যখন আমরা গভীরভাবে ব্রিদিং করি, তখন ফুসফুসে বেশি অক্সিজেন ঢোকে। এই অক্সিজেন রক্তের মাধ্যমে দ্রুত আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। ফলে ব্রেনের কোষগুলো একটিভ হয়, মাথা হয় পরিষ্কার, মনোযোগ বাড়ে।
অক্সিজেন বাড়লে রক্ত সঞ্চালনও ভালো হয়। হার্ট শক্তিশালীভাবে পাম্প করতে শুরু করে, শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বেশি এনার্জি পায়।
এবার আসি পুশ আপে। পুশ আপ করলে মাংসপেশি একটিভ হয়, হাড় ও জয়েন্ট শক্তিশালী হয়। শরীর থেকে গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা পেশি তৈরি করে এবং শরীরকে টোনড করে। পাশাপাশি শরীর থেকে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নামের “ভালো লাগার হরমোন” বের হয়, যা সারাদিন আপনাকে ফ্রেশ, মোটিভেটেড আর এনার্জেটিক রাখে।
সকালবেলা ব্রিদিং আর পুশ আপ করলে এর প্রভাব পুরো দিনের কাজে দেখা যায়। মনোযোগ থাকে বেশি সময় ধরে, কাজের গতি বাড়ে, স্ট্রেস কমে।
কেন সকালে করবেন?
সকালে আমাদের শরীর ও মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। এই সময়ে ব্রিদিং করলে ফুসফুস পুরোপুরি খুলে যায়, শরীর দ্রুত অক্সিজেন পায়, আর দিনের জন্য একেবারে প্রস্তুত হয়। এজন্যই সকালের ব্রিদিংকে বলা হয় সবচেয়ে ভালো যোগা।
সংক্ষেপে:
👉 ব্রিদিং = ব্রেন অ্যাকটিভ + ফোকাস
👉 পুশ আপ = শরীর শক্তিশালী + হরমোন ব্যালান্স
👉 একসাথে করলে = এনার্জি, ফ্রেশ মুড, প্রোডাকটিভ দিন ✅
Follow us:
BRACE Method
Chemiology By Rahat Sir
Unlock Chemistry & Biology with Rahat Sir– Bashabo & Banasree💪💪
Fitness💪 is the backbone of effective learning...
Coming soon..🔥🔥
BRACE Method .. The ultimate solution to your pain
03/10/2025
🍻এই বন্ধে কে কোথায় গেলে??
বন্ধের মধ্যে ব্যাগ ভর্তি বই নিয়ে আবার সেভাবেই ফেরত আনার অভিজ্ঞতা কার কার... 🤣🤣🤣😂😂
১. বাংলাদেশসহ এই উপমহাদেশীয় অঞ্চলের মানুষের প্রথম হার্ট এটাক হওয়ার বয়স সাধারণত ৫১/৫২ বছর। অথচ ইউরোপ-এমেরিকায় সাধারণত এটি ৬৫ বছরের আশাপাশে গিয়ে হয়।
২. সাধারণ মানুষ তো বটেই হার্টের রোগীরাও ডিম খেতে পারবে। কুসুমসহই খাবে। ডিমের সাদা অংশে থাকে প্রোটিন, কুসুমে থাকে ভালো ফ্যাট। দুটোই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী ও প্রয়োজনীয়। তবে পরিমিত মাত্রায় খেতে হবে।
৩. হার্টের রোগীদের গরু ও খাসির মাংস খাওয়া যাবে। তবে অল্প পরিমাণে খেতে বলা হয়। ঝোল যতোটা সম্ভব কম খেতে হবে। অনেকে বলে থাকে, আমি মাংস খাই না, শুধু মাংসের ঝোল দিয়ে রুটি খাই। এটা বরং আরও ক্ষতির কারণ হতে পারে। যে বেলায় রেড মিট খাবে, সে বেলায় চিনি/মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।
৪. হার্টের রোগীদের লবণ পরিমিত মাত্রায় খেতে হবে। রান্নায় কম লবণ ব্যবহার করতে হবে। পাতে আলাদা করে লবণ খাবার অভ্যেস পরিহার করতে হবে। যেসব খাবারে অতিরিক্ত লবণ থাকে যেমন : চিপস, ফাস্ট ফুড ইত্যাদির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কাঁচা লবণ, পাকা লবণ, ভাজা লবণ, টালা লবণ--সব লবণই ক্ষতিকর।
চিনিকে বলা হয় হোয়াইট পয়জন। এটি যতো কম খাওয়া যাবে ততোই মঙ্গল। অতিরিক্ত ভাত, রুটি, নুডলস, পাস্তা খাবার প্রবণতা কমাতে হবে। এগুলো ডায়াবেটিস ডেকে আনতে পারে।
৫. সেদিন সিসিউতে রাউন্ডে গিয়ে দেখি ২৫, ২৮ ও ৩০ বছর বয়সী ৩ জন পুরুষ একইদিনে গুরুতর হার্ট এটাক নিয়ে শুয়ে আছে। এমন কম বয়সী হার্ট এটাকের রোগী অহরহই পাওয়া যাচ্ছে। এদের না আছে ডায়াবেটিস, না আছে হাই ব্লাড প্রেশার, না আছে রক্তে অত্যধিক কোলেস্টেরল, না অতিরিক্ত ওজন, না অপরিশ্রমী। তাহলে কেন এমন বড়ো হার্ট এটাক? এর মূল কারণ ধূমপান। ধূমপান যে কী ভয়ানক পরিণতি ডেকে আনা তা কল্পনাই করা যায় না।
ধূমপান ছাড়ার কোনো বিকল্প নেই। ধূমপান ছাড়ার দুই বছরের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।
৬. এক সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট হাঁটতে হবে।
-তার মানে হচ্ছে কেউ যদি ৩০ মিনিট করে হাঁটে, তবে সপ্তাহে ৫ দিন হাঁটতে হবে।
-১ দিন পরপর হাঁটলে ৫০ মিনিট করে হাঁটতে হবে।
-একসাথে টানা দুদিন বা ৪৮ ঘণ্টা হাঁটা বন্ধ করে দেওয়া যাবে না।
- একনাগাড়ে কমপক্ষে ১০ মিনিট না হাঁটলে সাধারণত সেটাতে কোনো উপকার হয় না।
একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, হাঁটা শুরু করার সাথে সাথেই খুব জোরে হাঁটা শুরু না করতে বলা হয়ে থাকে। কেউ যদি ৩০ মিনিট হাঁটে, তাহলে প্রথম ৫-৭ মিনিট ওয়ার্ম আপ করে নেবে, তারপরের ১৫-২০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটবে, আবার তারপরের ৫-৭ মিনিট ধীরে ধীরে গতি কমিয়ে নিয়ে আসবে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীরকে এডজাস্ট হবার সময় না দিয়ে সাথেসাথেই হাঁটা শুরু করা যাবে না। এতে হার্ট এটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। সকালের চেয়ে বিকেল/সন্ধ্যায় হাঁটাকে অনেক গবেষণা বেশি উপকারী হিসেবে বিবেচনা করে।
রিসেন্ট গাইডলাইনগুলোতে রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং-এর ব্যাপারটি আলাদা করে উঠে এসেছে। কম সময়ে খুব ভালো বেনিফিট দিতে পারে এটি।
৭. রাত তিনটা থেকে সকাল নয়টা--এই সময়টুকুতে হার্ট এটাক ও স্ট্রোক হবার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
৮. বুকে তীব্র ব্যথা,
কিংবা এমন বুকে চাপ যেন বুকের ওপর একটা পাথর বসে আছে,
ব্যথা/চাপ কিছুতেই কমে না,
ব্যথা ছড়িয়ে যাচ্ছে চোয়ালে, গলায়, বাহুতে, পিঠে, পেটের উপরিভাগে।
প্রচণ্ড ঘাম দিচ্ছে শরীর।
খুব বমি বমি ভাব কিংবা বমি হয়ে গেছে।
শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।
আগে বুকে ব্যথা উঠলে বিশ্রাম নিলে বা জিহবার নিচে স্প্রে দিলে কমে যেতো আজ কিছুতেই কমছে না।
মনে হচ্ছে মারাই যাবে। এগুলো সবই হার্ট এটাকের লক্ষণ।
এমন লক্ষণ দেখা দিলে প্রথম কাজটিই হবে, যতো দ্রুত সম্ভব হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে গিয়ে একটি ইসিজি করা। এর-ওর সঙ্গে নানা পরামর্শ করে সময়ক্ষেপণ করা, মনে হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ঠিক হয়ে যাবে এই ভেবে শুয়ে থাকা, এমনকি চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বারে গিয়েও সময় নষ্ট করা উচিত না। সরাসরি ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টে।
৯. টাইম ইজ মাসেল। হার্ট এটাক হবার পর যতো সময় যায়, ততো হার্টের মাংসপেশি নষ্ট হয়ে যেতে থাকে।
যতো তাড়াতাড়ি চিকিৎসা শুরু করা যায়, ততোই সফলতার সম্ভাবনা বাড়ে এবং জটিলতা তৈরি হবার সম্ভাবনা কমে। দেরি করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে অনেকক্ষেত্রেই ভালো চিকিৎসা অপশনের সুযোগ কমে আসে। যেমন: প্রাইমারি পিসিআই বা থ্রম্বোলাইটিক বারো ঘন্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলে সাধারণভাবে দেওয়া যায় না।
সময়মতো আসতে পারলে সর্বাধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে ক্যাথ ল্যাবে রোগীকে নিয়ে ব্লক থাকলে তা খুলে দেওয়া/রিং স্থাপন করে ফেলা। বাংলাদেশের খুব কম হসপিটালেই এটি সম্ভব।
সেক্ষেত্রে থ্রম্বোলাইটিকস-ই প্রধান চিকিৎসা হয়ে ওঠে। টেনেকটিপ্লেজ সেক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে রোগীর সামর্থ্য থাকলে। উন্নত বিশ্বে নানা কারণে স্ট্রেপটোকাইনেজ এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
১০. হার্টের রোগ থেকে বাঁচতে ডায়াবেটিস, হাই প্রেশার, ডিজলিপিডেমিয়া (অতিরিক্ত কোলেস্টেরল) ও ওবেসিটির যথাযথ চিকিৎসা করতে হবে।
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস।
মহান আল্লাহর কাছে সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করি।
ডা. মারুফ রায়হান খান
কার্ডিওলজিস্ট
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ফাউন্ডার, NextGen Clinicians
অনলাইন কনসাল্টেশন : 01936533993 (WhatsApp)
চেম্বার : Impulse Hospital,Tejgaon & HGH, Gazaria
28/09/2025
🎯ডায়াবেটিস নিয়ে একটু শিখি আমরা..🍻
রক্তের গ্লুকোজকে কোষের ভেতর প্রবেশ করানোর কাজটা করে ইনসুলিন হরমোন। আর যখন এই ইনসুলিন কাজ করতে পারে না অথবা তৈরী হয় না তখন স্বাভাবিকভাবেই রক্তের গ্লুকোজ কোষে ঠিক মতো যেতে পারে না। এতে রক্তে গ্লুকোজ বা সুগার বেড়ে যায়, যাকে আমরা ডায়াবেটিস বলি...👊👊
26/09/2025
🔴সাইয়েদুল ইস্তিগফারের ফজিলত
( নিচের ছবিটি মোবাইলে সেইভ করে রাখবে- যখন মন চাবে পড়তে পারবে)
💟জান্নাতের নিশ্চয়তা: যারা সকালে ও সন্ধ্যায় এই দো'আটি পড়ে এবং ওই দিন বা রাতে মারা যায়, তারা জান্নাতি হবে।
💟গুনাহ মাফ: এই দো'আ পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা সকল গুনাহ মাফ করে দেন।
💟আল্লাহর নৈকট্য: এটি আল্লাহর কাছে প্রিয় একটি আমল এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
💟সম্মান ও রিজিকের বৃদ্ধি: ইস্তিগফার পাঠের মাধ্যমে ব্যক্তির মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসায়িক লাভ হয়।
✅পড়ার নিয়ম:
সকালে ও সন্ধ্যায়: এই দো'আটি সকালে এবং সন্ধ্যায় পাঠ করা সবচেয়ে উত্তম।
আমলের মাধ্যমে: আল্লাহ তাআলা খুশি হয়ে এই দো'আ পাঠকারীর প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তার আমল কবুল করেন।
💫 মেধা শক্তি বাড়ানোর কি কোন উপায় আছে??
অনেকের ধারণা মেধা বিষয়টি জন্মগত থেকে আসে..
হ্যা কথা পুরোপুরি ভুল নয় তবে তুমি চাইলে এই বয়সে এসেও নিজের মেধাশক্তি বাড়াতে পারো...কিভাবে??
.⏳নিউরোপ্লাস্টিসিটি..
তুমি যখন নতুন কিছু শিখতে চাও তখন তোমার মস্তিষ্কের নিউরন কোষ সমূহে নতুন সংযোগ তৈরী হয় এমনকি নতুন জিনিস শেখার জন্য তৈরী হয় নতুন নিউরণ কোষ!!!!
বিস্তারিত জানতে মনোযোগ দাও নিচের ভিডিওতে....🎯
🔴একজন ছাত্রের কাছে অর্থের থেকেও বেশি Valuable কি হতে পারে???..উত্তরটা হচ্ছে সময়....
বাহ্যিকভাবে টাকা ডলারের এর গুরুত্ব বেশি মনে হলেও সময়কে কোন কিছু দিয়েই কিনতে পারবা না...
✅HSC- 27 ব্যাচের বিশেষ সেমিনার এর কিছু অংশ...
🔴একজন ছাত্র হিসেবে কিভাবে তুমি বর্তমানকে কাজে লাগবে???
HSC- 27 ব্যাচের বিশষ সেমিনারের কিছু অংশ...🎯
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Road-06, House-33, Block-C, Banasree
Dhaka
1219