BCS & Banking Career in Bangladesh

BCS & Banking Career in Bangladesh

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BCS & Banking Career in Bangladesh, Educational consultant, Dhaka.

10/10/2022

একই সাথে ২ মহাদেশ স্পর্শ করতে পারা যায় যেখানে……

আইসলেন্ডের উপকূলের বাইরে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্বের সবচেয়ে পরিষ্কার স্বচ্ছ পানির একটি স্থান যার নাম সিলফ্রা।এখানে একই সাথে উত্তর আমেরিকার ও ইউরোপ মহাদেশকে স্পর্শ করা যায়। পানির অতিরিক্ত স্বচ্ছতার জন্য তা দেখাও সম্ভব।

Collected.

14/09/2022

✪ কারো সাথে পরিচিত হলে- Hello, Nice to meet you.
✪ উৎসাহ দিতে - Good job/Well done – (সাবাশ!)
✪ কারো কথা বুঝতে পারলে - I see/ I understand/ I got it
✪ কারো কথা বুঝতে না পারলে - Sorry?
✪ গভীরভাবে দু:খ প্রকাশ - I'm extremely sorry, I regret – আমি অনুতপ্ত।
✪ অভিনন্দন জানাতে- Best wishes - (শুভ কামনা)
✪ ধন্যবাদ জানাতে - I am grateful to you – (আমি তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ।)
✪ কেউ কুশল জিজ্ঞাসা করলে – I'm extremely well (আমি বেশ ভাল আছি)
✪ কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করা- Excuse Me – শুনুন, Hey, got it? – এই, বুঝতে পেরেছো?
May I have your attention please- আপনি যদি একটু এদিকে নজর দেন।
✪ কাউকে অপেক্ষা করতে বললে - Just a moment/Hang on a moment- (একটু অপেক্ষা করুন)
✪ মতামত প্রকাশ করতে-
In my point of view– আমার দৃষ্টিকোণ থেকে,
As far as I'm concerned – আমার মনে হচ্ছে যে।
✪ বিদায় জানাতে- See you later- (পরে দেখা হবে)
✪ কারো নাম জানতে - Can I have your name? - (আমি কি তোমার নাম জানতে পারি?)
✪ প্রস্তাব দেওয়া- Would you like something to drink? - আপনি কি কিছু পান করবেন?
✪ হতাশা প্রকাশ করা - What a pity - কি দুঃখজনক।
✪ সাহায্য চাওয়া - Could you give me a hand? - তুমি কি আমাকে সাহায্য করতে পারবে?
✪ কারো খোঁজ/খবর নেওয়া - What’s up - কি ব্যপার?, What’s going on – কেমন চলছে?
✪ বিরক্তি প্রকাশ করা- How disgusting/How absurd! (কি বিরক্তিকর/হাস্যকর).

(Collected)

11/09/2022
11/09/2022

মানুষটা ছিলেন ঢাকা মেডিকেলের স্টুডেন্ট।
উনার লেখা একটা গানের নাম শুনবেন?

"জয় বাংলা বাংলার জয়" এই গানের রচয়িতা তিনি!

বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের মনোনীত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় ছিল তাঁর রচিত 'জয় বাংলা বাংলার জয়', 'একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়ে', 'একতারা তুই দেশের কথা বল' এই তিনটি গান। এছাড়া এই মানুষটার রচিত গানের সংখ্যা ২০ হাজারেরও বেশি! মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় বাংলাদেশ বেতারের সূচনা সংগীত ছিল তাঁরই লেখা গান।

জহির রায়হান একবার তাঁকে বলেছিলেন দুইদিনের মধ্যে ৭ টা গান লিখে দিতে। জহির রায়হানকে অবাক করে দিয়ে তিনি ২ ঘন্টায় গান লিখে নিয়ে এসেছিলেন!

লোকটার নাম গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
তাঁর কলম থেকে রচিত হয়েছিল কালজয়ী সেই লাইন,
"জয় বাংলা বাংলার জয়"।

তিনি গত ৪ সেপ্টেম্বর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন, অথছ পুরো ফেসবুক খুঁজেও কোথাও খুব বেশি পোস্ট দেখিনি তেমনটা।

আমরা ইতিহাসকে এভাবেই ভুলে যাই। যেই বয়সে ইতিহাসকে পড়ার কথা, সেই বয়সে আমরা হয়তো বড় অযত্নে অবহেলায় ফেলে রাখি ইতিহাসের পাতা গুলো!

স্রষ্টা আপনাকে পরপারে পরম শান্তিতে স্থান দিন।আপনার গান বেঁচে থাকবে সকল বাঙ্গালির হৃদয়ে আজীবন......

----- সৌমিক

11/09/2022

Collected

আমরা তো বেঁচে আছি বিড়ালের মত। যেদিকে বৃষ্টি সেদিকে ছাতা দিয়ে নিজেকে বাঁচাই। দু'একজন আছেন, ছিলেন যারা সিংহের মত বাঁচে। ড. আকবর আলী খান তেমনি একজন। তিনি কঠিন, অপ্রিয় কথাগুলো সহজ করে বলতেন।

ডঃ আকবর আলি খান আমাদের মাঝে আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।দেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার পূণরুদ্বার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম করে গেছেন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন আমিন।

তি‌নি ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপ‌জেলার রসুল্লাবাদ গ্রা‌মে জন্মগ্রহণ করেন। নবীনগর হাই স্কুল জীবন পার ক‌রে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৬১ সালে আই. এস. সি পাশ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে অধ্যয়ন করেন এবং সেখান ১৯৬৪ সালে সম্মান ও ১৯৬৫ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন দুটিতেই প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে। সরকারী চাকরিতে যোগদানের পূর্বে তিনি কিছু সময়ের জন্য শিক্ষকতা করেন।

** ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে তিনি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে হবিগঞ্জ মহুকুমার এস. ডি. ও. হিসেবে পদস্থ হন। তিনি তার এলাকায় সুষ্ঠুভাবে ১৯৭০-এর নির্বাচন পরিচালনা করেন। তি‌নি কানাডার কুইন্স বিশ্ব‌বিদ‌্যালয় থে‌কে অর্থনী‌তি‌তে মাস্টার্স ও পিএই‌চডি ডি‌গ্রি অর্জন ক‌রেন।

৭১ ' হবিগঞ্জের মহকুমা প্রশাসক ( এসডিও) থাকাকালীন খাদ্যগুদাম খুলে দেন, ব্যাংকের ভল্ট থেকে তিন কোটি টাকা বের করে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঠিয়ে দেন। অস্ত্রাগারের অস্ত্র বের করে দেন৷ পরবর্তীতে চাকরি শেষে সফল রাজনৈতিক/ অর্থনৈতিক বিশ্লেষক হন।

দেশের কঠিন সময়ে তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন নির্ভিকভাবে। এদেশ তাকে কতটুকু ধারন করতে পেরেছিলেন ইতিহাসই একদিন বলে দিবে।

Photos from BCS & Banking Career in Bangladesh's post 11/09/2022

সংগৃহীত
*********
ভারতবর্ষসহ সারা পৃথিবী থেকে লুট করা মনি-মানিক্য-হীরা-জহরত পরিহিতা বর্তমান পৃথিবীর শেষ সম্রাজ্ঞী।
বিদায় রাণী। আপনার জবাবদিহিতায় নিশ্চয়ই ক্ষুদিরাম স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। উপস্থিত থাকবেন মাষ্টার দা সুর্যসেন, সুভাসবোস, প্রীতিলতা, হাজ্বী শরীয়তুল্লাহ, তিতুমীর, বিনয়, বাদল, দিনেশ, সুশীল দাশ, ভগৎ সিং থেকে শুরু করে মঙ্গল পাণ্ডে, নবাব সিরাজউদ্দৌলা সহ অগণিত শহীদ।
#ব্রিটিশ #আগ্রাসন

22/08/2022

🇧🇩 Fahmida Azim, a painter and decorator of Bangladeshi origin, has won the Pulitzer Prize.

🎖️ She received the award, which is considered the most prestigious in journalism and publishing, for decorating an illustrated report titled 'How I Escaped a Chinese Internment Camp,' which was published by the Insider website.

👉 Fahmida is the first American of Bangladeshi descent to receive the Pulitzer Prize. She also won the 'Golden Kite' award earlier this year for the book illustration of 'Samira Surf.' She was also honored for the covers of 'Muslim Women and Everything' in 2020 and 'Amir's Picture Day' in 2021.

Source: https://www.pulitzer.org/winners/fahmida-azim-anthony-del-col-josh-adams-and-walt-hickey-insider-new-york-ny

08/08/2021

Collected

08/08/2021

Collected.

Photos from BCS & Banking Career in Bangladesh's post 29/07/2021

এন্টিজেন_এন্টিবডি_ও_ভ্যাক্সিন_সমপর্কে_ধারণা

১) এন্টিজেন_কাকে_বলে?
এন্টিজেন হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও অন্যান্য
জীবাণুর দেহ কোষের কিছু প্রোটিন উপাদান, কিংবা এমন কোনো বস্তু যা শরীরের নিজস্ব গঠন থেকে আলাদা প্রকৃতির, কিংবা কোনো ফরেইন উপাদান, কিংবা শরীরের জন্য কোনো অপরিচিত বস্তু, যেমন কোনো টক্সিন, ক্যামিকেল, ড্রাগস ইত্যাদি, যা দেহে প্রবেশ করলে ইমিউন সিস্টেম প্ররোচিত হয়ে এন্টিবডি তৈরী হয় এবং ওই এন্টিবডি, অণুজীবের কিংবা এন্টিজেনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীর কে মুক্ত রাখে।

ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া কিংবা ক্ষুদ্র অণুজীব গুলির দেহকোষের প্রোটিন উপাদান এন্টিজেন হিসাবে বিবেচিত হয় এবং এগুলো শরীরে রোগ তৈরীতে ভূমিকা রাখে।

২) এন্টিবডি:
এন্টিবডি হচ্ছে এক প্রকার প্রোটিন, যা শ্বেতরক্ত কণিকার বি-লিম্পোসাইট থেকে তথা রক্তের প্লাজমা সেল থেকে উৎপন্ন হয়। যখন শরীরের অভ্যন্তরে কোনো এন্টিজেন প্রবেশ করে, উদাহরণস্বরূপঃ ভাইরাস, কিংবা ব্যাক্টেরিয়া কিংবা ফানজাই, তখন তাকে নিউট্রালাইজড করার জন্য শ্বেত রক্তকণিকার বি-লিম্পোসাইট থেকে এক প্রকার প্রোটিন উপাদান তৈরি হয়, যা ওই ভাইরাস কিংবা ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়, এবং ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়, যাকে এন্টিবডি বলে। এইভাবে এন্টিজেনের প্রভাবে শরীরের অভ্যন্তরে এন্টিবডি তৈরী হবার প্রক্রিয়াকে ইমিউন রেসপন্স বলে।


একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা আরেকটু সহজ হবে।
মনে করুন, ডেঙ্গু একটা ভাইরাস (অনুজীব)।
এই ভাইরাস যখন মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে, তখন এই ভাইরাস এর এন্টিজেন সমূহের প্রভাবে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এক প্রকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য উত্তেজিত হয় এবং এই ডেঙ্গু ভাইরাস কে ধ্বংস করার জন্য এক প্রকার এন্টিবডি তৈরী করে, যা ডেঙ্গু ভাইরাস কে ধ্বংস করে শরীরকে সুরক্ষা দেয়।

এখন ডেঙ্গু ভাইরাস কে যদি আমরা শরীরের শত্রু হিসাবে বিবেচনা করি, তাহলে এন্টিবডি হচ্ছে শরীরের অভ্যন্তরীন এক প্রকার সেনাবাহিনী, যেই সেনাবাহিনীর কাজ হচ্ছে শত্রুকে ধ্বংস করে শরীরকে সুরক্ষা দেওয়া। এই সেনাবাহিনী তখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মধ্যে এক প্রকার মেমোরী তৈরি করে। যা ভবিষ্যতে কখনো সেই একই প্রজাতির ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সেনাবাহিনী বা মেমরি সেল তাদেরকে চিনে ফেলে, এবং সাথে সাথে তাদের কে ধ্বংস করে দেয়।

প্রতিটি অণুজীবের এন্টিজেন সমূহ সুনির্দিষ্ট, এক অণুজীবের এন্টিজেনের সাথে অন্য অণুজীবের এন্টিজেনের কোনো মিল নেই। প্রতিটি এন্টিজেনের
বিরুদ্ধে কার্যকর এন্টিবডির কাজও সুনির্দিষ্ট।
যেই এন্টিবডি যে প্রকারের এন্টিজেনের উত্তেজনায়
তৈরী হয়েছে, সেই এন্টিবডি কেবল সেই এন্টিজেন কে ধ্বংস করবে।

৩) ভ্যাক্সিন কি?

এতক্ষণে আমরা জানতে পেরেছি যে, যে কোনো ভাইরাস কিংবা ব্যাক্টেরিয়া তথা যে কোনো অণুজীবের গায়ে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রোটিন উপাদান থাকে, যাকে এন্টিজেন বলে এবং যার প্রভাবে এন্টিবডি তৈরী হয়ে শরীরকে প্রোটেকশন দিয়ে থাকে। এখন যদি কারো রোগ হবার আগে আমরা তার শরীরের ভিতর বৈজ্ঞানিক উপায়ে সেই ভাইরাসকে রোগ সৃষ্টিতে অক্ষম করে ইঞ্জেকশন এর মাধ্যমে কিংবা মুখ দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিতে পারি, কিংবা সেই ভাইরাস কে অকার্যকর (inactivated) করে প্রবেশ করিয়ে দিতে পারি, তাহলে সেই ভাইরাস মানুষের শরীরে ডুকবে ঠিকই, কিন্তু যেহেতু আমরা ওই ভাইরাসকে রোগ তৈরিতে অক্ষম করে ফেলেছি, তাই ভাইরাসটি শরিরে প্রবেশ করানোর ফলে শরীরে কোনো রোগ তৈরী হবেনা, তবে ভাইরাসের গায়ে যেই এন্টিজেন ছিলো, তার উত্তেজনায় শরীরের অভ্যন্তরে সেই এন্টিজেনের বিরুদ্ধে এক প্রকার এন্টিবডি তৈরী হবে এবং মেমোরি সেল তৈরী হয়ে শরীরের অভ্যন্তরে দ্বীর্ঘদিনের জন্য থেকে যাবে। ভবিষ্যতে যদি পরিবেশ থেকে নাক দিয়ে কিংবা মুখ দিয়ে কিংবা অন্য যে কোনো উপায়ে ওই প্রজাতির ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে সেই ভাইরাস কোনো রোগ তৈরি করতে পারবেনা, কারণ ভাইরাস প্রবেশ করার সাথে সাথে পুর্বে তৈরি হওয়া মেমোরি সেলের সহায়তায় এন্টিবডি সমূহ সেই ভাইরাস কে চিনে ফেলবে, এবং ভাইরাস কে ধ্বংস করে দিবে। রোগ তৈরী হতে দিবেনা।

ভ্যাক্সিনের সংজ্ঞাঃ
সুতরাং ভ্যাক্সিন হচ্ছে এক প্রকার জৈব রাসায়নিক উপাদান যা বিভিন্ন জীবাণুকে যথা ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়াকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে রোগ সৃষ্টিতে অক্ষম করে তৈরী করা হয়, এবং তা ইঞ্জেকশন এর মাধ্যমে
কিংবা মুখে খাইয়ে শরীরে প্রবেশ করানো হয়, এবং তা ইমিউন সিস্টেম কে উত্তেজিত করে এন্টিবডি তৈরি করে, এবং সেই নির্দিষ্ট প্রজাতির ভাইরাস কিংবা ব্যাক্টেরিয়া দিয়ে ভবিষ্যতে রোগ তৈরিতে বাধা প্রধান করে থাকে।


ভ্যাক্সিনের প্রকারভেদঃ
ভ্যাক্সিনকে প্রধানত তিনভাগে বিভক্ত করা হয়ে থাকে
ক) লাইভ ভ্যাক্সিন:
এই প্রকারের ভ্যাক্সিন এর মধ্যে অণুজীব সমূহ জীবিত থাকে, তবে তাদেরকে বিভিন্ন ধাপে ধাপে সেন্ট্রিফিউজ করে রোগ তৈরিতে পরিপূর্ণ অক্ষম করে দেওয়া হয়, এর পর তা শরীরে প্রবেশ করানো হয়, শরীরে প্রবেশ করালে জীবাণুগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উত্তেজিত করে, এবং এন্টিবডি তৈরি করে, যেই এন্টিবডি শরীরে তৈরি হয়ে ভবিষ্যতে এই প্রকারের অন্যান্য ভাইরাস থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। যথাঃ পোলিও ভ্যাক্সিন, বিসিজি ভ্যাক্সিন।

খ) নিহত/নিষ্ক্রিয়কৃত ভ্যাক্সিনঃ
এই প্রকারের ভ্যাক্সিন তৈরিতে অণুজীব সমূহ
কে মেরে ফেলা হয়, মেরে তাদেরকে ইঞ্জেকশন এর মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে শরীরে প্রবেশ করানো হয়, এবং তাদের গায়ের এন্টিজেনের প্রভাবে এন্টিবডি তৈরি হয়, এবং শরীরকে সুরক্ষা দেয়। যথা: কলেরা ভ্যাক্সিন, হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিন ইত্যাদি।

গ) টক্সয়েড ভ্যাক্সিন: যেখানে ব্যাকটেরিয়ার কেবল টক্সিন গুলিকে নিষ্ক্রিয় করে রোগ তৈরিতে অক্ষম করে শরীরে পুশ করা হয়, এবং তা রোগ প্রতিরোধ করে। যথাঃ টিটেনাস টক্সয়েড।

ভ্যাক্সিন উৎপাদন পদ্ধতিঃ
আমি এখানে ২০০৯ সালে আবিষ্কৃত সোয়াইন ফ্লু ভ্যক্সিন তৈরির কিছু সামারি দিচ্ছি, তাহলে ভ্যাক্সিন উৎপাদন পদ্ধতি বুঝতে সহজ হবে।

প্রথমত যেই রোগের ভ্যাক্সিন তৈরী করা হবে, সেই রোগের জীবানুকে চিহ্নিত করা হয়। ধরা যাক, সোয়াইন ফ্লু এর ভ্যাক্সিন তৈরি হবে, তাই সর্বপ্রথম WHO তথা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ল্যাবরেটরি থেকে সোয়াইন ফ্লু রোগের জীবানু ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (H1N1) চিহ্নিত করা হয়, এবং এই ভাইরাস সমূহকে মুরগির ডিমের ভিতর পুশ করা হয় হাইব্রিড পদ্ধতিতে চাষ করার জন্য। এতে করে প্রতিটি ডিমে লক্ষাধিক ভাইরাস উৎপাদিত হয়, একটি ডিম থেকে একজনের ভ্যাক্সিন উপাদান তৈরি হয়, এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি ডিমের মধ্যে হাইব্রিড পদ্ধতিতে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের চাষ হয়, এবং ডিমগুলি হার্ভেস্টিং করে ভাইরাস সমূহ ডিমের থেকে পৃথক করা হয়, এবং সেন্ট্রিফিউজ করে ভাইরাস সমূহকে নিষ্ক্রিয় করা হয়। সেখান থেকে কিছু ভাইরাস কে ক্যামিকেল দিয়ে মেরে ফেলা হয়, এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা থেকে Killed vaccine তৈরি হয় এবং ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তা শরীরে পুশ করা হয়। হার্ভেস্টিং পদ্ধতি কিছু ভাইরাস জীবিত রাখা হয়, তবে তা রোগ তৈরিতে অক্ষম করে নেওয়া হয়, এবং তা থেকে লাইভ ভ্যাক্সিন (Live attenuated vaccine) তৈরি হয়, এবং তা Nasal Spray হিসাবে শরীরে পুশ করা হয়। সোয়াইন ফ্লু ভ্যাক্সিনের এইসব প্রক্রিয়া, ক্লিনিকাল ট্রায়াল হয়ে বাজারজাত হতে প্রায় ৬ মাস সময় লেগেছিলো। উল্যেখ্য, সোয়াইন ফ্লুতে ২০০৯ সালে প্রায় ১২০ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলো, আমেরিকাতেই আক্রান্ত হয়েছিলো ৬০ মিলিয়ন তথা ৬ কোটি মানুষ, সর্বোমোট মারা গিয়েছিলো ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ। পরে খুব দ্রুত ৬ মাসের মধ্যে সোয়াইন ফ্লু ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে তা ক্লিনিকাল ট্রায়াল সফল হয়ে মার্কেটে আসে। ভ্যাক্সিনের ইতিহাসে এইটাই ছিলো দ্রুততম আবিষ্কার।

করোনা ভ্যাক্সিনঃ
Covid19 যখন পৃথিবীকে থমকে দিচ্ছে, তখন বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আবিষ্কার হলো করোনা ভ্যাক্সিন, এই ভ্যাক্সিন এর উপর গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, এই ভ্যাক্সিন করোনার বিরুদ্ধে ৭০-৯৪% কার্যকর, তাই সবার উচিৎ, খুব দ্রুত ভ্যাক্সিন নিয়ে নেওয়া, ভ্যাক্সিন নিলে ক্ষতি হবে বলে যেইসব গুজব সোশাল মিডিয়ায় দেখা যায়, তার কোনো ভিত্তি নাই, বিভিন্ন রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিভিন্ন নামে ভ্যাক্সিন বের হয়েছে, যা সরকার অনুমোদিত, সব ভ্যাক্সিন ই ভালো, তাই আমাদের উচিৎ, গুজবে কান না দিয়ে ভ্যাক্সিন নিয়ে নেওয়া। আর ভ্যাক্সিন নিতে ইসলামী শরিয়তে কোনো বাধা নাই বলে মতামত দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলারগণ।

লেখক
ডাঃ ইসমাইল আজহারি
সিইও, সেন্টার ফর ক্লিনিক্যাল এক্সিলেন্স এন্ড রিসার্চ
চিকিৎসক, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ এন্ড হাঁসপাতাল

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address


Dhaka
1216