16/01/2026
Brainery Digital Madrasah
We focus on the roots of Islamic life with modern digital Tools. Durood and salam be upon Hazrat Muhammad SAW, his companions, family, and Imams.
Brainery Digital Madrasah (BDM) is Bangladesh’s first online madrasah, offering Quran memorization (Hifz), Adult Quran learning, selected surah memorization, and Arabic language courses. Assalamu Alaikum wa Rahmatullah
All praise be to Allah Almighty who has sent down the Holy Book Al Qur'an for the guidance of mankind. Brainery Digital Madrasah is a unique platform for online Quran teaching. It i
16/01/2026
09/01/2026
(﷽)❛❛আল্লহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ❜❜(ﷺ)
صَــــــــــــــــلَّی اللهُ عَلَيْـــــــــهِ وَ سَـــــــــــلَّمَ ✨️
27/12/2025
💢স্ত্রী-কন্যার পাপের ভার কতটা আপনার?
ইসলামি শরিয়তে গুনাহের দায়ভার সাধারণত ব্যক্তির নিজের। কারো গুনাহের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ করা হবে না। তবে, অধীনস্থ ও নারীর গুনাহের দায় কিছু কারণে অভিভাবককে নিতে হবে। তারা হলো সেসব পুরুষ, যারা পরিবার পরিজন বা অধীনস্থকে সঠিক পথে পরিচালিত করে না এবং তাদের গুনাহের কাজ দেখেও বাধা দেয় না। ওসব পুরুষকে ইসলামি পরিভাষায় দাইয়ুস বলা হয়।
দাইয়ুসের পরিচয় সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দাইয়ুস হলো সেই ব্যক্তি—যে তার পরিবারের নিকট কে প্রবেশ করল তা নিয়ে ভ্রুক্ষেপ করে না।’ (তাবরানি: ১৩১৮০ আততারগিব ওয়াততারহিব: ৩৪৭৬)। অপর হাদিসে রাসুলুল্লাহ বলেছেন, ‘ওই ব্যক্তিকে দাইয়ুস বলা হয় যে তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়।’ (মুসনাদে আহমদ: ৫৩৭২)
ইসলামে দাইয়ুস ব্যক্তিরা অভিশপ্ত ও ঘৃণিত। দুনিয়াতে তাদের মর্যাদা নেই, পরকালেও তারা জান্নাতের নেয়ামত থেকে বঞ্চিত হবে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে যাবে না—মা-বাবার অবাধ্য, দাইয়ুস এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী।’ (মুসতাদরাক হাকেম: ২২৬)
হাদিসে আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সর্বশক্তিমান আল্লাহ যখন জান্নাত সৃষ্টি করেছেন তখন জান্নাতকে বলেছেন, আমার সম্মান-গৌরব ও পরাক্রমশালীর শপথ! কৃপণ, মিথ্যাবাদী এবং দাইয়ুস ব্যক্তি তোমার মধ্যে প্রবেশ করবে না। (নাসায়ি, জাকাত অনুচ্ছেদ: ২৫৬২; মুসনাদে আহমদ: ২/১৩৪)
সুতরাং পরিবারের সদস্যদের দ্বীনি শিক্ষা দিতে হবে। পর্দার বিধান সম্পর্কে, বেহায়াপনা ও অশ্লীলতার পরিণতি সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। তা না হলে তাদের গুনাহের কারণে নিজেকে গুনাহগার হতে হবে। যেমন—কোনো নারীকে যদি নিয়মিত বাইরে যেতে হয় এবং বাইরে গিয়ে সে গুনাহে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে স্বামী বা বাবা পদক্ষেপ নেবেন। কোনো পদক্ষেপ না নিলে এবং নারী বাইরে গিয়ে একইভাবে গুনাহ করলে অভিভাবক গুনাহগার হবেন। বাবা কিংবা স্বামী যে-ই অভিভাবক হোন না কেন, তিনিই ওই গুনাহের জন্য গুনাহগার হবেন এবং দাইয়ুস হিসেবে বিবেচিত হবেন।
মূলত জাহান্নামের আগুন থেকে শুধু নিজে বাঁচার চিন্তা করলে হবে না, অধীনস্থদেরও বাঁচাতে হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে- ‘হে ইমানদারগণ! তোমরা নিজেদের ও পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করো আগুন থেকে, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর। যাতে নিয়োজিত আছে কঠোর স্বভাব ও নির্মম হৃদয়ের ফেরেশতা, যারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে না।’ (সুরা তাহরিম: ৬)
ইবাদতগুজার ব্যক্তিরা তো অবশ্যই তাদের সন্তানাদি ও স্ত্রীদের ব্যাপারে চোখ-কান খোলা রাখবেন। আপনার অবহেলার সুযোগে তারা গুনাহে জড়ালে সারাজীবন কষ্ট করে ইবাদত করার পরও আপনার শেষ ঠিকানা হতে পারে জাহান্নাম। এজন্যই ফতোয়ার কিতাবে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে যে, ‘যদি কোনো ব্যক্তির স্ত্রী পর্দা না করে তাহলে সে ব্যক্তির ওপর কর্তব্য হচ্ছে স্ত্রীকে পর্দা করার জন্য বাধ্য করা। কিন্তু তা না করে যদি সে স্ত্রীর বেপরোয়া, পাপপূর্ণ জীবনযাপন মেনে নেয় এবং সে ইবাদত-বন্দেগিও করে তাহলে এ অবস্থায় স্বামী গুনাহগার ও জাহান্নামি হবে। আর নামাজ ও ইবাদত গুনাহগারেরও কবুল হয়। (আপকে মাসায়েল অওর উনকা হল: ৮/৬৮, ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া: ২৮/৯১)
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার দায়িত্বাধীনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে, রাষ্ট্রনেতা তার প্রজাদের সম্পর্কে দায়িত্বশীল আর তাকে তাদের পরিচালনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একজন পুরুষ তার পরিবারের ব্যাপারে দায়িত্বশীল, তাকে তাদের পরিচালনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একজন মহিলা তার স্বামীর ঘরের ব্যাপারে দায়িত্বশীলা, তাকে সেটার পরিচালনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একজন পরিচারক তার মালিকের সম্পদের সংরক্ষক, আর তাকে সেটার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এককথায় তোমরা সবাই দায়িত্বশীল আর সবাই জিজ্ঞাসিত হবে যার যার দায়িত্ব সম্পর্কে।’ (বুখারি: ৭১৩৮; মুসলিম: ১৭০৫)
তবে, যেসব নারী স্বামী বা বাবার অবাধ্য, তাদের গুনাহের ভার স্বামী/বাবাকে নিতে হবে না। বরং ওই গুনাহ নারীকেই বহন করতে হবে। এর দলিল হলো— ‘একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না।’ (সুরা আনআম: ১৬৪) আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে প্রত্যেক বিষয়ে শরিয়তের বিধি-বিধান যথাযথ মেনে চলার এবং নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
#বাংলাদেশ #ইসলামিক #ইসলাম #ইনশাআল্লাহ #আলহামদুলিল্লাহ
13/12/2025
স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে!
জনৈক আল্লাহওয়ালা লিখেছেন,
স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে :
প্রথম বৈশিষ্ট্য — স্ত্রীর চেহারায় লজ্জা থাকা।
এটা একটা মৌলিক কথা। যে মহিলার চেহারায় লজ্জা থাকে তার অন্তর হয় লজ্জায় পরিপূর্ণ।
তার ফর্সা হতে হবে এমন কোন কথা নেই, কালো চেহারাও এক ধরনের উজ্জ্বলতা থাকে কথায় বলে, চেহারা হচ্ছে মনের আয়না। Face is the index of mind.
হযরত আবু বকর (রা.) বলেছেন, “লজ্জা উত্তম বটে, তবে এটা মহিলাদেরই বেশি শোভা পায়।”
দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য — কণ্ঠস্বরের মিষ্টতা।
অর্থাৎ তার কণ্ঠ শুনলে যেন কানের মধ্যে মধু ঢালছে বলে মনে হয়। এমন যেন না হয় যে সব সময় স্বামীর সাথে ঘ্যানঘ্যান করে চলছে।
কিংবা ছেলে-মেয়েদের শাসন করছে।
তৃতীয় বৈশিষ্ট্য — তার অন্তরে কল্যাণ থাকা।
চতুর্থ বৈশিষ্ট্য — তার হাত কাজে ব্যস্ত থাকা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলো যে মহিলার মাঝে থাকবে,
সে নিশ্চিতভাবেই নেককার স্ত্রী হিসেবে জীবন কাটাতে পারবে। ইন'শা'আল্লাহ
বই : প্রশান্ত অন্তর!
10/12/2025
“And We have certainly made the Qur’an easy for remembrance, so is there any who will remember?” (Surah Al‑Qamar 54:17)
ব্যস্ততার অজুহাত আর কতদিন!!
মাত্র এক মাস সময় দিয়ে শিখে নিন পবিত্র কোরআনের প্রারম্ভিক ধারনা। এই কোর্সে সবচেয়ে বেশি ফোকাস করা হবে নামাজে পড়ার জন্য যতগুলো সুরার প্রয়োজন সেই গুরুত্বপূর্ণ সুরাগুলো।
নিম্নে কোর্সের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো।
🔰 কোর্স পরিচিতি
• শিরোনাম: শীতকালীন কোরআন শিক্ষা (শর্ট কোর্স)
• সময়কাল: ৬ সপ্তাহ
• ক্লাস: সপ্তাহে ৩ দিন (সোম, বুধ, শুক্র)
• সময়: প্রতিট ক্লাস ১০০ মিনিট
• শিক্ষার্থী: শিশু (৮+), কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক (পুরুষ/মহিলা পৃথক ব্যাচ)
🔰 যেসমস্ত বিষয় ফোকাস করা হবে;
• আরবি অক্ষর ও উচ্চারণ শেখা
• তাজবিদের মৌলিক নিয়ম
• উচ্চতর তাজবিদ প্রশিক্ষণ
• ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করা
• কোরআন তিলাওয়াতের সৌন্দর্য অর্জন
• তাজবিদের নিয়ম প্রয়োগ করে তেলাওয়াত করা
• দোয়া ও সার্টিফিকেট
বিস্তারিত জানতে:
কল: 01516 01 94 76
হোয়াটসেপ: 01784-143826
18/11/2025
শীতকালীন কোরআন শিক্ষা কোর্স।
15/11/2025
সামনেই আসছে শীতকালীন দীর্ঘ ছুটি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই শিখুন কোরআন তেলাওয়াত। কোর্সটি সবার জন্য উন্মুক্ত। কোর্স বিস্তারিত খুব শিঘ্রই আমাদের পেইজে শেয়ার করা হবে।
: A short Course
15/10/2025
‘হজরত খাদিজা (রা.) ব্যবসা করতেন’, তাই মেয়েদের চাকরি করা জায়েজ এটাই নাকি এখান থেকে বুঝা যাচ্ছে।
খুব কমন একটা যুক্তি। নিজের স্বার্থ বাস্তবায়নে এর থেকে সুন্দর যুক্তি হয় না।
এটুকু বলেই থেমে যায়। জানার চেষ্টা করেনা, উনার ব্যবসার ধরণ কেমন ছিল?
প্রথমত, হজরত খাদিজা (রাঃ) নিজে অর্থ সম্পদ ইনভেস্ট করে ব্যবসা করতেন, ব্যবসার কাজ গুলো এক্সিকিউট করার জন্য ফিল্ড পর্যায়ে ম্যানপাওয়ার নিয়োগ করতেন, ঘরে বসে ব্যবসায়িক কাজ পরিচালনা করতেন, নিজে কখনও ব্যবসায়িক কাজে বের হন নি, সহকর্মীদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাশাপাশি কাজ করেন নি। এমনই সম্ভ্রান্ত ছিলেন তিনি।
দ্বিতীয়ত, যখন হজরত খাদিজা (রাঃ) ব্যবসা করতেন তখন তিনি অমুসলিম ছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে হজরত খাদিজা (রাঃ) কি করতেন বা করেন নি, আমাদের মা এর ইসলাম গ্রহণের পূর্বের প্রাক-ইসলামিক জীবন আমাদের মুসলিমা বোনদের জন্য অনুসরণীয় নয়।
তৃতীয়ত, হ্যাঁ, নবিজি (সাঃ) নবুয়ত পাওয়ার আগে আমাদের মা খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা ব্যবসা করতেন। এর পেছনের কারণ হচ্ছে তিনি বিধবা ছিলেন। কিন্তু যেদিন তিনি প্রিয়তম সত্যবাদী আল-আমিনকে পেয়ে গেলেন, সেদিন তাঁর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেলেন। এরপর থেকে সে কাজগুলো তার স্বামীই করতে লাগলেন। আর সেদিন থেকেই খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা পুরোদস্তুর গৃহকর্ত্রী হয়ে গেলেন।
চতুর্থত, পুরো ঘটনাই (ব্যবসা করার) পর্দার বিধান নাজিলের আগে।
কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পরে হজরত খাদিজা (রাঃ) যা যা করেছেন সেখান থেকে যদি শিক্ষা নিতে বলা হয়, এগুলোর উপর আমল করতে বলা হয়;
যেমনঃ
"তিনি ছিলেন বিবেক বুদ্ধি, সৌন্দর্য, বংশ মর্যাদায় সেকালের শ্রেষ্ঠ নারী।"
- এখন কোন ইসলামপন্থী ভাই যদি একই সাথে এক নারীর মধ্যে এসব গুণগুলো প্রত্যাশা করেন, তখন ইসলামের লেবাসে থাকা নারীবাদীদের থেকে অনেক রকম কথা শোনা লাগে।
"হজরত খাদিজা (রাঃ) এর মধ্যে গুণ ছিল সর্ববস্থায় মানে সর্ববস্থায়ই স্বামীর সেবা, আনুগত্য, বাধ্যতা।" চাকরি করা জায়েজ দাবি তোলা, আজকাল কয়জন এর উপর আমল করেন? কয়জন এই ব্যাপারে উনাকে অনুসরণ করেন?
"স্বামী ঘরে না ফেরা পর্যন্ত তিনি দুশ্চিন্তায় খেতেন না, ঘুমাতেন না।" কয়জন এমন করেন?
"শ্বাশুড়ি (রাসুল সাঃ এর দুধ মা) কে অনেক পরিমানে দান করতেন, নিয়মিত দেওয়া থুওয়া করতেন।" শ্বাশুড়িকে সহ্য হয় কয়জনের?
(যেমনঃ হালিমা সা'দিয়া (রাঃ) ছিলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুধ মা। খাদিজা (রাঃ) এর সাথে বিয়ে হওয়ার পর একবার তিনি এলেন তাঁদের বাড়িতে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন বাসায় ছিলেন না।
খাদিজা (রাঃ) উনাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি সেই হালিমা যিনি আমার স্বামীকে দুধ পান করিয়েছেন? তিনি সম্মতি জানালেন। সেই সময় খাদিজা (রাঃ) এর কাছে চল্লিশটি ভেড়া এবং একটি উট ছিল। তিনি সাথে সাথে এই চল্লিশটি ভেড়া এবং একটি উট হালিমা (রাঃ) কে উপহার হিসাবে দান করে দিলেন।)
বর্তমানে স্ত্রীরা নিজের আপন শ্বাশুড়িকে দেওয়া থুওয়া তো দূরে থাক, স্বামীকেও আপন মা কে দেওয়া থুওয়া থেকে বিরত রাখে।
"আম্মাজান হজরত খাদিজা (রাঃ) এঁর বয়স যখন ৫০ বছরের উপরে তখন থেকেই মুহাম্মদ (সাঃ) নির্জন এলাকায় ধ্যান-সাধনার মগ্ন এবং ঘর সংসারের প্রতি উদাস হয়ে পড়েন। সাধনার উদ্দেশ্যে কয়েক সপ্তাহের জন্য শহরের কোলাহল থেকে দূরে গিয়ে জবল-ই-নুর পাহাড়ের হীরা নামক এক গুহায় নির্জন-বাস শুরু করেন। সেই সময়ে খাদিজা (রাঃ)ও তাঁর স্বামীর ধ্যান-তপস্যায় যেন কোনরূপ বিঘ্নতা না হয় সেদিকে সব সময় নজর রাখতেন। সেই বয়সে স্বামীর জন্য খাদ্য পানীয় এবং আনুষঙ্গিক ব্যবহার্য অন্যান্য উপকরণ নিজে বহন করে সেই উঁচু পাহাড়ের গুহায় নিয়ে যেতেন।"
আজকালকার অনেক স্ত্রীদের মত তিনি কখনও এই নিয়ে স্বামীর প্রতি অভিযোগ করে নাই, ‘কেমন মানুষ আপনি? সারাদিন পাহাড়ে বসে বসে হাওয়া খাচ্ছেন!
নারীবাদীদের বুলি, //বলি কী সংসারের দায়-দায়িত্ব বলতে কি স্বামীর জন্য কিছু নেই? আমি কি স্ত্রী হয়ে এসেছি সারাদিন বাচ্চাকাচ্চার ফাই-ফরমাশে দাসীর মত কাজ করে যাবার জন্য?//
না, তিনি কখনও এমন কথা বলেন নাই। বরং তিনি যেমন স্বামীর সেবা যত্ন করতেন তেমনি স্বামীর প্রতিটি কাজে-কর্মে একবাক্যে সমর্থন এবং সহযোগিতা করে যেতেন।
আর বর্তমানে এই পার্সেন্টেজ হাতে গোণা যে আশা করা যায় স্ত্রী স্বামীর সব কথা (অবশ্যই নায্য কথা) এক বাক্যে তর্ক ছাড়াই সমর্থন করবে।
"হজরত খাদিজা (রাঃ) ছিলেন রাসুল (সাঃ) এর মাথার ছায়ার মত, নির্ভরতার প্রতীক। রাসুল (সাঃ) কোন দুশ্চিন্তায় পড়লেই খাদিজা (রাঃ) এর কাছে চলে আসতেন।"
কতজন স্ত্রী বলতে পারবেন মন থেকে যে তারা তার স্বামীর জন্য আস্থা নির্ভরতার প্রতীক হতে পেরেছেন?
কতজন স্ত্রী মন আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি রাখতে পারবেন যে, তাদের স্বামী দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হলে স্ত্রীর কাছে এসে সুকুন পায়? হতাশা কমে?
বরং এমন অনেক স্ত্রীই আছেন যারা দুশ্চিন্তা দূরীকরণ দূরের কথা, নিজেই স্বামীর দুশ্চিন্তার, হতাশার কারণ!
লেখা : শাহ মুহাম্মদ তন্ময়
#সীরাহ
17/09/2025
নতুন একটা ট্রেন্ড চলছে। অনেকে Gemini দিয়ে ছবি এডিট করছে। কেউ পাঞ্জাবি লাগাচ্ছে। কেউ শার্ট। কেউ নিজের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বদলে দিচ্ছে। কেউ কেউ আবার চেহারা ব্রাইট করে ছবি পোস্ট করছে।
কিছু পোস্টের মারফতে জানতে পারলাম মেয়েরাই নাকি এসব বেশি করছে। তারা নিজেদেরকে শাড়ি পরাচ্ছে। কখনও শর্ট ড্রেস। কখনও-বা মডেলের মতো নিজেকে সাজিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি ছাড়ছে।
শুনলাম, ছবিগুলো দেখতে নাকি এতটাই রিয়েলেস্টিক লাগে—আসল আর নকল বোঝা মুশকিল।
ভাবুন তো, যদি কেউ আপনাকে এরকম বিবস্ত্র করে ছবি পোস্ট করে? যেহেতু এডিট করে ড্রেস বদলানো যায়, শরীরের গড়ন পাল্টানো যায়, তাহলে এমনভাবে বিবস্ত্র করা কি সম্ভব নয়?
তাই বলছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়ার আগে সাবধান হন। আজকে যদি কেউ আপনার ছবি ব্যবহার করে অশ্লীল কনটেন্ট বানিয়ে ছড়িয়ে দেয়? যদি কোনো প*র্ণ সাইটে আপনার ছবি বা ভিডিও চলে আসে?
কী করবেন তখন?
Collected.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Level-, 10B, Holding-5, Aftabnagar Main Road, Badda
Dhaka
1212