Dr & Science

Dr & Science ‍Language is the road map of a culture.
(1)

It tells you where its people come from and where they are going. ‍I admire people who dare to take the language, English, and understand it and understand the melody

রাত ২টা বাইরে বৃষ্টি 🛑acute retention নিয়ে আসছে পেশেন্ট।কোনোভাবেই ক্যাথেটার দেয়া যাচ্ছেনা।urethral stricture হয়ে আছে।কিন...
17/05/2025

রাত ২টা বাইরে বৃষ্টি 🛑
acute retention নিয়ে আসছে পেশেন্ট।
কোনোভাবেই ক্যাথেটার দেয়া যাচ্ছেনা।
urethral stricture হয়ে আছে।

কিন্তু রোগীর কমপ্লেইন মারাত্মক ব্যাথা,মূত্রথলি ফেটে যাচ্ছে। আবার suprap***c cystotomy ও পসিবল না এই সময়ে।
suprap***c puncture করলাম।
আপাতত রোগী আরাম পেয়েছে।এখানে হেল্প করেছে এনাটমি।

Suprap***c puncture করা হয় p***c symphysis এর ঠিক উপরের জায়গা দিয়ে, সাধারণত 2 সেমি উপরে।

স্তরগুলো:
1. Skin (ত্বক)
2. Superficial fascia – দুইটা অংশ থাকে:
• Camper’s fascia (fatty)
• Scarpa’s fascia (fibrous)
3. Linea alba – midline fibrous structure, খুব কম bleeding হয়
4. Transversalis fascia
5. Extraperitoneal connective tissue
6. Anterior wall of urinary bladder

2. কেন midline-এ puncture করা হয়?
• Midline (linea alba) এ বেশি vascular structure থাকে না, তাই রক্তপাত কম হয়।
• Re**us abdominis muscle avoid করা যায়।

3. Bladder এর অবস্থান (Bladder position):
• Bladder full থাকলে সেটি উপরের দিকে উঠে আসে, তখন তা peritoneum এর নিচে চলে আসে (i.e., extraperitoneal position এ চলে আসে)। তখনই safe puncture করা যায়।
• যদি bladder খালি থাকে, তাহলে peritoneum নেমে আসে — তখন peritoneal cavity perforate হওয়ার risk থাকে।

সুতরাং: পেশেন্টের bladder ফোলা থাকতে হবে (not voided) – এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আল্ট্রা গাইডেড করতে পারলে সবচেয়ে ভালো।বাংলাদোশের সরকারি হাসপাতালের সেটিং এ যদিও এই আশা করা বোকামি,পসিবলও না।

হাত ভাঙার পর ডাক্তারের কাছে না গিয়ে গিয়েছিলেন কবিরাজের কাছে।☞এখন পচনের (Necrosis) কারনে কেটে ফেলতে হবে হাতের এই অংশটুক...
29/08/2023

হাত ভাঙার পর ডাক্তারের কাছে না গিয়ে গিয়েছিলেন কবিরাজের কাছে।
☞এখন পচনের (Necrosis) কারনে কেটে ফেলতে হবে হাতের এই অংশটুকু 😢
এই ছবিটা থেকে অনেক কিছু শিখার আছে। হাত ভাঙ্গলে কবিরাজের কাছে না গিয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হউন। ❤️

ছবিটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল থেকে উঠানো।একটা ছেলে তার বউকে এতটা ভালবাসতে পারে, ওদের না দেখলে বুঝতেই পারতাম না। মেয়েটি...
01/05/2023

ছবিটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল থেকে উঠানো।

একটা ছেলে তার বউকে এতটা ভালবাসতে পারে,
ওদের না দেখলে বুঝতেই পারতাম না।
মেয়েটি ভিষণ অসুস্থ,
কিন্তু এই ছেলেটি তার বউকে রেখে একটি রাত ঘুমায়নি।
দিনশেষে মেয়েটার চেয়ে ছেলেটার অবস্থা আরো বেশি খারাপ হয়ে গেছে,,,
হয়তোবা টাকার কাছে হেরে গেছে ওদের বাস্তবতা।
কিন্তু ভালবাসার কাছে হেরে যাইনি ওরা।

ভালোবাসাটা আসলে এমনি হওয়া উচিত।

বর্তমান সময়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলার থেকে কঠিন। আপনি চোখের পলকে তার থেকে দূরে সরে যেতে পারছেন, কিন্তু ভালোবেসে হাত ধরে কত দিন থাকতে পারছেন?

দিন শেষে ভালোবাসা সুন্দর,
যদি আপনি ভালোবাসতে জানেন।

মধু মিয়া! আজ চেম্বারে এসেই তোলপাড়! সিরিয়াল নাই! তাই এ্যাটেন্ড্যান্ট চেম্বারে ডুকতে দিচ্ছিলো না। অনেকটা জোর করেই চেম্বারে...
17/02/2023

মধু মিয়া! আজ চেম্বারে এসেই তোলপাড়! সিরিয়াল নাই! তাই এ্যাটেন্ড্যান্ট চেম্বারে ডুকতে দিচ্ছিলো না। অনেকটা জোর করেই চেম্বারে ডুকে বলে ফেললো-'তর চেম্বারে ডুকতে কি সিরিয়াল লাগেরে?'
তুই তুকারী! চেম্বারের ভিতরের প্রায় সবাই হতবিম্ব! বললাম-' দোস্ত, আমার চেম্বারে ডুকতে তর কোন প্রকার সিরিয়ালের দরকার নাই।'
এ্যাটেন্ড্যান্ট এর তাকিয়ে সে এবার বললো-'হুনছস, তর স্যারে কি কইছে?'
মধু হলো আমার বাল্যকালের স্কুলবন্ধু। একসাথে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা। অতঃপর........
প্রাইমারী স্কুল জী্বনের সব বন্ধু-বান্ধবীদেরকে আজ ভীষণ ভীষণ মনে পরতেছে। ভালো থাকুক সব বন্ধুরা।

-ডা. এম. নূরুল ইসলাম

ডা ফেরদৌসি, অন্যান দিনের মতোই আগারগাঁও এ যাচ্ছিলেন কর্মস্থলে। মেট্রোরেলএ দম্পতির আর্তচিৎকার কানে গেলে তিনি তাঁর মানবতার ...
13/01/2023

ডা ফেরদৌসি, অন্যান দিনের মতোই আগারগাঁও এ যাচ্ছিলেন কর্মস্থলে।
মেট্রোরেলএ দম্পতির আর্তচিৎকার কানে গেলে তিনি তাঁর মানবতার খাতিরে এগিয়ে যান।
জিজ্ঞেস করেন পানি ভাংছে নাকি। দম্পতি জানান ব্যাথা আছে কিন্তু পানি ভাংগে নাই। তিনি তাদের সাথেই ছিলেন। লিফটে উঠে নামার সময় প্রসুতি মায়ের পানি ভেংগে যায়। স্কাউট, রোভার এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষর সহায়তায় তিনি তাদের ফাস্ট এইড রুমে ডেলিভারি করান। বাচ্চাকে রিসাসিটেশন করেন। কাপড় ছিড়ে করেন কর্ড ক্লাম্পিং।
মা ও শিশুর সাথে যেয়ে ভর্তি করেন হাস্পাতালে।

যে চিকিৎসক তাঁর সকল কাজ ফেলে এই সেবা কাজটি সম্পন্ন করেন, তাঁর নামটি নিতে কেন অনিহা আমার জানা নাই।
তবে জানা আছে, তাঁকে নিয়ে তার পরিবার অনেক অনেক গর্বিত!!

Dr. Ferdausi Akter we are proud of you

❣️❤️একজন সাহসী মানবিক ডাক্তার ❤️❣️

স্ট্যাটাস কৃতজ্ঞতা ~ Dr. Hasan Tasdeed

Vamos Argentina ! 🇦🇷 আমরা এখন পর্যন্ত অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ ফাইনালের সময়ে বাস করছি।   আমাদের সবাইকে প্রতিভা, কঠোর পরিশ্র...
18/12/2022

Vamos Argentina ! 🇦🇷
আমরা এখন পর্যন্ত অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ ফাইনালের সময়ে বাস করছি। আমাদের সবাইকে প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং স্বপ্নে বিশ্বাস করানোর জন্য আপনাকে #মেসিকে ধন্যবাদ!!

ছবিতে যে লোকের ফুসফুস দেখা যাচ্ছে তিনি ৫২ বছরের একজন মৃত লোকের ফুসফুস। তিনি বিগত ৩০ বছর প্রতিদিন ১ টি প্যাকেট  সিগারেট  ...
03/12/2022

ছবিতে যে লোকের ফুসফুস দেখা যাচ্ছে তিনি ৫২ বছরের একজন মৃত লোকের ফুসফুস। তিনি বিগত ৩০ বছর প্রতিদিন ১ টি প্যাকেট সিগারেট শেষ করেছেন। আর ৩০ বছর পর উপহার হিসেবে পেয়েছেন stage 4 lung cancer.

🚭 Quit smoking

 িকিৎসক_ফুটবলারের_গল্প ডা. সক্রেটিস 🇧🇷🇧🇷🇧🇷🇧🇷প্রথম চিকিৎসক ফুটবলারসে সময়ের গ্রেট মিডফিল্ডার ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড জন্ম ১৯ ফেব্...
29/11/2022

িকিৎসক_ফুটবলারের_গল্প

ডা. সক্রেটিস 🇧🇷🇧🇷🇧🇷🇧🇷
প্রথম চিকিৎসক ফুটবলার
সে সময়ের গ্রেট মিডফিল্ডার ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড
জন্ম ১৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৪-মৃত্যু ৪ ডিসেম্বর ২০১১
তিনি ১৯৭৩ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ফুটবল খেলেছেন।
ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত খেলেছেন এবং ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ৬০ ম্যাচে ২২ গোল করেন এবং বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ৩০৩ ম্যাচে ১২৫ গোল করেন।
তিনি মেডিকেল স্কুল অফ দি ইউনিভার্সিটি অফ সাও পাওলো থেকে ব্যাচেলর অফ মেডিসিন ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে জেনারেল প্র্যাক্টিসনার হিসেবে মননিবেশ করেন রিবেরিও প্রেতো তে।
তিনি একজন চিকিৎসক, খেলোয়াড়, রাজনীতিবিদ,লেখক এবং দার্শনিকও ছিলেন।
তার ছোট ভাই "রাই" মিডফিল্ডার হিসেবে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ খেলেছেন।
© ডা. শুভ কুমার মজুমদার

তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

কসাই খানায় না গেলেই হয় , পানি পড়া খেয়ে নিয়েন।
05/11/2022

কসাই খানায় না গেলেই হয় , পানি পড়া খেয়ে নিয়েন।

প্রচন্ড ঝড়ে কোথাও বিদ্যুৎ নাই।হাসপাতালের জেনারেটর নস্ট।Ruptured Ectopic Pregnancy পেশেন্ট এর অপারেশন চলছে মোবাইল আর টর্চ...
24/10/2022

প্রচন্ড ঝড়ে কোথাও বিদ্যুৎ নাই।
হাসপাতালের জেনারেটর নস্ট।
Ruptured Ectopic Pregnancy পেশেন্ট এর অপারেশন চলছে মোবাইল আর টর্চের আলোতে।
অপারেশন না করলে রুগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা যখন ক্ষীণ,তখন তো একটু ঝুঁকি নিতেই হবে।
ধন্যবাদ ডা.জাকিয়া সুলতানা ম্যাডাম,ডা.তানিয়া আফরোজ ম্যাডাম,ডা.হাবিবুর রহমান স্যার, ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং নার্সসহ উপস্থিত সকলকে সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন করার জন্য।

স্থানঃ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

রক্তবর্ণের প্রস্রাবের জন্য কি শুধু হেমাচুরিয়া দায়ী? আসসালামু আলাইকুম। পোস্টকৃত ছবিটি দেখে অনেকে মনে করতে পারেন এটি একট...
22/10/2022

রক্তবর্ণের প্রস্রাবের জন্য কি শুধু হেমাচুরিয়া দায়ী?

আসসালামু আলাইকুম।

পোস্টকৃত ছবিটি দেখে অনেকে মনে করতে পারেন এটি একটি হেমাচুরিয়ার কেইস, কিন্তু প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে যে রিপোর্ট পাওয়া গেল তা খুবই আশ্চর্যজনক। রোগীর প্রস্রাবে কোনরকম r.b.c. নেই, কোন infection নেই, এমনকি বাকি সবকিছু স্বাভাবিক, তারপরও কেন রং গাড় লাল। আরেকটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যাবে প্রস্রাবের রঙ আসলে রক্তবর্ণ নয়, গাড় গোলাপি। রোগীর ওষুধের এবং খাবার হিস্ট্রি নিয়ে খুব অবাক হয়েছি। রোগী বিগত কয়েকদিন ধরে প্রচুর পরিমাণে ড্রাগণ ফ্রুট খাচ্ছিলেন। যার কারনে প্রস্রাব এরকম গাড় রং ধারণ করেছে। পরবর্তীতে ড্রাগণ ফ্রুট খাওয়া বন্ধ করে দিলে প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক হয়ে আসে।

ইন্টারনেটে খোঁজা খুঁজির পরে জানতে পারলাম ড্রাগণ ফ্রুট (লাল), বিটরুট খাওয়ার ফলে প্রস্রাবের রং এরকম হালকা গোলাপি থেকে গাড় গোলাপি বা লাল হতে পারে। তবে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়।

Dr. Md. Shaif Hossain Ninad
ISMC-11
Session : 14-15

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র হোস্টেলের ৪ তলা থেকে নিচে পরে যান। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুকে ঘির...
20/10/2022

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র হোস্টেলের ৪ তলা থেকে নিচে পরে যান। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুকে ঘিরে চলে রাবি ছাত্রদের তাণ্ডব। সম্পূর্ণ ঘটনা প্রক্টর স্যারের মুখেই যা শুনলাম, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ইমার্জেন্সিতে এলে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় স্যালাইন সহ। কিন্তু অবস্থা অত্যন্ত খারাপ ছিল। নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে পাঠানো হয় ওয়ার্ডে একজন মেয়ে ইন্টার্ন ডাক্তার রিসিভ করে জানান রোগী মারা গেছেন। তখন রাবি কিছু শিক্ষার্থীকে বুঝিয়ে বলার পর আরেক দল এসে দাবি জানায় কেন তাকে ডাক্তার দেখছেনা এবং আইসিইউ দেওয়া হচ্ছে না। (অলরেডি পেশেন্ট কিন্তু মারা গেছে এবং তারা ইন্টার্ন কে ডাক্তার না মেনে সিনিয়র ডাক্তার কেন এটেন্ড করছেনা এ নিয়ে বলে)।
তখন আবার জানানো হয় পেশেন্ট ওয়ার্ডে আসতে আসতে মারা গেছেন। তারা এই মৃত্যুমেনে না নিয়ে ওয়ার্ডে নারী ইন্টার্ন সহ কর্তব্যরত সিনিয়র মিডলেভেল যাদের বেশিরভাগ বিসিএস ক্যাডার অফিসার সবাইকে জিম্মি করে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন। এমনকি চিনতে না পেরে ২-৩ জন নিজেদের লোককেও পিটিয়ে ফেলেন। প্রক্টর স্যার নিজেও নাকি প্রহৃত হয়েছেন।
এখন, হাসপাতালে যে তাণ্ডব চলেছে সবাই দেখেছে। পরবর্তী তে ইমার্জেন্সি আটকে রাবি ছাত্ররা কয়েকটি দাবি করে।
১. ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ তাদের দিতে হবে।
২. ডাক্তারদের অবহেলায় মারা গেছে এর বিচার করতে হবে।
এবার আসি নিজের মতামতে,
প্রক্টর স্যার, সহকারী প্রক্টর স্যার সহ যতজন শিক্ষক প্রতিনিধি রোগীর সাথে এসেছেন সবাই বলেন আসার সাথে সাথেই ইন্টার্ন ডাক্তার রোগী রিসিভ করে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করেন এবং তখনই জানান রোগী মারা গেছে। তারা বলেন, ছাত্রদের বুঝ দিতে আইসিইউ এ পাঠানো যেত।
এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে আইসিইউ বেডের জন্য সিরিয়াল থাকে প্রায় ৩০ টা। মরনাপন্ন রোগীরাই আইসিইউ তে থাকে। তাদের সরিয়ে একজম ঘোষিত মৃত রোগীকে আইসিইউ তে দিতে হবে ছাত্রদের বুঝ দিতে। এই ছাত্ররা কি ইমম্যাচিউর অশিক্ষিত লোক?
যারা প্রথম থেকে ছিল তাদের কোন অভিযোগ ছিলনা। পরবর্তীতে এসে কারা এই অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি করল? ডাক্তার বা ইন্টার্ন বা হাসপাতাল বন্ধ হলে কাদের লাভ? অথবা যদি এর জের এ ইউনিভার্সিটি বন্ধ হয় কারা এর ফায়দা পায়?
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, রাত ১০ টায় ও মৃত ছাত্রের মগজের কিছু অংশ সে যেখানে পরে যায় সেই হলের কলপারে পড়ে ছিল, (পুলিশের কাছে এভিডেন্স + ছবি দেখেছি) এ ধরনের গুরুতর পেশেন্ট যে হাসপাতাল পর্যন্ত আসতে পেরেছে তাই অনেক বেশি ছিল। এই পেশেন্ট পৃথিবীর কোন হাসপাতালেই বাঁচার সম্ভবনা ০%। তাহলে সব জেনেশুনে ২০ লাখ টাকা দাবি করা এবং উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ভাবে ভাঙচুর ও মারারির কারন কি?
সবার শেষে প্রশ্ন থাকে, রোগী হলের উপর থেকে এমনি এমনি নিচে পরে যায় কিভাবে? নাকি নাশকতা ছিল?
হঠাত মৃত রোগী নিয়ে ২০ লক্ষ টাকা দাবি নিয়ে হাসপাতাল ভাঙচুর, ডাক্তারকে প্রহার ও সর্বোপরি ইমার্জেন্সি বন্ধ করে কেন রোগীদের চিকিৎসা বন্ধ করে দেওয়া হল?
এই রকম মৃত্যুর পরেও খুব দ্রুত কেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নিয়ে যেতে এত তৎপরতা দেখাচ্ছে রাবি প্রশাসন যেখানে তার ফ্যামিলি মেম্বার কেউই এসে পৌছায়নি। এটা নাশকতা কী হতে পারে না?
ডাক্তারের অবহেলা ছিল কি না নাকি এমন কন্ডিশন ছিল যা চিকিৎসা করা সম্ভব ছিল না এটাও তো ময়না তদন্তে আসতো।
যাইহোক, একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। আশাকরি এই নাশকতার পেছনের সবাই ধরা পরবে। যদি উদ্দেশ্যমূলক কিছু থাকে তাও বের হয়ে আসবে।
শেষে ছাত্রদের ভয়াবহ অজ্ঞানতা ও বর্বর রূপ দেখে মাথায় একটি প্রশ্নই ঘুরছে, এরা ছাত্র নাকি সন্ত্রাসী??

©Tawhid Romel

Address

Banasree
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr & Science posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Dr & Science:

Shortcuts

Share