19/04/2026
স্পিকারের বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে—জনগণকে দায়ী করার আগে নিজেদের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা জরুরি। কারণ ইতিহাস বলছে, দেশের বড় সংকটগুলো সাধারণ মানুষের কারণে নয়, বরং ক্ষমতাসীনদের সিদ্ধান্ত, দুর্নীতি এবং ভুল নীতির ফলেই সৃষ্টি হয়।
Hafez Uddin Ahmed (Bir Vikram) Salahuddin Ahmed
18/04/2026
সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াত জোট ত্যাগের বিনিময়ে দল বিস্তারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এনসিপিকে। এনসিপি তা নাকচ করে দিয়েছে বলে জানা যায়।জোটের ব্যাপারে এনসিপি জানিয়েছে তাদের জোট কেবল নির্বাচনী প্রয়োজনে, আদর্শিক নয়। আদর্শিক স্বকীয়তা বজায় রেখেই এনসিপি আগামীতে সরকারি আনুকূল্য পরিহার করে জুলাই আকাঙ্খা পূরণে কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছে।
16/04/2026
বাংলাদেশে আসল না এমন পরিবর্তন। জনগনও বিষয়টা বুঝল না, আগের পুরাতন বস্তাপচা রাজনীতিকে চুজ করল।
16/04/2026
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিহাসকে ব্যবহার করা নতুন কিছু নয়। তবে যখন সেই ইতিহাস বাস্তবতার সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়, তখন প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক। সম্প্রতি তারেক রহমান একটি বক্তব্যে দাবি করেন যে, মাওলানা ভাসানীর প্রতীক ছিল ‘ধানের শীষ’ এবং ১৯৭৯ সালের নির্বাচনের সময় ভাসানী নাকি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।
কিন্তু ইতিহাস কি সত্যিই তা বলে?
বাস্তবতা কী বলে?
বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন, যখন তার বয়স ছিল প্রায় ৯৬ বছর। অর্থাৎ, ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রায় তিন বছর আগেই তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—যে ব্যক্তি ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেছেন, তিনি কীভাবে ১৯৭৯ সালে কারও হাতে কোনো প্রতীক তুলে দেন?
রাজনৈতিক বক্তব্য নাকি ইতিহাসের বিকৃতি?
এই ধরনের বক্তব্য অনেক সময় রাজনৈতিক আবেগ তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়। ধানের শীষ প্রতীকটি বর্তমানে বিএনপির সাথে জড়িত, আর সেই প্রতীককে ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী করতে ভাসানীর মতো জনপ্রিয় নেতার নাম ব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু যখন তথ্য-প্রমাণের সাথে তা মেলে না, তখন সেটি ইতিহাস বিকৃতি হিসেবেই বিবেচিত হয়।
ইতিহাসকে সম্মান করা কেন জরুরি?
একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার অতীতের সঠিক চর্চার উপর। যদি ইতিহাসকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য বিকৃত করা হয়, তাহলে নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্ত হবে এবং সত্য-অসত্যের পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়বে।
রাজনীতি ভিন্ন মতের জায়গা হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসের ক্ষেত্রে সত্যই চূড়ান্ত। মাওলানা ভাসানী-এর মতো একজন মহান নেতাকে নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো শুধু বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং তার অবদানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তাই, আমাদের উচিত যেকোনো বক্তব্য গ্রহণের আগে তথ্য যাচাই করা এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা।
14/04/2026
সম্প্রতি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপিপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন মন্তব্য করেন যে, “৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের দল শুধু বিএনপি।” এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডা. শফিকুর রহমান, যিনি জামায়াতের আমির, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে তো বিএনপির জন্মই হয়নি, তাহলে তারা কিভাবে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের দল হিসেবে দাবি করে?”
ইতিহাস যা বলে
বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে, জিয়াউর রহমান এর নেতৃত্বে। অর্থাৎ, স্বাধীনতার প্রায় ৭ বছর পর এই দলের জন্ম।
অন্যদিকে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বজনীন জাতীয় আন্দোলন, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ, সাধারণ মানুষ, ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক—সবাই অংশগ্রহণ করে। কোনো একটি দলের একক অবদান বলে এটিকে সীমাবদ্ধ করা ইতিহাসের সাথে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
রাজনৈতিক বক্তব্য বনাম ঐতিহাসিক সত্য
রাজনীতিতে অনেক সময় দলগুলো নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। কিন্তু ইতিহাসের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি।
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য মূলত এই দিকটিই তুলে ধরে—যে একটি দল, যার জন্মই হয়নি মুক্তিযুদ্ধের সময়, তারা কিভাবে সেই যুদ্ধের একমাত্র প্রতিনিধিত্ব দাবি করতে পারে?
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক দলের সম্পত্তি নয়—এটা পুরো জাতির অর্জন। রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ইতিহাসকে বিকৃত বা একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিভ্রান্তিকর হয়ে দাঁড়ায়।
সুতরাং, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করতে হলে সেটিকে দলীয় নয়, জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা প্রয়োজন।
#শফিকুর_রহমান #সালাউদ্দিন
12/04/2026
বিশ্ব রাজনীতিতে একটা বাস্তব কথা আছে—
যার হাতে ক্ষমতা, সে-ই ঠিক করে কোনটা অপ/রাধ আর কোনটা ন্যায়বিচার
আমেরিকার হাতে মিডিয়া
আমেরিকার হাতে জাতিসংঘে প্রভাব
আমেরিকার হাতে ডলার, ব্যাংকিং সিস্টেম
➡️ তাই আমে/রিকা কিছু করলে সেটা হয়
“justice”,
আর দুর্বল দেশ করলে হয় “জ*ঙ্গ/লি কাজ”।
12/04/2026
সংসদের অধিবেশনে স্পিকারের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর কড়া প্রতিক্রিয়া নতুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। স্পিকার যখন হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, "দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট", তখন তার উত্তরে হাসনাত আবদুল্লাহ ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের ত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ক্ষমতার মসনদে বসলে মানুষ দ্রুত অহংকারী হয়ে যায় এবং তাদের পূর্বের ইতিহাস ভুলে যায়। হাসনাত আবদুল্লাহ স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন যে, ছাত্র-জনতা সেদিন শাহবাগের রাজপথে বুক পেতে না দিলে এবং অকাতরে রক্ত না ঝরালে আজ এই সংসদ কিংবা স্পিকারের সম্মানের চেয়ারের কোনো অস্তিত্বই থাকতো না। এই বিতর্কের মধ্য দিয়ে এটি আবারও প্রতীয়মান হয়েছে যে, বর্তমান সময়ের জনপ্রতিনিধিদের প্রতিটি পদক্ষেপের মূল ভিত্তি হলো ছাত্র-জনতার সেই রক্তঝরা আন্দোলন। রাজপথের সেই সাহসী প্রতিবাদ ছাড়া আজকের এই প্রশাসনিক বা সংসদীয় কাঠামোর পরিবর্তন সম্ভব হতো না। জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট বা চেতনাকে অস্বীকার করে কোনো ক্ষমতা বা পদমর্যাদাই যে স্থায়ী হতে পারে না, হাসনাত আবদুল্লাহর এই ক্ষুরধার বক্তব্য সেই সত্যকেই পুনপ্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জনগণের ত্যাগ থেকে অর্জিত এই স্বাধীনতায় অহংকারের কোনো স্থান নেই, বরং প্রতিটি স্তরে কৃতজ্ঞতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
নিন্দুক।
11/04/2026
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘তৈল সংস্কৃতি’ ও বর্তমান বাস্তবতা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি অস্বাস্থ্যকর সংস্কৃতি লক্ষ্য করা যায়—নেতাকে তুষ্ট রাখা বা কথার মাধ্যমে ‘তৈল মেরে’ নিজের অবস্থান শক্ত করা। এই প্রবণতা শুধু দলীয় রাজনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংসদীয় কার্যক্রমেও এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুগুলো উপেক্ষা করে কিছু সংসদ সদস্য নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতে নেতার প্রশংসায় ব্যস্ত থাকেন।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংসদ হওয়ার কথা জনগণের কণ্ঠস্বরের প্রতিফলন। সেখানে দেশের সংকট, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, অর্থনৈতিক সমস্যা বা সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো গুরুত্ব পাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। সংসদে এমন কিছু বক্তব্য শোনা যায়, যা জনগণের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন এবং বরং নেতাকে খুশি করার উদ্দেশ্যেই বলা হয় বলে মনে হয়।
বর্তমান সময় বাংলাদেশের জন্য নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল। অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি—সব মিলিয়ে দেশের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জনগণ আশা করে, তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বাস্তব সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলবেন, সমাধানের পথ খুঁজবেন এবং কার্যকর আলোচনা করবেন। কিন্তু যখন সংসদে এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষিত হয় এবং ব্যক্তিপূজার মতো প্রবণতা বাড়ে, তখন তা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।
এই প্রেক্ষাপটে ডা. শফিকুর রহমানের মন্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে। তার বক্তব্য মূলত এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি একটি সমালোচনা, যেখানে যোগ্যতা বা বাস্তব কাজের চেয়ে তোষামোদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তার এই বক্তব্য সমাজে একটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখা যেতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুস্থ সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন গঠনমূলক সমালোচনা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। নেতাকে অন্ধভাবে অনুসরণ না করে, দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। সংসদকে সত্যিকারের কার্যকর করতে হলে, সেখানে বাস্তব সমস্যা ও সমাধানভিত্তিক আলোচনা নিশ্চিত করা জরুরি।
সবশেষে বলা যায়, ‘তৈল সংস্কৃতি’ থেকে বেরিয়ে এসে একটি দায়িত্বশীল ও জনগণমুখী রাজনীতি গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। এতে করে শুধু রাজনীতির মানই উন্নত হবে না, বরং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।
18/03/2026
আফরান নিশোর প্রিয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান..!