LAW- STUDY ROOM

LAW- STUDY ROOM

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from LAW- STUDY ROOM, Education, Dhaka.

17/07/2024

◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

যা যা লাগবেঃ
১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
৬)মোবাইল নাম্বার
৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
৮) কর/খাজনার রশিদ

প্রথম কাজঃ
এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

দ্বিতীয় কাজঃ
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

24/04/2021

💚"আসুন জেনে নেই কিছু বিষয়, যা জানলে সারা জীবন আপনাদের কাজে আসবে💚-------

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
= “দলিল” কাকে বলে?
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
= “তফসিল” কাকে বলে?
= “দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
= “কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
●খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।

●সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।

●এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।

●আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।

●বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।

●দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।

●খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

●নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

●তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

●দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।

●ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

●পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

●চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।

●দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।

●খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.

●বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।

●জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।

●দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।

●DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

●কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

●ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।

●ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

●হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।

●জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

●মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।

●আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

●কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

●সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

●পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
-LAW STUDY ROOM

20/01/2021
18/11/2020

❤ওয়ারিশ সনদ কি ও তার ব্যবহার।❤

যে সনদ দ্বারা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোন (মৃত) ব্যক্তির ওয়ারিশগণকে চিহ্নিত করেন তাই ওয়ারিশ সনদ।

কেন?

কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পরে তার প্রকৃত ওয়ারিশানের সংখ্যা, ধরন (ছেলে না মেয়ে), অবস্থা ইত্যাদি জানতে এই সনদ প্রদান করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে আমাদের বর্তমান জাতীয় পরিচয় পত্র বা অন্যান্য সার্টিফিকেট ব্যবস্থা কিছু দিন আগেও ছিল না তাই এই সনদের প্রয়োজন পরে আবার অন্য দিকে বর্তমান ব্যবস্থায় অনেক ভুল ভ্রান্তি থাকে বা আপডেট থাকে না কিম্বা কিছু স্থানে বাস্তব চিত্র হয়তো সার্টিফিকেট বা সরকারি তথ্যের সাথে অমিল থাকতে পারে তাই এই বিষয় গুলো পরিষ্কার করতে ওয়ারিশ সনদ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

কোথায় দরকার হয়?

জমি-জমা বা সম্পত্তি বাটোয়ারায়
নামজারি করতে
আইনগত অধিকার আদায়ে
ঘোসনামূলক মোকদ্দমায়
ব্যাংক- বীমায় মৃত ব্যক্তির অর্থ থাকলে
পেনশন তুলতে । – ইত্যাদি

কিভাবে পাবেন?

ওয়ারিশ সনদ সাধারণত স্থানীয় পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র । যা একজন মৃত ব্যক্তির আইনি উত্তরাধিকার/ওয়ারিশদের স্বীকৃতি দেয়।

আবার #ওয়ারিশ সনদ দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমেও পাওয়া যায়। সাধারণত অর্থ ও অস্থাবর সম্পত্তির দেনা – পাওনা ইত্যাদির সুষ্ঠ হিসাব পাওয়া জন্য ও যাতে করে ভবিষ্যতে কোন ধরনের ঝামেলা না হয় সে জন্য দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে ওয়ারিশ সনদ নেওয়া হয়।

এ সনদের জন্য কি কি লাগবে?

# ওয়ারিশগণের ১ কপি ছবি (সত্যায়িত)
# মৃত্যু সনদ ১ কপি (সত্যায়িত)
# মেয়র.সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান এর তদন্ত প্রতিবেদন
# সংশ্লিষ্ট বাজার চৌধুরী/হেডম্যান এর তদন্ত প্রতিবেদন।

#ওয়ারিশ সনদ কেন দরকার?

সনদটি উত্তরাধিকারগণকে তাদের নামে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরিত আছে কিনা, বা #উত্তরাধিকার যোগ্য কতটুকু সম্পদ আছে তা সত্যায়ন করে থাকে। উত্তরাধিকারী/ সুবিধাভোগীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সনদটি ইস্যু করা হয়। ওয়ারিশ সনদ কার্যকরী, কিন্তু সব সময় এর বলে মৃতের সম্পদে উত্তরাধিকার নাও পাওয়া যেতে পারে। সাথে প্রয়োজন, একটি মৃত্যু সনদ এবং অনাপত্তি সনদ। যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তি রয়েছে, সেখানে আবেদন জারি করতে হয়। ওয়ারিশ সনদের
নিয়ম-কানুন উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫ (The Act, 1925) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

IFAT:(LLB,LL.M) NUB
Phone:01580133960

18/11/2020

দলিলে কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপঃ

• পিং = পিতা
• জং = স্বামী
• গং = সকল
• সাং = ঠিকানা
• দং = দখল
• মোং = মোকাম ( দোকান বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়)
• এজমালি = যৌথমালিকানা
• জ: = জমা
• কি: = কিস্তি
• ছানি = পুর্ন-বিবেচনার জন্য প্রার্থনা
• ছোলেনামা= আপোষ
• কিত্তা = জমির অংশ
• তম: = তসমুক ( বন্ধকনামা)
• বিতং = বিস্তারিত
• চৌ: = চারদিকের সীমানা
• খারিজ = বাতিল

IFAT: (LLB,LL.M) NUB
Phone:01580133960

18/11/2020

জমি সংক্রান্ত ও দলিলে ব্যবহৃত গুরুত্বপুর্ণ শব্দের অর্থ জেনে নিন।
গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল শব্দের ব্যাখ্যাঃ -

কোর্ফাঃ জমির নিম্নতম স্বত্ব বা অধিকারকে কোর্ফা বলে; যে প্রজা তার উর্ধ্বতন প্রজার কাছ থেকে জমি নিয়ে চাষ করে তাকে কোর্ফা প্রজা বলে।

বর্গা চাষী: বর্গা বলতে ভূমিতে উৎপন্ন ফসলের ভাগ বুঝায়। কোন ব্যক্তি ভূমিতে উৎপন্ন ফসলের কোন নির্দিষ্ট অংশ ভূমি মালিককে দেয়ার শর্তে যদি চাষাবাদ করেন, তবে উক্ত চাষীকে বর্গাচাষী বলা হবে।

এজমালী সম্পত্তি: কোন প্লট বা জমি খন্ড একাধিক শরিক একত্রে ভোগ-দখলে রাখলে তাকে এজমালী সম্পত্তি বলে।

চাকরান ভূমি: জমিদারগণ তাদের চাকরদেরকে বেতনের পরিবর্তে যে ভূমি ভোগ-দখলের সুবিধা প্রদান করতেন, তাকে চাকরান ভূমি বলে।

ভূমি অধিগ্রহণ: জনস্বার্থে কোন উন্নয়নমুলক কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তির প্রয়োজনে কালেক্টরেট বা জেলা প্রশাসক জনসাধারণের নিকট হতে বাধ্যতামূলকভাবে যে ভূমি গ্রহন করে, তাকে ভূমি অধিগ্রহণ বলে।

জে,এল, নম্বর (Jurisdiction List No) : থানা বা উপজেলাধীন প্রত্যেকটি মৌজাকে পর্যায়ক্রমে ক্রমিক নম্বর দ্বারা চিন্থিত করা হয়। মৌজার এ নম্বরকে জে,এল, নম্বর বলে।

জমি-জমা ও দলিল রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত সকল তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন।

দাগ নম্বর: জরিপের সময় ভূমির নকশায় প্রতিটি জমিকে বা প্লটকে এক একটি নম্বর দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, এই নম্বরকে দাগ নম্বর বলে।

ছুট বা ছুটা দাগ (Omitted or dropped plot): নকশায় সংখ্যায়নের মাধ্যমে ভূমির দাগ নম্বর দেয়ার সময় প্রায়শই ভুলক্রমে কোন সংখ্যা বাদ পরে অথবা কোন কারণে পরবর্তী সময় কোন সংখ্যা নকশায় বাদ দিতে হয়। নকশায় প্রকৃত অনুপস্থিত ঐ নম্বরকে ছুট দাগ বলে। ছুট দাগ নম্বর সীটের পার্শ্বে নোট করা থাকে।

নকশা: কাগজে অংকিত ভূমির প্রতিচ্ছবিকে নকশা বলে।

বাটা দাগ (Divided plot): নকশা প্রস্তুতের সময় প্রত্যেক ভূমি খণ্ডকে চিহ্নিত করার জন্য দাগ নম্বর দেয়া হয়। পবর্তীকালে কোন দাগ বাস্তব প্রয়োজনে বিভক্ত করা আবশ্যক হতে পারে। যদি কোন দাগকে বিভক্ত করে আলাদাভাবে নতুনদাগ সৃষ্টি করে নম্বর দেয়া হয়, তাহলে বিশেষ পদ্ধতিতে দাগ নম্বর দিতে হয়। পরবর্তী সময় এ নতুন সৃষ্ট নম্বরকে বাটা দাগ নম্বর বলে। এ নতুন সৃষ্ট দাগে বাটা দাগ নম্বর দেয়ার সময় বিভক্ত দাগের মুল নম্বর এর নীচে (বাই নম্বর) সীটের শেষ নম্বরে পরের নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। বাটা দাগ নম্বরে সীটের পার্শ্বে নোট করে প্রর্দশন করতে হয়।

সম্পত্তির ওয়াশিলাতঃ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ২(১২) ধারায় বলা হয়েছে, ‘ওয়াশিলাত’ বলতে বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে ইহার ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না।

বারবরদারী খরচ: দলিলের দাতা রেজিস্ট্রি অফিসে বা কোন স্বাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে অপারগ হলে, সাব-রেজিস্ট্রার বা কমিশনার উক্ত ব্যক্তিবর্গের বাড়িতে গমনাগমনের জন্য যে খরচ হয়, তাকে বারবরদারী খরচ বলে।

চালা (Highland): আবাদী উঁচু জমি যেখানে সাধারনত শাক-সবব্জির চাষ করা হয়, তাকে চালা বলে। কোন কোন এলাকায় চালা শ্রেনীর জমিকে ভিটিও বলা হয়।

মৌজাঃ সি,এস, জরিপের সময় প্রতিটি থানা এলাকাকে অনেকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একককে ক্রমিক নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরূপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাধিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়।

খতিয়ান: সাধারণত স্বত্ব সংরক্ষণ ও রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে জরীপ বিভাগ কর্তৃক প্রত্যেক মৌজার ভূমির মালিক বা মালিকগণের নাম, পিতা অথবা স্বামীর নাম, ঠিকানা, জমির হিস্যা বা অংশ এবং তাদের স্বত্বাধীন দাগসমূহের নম্বরসহ ভূমির পরিমাণ, শ্রেণী ইত্যাদি বিবরণসহ যে স্বত্ব তালিকা বা স্বত্বের রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়, তাকে খতিয়ান বলা হয় এবং উক্ত রেকর্ডকে স্বত্ত্বের রেকর্ড বা রেকর্ড অব রাইটস (ROR) বলা হয়। খতিয়ানগুলো ১,২,৩,৪ ইত্যাদি ক্রমিক সংখ্যা দ্বারা সাজানো হয়। এই নম্বরকে খতিয়ান নম্বর বলে। প্রত্যেক মৌজার খতিয়ান নম্বর ১ হতে শুরু হয়। কোন কোন মৌজায় কয়েক হাজারে খতিয়ান থাকতে পারে। কোন মৌজায় কতটি খতিয়ান রয়েছে তা উক্ত মৌজার স্বত্বের রেকর্ডে (ROR) পাওয়া যায়।

পর্চা (Draft copy of Khatian) : জরীপ চলাকালে খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভূমির মালিককে দেয়া হয় তাকে পর্চা বলে ।

তসদিক: কাগজপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ দ্বারা সত্যতা যাচাই করার নাম তসদিক। যেমন, তসদিককৃত পর্চা।

বয়নামাঃ ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ প্রদান করেন তাকে বয়নামা বলে।
বয়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বয়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।

দখলনামাঃ দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে, সরকার-পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন, তাকে দখলনামা বলে। সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন।

এছাড়া কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন, তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।

জমাবন্দিঃ জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করা হত, যা জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয়।

আমলনামাঃ আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব ও দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।

জমা খারিজঃ জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।

ভিটি (Highland): এমন অনেক উঁচু জমি আছে যেখানে বসবাসের জন্য বাড়ীঘর নির্মাণ না করে চাষাবাদ করা হয়। বাড়ীঘর করার যোগ্য এমন উঁচু ভূমিকে ভিটি জমি বলে।

ছড়া (Downward strip land): পাহাড় বা টিলার যে সকল এলাকা সমতল ভূমির দিকে ঢালু হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে ছড়া বা ছড়ি বলা হয়।

নয়নজুলি (Roadside Drain): রাস্তা নির্মানের সময় দুধার থেকে মাটি তোলার কারণে নালা সৃষ্টি হয়। রাস্তার দুধারে সৃষ্ট এমন নালাকে নয়নজুলি বলা হয়।

বাওড়: প্রাকৃতিক বা অন্য কারনে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে পুর্বের গতিপথের স্রোত প্রাকৃতিক কারণে বন্ধ হয়ে যে বিস্তীর্ণ জলাভূমি সৃষ্টি করে তাকে বাওড় বলে।

হাওড়: প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট বিস্তীর্ণ জলমগ্ন নিম্ন জলাভূমি হাওড় নামে পরিচিত। হাওড় এলাকা বিলের চেয়ে বড়।

বিল: বিস্তীর্ণ আবদ্ধ স্বাদু পানির জলাভূমি, যেখানে অতিরিক্ত পানি এসে জমা হয়।

ঝিল: লম্বাকৃতি জলাভূমি, ছোট আকারের বিল।

হালট: চাষিদের জমি চাষের জন্য হাল-বলদ নিয়ে জমিতে চলাচলের জন্য এবং শ্রমিকদের ভূমিতে কাজে যাওয়ার জন্য, ভূমির পাশ দিয়ে যে পথ বা রাস্তা রাখা হয়, তাকে হালট বলে।

আইল: প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা করার জন্য সীমানানির্দেশক উঁচু ধরনের চিহ্নকে আইল বলা হয়। জমিতে পানি আটকানোর জন্য নির্মিত অনুচ্চ বাঁধকেও আইল বলা হয়।

সিকস্তি: কোন ভূমি যখন নদী বা সাগরে ভেঙ্গে যায়, তখন তাকে সিকস্তি বলে।

পয়স্তি: পুর্বে যে ভূমি নদী বা সাগরে বিলুপ্ত হয়েছিল তা যদি পুনরায় চর রূপে জেগে উঠে, তাকে পয়স্তি বলে।

গোপাট, গোচর, গোবাম (Pasture Land): যে পতিত জমিতে গবাদি পশু ঘাস খাওয়ার জন্য চড়ে বেড়ায় ।

গান্টার চেইন (Gunter chain): ভূমির দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য একশত লিংক বিশিষ্ট যে চেইন ব্যবহার করা হয়, তাকে গান্টার চেইন বলে। এ চেইনের দৈর্ঘ্য ৬৬ ফিট। চেইনের উদ্ভাবকের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে।

দাখিলা (Rent Receipt): ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) যে রশিদ ভূমি মালিককে প্রদান করে, তাকে দাখিল বলা হয়। দাখিলা ভূমির মালিকানা স্বত্বের অন্যতম প্রমান।

ডি,সি,আর, (Duplicate Carbon Receipt): ভূমি কর ব্যতীত অন্যান্য সরকারী পাওনা আদায় করার পর নির্ধারিত ফর্মে যে রশিদ দেয়া হয়; তাকে ডি,সি,আর, বলে।

সায়রত মহল (Sairat Mahal): সায়রত অর্থ ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য করের মাধ্যম সরকারের আয়। যে সমস্ত সাধারণ ব্যবহার্য স্থান সমুহ সাময়িক ব্যবহারের জন্য সরকার কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ বা কোন প্রতিষ্টানকে বার্ষিক লিজ দিয়ে অথবা স্বল্প মেয়াদি লিজ দিয়ে রাজস্ব আদায় করেন, তাকে সায়রত মহল বলে। এ লীজ দ্বারা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তরিত হয় না।

কোর্ট অব ওয়ার্ডস (Court of Wards): চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পরবর্তীকালে কোন জমিদার নি:সন্তান অথবা নাবালক সন্তান রেখে মৃত্যুবরণ করলে উক্ত জমিদারি, সরকার কর্তৃক তত্ত্বাবধান করার জন্য ১৮৭৯ সনে কোর্ট অব ওয়ার্ডস আইন করা হয়। এ আইন মোতাবেক বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কালেক্টর একজন ম্যানেজার নিয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জমিদারী তত্বাবধান করতেন।

শত্রু সম্পত্তি: ১৯৬৫ সালে পাকিস্থান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এ যুদ্ধের কারনে কিছু পাকিস্থানী (হিন্দু) ভারতে চলে যায়।এরূপ পাকিস্তানী নাগরিকের ফেলে যাওয়া সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে।

অর্পিত সম্পত্তি: ১৯৬৫ সালে পাকিস্থান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এ যুদ্ধের কারনে কিছু পাকিস্থানী (হিন্দু) ভারতে চলে যায়।এরূপ পাকিস্তানী নাগরিকের ফেলে যাওয়া সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর উক্ত সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি নামে নামকরণ করা হয়।

বিনিময় সম্পত্তি (Exchange property): ১৯৪৭ সনে পাকিস্তান ও ভারত বিভক্তির পর তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ হতে কিছু হিন্দু নাগরিক ভারতে চলে যায় এবং ভারত হতে কিছু মুসলমান নাগরিক পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশে আগমন করে। এরূপ চলে যাওয়া ও আগত ব্যক্তিদের মধ্যে বিধি মোতাবেক যে সম্পত্তি বিনিময় হয়, তাকে বিনিময় সম্পত্তি বলে।

পরিত্যক্ত সম্পত্তি (Abandoned Property): ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকালে বা স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে যে সকল পাকিস্তানি নাগরিক স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করে চলে যায়, বাংলাদেশে ফেলে যাওয়া তাদের সম্পত্তিকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলে।

ওয়াকফ সম্পত্তি (Wakf property): কোন মুসলমান তার সম্পত্তি ধর্মীয় বা সমাজ কল্যাণমুলক কাজের জন্য দান করতে পারে। ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দলিলের মাধ্যমে উৎসর্গ করলে সেই সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে। যিনি সম্পত্তি উৎসর্গ করেন তাকে ওয়াকিফ বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না।

মোতোওয়াল্লী (Manager): যিনি ওয়াকফফ সম্পত্তি তত্বাবধান বা পরিচালনা করেন, কাকে মোতোওয়াল্লী বলে। ওয়াকিফ নিজেও মোতোওয়াল্লী হতে পারেন। মোতোওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উন্নতি কল্পে ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতিক্রমে ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

কবুলিয়ত (Counter part of lease): মালিকের বরাবরে প্রাপ্তি স্বীকারোক্তিমুলক দলিলকে কবুলিয়ত বলে। কবুলিয়ত দলিলে জমি ভোগ দখল করার জন্য শর্ত ও প্রজা কর্তৃক খাজনা দেয়ার প্রতিশ্রুতি লেখা থাকে।

নজরানা: জমিদারগনের নিকট হতে ভূমি পত্তন নেয়ার জন্য পূর্বে প্রজাগণ জমিদারগণকে যে অর্থ প্রদান করত, তাকে নজরানা বলা হত।

জলকর: জলকর অর্থ জল ব্যবহারের উপর কর। কোন জলমগ্ন স্থানকে ইজারা দিয়ে যে কর আদায় করা হয়, তাকে জলকর বলে।

জলমহাল: বিল, হাওর, বাওর, নিম্ন জলাভূমি ও নদ-নদীতে মৎস্য আহরণের এলাকাকে জলমহাল বলা হয়।

ডাঙ্গা জমি: দলিলে ব্যবহৃত এক ধরনের জমির শ্রেণী। সাধারণত উচু শ্রেনীর জমিকে ডাঙ্গা বলা হয়।

ভিটি জমি: সমভূমি হতে সামান্য উচু ভূমিকে ভিটি বলে।

নাল জমি: সাধারনত নিচুঁ সমতল কৃষি জমি জমিকে নাল জমি বলে।

কোলা জমি: বসতবাড়ী সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা জমি বলে।

চিরাগী: মসজিদ বা কবরস্থান আলোকিত করার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত নিষ্কর ভূমি।

পালাম ভূমি: বসতবাড়ি সংলগ্ন সবজি চাষের জন্য উচুঁ ভিটি জমিকে পালাম ভূমি বলে।

তলববাকী: মৌজার হোল্ডিং ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) এর হাল ও বকেয়া দাবির বিবরণকে তলববাকী বলে।

দেবোত্তর সম্পত্তি: হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি আয়োজন, ব্যবস্থাপনা ও সুসম্পন্ন করার ব্যয়-ভার নির্বাহের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলা হয়। যিনি দেবোত্তর সম্পত্তি তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা করেন, তাকে সেবায়েত বলে।

সালামি: কোন হস্তান্তরের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রিমিয়াম বা স্থায়ী ইজারা প্রদানের নিমিত্ত আর্থিক উপটৌকন

মিনাহ (Abatment): মিনাহ অর্থ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) হ্রাসকরণ। জমি সিকস্তি হলে, সরকার কর্তৃক জমি অধিগ্রহন করা হলে অথবা অন্য কোন কারণে জমি মালিকের জমির পরিমান হ্রাস পেলে আবশ্যক ক্ষেত্রে খাজনা হ্রাস করাকে মিনাহ বলে।

হাসিল: গবাদি পশুর হাটে ক্রেতা বা বিক্রোতার নিকট থেকে আদায়কৃত টোলকে হাসিল বলা হয়।

তহশিলদার: সরকার বা জমিদারের অধনস্ত রাজস্ব বা খাজনা আদায়কারীকে তহশিলদার বলা হত। বর্তমানে তহশিলদার পদ বিলুপ্ত করে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়কারীকে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বলা হয়।

লায়েক পতিত ভূমি : আরবি ‘লায়েক’ অর্থ যোগ্য বা উপযুক্ত। লায়েক পতিত ভূমি বলতে আবাদযোগ্য পতিত ভূমিকে বুঝায়।

হারাহারি : মালিকানার পরিমান অর্থাৎ একাধিক ক্রেতা বা বিক্রেতার ক্ষেত্রে কে কতটুকু সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করল, তার পরিমান।

কস্য : কস্য শব্দের অর্থ ‘কাহার’। অনেক পুরাতন দলিলে এই শব্দের ব্যবহার প্রায়শই দেখা যায়। কিন্তু প্রকৃত অর্থে অমুকস্য তথা ‘অমুকের’ বা ‘যাহার দলিল তাহার নাম’ এর স্থলে কস্য শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানের দলিলে এইসব শব্দ পরিহার করাই শ্রেয়।

কায়েমী স্বত্ব ( permanent interest): চিরস্থায়ী ভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েমী স্বত্ব বলে।

মৌরশী (Heritable): পুরুষানুক্রমে কোন ভূমি ভোগদখল করাকে মৌরশী বলে।

মুদাফৎ : যার নামে প্রথম কোন জোতের সৃষ্টি হয়।

বায়া দলিল: ‘বায়া দলিল’ অর্থ সংশ্লিষ্ট ভূমির পূর্ব মালিকের দলিল। কোন ভূমি বা ভূমি খণ্ড যে যে দলিল মুলে যতবার হস্তান্তর হয়েছে, তার প্রত্যেকটি দলিলই এক একটি বায়া দলিল। বায়া দলিল ভূমির মালিকানার ইতিহাস ও হস্তান্তরের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে। তাই জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জমির বায়া দলিল ভালভাবে যাচাই করতে হয়।

রায়ত : দখলী স্বত্ব বিশিষ্ট প্রজা ।

পত্তন (Settlement lease): সাময়িকভাবে বন্দোবস্তকৃত।

পত্তনি: সাময়িকভাবে বন্দোবস্তকৃত ভূমি।

জোত :

প্রজাবিলি : প্রজার অনুকুলে যথাযথ ভাবে বন্দোবস্তকৃত ভুমি।

চটান: বাড়ী সন্নিকটস্থ উচুঁ পতিত জমি।

চিটা: যে কাগজে ভূমির পরিমাণ লিপিবদ্ধ থাকে।

মৌয়াজি : মোট ভূমির পরিমাণ

স্থিতিবান : যে রায়তের স্বত্ব স্থায়ী।

মহাল : রাজস্ব আদায়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা।

ইজা : চলমান। পূর্বের হিসাব থেকে স্থিত টেনে আনা।

কান্দা: এর অর্থ উচ্চ ভূমি।

হেবা : আরবি শব্দ, যার অর্থ দান।

গির্বি: এর অর্থ বন্ধক।

খিরাজ: এর অর্থ খাজনা।

কিত্তা: এর অর্থ দাগ বা প্লট।

বিতং : এর অর্থ বিস্তারিত ।

লাখেরাজ : এর অর্থ নিষ্কর।

দোং : এর পুর্ণরূপ “দোপ্তরে” যার অর্থ পিতা।

জং : এর পুর্ণরূপ “জওজিয়তে” যার অর্থ স্বামী।

আং : এর পুর্ণরূপ “আহলিয়ে” যার অর্থ স্বামী।

মং : এর পুর্ণরূপ “মবলগে” যার অর্থ মোট বা একত্রে।

সাং : এর পুর্ণরূপ “সাকিন”।

lFAT. (LL.B,LL.M) NUB
Phone: 01580133960

24/10/2020

দলিলে বহুল ব্যবহৃত কিছু শব্দের পূর্ণরূপ

সাং = সাকিন, সাকিম। সাকিন বা
সাকিম শব্দের অর্থ ঠিকানা,
বাসস্থান।
গং = অন্যরা, সমূহ। অমুক [ব্যক্তিনাম] ও
অন্যান্য বা তার সহযোগীগণ।
দং = দরুন, বাবদ, দখল।
মোং = মোকাম। এর অর্থ আবাস,
বাসস্থান হলেও মূলত বাণিজ্য স্থান।
কিঃ = কিস্তি। কিন্তু শব্দটি দফা, বার,
ক্ষেপ এই অর্থেও ব্যবহূত হয়।
এজমালি/ইজমালি = যৌথ, সংযুক্ত,
বহুজনের একত্রে।যেমন: এজমালি
সম্পত্তি বলতে যৌথ মালিকাধীন
সম্পত্তিকে বোঝায়।
কিত্তা/ কিতা = আববি ‘ক্বত্বহ’
শব্দজাত। এর অর্থ অংশ, জমির ভাগ,
পদ্ধতি।
ছানি = আরবি শব্দ, অর্থ দ্বিতীয়বার।
পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা। যেমন: ছানি
মামলা।
নিম = ফারসি শব্দ। এর অর্থ অল্প, অর্ধেক,
অধস্তন বা অধীন ইত্যাদি।
ছোলেনামা = মীমাংসা, আপোষ/
আপস। ছোলেনামা মানে আপস-
মীমাংসাপত্র।
জঃ = জমা। সাধারণ অর্থে ‘জমা’ বলতে
সঞ্চিত, রাশীকৃত।
নং = নম্বর বা সংখ্যা অর্থে বোঝানো
হয়।
পঃ = পঞ্চম বা পাঁচের স্থানীয় ভাষ্য।
পোঃ = পোস্ট অফিস বা ডাকঘর
বোঝানো হয়।
মহঃ = মহকুমা। ব্রিটিশ আমলে জেলার
একটি প্রশাসনিক অংশকেই মহকুমা বলা
হতো।
মুসাবিদা = খসড়া তৈরি করা।
মুসাবিদাকারক মানে যিনি দলিল
লেখেন।
হিঃ = হিসাব শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ
চৌঃ = চৌহদ্দি। চৌহদ্দি শব্দের অর্থ
হচ্ছে চারধারের সীমানা।
তঃ/তপঃ = তফসিল, তহশিল।
তামাদি = ফারসি শব্দ। এর অর্থ
নির্ধারিত সময়সীমা।
বিতং = বিস্তারিত বিবরণ, কৈফিয়ত,
বৃত্তাত অর্থে ব্যবহূত হয়।
মাং/ মাঃ = মারফত। মারফত মানে
মাধ্যম, অর্থাৎ যার হাত দিয়ে বা
মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়।
সহঃ = সহকারী, যিনি কাজে
সহযোগিতা করেন।
সুদিখত = একশ্রেণীর বন্ধকী দলিল।
তমঃ = তমসুক। আরবি শব্দজাত, যার অর্থ
দলিল, ঋণ-স্বীকারপত্র বা খত। অর্থাৎ
কর্জ গ্রহীতা যে লিখিত পত্র, বিশেষত
সরকারি স্ট্যাম্প বা কাগজমূলে
কর্জদাতার কাছ থেকে টাকা ধার
নেয়। বন্ধকী তমসুক মানে হলো
বন্ধকনামা বা বন্ধকী বা বন্ধকী খত।
হলফ = সত্য বলার জন্য যে শপথ করা হয়।
হলফকারী মানে যিনি সত্যায়ন করেন।
হলফ = সত্য বলার জন্য যে শপথ করা হয়।
হলফকারী মানে যিনি সত্যায়ন
খারিজ = সাধারণ অর্থে বাতিল করা
হয়েছে এমন বোঝায়। ভূমি আইনে
একজনের নাম থেকে অন্যজনের নামে
জমির মালিকানা পরিবর্তন করে
নেওয়াকে বোঝায়।
মৌরাশি: পুরুষানুক্রমে কোনো ভূমি
ভোগ দখল করাকে মৌরাশি বলে।
বায়া (Vender): বিক্রেতা, বিক্রেতার
সম্পাদিত দলিলকে বলে বায়া দলিল।
তফসিল: কোনা জমি যে মৌজায়
অবস্থিত সে মৌজার নাম, জে. এল. নং,
খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির শ্রেণী,
পরিমাণ, জমির চৌহদ্দি বর্ণনা ইত্যাদি
পরিচিতি সম্বলিত বিবরণকে ঐ জমির
তফসিল বলে।
মিনাহ (Deduction): কম, কমতি, জমি
সিকস্তি হলে তার কর আদায় স্থগিত
করাকে মিনাহ বলে।
খতিয়ান: খতিয়ান হলো দখল স্বত্বের
প্রামাণ্য দলিল। এক বা একাধিক
দাগের সম্পূর্ণ বা আংশিক ভূমি নিয়ে
এক বা একাধিক ব্যক্তির নামে সরকার
বা রাজস্ব অফিসার কর্তৃক যে ভূমি স্বত্ব
প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
প্রতি খতিয়ানের একটি পৃথক পরিচিতি
নম্বর থাকে। খতিয়ানকে “রেকর্ড অব
রাইটস” বা “স্বত্বলিপি” বলা হয়।
খতিয়ান হচ্ছে নিখুঁত মালিকানা স্বত্ব
ও দখলী স্বত্বের প্রমাণ্য দলিল।
খতিয়ানে তৌজী নম্বর, জে. এল. নম্বর,
স্বত্বের বিবরণ, মালিকের নাম, পিতার
নাম, ঠিকানা থাকে।খতিয়ানের অপর
পৃষ্ঠায় দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর
সীমা (উত্তর দাগ), ভূমির শ্রেণী
দখলকারের নাম, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা,
হিস্যা মতে পরিমাণ লেখা থাকে।
উপযুক্ত আদালত কর্তৃক ভুল প্রমাণিত না
হওয়া পর্যন্ত খতিয়ান নির্ভূল হিসাবে
গণ্য হতে থাকে।-

24/10/2020

দলিলে কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপঃ

• পিং = পিতা
• জং = স্বামী
• গং = সকল
• সাং = ঠিকানা
• দং = দখল
• মোং = মোকাম ( দোকান বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়)
• এজমালি = যৌথমালিকানা
• জ: = জমা
• কি: = কিস্তি
• ছানি = পুর্ন-বিবেচনার জন্য প্রার্থনা
• ছোলেনামা= আপোষ
• কিত্তা = জমির অংশ
• তম: = তসমুক ( বন্ধকনামা)
• বিতং = বিস্তারিত
• চৌ: = চারদিকের সীমানা
• খারিজ = বাতিল

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka