BioScience Academy Bangladesh

BioScience Academy Bangladesh

Share

BioScience Academy Bangladesh is a research-based non-profit organization that aims to promote undergraduate research among Bangladeshi students.

It will provide training, workshop and arrange seminars for biological science and research enthusiasts.

23/05/2025

একজন গবেষকের অন্যতম স্কিল হলো ক্রিটিকাল থিঙ্কিং (Critical Thinking). এই ক্রিটিকাল থিঙ্কিং বিষয়টা সহজভাবে বোঝাতে চাইলে আমরা নিউটনের সেই বিখ্যাত আপেল পরার গল্পটা ভাবতে পারি।

এটা তো প্রতিদিনই ঘটে, তাই না? হাজারো মানুষ হাজারবার দেখেছে আপেল পড়তে, কিন্তু কেউ ভাবেনি “এটা নিচে পড়ে কেন?” নিউটনের বিশেষত্ব এখানে—সে দেখার পাশাপাশি প্রশ্ন করেছে। সে আপেলের পতনের পেছনের কারণ খুঁজতে চেয়েছে। এটাই হলো ক্রিটিকাল থিঙ্কিং—আপনি যা দেখছেন, সেটাকে শুধু মেনে না নিয়ে তার পেছনের লজিক, কারণ, এবং প্রভাব নিয়ে ভাবা।

আজকের গবেষণায় এই স্কিলটা অনেক বেশি জরুরি। আপনি যদি একটা রিপোর্ট পড়েন বা ডেটাসেট দেখেন, তখন প্রশ্ন করবেন—

এই তথ্যটা কিভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে?
এর পেছনে কোনো পক্ষপাত (bias) আছে কি?
বিকল্পভাবে ভাবলে অন্য কোন ব্যাখ্যা থাকতে পারে?
এই ইনফরমেশন আমার গবেষণার প্রশ্নের সাথে কতটুকু প্রাসঙ্গিক?

এই ভাবনাগুলোই আপনাকে একজন সাধারণ রিডার থেকে একজন রিসার্চার-লেভেল থিঙ্কার বানিয়ে তোলে। এখন প্রশ্ন হলো, এটা শিখবেন কীভাবে? ক্রিটিকাল থিঙ্কিং শেখার প্রথম ধাপ হলো “মানুষ যা বলে, তার পেছনে যুক্তি খুঁজে দেখা”। প্রশ্ন করতে হবে, "কেন এটা বলা হচ্ছে?", "এই উপসংহার আসলো কীভাবে?", "এর বিপরীতে কিছু বলা যায় কি না?"
শুধু বই পড়লেই হবে না, আপনাকে পড়া জিনিস নিয়ে নিজের ভাবনা তৈরি করতে হবে।

অনেকেই ভাবে, “ক্রিটিকাল থিঙ্কিং তো ওদের জন্য, যারা বড় বড় গবেষণা করে।” এটা ভুল। এই স্কিলটা স্কুল-কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে যেকোনো পর্যায়ের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একটি আইডিয়াকে ভেঙে চিন্তা করতে পারেন, তাহলে আপনি যেকোনো বিষয়ের গভীরে যেতে পারবেন। সুতরাং, যদি সত্যিকার অর্থে একজন গবেষক হতে চান, তাহলে আপনাকে নিউটনের মতো দেখতে হবে আর প্রশ্ন করতে হবে। কারণ, গবেষণার সবচেয়ে বড় শক্তি কোনো ম্যাজিক নয়—বরং যা সবাই দেখে, তার মধ্যে যা কেউ দেখে না, তা খুঁজে বের করার ক্ষমতা।

19/05/2025

"শুধুমাত্র একটা আইডিয়া কি যথেষ্ট একটা গবেষণা করার জন্য?"

গবেষণার জগতে প্রবেশ করতে চাওয়া অনেক শিক্ষার্থী বা গবেষকই একটা সাধারণ জিনিস নিয়ে কনফিউশন ফেইস করেন—“আমার মাথায় একটা আইডিয়া আছে, এটা কি যথেষ্ট?” এখানেই শুরু হয় গবেষণার প্রথম ভুলটা। কারণ, শুধুমাত্র একটা আইডিয়া কখনোই যথেষ্ট না। একটা সফল এবং একাডেমিক্যালি গ্রাউন্ডেড রিসার্চ করতে হলে একটা কমপ্লিট প্রসেস ফলো করতে হয়—যেখানে আইডিয়া জেনারেশন থেকে শুরু করে টপিক সিলেকশন, লিটারেচার রিভিউ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্ট্রাকচার থাকা জরুরি।

🧠 Formulating Ideas & Study Selection:

আইডিয়া ফর্মুলেট করা মানে হচ্ছে আপনি কোন বিষয়ের ওপর কাজ করতে চান, সেটা চিন্তা করা—not randomly but based on some prior knowledge, context বা নিজের আগ্রহ থেকে। এই জায়গায় সবচেয়ে কমন একটা ভুল হলো—একটা flashy বা trendy বিষয় মাথায় আসলেই সেটাকে ধরে রিসার্চ শুরু করে দেওয়া। যেমন ধরুন, “AI দিয়ে শিক্ষা ব্যাবস্থা পরিবর্তন”, বা “Social Media ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য”—এইগুলা শুনতে ভালো লাগলেও, এগুলো অনেক ওয়াইড আর ভ্যাগ। তাই, যেকোনো আইডিয়া প্রথমেই রিফাইন করতে হয়—বোঝা দরকার সেটা কি সত্যিই রিসার্চেবল কিনা।

Study selection এর ক্ষেত্রে শুধু নিজের choice না, academic এবং real-world value দুইটাই মাথায় রাখতে হয়। কারণ রিসার্চ একটা contribution—আপনার স্টাডি কাকে সাহায্য করবে, কোন ফিল্ডে gap পূরণ করবে—এই বিষয়গুলা clear না থাকলে, সেটা ভালো রিসার্চে develop হয় না।

🎯 Selecting the Topic:

টপিক সিলেকশন হলো সবচেয়ে important স্টেপগুলোর একটা। এখানে অনেক সময় আমরা দেখি, একটা broad থিম থেকে narrow টপিকে যাওয়ার কাজটা অনেকেই ঠিকমতো পারেন না। যেমন “Climate Change” একটা থিম, কিন্তু সেটা নিয়ে রিসার্চ করার জন্য আপনাকে specific করতে হবে—“বাংলাদেশে ২০১০-২০২০ এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষিজ উৎপাদনে প্রভাব”—এইভাবে।

টপিক সিলেকশনে আপনাকে দেখতে হবে—

"টপিকটা কি sufficiently narrow?", "এটা কি data-driven বা evidence-based করে এনালাইস করা যাবে?", "এর সঙ্গে আপনার academic background, available literature বা data কি align করছে?", "আপনি কি এটায় একটা যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন করতে পারছেন?"

💡 Generating Ideas:

অনেক সময়ই আমরা ভাবি—“আমার মাথায় তো আইডিয়া আসছে না।” অথচ আইডিয়া জেনারেশনের জন্য তো নির্দিষ্ট কিছু স্ট্র্যাটেজি আছে। যেমন: নিজের আগ্রহ আর অভিজ্ঞতা থেকে ভাবা, পছন্দের বিষয়ের recent journals ঘেঁটে দেখা, কোনো নির্দিষ্ট ইস্যুতে social/media discussion follow করা, কোনো established researcher এর ongoing project review করা

এইসব থিংকিং প্রসেস থেকে আপনি একটা concrete idea জেনারেট করতে পারেন—যেটা শুধু interesting না, academically valid এবং researchable। কখনো কখনো brainstorming বা mind-mapping techniques ব্যবহার করলেও আইডিয়া জেনারেশনে clarity আসে।

📚 Literature Review:

এবার আসি লিটারেচার রিভিউ প্রসঙ্গে—যেটা অনেকেই বুঝতেই পারেন না যে এটা আসলে কতটা crucial। ধরুন আপনি একটা টপিক ঠিক করলেন, কিন্তু জানলেনই না যে এই বিষয়ে আগের কী কী রিসার্চ হয়েছে, কে কী contribution দিয়েছে, কোথায় gap আছে—তাহলে আপনার রিসার্চ নতুন কিছু যোগ করবে কীভাবে?

লিটারেচার রিভিউ করতে গিয়ে আপনাকে করতে হবে: Key keywords খুঁজে scholarly databases (Google Scholar, JSTOR, Scopus) এ সার্চ, বিভিন্ন theoretical framework, methodologies আর findings রিভিউ করে একটা সমন্বিত understanding তৈরি,। সেই understanding এর আলোকে বোঝা—আপনার রিসার্চ আসলে কোথায় value add করতে পারে। এই পর্যায়ে, আপনি একটা research question বা hypothesis ঠিক করতে পারবেন—যেটা grounded in existing knowledge, এবং সেটা justify করা যাবে।

শুধু একটা আইডিয়া থাকলেই গবেষণা হয় না। বরং, আইডিয়াটাকে রিফাইন করা, একটা সময়োপযোগী এবং ফোকাসড টপিক সিলেক্ট করা, ভালোভাবে রিভিউ করে জেনারেট করা এবং লিটারেচার রিভিউ এর মাধ্যমে সেটাকে প্রাসঙ্গিক প্রমাণ করা—এই পুরো প্রসেসটাই একজন researcher-এর শুরু। এটা একটা systematic, intentional এবং evidence-based journey। যেকোনো পর্যায়ের শিক্ষার্থী বা গবেষকের জন্য এই understanding খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

19/05/2025

Free Master Class: GIS Unlocked: From Data to Destination

ম্যাপ মানেই শুধু রাস্তা নয়, প্রতিটি পয়েন্টের পেছনে লুকিয়ে থাকে একটা গল্প।
লোকেশন, ডেটা আর প্রযুক্তির সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে এক দুর্দান্ত জগৎ—GIS (Geographic Information Systems)। আজকের দিনে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, কৃষি পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কিংবা জলবায়ু বিশ্লেষণ—সবকিছুতেই GIS হয়ে উঠেছে অন্যতম ভরসার নাম। একে বলা যায় পৃথিবী বোঝার ডিজিটাল ভাষা।

🌍 তাই এখনই সময় এই ভাষায় কথা বলা শেখার।
Data Solution 360 আয়োজন করছে এক বিশেষ সেশন—
GIS Unlocked: From Data to Destination. যেখানে আপনি জানতে পারবেন—

🔹 GIS কী এবং বাস্তব জীবনে এর গুরুত্ব
🔹 কোন কোন সেক্টরে GIS ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়
🔹 আপনি কীভাবে শেখা শুরু করবেন
🔹 কোন টুলস, সফটওয়্যার আর স্কিলস লাগবে
🔹 কীভাবে আপনি গড়ে তুলতে পারেন GIS-এ এক শক্তিশালী ক্যারিয়ার


আপনি যদি ম্যাপ নিয়ে আগ্রহী হোন কিংবা ডেটা নিয়ে খেলতে ভালোবাসেন তাহলে এই সেশন আপনার জন্যই! জয়েন করুন, শিখুন আর নতুন এক জগৎ এক্সপ্লোর করুন!

🔗 রেজিস্ট্রেশন লিংক : https://forms.gle/WA8ENvHTgFnpca4s8

Photos from BioScience Academy Bangladesh's post 31/12/2023

এটি ডেটা সলিউশন - 360, ব্রিলিয়ান্ট ব্রেন ভ্যালি এবং ওয়াধওয়ানি ফাউন্ডেশনের একটি বিনামূল্যের কোর্স। আমি বিশ্বাস করি অনেকেই, বিশেষ করে ৩য় এবং ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা এতে অনেক উপকৃত হবে। আপনি যদি এক ধাপ এগিয়ে যেতে চান তাহলে অনুগ্রহ করে নিবন্ধন করুন.
Registration link: https://docs.google.com/.../1FAIpQLSeNAkwbzUpzum.../viewform

SJR : Scientific Journal Rankings 19/09/2021

বাংলাদেশী জার্নালের হালচাল

বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত মোট ১০ টি জার্নাল স্কোপাস ডেটাবেজে ইনডেক্সড এবং শিমাগো জার্নাল র‍্যাংকিং (SJR) মেট্রিক্স অনুযায়ী সবচেয়ে এগিয়ে আছে Bangladesh Journal of Pharmacology. তবে সার্বিক বিবেচনায় সবচেয়ে অগ্রসরমান জার্নাল বলা চলে Journal of Advanced Veterinary and Animal Research (JAVAR) কে যেটি ২০১৪ সালে প্রকাশিত হওয়া সত্বেও ইতোমধ্যে Scopus, WOS এবং PMC তে ইনডেক্সড হয়েছে এবং এই মুহুর্তে বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত একমাত্র জার্নাল যেটি মেডিকেল সায়েন্সে/লাইফ সায়েন্সের প্রধান তিনটি ডেটাবেজে ইনডেক্সড আছে।

অন্যদিকে ওয়েব অফ সায়েন্সে ICDDR,B থেকে প্রকাশিত Journal of Health, Population and Nutrition বাদ দিলে (এটি BMC থেকে প্রকাশিত হওয়ায় স্কোপাসে বাংলাদেশি জার্নাল লিস্টে নেই) মোট ২০ টি জার্নাল আছে। তিনটি টি জার্নালের JCR ইম্প্যাক্ট ফ্যাক্টর আছে। সেগুলো হলোঃ

Bangladesh Journal of Pharmacology (IF 0. 930)
Bangladesh Journal of Plant Taxonomy (IF 0.679)
Bangladesh Journal of Botany (IF 0.308)

PubMed/PMC তে এখন পর্যন্ত ২ টি জার্নাল ইনডেক্সড আছে JAVAR ও Mymensingh Medical Journal.

তথ্যসূত্রঃ
https://www.scimagojr.com/journalrank.php?country=BD

https://mjl.clarivate.com/search-results

https://bdvets.org/JAVAR/

SJR : Scientific Journal Rankings

12/08/2021

American Chemical Society, Royal Society of Chemistry and Frontiers are the top three publishers with most citations.

12/05/2021

Plagiarism and Similarity index.

Plagiarism শব্দটির সাথে আমরা অনেকে পরিচিত, কিন্তু Similarlity index! একাডেমিক অথবা প্রফেশনাল রাইটিং এর এই যুগে এই তথ্যগুলো জানা অপরিহার্য।

প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের লেখা বা আইডিয়াকে নিজের নামে উপস্থাপন করা। অর্থাৎ অন্যের তথ্য মূল লেখককে কোন স্বীকৃতি না দিয়েই নিজের বলে চালিয়ে দেয়া। অন্যদিকে সিমিলারিটি ইনডেক্স হলো অন্যের লেখার সাথে লেখা মিল থাকা। অর্থাৎ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে অন্যের লেখার সাথে নিজের লেখার সাদৃশ্য থাকলে তাকে similarlity index বলে। আমরা অনেকে একটা বিষয়ে কনফিউজ থাকি যে রেফারেন্স দিবো কিসের!একজনের লেখা কপি-পেস্ট করে সেইটার রেফারেন্স দিবো নাকি তার লেখা চেঞ্জ করে! উত্তর হচ্ছে আপনি তার আইডিয়া বা তার থেকে নেয়া তথ্যের রেফারেন্স দিবেন, আর্টিকেলে তার লেখা লাইনের না।

এখন প্রশ্ন হলো কত পারসেন্ট প্ল্যাজিয়ারিজম এক্সেপ্ট করে? সায়েন্টিফিক জার্নালগুলো তাদের প্রকাশিত আর্টিকেলে ১% ও প্লেজিয়ারিজমও এক্সেপ্ট করে না। কারণ এটা আন্তর্জাতিক আইনের নীতিবিরোধী কাজ। তারা যেটা এক্সেপ্ট করে সেটা হচ্ছে সিমিলারিটি ইনডেক্স। কারণ আপনি সম্পূর্ণ নিজের ভাষাতে লিখলেও কিছু সিমিলারিটি থাকবেই। কত পারসেন্ট সিমিলারিটি ইনডেক্স গ্রহনযোগ্য সে বিষয়ে সরাসরি কোন নির্দেশনা নেই। তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যেমন বড় একটা অংশের সিমিলারিটি পাওয়া গেলো সম্পূর্ন একটা সোর্সের সাথে অথবা অধিকাংশ সিমিলারিটি রেজাল্ট সেকশানে যেটা সাধারণত সমস্যায় তৈরী করতে পারে।

অনেকে মনে করেন যে ইন্টারনেটের ফ্রি সফটওয়ার দিয়েই প্লেজিয়ারিজম চেক করা সম্ভব। কিন্তু এই সফটওয়ারগুলো কেবল ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত ব্লগ/ আর্টিকেলের সাথে মিল দেখায় এবং আপনি সঠিক রেজাল্ট জানতে ব্যর্থ হন। Similarity index চেক করার সার্বজনীন স্বীকৃত সফটওয়ার হচ্ছে Turnitin। পৃথিবীর সেরা সেরা পাবলিশার্সের সব জার্নালই iThenticate by Turntine এর মাধ্যমে প্লেজিয়ারিজম তথা সিমিলারিটি ইনডেক্স চেক করে। টার্নিটিন আপনার লেখা আর্টিকেলে ইন্টারনেটে প্রাপ্ত সকল জার্নাল, বই, ওয়েবসাইট, নিউজপেপারের সাথে মিল খুজে বের করে এবং সোর্সসহ সিমিলারিটি ইনডেক্সের ফলাফল দেখায়। টার্নিটিন কোন পার্সোনাল একাউন্ট করার সুযোগ নাই। এটা ইন্সটিটিউট বা অর্গানাইজেশনের এক্সেসের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়।

26/01/2021

The savior of the poor researchers....😃

12/01/2021

জানুন, হোন

KAIZEN একটি জাপানি শব্দ। Kai অর্থ Change আর Zen অর্থ Good। অর্থাৎ Kaizen মানে হলো Change for Good.

Masaki Imai নামের এক জাপানি ম্যানেজমেন্ট কন্সাল্টেন্ট Kaizen সিস্টেম টি ডেভেলপ করেছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান এর ঘুরে দাড়ানোর অস্ত্র ছিল এই Kaizen। Kaizen কিছুই না, এটা হলো জাস্ট একটা মাইন্ডসেট।

Kaizen আপনাকে এনকারেজ করবে এমন একটা Mindset ক্রিয়েট করার জন্য যেখানে আপনি বিশাল কোন পরিবর্তন আনতে বিশাল কোন রিসোর্স ব্যবহার এর কথা না ভেবে আপনার হাতে যা আছে তা দিয়েই পরিবর্তন আনার কথা ভাববেন।

একটা উদাহরণ দেই, একটা ফ্যাক্টরি তে যখন Worker রা কাজ করে তখন তারা অনেক রকম টুলস এর ব্যবহার করে। এখন ধরুন টুলবক্স থেকে রহিম হাতুড়ি নিয়ে গেল কোন কাজ করার জন্য৷ এদিকে করিম এসে হাতুড়ি খুজে না পেয়ে সে সারা ফ্যাক্টরি খুজে আধা ঘন্টা টাইম নষ্ট করে শেষ মেষ রহিম এর পায়ের কাছে হাতুড়ি খুজে পায়। লাভ হলো নাকি লস হলো? লস হলো, কোম্পানীর আধা ঘন্টা লস হলো।

এখন ফ্যাক্টরি ম্যানেজার এ কথা জানার পর তিনি যেটা করতে পারেন টুলস এ ট্র‍্যাকার লাগিয়ে দিতে পারেন। ট্র‍্যাকিং সফটওয়্যার আপনাকে বলে দিবে কোথায় গেলে হাতুড়ি টা পাওয়া যাবে৷ আবারো কোম্পানীর ই লস। জ্বী এইবার টাকা লস।

অন্যদিকে ম্যানেজার যদি Kaizen Mindset এর মানুষ হন তিনি যেটা করতে পারেন, একটা
বোর্ড এ মার্কার দিয়ে হাতুড়ি সহ যা যা টুলস রয়েছে সব গুলার একটা করে ছবি আঁকবেন। তারপর সেই ছবির ঠিক উপরেই টুলস গুলো সাজিয়ে রাখবেন, এবং বোর্ড এর ঠিক পাশে একটা বক্স এ সমস্ত ওয়ার্কার এর নাম লেখা কিছু কার্ড রেখে দিবে।

এবার ঘটনা টা কেমন হয় দেখেন তো, রহিম আবারো আসলো হাতুড়ি নিতে। সে বোর্ড থেকে হাতুড়ি নিয়ে সেখানে তার নাম লেখা কার্ড টা ঝুলিয়ে দিয়ে চলে গেল। এদিকে করিম আসলো হাতুড়ি খুজতে সে এসেই দেখল হাতুড়ি এর ছবি আঁকা জায়গাটা ফাকা। তার মানে হাতুড়ি অন্য কেও নিয়ে গেছে। তার আর খোজাখুজির দরকার ই নাই। তা কে নিল? কার্ড হাতে নিয়ে দেখল রহিম। ব্যাস কাজ শেষ। সে সোজা রহিম এর কাছে চলে যাবে । আর হাতুড়ি তুলে নিয়ে নিজের কাজে। আর হ্যা এবার রহিম এর কার্ড টা বক্সে রেখে নিজের নাম এর কার্ড টা তুলে দিতে কিন্তু ভুলবে না।

Happy Productivity 😃

Kaizen যেহেতু জাস্ট একটা Mindset তাই আপনি Kaizen কে আপনার ব্যাক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে প্রফেশনাল জীবন সব জায়গায় ই ব্যাবহার করতে পারবেন। সাথে থাকুন

Collected

The COVID-19 pandemic: A Comprehensive Review of the Genomic variations, Epidemiological features, Diagnosis, Treatment and Intervention schemes in South Asia 06/01/2021

Alhamdulillah. The preprint of our project article titled "The COVID-19 pandemic: A Comprehensive Review of the Genomic variations, Epidemiological features, Diagnosis, Treatment and Intervention schemes in South Asia" is online. The article is currently under review in a journal of the Taylor and Francis publisher.

Highlights of the work

👉 Similar genomic variations were observed in the SARS-CoV-2 variants of the neighboring countries such as variations in the ORF1ab, ORF1a, ORF3a and S genes were largely seen.

👉The majority of the infected individuals of South Asia are aged between 21-30 years and males are more vulnerable than females.

👉Distinct molecular and serological assays are being used for screening in different countries.

👉Since no unanimously recognized treatment option is available, existing medicines and contrivances are being taken into consideration.

👉A COVID-19 vaccine-COVAX from India is undergoing clinical trials.

Thanks to all the contributing authors. The journey of a big dream.
Academy Bangladesh- Integrate idea with success.

The COVID-19 pandemic: A Comprehensive Review of the Genomic variations, Epidemiological features, Diagnosis, Treatment and Intervention schemes in South Asia The ongoing respiratory disease pandemic COVID-19 caused by a newly emerging highly infectious virus Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus-2 (SARS-CoV-2) is aggravating the world's health, economy and regular life. This unprecedented respirato

31/12/2020

Lets forget what is behind and embrace the future. Happy New Year 2021.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka