Drop Of Science

Drop Of Science

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Drop Of Science, Education & Learning, Dhaka.

12/01/2023

ভরকেন্দ্র ও ভারকেন্দ্র নিয়ে আমাদের অনেকের মাঝেই দ্বিধা দ্বন্দ্ব রয়েছে। চলো বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

ভরকেন্দ্র: ভরকেন্দ্র হচ্ছে এমন একটি বিন্দু যেখানে কোনো বস্তুর মোট ভর কেন্দ্রীভূত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। অর্থাৎ ভরকেন্দ্র বস্তুর মধ্যে নিহিত সকল কণার মোট ভরের সমতুল্য ভর বিশিষ্ট একটি বিন্দু। এই বিশেষ বিন্দুতে বল প্রযুক্ত হলে বস্তুটির সরণ বলের দিকে হয় বা হতে চায় অর্থাৎ বলের সাথে সমরৈখিক সরণ হয় বা হতে চায়।ভরকেন্দ্র নির্ভর করে বস্তুর মোট ভরের উপর। বস্তুর মোট ভরের পরিবর্তন করলে ভরকেন্দ্রও পরিবর্তিত হবে।

ভারকেন্দ্রঃ ভারকেন্দ্র হচ্ছে সেই বিন্দু যেখানে লব্ধি ওজন ক্রিয়া করে৷ একটি বস্তুর ভেতরে অসংখ্য কণা রয়েছে। যেহেতু প্রত্যেকটি কণার ভর রয়েছে সেহেতু ভিন্ন ভর অনুসারে তাদের উপর পৃথক পৃথক ওজন বল ক্রিয়া করবে।এই ওজন বল গুলোর লব্ধি বল যে বিন্দুতে ক্রিয়াশীল সে বিন্দুটিই ভারকেন্দ্র বা অভিকেন্দ্র। ওজন বল সর্বদা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়াশীল। কেউ যদি ভারকেন্দ্রে অভিকর্ষ বলের সমপরিমাণ বিপরীত মুখী বল প্রয়োগ করে তাহলে বস্তুটি সাম্যাবস্থায় থাকবে।

Photos from Drop Of Science's post 12/01/2023

আমরা ছোট বেলা থেকে বিজ্ঞান বই এর পাতায় দেখে আসছি পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস সূর্য। এটা জানার পর যে বিষয়টা মাথায় ঘুরপাক খায় সেটা হলো সূর্য এতো পরিমাণ শক্তি পেলো কীভাবে? চলো, বিষয়টি একটু জেনে ফেলি।

নিউক্লিয়ার ফিউশন পদ্ধতিতে সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়। সূর্যের প্রধান গাঠনিক উপাদান হচ্ছে হাইড্রোজেন। সূর্যে হাইড্রোজেন হিলিয়ামে রূপান্তরিত হচ্ছে যা নিউক্লিয়ার ফিউশন। এ প্রক্রিয়ায় ১টি হিলিয়াম পরমাণু গঠনে ৪টি হাইড্রোজেন পরমাণু প্রয়োজন।এ প্রক্রিয়া চলাকালীন কিছু ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

4টি H পরমাণুর ভর: 4.03130 AMU
1টি He পরমাণুর ভর: 4.00268 AMU

4টি পরমাণু এবং 1টি He পরমাণুর ভরের মধ্যে পার্থক্য হল 0.02862 AMU যা আসল ভরের মাত্র 0.71%। ভরের এই ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যদি 4 গ্রাম H কে He তে রূপান্তর করা হয় তবে ভরের মাত্র 2.8x10^ -3 গ্রাম শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।এত ক্ষুদ্র পরিমাণ ভরকে রূপান্তর করার ফলে উৎপন্ন শক্তি আমরা আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র ব্যবহার করে হিসাব করতে পারি।
E = mc 2
E = (2.8x10^ -3 gm) xc 2
E = (2.8x10^ -6 kg) x (3x10 8 m/sec) 2
E = 2.6x10^11 J

যা একটি 60-ওয়াটের আলোর বাল্ব 100 বছরেরও বেশি সময় ধরে জ্বলতে রাখার জন্য যথেষ্ট শক্তি। তাহলে আমরা বুঝতেই পারছি সূর্য কে শক্তির উৎস বলা মোটেও ভুল হয় বরং যুক্তিযুক্ত।

12/01/2023

৫০ হাজার বছর পর দেখা যাবে আজ👀

11/01/2023

**তুমি,আমি,আমরা সবাই ঘেমে যাই কেনো বলোতো?**

আমাদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই মূলত আমরা ঘেমে যাই। আমাদের শরীরে দুটো ঘামের গ্রন্থি রয়েছে। একটি একক্রাইন, অন্যটি এপোক্রাইন । আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে আমাদের শরীরের স্নায়ুতন্ত্র এই একক্রাইন গ্রন্থিকে ঘাম নিঃসরণে উদ্দীপনা জোগায়। ঘাম পানি, সোডিয়াম ও অন্যান্য পদার্থ দ্বারা তৈরি, যা আমাদের শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

10/01/2023

তুমি পদার্থবিদ্যা ক্লাসে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র সম্পর্কে জানলে। হুঠ করে তোমার মাথায় প্রশ্ন আসলো তোমার আর পাশে বসে থাকা তোমার বন্ধুর মাঝে মহাকর্ষ বল ক্রিয়া করার কথা কিন্তু তুমি ত কোনো বল অনুভব করতে পারছো না। আবার বলের প্রভাবে তোমার বা তোমার বন্ধুর আপেক্ষিক সরণ ঘটছে না। চল, তোমার প্রশ্নটার উত্তর খোঁজা যাক।
প্রকৃত অর্থে বিশাল ভর না থাকলে, মহাকর্ষ বল একটি দুর্বল বল। মানুষের পরিমিত ভর রয়েছে, তাই সে যে মহাকর্ষীয় বল প্রয়োগ করে তা পৃথিবীর দ্বারা প্রয়োগকৃত বলের তুলনায় অনেক অনেক গুণ কম। ফলস্বরূপ, কাছাকাছি বসে থাকা দুই ব্যক্তির মধ্যে একটি মহাকর্ষীয় আকর্ষণ রয়েছে, তবে তা নগণ্য এবং অনুভব করা যায় না।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka