23/01/2026
Disclaimer: This is not a political post.
মির্জা আব্বাসের জন্য আমার মাঝেমধ্যে মায়া হয় ,খোদা জানে সে এমন কি অপরাধ করসে যে তার উপর দিয়ে এমন কুফা যাইতেসে শেষ বয়সে এসে। 🤪
প্রথমে তার আসনে দাড়াইলো হাদী, সে খুন হইলো কিন্তু গালি খাইলো মির্জা আব্বাস। হাসপাতালে গিয়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই ভুয়া ভুয়া শুইনা চইলা আসলো, বেচারা বুঝলোই না তার অপরাধটা কি।
এরপর তার বিরোধী প্রার্থী হিসেবে নাজিল হইলো নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, যারে আল্লাহ একটা মুখ দিসে। এই মুখ দিয়ে জামায়াত, বিএনপি উভয়রে নিয়া সর্বোচ্চ পরিমাণে গালবাজি বড় ভাই করছে এবং এই রাজনীতিটা নি:সন্দেহে সে ভালোই পারে। এখন তার সব গালবাজি চলে ঢাকা-৮ আসন নিয়ে এবং আগামী ১ মাস মির্জা আব্বাসকেই একা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীকে সহ্য করা লাগবে যেটা আগে জামায়ত আর বিএনপি দল হিসেবে ভাগাভাগি কইরে সহ্য করতো। এমন একটা অবস্থা দাড়াইসে যে মির্জা আব্বাস পারে না শুধু গিয়ে পাটোয়ারী ভাইরে বলতে, আমারে মাফ কইরা দে ভাই, আমি তোর গায়ে একটা হাতও পড়তে দিমু না!
সেইদিন দেখলাম মির্জা আব্বাস এক ব্যাক্তির সাথে হাত মিলায়ে হাতের দিকে তাকাইসে, এইটা নিয়া কি এক অনলাইন মব। মির্জা আব্বাস যদি জানতো সে এই বিরাট অপরাধ করার কারণে অনলাইনে তার এলিটিজম নিয়ে যুগলবন্দী কলাম লিখা হবে, তাহলে হয়তো সে সেই ব্যাক্তির সাথে হাত না মিলায়ে চুমু দিতো তারে।
সবশেষে গতকাল আবার সে গেছে এক বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতায়, সেখানে তারে আবার পরিদর্শন কইরা দেখানো হইসে শাপলা ফুল ও শাপলা কলি। চুপচাপ সে দাঁড়িয়ে সেটা পর্যবেক্ষণও করসে।
একসময়ের ঢাকা দাপিয়ে বেড়ানো নেতার নতুন জেনারেশনের সাথে নির্বাচনে দাঁড়ায়ে যেই ধৈর্যের পরিক্ষা দেয়া লাগতেসে, তা দেখে মায়া লাগার মতো।
পুরুষ সমাজের জন্য পথ অনেক কঠিন করে দিচ্ছে মির্জা আব্বাস, নারীরা হয়তো স্বামী হিসেবে এমন ধৈর্যশীল পুরুষই চায় এবং মির্জা আব্বাস সেই ধৈর্যের বার অনেক উপরে উঠায়ে দিচ্ছে!