Noorcarest International School

Noorcarest International School

Share

Noorcarest International School – Illuminating Minds, Shaping Futures. Join us in shaping a brighter tomorrow.

At Noorcarest, we empower students through online Islamic education, nurturing both their spiritual and academic growth.

07/05/2026

স্কুলে যোহরের নামাজের সময় হলে এক অন্যরকম ব্যস্ততা শুরু হয়। আমাদের এখানে জামাত হয় দুটি। প্রথম জামাতটি আমি পড়াই একদম কচি-কাঁচা শিশুদের নিয়ে—যাদের বয়স মাত্র ৫ থেকে ৭ বছর। এই বয়সে তাদের ওপর নামাজের বাধ্যবাধকতা নেই, কিন্তু নামাজের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়। তবে এই অবুঝ শিশুদের সারিবদ্ধ করা আর শান্ত রাখা যে কতটা ধৈর্যের পরীক্ষা, তা কেবল একজন শিক্ষকই জানেন। এখানে মেধা আর কৌশলের লড়াই চলে প্রতিনিয়ত।
গতকালের একটি ঘটনা আমাকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলল। নামাজের কাতার ঠিক করছি, এমন সময় একটি বাচ্চা হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়ে রুমে ঢুকল। দেরি করে আসার কোনো সংকোচ নেই তার মধ্যে, বরং এসেই অন্য বাচ্চাদের সাথে চিৎকার করে গল্প জুড়ে দিল। আমি তাকে শান্ত হতে বললাম, ইংরেজিতে বললাম— "Don't shout, please." কিন্তু কে শোনে কার কথা! সে হয়তো ভেবেছিল এটা ক্লাসরুমের বিরতির সময়।
আমি তাকে কাছে ডাকলাম। পরম মমতায় বোঝাতে লাগলাম, "বাবা, এটা সালাতের জায়গা। এখানে আমরা মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়াই। এই পবিত্র জায়গায় দুষ্টুমি করতে হয় না।" সে একটু থমকে দাঁড়াল। আমি যখন সবাইকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমরা কার সামনে দাঁড়াচ্ছি?" সবাই সমস্বরে চিৎকার করে বলল— "আল্লাহর সামনে!" আমি তাদের শেখালাম, নামাজে দাঁড়ালে ডানে-বামে বা উপরে তাকাতে হয় না, শুধু সিজদার জায়গায় চোখ রাখতে হয়। এভাবেই আল্লাহর সাথে আমাদের একান্ত আলাপ হয়। কথাগুলো শুনে তারা এতটাই বিমোহিত হলো যে উল্টো আমাকে প্রশ্ন করল— "স্যার, নামাজ না পড়লে শয়তান খুশি হয়, তাই না?" আমি বললাম, "হ্যাঁ। তাহলে আমরা কি আল্লাহকে খুশি করব নাকি শয়তানকে?" সবার উত্তর ছিল— "আল্লাহকে।"
এত কিছুর পরেও সেই চঞ্চল ছেলেটি থামছিল না। নিরুপায় হয়ে হালকা একটু ধমক দিয়ে বললাম, "তুমি কি সেই পচা ছেলেদের মতো হতে চাও, যারা শিক্ষকের কথা শোনে না?" ব্যস, কথাটি তার কচি মনে তীরের মতো বিঁধল। সাথে সাথে তার মুখটা মলিন হয়ে গেল, সে চুপচাপ কাতারে দাঁড়িয়ে পড়ল। তাদের মধ্য থেকেই একজনকে ইমাম হিসেবে নির্বাচন করে আমি পেছনে দাঁড়িয়ে সব তদারকি করছিলাম।
নামাজ শেষে যখন সবাই লাইনে দাঁড়াল, সেই ছেলেটি আর আসছিল না। অভিমানে দূরে সরে ছিল। আমি তাকে কাছে ডেকে নিলাম। মাথায় হাত বুলিয়ে, আদর করে বললাম— "বাবা, শিক্ষক বকা দেয় তোমাদের ভালোর জন্য। তুমি তো এই স্কুলের সবথেকে সেরা ছেলে।" তার মলিন মুখে হাসির ঝিলিক ফোটাতে আমি তাকে প্রস্তাব দিলাম— "আগামীকাল তুমি আমাদের নামাজের ইমাম হবে এবং নেতৃত্ব দিবে। পারবে না?"
সে তো খুশিতে আত্মহারা! হেসে বলল— "স্যার, আমি ইকামতও দিব আবার ইমামতিও করব!" আমি হেসে ফেললাম। তাকে বুঝিয়ে বললাম যে ইমামের দায়িত্ব হলো নেতৃত্ব দেওয়া, আর আমাদের কাজ হলো তাকে অনুসরণ করা। সে দিন সে এক বুক তৃপ্তি নিয়ে ডিপার্চারে গেল।
আজ সকালে যখন সে স্কুলে এল, তার হাতে ছিল একটি সুন্দর ফুল। কোনো কথা না বলেই ফুলটি আমার হাতে গুঁজে দিল। তার চোখের সেই আনন্দ আর প্রাপ্তির উজ্জ্বলতা দেখে আমি নিশ্চিত হলাম—সে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছে এবং আমাকে ভীষণ ভালোবাসে।
আমার উপলব্ধি হলো শিশুদের মন সত্যিই কাদা মাটির মতো। আমরা শিক্ষকরা যেভাবে তাদের গড়ব, তারা সেভাবেই গড়ে উঠবে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় অভাব হলো এই মমতার ছোঁয়া আর সঠিক কৌশলের। শাসনের নামে কঠোরতা শিশুদের বিদ্রোহী করে তোলে, কিন্তু একটু আদর আর দায়িত্ববোধ তাদের আমূল বদলে দিতে পারে।
একজন প্রকৃত শিক্ষক তিনি-ই, যিনি শিক্ষার্থীর গায়ে হাত না তুলেও তার হৃদয় জয় করতে পারেন। মেজাজ হারানো নয়, বরং ভালোবাসা আর নমনীয়তাই হোক আমাদের প্রধান হাতিয়ার। অভিজ্ঞতা আমাদের এটাই শেখায় যে, পেশাদারিত্ব মানে কেবল সিলেবাস / চোডি বই শেষ করা নয়, বরং প্রতিটি শিশুর সুপ্ত সম্ভাবনাকে বিকশিত করা।
শিক্ষকতার এই মহান পেশায় থাকতে হলে আমাদের মস্তিষ্ককে প্রতিদিন নতুন নতুন কৌশলে আপডেট করতে হবে। প্রতিটি শিশুই আলাদা, তাই তাদের সামলানোর পদ্ধতিও হতে হবে আলাদা। আমরা শাসনের চেয়ে ভালোবাসায় বেশি বিশ্বাস করি। দিনশেষে আমাদের শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে থাকা ওই অমলিন হাসিটাই আমাদের সবথেকে বড় সার্থকতা।

History
6 May 26

02/01/2026

Trust in God in all matters توكل على الله في كل أمر

13/11/2025

ঠিক এইভাবে, ঠিক এই ভাবেই, আমার হিফজের দিনগুলো সম্পন্ন হয়েছিল…,

অনেকে বলে, ভালোবাসা মানে কাউকে না দেখে ঘুমাতে না পারা–
আর আমি বলি, আমার ভালোবাসা কোরআন!

কত দিন, কত রাত যে আমি ঝুড়তে ঝুড়তে কোরআনের উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছি —
একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন…
সেই পবিত্র অক্ষর-আয়াত গুলোর পরশে আজও হৃদয় জুড়িয়ে যায়–সুবহানাল্লাহ!

শৈশব থেকেই কোরআনের প্রতি ছিল আমার অগাধ টান, অশেষ প্রেম।
এই পৃথিবীতে এমন কোনো বই নেই যার জন্য আমি এতটা পাগল,
যতটা পাগল আমি আল্লাহর কালামের জন্য।

কোরআনই আমার প্রশান্তি, কোরআনই আমার প্রেম, কোরআনই আমার জীবন! কোরআনই আমার জীবনের পাথেয়।
মৃত্যুর পর যেন এই কোরআনই হয় আমার নাজাতের উসিলা।

17/10/2025

আপনার আদুরে বাচ্চার bad habit কি পরিবর্তন করতে পারছেন..?

16/10/2025

এমন যাদু শব্দ যেন আপনার বাচ্চাটাও শিখতে পারে..!!

15/10/2025

জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় বিষয় হচ্ছে —
আমি সবসময় সেই সমস্ত শিক্ষার্থীদের সাথেই কাজ করি,
যাদেরকে অন্যরা বলে দেয় — “এ....এর ধারা হবে না”, “এই ছেলেটার মধ্যে কিছুই নেই”,
“এই ছেলে/মেয়েটা আস্ত গাধা” —
অর্থাৎ সমাজের নামিদামি প্রতিষ্ঠানগুলো যাদের ‘ট্যাগ’ দিয়ে ফেলে দেয়,
আমার যাত্রা শুরু হয় সেখান থেকেই।

আর আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমি বলতে পারি —
সেই “অসম্ভব”দেরই আমি আল্লাহর কোরআনের ধারায় সফল করতে পেরেছি।

আপনি জানলে হয়তো অবাক হবেন —
যে সব শিক্ষার্থীদের মুখে কথা জড়তা, জিব্বা মোটা, অথবা আলা জিব্বা ছোট, অথবা জন্মগত সমস্যা, অথবা ভিন্ন ভিন্ন সৃষ্টির শুরু নগ্ন থেকেই সমস্যা।
এই সমস্ত ছেলেরা ঠিকভাবে উচ্চারণও করতে পারত না,
তাদের জিব্বা দিয়েই আজ আল্লাহর কোরআনের আয়াত উচ্চারিত হচ্ছে শুদ্ধভাবে!
এটা আমার কাজ নয় — এটা আল্লাহর কোরআনের বরকত।
আমি তো শুধু এক ক্ষুদ্র উসিলা,
একজন গুনাহগার বান্দা হিসেবে যতটুকু পেরেছি, চেষ্টা করেছি —
আর বাকিটা করেছেন রব্বুল আলামিন।

হ্যাঁ, এটা সহজ নয়।
প্রত্যেক শিক্ষার্থী আলাদা —
প্রত্যেককে আলাদা করে বুঝতে হয়, ভালোবাসতে হয়, সময় দিতে হয়।
এ কাজের জন্য লাগে অসীম ধৈর্য, দোয়া, এবং মমতা। পরিশেষে ওই শিক্ষকের প্রতি আল্লাহর অসীম করুণা এবং দয়া রয়েছে, তাছাড়া ওই শিক্ষকও এমন কঠিনের থেকে কঠিন কাজটি তার দ্বারাও সম্ভব নয়।
কারণ আপনি যদি ভাবেন, আপনার সন্তান একদিন হাফেজে কোরআন হবে —
তাহলে জানতে হবে, এই পথটা ফুলে ঢাকা নয়, বরং ত্যাগ, ধৈর্য আর সীমাহীন পরিশ্রমে ভরা এক মিশন।

একবার ভাবুন, আপনি যখন গর্ভে আপনার সন্তানকে ধারণ করেন,
তখনই নিয়ত করে ফেলেন যে—
“আমার সন্তানকে হাফেজে কোরআন বানাবো।”
কিন্তু কখনো ভেবেছেন এটা কত বড় নসিবের বিষয়?
এটা সবাই পায় না!
এটা সেই নসিব, যা আল্লাহ যাকে চান তাকেই দেন।

আপনি যদি একবার কোরআনটাকে হাতে নেন,
বুকে জড়িয়ে ধরেন, চোখে-মাথায় রাখেন,
এবং ভাবেন —
“এ কিতাবটা আমার সন্তান একদিন হুবহু মুখস্থ করবে…”
তখন আপনি নিজেই কেঁদে ফেলবেন।
আপনার মনে তখন এমন আনন্দ ও আত্মতৃপ্তি আসবে,
যা কোন দুনিয়ার সফলতা দিতে পারবে না।

দেখুন, যেসব শিশুরা কথা বলতে পারে না, বা মুখে জড়তা আছে —
তাদের অনেক শিক্ষক পড়াতে চায় না, ভালো শিক্ষার্থীদের ভিড়ে প্রতিষ্ঠানে তাদের জায়গাও দিতে চায় না।
কিন্তু আমি আলহামদুলিল্লাহ,
এই সমস্ত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়েই কাজ করি — অনলাইন এবং অফলাইনে।
আমি তাদের শুধু শেখাই না, আমি বিচ থেকে তাদের গড়ে তুলি গাছ।

যেমন একজন মা বা বাবা সন্তানকে আদরে, যত্নে, ঘাম ঝরিয়ে মানুষ করে,
তেমনি একজন সত্যিকারের শিক্ষকও যদি তেমন মমতায়, দায়িত্বে,
এবং দোয়া-মায়ায় শিক্ষার্থীর সাথে কাজ করে —
তবেই গড়ে ওঠে একজন হাফেজে কোরআন, একজন আদর্শ মানুষ।

কিন্তু প্রশ্ন হলো —
আজকাল এমন শিক্ষক কয়জন আছে,
যিনি আপনার সন্তানের দায়িত্ব নিজের সন্তানের মতো নেন?
যিনি শুধু শেখান না, বরং তার আত্মার মধ্যে আলো জ্বালান?
এমন শিক্ষক খুঁজে পাওয়া আজকাল সত্যিই কঠিন।

ভিডিওতে দেখছেন,
ছেলেটির মুখে আমি যতটা হাসি ফুটাতে চেষ্টা করছি,
তার ভিতরের প্রতিভাটাকে বুঝে তুলতে চেষ্টা করছি —
এটা শুধুই পড়ানো না, এটা এক ধরণের therapy,
এক ধরণের soul work —
যেখানে শিশুটিকে শুধু শেখানো হয় না,
বরং বিশ্বাস করানো হয় — “তুমিও পারবে ইনশাআল্লাহ!”

কারণ অনেক সময় শিশুরা নিজেরই মনে করে “আমি পারি না”,
এই কথাটাই তাকে ধ্বংস করে দেয়।
তখন একজন শিক্ষক যদি ভালোবাসা, মোটিভেশন, এবং আল্লাহর কোরআনের বরকতে তাকে পুনর্জীবিত করতে পারে —
তবেই সে হয় “একজন জীবন্ত মুজিজা”।

একটু ভাবুন —
আপনার সন্তান যদি আপনার দুনিয়ার জন্য না হয়েও
আপনার আখিরাতের শান্তির কারণ হয়,
তবে এই জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা আর কী হতে পারে?

13/10/2025
13/10/2025

কুকিল গুলো সবাই আজ খাবারের শুরুতে বিসমিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ বলছে...,

12/10/2025

Today's class: What type of memory should young students retain their learning for a long time? Students' questions: How many types of memory are there? There are two types of memory:

1. Short-Term Memory
2. Long-Term Memory

Photos from Noorcarest International School's post 12/10/2025

আমার ছোট ছোট সোনামণিদের ক্লাসরুমে এই ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে দেখি, তখন মনটা এক অদ্ভুত ভালোলাগায় ভরে ওঠে। শিক্ষকের আসনে বসে আমি প্রায়ই আমার শৈশবের লেখাপড়ার দিনগুলোর কথা ভাবি।
আমাদের সময়ে শিক্ষা ছিল অনেকটা সংগ্রাম! একটি হারিকেনের মৃদু আলোয়, ছেঁড়া বই আর স্লেটের খরখরে বুকে চলতো অক্ষরের সাথে মিতালী। একটা অক্ষর সঠিকভাবে চিনতে বা উচ্চারণ করতে একজন শিক্ষককে কতবার যে চক/খড়ি দিয়ে লিখে, মুখে বলে দিতে হতো—তার ইয়ত্তা নেই। একটা ভুল উচ্চারণের জন্য কপালে জুটতো শিক্ষকের কড়া শাসন। জ্ঞান অর্জনের পথটা ছিল বন্ধুর, কিন্তু সেই কষ্টের ফসলই আজ আমার শিক্ষক জীবন।
আর দেখুন এই প্রজন্মকে! এরা ভাগ্যবান। এদের হাতে আধুনিকতার ছোঁয়া। বোর্ডের বদলে এখন ঝকঝকে ডিজিটাল স্ক্রিন, যেখানে আরবী হরফগুলো জীবন্ত, রঙিন এবং নির্ভুল উচ্চারণের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেসে উঠছে। আমার এই শিক্ষার্থীটি যেমন আজ মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে 'আরবি হরফ'গুলোর দিকে, যা কিনা একটি ক্লিকেই চলে এসেছে তাদের চোখের সামনে। তাদের সামনে এখন শুধু বই নয়, পুরো পৃথিবীটাই হাতের মুঠোয়।
এই হলো 'একাল' আর 'সেকাল' - এর তফাৎ!
আমি চাইলেই ওদের বলতে পারি, "আমি কতটা কষ্ট করে শিখেছি..." কিন্তু তার চেয়েও বেশি চাই ওরা যেন এই সুযোগের মূল্য দেয়। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যেকটি শিশুকে শিখিয়েছে শুধু ক্লাসের পাঠ্য বইয়ের মধ্যেই জ্ঞান সীমাবদ্ধ নয়, বরং পৃথিবীর যেকোনো তথ্য, যেকোনো জ্ঞান এখন তাদের জন্য উন্মুক্ত। একটা ছোট্ট ক্লিক তাদের সামনে খুলে দিচ্ছে বিশ্ব জ্ঞানের দুয়ার।
একজন শিক্ষক হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া হলো, এই শিশুরা সহজে শিখছে, আনন্দ নিয়ে শিখছে। তাদের শেখার কষ্টটা কমেছে, কিন্তু শেখার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে বহুগুণ।
আমার দোয়া, এই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যেন এদের শুধু ভালো ছাত্র'ই নয়, বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। জ্ঞান অর্জনের এই সহজ পথ ধরে ওরা যেন একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়।
সবার জন্য শুভকামনা। শিখুক ওরা, আর পৃথিবী দেখুক ওদের সাফল্য!

27/09/2025

আমি নাকি পৃথিবীর সব থেকে ভালো স্যার? ❤️ কোকিলদের মুখে এই ডাকই আমার জীবনের আসল উপাধি।

ক্লাসে ঢুকলেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মুখ থেকে ভেসে আসে–
“স্যার, আপনি পৃথিবীর সব থেকে ভালো স্যার!”

আসলে এই কথাগুলোই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার।
বছরের পর বছর পড়াতে পড়াতে অনুভব করেছি–
শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি এক অমূল্য দায়িত্ব, এক অদ্ভুত আনন্দ।

শিশুরা যতই দুষ্টুমি করুক, যতই জ্বালাতন করুক, তবুও তাদের চোখের নিষ্পাপ ভালোবাসা, সম্মান আর তাদের হাসি প্রতিদিন নতুন ভাবে শক্তি যোগায় আমায়।

প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী আমার কাছে জান্নাতের ফুলের মতো।
তাদের ভরসা, তাদের “স্যার” ডাকা–
আমার জন্য দুনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka