Rosen

Rosen

Share

সাদা সিধে মানুষ

03/05/2019

"ব্যাস্ত রাস্তায় তার কপালের টিপটা সরে গেলে... তা ঠিক করে দেয়ার জন্য একদিন আমি থাকবো না।

হুডখোলা রিক্সায় অবাধ্য চুলগুলো উড়ে এসে মুখে পড়লে... সেগুলো আর আঙুলের ইশারায় সরিয়ে দেবার জন্য একদিন আমি থাকবো না।

কোন এক বৈশাখের প্রভাতে তার লাল-সাদা পাড়ের শাড়ির পাশে হাতদুটো ধরে হাটার জন্য একদিন আমি থাকবো না।

আনমনে মুঠোভরা চুড়ি পড়ে সে সারাটা বিকেল অপেক্ষা করলেও তার পাশে বসে থাকবার জন্য একদিন আমি থাকবো না।

ঘুমঘুম চোখে আধশোয়া ইশারায় কানে কানে ফিসফিসিয়ে ভালোবাসি বলার জন্য হয়তো একদিন আমি থাকবো না।

বসন্তের শেষ বিকেলে ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপ হাতে পাশের ফাঁকা চেয়ারটায় বসবার জন্যও হয়তোবা একদিন আমি থাকবো না.....!!


নির্মম এই পৃথিবী কখনো পারফেকশান পছন্দ করেনা। মধ্যরাতে তীব্র বিষন্নতায় হুরমুর করে কাঁদবার জন্য পাশে একটা কাঁধের বড্ড প্রয়োজন থাকলেও একদিন সবাই হারিয়ে যায়। শূণ্যতায় পরিপূর্ণ এই জীবনে সাদা কাফনে করে সবার যাত্রা হয় তাই একই গন্তব্যে। তীব্র রকমের ভালোবাসার মানুষটার জন্য সারারাত চিৎকার করে কাঁদলেও একদিন তাই ওপাশ থেকে আর কোন উত্তর আসেনা!!

চলে যাওয়া এই মানুষগুলো কখনো একা যায় না... ছিনতাই করে নিয়ে যায় লুকানো আবেগটুকু আর ফেলে যায় শুধু স্মৃতি...রক্তাক্ত সব স্মৃতি.."

27/06/2014

মনে পড়ে বাবা?

বাবা,

সেই প্রথম তুমি যেদিন, শিশির জমা ঘাসের মধ্য দিয়ে হাত ধরে নিয়ে গিয়েছিলে আমায়……. আমার প্রথম স্কুলে, কৃষ্ণচূড়া শিমুলচাপা, বাগানের ধার দিয়ে। আর আমি, স্কুলের ব্যাগ কাধেঁ নিয়ে মৃদু পায়ে চলেছিলাম তোমার পিছু পিছু, নিরিবিলি শান্ত ছেলের মত। পথে আমি বায়না ধরেছিলাম, হাওয়াই মিঠাই খাব বলে, তুমি স্কুলপাশের দোকান থেকে কিনে দিয়েছিলে, পরম আদরে। মনে পড়ে বাবা?

বাবা,

অঝোড় ধারায় বৃষ্টি হচ্ছিল সেদিন, স্কুলে আটকা পড়ে আছি, অনেকক্ষন। তুমি সেদিন আমার ছোট্ট সবুজ ছাতা নিয়ে মেঠো পথের কাদাঁ ডিঙ্গিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে এসেছিলে, অনেক দুর থেকে, খালি পায়ে। কপালে বিন্দু বিন্দু………… ক্লান্ত তুমি, তবু আগলে ধরলে আমায়। মাথা সামান্য ভিজে গিয়েছিলে বলে তুমি সেদিন তোমার শার্টের কোনা দিয়ে, মুছে দিয়েছিলে আমার ভেজা চুল। আর তোমার মায়ামাখানো চোখ রাঙ্গিয়ে শাসন করেছিলে, “আর কক্ষনও ভিজবি না বৃষ্টিতে, বুঝলি?” মনে পড়ে বাবা?

বাবা,

গ্রীষ্মের আমকাঠাঁলের ছুটির সময়, কলোনির ছেলেদের সাথে ফুটবল খেলে ঘরে ফিরে আসার সময় বেয়াড়া গাছের কাটার উপর পড়ে গিয়ে পা খানিকটা কেটে গিয়েছিল, তুমি অস্থির হয়ে সাদা কাপড়ের পট্টি বেধেঁ দিয়েছিলে পায়ের জখমের উপর, সযতনে। ঐদিন রাত্রিতে ঘামজ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছিল বলে, তোমার তীব্র আকুলতা সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিল সেদিন। তোমার চোখের কোনে টলমল করছিল স্নেহঝড়ানো উদ্বিগ্নতার জল। সারা রাত জেগে আমার পাশে নির্ঘুম তুমি, আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিলে, পরম মমতায়। মনে পড়ে বাবা?

বাবা,

সেদিন প্রথম বৃত্তি পরীক্ষার দিন, ঘর থেকে বের হওয়ার আগে, আমার প্রবেশপত্র আর কলম হাতে ধরে দিয়ে বলেছিলে, “ভাল করে পড়ে উত্তর করিস, বাবা” তোমার চোখে ছিল তখন, আমার জন্য আকাশছোয়াঁ স্বপ্ন, পরীক্ষা শেষে তুমি আমায় নিয়ে গিয়েছিলে, UNO অফিসের মাঠে সার্কাসে, পড়ন্ত গোধুঁলিবেলায়। প্রথম নাগোরদোলা চড়িয়েছিলে সেদিন তুমি আমায়। তুমি তোমার কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে কিনে দিয়েছিলে একটা সাদা কবুতর, মেলা থেকে। সেই কবুতর হাতছাড়া করতাম না আমি কখনও, জড়িঁয়ে রাখতাম সবসময়, তোমার উপহার বলে। মনে পড়ে বাবা?

বাবা,

আমার টিউশনির টাকা একটু একটু করে জমিয়ে, আমি তোমাকে দিয়ে বলেছিলাম একদিন, “বাবা, একটা শুভ্র পাঞ্জাবী শার্ট, আর একটা ফিতাওয়ালা কালো জুতা কিনে আনবে তোমার জন্য।” তোমার সেই শুভ্র পাঞ্জাবী এখনও আলমারিতে যত্নে রাখা, ব্যবহার করনি তুমি, নষ্ট হয়ে যাবে বলে। ম্যাধমিকের শেষ প্রান্তে আমি, কলেজে ভর্তি হতে ঢাকা আসার সময়, আবেগি তুমি, কান্না থামিয়ে রাখতে পারছিলে না। ভোঁ ভোঁ করে কেদেঁ উঠেছিলে সবার সামনে। আমার কপালে চুমু খেয়ে বলেছিলে, “ভাল থাকিস, প্রতিদিন সন্ধ্যায় আমার একটি ফোনের জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকতে জীর্ন তুমি, চাতকপাকির মত। একদিন কথা না বললে অস্থির হয়ে আমার সাথে রাগ করে বসে থাকতে, অবোধ শিশুদের মত। মনে পড়ে বাবা?

বাবা,

তোমার মৃত্যুর পর কত আত্মীয়স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী দাড়িয়ে গেলো। আরে ......... বাবা মারা গেছে তা কি হয়েছে আমরা আছিনা। কোন চিন্তা করবে না। অথচ এই লোকগুলো এখন কোথায়। তারা এখন মরীচিকা।
ঠিকমতো পড়াশুনা করতাম না, তুমি বলতে এখন তো বুঝবিনা যখন মারা যাবো তখন বুঝবি। বাবা সত্যি তুমি কি ছিলে এখন বুঝি? তুমি আমাদের মাথার উপর বিশাল এক ছাতার মতো ছিলে তাও বুঝি। কোনোদিন তোমার দুঃখ কষ্ট চাওয়া পাওয়া বুঝতে চাইনি বা বোঝার চেষ্টা করিনি। শুধু নিজের আবদার করে গেছি। কিন্তু তুমি কত কষ্ট করে আমাদের এই আবদার পূরণ করেছো বা পূরণ করার চেষ্টা করেছো কি করে করেছো তা কোনদিন জানতেও চাইনি।
মনে করতাম, আরে বাবা ধুর...... বাবা মানেই ডিস্ট্রাব। বাবা মানে সব কিছুতে না করা বাবা মানে কাজে বাঁধা দেওয়া। এখন বুঝি বাবা তোমার কথা না শুনে কি ভুলে করেছি।

বাবা,

আমি এখনো ভুলতে পারিনা যখন তুমি অসুস্থ ছিলে... আমার বাইকের পিছনে তোমায় নিয়ে হাসপাতালের পর হাসপাতাল ছুটছি একটার পর একটা ঔষধ দিয়ে যাচ্ছে ডাক্তার তোমাকে বাচানোর জন্য। তুমি আমার দিকে অদ্ভুত ভাবে করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলে সেই দৃষ্টি সহ্য করার ক্ষমতা আমার ছিলোনা। বাবা তুমি কি ঐ মুহূর্তে আমাকে কিছু বলতে চেয়েছিলে। আমি বের হয়ে গেছি তোমার ঐ দৃষ্টি দেখে আমি সহ্য করতে পারছিলামনা। তারপর চোখের সামনে দেখলাম তুমি নেই। পুরো পৃথিবী আমার মাথার উপর ভেঙে পড়লো। যাহা আমি জীবনে কল্পনা করতে পারিনি যে আমার বাবা এই পৃথিবীতে থাকবেনা। যখন তোমাকে গোসল করানোর সময় আমাকে ডাক দেওয়া হল তোমাকে দেখে মনে হল আরে আমার বাবাতো এখনো বেচে আছে। মনে হচ্ছিলো ঘুমিয়ে আছো। যখন তোমার জানাজা হল তখনও আমি ঘোরের মধ্যে। রাতের বেলা তোমার লাশবাহিত কফিন নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। তখনও আমার মন বলছে আমার বাবা বলবে এই তোরা আমাকে নামা আমি তো মারা যাইনি। তোমাকে যখন কবরে শোয়ালাম আমার আর একবার ইচ্ছে করছিলো তোমার মুখখানা একবার দেখি। কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি। কবর দেওয়া শেষে যখন বাসায় আসলাম তখনও আমার আশা আমার বাবা আবার ফিরে আসবে। কিন্তু না আর কোনদিন আসেনি। আর আসবেনা।

বাবা,

আচ্ছা আমি কি পারব, তোমার মত হতে? ভয় হয়, আমার। একটু মাথায় তোমার আশীষের হাতটি বুলিয়ে দিবে, বাবা, ঠিক আগের মত। আবার বাবা যদি আমার ছেলে হয়ে জন্মাত। তাহলে কতই না মজা হত।

edited

Rosen সাদা সিধে মানুষ

Photos 11/09/2013
11/09/2013

মূল রচনা : ফারজানা মাহবুবা

আমার ডাক্তার হওয়ার তেমন শখ ছিলো না কখনো, তবে ক্লাস নাইনে সাইন্স নেয়ার পর অনেকেই উৎসাহ দিতো ভবিষ্যতে মেডিকেলে পরীক্ষা দেয়ার জন্য। কিন্তু ছোটভাই'র মৃত্যুর আগে আগে হসপিটালে তাকে বাঁচানোর জন্য ডাক্তারদের যুদ্ধ দেখতে দেখতে টের পেয়েছিলাম, উঁহু, আমার কখনো ডাক্তার হওয়া হবেনা, আমি ভীষণ মাত্রার ভীতু, ইমোশনাল আর সেনসিটিভ। এখনো দেশে থাকলে আব্বুকে যখন আম্মু বা ছোটবোন ইনসুলিন দেয়, আমি চোখ বন্ধ করে ফেলি!

কিন্তু সেদিন সিডনী-রাইটার্স ফেষ্টিভ্যালের টিভি শো-তে একজন প্যালেষ্টাইনি ডাক্তারের ইন্টারভিউ দেখার পর থেকে, যিনি তার ডাক্তারী জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখেছেন, বার বার খালি মনে হচ্ছে- টীচিং'র চে' মহান যদি কোনো পেশা থাকে সেটা হলো ডাক্তারী।
ডাক্তারটাকে একজন পার্টিসিপেন্ট জিজ্ঞেস করলো, আপনার কাছে যদি কোনো ইহুদীকে জরুরী অবস্থায় আনা হয় সার্জারীর জন্য, একজন মুসলিম হিসেবে আপনার কেমন লাগবে?
ভদ্রলোক মুচকি হেসে বললেন, মেডিকেল এমন একটা ইন্সটিটিইশান যেখানে কোনো ধর্ম নেই, বর্ণ নেই, গোত্র নেই, যেখানে সবাই মানুষ। আমার সামনে যদি হিটলারকেও অসুস্থ অবস্থায় আনা হয় একজন ডাক্তার হিসেবে আমার উচিত হবে প্রথমে তার চিকিৎসা করা এবং তারপর তার প্রপার-ওয়েতে বিচার চাওয়া।

ইন্টারভিউটা দেখতে দেখতে লোকটাকে আমার এমন ঈর্ষা হচ্ছিলো!
মানুষের জন্য মানুষের ভালবাসার এবসল্যুট প্রকাশ খুব সম্ভব একজন ডাক্তারই করতে পারেন।

মাহীবা হওয়ার আগেরদিন রাতে যখন সাথে কেউ নাই বলে মানসিকভাবে খুব ভেংগে পড়েছিলাম, হসপিটালের বেডে একলা শুয়ে শুয়ে কাঁদছিলাম (ওরা জামাইকেও হসপিটালে এলাও করেনা রাতে থাকতে!), তখনই টের পেয়েছিলাম একটা ডাক্তার একটু হেসে একটু সাহস দিলে কেমন অদ্ভুতভাবে রোগীর রোগ অর্ধেক ভাল হয়ে যায়। ডাক্তার আমাকে দেখে যাওয়ার পর আমি প্রি-লেবার-পেইনের মধ্যেও বেশ ভালমতই ঘুমিয়েছিলাম!

মানুষ যখন আসলে শারিরীকভাবে কষ্টে থাকে, তখন আল্লাহ'র পরে ডাক্তারের উপরেই ভরসা করে। সে জানে, কেউ যদি তাকে ঠিক করতে পারে (আল্লাহ'র ইচ্ছায়) সে একমাত্র ডাক্তারই পারবে, আর কেউ না।

বাংলাদেশে যদিও ডাক্তারদের দ্বারা রোগী এবং তার ফ্যামিলিকে এক্সপ্লয়েট করার ভুরি ভুরি ঘটনা ঘটে, সামান্য অবহেলায় ডাক্তাররা অবলীলায় রোগী মেরে ফেলে, পুরো মেডিক্যাল সিস্টেমটাই যেখানে পঁচে গেছে বলা যায় (ঢাকার খুবই বিখ্যাত এক হসপিটালের কথা শুনলাম যেখানে অনেক বড় বড় ডাক্তারকেও চাকরী দেয়ার সময়ই কন্ডিশান দেয়া হয় যে রোগীর রোগ যেমনই হোক তাকে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট পার্সেন্ট রোগী হসপিটালে ভর্তি করাতেই হবে!!)।

তারপরও এতকিছুর মধ্যেও যখন দেখি একজন ডাক্তার সপ্তাহের একটা নির্দিষ্ট দিন তার গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে বিনা-ফী'তে রোগী দেখছেন, এমনকি নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে চুপি চুপি অনেককে অষুধও কিনে দিচ্ছেন; কোনো ডাক্তার রাতে নিজেই ফোন করে রোগীর খবর নিচ্ছেন, প্রয়োজনে অফ-ডিউটিতেও একবার এসে দেখে যাচ্ছেন, বিভিন্ন বড়বড় দূর্যোগে নিজের নাওয়া-খাওয়া ভুলে ডাক্তারদের টীম নিয়ে রাত নাই দিন নাই মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন্‌, তখনও আমার খুব ঈর্ষা হয় ডাক্তারদের উপর। মানুষের একদম সলিড ভালবাসা, মানুষের মন থেকে সত্যিকার আন্তরিক দোয়া খুব সম্ভব একমাত্র ডাক্তাররাই পান।

আমাকে আবার চান্স দিলেও আমি জানি আমি ডাক্তার হতে পারবোনা, সেই সাহস আর ধৈর্য্য আমার নাই, কিন্তু যখন কাছের কেউ ডাক্তারী পড়ে, বিশেষ করে সে যদি হয় আবার মেয়ে, কী যে ভাল লাগে! একটা মেয়েই জানে কোনো অসুস্থতায় তার পাশে একজন মেয়ে ডাক্তার এসে দাঁড়ালে, একটু সাহস দিলে, একটু হাসি দিলে কেমন শান্তি লাগে!

I salute all of you for your courage, determination and success, considering the family and social exceptions from a girl in our society, its never a easy job for a girl to be a doctor in that context, but that didn't stop you. You are the hero!

কার্টেসি : ফারজানা মাহবুবা

10/09/2013

স্বাধীনতা কি শাহবাগে বসে বিরানি-খিচুড়ি খাওয়া ?
স্বাধীনতা কি শালীন নারীর কারাগারে সন্তান জন্ম দেয়া ?
স্বাধীনতা কি ছাত্রলীগে ধরে হাত- পা ভেঙ্গে দেয়া ?
স্বাধীনতা কি পুলিশে ধরে হাত- পায়ে গুলি করা ?
স্বাধীনতা কি নির্যাতনের জন্য রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া ?
স্বাধীনতা কি মেজর জিয়াকে গুপ্তচর বলে ডাকা?
স্বাধীনতা কি নাস্তিকদের নবীজিকে(সাঃ) গালাগাল করা?
স্বাধীনতা কি আনিসুল হকদের কোরআন প্যারোডি করা?
স্বাধীনতা কি কোরআন প্রেমিকের পুলিশের গুলিতেমরা ?
স্বাধীনতা কি দলীয় ট্রাইব্যুনালে প্রহসনের বিচার করা?
স্বাধীনতা কি মুক্তিযোদ্ধার ভিক্ষা করেভাত খাওয়া ?
স্বাধীনতা কি এসব অন্যায় নীরবে সহ্য করা ?
স্বাধীনতা কি স্বাধীন দেশে ভারতের গোলামী করা ?
স্বাধীনতা কি পাখির মত বিএসএফ এর গুলিতেমরা ?
স্বাধীনতা কি বিনা শুল্কে করিডোর দিয়ে দেওয়া ?
স্বাধীনতা কি সিরিয়াল আর ডরিমনে বাংলা ভুলতে বসা ?
স্বাধীনতা কি ক্যাটরিনা আর শিলা- মুন্নিতে পাগল হওয়া ?
স্বাধীনতা কি দাঁড়ি-টুপি-বোরখাকে অপমান করে মজা পাওয়া ?
স্বাধীনতা কি রাজাকার বলে বৃদ্ধের দাঁড়ি ধরে টানা ?
স্বাধীনতা কি আওয়ামীলীগেরাজাকার খুঁজতে মানা ?
স্বাধীনতা কি ছাত্রলীগের ধর্ষণেরসেঞ্চুরি করা ?
স্বাধীনতা কি খুনী ছাত্রলীগের বিচার হতে মানা ?
কি দেখার কথা, কি দেখছি; কি শোনার কথা,
কি শুনছি ??????????
এতোটি বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি.........!!
ক্রেডিট: Ziaul Haque

10/09/2013

স্বাধীনতা তুমি বোনের গায়ে সানি লিওন ড্রেস ,
স্বাধীনতা তুমি কড়া মেকাপের হিন্দি সিরিয়ালের বেশ ।
স্বাধীনতা তুমি অফিসের বসের জাতীয়তা ভারতীয় ,
স্বাধীনতা তুমি দেশনেত্রীর দাদা প্রীতি স্মরণীয় ।

স্বাধীনতা তুমি বর্ডার জুড়ে ফেন্সিডিলের আড়ত ,
স্বাধীনতা তুমি টিভি খুললেই , দেশটা আমার ভারত ।
স্বাধীনতা যখন চিকিৎসা মানেই মাদ্রাজ– কোলকাতা ।
স্বাধীনতা যখন তিস্তার পানিতে দাদারাই মোদের দাতা ।

স্বাধীনতা মানে ভারতের পেঁয়াজ
বিয়েশাদির রীতি ,
তথা দাদাদের রেওয়াজ ।
স্বাধীনতা মানে বাজার সয়লাব , দাদারাই বিক্রেতা
স্বাধীনতা মানে রাজনীতিতে দাদারাই মোদের ত্রাতা ।

স্বাধীনতা যখন কাঁটাতারে , “ ঝুলন্ত ফেলানি ”
স্বাধীনতা তখন দাদার নায়িকা , আমার স্বপ্নরানী ।
স্বাধীনতাই আনবে মায়ের বিছানায় চিরচেনা সেই দাদা
স্বাধীনতা নিয়েই হাসবো আমি , আমি যে শিকল বাঁধা,...

ক্রেডিট: Good luck BD

Photos 06/09/2013

যখন ফেলানিকে হত্যা করে কাঁটাতারে লটকে রাখা হলো। পানি পানি করে তার আর্তচিৎকার মিলিয়ে যেতে না যেতেই অনলাইন থেকে চিৎকার করে আমরা কানে তালা লাগিয়েছিলাম। ফলাফল হিসেবে আর কিছু না হোক মানুষ বুঝেছিলো ভারত কিভাবে ইসরাঈল-ফিলিস্তিন সীমান্ত থেকেও ভয়াবহ এক কাঁটাতারের বেস্টনি তৈরি করেছে। ব্লগের কর্তাব্যক্তিদের সাথে তাল মিলিয়ে কিছু পা-চাটা দালাল ম্যাৎকার জুড়েছিলো যে ফেলানি বাংলাদেশী নয়। বর্তমানের খুব হিট এক নায়িকার নামের শেষে মজুমদার লাগানো জনৈক চাচমা বেশ খ্যাক খ্যাক শুরু করলেন যে ভারত ফেলানি হত্যাকারীর বিচার করবেন।
উনি হয়তো লন্ডনে বসে গন্ধ পেয়েছিলেন বিচারের, আমাদের ঘ্রানশক্তি অনেক দুর্বল আমরা পাইনি। শেষ পর্যন্ত ফেলানি হত্যাকান্ডের বিচার হয়নি। যে ধর্ষণরাষ্ট্র নিজের দেশে প্রতি মিনিটে ধর্ষিত ৪ জন অবলা নারী নিপীড়কের বিচার করতে পারেনা তারা ফেলানি হত্যার বিচার কি করবে। তাই এসব বিচার বাদদেন।

প্রস্তুতি নেন কিছুদিন পর ভারতেই মুভি তৈরি হবে No One Killed Felani. আমি আগ বাড়াইয়া ঐ মুভির পোস্টার তৈরি কৈরা হেল্প করলাম। সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে আমাদের ইবনে বতুতা পররাষ্ট্রমন্ত্রির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আশু সম্ভবনা দেখতে পাচ্ছি। Tawsif ভাইয়ের দৃষ্টিতে তিনি ঐ অনুষ্ঠানে গিয়ে বলতে পারেন...

[1] ফেলানি ভারতীয় নাগরিক। তার হত্যাকান্ডের বিচার ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়।"
[2] বন্ধুরাষ্ট্রের আদালত ফেলানির হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার করেছে। আমরা সেজন্যে ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের প্রতি আমাদের ঋণ বেড়েই চলেছে।"
[3] ফেলানীকে নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। বিএসএফ নয় বরং ইসলামী জঙ্গিরাই তাকে হত্যা করেছে।"
[4] হু দ্যা F**K ইজ ফেলানি?" (Collected)

06/09/2013

ফেলানি হত্যা মামলার অভিযুক্তকে বেকসুর খালাসের রায় কী বার্তা দেয়? এই ধরনের হত্যা আরও চলবে। মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই ওদের কাছে। আর এটা হলো বিচারের নামে একটা প্রহসন।
এই বার্তাগুলো মোটেও ভালো বার্তা নয়। Ashif Entaz Rabi is right when he says:
পৃথিবী অনেক এগিয়েছে।
একটা বাঘ হত্যা করলে, সেটার জন‌্য বিচার হয়। জেল হয়, জরিমানা হয়।
একটা পাখি গুলি করে মেরে ফেললে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়।
এমনকি একটা গাছ কেটে ফেললেও সেটার জন্য শাস্তি পেতে হয়।

শুধু ''গরীব মানুষ'' মারলে কিছুই হয় না।

পৃথিবী সত্যিই অনেক এগিয়েছে।
পৃথিবী এতোটা না আগালেই পারতো।

ফেলানীর জন্য দু ফোটা চোখের জল, চার ইঞ্চি খবর, চারশ শব্দের স্ট্যাটাস... এই তো যথেষ্ট।

পৃথিবী সত্যিই অনেক এগিয়েছে।
পৃথিবী এতোটা না আগালেই পারতো।

Copied : Anisul Hoque

06/09/2013

একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বই টা দেখেছেন কি ?
এই বই এর পাঠ্যসূচী পড়ানোর মতো শিক্ষক কি আমাদের গ্রামের কলেজ গুলতে আছে?
বাংলাদেশের ৩০০০ এর অধিক কলেজ এবং ১০০০ এর অধিক মাদ্রাসা তে Intermediate পড়ানো হয়
যার ৮৩% কলেজ গ্রামে আর ৪৬% কলেজ প্রত্যন্ত গ্রামে।
আর তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি Subject টা কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সরকারের এহেন বিলাসী সিদ্ধান্তকে আমার কাছে
" AC র হাওয়ায় বসে বিভূতিভূষণ পড়ার মতো ই মনে হয়"
আমাদের সবথেকে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশের Policy Maker রা
Mango People (আমজনতা) সম্পর্কে ধারনা রাখেনা............
তবে আর যা ই করুক তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি এর মতো এই বড় বোঝাটা আমাদের এই ছোট ছোট বাচ্চা দের ঘাড়ে এই মুহূর্তে ঝুলিয়ে দেয়া টা ঠিক হয়নি।
সবগুলো কলেজে ICT পড়ানোর মতো যোগ্য শিক্ষক নিশ্চিত করে তার পর ই এই Subject টা কে সিলেবাস এ অন্তরভুক্ত করা দরকার ছিল।
আপনি দেশের অন্যতম একজন শিক্ষাবিদ তাই সমস্যার কথাটা আপনাকে জানালাম এবং এই ব্যাপারে আপনার মূল্যবান মতামত এবং পরামর্শ আসা করছি।আপনার সুবিধার জন্য পুরা সিলেবাস টা লিখে দিলাম:

Chapter 1 - Information and Communication Technology : World and Bangladesh Perspective
>>Concept of Global Village
>>Communication
>>E-Commerce
>>Tile-medicine
>>Virtual Reality
>>Contemporary Trends of ICT
>>AI
>>ROBOTICS

Chapter 2 - Communication Systems And Networking
>>Data Communication
>>Data Transmission Methods (Simplex, Duplex)
>>Microwave
>>Wireless Communication
>>Networking (LAN,MAN,WAN)
>>Network Topology (Bus, Star, Ring, Mesh......)
>>Cloud Computing

Chapter 3 - Number Systems and Digital Devices
>>Decimal, Binary, Octal, Hexadecimal
>>Conversion of Number system
>>Concepts of Code (ASCII, EBCDIC, UNI)
>>Boolean Algebra
>>De-Morgan's Theoram
>>Logic Gates (AND, OR, NOT)
>>Compound Gates (NAND, NOR, EX-OR, EX-NOR)
>>Encoder, Decoder, Adder, Register

Chapter 4 - Introduction of Web Design and HTML
>>Structure of Website
>>Concept of HTML
>>Text formatting of HTML
>>HTML Attribute
>>Uses of Color & Alignment
>>Table Use in HTML
>>Form design
>>HTML Frame
>>Web Publishing (Domain, Hosting)

Chapter 5 - Programming Language
>>Machine Language
>>Assembly Language
>>C, C++, Visual Basic, Java, Oracle
>>Assembler, Interpreter, Compiler
>>Algorithm, Flo chart
>>Object Oriented ProgrammingCompiling of Program

Chapter 6 - Database Management System
>> Organization of DBMS
>>RDBMS
>>Creation Database
>>Query
>>Indexing
>>Data security
>>Data Encryption

Photos 31/08/2013

√ ইসলামে নারীদের কেমন চোখে দেখে ?

♦ একটা নারীর যখন জন্ম হয়, ইসলাম বলে "যার ঘরে প্রথমে কন্যা সন্তান হয় সেইঘর বরকতময়"।
♦ নারী যখন যুবতী হয়, ইসলাম ঘোষনা দেয় যে " তার মেয়েকে সঠিকভাবে লালন পালন করে ভালপাত্র দেখে বিয়ে দেয় তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।"
♦ নারী যখন বিবাহিত, ইসলাম বলে"সেই পুরুষই সর্বোত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম"।
♦ নারী যখন সংসারী, ইসলাম বলে "স্ত্রীর দিকে দয়ার দৃষ্টিতে তাকানো সওয়াবের কাজ। এমনকি স্ত্রীকে আদর করে মূখে এক লোকমা খাবার তুলে দেয়াও"।
♦ নারী যখন গর্ভবতী, ইসলাম বলে "গর্ভাবস্থায় যে নারী মারা যায় সে শহীদের মর্যাদাপায়"।
♦ নারী যখন মা, ইসলাম বলে "মায়ের পদ তলে সন্তানের বেহেশত"।

কার্টেসি : Md Mahbub Alam

Photos 28/08/2013

ক্যাম্পাসে সকালের নাশতা
**************************
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে চলে এসেছেন ক্যাম্পাসে? সকালের ক্লাস করতে খালি পেটেই রওনা দিয়েছেন? এই বিরক্তির সাথে বাড়তি যোগ হওয়া সমস্যাটি হল সাত সকালে কোথায় নাশতা পাওয়া যায় সেটা না জানা।আর এই প্রতিদিনের এই বিশাল সমস্যাটির সমাধানে একটি ছোট্ট চেষ্টা আমাদের। কোথায় কোথায় পাওয়া যায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সকালের নাশতা আর কেমন এগুলোর দরদাম জানতে আমরা প্রথমেই রেজিস্টার ভবনের ক্যাফেতে ঘুরে আসি। এখানে সকাল ৭টা থেকে প্রায় বেলা ১২টা পর্যন্ত সকালের নাশতা পাওয়া যায়। পরোটা ৩ টাকা, তন্দুর ৫ টাকা, ডাল ভাজি ৫ টাকা এবং ডিম (যে যেভাবে খেতে চায়) ১২ টাকা। আর চা তো রয়েছেই সাথে দাম মাত্র ৪ টাকা।

ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিস

এবার দেখা যাক ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিস এর কমন রুমে নাশতার বন্দোবস্ত। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হয় এখানকার খাবারের আয়োজন তবে বিক্রির উপর নির্ভর করে আইটেমগুলো প্রায় সারাদিন পাওয়া যায়। আর আইটেমগুলো হল চিকেন বার্গার-৩০ টাকা, চিকেন হটডগ- ৩০ টাকা, ভেজিটেবল রোল-১৫ টাকা , স্যান্ডুইচ-৩০ টাকা, চিকেন সমুচা-১০ টাকা, সিঙ্গারা-৫ টাকা, নুডুলস-২০ টাকা ।

ক্যাম্পাস শ্যাডোতে বিক্রি শুরু হয় প্রায় পৌনে সাতটা থেকে আর এখানে যে খাবারগুলো পাওয়া যায় সেগুলো হল সিঙ্গারা-৫ টাকা, সমুচা-৫ টাকা, ভেজিটেবল রোল (শ্যাডোর তালিকা অনুযায়ী “ভেজিটেবল রুল” )-১০ টাকা ,ডিম বার্গার-১৫ টাকা, ভেজিটেবল টোস্ট-১৫ টাকা, পাটিশাপটা পিঠা- ১২ টাকা,কফি-১২ টাকা, চা-৫ টাকা আর সব সময়ের জন্য লেবুর শরবত তো আছেই। আর এখানকার আইটেমগুলো দিনের প্রায় সব সময়য়ই পাওয়া যায়।

আই ই আর ক্যান্টিন

সকালে ক্লাসের তাড়াহুড়ায় নাস্তা না করেই ক্যম্পাসে চলে এসেছেন। দোকানপাট ও তেমন একটা খুলে নি। কিন্তু পেটে অনেক ক্ষুধা। কি করবেন? চলে যেতে পারেন IER Canteen এ । সকাল ৭টা থেকে ১০:৩০ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পেয়ে যাবেন নাস্তার একটা দারুণ প্যাকেজ! - পরোটা (৪/-), ভাজি (৫/-), ডিম (১৩/-)। এছাড়াও হাল্কা খাবার হিসেবে সিঙ্গারা (৫/-), সমুচা (৫/-), চপ (৫/-),ভেজিটেবল রোল (১০/-) এবং চা (৫/-) তো আছেই।

আই ই আর স্টোর

IER Canteen থেকে বের হলেই হাতের ডানে ছোট্ট একটি দোকান IER Store। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকাকালীন সময়ে বার্গার (৩০/-), পিজা (৪০/-), হটডগ (৩০/-), স্যান্ডুইচ (৩০/-) এবং ভেজিটেবল রোল (১৫/-) বিক্রী অরে থাকেন IER Store এর দায়িত্বশীল কর্মচারী। এছাড়াও বিভিন্ন স্বাদের চিপস, কোক এবং পাইকেকও পাবেন এখানে।

মধুর ক্যান্টিনঃ

ক্যান্টিনে ঢুকলে প্রথমেই যে ব্যাপারটি চোখে পড়বে তা হল বিভিন্ন শ্লোগান এবং তথ্যবহুল পোস্টার এবং মধুদার ছবি। ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (IBA) ভবনের সামনে অবস্থিত মধুর ক্যান্টিন ছাত্র রাজনীতি, সংস্কৃতি চর্চা এবং আড্ডার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সময়ে মুখরোচক কিছু নাস্তা পাওয়া যায় এখানে। সিঙ্গারা (৫/-), সমুচা (৫/-), চপ (৫/-), রোল (১০/-), পাউরুটি (৪ পিস) এবং ডিম (২০/-), ছানা ( প্লেট-২০/-, প্রতি পিস ১০/-), পাটিসাপটা পিঠা (১৫/-), পুরি (৩/-), মিষ্টি (৫/-), রঙ চা (৪/-) এবং দুধচা (৫/-) ইত্যাদি খেতে খেতে খুব সহজেই আসর জমিয়ে ফেলতে চলে যেতে পারেন মধুর ক্যান্টিনে।

ডাস

টি এস সির পাশেই ডাসের যে খাবারগুলো পাবেন সেগুল হল চিকেন বার্গার (৩০/-) চিকেন পেটিস (২৫/-), চিকেন রোল (২৫/-), ভেজিটেবল রোল(১৫/-), চিকেন কাটলেট(১৫/-), চিকেন স্যান্ডুইচ(১৫/-), পটেটো এগ চপ (১০/-) এবং সমুচা (১০/-)। এছাড়াও পাওয়া যায় লাচ্ছি (২৫/-)।

IBA:

দাম একটু বেশি হলেও খাবারের মান নিয়ে কার্পণ্য করে না ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ক্যান্টিন ব্যবসায়ীরা। সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পরোটা (৫/-), ডাল এবং সবজি (১০/-) ও ডিমের ওমলেট (১৫/-) এর চাহিদা বেশি থাকলেও পাশাপাশি সিঙ্গারা (৫/-), সমুচা (১০/-), ফিসচপ (১০/-), চিকেন রোল (২০/-), ভেজিটেবল রোল (২০/-), ফিস প্যাটিস (২০/-), কেক (১০/-) ইত্যাদি স্ন্যাক্সের চাহিদাও কম নয়। এছাড়াও ঠান্ডা পানীয় (১৫/-), হটকফি (২০/-), আইস কফি (৪০/-) এবং ইগলু কোম্পানীর সব ধরনের আইসক্রিম ও পাবেন এখানে। দুপুর ১টা পর্যন্ত নাস্তার রেশ পুরোপুরি উপভোগ করতে চলে আস্তে পারেন IBA ক্যান্টিনে।

পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটঃ

পুষ্টির ক্যন্টিন নামেই বেশি পরিচিত ক্যান্টিনে নাস্তা পাবেন সকাল ৭টা থেকে ১০ টার মধ্যে। পরোটা (৪/-), ডাল(৬/-), সবজি (৬/-) এবং ডিম (১৫/-) এগুলোর প্রাধান্যই বেশি। এছাড়াও ১০ টা থেকে ১তার মধ্যে সিঙ্গারা (৫/-), পুরি (৫/-), চপ (৫/-), বেগুনী (৫/-), ভেজিটেবল রোল (১২/-) এবং চা (৫/-) তো আছেই।

হাকিম চত্বর ও মিলন চত্বর সবার পরিচিত এ চত্বর দুটোয় প্রায় সব দোকানেই পাওয়া যায় একই রকম নাশতা পাকোড়া(৫/-), মাশরুম(৫/-) , আলুর চপ (৫/-) ,ডিম চপ (১০/-) আরও পাওয়া যায় স্যান্ডুইচ। তবে মিলন চত্বর এর চিকেন ফ্রাই আর চিংড়ী চপ (১০/-) দুটোই আছে প্রায় সবার পছন্দের তালিকায়।

পরমাণু শক্তি কমিশন (মানিক মামা টি সেন্টার):

ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে পরোটা (৫/-), সবজি (১০/-), ডিম (১৫/-), সিঙ্গারা (৫/-), এবং পুরি (৫/-) খেতে চলে আসতে পারেন মানিক মামার দোকানে। চা, চিপস, কোক ইত্যাদিও সহজেই পেয়ে যাবেন এখানে।

Science Faculty:

জহিরের ক্যান্টিনঃ

কার্জন হলে ফিজিক্স ডিপার্ট্মেন্টের পেছনে অবস্থিত জহিরের ক্যান্টিনে সিঙ্গারা (৫/-), সমুচা (৫/-), পুরি (৫/-), কেক (৮/-), কলা ইত্যাদি পাবেন সকালের দিকে।

Genetic Engineering & Biotechnology:

এই ডিপার্টমেন্টের বিশেষত্ব হল এখানে ইগলু আইসক্রিম, কোকাকোলা, ফান্টা এবং স্প্রাইট পাওয়া যায়।

এগুলো ছাড়াও সায়েন্স ক্যাফেটেরিয়া, টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া এবং ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় একই ধরনের হালকা নাস্তা পাওয়া যায়, যা মধ্যে- সিঙ্গারা, প্যাটিস, কেক, সমুচা, চা, কফি, ঠান্ডা পানীয় ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

মহসীন হল, সূর্যসেন হল এবং শহীদুল্লাহ হল ছেলেদের হল হলেও এখানকার কিছু খাবারের দোকান ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকলের কাছেই জনপ্রিয়। ডিমবন, নুডুলস, ঝালফ্রাই, সিঙ্গারা, সমুচা, মিষ্টি ইত্যাদি পাওয়া যায় এই দোকানগুলোতে। শহীদুল্লাহ হলে অবশ্য সকাল বেলায় খিচুরি ও ডিমভাজি পাওয়া যায়। সহজলভ্য এ খাবারগুলো পেতে হলে চলে যেতে পারেন হল আঙ্গিনায়।



ইমা চারু এবং তানজিনা তারেক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Photos 28/08/2013

জামান, , , , জামানের কথা কী আপনাদের কারো মনে আছে??? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৌহিদুজ্জামান।হুম আমি সেই জামানের কথা বলছি যে ২০১২ সালের এই দিনে (২৮শে আগস্ট রোজ মঙ্গলবার) শাহবাগ মোড়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের ছেড়ে চিরদিনের জন্য চলে যায়।

যাকে নিয়ে পত্র-পত্রিকায় ২-৩ দিন খুব লেখালেখি হয়, রাস্তা অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর, জ্বালাও পুড়াও, শোক সভা, কফিন মিছিল.........কত তামাশাই না হয়!!! দলের নেতাকর্মীরা কত প্রতিশ্রুতি দেয়, শাহবাগ মোড়ে ফুটওভারব্রীজ করবে এই করবে সেই করবে......কিছুদিন পর সবই সব ভুলে যায়!!! আজ তার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী!

এভাবেই সব সময় দল বদলায়, সময় বদলায় কিন্তু আমরা সাধারান মানুষের ভাগ্য বদলায় না, আমরা বারবার শুধু প্রতিশ্রুতিই পেয়ে থাকি, বারবারই আমাদের এভাবে মরতে হয়! আমরা বাঙালি মনে হয় এমনই, কোন একটা বিষয় নিয়ে ২-৩ দিন লাফালাফি করার পর সব ভুলে যায়!! আর কত মিথ্যে প্রতিশ্রুতি শুনবো আমরা, আর কত জামানদের রক্ত ঝরার পর আমাদের টনক নড়বে, কবে এই দেশের মানুষ ঘুম থেকে জেগে উঠবে??? হ্যাপি, জামানদের মৃত্যুতে কার কি যায় আসে। যা হবার সে তো হয় তাদের পরিবারের। তাতে আমাদের কী। আমাদের ভাই-বোন, ছেলেমেয়েরা তো আর মারা যায়নি।

বন্ধু তুই আমাকে মাফ করে দিস আমি এক বছর পরেও কাকীকে, আপাকে ফোন দিতে সাহস পাইনি। আমি ফোন দিয়ে কি বলবো তাঁদের, কিই বা বলার আছে আমার। আমি কি পারবো তোর শূন্যতাটা পূরণ করতে, পারবো না বরং তাতে তাঁদের কষ্টটা আরও বেড়ে যাবে অনেক কিছু লিখার ছিল, অনেক কিছুই আজ বলতে ইচ্ছে করছে কিন্তু আর লিখতে পারছি না আমি। টাইপ করতে গিয়ে হাত কাঁপছে, বুকটা কষ্টে ফেটে যাচ্ছে, গলাটা কেন জানি বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে, দু'চোখ দিয়ে কি জানি বৃষ্টির ফোটার মত টপটপ করে পড়ছে। শ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে। বন্ধু তুই যেখানেই থাকিস ভালো থাকিস, আল্লাহ্‌ যেন তোর সকল গুনাহ মাফ করে দিয়ে তোকে বেহেশত দান করেন। (আমীন)

মূল লিখক- জামানের কাজিন আরিফুল হক
কার্টেসি - নাজিরুল ইসলাম

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


South Bonosree
Dhaka
1219