Blockchain, don't get intimidated thinking it's something high tech

Blockchain, don't get intimidated thinking it's something high tech

Share

It's not big data. It's not artificial intelligence. It's not even social media. It's BLOCKCHAIN!

09/10/2025

ব্রেকিং নিউজ
রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস ২০২৫ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দিয়েছেন জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. দেবোরে এবং জন এম. মার্টিনিসকে—“একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে বড় আকারে (ম্যাক্রোস্কোপিক) কোয়ান্টাম টানেলিং ও শক্তির ধাপভাগ (এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন) আবিষ্কারের” জন্য।

এই বছরের নোবেলজয়ীদের চিপে করা পরীক্ষাগুলো আমাদের চোখের সামনে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে দেখিয়ে দিয়েছে।

পদার্থবিজ্ঞানে একটি বড় প্রশ্ন হলো—কত বড় সিস্টেমে কোয়ান্টামের নিয়ম আসলে দেখা যায়? ২০২৫ সালের বিজয়ীরা এমন এক বৈদ্যুতিক সার্কিটে পরীক্ষা করেছেন, যেখানে বড় আকারের সিস্টেমেও তারা কোয়ান্টাম টানেলিং আর শক্তির নির্দিষ্ট ধাপ (কোয়ান্টাম স্তর) প্রমাণ করতে পেরেছেন—এমন সিস্টেম, যা হাতে ধরে রাখা যায়।

কোয়ান্টাম মেকানিক্স বলে, কোনো কণা কখনও কখনও দেয়ালের মতো বাধা “ভেদ” করে সোজা পার হতে পারে—এটাকে বলে টানেলিং। অনেক কণা একসঙ্গে থাকলে সাধারণত এসব কোয়ান্টাম প্রভাব ম্লান হয়ে যায়। কিন্তু নোবেলজয়ীদের পরীক্ষায় দেখা গেছে—সঠিকভাবে বানানো সার্কিটে বড় আকারের সিস্টেমেও কোয়ান্টামের আচরণ পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।

১৯৮৪–৮৫ সালে জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. দেবোরে ও জন এম. মার্টিনিস সুপারকন্ডাক্টর (যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলতে গিয়ে কোনো রেজিস্ট্যান্স পায় না) দিয়ে বানানো একটি ইলেকট্রনিক সার্কিটে ধারাবাহিক পরীক্ষা করেন। সার্কিটে দুইটি সুপারকন্ডাক্টরের মাঝখানে ছিল খুব পাতলা এক স্তর নিরোধক—এমন গঠনকে বলে “জোসেফসন জাংশন”। সার্কিটের নানা বৈশিষ্ট্য খুব সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ ও মাপতে মাপতে, তারা দেখেছেন—এতে বিদ্যুৎ চালালে বেশ কিছু অদ্ভুত, কিন্তু কোয়ান্টাম-নিয়মে বোঝানো যায় এমন ঘটনা ঘটে। সুপারকন্ডাক্টরে চলা অসংখ্য চার্জ কণা মিলেমিশে যেন একটাই বড় “কণা”—পুরো সার্কিট জুড়ে ছড়িয়ে থাকা—এর মতো আচরণ করে।

এই বড় “কণা-সদৃশ” সিস্টেম শুরুতে এমন এক অবস্থায় থাকে যেখানে ভোল্টেজ পড়ে না, তবু কারেন্ট চলে—অর্থাৎ জিরো-ভোল্টেজ অবস্থা। সাধারণ নিয়মে যেন এক বাঁধা টপকাতে পারে না। কিন্তু পরীক্ষায় দেখা যায়—কোয়ান্টামের নিয়ম মেনে সিস্টেমটি টানেলিং করে ওই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসে। তখন সার্কিটে ভোল্টেজ দেখা দেয়—এভাবেই অবস্থার পরিবর্তন ধরা পড়ে।

আরও দেখা গেছে—সিস্টেমটি একদম কোয়ান্টাম মডেলের মতো আচরণ করে: শক্তি ইচ্ছে মতো নয়, নির্দিষ্ট “ধাপে ধাপে” নেয় বা ছাড়ে—এটাই শক্তির কোয়ান্টাইজেশন।

আমাদের প্রতিদিনের জীবনে থাকা কম্পিউটার মাইক্রোচিপের ট্রানজিস্টরও একধরনের প্রতিষ্ঠিত কোয়ান্টাম প্রযুক্তি। এই বছরের নোবেল জয়ী কাজ ভবিষ্যতের নতুন প্রজন্মের কোয়ান্টাম প্রযুক্তির দরজা আরও বড় করে খুলে দিল—যেমন কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি (নিরাপদ তথ্য আদান–প্রদান), কোয়ান্টাম কম্পিউটার, আর খুব সংবেদনশীল কোয়ান্টাম সেন্সর।

আরও জানুন
প্রেস রিলিজ: https://bit.ly/42jAlZg
সহজ ভাষার তথ্য: https://bit.ly/4gKFvTX
বিস্তারিত তথ্য (অ্যাডভান্সড): https://bit.ly/48CSBjZ

এক কথায়: হাতের মুঠোয় ধরা সার্কিটেই কোয়ান্টামের “জাদু”—বাধা ভেদ করে যাওয়া আর শক্তি ধাপে ধাপে বদলানো—সরাসরি দেখিয়ে দিয়েছেন এ বছরের তিন নোবেলজয়ী।

Photos from Mehedi Sir's post 16/04/2025
Photos from Blockchain, don't get intimidated thinking it's something high tech's post 07/01/2023
06/05/2022
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


141 Jonaki Road, Paikpara
Dhaka
1216