্পানির উন্নতিতো দুরে থাক বরং কর্মের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়না,দক্ষ ও যোগ্য লোকদের কাজের মুল্যায়ন হয়না,ফলে তারা কাজের স্প্রিহা হারিয়ে ফেলে।সঠিক লোক সঠিক স্হানে থাকেনা,সঠিক কাজ করতে পারেনা,এতে দিন দিন কম্পানি ক্ষতিগ্রস্হ হয়।ধীরে ধীরে কম্পানি সিক হতে থাকে।সে জন্য দরকার কোয়ান্টেটিব কে,পি,আই।প্রতিটা লোকের কাজের পার্ফরমেন্সই তার মুল্যায়নের ইন্ডিকেটর,সেজন্য দরকার স্মার্ট goal set করা এবং ডাটা উপাত্ত সংরক্ষণ করা আর এর জন্য দরকার ভালো প্ল্যানিং এবং আইই টিম।চলবে....।
প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্ট হচ্ছে যে কোন কম্পানি বা অর্গানাইজেশনের হার্ট।সঠিক ও কার্যকরি প্ল্যানের মাধ্যমেই যে কোন প্রতিষ্ঠান ইফিসিয়েন্টলি রান করে।কম্পানির উন্নতি নির্ভর করে প্ল্যানের সঠিকতা ও কার্যকারিতার উপর।বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আর গুরুত্বপূর্ণ খাত এই গার্মেন্টসে অপ্রিয় হলেও সত্য যে এখনো এরকম কোন কার্যকারি ডিপার্টমেন্ট এস্টাবলিশ হযনি।আপনারা হয়ত বলবেন এতটাকা খরচ করে প্ল্যানিং ডিপার্টম্যান্ট পালছেন আর আমি বলছি এস্টাবলিশ হয়নি এ কেমন কথা!এটাও আমাদের অজ্ঞতা! কিভাবে এখাতকে টিকিয়ে রাখা যায়! প্রচুর লাভ ছিল বিধায় টিকে ছিল এতদিন!যখন লাভ কমে আসছে এমনি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হচ্ছে!আমি বলব এই সেক্টরে এখনো প্রচুর লাভ করা সম্ভব কিন্ত সঠিক পরিকল্পনায় আসতে হবে।কাগজ কলমে শুধু অপারেশনের সিডিওল তৈরি করলে আর লাইনে স্টাইলের পর স্টাইল সাজালেই প্লানিং হয়না!প্ল্যান করতে হলে আপনাকে বুঝতে হবে প্রতিটা প্রসেস,প্রসেস স্ট্যান্ডার্ড টাইম,ডিফিকাল্টিজ,মেশিনের কার্যকারিতা,ক্যাপাসিটি সহ যাবতীয় কিছু। বুঝতে হবে IE,জানতে হবে ফ্যাক্টরির ক্যাপাসিটি,জানতে হবে ওয়েস্টেজ সোর্সগুলো এবং কন্টল সিস্টেম।একজন দক্ষ প্ল্যানারই পারে রিসোর্সের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে,অপচয় রোধ করতে,ইফিসিয়েন্সি বাড়াতে।চলবে.....!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1239