30/10/2025
যে ব্যক্তি কুরআন তেলাওয়াত করে, তার উদাহরণ হলো 'কমলালেবুর মতো, যার স্বাদ ও ঘ্রাণ উভয়ই ভালো'। আর তেলাওয়াতবিহীন মুমিনের উদাহরণ হলো 'খেজুরের মতো, যার স্বাদ ভালো কিন্তু কোনো ঘ্রাণ নেই'।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইক্বরা কুরআন একাডেমী, Education, Rajshahi, Dhaka.
30/10/2025
যে ব্যক্তি কুরআন তেলাওয়াত করে, তার উদাহরণ হলো 'কমলালেবুর মতো, যার স্বাদ ও ঘ্রাণ উভয়ই ভালো'। আর তেলাওয়াতবিহীন মুমিনের উদাহরণ হলো 'খেজুরের মতো, যার স্বাদ ভালো কিন্তু কোনো ঘ্রাণ নেই'।
30/11/2024
স্বামী-স্ত্রীর প্রতি কোরআনের ৮ নির্দেশনা
দাম্পত্য জীবনের সঠিক সিদ্ধান্তগুলো জীবনকে সুখময় করে তুলতে পারে। তেমনি সামান্য ভুল জীবনকে বিষাদময় করে তুলতে পারে। মানুষের দাম্পত্য জীবন সুন্দর ও সুখময় করে তুলতে কোরআনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। এখানে এমন কিছু আয়াত তুলে ধরা হলো—
১. দাম্পত্য জীবন আল্লাহর অনুগ্রহ
কোরআনে দাম্পত্য জীবনকে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং মুমিনের উচিত দাম্পত্য জীবনের ব্যাপারে সতর্ক ও যত্নবান হওয়া। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আছে যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের স্ত্রীদের, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য তাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন আছে।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ২১)
২. মুমিনদের বিয়ে করা
মুমিন নারী ও পুরুষ পরস্পরকে বিয়ে করবে—এটাই ইসলামের নির্দেশ; যদিও শর্ত সাপেক্ষে আহলে কিতাব নারীদের বিয়ে করার অবকাশ শরিয়তে আছে।
ইরশাদ হয়েছে, ‘মুশরিক নারীকে ঈমান না আনা পর্যন্ত তোমরা বিয়ে কোরো না; মুশরিক নারী তোমাদের মুগ্ধ করলেও। নিশ্চয়ই মুমিন ক্রীতদাসী তাদের থেকে উত্তম। ঈমান না আনা পর্যন্ত মুশরিক পুরুষের সঙ্গে তোমরা বিয়ে কোরো না, মুশরিক পুরুষ তোমাদের মুগ্ধ করলেও মুমিন ক্রীতদাস তাদের চেয়ে উত্তম।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২২১)
৩. পছন্দের নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া বৈধ
পছন্দের নারী বা পুরুষকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া বৈধ।
ইরশাদ হয়েছে, ‘নারীদের কাছে তোমরা ইঙ্গিতে বিয়ের প্রস্তাব করলে বা তোমাদের অন্তরে গোপন রাখলে তোমাদের কোনো পাপ নেই। আল্লাহ জানেন যে তোমরা তাদের সম্বন্ধে অবশ্যই আলোচনা করবে; কিন্তু বিধিমতো কথাবার্তা ছাড়া গোপনে তাদের কাছে কোনো অঙ্গীকার কোরো না; নির্দিষ্ট কাল পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে সম্পন্ন করার সংকল্প কোরো না। জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের মনোভাব জানেন। সুতরাং তাঁকে ভয় করো এবং জেনে রাখো যে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাপরায়ণ, পরম সহনশীল।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৩৫)
৪. বিয়ে প্রাচুর্য আনে
বিয়ে মানুষের জীবনে প্রাচুর্য আনে।
ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে যারা আইয়িম (সঙ্গীহীন নারী বা পুরুষ) তাদের বিয়ে সম্পাদন করো এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও; তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন।
30/11/2024
ফ্রি-তে কুরআন শিখানো হবে।
শিখতে চাইলে নক দিবেন।
এর সাথে ৪০টি সহীহ হাদিস শিখানো হবে।
11/07/2024
সূরাতুল ফাতিহাতি মাক্কীয়াঃ
এই সূরাকে ফাতিহাতুল কিতাব,বা উম্মুল কিতাবও বলা হয়।এছড়াও সূরা ফাতিহার আরো অনেক নাম রয়েছে। পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম সূরা হওয়ার কারণে এর নাম রাখা হয়েছে ফাতিহাতুল কিতাব অর্থ্যাৎ গ্রন্থের প্রারম্ভিকা।সমগ্র কুরআনের নির্যাসরূপে এ সূরাটি সৃষ্টিমূলে স্রষ্টার এক মহান উদ্দেশ্য সক্রিয় রয়েছে।
রাসূল সাঃ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাকে কি কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা শিক্ষা দেব?এরপর তিনি নিজেই বলেন,সেটি হলো আলহামদু সূরার ৭টি আয়াত।এটিই কুরআনের আযীম ও সাব-ঈ মাছানী।
রাসূলে কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
সে আল্লাহর শপথ, যার কুদরতি হাতে আমার প্রাণ,ফাতিহার মতো সূরা তাওরাত, যাবুর,ইঞ্জিল, ও কুরআনের অবশিষ্ট অংশে নেই।
রাসূল সাঃ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
সূরা ফাতিহা সর্ব রোগের ঔষধ।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ এক সাপে কাটা রোগীকে সূরা ফাতিহা পড়ে ৭বার পড়ে ফুক দিয়েছিলেন,সাথে সাথে রোগী ভালো হয়ে গেছেন।
সুবহানআল্লাহ,আল্লাহু আকবার।
আলাহর কালামের ক্ষমতা কি অদ্ভুদ!
রোগী ও আমলকারী দৃঢ় বিশ্বাস রেখে যে কোন রোগের জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করে পানিতে ফুক দিয়ে ওই পানি রোগীর চোখ মুখে ছিটালে রোগ ভাল হয়ে যায়।
সূরা ফাতিহা এমন একটি সূরা যে সূরার একটি মাত্র আয়াত বা শব্দ পড়ে যদি আল্লাহর কাছে কিছু চাওয়া যায়,আল্লাহ সুবহানাওতায়া'লা তার নেক চাওয়া পাওয়া পূর্ণ করবেন।ইংশা আল্লাহ!
এইজন্য সূরা ফাতিহাকে দোয়া কবুলের অন্যতম শর্ত হিসেবেও নেওয়া চলে।
সূরা ফাতিহার আরেকটি বিশেষত্ব হলো,আমরা যখন সালাতে সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত করি তখন আল্লাহ সুবহানাওতাওয়া'লা স্বয়ং সেই সূরার জবাব দেন।
সুবহানআল্লাহ!তাই আমাদের উচিত,আমরা যখন সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত করব,তখন ধীরে ধীরে স্পষ্টভাবে,অর্থ খেয়াল করে,তেলাওয়াত করব
অতএব,আমরা এখান থেকে যতটুকু জানলাম।আল্লাহ সুবহানাওতাওয়া'লা আমদের দৈনন্দিন জীবনে সূরাতুল ফাতিহার যথাযথ আমল করার তৌফিক দান করুক, এবং যিনি সূরাতুল ফাতিহা এত সুন্দর করে লিখছেন,তাকে আল্লাহ উত্তম জাঝা দান করুক।আমিন!
✍️বিনতে হায়দার
Alhamdulillah completed one year of Iqra Quran Academy.
08/04/2024
কুরাইশদের কাফেররা বায়তুল্লাহের খেদমত করতো,হাজিদের পানি পান করাতো,তারপরও তারা জাহান্নামি কারণ,তারা শিরিক করতো।
তাহলে আমরা কীভাবে বলতে পারি......?
মাতৃভূমিকে ভালবাসা ঈমানের অঙ্গ। আবু জাহেলও তো মক্কাকে ভালবাসতো।
__বিনতে হায়দার।
স্ত্রীর অভিমানে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নীরবতা
উম্মুল মুমিনদের অভিমানে রাসুল (সা.) নীরব হয়ে দেখতেন। বরং তিনি স্ত্রীদের এসব আচরণের বিভিন্ন অজুহাত খুঁজতেন। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো একসময় রাসুল (সা.)-এর জনৈকা (আয়েশা) বিবির কাছে ছিলেন। ওই সময় উম্মুহাতুল মুমিনিনের আর একজন একটি পাত্রে কিছু খাদ্য পাঠালেন। যে বিবির ঘরে নবী (সা.) অবস্থান করছিলেন সে বিবি খাদেমের হাতে আঘাত করলেন। ফলে খাদ্যের পাত্রটি পড়ে ভেঙে গেল। নবী (সা.) পাত্রের ভাঙা টুকরাগুলো কুড়িয়ে একত্রিত করলেন, তারপর খাদ্যগুলো কুড়িয়ে তাতে রাখলেন এবং বলেন, তোমাদের আম্মাজির আত্মমর্যাদাবোধে আঘাত লেগেছে। তারপর তিনি খাদেমকে অপেক্ষা করতে বলেন এবং যে বিবির কাছে ছিলেন তাঁর কাছ থেকে একটি পাত্র নিয়ে যার পাত্র ভেঙেছিল তাকে পাঠাবার ব্যবস্থা করলেন এবং ভাঙা পাত্র যে ভেঙেছিল তার কাছেই রাখলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৮৪৯)
এই আচরণের কারণে নবীজি (সা.) একটু ধমকও দেননি। এই পাত্র ভাঙার কারণে স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করেননি। কারণ এসব অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ তাদের অভিমানের কারণে হয়েছে। আর এটি ক্ষমাযোগ্য। এখানে দোষ বের করা হলে বিষয়টি কারো জন্য কল্যাণকর হবে না।
19/03/2024
যে অন্তরে কোরআন নেই, তা যেন পরিত্যক্ত বিরান বাড়ি।’ (তিরমিজি: ২৯১৩)