15/07/2025
বাংলাদেশের প্রমিত ঘোষ নিয়ে গর্ব করার সময় এসেছে!
বিশ্বখ্যাত জার্নাল Physical Review Letters-এ একটা যুগান্তকারী গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের বাংলাদেশের মেধাবী তরুণ প্রমিত ঘোষ (বুয়েট মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রাক্তন ছাত্র)।
ওনার টিম পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ১৬৫ বছরের পুরনো "কির্শফের তাপ বিকিরণ সূত্র"-এ নতুন ব্যাখ্যা যোগ করেছেন। সহজ কথায়, এই সূত্র বলে: কোনো বস্তু যতটা তাপ শোষণ করে, ততটাই বিকিরণ করে। কিন্তু প্রমিতরা তৈরি করেছেন এক ধরনের অতিঅল্প পুরুর মেটা-মেটেরিয়াল (২ মাইক্রোমিটার পুরু, ৫টি সেমিকন্ডাক্টর স্তর!)। বিশেষ চৌম্বক ক্ষেত্রের সাহায্যে এই বস্তু কম শোষণ করেও বেশি তাপ বিকিরণ করতে পারে!
একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে "নন-রেসিপ্রোকাল থার্মাল এমিশন"। মানে হলো, তাপের প্রবাহ সব দিকে সমানভাবে কাজ করে না। এটা কির্শফের সূত্রের "পারস্পরিকতা নীতি"-কে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। তবে খুশির খবর হলো, সূত্রটা "ভাঙেনি", বরং এর একটা সীমাবদ্ধতা বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন।
এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে সোলার প্যানেলের দক্ষতা ২০-৩০% বাড়াতে পারে, ইনফ্রারেড ক্যামেরা আরও শক্তিশালী হবে, এমনকি তাপ সংরক্ষণ করার নতুন প্রযুক্তিও আসতে পারে।
একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার: প্রমিত একা এই সাফল্যের নায়ক নন, তিনি পিএইচডি গবেষক হিসেবে পুরো আন্তর্জাতিক টিমের সাথে কাজ করেছেন। তবে বাংলাদেশি হিসেবে তাঁর এই অবদান আমাদের জন্য ভীষণ গর্বের!
প্রমিত ঘোষ বুয়েটে ৪.০০/৪.০০ জিপিএ নিয়ে পাস করা মেধাবী। তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করে—বাংলাদেশের তরুণরাও বিশ্বে বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম। আসুন, এই গর্ব আমরা সবাই শেয়ার করি!