** বিসিএস পরীক্ষায় কার্যকরী প্রস্তুতি হিসাবে "ইংরেজি বিষয়" নিয়ে কিছু কথা **
- যেহেতু আমি নিজেও বিসিএস প্রস্তুতি নিচ্ছি তাই একজন সিনিয়র কিংবা উপদেশদাতা হিসাবে নয়, বরং একজন জব প্রার্থী বন্ধুর শুভাকাঙ্ক্ষী হিসাবে আমাদের ইংরেজির প্রস্তুতিটা কিভাবে সুপরিকল্পিতভাবে নেওয়া যায় তার ছোট একটা সারমর্ম আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম। কেননা আমি মনে করি অন্য জব প্রার্থী বন্ধুকে সহায়তা করার জন্য বিসিএস ক্যাডার হওয়া লাগে না বরং দরকার একটা সুন্দর মানসিকতা।
** ৪০,৪১,৪৩,৪৪ তম বিসিএস পরীক্ষায় ইংরেজি গ্রামার অংশে ২০টি করে মোট ৮০টি প্রশ্ন আসে। খুব ভালোমতো প্রশ্নগুলো দেখলে বোঝা যায়, এই চারটি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায় ১২-১৩টি টপিককে কেন্দ্র করে প্রশ্ন করা হয়েছে। টপিকগুলো হলো -
1. Number and Gender.
2. Parts Of Speech (Basically এখানে দুধরনেন প্রশ্ন হয়, যেমন একটি Sentence দিয়ে যেকোন একটি Word কে Underline করে বলবে কোন Parts Of Speech, আরেকটি হলো একটি Word দিয়ে বলবে ঔই Word er Adjective, Verb, Adverb বা Noun Form কোনটা). তবে Noun topic details দেখতে হবে।
3. Preposition.
4. Idioms and Pharse.
5. Voice Change.
6. Changing Sentence (Degree change সবচেয়ে বেশি এসেছে, তাছাড়া Affirmative, Negative, Imperative, Exclamatory এগুলোও দেখতে হবে).
7. শুদ্ধ বানান.
8. Pharse and Clause (Noun/ Adjective /Adverb/ Verb ; Pharse or Clause. তাছাড়া Subordinate Clause, main clause, principle clause এগুলো আসে.
9. Synonym And Antonym.
10. Tense (Specially Right form of verbs, transitive and intransitive verb).
11. One Word Substitutions.
12. বাগধারা.
13. Gerund, Participle, Verbal.
** ৪০,৪১,৪৩,৪৪ তম বিসিএস পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্য অংশে ১৫টি করে মোট ৬০টি প্রশ্ন আসে। খুব ভালোমতো প্রশ্নগুলো দেখলে বোঝা যায়, এই চারটি বিসিএস পরীক্ষায় প্রায় ২৬-২৭টি লেখককে কেন্দ্র করে প্রশ্ন আসে। Writter গুলো হলো -
1. William Shakespeare’s *
2. W.B. Yeats *
3. TS Eliot *
4. John Milton *
5. PB Shelly *
6. G.B. Show *
7. John dydren.
8. W.Somerset Maugham
9. Francis beacon *
10. Alexender Pope *
11. Herman Melville
12. Henry fielding
13. Willam Congreve
14. William Sydness
15. Charles Dickens*
16. John donne
17. Christafore marlowe *
18. James Joyce
19. William Wordsworth *
20. William blake
21. Charlotte Bronte
22. Anudharti Roy *
23. Lord byron*
24. Anthur henry hallam
25. Edward fitzerland.
26. Lord tenyson
27. John keats *
** এছাড়াও আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ Writter আছেন যেগুলো ৩০-৩৯ তম বিসিএস অবধি বারবার এসেছে, সেগুলোকে আমরা একটু দেখে যাবো, কেননা আমি উপরে ৪০-৪৪ তম নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে সাহিত্য পড়তে হলে সব Details পড়তে হয় না। বর্তমান বিসিএস এ যে টাইপের Question হয় তা নিচে দেওয়া হলো -
1. Quotation ( সব বিখ্যাত Writter er বিখ্যাত উক্তি) Ata porlei 3-4-5 marks Common আসে।
2. প্রতি Writter এর বিখ্যাত গ্রন্থ - এটা পড়লে ১/২ মার্কস ; ঔই গ্রন্থ কি ধরনের এটা পড়লে ১ মার্কস এবং ঔইসব গ্রন্থের বিখ্যাত চরিএ এটা পড়লে ১ মার্কস আসে।
3. কে কোন যুগের কবি এই টপিক পড়লে ১ মার্কস এবং Literary terms পড়লেও ১ মার্কস আসতে পারে। তাছাড়া সবযুগের সময়কাল দেখে রাখা ভালো, ১ মার্কস আসলেও আসতে পারে।
** নিজের Strong and Weak Zone বিবেচনায় ইংরেজিতে কিছু টপিকের প্রস্তুতি অনেক ভালো এবং কিছু টপিকের প্রস্তুতি একটু কম ভালো হতে পারে, এতে হতাশ হবেন না বরং আরোও দৃঢ় উদ্যমে এগিয়ে যান। তবে যেভাবেই প্রস্তুতি নেন না কেন, সবকিছুর উপরে দরকার নিজের প্রতি নিজের আত্নবিশ্বাস এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি আস্তা। কেননা জীবনে অনেক মেধাবীরা হেরে গেলেও পরিশ্রমী যোদ্ধারা কখনোই হারে নি। তাই লেগে থাকুন, দেখবেন ইংরেজির মতো কঠিন বিষয়কে আমরা জয় করবো ইনশাআল্লাহ। সৃষ্টিকর্তা সবার মনের আশা পূরন করুক এই কামনা করি এবং আমার জন্য সবাই দোয়া রাখবেন এবং ভুল কিছু বললে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন 🥰🥰
👇
Follow👍 Online Study!অনলাইন স্টাডি
BCS Preliminary Preparation
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BCS Preliminary Preparation, Educational Research Center, Dhaka.
উচ্চারণ সহায়ক পোস্ট ০১
gh = ফ
cough (কফ)
draught (ড্রাফট)
enough (ইনাফ)
laugh (লাফ)
rough (রাফ)
tough (ঠাফ)
নিচের বানানগুলোর উচ্চারণে gh বাদ যায়
bou(gh)t
borou(gh)
cau(gh)t
ou(gh)t
thou(gh)
thou(gh)t (থট)
ri(gh)t (রাইট)
strai(gh)t (স্ট্রেইট)
nei(gh)bour [নেইবা(র)]
hi(gh)- হাই
hi(gh)t- হাইট
frei(gh)t (ফ্রেইট)
li(gh)t
mi(gh)t
ni(gh)t
ti(gh)t
wei(gh)
ou = অা
country (খান্ট্রি)
couple (খাপল)
cousin (খাজিন)
double (ডাবল)
enough (ইনাফ)
rough (রাফ)
tough (ঠাফ)
trouble (ঠ্রাবল)
young (ইয়াং)
o = আ
above (অ্যাবাভ)
brother [ব্রাদা(র)]
company (খামপানি)
cover [খাবা(র)]
front (ফ্রান্ট)
government (গাভমেন্ট)
Monday (মানডে)
onion (অানিঅন)
some (সাম)
son (সান)
tongue (ঠাংগ্)
won (ওআন)
wonder [ওআন্ডা(র)]
worry (ওআরি)
অনুরূপ
honey, money, one, none, done, come, comfortable, other, month, mother, love, lovely
Letter বাদ দিয়ে উচ্চারণ। পর্ব ০১
অনেক ইংরেজি শব্দে বানান উচ্চারণ থেকে আলাদা হয়।
যেসব শব্দের উচ্চারণে e কে বাদ দেয়া হয়।
ব্যাকেটে দেয়া e টি উচ্চারিত হয় না।
Diff(e)rent (ডিফরেন্ট)
Diff(e)rence (ডিফরেন্স)
Diff(e)rently (ডিফরেন্টলি)
Ev(e)ry (এভরি)
Ev(e)ning (ইভনিং)
Int(e)resting (ইনট্রেস্টিং)
Om(e)lette (অমলেট)
Sev(e)ral (সেভরল)
Tem(e)rature (টেমরেইচার)
Veg(e)table (ভেজঠেবল)
উচ্চারণে a বাদ
marri(a)ge (ম্যারিজ)
carri(a)ge (খ্যারিজ)
উচ্চারণে b বাদ
clim(b), com(b), dum(b), dou(b)t, de(b)t
উচ্চারণে d বাদ
han(d)kerchief, san(d)wich, We(d)nesday
g বাদ
champa(g)ne (শ্যাম্পেইন)
forei(g)n (ফরেন)
si(g)n (সাইন)
L বাদ
ba(l)m, ca(l)m, pa(l)m, ha(l)f, cou(l)d, shou(l)d, ta(l)k, wa(l)k, a(l)mond, sa(l)mond
n বাদ
autum(n), hym(n), solem(n)
উচ্চারণে u বাদ
g(u)itar, us(u)ally, g(u)arantee, g(u)ard, g(u)errilla,
g(u)ess, g(u)est, g(u)ide, g(u)ilt, g(u)y
bisc(u)it
উচ্চারণে h বাদ
w(h)at (ওয়াট), w(h)en (ওয়েন), w(h)ere (ওয়ার)
w(h)ether (ওয়েদার), w(h)ich (উইচ), w(h)y (ওয়াই)
উচ্চারণে w বাদ
(w)ho, (w)hom, (w)hose, (w)hore, (w)hole
(w)rite, (w)rong, (w)rap
অন্যান্য
rest(au)rant (রেস্ট্রন্ট)
জনস্বার্থে: Master Jahangir Alam
চাকরির একাধিক পরীক্ষায় বার বার আসা ৭০ টি গুরুত্বপূর্ণ বাক্যসংকোচন
//////
✍️✍️যিনি বিদ্যা লাভ করিয়াছেন -- কৃতবিদ্য (সোনলী & জনতা ২০২০)
✍️✍️ বহু দেখেছে যে -- ভূয়োদর্শী ( আট ব্যাংক ২০১৯)
✍️✍️ ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি -- ইতিহাসবেত্তা (পূবালী ব্যাংক ১৯)
✍️✍️ মকমক হলো -- ব্যাঙের ডাক (সিনিয়র অফিসার ১৮)
✍️✍️ অকালে যাকে জাগরণ করা হয় -- অকালবোধন ( প্রবাসী কল্যান ব্যাংক ১৮)
✍️✍️ যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকে -- প্রোষিতপত্নীক (কৃষি ব্যাংক ১৭)
✍️✍️ অনুকরণ করার ইচ্ছা -- অনুচিকীর্ষা (রাকৃউবি ১৭)
✍️✍️ বিশ্বজনের হিতকর -- বিশ্বজনীন (প্রবাসী কল্যান -১৭)
✍️✍️ যে নারীর হিংসা নেই -- অনসূয়া (বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন)
✍️✍️ টঙ্কার --- ধনুকের ধ্বনি (উত্তরা ব্যাংক)
✍️✍️ যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায়না -- অনির্বচনীয় (উত্তরা ব্যাংক ১৭)
✍️✍️ এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত -- একাদিক্রমে (পূবালী ব্যাংক ১৩)
✍️✍️ যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে -- অবিমৃষ্যকারী (রাকৃউব ১১)
✍️✍️ যা লাফিয়ে চলে -- প্লবগ (সোনালী ব্যাংক ১০)
✍️✍️ যার কিছু নেই-- অকিঞ্চন (রুপালী ব্যাংক ২০১০)
✍️✍️ সম্পূর্নরুপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন -- অসমীক্ষিত (রুপালী ২০১০)
✍️✍️ বৃষ্টির জল --- শীকর
✍️✍️ গোপন করার ইচ্ছা -- জুগুপ্সা
✍️✍️ আজীবন সধবা যে নারী -- চিরায়ুস্মতী (তিতাস গ্যাস ২০১১)
✍️✍️ যা দীপ্তি পাচ্ছে -- দেদীপ্যমান (বিবি এডি ২০১০)
✍️✍️ দশ চক্রে ভগবান ভূত -- দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা (জনতা ২০১১)
✍️✍️ বাঘের চামড়া-- কৃত্তি (সিটি ব্যাংক ১১)
✍️✍️ যে ব্যক্তির দুহাত সমানে চলে -- সব্যসাচী
✍️✍️ যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হিয়েছে--- অযত্নসম্ভূত
✍️✍️ রাজহাসের ডাক -- ক্রেকার
✍️✍️ দুইয়ের মধ্যে একটি-- অন্যতর
✍️✍️ যার বসন আলগা-- অসংবৃত
✍️✍️ চক্রের প্রান্তভাগকে বলা হয়-- চক্রধারা
✍️✍️ শুভক্ষনে জন্ম যার -- ক্ষনজন্মা
✍️✍️ হরিণের চামড়া -- অজিন
✍️✍️ যে জমিতে ফসল জন্মায় না-- ঊষর
✍️✍️ পাওয়ার ইচ্ছা-- ঈপ্সা
বিশ্বজনের হিতকর-- বিশ্বজনীন
যা প্রমান করা যায় না-- অপ্রমেয়
একই সময়ে বর্তমণ -- সমসাময়িক
গাছে উঠতে পটু যে -- গেছো
গম্ভীর ধ্বনি-- মন্দ্র
মুক্তি পেতে ইচ্ছুক-- মুমুক্ষু
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে -- প্রত্যুদগমন
রাত্রির শেষভাগ -- পররাত্র
যে ব্যক্তি পূর্বজন্মের কথা স্মরণ করতে পারে--- জাতিস্মর
যে বস্তি থেকে উৎখাত হয়েছে-- উদ্বাস্তু
ঋষির ন্যায় --- ঋষিকল্প
শোনা যায় এমন -- শ্রুতিগ্রাহ্য
অবক্ষ জলে নেমে স্নান-- অবগাহন
ভোজন করার ইচ্ছা ----বুভুক্ষা
আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে---- পন্ডিতন্মন্য
যে ব্যক্তি এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায় --- মাধুকরী
কর দান করে যে---- করদ
যে বহু বিষয় জানে--- বহুজ্ঞ
দ্বারে থাকে যে--- দৌবারিক
কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ -- কর্মঠ
যে অননরত কাঁদছে -- রোরুদ্যমান
আটপৌরে--- যা সব সময় পরার উপযোগী
জয় সূচনা করে এরুপ তিথি -- শুভ তিথি
যা সাধারনের মধ্যে দেখা যায়না -- অনন্যসাধারন
শত্রুকে পীড়া দেয় যে --- পরন্তপ
ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি -- ঋত্বিক
চোখের কোন -- অপাঙ্গ
অলংকারের ধ্বনি -- শিঞ্জন
সৃষ্টি করার ইচ্ছা -- সিসৃক্ষা
খাতা পত্র রাখার ঘর -- দপ্তরখানা
আকাশ ও পৃথিবী -- ক্রন্দসী
আট বছর বয়সী কন্যা -- গৌরী
জেষ্ঠ্যর বর্তমানে কনিষ্ঠের বিয়ে -- পরিবেদন
যে অন্যের লেখা চুরী করে -- কুম্ভিলক
কল্পনার দ্বারা রচিত মূর্তি -- ভাবমূর্তি
যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই -- অবসংবাদী
মোটাও নয়, রোগাও নয়---- দোহারা
যে ভরণ পোষন করে -- ভর্তা
বাইরের জগৎ সম্পর্কে যার জ্ঞান নেই -- কূপমন্ডূক
শোক দূর হয়েছে যার--- বীত শোক
পড়ার শেষে ডান লিখবেন.........
িসিএস_প্রিলিমিনারী
ফাইজুল করীম আদর
৪০ বিসিএস পুলিশ(সুপারিশপ্রাপ্ত)
মেধাক্রম-০১
পিএসসি যেহেতু প্রতিবছর ৩০ নভেম্বর সার্কুলার দিবে এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেহেতু ৪৫ প্রিলিমিনারী আগামী বছরের মার্চের মধ্যেই হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়।
যারা ৪৪ বিসিএস লিখিত প্রথমবার দিচ্ছেন তারা অলরেডি বুঝতে পেরেছেন প্রিলির রেজাল্টের পর ৪ মাসে রিটেনের একটা সলিড প্রিপারেশান নেওয়া কঠিন ব্যাপার যদি না আগে থেকে কিছুটা গুছিয়ে রাখা হয়।
৪৫ যাদের প্রথম বিসিএস তাদের জন্য এটা ফার্স্ট লেসন।প্রিলির জন্য যে ৭ মাস সময় পাবেন সেটা এনাফ।এই ৭ মাসে প্রিলির সিলেবাসের সাথে রিটেনের কিছু অংশ পড়ে ফেলতে হবে।
যেভাবে পড়তে হবেঃ
★বাংলা ১ম ও ২য় পত্রঃ
বাংলা সাহিত্যের প্রিলির ২০ মার্ক ও রিটেনের ৩০ মার্ক মিলিয়ে পড়তে হবে। সাথে গ্রন্থ সমালোচনার ১৫ মার্ক পড়ে ফেলা ভালো।
বইঃ মোহসিনা নাজিলার (বাংলা ভাষা ও সাহিত্য + বাংলা সাহিত্য পাঠ+ গ্রন্থ সমালোচনা বই),সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
যারা অন্য বই কিনেছেন পড়তে পারেন।কোন সমস্যা নাই।বই থেকে বেশি ফ্যাক্ট হলো আপনার নিজের দায়িত্বে পড়া।
বাংলা ব্যাকরণ এর জন্য নবম-দশম শ্রেণীর ব্যাকরণ বই এর পাশাপাশি সৌমিত্র শেখরের বইয়ের ব্যাকরণ অংশ ফলো করবেন।
রিটেনে ব্যাকরণ অংশে ৩০ পাওয়ার জন্য একটু কষ্ট করলেই হবে।রিটেনের পুরাতন বই অথবা প্রশ্ন ব্যাংক থাকলে দেখবেন যে ব্যাকরণ অংশে প্রশ্ন বেশি নেই।এক সেট পুরাতন বই কালেক্ট করে প্রশ্নগুলো পড়ে ফেলবেন।
বাগধারা ও প্রবাদ এর ৬ নাম্বারে অনেকের কমন পড়ে না।উইকিপিডিয়াতে বাগধারার লিস্ট + সমর পালের প্রবাদের উৎস সন্ধান বই থেকে আনকমন গুলো নোট করে পড়ে রাখবেন।
★ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্রঃ
প্রিলিতে ইংরেজির বেসিক শক্ত না করলে রিটেনে ইংরেজিতে ধরা খাবেন।অনেকেই প্রশ্ন করেন ফ্রি হেন্ড রাইটিং এ ভাল করার জন্য কি করতে হবে কারণ রিটেনে ইংরেজিতে ভালো করার শর্ত হলো ফ্রি হেন্ড রাইটিং এ দক্ষতা।
এরজন্য আগে আপনার গ্রামার এর বেসিক ঠিক করতে হবে।আপনার মাথায় যতই তথ্য থাকুক Sentence Structure ভুল লিখলে আপনার ফ্রি হেন্ড রাইটিং এক্সামিনার এর কাছে বুলশিট মনে হবে।
তাই প্রিলির প্রিপারেশান এর শুরুতেই গ্রামার এর বেসিক ঠিক করে নিতে হবে।প্রিলিতে আমরা ভোকাবুলারি বাদ দেই কারন ২ মার্কের জন্য আমরা কষ্ট করতে রাজি না।কিন্তু ভোকাবুলারি বাদ দিয়ে প্রিলিতে আপনি পাশ করে গেলেও রিটেনে ভোকাবুলারিতে দুর্বলতার জন্য আপনিই বিপদে পড়বেন।
প্রিলিতে গ্রামারের ২০ মার্কের মধ্যে একটু চেষ্টা করলেই আপনি ১৩-১৪ মার্ক তুলতে পারবেন।আর লিটারেচার ৪০ বিসিএস প্রিলির মত কঠিন প্রশ্ন না আসলে প্রচলিত যে কোন বই পড়েই আপনি ১৫ এর মধ্যে ৯-১০ মার্ক তুলতে পারবেন।যেহেতু রিটেনে লিটারেচার পার্ট নিয়ে প্রশ্ন আসে না সেহেতু লিটারেচার এ এতো বেশি সময় না দিয়ে আপনার গ্রামারের বেসিক ইম্প্রুভমেন্ট ও ভোকাবুলারিতে জোর দিন।
ভোকাবুলারির জন্য আব্দুল লতিফ স্যার এর বইটা ফলো করতে পারেন।
এই গ্রামার নলেজ ও ভোকাবুলারির দক্ষতা রিটেনে আপনার B2E/E2B Translation, Summary, Essay, Comprehension part এর Parts of speech change,Synonym, Antonyms এসবে আপনার নাম্বার অটোমেটিক বাড়িয়ে দিবে।
★বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ
প্রিলিতে বাংলাদেশ পড়ার সময় নিচের টপিকগুলো ডিটেইলস পড়বেন তাহলে রিটেনের সময় প্রিপারেশন নিতে সুবিধা হবে।
১| জাতীয় বিষয়াবলী-১৯৫২-১৯৭১,বঙ্গবন্ধুর শাসনামল ১৯৭১-৭৫(এটার জন্য এইচ টি ইমাম স্যার এর বই এর পিডিএফটা সময় করে পড়ে নিবেন।রিটেন ও ভাইভায় কাজে লাগবে)
২| কৃষি উন্নয়নে সরকারের পলিসি ও গৃহিত পদক্ষেপ।
৩| সরকারের শিল্প ও বানিজ্য নীতিসমূহ ও উন্নয়নে গৃহিত পদক্ষেপ।
৪| বাংলাদেশের সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা।
বিগত দিনের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখবেন বাংলাদেশ এফেয়ার্স এর ৩০ মার্কের প্রশ্নে আহামরি কঠিন কোন প্রশ্ন করে না।তাই টপিক ধরে পড়তে থাকেন।প্রিলি পরীক্ষার হলে বাংলাদেশ বিষয়াবলি যখন আপনি ২৪-২৫ টা পেরে যাবেন আপনার কনফিডেন্স এমনিতেই বুস্ট আপ হয়ে যাবে।
বইঃ যেহেতু সময় আছে নাঈম ভাই এর বেসিক ভিউ পড়তে থাকেন।যারা জর্জ/এমপিথ্রি পড়েন তারা ওগুলাও পড়তে পারেন।কোন সমস্যা নেই।
সংবিধানের জন্য হাসান জাহিদ ভাই এর বইটা সাজেস্ট করবো।মনে রাখবেন এক সংবিধানেই আপনার বিসিএস রিটেনের অনেক টপিক চলে আসে।তাই সংবিধানের উপর আপনার প্রিপারেশান হতে হবে এক্সট্রা অর্ডিনারি।
★আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ
সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনাপ্রবাহের ৪ মার্ক নিয়ে আমরা এতোই ব্যস্ত থাকি যে বাকি ১৬ মার্ক নিয়ে আমরা কম ভাবি।
এটা না করে ১৬ মার্কের প্রিপারেশান ভালো করে নিতে হবে। বৈশ্বিক ইতিহাস,আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা,ভূ-রাজনীতি,আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক,আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি,আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানাদি যে কোন বই থেকে টপিক ধরে ধরে পড়ে ফেলবেন।
চলমান আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে খোজ রাখবেন যেটা রিটেনে আপনাকে হেল্প করবে।
তাইওয়ান সংকট, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্য, নতুন করে পরমানু চুক্তির আলোচনা,
ইউক্রেন, ন্যাটো, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দ্বন্দ্ব,কোয়াড,আইপিইএফ,রাশিয়ার তেল নিয়ে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক,ইউক্রেন সংকটের সমাধান,জ্বালানী সংকট,রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের তেল কেনার সম্ভাবনা এসব ইস্যুতে নজর রাখুন।
★ গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতাঃ
প্রথমেই ম্যাথ নিয়ে বলতে চাই যে ম্যাথ নিয়ে যাদের ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স আছে তারা আগে সেটা দূর করুন।আপনি ম্যাথে দুর্বল এই কনসেপ্ট আপনি মাথায় ঢুকিয়ে ফেললে আপনি যতোই ভাল প্রিপারেশান নিয়ে যান ম্যাথে ভুল করবেন।
রিটেনের ম্যাথে ৫০ মার্কের পরীক্ষা আছে।তাই প্রিলির সময় থেকেই ম্যাথের উপর আপনার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে হবে।
নবম-দশম শ্রেণির জেনারেল ম্যাথ ও Higher Math বই দুইটাকে ভাজা ভাজা করে ফেলতে হবে।ম্যাথের বেসিক নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেন।বেসিক বলতে কোন কঠিন বিষয় বুঝায় না।বিসিএস সিলেবাসের সাথে ম্যাচ করে যে সব চাপ্টার থেকে প্রশ্ন আসে ওইসব চাপ্টারের শুরুতেই বাংলা কথাগুলো বুঝার চেষ্টা করুন।সেটা বীজগণিত, পাটিগণিত, জ্যামিতি যেটাই হোক।
নন-সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর যারা আছেন তারা এভাবে পড়লে আশা করি উপকার পাবেন।
বিন্যাস,সমাবেশ,সম্ভাব্যতা স্কিপ করতে যাবেন না।রিটেনের কথা ভেবে প্রিপারেশান নিবেন।
বইঃ বাজারের যে কোন বই ফলো করেন সমস্যা নাই।তবে আশরাফুল ম্যাথ ককটেল বইটা প্রিলি রিটেনের জন্য ভালো মনে হয়েছে।
মানসিক দক্ষতা প্রিলি রিটেন এর সিলেবাস মিলিয়ে পড়বেন।প্রিলির ১৫ মার্ক আর রিটেনের ৫০ মার্কের প্রিপারেশান একসাথে হয়ে যাবে।বাজারের প্রচলিত বই গুলো সলভ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের গুলোতে হাত দিবেন।
★বিজ্ঞানঃ
যারা নন সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড তারা বিজ্ঞান পড়ার সময় নবম দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞানের বই এর পাশাপাশি নবম দশম শ্রেণির ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি, বায়োলজি বইয়ের সংশ্লিষ্ট টপিকগুলো পড়বেন।যেহেতু বাজারের বইগুলোতে সব তুলে দেয়, সেহেতু আপনার জন্য পড়াটা মুখস্থ করার মতো মনে হবে।ফলে আপনি সহজেই ভুলে যাবেন।বোর্ড বই থেকে পড়ে তারপর ওইসব প্রচলিত বই ফলো করলে আশা করি পড়াটা দীর্ঘমেয়াদি হবে।
যারা সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর আছেন তারা এই ১৫ মার্কের পুরোটাই নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন।কারণ আপনার এগিয়ে থাকার সুযোগ এখানেই।
এবার আসুন রিটেনের পড়া কিভাবে এগিয়ে রাখবেন।
ভৌত বিজ্ঞানের আলো,শব্দ ও চৌম্বক পড়ার সময় ডিটেইলস পড়বেন।ইন্টারের শাহজাহান তপন স্যারের ফিজিক্স বই থেকে সংশ্লিষ্ট টপিকগুলো দাগিয়ে নিবেন।রিটেনের প্রশ্ন এনালাইসিস করে কোন টপিকগুলো থেকে প্রশ্ন আসছে মিলিয়ে নিবেন।
মনে রাখবেন ৪ লক্ষ এপ্লিকেন্ট থেকে আপনাকে জেনারেল ক্যাডার পেতে হলে সব সাইকোলজিকাল ব্রেকডাউন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে।তাই আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড যাই হোক কোন রিসোর্স কে আপনার আয়ত্তের বাইরে ভাববেন না।
প্রিলির আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে রিটেনের রোগ এবং স্বাস্থ্যসেবা এর চাপ্টারের অনেক কিছুর মিল পাবেন।মিলিয়ে পড়ে ফেলবেন।
কম্পিউটার ও আইসিটিঃ
বিগত কয়েকটি প্রিলিতে আইসিটিতে তুলনামূলক কঠিন প্রশ্ন এসেছে।তাই প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু প্রচলিত ইজি কম্পিউটারের মতো বই গুলো পড়ে গেলে হবে না।সিলেবাস দেখে ইন্টারের মুজিবুর রহমানের আইসিটি বইটির সংশ্লিষ্ট টপিকগুলো পড়ে নিবেন।এতে আপনার রিটেনের ২৫ মার্কের প্রিপারেশান অনেকটা হয়ে যাবে।তবে অবশ্যই পড়ার আগে প্রিলি রিটেনের সিলেবাস ও প্রশ্ন এনালাইসিস করে নিবেন।
★ভূগোল,পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ
নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বইটা এক্ষেত্রে যথেষ্ঠ।সাথে যে কোন একটা প্রচলিত গাইড বই রাখতে পারেন।
★নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসনঃ
মোজ্জামেল হক স্যারের ইন্টারের পৌরনীতি ও সুশাসন বই এর সংশ্লিষ্ট চাপ্টার গুলো পড়লেই ভাল পরিমানে কমন পাবেন।বইটিতে রিটেনে বাংলাদেশ বিষয়াবলির অনেক টপিক সহজ ভাষায় খুজে পাবেন,তাই বইটি সংগ্রহ করে ফেলবেন।
মোটা দাগে কয়েকটা কথা দিয়ে শেষ করতে চাইঃ
১| প্রিলিতে আপনি পিছিয়ে পড়বেন নেগেটিভ মার্কিং এর কারনে।তাই এক্সাম হলে নিজের নার্ভ ও পালস কন্ট্রোলে রাখুন।
২| বিসিএস এর প্রিপারেশান হতে হবে স্মার্ট ওয়েতে।সব এভেইলেবল রিসোর্সের সহায়তা নিবেন কোন টপিক না বুঝলে।
৩| সারাদিন একটা সাবজেক্ট নিয়ে বসে থাকবেন না।চেষ্টা করবেন প্রতি সপ্তাহে সবগুলো সাবজেক্ট পড়ে এটলিস্ট একবার রিভিশান দেওয়ার।যারা কোচিং করেন না তারা এই উপায়ে সিলেবাস রিভিশান দিবেন।তারপর বই কিনে মডেল টেস্ট দিবেন।
৪| রিটেনের পড়া এগিয়ে রাখার বিষয়টি আপনার কাছে বেশি মনে হলে শুধু প্রিলির প্রস্তুতি নিতে থাকুন।তবে শুধু প্রিলি পাশ করে চাকরি হবে না এটাও মাথায় রাখবেন।
৫| যারা সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর তারা ম্যাথ,বিজ্ঞান,আইসিটি গুরুত্ব না দিয়ে পড়লে পিছিয়ে পড়বেন।আপনার স্ট্রং জোন থাকতেই পারে,কিন্তু চর্চা না থাকলে স্ট্রং জোন ও এক্সাম হলে বিভীষিকা মনে হবে।
পরবর্তীতে ৪৪ বিসিএস লিখিত প্রার্থীদের প্রস্তুতির নিয়ে লিখবো। সবার জন্য শুভকামনা।
★বাস জার্নিতে বসে টাইপ করেছি। বানান বা অন্য কোন ভুল ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।আর এটা আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি মাত্র।কোন বাইবেল না যে ফলো করতেই হবে।আপনার কমফোর্ট অনুযায়ী প্রস্তুতি নিবেন।আর কোন বই এর প্রচারণাও করা হয়নি।বই সিলেক্ট করবেন আপনার চাহিদা অনুযায়ী।
⭕মুখস্থ করে ফেলুন ৫ মিনিটে (বার বার আসে)
বই এবং লেখকের নামঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
১। হাজার বছর ধরে- জহির রায়হান
২। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩। চিলেকোঠার সেপাই – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
৪। দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫। পথের পাচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৬। অনামিকা নামের রহস্য- শাবলু শাহাবউদ্দিন
৭। নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ সামছুল হক
৮। ট্রিলজি ( সেই সময়, প্রথম আলো, পুর্ব পশ্চিম) – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
৯। সূর্য দীঘল বাড়ি – আবু ইসহাক
১৫। গঙ্গা – সমরেশ বসু
১০। জীবন আমার বোন লেখক- মাহমুদুল হক
১১। কৃষ্ণকুমারী – মাইকেল মধ্যসুদন দত্ত
১২। সাতকাহন – সমরেশ মজুমদার
১৩। নীল দর্পণ -দীনবন্ধু মিত্র
১৪। কড়ি দিয়ে কিনলাম – বিমল মিত্র
১৫। রক্তাক্ত প্রান্তর – মুনীর চৌধুরী
১৬। দুর্গেশ নন্দিনী – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৭। সুবচন নির্বসনে – আবদুল্লাহ আল মামুন
১৮। জননী — শওকত ওসমান
১৯। যে জলে আগুন জ্বলে – হেলাল হাফিজ
২০। রাজবন্দীর জবানবন্দী – কাজী নজরুল ইসলাম
২১। দিবারিত্রির কাব্য – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২২। গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার
২৩। লোটাকম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
২৪। পুতুলনাচের ইতিকথা – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২৫। পথের দাবি – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৬। স্বপ্ন ও সফলতা - শাবলু শাহাবউদ্দিন
২৭। জোৎস্না ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ
২১। গাভী বিত্তান্ত – আহমদ ছফা
২৮। ঝিলাম নদীর দেশ-বুলবুল সারওয়ার
২৯। দিপু নাম্বার টু – জাফর ইকবাল
৩০। অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩১। কবি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৩২। শেষের কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৩। ছাড়পত্র – সুকান্ত ভট্টাচার্য
৩৪। ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী
৩৫। শাপমোচন – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
৩৬। নকশীকাঁথার মাঠ। – জসীমউদ্দীন
৩৭। ক্রিতদাসের হাসি -শওকত ওসমান
৩৮। বিষাদসিন্ধু – মীর মোশাররফ হোসেন
৩৯। শাম্ব – সমরেশ বসু
৪০। লাল সালু – সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৪১। রাইফেল রোটি আওরাত-আনোয়ার পাশা
৪২। হাঙর নদী গ্রেনেড – সেলিনা হোসেন
৪৩। চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
৪৪। মৃত্যুক্ষুধা – কাজী নজরুল ইসলাম
৪৫। সুলতানার স্বপ্ন – বেগম রোকেয়া
৪৬। দেশে বিদেশে- সৈয়দ মুজতবা আলী
৪৭। মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ
৪৮। প্রমথ চৌধুরী – তেল নুন লকড়ি
৪৯। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল -হুমায়ূন আজাদ
৫০। বরফ গলা নদী – জহির রায়হান
৫১। চিতা বহ্নিমান – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
৫২। মা- আনিসুল হক
৫৩। লাল নীল দীপাবলি – হুমায়ূন আজাদ
৫৪। কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
৫৫। মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য
৫৬। সঞ্চিতা – কাজী নজরুল ইসলাম
৫৭। কাঁদো নদী কাঁদো -ওলালিউল্লাহ
৫৮। সবিনয় নিবেদন – বুদ্ধদেব গুহ
৫৯। তেইশ নাম্বার তৈলচিত্র- আলাউদ্দিন আল আজাদ
৬০। সারেং বউ – শহিদুল্লাহ কায়সার
৬১। সুর্য তুমি সাথি – আহমদ ছফা
৬২। সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
৬৩। পদ্মা নদীর মাঝি – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৬৪। শ্রীকান্ত – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬৫। খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
৬৬। প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে – শামসুর রাহমান
৬৭। বনলতা সেন – জীবনানন্দ দাশ
৬৮। সোনালি কাবিন – আল মাহমুদ
৬৯। রাখালি – জসিম উদ্দিন
৭০। ইজরায়েল মিশন- শাবলু শাহাবউদ্দিন
৭১। মেঘনাদবধ কাব্য – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৭২। দৃষ্টিপাত-যাযাবর
৭৯। জাহান্নাম হইতে বিদায় – শওকত ওসমান
৭৩। তিতাস একটি নদীর নাম – অদৈত মল্লবর্মন
৭৪। নন্দিত নরকে – হুমায়ূন আহমেদ
৭৫। আমি বিরাঙ্গনা বলছি – ডঃ নীলিমা ইব্রাহীম
৭৬। জমিদার দর্পন – মীর মশাররফ হোসেন
৭৭। সংশপ্তক – শহিদুল্লাহ কায়সার
৭৮। ফেলুদা সমগ্র -সত্যজিত রায়
৭৯। কলকাতার কাছেই – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
৮০। হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী
৮১। পল্লীসমাজ – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৮২। রূপমঞ্জরী- নারায়ণ সান্যাল
৮৩। আগুন পাখি- হাসান আজিজুল হক
৮৪। বিমল মিত্র- সাহেব বিবি গোলাম
৮৫। গীতাঞ্জলি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৮৬। অগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
৮৭। ঝরা পালক – জীবনানন্দ দাশ
৮৮। মতিচুর- বেগম রোকেয়া
৮৯। আলালের ঘরের দুলাল – প্যারিচাঁদ মিত্র
৯০। গোরা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯১। বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন- মুহাম্মদ আব্দুল হাই
৯২। আবদুল্লাহ – কাজী ইমদাদুল হক
৯৩। আরন্যক – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৯৪। একাত্তরের দিনগুলি-জাহানারা ইমাম
৯৫। হাঁসুলি বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়-
৯৬। প্রদোষ প্রাকৃতজন – শওকত আলী
৯৭। ক্রাচের কর্নেল – শাহদুজ্জামান
৯৮। সঞ্চয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৯। উপনিবেশ – নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়
১০০। নুরজাহান- ইমদাদুল হক মিলন
সংগ্রহীত
26/07/2022
১। গুণফল = গুণ্য × গুণক
২। গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য
৩। গুণ্য = গুণফল ÷ গুণক
নিংশেষে বিভাজ্য হলে
৪। ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক
৫। ভাজক =ভাজ্য ÷ ভাগফল।
৬। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
নিংশেষে বিভাজ্য না হলে
৭। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
৮। ভাজক = (ভাজ্য – ভাগশেষ) ÷
ভাগফল।
৯। ভাগফল = ( ভাজ্য – ভাগশেষ)
÷ ভাজক।
১০। গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷
রাশিগুলোর সংখ্যা।
১১। লাভ = বিক্রয়মূল্য – ক্রয়মূল্য।
১২। ক্ষতি = ক্রয়মূল্য – বিক্রয়মূল্য।
১৬। ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
১৭। ১ কুইন্টাল ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)
১৮। ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৯। ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার।
২০। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গ মিটার।
২১। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
২২। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভুমি × উচ্চতা।
২৩। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (ভুমি × উচ্চতা) ÷ ২
২৪। দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ।
২৫। প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য।
২৬। ভুমি = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা।
২৭। উচ্চতা = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ ভুমি।
২৮। পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
২৯। জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩০। আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব।
৩১। ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩২। জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন।
৩৩। ভাগ কী?
উঃ ভাগ হলো পুনঃ পুনঃ বিয়োগ।
৩৪। খোলা বাক্য কাকে বলে?
উঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য, মিথ্যা যাচাই করা যায় না,
তাকে খোলা বাক্য বলে।
৩৫। গাণিতিক বাক্য কাকে বলে?
উঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায়,
তাকে গাণিতিক বাক্য বলে?
৩৬। অক্ষর প্রতীক কী?
উঃ অজানা সংখ্যা নির্দেশ করতে যে বিশেষ প্রতীক বা
অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
৩৭। গাণিতিক প্রতিক কী?
উঃ গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
৩৮। সংখ্যা প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ সংখ্যা প্রতীক ১০ টি। যথা – ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯।
৩৯। প্রক্রিয়া প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ ৪টি যথাঃ ➕, ➖, ✖, ➗
৪০। সম্পর্ক প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ সম্পর্ক প্রতীক অনেক আছে। তবে প্রাথমিকে ব্যবহৃত সম্পর্ক প্রতীক ৪ টি যথাঃ >, ≥ = ≠
৪১। গুণিতক কাকে বলে?
উঃ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
৪২। ল.সা.গু. কাকে বলে?
উঃ দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ
গুণিতককে বলে ল.সা.গু.।
৪৩। গ.সা.গু. কাকে বলে?
উঃ একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গ.সা.গু.।
৪৪। গুণনীয়ক কাকে বলে?
উঃ কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল
সংখ্যাকে গুণনীয়ক বলে।
৪৫। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?
উঃ কোনো সংখ্যার গুণনীয়ক যদি ১ এবং ঐ সংখ্যা (শুধু দুইটি)
হয় তাহলে সংখ্যাটিকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
৪৬। সংখ্যা রাশি কী?
উঃ কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রাশি তৈরি হয়।
যেমনঃ (৩৬ ÷৪) × ৫ -৭
৪৭। ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ কোনো বস্তু বা পরিমানের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা
ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
৪৮। প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশের লব ছোট এবং হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৪৯। অপ্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশের লব বড় এবং হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৫০। সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ কাকে বলে?
যেসব ভগ্নাংশের হর একই তাকে সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৫১। মিশ্র ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে।
৫২। গড় কাকে বলে?
উঃ রাশিগুলোর যোগফলকে রাশিগুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
৫৩। শতকরা কী?
উঃ শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রুপে প্রকাশ করা হয়।
৫৪। আসল কী?
উঃ বিনিয়োগকৃত টাকাকে আসল বলে।
৫৫। বৃত্ত কী?
উঃ বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দুরে থাকে।
৫৬। পরিধি কী?
উঃ যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে বলে পরিধি।
৫৭। জ্যা কী?
উঃ জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্ত বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
৫৮। ব্যাসার্ধ কী?
উঃ কেন্দ্র থেকে পরিধির দুরুত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
৫৯। কর্ন কাকে বলে?
উঃ বিপরীত শীর্ষ বিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
৬০। রম্বস কাকে বলে?
উঃ যে চতুর্ভূজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
৬১। আয়ত কাকে বলে?
উঃ যে চতুর্ভূজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
৬২। বর্গ কাকে বলে?
যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোনগুলো সমান তাকে বর্গ বলে।
৬৩। চতুর্ভূজ কাকে বলে?
উঃ চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চুতুর্ভূজ বলে।
৬৪। অধিবর্ষ কী?
উঃ চার দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে।
৬৫। ১ শতাব্দি কী?
উঃ ধারাবাহিক ১০০ বছর সময় কালকে ১ শতাব্দি বলে।
৬৬। যুগ কী?
উঃ ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময় কালকে ১ যুগ বলে।
৬৭। ১ দশক কী?
উঃ ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময় কাল হয় ১দশক।
৬৮। উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ প্রাপ্ত তথ্য সমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে।
৬৯। উপাত্ত কত প্রকার ও কী কী?
উঃ উপাত্ত ২ প্রকার। বিন্যস্ত উপাত্ত ও অবিন্যস্ত উপাত্ত।
৭০। বিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭১। অবিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে না তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭২। লেখ চিত্র কাকে বলে?
উঃ চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকাচিত্র হলো লেখচিত্র।
৭৩। শ্রেনি ব্যবধান কী?
উঃ শ্রেণির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
৭৪। ঘটন সংখ্যার অপর নাম কী?
উঃ গণসংখ্যা
৭৫। জনসংখ্যার ঘনত্ব কী?
উঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসরত লোক সংখ্য হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
৭৬। ক্যালকুলেটর কী?
উঃ ক্যালকুলেটর হলো একটি সাধারণ গণনার জন্য হস্তচালিত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা একটি বৈদুতিক ব্যটারি দ্বারা চলে।
৭৭। মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কী ক্যালকুলেটর ব্যবহৃত হয়?
উঃ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর।
৭৮। কম্পিউটার কী?
উঃ কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ক্যালকুলেটর অপেক্ষা বড় গণনা করতে পারে।
৭৯। রাশিগুলোর যোগফল = গড় × রাশিগুলোর সংখ্যা।
৮০। যৌগিক সংখ্যা কাকে বলে?ৎ
উঃ যে সংখ্যার গুণনীয়ক ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়াও অন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়, তাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।
৮১। পরিসর = (সর্ব্বোচ্চ -সর্বনিম্ন ) + ১
৮২। গুণ্য কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য বলে।
৮৩। গুণক কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয় তাকে গুণক বলে।
৮৪। গুণফল কাকে বলে?
উঃ গুণ্যকে গুণক দ্বারা গুন করার পর যে মান পাওয়া যায়
তাকে গুণফল বলে।
৮৫। ভাজ্য কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয় তাকে ভাজ্য বলে।
৮৬। ভাজক কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা হয় তাকে ভাজক বলে।
৮৭। ভাগশেষ কাকে বলে?
উঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করে যদি কোনো অবশেষ
সংখ্যা থেকে যায় তবে তাকে ভাগশেষ বলে।
জেএসসির ১০০% কমন সাজেশন
৮৮। ভাগফল কাকে বলে?
উঃ ভাগফল কাকে বলে?
উঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করার পর যে মান পাওয়া যায়
তাকে ভাগফল বলে।
৮৯। সমলব ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশগুলোর লব সমান তাদেরকে সমলব বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৯০। ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?
উঃ হিসাবের সুবিধার্তে প্রথমে একটির দাম বের করে সমস্য
সমাধানের পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ক বলে।
৯১। ১ জোড়া = ২টি।
৯২। ১ হালি = ৪টি।
৯৩। ১ ডজন = ১২ টি।
৯৪। ১ কুড়ি = ২০ টি।
৯৫। ১ দিস্তা = ২৪ তা।
৯৬। ১ রীম = ২০ দিস্তা।
৯৭। ১ সপ্তাহ = ৭ দিন।
৯৮। ১ মাস = ৩০ দিন।
৯৯। ১ বছর = ১২ মাস = ৩৬৫ দিন।
১০০। মৌলিক সংখ্যার অপর নাম কী?
উঃ উৎপাদাক
১০১। দশমিক ভগ্নাংশ কী?
উঃ ভগ্নাংশ প্রকাশের একটি বিশেষ পদ্ধতি হলো দশমিক ভগ্নাংশ।
১০২। বিপরীত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ কোনো ভগ্নাংশের লবকে হর এবং হরকে লব করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তাকে বিপরীত ভগ্নাংশ বলে।
১০৩। শতকরাকে কী বলা হয়?
উঃ শতকারাকে শতাংশ বলা হয়।
১০৪। ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
১০৫। ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি।
১০৬। ১ লিটার = ১০০০ মিলিলিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার।
১০৭। ১ ঘনমিটার = ১০০০০ লিটার।
১০৮। ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি।
১০৯। ১০০০ গ্রাম = ১ কেজি।
১১০। ১ পক্ষ = ১৫দিন।
ইতিহাসের পাতা থেকে নেওয়া।
☞নোবেল চালু → ১৯০১ সালে।
☞ফিফা গঠিত → ১৯০৪ সালে।
☞বঙ্গভঙ্গ → ১৯০৫ সালে।
☞বঙ্গভঙ্গ রদ → ১৯১১ সালে।
☞টাইটানিক ধংস → ১৯১২ সালে।
☞রবীন্দ্রনাথের নোবেল লাভ → ১৯১৩ সালে।
☞১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় → ১৯১৪ সালে।
☞রুশ বিপ্লব → ১৯১৭ সালে।
☞১ম বিশ্বযুদ্ধ শেষ → ১৯১৯ সালে।
☞২য় ভার্সাই চুক্তি → ১৯১৯ সালে।
☞ম্যাগনাকার্টা → ১২১৫ সালে।
☞উত্তর আমেরিকা আবিস্কার → ১৪৯২ সালে।
☞শিল্প বিপ্লব → ১৭৬০ সালে।
☞আমেরিকা মুক্ত → ১৭৭৬ সালে।
☞১ম ভার্সাই চুক্তি → ১৭৮০ সালে।
☞ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ → ১৮০০ সালে।
☞ট্রাফালগার যুদ্ধ → ১৮০৫ সালে।
☞ওয়াটার লুর যুদ্ধ → ১৮১৫ সালে।
☞দাশ প্রথার বিলোপ → ১৮৬৩ সালে।
☞আব্রাহাম লিংকন মারা যান → ১৮৬৫ সালে।
☞সুয়েজ খাল খনন → ১৮৬৯ সালে।
☞ফরাসি বিপ্লব → ১৭৮৯ সালে।
☞দুই জার্মানী একত্রিত হয় → ১৯৯০ সালে।
☞শিমন পেরেজ+ইয়াসির আরাফাত নোবেল পান → ১৯৯৩ সালে।
☞নেলসন ম্যান্ডেলা প্রেসিডেন্ট হন → ১৯৯৪ সালে।
☞সিটি বিটি সই হয় → ১৯৯৬ সালে।
☞সিটি বিটি অনুমোদন → ২০০০ সালে।
☞জাতিসংঘ নোবেল পায় → ২০০৭ সালে।
☞দঃ সুদান স্বাধীন হয় → ২০১১ সালে।
☞এপিজে আঃ কালাম মারা যান → ২০১৫ সালে।
☞মোঃ আলী মারা যান → ২০১৬ সালে।
☞ফিডেল কাস্ত্রো মারা যায় → ২৫ নভেম্বর,২০১৬ সালে।
☞ঢাবি স্থাপিত → ১৯২১ সালে।
☞হিটলার জার্মান চ্যান্সলর হন → ১৯৩৩ সালে।
☞২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু → ১৯৩৯ সালে।
☞ছিয়াত্তরের মনবন্তর → ১১৭৬ (বাংলা) সনে।
☞২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ → ১৯৪৫ সালে।
☞জাতিসংঘ → ১৯৪৫ সালে।
☞দেশ বিভাগ → ১৯৪৭ সালে।
☞আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ → ১৯৪৮ সালে।
☞বিবিসি বাংলার যাত্রা → ১৯৪৯ সালে।
☞এভারেস্ট বিজয় → ১৯৫৩ সালে।
☞সুয়েজ খাল জাতীয়করন → ১৯৫৬ সালে।
☞চাঁদে ১ম মানুষ যায় → ১৯৬৯ সালে।
☞তাইওয়ান স্বাধীনতা হারায় → ১৯৭১ সালে।
☞ইরানে ইসলামী বিপ্লব → ১৯৭৯ সালে।
☞আঃ ছালাম ও মাদার তেরেসার নোবেল লাভ → ১৯৭৯ সালে।
☞ফকল্যান্ড যুদ্ধ → ১৯৮২ সালে।
©
আগরতলা মামলার আসামী - ৩৫ জন
♻১৯৪৭ সালের সীমানা কমিশন - Radclif Commission
♻তৎকালীন পূর্ব বাংলার আইনসভা - জগন্নাথ হল( ঢাবি )
☛ঐতিহাসিক ছয় দফা - ম্যাগনাকার্টা
☛দ্য ক্রুয়েল বার্থ অফ বাংলাদেশ - আর্চার কে ব্লাড
✳রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর
✳মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর
✳ঢাকা- ২ নং
⚔বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় লোগো - এ এন এ সাহা
⚔বীরপ্রতীক - ৪২৬ জন
⚔বীরউত্তম ৬৯(৬৯ তম জামিল)😊
⏺ভাস্কর্য ---- স্থপতি⏺
🛐দোয়েল চত্বর- আজিজুল জলিল পাশা
🛐অপরাজেয় বাংলা - সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ
🛐জাতীয় স্মৃতিসৌধ - সৈয়দ মইনুল হোসেন
🛐সংগ্রাম - শামীম শিকদার {+ বিজয় ৭১}
🛐সংশপ্তক- হামিদুজ্জামান খান
🛐দুর্জয় - মৃণাল হক
🔘সংবিধান দিবস - ৪ নভেম্বর( এ পর্যন্ত সংবিধান ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে)
🔘কার্যকর হয় - ডিসেম্বর ১৬ , ১৯৭২
🔘সংবিধানে মোট ভাগ - ১১ টি
🔘অনুচ্ছেদ - ১৫৩ টি
🔹জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম - House Of The Nation😊( বর্তমান সংসদ দশম)
⚃রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান স্পীকার
⚄প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি
⚅PM কে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি
♾চতুর্থ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে - সিলেটে
🔰বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি - এ এস এম সায়েম
🔰বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার - এম ইদ্রিস
🔰বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন - ৭ মার্চ, ১৯৭৩
🔰বাংলাদেশ হাইকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি - নাজমুন আরা সুলতানা
✌জাতীয় সংগীতের ইংরেজী অনুবাদক - সৈয়দ আলী আহসান
❤জাতীয় পতাকা দিবস - ২ মার্চ
❤মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ১ ডিসেম্বর
❤মানবাধিকার দিবস - ১০ ডিসেম্বর
👏জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সেবা পাওয়া যাবে- ২২ ধরনের
🚘প্রতি লাখে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে শীর্ষ দেশ - ভেনিজুয়েলা
♨সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (৪১ তম)
♨৪০ তম - রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
☛শিল্প বিপ্লব - ১৭৭২ সাল
🚩সাওতালদের বাস- রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলায়( ঝুমুর গান এদের ঐতিহ্য)
🚩রাখাইনদের বর্ষবরণ - সাংগ্রেন
🚩একমাত্র মুসলিম আদিবাসী- পাঙন
🚩গারোদের ভাষা - মান্দি খুসিক
☛বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যা -৪১ টি
☛মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি - তানভীর কবির
☛সিভিল সার্ভিস ক্যাডার ২৮ টি
☛ফিরোজা বেগম বাংলাদেশে প্রথম টেস্টটিউব বেবির মা হন
☆☆☆সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর *** - ( পরিবর্তনশীল ) - সিঙ্গাপুর
🔵দেশে প্রথম মুদ্রা চালু হয় - ৪ মার্চ, ১৯৭২
🔵VAT চালু হয় - ১ জুলাই, ১৯৯১
🔵বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর - আ ন ম হামিদুল্লাহ
🔵দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ - উত্তরা, নীলফামারী ( মোট - ১০ টি, সরকারী ৮ টি)
🔵উত্তরা গণভবন - নাটোর
☛বৈদেশিক ব্যাংক - ৯ টি
☛পোস্টাল একাডেমি - রাজশাহী
☣জোছনা ও জননীর গল্প - হুমায়ুন আহমেদ
☣নদী ও নারী - হুমায়ুন কবির
☣রবি ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস - বৌ ঠাকুরানীর হাঁট
☣নজরুলের প্রথম উপন্যাস - বাঁধনহারা
☣'ম্যাডোনা ৪৩' , সংগ্রাম এঁকেছেন - জয়নাল আবেদীন
☣তিনকন্যা একেছেন কামরুল হাসান {পটুয়া বলে ডাকা হয়}
☢গম্ভীরা - রাজশাহী( চাপাই)
☢ভাওয়াইয়া - রংপুর
⚂বাংলা ছাপার অক্ষরের জনক- চার্লস উইকলিন্স
⚂মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর - সেগুনবাগিচা
☛বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল বিনিময় হয় - ১ আগস্ট, ২০১৫
☛উপকূলীয় জেলা ১৯ টি, সীমান্তবর্তী - ৩২ টি
☛প্রথম আদশুমারি ১৯৭৪ সালে
🔵জাতীয় গণহত্যা দিবস - ২৫ শে মার্চ
🔵অগ্নিশ্বর - কলার জাত
🔴বগালেক - বান্দরবান
🔴ভবদহ বিল - যশোর
🔴শুভলং - রাঙ্গামাটি
🔴প্রান্তিক হৃদ - খাগড়াছড়ি
☛মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ ভাস্কর্য - বীর( হাজ্জাজ কায়সার)
☛প্রথম হাইটেক পার্ক - কালিয়াকৈর, গাজীপুর
🔵ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়- কুলাউড়া পাহাড়ে
🔴কেন্দ্রীয় গো প্রজনন খামার - সাভার, ঢাকা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka