Bhuiyan Academy

Bhuiyan Academy

Share

এই পেজের মূল উদ্দেশ্য JSC, SSC, HSC ও Admission Candidate-দ?

18/08/2022

প্রতিবছর ৩০ নভেম্বর বিসিএস এর সার্কুলার প্রকাশিত হবে।
সোর্সঃ প্রথম আলো

01/07/2022
25/06/2022

এক বছরেই বিসিএস শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে: পিএসসির চেয়ারম্যান
বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগগুলো যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়, সে জন্য নতুন করে পরিকল্পনা করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দ্রুত সময়ে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল দেওয়া, লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখার সময় কমিয়ে আনা, খাতা বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে না দেখলে পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পিএসসি। এ পরিকল্পনা নিয়ে চাকরি-বাকরির সঙ্গে কথা বলেছেন পিএসসির চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মোছাব্বের হোসেন।
এক বছরেই বিসিএস শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে: পিএসসির চেয়ারম্যান
দ্রুত সময়ের মধ্যে ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে পিএসসির রেকর্ড হয়েছে। এটি কীভাবে সম্ভব হলো?
সোহরাব হোসাইন: গত বুধবার বিকেলে ৪৪তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে ১৫ হাজার ৭০৮ প্রার্থী পাস করেন। এই প্রার্থীরা এখন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন। ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬০ প্রার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেন। চলতি বছরের ২৭ মে ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় প্রার্থীরা অংশ নেন। ৪৪তম বিসিএসে মোট আবেদন করেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭১৬ জন।
৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গত মে মাসে নেওয়ার পর এক মাসের আগেই দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ পিএসসির ইতিহাসে রেকর্ড। সঠিক পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন করার কারণে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ সম্ভব হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
এর আগে ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর। আর ফলাফল প্রকাশ হয় ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি। অর্থাৎ প্রিলির ফল তিন মাসের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছিল। একইভাবে ৪১তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ করতে চার মাস সময় লাগে।
সঠিক পরিকল্পনা ও এর বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। এটি আগে থেকে করার কারণে দ্রুত ও কম সময়ের মধ্যেই ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা গেছে। এই ধারাবাহিকতা আমরা ধরে রাখতে চাই। বিসিএসে যত ভাবে সময় কমিয়ে এনে যাতে দ্রুত সময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়, সে চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে দ্রুত সময়ে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। এক বছরেই যাতে একটি বিসিএসের নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করা যায় সে জন্য চেষ্টা চলছে।
বিসিএসে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে কোন পরীক্ষায়? এটি কমাতে কী উদ্যোগ নিচ্ছেন?
সোহরাব হোসাইন: বিসিএসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ লিখিত পরীক্ষা। এই ধাপে বিষয়ভিত্তিক ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। এই ধাপের ফল পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় প্রার্থীদের। ফলে একটি বিসিএস শেষ হতেই কয়েক বছর লেগে যায়। লিখিত পরীক্ষার খাতা যাতে কম সময়ে দেখা শেষ করে ফলাফল দেওয়া যায়, এ জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
লিখিত পরীক্ষায় আবশ্যিক ছয়টি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ ছাড়া কারিগরি বা পেশাগত বিষয় থাকে, যা ধাপে ধাপে নেওয়া হয়। এসব পরীক্ষা দিতেও যেমন পিএসসির অনেক সময় লাগে, তেমনি ফলাফল দিতেও সময় লাগে। মূলত বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল দিতে বেশি সময় লাগে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া ও খাতা দেখানোর কাজে।
খাতা দেখার পর মার্কস স্বাভাবিক না হলে তা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছেও পাঠানোর নিয়ম আছে। এই বিপুল কর্মযজ্ঞে সময় লাগার কারণে বিসিএসের সার্বিক ফলাফল দিতে অনেক সময় লাগে।
লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখতে কিছু কিছু পরীক্ষক বেশি সময় নিচ্ছেন বলে পর্যবেক্ষণ করেছে পিএসসির কমিটি। খাতা দেখার জন্য এখন থেকে পরীক্ষকদের সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার নিয়ম চালু করেছে পিএসসি। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাতা দেখতে না পারলে ওই পরীক্ষককে আর কোনো খাতা দেখতে দেওয়া হবে না বলে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খাতা দেখার টাকা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে খাতা দেখা শেষ করতে না পারলে পরীক্ষকের কাছে খাতা নিয়ে নেওয়া হবে এবং আর খাতা দেখার দায়িত্ব দেওয়া হবে না। সর্বোপরি তাঁকে খাতা দেখার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এটি করা গেলে বিসিএসে দীর্ঘ সময় কমে আসবে। আরও কম সময়ে বিসিএসের চূড়ান্ত ফল দেওয়া যাবে। তবে এ জন্য পরীক্ষককে আরও বেশি আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।
বিসিএসে সময় কমিয়ে আনতে আরও কী কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন?
সোহরাব হোসাইন: আমরা চাই বিসিএসের সময় যত কম লাগে সে ব্যবস্থা করতে। এ জন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে যে যে পারদর্শী, তাঁদের সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে। সব কাজ সবাই ভালো পারে না। যে যেই কাজ ভালো পারেন, তাঁকে সেই কাজ দেওয়া হবে। যদি কেউ কাজ ফেলে রাখেন, তাহলে তাঁকে আমরা সেই কাজ দেব না। এ ছাড়া প্রতিটি বিসিএসের আগে আমরা পরিকল্পনা করব। এবং যে যে প্রতিশ্রুতি দেব, সেটি অক্ষরে অক্ষরে পালনের ব্যবস্থা করব। আপনারা লক্ষ করবেন, এখন পিএসসি প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করছে। এটি ঠিক রাখার চেষ্টা করব। কারণ, আমরা এমনভাবে ভেবেচিন্তে সময়গুলো বেঁধে রাখছি, যাতে এটি নিয়ে কোনো দ্বিধা কাজ না করে। এ ছাড়া কাজের সময়ের বাইরেও পিএসসি সরকারি ছুটির দিনে বিশেষ ব্যবস্থায় কাজ করছে। স্বচ্ছতা বজায় রাখছে। আমাদের কারণে যাতে কোনো পরীক্ষা বা ফল প্রকাশে দেরি না হয়, সেটিতে নজর রাখা হচ্ছে।
প্রতিটি বিসিএসের আগে ফেসবুকে নানা গুজব দেখা যায়। কয়েক বছর ধরে বিসিএসের চাকরি নিয়ে তরুণদের বিপুল আগ্রহ বাড়ার পর থেকে পিএসসির নামে ফেসবুকে একাধিক গ্রুপ ও পেজ চালু হয়। এসব গ্রুপের ছবি ও নাম এমনভাবে দেওয়া, যাতে দেখে মনে হয় পিএসসি এসব পেজ বা গ্রুপ তৈরি করেছে। কোনো কোনো পেজ ও গ্রুপে বিসিএসের প্রিলিমিনারি, লিখিত বা ভাইভার সম্ভাব্য তারিখ দেওয়া হয়। এসব দেখে অনেকে এটি পিএসসির দাপ্তরিক ঘোষণা মনে করেন। আবার চূড়ান্ত সুপারিশ কবে দেওয়া হতে পারে, তারও ঘোষণা এসব পেজ ও গ্রুপে দেওয়া হয়ে থাকে। এটি ফেসবুক পেজ পিএসসির নামেও চালানো হয়। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?
সোহরাব হোসাইন: সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নামে ফেসবুকে যত গ্রুপ বা ফেসবুক পেজ আছে, তার সব কটিই ভুয়া। কোনোটিই পিএসসির দাপ্তরিক পেজ বা গ্রুপ নয়।
‘যে পেজের কথা বলছেন, তা পিএসসির কোনো পেজ নয়। এখানে প্রিলিমিনারির যে তারিখের কথা বলা হয়েছে, তার আগেও ফল প্রকাশিত হতে পারে। এ ধরনের ভুয়া পেজের কোনো বক্তব্য পিএসসির দায় নয়। এখানের কোনো কিছুর বিষয়ে পিএসসির অনুমতি নেই। আমরা এই পেজের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাব।

Source: Prothom Alo

এক বছরেই বিসিএস শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে: পিএসসির চেয়ারম্যান 25/06/2022

এক বছরেই বিসিএস শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে: পিএসসির চেয়ারম্যান

এক বছরেই বিসিএস শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে: পিএসসির চেয়ারম্যান বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগগুলো যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়, সে জন্য নতুন করে পরিকল্পনা করেছে সরকারি কর্ম কমিশ.....

31/03/2022

৪০ তম বিসিএস পরীক্ষায় পররাষ্ট্র (বুয়েট) , প্রশাসন (কুয়েট), পুলিশ (কুয়েট) , কাস্টমস (বুয়েট) ও ট্যাক্স (বুয়েট), সড়ক ও জনপথ (চুয়েট) ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকারী সবাই প্রকৌশলী। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাডারে অসংখ্য প্রকৌশলী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

অভিনন্দন সকল প্রকৌশলীদের তাদের এই সফলতার জন্য।

24/03/2022

বিসিএসে আবেদন করার সময় ক্যাডার চয়েসে অনেক সমস্যা হয়। প্রার্থীরা বুঝেন না কোন ক্যাডার প্রথমে দিবেন। কেনই বা সেটা প্রথমে দিবেন। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে মোট ২৭টি ক্যাডার আছে। কে কোন ক্যাডারে যেতে চান, তার উপর ভিত্তি করে আবেদনের সময়ই প্রত্যেক প্রার্থীকে ক্যাডার চয়েস(Cadre Choice) দিতে হয়। ক্যাডার চয়েস মোতাবেক ভাইভা বোর্ডে প্রশ্ন করেন পরীক্ষকরা।
ধরুন, আপনি প্রথম চয়েস দিলেন- পররাষ্ট্র ক্যাডার। তাহলে ভাইভা বোর্ডে আপনাকে পররাষ্ট্র বা কূটনৈতিক বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে। তাই যেই ক্যাডারে আপনি যেতে ইচ্ছুক এবং যেই ক্যাডার সম্পর্কিত আপনার পড়াশুনা আছে, সেই ক্যাডারকে চয়েস লিস্টে প্রথমে দেয়া শ্রেয়।
অনেকেই বিশেষ করে যারা প্রথমবার বিসিএস দিবেন, তারা বিসিএসের ক্যাডারগুলোর কাজের ধরণ ,চাকরিতে সুযোগ সুবিধা ,চাকরির অসুবিধা গুলো জানেন না।
চলুন এই ক্যাডারগুলোর বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক

বিসিএস পররাষ্ট্র
এই বিসিএস ক্যাডার বাংলাদেশের সবচেয়ে আকাঙ্খিত ক্যাডার পদ। শতকরা ৯০ ভাগ প্রার্থীরা পছন্দক্রমে পররাষ্ট্র ক্যাডারকে প্রথমে রাখেন।
আপনি কি একই সাথে চাকরি, বিদেশ ভ্রমণ করতে চান? মানুষের খুবই সহজাতপ্রবৃত্তি হলো নতুন জায়গা দেখা, ঘুরা। নতুন মানুষের সাথে কথা বলা। পররাষ্ট্র ক্যাডারে এসবকিছুই সম্ভব।
বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের সুযোগ–সুবিধাঃ
দূতাবাসে পদায়ন হলে দেশের নিয়মিত বেতনের সাথে অতিরিক্ত ১২০০ ডলার পাবেন। সাথে মাসিক ৩০০ ডলার বিনোদন ভাতা, বার্ষিক ২০ হাজার ডলার বাসা ভাড়া ভাতা দেয়া হবে। এছাড়া দুই সন্তানের পড়াশুনার সম্পূর্ণ খরচ এবং পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসাভাতার মোট ৯০ ভাগ সরকার বহন করবে।
বিদেশে থাকাবস্থায় ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কিনতে পারবেন। যদিও সেই গাড়ি দেশে নিয়ে আসতে চাইলে ট্যাক্স দিতে হবে।
দেশে বিদেশে সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। থাকা, খাওয়া সব সরকার বহন করবে।
বিদেশে যেকোন অনুষ্ঠানে আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাই কুটনীতিক মর্যাদা পাবেন।
বিদেশে প্রভাবশালীদের সাথে একই স্ট্যান্ডার্ডে রাজকীয় ভাবে চলাফেরা করবেন।
এই বিসিএস ক্যাডারে লোক কম হওয়ায় নিশ্চিতভাবে রাষ্ট্রদূত পর্যন্ত প্রমোশন পাবেন।
সর্বোপরি এই ক্যাডারে থাকবে না কোন রাজনৈতিক চাপ। নিশ্চিন্তে নিজের কাজ করে যেতে পারবেন।
বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের অসুবিধাঃ
চাকরির একেবারে প্রথমদিকে সহকারী সচিব হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন। তখন সকল কাজই প্রশিক্ষণমূলক। টাইপিং থেকে শুরু করে সকল প্রকার দাপ্তরিক কাজ করতে হবে। কাজের প্রতি অনীহা চলে আসতে পারে।
প্রথমদিকে কোন গাড়ি পাবেন না। গণমাইক্রোবাসে করে অফিস যাতায়াত করতে হবে।
৬ বছরে ২ টি দেশে পোস্টিং হবে। তারপরের ৩ বছর ঢাকায় পোস্টিং থাকবে। ফলে এক জায়গায় বেশিদিন থাকতে পারবেন না।
সবশেষে পররাষ্ট্র ক্যাডারে বলতে গেলে তেমন কোন অসুবিধাই নেই। দেশ-বিদেশে রাজকীয় স্টাইলে চলাফেরা করতে, নিজের দেশকে পুরো বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চাইলে এই ক্যাডার আপনার জন্য।
বিসিএস পুলিশ
মৌলিকা চাহিদার পরে আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার হয় “নিরাপত্তা”। জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করে। একেবারে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে উপর মহল পর্যন্ত পুলিশের বিস্তৃতি। এত বিস্তৃত কর্মপরিধি অন্য কোন বিসিএস ক্যাডারে নেই।
বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
পুলিশ ক্যাডারে আপনার পরিবারের বা আত্মীয়স্বজনকে যতটা সাহায্য করতে পারবেন, অন্য কোন বিসিএস ক্যাডারে থেকে সেটা পারবেন না। যত ধরনের সমস্যাই হোক না কেন, একজন পুলিশ ক্যাডার হিসেবে সব জায়গায় আলাদা সম্মান পাওয়া যায়।
রাজশাহীর সারদা একাডেমীতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি মাস্টার্স ও কমপ্লিট হয়ে যাবে।
চাকরির শুরু থেকেই বডিগার্ড, ভাতা, বাংলো, গাড়ি সকল সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে।
বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে দেশ বিদেশে সরকারি খরচে যেতে পারবেন। এছাড়া ও জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করতে পারবেন। প্রতি মিশনে ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।
সাধারণ পুলিশি কাজ ভালো না লাগলে স্পেশাল ফোর্স, এসএসএফ, গোয়েন্দা, র‍্যাব সহ অন্যান্য ফোর্স গুলোতে কাজ করতে পারবেন।
সামাজিক অনুষ্ঠানে মর্যাদা, সম্মান, খ্যাতি অন্যদের তুলনায় বেশি পাবেন।
দেশের পরিকল্পনা গুলো মাঠে থেকে বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবেন।
বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের অসুবিধাঃ
চাকরির কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নাই। দিনে রাতে ২৪ ঘন্টাই ডিউটি। বড় কোন ছুটি নেই। রাত ২ টায় কল আসলেও বিছানা ছেড়ে যেতে হবে।
পুলিশ ক্যাডারের বর্তমান ইমেজ একটু খারাপ। সাধারণ লোকের চোখে পুলিশ মানেই ঘুষখোর। যদিও এটা ঠিক নয়।
চাকরিতে অবৈধ পথে যাবার সম্ভাবনা অনেক। তবে নিজে সৎ থাকলে অনেকটাই এড়ানো যাবে।
রাজনৈতিক প্রেশার খুব বেশি। যাদের পলিটিক্স ভালো লাগে না, তারা পুলিশ ক্যাডারে জুতসই করে উঠতে পারবেন না।
আরও পড়ুন: বিসিএস পরীক্ষা পদ্ধতি (শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষা)
বিসিএস এডমিন বা বিসিএস প্রশাসন
সরকারের সকল প্রশাসনিক কাজ, প্রতিবেদন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সকল ক্যাডারদের সমন্বয় সাধন করে থাকেন প্রশাসন বা এডমিন বিসিএস ক্যাডাররা। পূর্বে পুলিশের উপর এডমিন ক্যাডারদের কিছু কর্তৃত্ব ছিল। এডমিনরা উপজেলা পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ে ম্যাজিট্রেসি করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে বিচার ব্যবস্থা সুপ্রিম কোর্টের আওতাধীনে থাকায় এডমিনদের জৌলস কমে গেছে। তাই এডমিন ক্যাডার ৩য় স্থানে চলে এসেছে।
বিসিএস এডমিন বা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
এডমিন ক্যাডার থেকে শতকরা ৮০ ভাগ সচিবালয়ে নিয়োগ হয়। তাই আপনি এডমিন ক্যাডার হলে সচিবালয়ে পদোন্নতি পাবেন। এমনকি কম বয়সে চাকরিতে জয়েন করলে ক্যাবিনেট সচিব পর্যন্ত হতে পারবেন, যার মর্যাদা সংসদ সদস্য থেকেও বেশি।
বিভিন্ন অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয়ে কাজ করতে পারবেন।
বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে কাজ করতে পারবেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষা, ট্রেনিং সরকারি খরচে করতে পারবেন।
গাড়ি, বাংলো সুবিধা পাবেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারবেন।
বিসিএস এডমিন ক্যাডারের অসুবিধাঃ
রাজনৈতিক চাপ বেশি। কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ একটু কম। এই ক্যাডারেও দুর্নীতির বেশ অভিযোগ আছে। তবে নিজে সৎ থাকলে কাজ করতে পারবেন।
অন্যান্য ক্যাডার থেকে অনেকেই সচিবালয়ে আসার জন্য এডমিন ক্যাডারে চলে আসেন। সেজন্যে পদোন্নতি অনেকটা ধীরগতির।
কাজে বৈচিত্র্যতা বেশি এবং ট্রান্সফার হবে ঘন ঘন। তাই নতুন পরিবেশে যাদের মানাতে কষ্ট হয়, তাদের একটু সমস্যা হবে।
বিসিএস শুল্ক ও আবগারি/ বিসিএস কাস্টমস
কাস্টমস ক্যাডার অনেকেই ১ম চয়েসে রাখেন। এই বিভাগে উটকো কোন ঝামেলা নেই। নিরিবিলি পরিবেশে কাজ করা যায়। চাকরির শুরুতে আপনাকে সহকারী কমিশনার (কাস্টমস) পদে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যোগদান করতে হবে।
বিসিএস কাস্টমস ক্যাডারের সু্যোগ সুবিধাঃ
চাকরির শুরুতেই গাড়ি পাওয়া যাবে যাতায়াতের জন্য।
নিরিবিলি পরিবেশে অফিস থাকবে। কম সময়ের মধ্যেই দেশের শিল্পপতিদের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠবে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যাবার সুযোগ পাবেন। ধনী ব্যবসায়ীদের সাথে উঠাবসা লেগে থাকবে।
এই বিসিএস ক্যাডারে বৈধভাবে প্রচুর আয় করা সম্ভব। চোরাচালান ধরতে পারলে সরকার ত্থেকে মূল্যভেদে ১০-৪০% পর্যন্ত পুরস্কার পাবেন।
সাধারণ চাকরি ভালো না লাগলে শুল্ক গোয়েন্দা হিসেবে ও কাজ করতে পারবেন।
বিসিএস কাস্টমস ক্যাডারের অসুবিধাঃ
কাস্টমস ক্যাডার দুর্নীতির জন্য বেশ সমালোচিত। দুর্নীতি করার অনেক সুযোগ আছে কর্মক্ষেত্রে। তবে সদিচ্ছা থাকলে কোন প্রকার দুর্নীতি ছাড়াই বৈধভাবে চাকরি করতে পারবেন। চোরাচালান ধরতে পারলে অতিরিক্ত অনেক টাকা সরকারের পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে পাবেন।
পদোন্নতি অতিরিক্ত কমিশনার পর্যন্ত ভালো। তবে অনেকেই চাকরির এক পর্যায়ে প্রশাসন ক্যাডারে চলে যায় সচিবালয়ে চাকরির জন্য। এবং রাজস্ব বোর্ডের প্রধান ও আসেন প্রশাসন ক্যাডার থেকে।
বিসিএস কর
আয়কর বিভাগের ক্যাডাররা অর্থমন্ত্রণালয়ের অধীন এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) এর একটি শাখায় কাজ করেন। সরকারের প্রত্যক্ষ সকল প্রকারের কর এই বিভাগে নেয়া হয়। এই ক্যাডারে ক্ষমতা তেমন খাটাতে পারবেন না। পদোন্নতি পেয়ে উপরে উঠে গেলে ক্ষমতা দেখানো ও খাটানোর যথেষ্ঠ সুযোগ পাবেন। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ – সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
বিসিএস কর ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
কর ফাঁকি ধরতে পারলে মোটা অংকের গ্রান্ট বা রিওয়ার্ড পাওয়া যায় সরকারের পক্ষ থেকে।
পদোন্নতি প্রথমদিকে বেশ ভালোই। তবে চাকরির মাঝপথে পদোন্নতি কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ে। কারণ প্রশাসন ক্যাডার থেকে অনেকেই এই বিভাগের উর্ধ্বস্থানীয় পদে আসতে চান।
কাজের চাপ সারা বছর খুব একটা নেই বললেই চলে, কিছু নির্দিষ্ট সময় ছাড়া।
দেরীতে চাকরিতে যোগদান হলে এই ক্যাডারে আসা লাভজনক।
বিসিএস কর বিভাগের অসুবিধাঃ
চাকরির শুরুতে সুবিধা মোটামোটি থাকলেও কাস্টমস ক্যাডার থেকে অনেক কম।
ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের সময় কাজের প্রেশার অনেক বেশি থাকে। এই সময় রাত ১০-১২টা পর্যন্তকাজ করা লাগতে পারে।
রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কিন্তু আসেন প্রশাসন ক্যাডার থেকে। তাই রাজস্ব বোর্ডের প্রধান হতে পারবেন না।
বিসিএস নিরীক্ষা ও হিসাব বা বিসিএস অডিট
সরকারের যত আয় ও ব্যয় হয়, তার হিসাব ও নিরীক্ষা করেন অডিট ক্যাডাররা। এই বিসিএস ক্যাডার অনেক সম্মানজনক। সবাই অডিট ক্যাডারদের সমীহ করে চলেন।
কারণ জানতে ইচ্ছা হয়?
তবে শুনুন।
সরকারের প্রতিটি বিভাগেই খরচ ও আয়ের হিসেবে কিছু ভুল থাকেই। আর এই ভুল ধরেন অডিট ক্যাডাররা। তাই অন্য সব বিসিএস ক্যাডাররা অডিট ক্যাডারদের কিছু হলেও ভয় পান। সরকারের প্রতিটি বিভাগের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেন অডিট ক্যাডাররা।
বিসিএস অডিট ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
সরকারের প্রতিটি বিভাগেই অডিট বিভাগ থাকে। তাই কাজে ভিন্নতা পাবেন।
বিদেশে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। আপনার পকেট থেকে একটা টাকা ও ব্যয় করতে হবে না। ট্রেনিং করতে পারবেন ফ্রিতে।
সম্মান পাবেন প্রশাসন, পুলিশ ক্যাডারদের মতো।
সর্বোপরি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন ও বৈধ উপায়ে টাকা ও উপার্জন করতে পারবেন।
অবসরে যাওয়ার পরে ও বিভিন্ন কোম্পানি থেকে অডিট করার অফার পাবেন।
বিসিএস অডিট ক্যাডারের অসুবিধাঃ
দুর্নীতির অভিযোগ আছে এই ক্যাডারে। দুর্নীতির বেশ কিছু অফার আসবে আপনার কাছে। একটা পেপারে সাইন করলেই হয়ত ৫০ লাখ টাকা পেয়ে যেতে পারেন। তবে সদিচ্ছা আর সততা থাকলে কোন দুর্নীতি আপনাকে ছুতে পারবেনা।
বিসিএস খাদ্য
খাদ্য ছাড়া কেউ বাঁচতে পারব না। এই খাদ্যের উৎপাদন, বিপণন, বিতরণ নিশ্চিত করেন খাদ্য বিভাগের ক্যাডাররা। চাকরির শুরুতে সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন। তারপরে আপনাকে খাদ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করা হবে। সেখান থেকে জেলা পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
বিসিএস খাদ্য বিভাগের সুযোগ সুবিধাঃ
চাকরিতে কোন ঝামেলা নেই। কাজের প্রেশার নেই। বেশ সহজভাবেই কাজ করতে পারবেন।
মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সাথে কাজ পারবেন। তাদের সুবিধা অসুবিধা দেখতে পারবেন।
কৃষক প্রেমীরা এই ক্যাডারে আসতে পারেন। দেশের মূলধারার কৃষিকাজের স্বচ্ছতা আপনার উপর নির্ভর করবে।
বিসিএস খাদ্য বিভাগের অসুবিধাঃ
চাকরির শুরুতে গাড়ি পাবেন না।
ক্ষমতা দেখানোর তেমন সুযোগ নেই।
অতিরিক্ত আয়, যেমনঃ সরকার কর্তৃক অর্থ পুরস্কার পাবার তেমন কোন সুযোগ নেই।
বিসিএস বাণিজ্য
দেশের আমদানি ও রপ্তানির সাম্যাবস্থা বাণিজ্য ক্যাডাররা দেখে থাকেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে যোগদান করতে হয়। তারপরে মন্ত্রণালয়ে অথবা বিভাগীয় শহরে পোস্টিং হয়।
বাণিজ্য বিসিএস ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
যাতায়াতের জন্য গাড়ি পাওয়া যায়।
চাকরিতে কাজের চাপ নেই। তাই ছুটি পাওয়া যায় প্রচুর।
পদোন্নতি ভালো এবং দ্রুত হয়।
বিদেশে ভ্রমণের সুযোগ আছে। বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে কাজ করার সুযোগ থাকে।
বাণিজ্য বিসিএস ক্যাডারের অসুবিধাঃ
চাকরিতে তুলনামূলক সম্মান কম।
অদূর ভবিষ্যতে বাণিজ্য ক্যাডার প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত হবার সুযোগ আছে।
বিসিএস আনসার
এই ক্যাডারে চাকরি করতে হলে আপনাকে নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পড়তে হবে পুলিশের মতো। চাকরির শুরুতে আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তরের অধীনে সহকারী জেলা এডজুটেন্ট হিসেবে পদায়ন হয়। আনসার ক্যাডাররা পুলিশের মতো আইন প্রয়োগ করতে পারেন না। তারা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়ক হিসেবে কাজ করেন।
আনসার বিসিএস ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
চাকরির শুরুতেই গাড়ি, বাড়ি, বডিগার্ড পাওয়া যায়। পুলিশ ক্যাডারে যত সুবিধা পাওয়া যায় এই ক্যাডারে ও সেগুলো পাওয়া যায়।
পদোন্নতি বেশ ভালো। সবকিছু ঠিক থাকলে মহাপরিচালক পর্যন্ত যাওয়া যায়।
বিদেশে মিশনে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
আনসার বিসিএস ক্যাডারের অসুবিধাঃ
মহাপরিচালক হলেও কাজ করতে হয় প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে। তাই অনেকেই এই ক্যাডারে আসতে চান না।
পুলিশের মতো ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ নেই।
বিসিএস তথ্য
প্রচারেই প্রসার বলে একটা কথা আছে। তথ্য ক্যাডাররা সরকারি কাজের তথ্য-উপাত্ত সাংবাদিকদের কাছে পৌছে দেন। চাকরির শুরুতেই সহকারি পরিচালক বা সমমানের পদে যোগদান করতে হয়। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ- প্রধান তথ্য অফিসার।
তথ্য বিসিএস ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
মিডিয়ার সাথে খুব সহজেই সখ্যতা গড়ে উঠে। নিজের পরিচিতি খুব সহজেই বিস্তার করার সুযোগ পাবেন।
চাকরিতে কাজের প্রেশার নেই। রাজনৈতিক চাপ নেই।
চাকরিতে ভালো না লাগলে পুল সিস্টেমের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারবেন।
বিসিএস তথ্য ক্যাডারের অসুবিধাঃ
প্রশাসনিক সম্মান ও ক্ষমতা অনেক কম।
কাজের পরিধি কম।
কাজ একই ধরনের হওয়ায় কর্মক্ষেত্রে একঘেমেয়িতা চলে আসতে পারে।
বিসিএস ডাক
ডাক বিভাগের সকল কাজ এই ক্যাডাররা করে থাকেন। ডাক বিভাগে যোগদান করবেন সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল হিসেবে। সর্বোচ্চ পদ- মহাপরিচালক। সরকারি চিঠিপত্র আদান-প্রদান, মানি অর্ডার, ব্যক্তিগত চিঠি, ডাক বিভাগের সঞ্চয়ী হিসাব সহ অন্যান্য দাপ্তরিক কাজগুলোর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করবেন।
বিসিএস ডাক বিভাগের সুযোগ সুবিধাঃ
কাজের প্রেশার নেই। ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ডিউটি।
পর্যাপ্ত ছুটি পাওয়া যায়।
২০ বছর চাকরি করার পর প্রশাসন ক্যাডারে চলে যাবার সুযোগ আছে।
বিসিএস ডাক ক্যাডারের অসুবিধাঃ
পদোন্নতি অনেক ধীর।
ক্ষমতা, সম্মান নেই বললেই চলে।
বিসিএস সমবায়
সমবায় বিসিএস ক্যাডার বিভিন্ন সমবায় সমিতির লাইসেন্স প্রদান, বার্ষিক অডিট, সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে। সহকারী নিবন্ধক হিসেবে চাকরির শুরুতে যোগদান করতে হয়। জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে পোস্টিং হয়। সমবায় ক্যাডাররা বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয় সাধন করতে ভূমিকা রাখেন।
বিসিএস সমবায় ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
কাজের প্রেশার নেই।
রাজনৈতিক চাপ নেই।
চাকরির শেষদিকে প্রশাসন ক্যাডারে উপসচিব হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বিসিএস সমবায় ক্যাডারের অসুবিধাঃ
গাড়ি, বাড়ি সুবিধা নেই।
প্রভাব প্রতিপত্তি একেবারেই নেই।
বিসিএস রেলওয়ে পরিবহণ ও বাণিজ্যিক
রেলওয়ে পরিবহণ, উন্নয়ন, রেলওয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব এই ক্যাডাররা পালন করে থাকেন। চাকরির শুরুতে সহকারী ট্রাফিক সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে যোগদান করতে হবে। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ- মহাপরিচালক।
বিসিএস রেলওয়ে পরিবহণ ও বাণিজ্যিক ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
কাজের প্রেশার কম।
প্রয়োজনীয় ছুটি পাওয়া যায়।
১৮/২০ বছর পরে চাইলে প্রশাসন ক্যাডারে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারবেন।
বিসিএস রেলওয়ে পরিবহণ ও বাণিজ্যিক ক্যাডারের অসুবিধাঃ
পদোন্নতি বেশ ধীরগতির। মহাপরিচালক পদে যাবার সম্ভাবনা খুব কম। কারিগরি ক্যাডার থেকে মহাপরিচালক পদে নিয়োগ হয়।
ক্ষমতা, সম্মানের দিক দিয়ে এই ক্যাডার অনেক পিছিয়ে। তাই প্রায় সবাই এই ক্যাডারকে পছন্দে নিচের দিকে রাখেন।
বিসিএস পরিবার পরিকল্পনা
পরিবার পরিকল্পনার জন্য সরকারি সব ধরনের প্রোগ্রাম এই বিভাগের ক্যাডাররা করে থাকেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বা বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে পোস্টিং হয়। আপনি এক ক্যাডারে নিয়োগ পেলে, জনগনের সাথে মাঠ পর্যায়ে মিশে পরিবার পরিকল্পনার কাজগুলো করতে হবে।
বিসিএস পরিবার পরিকল্পনার ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
কাজের প্রেশার তেমন একটা নেই।
প্রকল্প নিজেই বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবেন।
চাকরি ভালো না লাগলে পরবর্তীতে প্রশাসন ক্যাডারে চলে যাবার সুযোগ পাবেন।
পরিবার পরিকল্পনা বিসিএস ক্যাডারের অসুবিধাঃ
উপজেলা পর্যায়ে বা জেলা পর্যায়ে যেখানেই পোস্টিং হোক না কেন, প্রশাসন ক্যাডারের অধীনে কাজ করতে হয়। অথবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অধীনে কাজ করতে হয়।
অনেক সময় নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেলে তার অধীনে কাজ করতে হয়।
এইসব কারণে অনেকেই এই ক্যাডারকে পছন্দক্রমে নিচের দিকে রাখেন।
এই ক্যাডারগুলোই চয়েস লিস্টে রাখেন ক্যাডার প্রার্থীরা। তবে প্রতিটি প্রার্থীর ইচ্ছা ভিন্ন থাকে। নিজ প্যাশনের উপর নির্ভর করে তালিকার পদক্রম ভিন্ন হয়। সবাই পররাষ্ট্র ক্যাডার ১ম চয়েসে দিলে যে আপনাকেও সেটা প্রথমে দিতে হবে এমন কোন কথা নেই। যে ক্যাডারে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন, সে বিবেচনায় সেই ক্যাডারকে পছন্দতালিকায় উপরে দিবেন।

07/03/2022

বিসিএস নিরীক্ষা ও হিসাব বা বিসিএস অডিট

সরকারের যত আয় ও ব্যয় হয়, তার হিসাব ও নিরীক্ষা করেন অডিট ক্যাডাররা। এই বিসিএস ক্যাডার অনেক সম্মানজনক। সবাই অডিট ক্যাডারদের সমীহ করে চলেন।

কারণ জানতে ইচ্ছা হয়?

তবে শুনুন।

সরকারের প্রতিটি বিভাগেই খরচ ও আয়ের হিসেবে কিছু ভুল থাকেই। আর এই ভুল ধরেন অডিট ক্যাডাররা। তাই অন্য সব বিসিএস ক্যাডাররা অডিট ক্যাডারদের কিছু হলেও ভয় পান। সরকারের প্রতিটি বিভাগের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেন অডিট ক্যাডাররা।

বিসিএস অডিট ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ

সরকারের প্রতিটি বিভাগেই অডিট বিভাগ থাকে। তাই কাজে ভিন্নতা পাবেন।
বিদেশে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। আপনার পকেট থেকে একটা টাকা ও ব্যয় করতে হবে না। ট্রেনিং করতে পারবেন ফ্রিতে।
সম্মান পাবেন প্রশাসন, পুলিশ ক্যাডারদের মতো।
সর্বোপরি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন ও বৈধ উপায়ে টাকা ও উপার্জন করতে পারবেন।
অবসরে যাওয়ার পরে ও বিভিন্ন কোম্পানি থেকে অডিট করার অফার পাবেন।
বিসিএস অডিট ক্যাডারের অসুবিধাঃ

দুর্নীতির অভিযোগ আছে এই ক্যাডারে। দুর্নীতির বেশ কিছু অফার আসবে আপনার কাছে। একটা পেপারে সাইন করলেই হয়ত ৫০ লাখ টাকা পেয়ে যেতে পারেন। তবে সদিচ্ছা আর সততা থাকলে কোন দুর্নীতি আপনাকে ছুতে পারবেনা।

06/03/2022

৪৪তম বিসিএসে আবেদন সাড়ে তিন লাখের বেশি

৪৪তম বিসিএসে আবেদনকারী প্রার্থীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে বলে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা গেছে। গত বুধবার এ বিসিএসে আবেদনের সময় শেষ হয়।
পিএসসি সূত্র আজ রোববার প্রথম আলোকে জানিয়েছে, ৪৪তম বিসিএসে মোট আবেদন করেছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭১৬ জন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ না হওয়ার কারণে এ বিসিএসের আবেদনের সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছিল।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ৪৪তম বিসিএসের অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। প্রথম দফায় আবেদনের শেষ সময় ছিল ৩১ জানুয়ারি। পরে তা বাড়িয়ে ২ মার্চ নির্ধারণ করে পিএসসি।
৪৪তম বিসিএস হবে সাধারণ (জেনারেল)। এ বিসিএসে নেওয়া হবে ১ হাজার ৭১০ জনকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষা ক্যাডারে নেওয়া হবে, ৭৭৬ জন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে ২৭ মে।

পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল ৪১তম বিসিএসে। ওই বিসিএসে ৪ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। ৪৩তম বিসিএসে আবেদন পড়েছিল ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯০টি। ৪০তম বিসিএসে আবেদন পড়েছিল ৪ লাখ ১২ হাজার। আবেদনের হিসাবে ৪৩তম বিসিএস দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ব্রুনেই, বাহামা, আইসল্যান্ড, বার্বাডোজ, সেন্ট লুসিয়া, গ্রেনাডাসহ কয়েকটি দেশের জনসংখ্যাও এত নয়, যতজন ৪৩তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন।
৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১০, আনসার ক্যাডারে ১৪, নিরীক্ষা ও হিসাবে ৩০, করে ১১, সমবায়ে ৮, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিকে ৭, তথ্যে ১০, ডাকে ২৩, বাণিজ্যে ৬, পরিবার পরিকল্পনায় ২৭, খাদ্যে ৩, টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৪৮৫ ও শিক্ষা ক্যাডারে ৭৭৬ জন।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর বণ্টন
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ৩৫, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ৩৫, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৩০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ২০, ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ১০, সাধারণ বিজ্ঞান ১৫, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১৫, গাণিতিক যুক্তি ১৫, মানসিক দক্ষতা ১৫, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনের ওপর ১০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বণ্টন
সাধারণ ক্যাডারের জন্য লিখিত পরীক্ষায় বাংলা ২০০, ইংরেজি ২০০, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০, গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা ১০০ (মানসিক দক্ষতা পরীক্ষার এমসিকিউ ৫০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা যাবে) এবং সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ১০০। আর মৌখিক পরীক্ষা হবে ২০০ নম্বরের। তবে প্রফেশনাল/টেকনিক্যাল ক্যাডারের প্রার্থীদের বাংলায় ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর, সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ের বদলে সংশ্লিষ্ট পদের প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাসপ্রাপ্তি
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ও লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে তাঁদের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ডাউনলোড করতে পারবেন।

05/03/2022

বিসিএস কর
আয়কর বিভাগের ক্যাডাররা অর্থমন্ত্রণালয়ের অধীন এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) এর একটি শাখায় কাজ করেন। সরকারের প্রত্যক্ষ সকল প্রকারের কর এই বিভাগে নেয়া হয়। এই ক্যাডারে ক্ষমতা তেমন খাটাতে পারবেন না। পদোন্নতি পেয়ে উপরে উঠে গেলে ক্ষমতা দেখানো ও খাটানোর যথেষ্ঠ সুযোগ পাবেন। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ – সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বিসিএস কর ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ

কর ফাঁকি ধরতে পারলে মোটা অংকের গ্রান্ট বা রিওয়ার্ড পাওয়া যায় সরকারের পক্ষ থেকে।
পদোন্নতি প্রথমদিকে বেশ ভালোই। তবে চাকরির মাঝপথে পদোন্নতি কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ে। কারণ প্রশাসন ক্যাডার থেকে অনেকেই এই বিভাগের উর্ধ্বস্থানীয় পদে আসতে চান।
কাজের চাপ সারা বছর খুব একটা নেই বললেই চলে, কিছু নির্দিষ্ট সময় ছাড়া।
দেরীতে চাকরিতে যোগদান হলে এই ক্যাডারে আসা লাভজনক।
বিসিএস কর বিভাগের অসুবিধাঃ

চাকরির শুরুতে সুবিধা মোটামোটি থাকলেও কাস্টমস ক্যাডার থেকে অনেক কম।
ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের সময় কাজের প্রেশার অনেক বেশি থাকে। এই সময় রাত ১০-১২টা পর্যন্তকাজ করা লাগতে পারে।
রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কিন্তু আসেন প্রশাসন ক্যাডার থেকে। তাই রাজস্ব বোর্ডের প্রধান হতে পারবেন না।

05/03/2022

বিসিএস শুল্ক ও আবগারি/ বিসিএস কাস্টমস

কাস্টমস ক্যাডার অনেকেই ১ম চয়েসে রাখেন। এই বিভাগে উটকো কোন ঝামেলা নেই। নিরিবিলি পরিবেশে কাজ করা যায়। চাকরির শুরুতে আপনাকে সহকারী কমিশনার (কাস্টমস) পদে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যোগদান করতে হবে।

বিসিএস কাস্টমস ক্যাডারের সু্যোগ সুবিধাঃ
চাকরির শুরুতেই গাড়ি পাওয়া যাবে যাতায়াতের জন্য।
নিরিবিলি পরিবেশে অফিস থাকবে। কম সময়ের মধ্যেই দেশের শিল্পপতিদের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠবে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যাবার সুযোগ পাবেন। ধনী ব্যবসায়ীদের সাথে উঠাবসা লেগে থাকবে।
এই বিসিএস ক্যাডারে বৈধভাবে প্রচুর আয় করা সম্ভব। চোরাচালান ধরতে পারলে সরকার ত্থেকে মূল্যভেদে ১০-৪০% পর্যন্ত পুরস্কার পাবেন।
সাধারণ চাকরি ভালো না লাগলে শুল্ক গোয়েন্দা হিসেবে ও কাজ করতে পারবেন।

বিসিএস কাস্টমস ক্যাডারের অসুবিধাঃ
কাস্টমস ক্যাডার দুর্নীতির জন্য বেশ সমালোচিত। দুর্নীতি করার অনেক সুযোগ আছে কর্মক্ষেত্রে। তবে সদিচ্ছা থাকলে কোন প্রকার দুর্নীতি ছাড়াই বৈধভাবে চাকরি করতে পারবেন। চোরাচালান ধরতে পারলে অতিরিক্ত অনেক টাকা সরকারের পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে পাবেন।

পদোন্নতি অতিরিক্ত কমিশনার পর্যন্ত ভালো। তবে অনেকেই চাকরির এক পর্যায়ে প্রশাসন ক্যাডারে চলে যায় সচিবালয়ে চাকরির জন্য। এবং রাজস্ব বোর্ডের প্রধান ও আসেন প্রশাসন ক্যাডার থেকে।

03/03/2022

বিসিএস এডমিন বা বিসিএস প্রশাসন

সরকারের সকল প্রশাসনিক কাজ, প্রতিবেদন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সকল ক্যাডারদের সমন্বয় সাধন করে থাকেন প্রশাসন বা এডমিন বিসিএস ক্যাডাররা। পূর্বে পুলিশের উপর এডমিন ক্যাডারদের কিছু কর্তৃত্ব ছিল। এডমিনরা উপজেলা পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ে ম্যাজিট্রেসি করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে বিচার ব্যবস্থা সুপ্রিম কোর্টের আওতাধীনে থাকায় এডমিনদের জৌলস কমে গেছে। তাই এডমিন ক্যাডার ৩য় স্থানে চলে এসেছে।

বিসিএস এডমিন বা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ
এডমিন ক্যাডার থেকে শতকরা ৮০ ভাগ সচিবালয়ে নিয়োগ হয়। তাই আপনি এডমিন ক্যাডার হলে সচিবালয়ে পদোন্নতি পাবেন। এমনকি কম বয়সে চাকরিতে জয়েন করলে ক্যাবিনেট সচিব পর্যন্ত হতে পারবেন, যার মর্যাদা সংসদ সদস্য থেকেও বেশি।
বিভিন্ন অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয়ে কাজ করতে পারবেন।
বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে কাজ করতে পারবেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষা, ট্রেনিং সরকারি খরচে করতে পারবেন।
গাড়ি, বাংলো সুবিধা পাবেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারবেন।

বিসিএস এডমিন ক্যাডারের অসুবিধাঃ
রাজনৈতিক চাপ বেশি। কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ একটু কম। এই ক্যাডারেও দুর্নীতির বেশ অভিযোগ আছে। তবে নিজে সৎ থাকলে কাজ করতে পারবেন।

অন্যান্য ক্যাডার থেকে অনেকেই সচিবালয়ে আসার জন্য এডমিন ক্যাডারে চলে আসেন। সেজন্যে পদোন্নতি অনেকটা ধীরগতির।
কাজে বৈচিত্র্যতা বেশি এবং ট্রান্সফার হবে ঘন ঘন। তাই নতুন পরিবেশে যাদের মানাতে কষ্ট হয়, তাদের একটু সমস্যা হবে।

02/03/2022

বিসিএস পুলিশ
মৌলিকা চাহিদার পরে আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার হয় “নিরাপত্তা”। জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করে। একেবারে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে উপর মহল পর্যন্ত পুলিশের বিস্তৃতি। এত বিস্তৃত কর্মপরিধি অন্য কোন বিসিএস ক্যাডারে নেই।

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের সুযোগ সুবিধাঃ

পুলিশ ক্যাডারে আপনার পরিবারের বা আত্মীয়স্বজনকে যতটা সাহায্য করতে পারবেন, অন্য কোন বিসিএস ক্যাডারে থেকে সেটা পারবেন না। যত ধরনের সমস্যাই হোক না কেন, একজন পুলিশ ক্যাডার হিসেবে সব জায়গায় আলাদা সম্মান পাওয়া যায়।
রাজশাহীর সারদা একাডেমীতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি মাস্টার্স ও কমপ্লিট হয়ে যাবে।
চাকরির শুরু থেকেই বডিগার্ড, ভাতা, বাংলো, গাড়ি সকল সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে।
বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে দেশ বিদেশে সরকারি খরচে যেতে পারবেন। এছাড়া ও জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করতে পারবেন। প্রতি মিশনে ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।
সাধারণ পুলিশি কাজ ভালো না লাগলে স্পেশাল ফোর্স, এসএসএফ, গোয়েন্দা, র‍্যাব সহ অন্যান্য ফোর্স গুলোতে কাজ করতে পারবেন।
সামাজিক অনুষ্ঠানে মর্যাদা, সম্মান, খ্যাতি অন্যদের তুলনায় বেশি পাবেন।
দেশের পরিকল্পনা গুলো মাঠে থেকে বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবেন।
বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের অসুবিধাঃ

চাকরির কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নাই। দিনে রাতে ২৪ ঘন্টাই ডিউটি। বড় কোন ছুটি নেই। রাত ২ টায় কল আসলেও বিছানা ছেড়ে যেতে হবে।
পুলিশ ক্যাডারের বর্তমান ইমেজ একটু খারাপ। সাধারণ লোকের চোখে পুলিশ মানেই ঘুষখোর। যদিও এটা ঠিক নয়।
চাকরিতে অবৈধ পথে যাবার সম্ভাবনা অনেক। তবে নিজে সৎ থাকলে অনেকটাই এড়ানো যাবে।
রাজনৈতিক প্রেশার খুব বেশি। যাদের পলিটিক্স ভালো লাগে না, তারা পুলিশ ক্যাডারে জুতসই করে উঠতে পারবেন না।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
1230