কে না পারে?

কে না পারে? অনেক পারা না পারার ভিড়ে কিছু কিছু 'কে ন?

07/05/2021

ফুটপাথে বসে বসে অনুভব করছিলাম, মানুষের মাঝে অনেক পরিবর্তন এসেছে। নামাজ পড়ে বের হয়ে সবাই বেশ খুশি খুশি। এলাকায় বানর যুগল এসেছে। ব্যাপক আগ্রহ সবার। আর বানরের ভাব অনেক। কলা হাতে লোকগুলোকে দাঁড়া করিয়ে রাখলো! ভাব নিয়ে মুড়ি খাচ্ছে আর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করছে।

একজন প্রাণি অধিকার কর্মীর কাছে এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে!

স্থান- লালমাটিয়া জি ব্লক। আমাদের প লাইফ কেয়ারের পাশেই।

বিঃ দ্রঃ এই রোডের মানুষজন কুকুর-বিড়াল সবই ভালবাসেন। এই মসজিদ থেকে রাতের বেলায় দুইজন কালো কুকুরকে খাবার দেয়া হয় মসজিদের দেয়াল ঘেঁষেই।

19/04/2021

প্রাণবিক পৃথিবীর স্বপ্নে-
গত বছর করোনা এসে পৃথিবীকে থমকে দিয়েছিল। গৃহবন্দী হয়ে আমরা নিজেদের ক্ষুদ্রতা ও অক্ষমতা উপলব্ধি করেছিলাম। প্রথম লক ডাউনের পর ঘর থেকে মুক্তি পেয়েই আমরা ভুলে গেলাম সেই দুঃসময়ের কথা। আগের মতই লোভ –লালসা, ব্যক্তি স্বার্থ, অন্যায়, নির্যাতন, দুর্নীতি আবার শুরু করলাম। অসহায় মানুষ তো বটেই প্রকৃতির অন্যান্য সন্তান যেমন কুকুর, বিড়াল, পাখি, শিয়াল, হাতি, বানর সহ নানান অসহায় প্রাণির উপর নির্যাতনও পুরোদমে বাড়িয়ে দিলাম। বেড়েছে খুন, ধর্ষণ, অবিচার। সমগ্র পৃথিবী নিয়ে কাজ করবার ক্ষমতা আমাদের নেই। আমাদের এই মায়াবী বাংলাদেশটাই প্রাণবিক করার ব্রত নিয়ে পথে নেমেছি আমরা।
করোনা আমাদের শিখিয়েছে শুধু মানুষ নিয়ে চিন্তা করার দিন ফুরিয়েছে। তাই আমরা “মানবিক” শব্দটির ব্যাপ্তি ঘটিয়ে প্রাণবিক শব্দটি ব্যবহার করেছি। আমরা একটি প্রাণবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেখানে সকল প্রাণের মুক্তির জন্য কথা হবে, সকল প্রাণের বেঁচে থাকার অধিকার নিয়ে কথা হবে। আমরা সবাইকে নিয়ে বাঁচতে শিখতে চাই।
এসেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। মানুষকে আরেকবার শুধরানোর সুযোগ দিতেই হয়তো আবার এই ঢেউ এনেছেন সৃষ্টিকর্তা। মানুষকে আবার বলতে চান, তোমরা ক্ষ্যান্ত দাও। প্রকৃতির উপর অন্যায় অত্যাচার বন্ধ কর। পাশের মানুষটির দিকে আন্তরিকভাবে তাকাও। স্বার্থহীনভাবে অন্যের দিকে হাত বাড়াও। ইচ্ছা করলেই সৃষ্টিকর্তার কোন সৃষ্টিকে ধ্বংস করার ঘোষণা দিও না। হোক সে পথের কুকুর-বিড়াল অথবা ছায়াদানকারী কোন গাছ। নিজের দিকে তাকাও। কতটা ক্ষুদ্র তুমি। কতটা অক্ষম তুমি। সামান্য এক ভাইরাসকেই তুমি দেখতে পাও না, ধরতে পারো না, রুখতে পারো না- তবে কি এমন ক্ষমতা তোমার? সামান্য এক প্রাণি তুমি। তুমি সামান্য এক মানুষ! থামো!
সৃষ্টিকর্তা মানবজাতিকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন সেবক হিশেবে। শাসক হিশেবে নয়। শাসক তিনিই, যিনি সব গড়েছেন। সৃষ্টিকর্তার এই বাগানে মানুষ কেবল মালীর ভূমিকায় রয়েছে। স্রষ্টার সমস্ত সৃষ্টিকে পরিচর্যা করাই আমাদের দায়িত্ব। কাজেই মানুষকে বুঝতে হবে তার কাজ ধ্বংস করা নয়। বরং পৃথিবীর সবকিছুকে সেবা দেয়াই মানবজাতির প্রধানতম কাজ। সৃষ্টিকর্তার এই বাগানের প্রতিটি প্রাণির সেবা করার মাঝেই মানবজাতির শ্রেষ্ঠত্ব নিহিত। অর্থাৎ, স্রষ্টা মানুষকে শক্তিশালী একটি মস্তিষ্ক দিয়েছেন। দিয়েছেন অন্যের যন্ত্রণা উপলব্ধি করার মত হৃদয়। এই দুই শক্তি অর্থাৎ বিবেক এবং মমত্বের মিশ্রণ দিয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করতে হবে। তবেই করোনার মত মহামারীগুলো থেকে আমাদের পরিত্রাণ ঘটবে। নয়তো আমরা জানি না, স্রষ্টা কতগুলো ঢেউয়ের পর আমাদের ক্ষমা করবেন অথবা ধ্বংস করে দিবেন। কাজেই আসুন, কুকুর-বিড়াল থেকে শুরু করে কোন প্রাণিকেই যেন নিকৃষ্ট মনে না করি। প্রতিবেশির পাশে দাঁড়াই। পথে হাঁটতে-চলতে অপর যে কোন মানুষ বা প্রাণির প্রতি সহমর্মী আচরণ করি।
আসুন, আমরা এই মানবজাতির জন্য, বাঙালীর জন্য সুন্দর একটি ইতিহাস রেখে যাই। প্রাণবিক একটি বাংলাদেশ গড়ে যাই আগামী প্রজন্মের জন্য। প্রাণবিকতাই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন।

রাকিবুল হক এমিল
প্রতিষ্ঠাতা
পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন

পৃথিবীতে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান হলেন অসহায় দুঃস্থ মানুষেরা, কারণ তাদের আশেপাশে কোন না কোন মানবিক মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। আর সবচেয়ে...
29/03/2021

পৃথিবীতে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান হলেন অসহায় দুঃস্থ মানুষেরা, কারণ তাদের আশেপাশে কোন না কোন মানবিক মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। আর সবচেয়ে দুর্ভাগা হল ক্ষমতাবান মানুষেরা, কারণ তাদের চারিদিকে ভীড় করে স্বার্থান্বেষী সব লোভী মানুষ। যারা চরম বিপদের দিনে তাকে ফেলে যায়।

রাকিবুল হক এমিল।

ছবির স্থান- হাজীর বিরিয়ানি। মিরপুর ১১।

14/03/2021

কে না পারে- এর গল্পে আজ টপ্লার গল্প।
চাইলে মোরগ পরিবারও বিলাই দত্তক নিতে পারে!
আপনি কেন পারবেন না?

04/03/2021

মানুষ নই, তবে মা!

- সন্তানের জন্য যে সব পারে!

জানি বাস্তবতা সবার মন খারাপ করিয়ে দিবে। সবার জন্য জানাচ্ছি, ও আমাদের প লাইফ কেয়ার লালমাটিয়া চেম্বারের গ্যারেজের উপর সেইফ প্লেইসে থাকছে। প্রতিদিন দুই বেলা খাবার আর ক্যাটফুড, পানির ব্যবস্থা করেছি। তবে ও ভয় পায়। কাছে আসতে চায় না। আপাতত বিরক্ত করতে চাই না।

শরণার্থী জীবন কেমন হয়, আমার জানা নেই। শুধু একটা শব্দই মাথায় আসে,অনিশ্চয়তা। এর মাঝেও এক "সামান্য" কুকুরকে ভালবাসা তো বিলা...
19/02/2021

শরণার্থী জীবন কেমন হয়, আমার জানা নেই। শুধু একটা শব্দই মাথায় আসে,অনিশ্চয়তা।
এর মাঝেও এক "সামান্য" কুকুরকে ভালবাসা তো বিলাসিতারও বাইরে, তাই না! কিন্তু তাকে নিয়েই এই পরিবারের, এই সোহেলের অনিশ্চিত যাত্রা। তারা জানেও না, ওকে নিয়ে জাহাজে উঠতে পারবে কি পারবে না! অনেক অনেক স্বাবলম্বী, শিক্ষিত, অর্থবান মানুষকেও দেখেছি pull migration অথবা ইমিগ্র‍্যান্ট হয়ে চলে যেতে দেশ ছেড়ে। রেখে যেতে দেখেছি "প্রিয়" কুকুর-বিড়ালকে। এই সোহেলের চাইতে তাদের মাইগ্রেশন নিশ্চই এতোটা অনিশ্চিত ছিল না। যাইহোক, যতবার ছবিগুলো দেখছি ততবার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। বেয়োনেট আর বন্দুকের নল যাকে দাবড়িয়ে বেরিয়েছে পরদেশের সীমান্তে, সে কিভাবে পথের এক কুকুরকে ভালবাসতে শিখলো?
পৃথিবীতে শান্তির জন্য জাতিসংঘে কতই মিটিং হয়। কতই না সম্মেলন হয়! কত কত পন্ডিত কত কত ফর্মুলা! এই শিশু এবং মতি নামের কুকুরটির চোখে মুখেই আসল ফর্মুলা আঁকা রয়েছে। যা কিনা পুরো পৃথিবীকে মুক্তি দিতে পারে। তা হল- ভালবাসা।

এই ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে লিখা থাকলো।
লেখাঃ রাকিবুল হক এমিল
ছবি- রাজিব রায়হান

মজার খাবার সবার হোক"খাবি?""দাম কত জানোস?""না"। সংকোচ ভেঙে দোকানীকে জিজ্ঞেস করেই ফেলল,"ভাই,দাম কত এইটা?""৫০ টাকা!""চল, জা...
03/02/2021

মজার খাবার সবার হোক

"খাবি?"
"দাম কত জানোস?"
"না"।
সংকোচ ভেঙে দোকানীকে জিজ্ঞেস করেই ফেলল,"ভাই,দাম কত এইটা?"
"৫০ টাকা!"
"চল, জাইগা। খাওন দরকার নাই।"
এই বলে বন্ধুকে এক রকম টেনে নিয়েই চলে গেল আরেকজন।
কিছুক্ষণ পর একা একা আবার ফিরে এল যার খুব খেতে ইচ্ছে করছিল সে। দোকানীকে আবার জিজ্ঞেস করলো সংকোচ করে," ভাই, আমার কাছে ৪০ টাকা আছে। ১০ টাকা কম রাইখা দেওন যাইবো?"
"আচ্ছা, ব, দিতাছি।"
রাস্তার পাশের খাবারের গাড়ি। কাঁচে ঘেরা মুখরোচক খাবার। পুরো ঘটনাটা আমাদের সামনেই ঘটে গেল। এখানে পেছনের খাবার হাতের ছেলেটিই সেই শিশু। আর দোকানী যিনি নিজেও জানেন না, তিনি সমাজে একটা কন্ট্রিবিউশন করলেন। যার একটা কর্পোরেট শব্দ রয়েছে- CSR। ১০ টাকা নিজের কাছ থেকে কম রেখে তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুটির ছোট্ট একটা স্বপ্ন পূরণ করলেন।

এখানে, ঘটনা দেখা এবং ছবি তুলে পোস্ট দেয়া ছাড়া, আমরাও কিছু ভূমিকা রেখেছি। সেটি না হয় থাক। ছবিতে শিশুটির মুখ ঝাপসা করিনি কারন, সে খাবারটি ভিক্ষা চায়নি। এখানে সে কিনে খেয়েছে। তার প্রবল আত্মসম্মানবোধ আমাকে অবাক করেছে। আত্মসম্মান থাকায় সে পুরো ঘটনায় বহুবার দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। শেষ পর্যন্ত সে আয়েশ করে খাচ্ছে!

আমরা সবাই যদি আমাদের ব্যবসা থেকে অন্যের জন্য কিছুটা অংশ ছেড়ে দেয়, তাহলে সবাই ভাল থাকে। চাইলে সবাই পারে এমন মানবিক এবং সচেতন হতে।

12/01/2021

ইয়াহানের বাবা-মা তাকে সব প্রাণির প্রতি মমত্ববোধ শিখিয়েছেন। আপনিও পারেন ইয়াহানের মত সন্তান গড়ে তুলতে!

প্রতিটি শিশুই এক একজন শিল্পী।যে অবস্থাতেই সে থাকুক, তার কল্পনাপ্রবণ মন ব্যস্ত হতে পারে যে কোন সময়। অনেক সময় অনর্থক মনে হ...
08/12/2020

প্রতিটি শিশুই এক একজন শিল্পী।
যে অবস্থাতেই সে থাকুক, তার কল্পনাপ্রবণ মন ব্যস্ত হতে পারে যে কোন সময়। অনেক সময় অনর্থক মনে হলেও শিশুদের এই কাজগুলোতে অনুপ্রাণিত করুন।

03/12/2020

কর্পোরেট পেশায় থেকেও প্রাণি অধিকারে সোচ্চার একজন নারী-নোনা আহমেদ।

আসছি তার পারা না পারার গল্প নিয়ে।

Address

Bardhanbari Road
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কে না পারে? posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category