History Gurukul Bangla, GOLN

History Gurukul Bangla, GOLN

Share

Our platform covers a wide range of historical topics, from ancient civilizations and empires to modern history and contemporary cultural analysis.

Welcome to History Gurukul, GOLN: Your Gateway to the World of History

History Gurukul is a platform dedicated to exploring and sharing knowledge about the vast tapestry of human history. As part of the Gurukul Digital Content Network (GDCN), we offer resources on historical events, figures, civilizations, cultures, and much more, making history accessible and engaging for everyone. Through our W

11/05/2026

১২ মে, ১৯৭২ : ইতিহাসের এই দিনে!
১২ মে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। ১৯৭২ সালের এই বিশেষ দিনে ইউরোপের দেশ স্পেন এবং এশিয়ার শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়া স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত জাতির পুনর্গঠন ও বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতিগুলো ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পরিচালিত তৎকালীন সরকারের সফল কূটনৈতিক তৎপরতার ফসল ছিল এই অর্জন। স্পেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং অন্যান্য রাষ্ট্রকেও স্বীকৃতি দিতে অনুপ্রাণিত করে। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি আমাদের জাতীয় গৌরবের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।

01/03/2026

কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্দার আড়ালে তৎপর লবিংয়ের পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইস-রায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানি-য়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-কে গতকাল ইরানের ওপর হা-মলা চালাতে রাজি করান। ওই হা-মলায় সর্বোচ্চ নেতা আ-য়াতুল্লাহ খা-মেনি নি-হত হন।

এই হাম-লার সময়ও তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূতরা সক্রিয়ভাবে পার-মাণবিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন ছিল, অন্তত এক দশক পর্যন্ত আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো হু-মকি নেই। ফলে এ হামলা দীর্ঘদিনের মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা থেকে এক বড় ধরনের বিচ্যুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

23/02/2026

যে লজ্জা পাকিস্তান ২৮ বছর গোপন রেখেছিল

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত নৃশংসতা এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শোচনীয় পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত হয়েছিল ‘হামুদুর রহমান কমিশন’। তবে এই কমিশনের প্রতিবেদনে তৎকালীন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অমানবিক অপরাধ ও চারিত্রিক স্খলনের ‘পর্যাপ্ত প্রমাণ’ থাকা সত্ত্বেও, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো নিজের গদি টিকিয়ে রাখতে এবং সেনাবাহিনীর প্রভাবশালী মহলের রোষানল থেকে বাঁচতে এই ঐতিহাসিক দলিলটিকে দীর্ঘ ২৮ বছর মাটিচাপা দিয়ে রাখেন। অবশেষে ২০০০ সালে প্রতিবেদনটি প্রথম জনসমক্ষে আসে।

কমিশন তাদের পর্যবেক্ষণে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনা করে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয় যে, আওয়ামী লীগের যোদ্ধারা যে পরিমাণ উসকানিই দিক না কেন, একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিজের দেশের জনগণের ওপর এমন পাশবিক প্রতিশোধ নিতে পারে না। একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাদের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য ছিল না; তাদের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয়েছিল তারা যেন শত্রুর মাটিতে কোনো বহিঃআগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আন্তর্জাতিক জনমত ও জাতির বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে এই নৃশংসতার সঙ্গে জড়িতদের প্রকাশ্যে বিচার করার জোর সুপারিশ করেছিল কমিশন।

কমিশন সুনির্দিষ্টভাবে বেশ কয়েকজন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল বা বিচার বিভাগীয় তদন্তের সুপারিশ করেছিল। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজী, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জামশেদ, মেজর জেনারেল রহিম খান এবং ব্রিগেডিয়ার বাকির সিদ্দিকীর মতো কর্মকর্তাদের নাম উঠে আসে। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান, জেনারেল আব্দুল হামিদ খান এবং মেজর জেনারেল খুদা দাদ খানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অনৈতিকতা, মাদকাসক্তি এবং দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ এনে তাদের বিচারের পথ প্রশস্ত করার কথা বলা হয়।

প্রতিবেদনটিতে পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাদের সীমাহীন লোভ ও নীচতার কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সিরাজগঞ্জের ন্যাশনাল ব্যাংক ট্রেজারি থেকে ১.৩৫ কোটি টাকা চুরিসহ পূর্ব পাকিস্তানে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি লুটপাটের দায়ে ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব আরবাব এবং একাধিক লেফটেন্যান্ট কর্নেলের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছিল। তাদের এই আচরণ ছিল একটি পেশাদার বাহিনীর জন্য চরম অবমাননাকর ও কলঙ্কজনক।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ১১ ও ১২ ডিসেম্বর রাতে যখন পশ্চিম পাকিস্তানের মকবুলপুর সেক্টরে ভারতীয় বিমান বাহিনী বোমা বর্ষণ করছিল, তখন ব্রিগেডিয়ার হায়াতুল্লাহ একটি বাঙ্কারে বসে কিছু মহিলার সঙ্গে আমোদ-ফুর্তিতে লিপ্ত ছিলেন। রণক্ষেত্রে নিজের সৈন্যদের জীবন যখন বিপন্ন, তখন একজন কমান্ডারের এমন উদাসীন ও অনৈতিক আচরণ পুরো বাহিনীর নৈতিক পরাজয়কেই নিশ্চিত করেছিল।

কমিশন একাত্তরের ২৫শে মার্চের সেই কুখ্যাত সামরিক অভিযান বা ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে লে. জেনারেল টিক্কা খান, মেজর জেনারেল ফরমান আলী এবং মেজর জেনারেল খাদিম হুসাইনকে সরাসরি অভিযুক্ত করে। বিশেষ করে লে. জেনারেল টিক্কা খানকেই এই ধ্বংসযজ্ঞের প্রাথমিক কারিগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয় যে, জেনারেল ইয়াহিয়া খানসহ তার অনুগত জেনারেলরা ঢাকায় উপস্থিত থেকে অভিযানের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এবং পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন তারা অত্যন্ত গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।

হামুদুর রহমান কমিশনের এই প্রতিবেদনটি ছিল পাকিস্তানের জন্য নিজেকে একটি আধুনিক, বিবেকবান এবং স্বচ্ছ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার এক সুবর্ণ সুযোগ। ১৯৫ জন সেনাকর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করার মাধ্যমে তারা নিজেদের হারানো নৈতিক অবস্থান ফিরে পেতে পারত। কিন্তু জুলফিকার আলী ভুট্টোর ক্ষমতার লিপ্সা এবং সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার ভুয়া দোহাই সেই সুযোগকে নস্যাৎ করে দেয়। আজ এত বছর পর এই প্রতিবেদনটি কেবল ইতিহাসের একটি অংশ নয়, বরং একাত্তরের গণহত্যার এক অকাট্য প্রমাণপত্র হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত নৃশংসতা এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত ‘হামুদুর রহমান কমিশন’ রিপোর্টটি নিয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনেক আলোচনা হলেও, এর নিরপেক্ষতা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। যদিও এই প্রতিবেদনে কিছু শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার নৃশংসতা ও চারিত্রিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু গভীরে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি আসলে ছিল পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে বাঁচানোর একটি সুকৌশলী প্রচেষ্টা।

কমিশন তাদের রিপোর্টে সেনাবাহিনীর কিছু নির্দিষ্ট কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে তাদের শাস্তির সুপারিশ করেছিল ঠিকই, কিন্তু এটি ছিল মূলত ‘বলির পাঁঠা’ বানানোর একটি প্রক্রিয়া। কমিশনের মূল লক্ষ্য ছিল যতটুকু না বললেই নয়, ঠিক ততটুকুই তুলে ধরা। পাকিস্তান রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষ থেকে যে পরিকল্পিত গণহত্যা, সুশৃঙ্খল বুদ্ধিজীবী নিধন এবং লাখো নারীর ওপর যে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ ভয়াবহতা এই রিপোর্টে সচেতনভাবেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, পুরো বাহিনীর বা রাষ্ট্রের দায়কে গুটিকতক অফিসারের ব্যক্তিগত ‘বিচ্যুতি’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

ঐতিহাসিকরা মনে করেন, এই রিপোর্টটি পুরোপুরি ‘জুডিশিয়াল’ বা নিরপেক্ষ ছিল না। বরং এটি ছিল তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের জন্য একটি ‘সেফ এক্সিট’ বা পার পাওয়ার পথ। জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং পাকিস্তানের তৎকালীন নীতিনির্ধারকরা চেয়েছিলেন এমন একটি রিপোর্ট, যা আন্তর্জাতিক বিশ্বকে সান্ত্বনা দেবে কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূল অপরাধী চরিত্রকে আড়াল করবে। একাত্তরে পূর্ব পাকিস্তানে যা ঘটেছিল তা কেবল কয়েকজন মেজরের ব্যক্তিগত অপরাধ ছিল না, তা ছিল একটি রাষ্ট্রের সুপরিকল্পিত জাতিগত নিধনযজ্ঞ, যা হামুদুর রহমান কমিশন সুকৌশলে এড়িয়ে গেছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে জেনারেল ইয়াহইয়া, নিয়াজী বা টিক্কা খানদের মতো ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত চারিত্রিক স্খলন বা রণকৌশলের ভুলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যে কাঠামোগত বর্ণবাদ এবং ধর্মীয় উন্মাদনা ব্যবহার করে একটি পুরো জাতিকে ধ্বংস করার নীল নকশা করা হয়েছিল, তার কোনো বিচারিক বিশ্লেষণ এই রিপোর্টে নেই। ফলে এই প্রতিবেদনটি একাত্তরের গণহত্যার খণ্ডিত একটি চিত্র মাত্র, যা প্রকৃত সত্যের চেয়ে সত্য গোপন করার কৌশলী প্রয়াস হিসেবেই বেশি প্রতিভাত হয়।

পরিশেষে বলা যায়, হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্টটি একাত্তরের লজ্জাজনক ইতিহাসের একটি দলিল হলেও, এটি কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ সত্য নয়। পাকিস্তানের রাষ্ট্রযন্ত্র এবং সামরিক বাহিনী যে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ওপর অবর্ণনীয় জুলুম চালিয়েছিল, সেই দায়বদ্ধতা থেকে পুরো রাষ্ট্রকে আড়াল করার জন্যই এই খণ্ডিত প্রতিবেদনটি সাজানো হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার এবং ইতিহাসের প্রকৃত দায়বদ্ধতা আজও পাকিস্তানের সেই রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে অপরিশোধিতই রয়ে গেছে।

#একাত্তরেরগল্প #হামুদুররহমানকমিশন #গণহত্যা১৯৭১ #বাংলাদেশেরইতিহাস #পাকিস্তানসেনাবাহিনী

13/02/2026

এই শিশুদের কথা মনে আছে তো আপনাদের? মনে না থাকলে জেনে নিতে পারেন এরা এ দেশেরই যুদ্ধ শিশু ইংরেজিতে এদের বলা হয় ওয়ার চাইল্ড। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের সহযোগীদের যৌ-ন সহিং-সতার মাধ্যমে এদের জন্ম হয়।

অসংখ্য নারীর সঙ্গে ভয়ংকর বর্বর লেভেলের যৌন সহিংসতা ঘটিয়েছে পাকিস্তানি সেনারা, সাথে ছিল তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী। ধর্ষণ/যৌন সহিংসতার শিকার সেই বীর নারীদের কোল জুড়ে জন্ম নেয়া শিশুদের সমাজের চাপে,কলঙ্কের ভয়ে বাধ্য হয়ে মায়েরা তুলে দিয়েছিলেন অন্যের হাতে। অবুঝ শিশুদের হতে হয়েছিল নির্বাসিত!যুদ্ধশেষে দেশ যখন স্বাধীন হল, দুর্ভাগা বীরাঙ্গনাদের বেশিরভাগেরই আর ঠাঁই হলো না বাবা বা স্বামীর সংসারে। কলঙ্ক আর অপমানের বোঝা বইতে না পেরে অনেকেই করেছেন আত্মহত্যা।

বাকিরা নীরবে দেশ ছেড়েছেন, বিদেশে চলে গিয়েছেন অনাহূত সেই শিশুদের জন্ম দিতে বা গর্ভপাত করাতে।

নেভার ফরগেট ইয়োর পাস্ট।

04/02/2026

মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণ - ২২.০৪.১৯৭১

History Gurukul [ ইতিহাস গুরুকুল ] GDCN - বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশ্বের ইতিহাস 19/01/2025

Welcome to History Gurukul, GDCN: Your Gateway to the World of History

History Gurukul is a platform dedicated to exploring and sharing knowledge about the vast tapestry of human history. As part of the Gurukul Digital Content Network (GDCN), we offer resources on historical events, figures, civilizations, cultures, and much more, making history accessible and engaging for everyone. Through our Website, page, YouTube Channel, and other social media outlets, we bring historical content to life with diverse insights, discussions, and educational resources.

What is History Gurukul?
=====================
History Gurukul is a comprehensive resource for history enthusiasts, students, educators, and curious minds alike. Our platform covers a wide range of historical topics, from ancient civilizations and empires to modern history and contemporary cultural analysis. Whether you're interested in ancient Egypt, the Renaissance, world wars, or historical debates, we provide well-researched articles, videos, and expert perspectives that bring history to life.

What We Offer
=============
• Historical Events and Timelines: Discover in-depth accounts of significant events that have shaped our world. From the dawn of civilization to present-day history, our content is designed to deepen your understanding of major historical milestones.
• Biographies of Key Figures: Learn about influential figures from all eras, including rulers, revolutionaries, artists, scientists, and other personalities who left lasting impacts on human history.
• Exploration of Ancient and Modern Civilizations: Dive into the lives, cultures, achievements, and legacies of ancient and modern civilizations. From the mysteries of the Indus Valley to the innovations of the Industrial Revolution, we cover it all.
• Cultural and Social History: Uncover the development of art, literature, philosophy, and social movements across different time periods and regions. Our platform examines how these aspects influenced and reflected the societies they originated from.
• Historical Analysis and Perspectives: Engage with discussions and analyses that explore differing interpretations of historical events. We provide diverse viewpoints to encourage critical thinking and a well-rounded understanding of history.
• Educational Resources for Students and Educators: Our platform serves as an educational resource with materials suitable for learners of all levels. Educators can also find content tailored to support their teaching needs.

How You Can Engage with Us
========================
• Visit Our Website: Explore a rich library of articles, timelines, biographies, and resources at History Gurukul.
• Join Our page: Connect with a community of history enthusiasts and engage in discussions, daily updates, and historical facts on our page.
• Watch Our YouTube Channel: Dive deeper into historical topics through video content, including documentaries, expert talks, and visual storytelling.
• Follow Us on Social Media: Stay informed and engaged with our posts, discussions, and live sessions across all major social media platforms.

Why Choose History Gurukul?
========================
At History Gurukul, we believe history is more than a record of the past; it’s a window into the present and a guide for the future. Our mission is to make history accessible, engaging, and thought-provoking for everyone, from lifelong learners to students and educators. With the support of Gurukul Digital Content Network (GDCN), we are dedicated to creating a community that values historical knowledge and critical thinking.

Explore, Discover, and Journey through Time with History Gurukul.

Visit us at: www.historygurukul.com

Let’s learn from the past to understand the present and inspire the future!

#ইতিহাস #ইতিহাস #বাংলারইতিহাস #বিশ্বইতিহাস #ইতিহাসেরপাঠ #ইতিহাসের_ধারা #ইতিহাসচর্চা #ইতিহাস_জানুন #ইতিহাসপ্রেমী #ঐতিহাসিকস্থান #ঐতিহাসিক_ইভেন্ট #ঐতিহ্য #ঐতিহ্য_সংরক্ষণ #ইতিহাস_এর_গল্প #ইতিহাসের_উৎস #ইতিহাসের_পথচলা #ইতিহাসের_বই #ইতিহাসের_আলোকে #ইতিহাস_জীবন #ইতিহাস_ও_সংস্কৃতি #ইতিহাস_এর_অলিগলি #ইতিহাসের_শিক্ষা #ইতিহাস_আলোচনা #ইতিহাস_বিষয়ক #ইতিহাস_কথা #ইতিহাসের_সাক্ষী

History Gurukul [ ইতিহাস গুরুকুল ] GDCN - বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশ্বের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশ্বের ইতিহাস

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


A3, Navana Sattar Garden, 86/1 New Eskaton Road
Dhaka
1000