Superior Law firm

Superior Law firm

Share

Learning Law, established Rule of Law, Help all kind of people’s

13/05/2026

অ্যাডভোকেটশিপ MCQ পরীক্ষা ১২ই জুন শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে।

27/02/2026

#ফাঁকা_চেক কিংবা #জামানতের_চেক: আসামী খালাসের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত!
শুধুমাত্র চেক স্বাক্ষর হলেই সাজা নিশ্চিত নয়; বরং লেনদেনের বৈধতা এবং সত্যতা প্রমাণ করা এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ বেশ কিছু যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। তার মধ্যে চেকটি কেন দেওয়া হয়েছিল, তার পেছনে কোনো বৈধ লেনদেন ছিল কি না, তা বাদীকে প্রমাণ করতে হবে। যদিও এন.আই এ্যাক্টের ১৩৯ ধারায় বলা আছে চেক থাকলেই ধরে নেওয়া হবে দায় আছে, কিন্তু আদালত বলছেন এটি একটি ‘খ-নযোগ্য অনুমান’। অর্থাৎ, আসামি যদি প্রমাণ করতে পারে যে কোনো লেনদেন হয়নি যেমন চেকটি হারিয়ে গিয়েছিল বা সিকিউরিটি হিসেবে ছিল, তবে তিনি খালাস পেতে পাবেন। (মোঃ আবুল কাহের শাহিন বনাম ইমরান রশিদ এবং অন্যান্য, ২৫ বিএলসি (এডি), ১১৫)

আবার মামলার বাদী এত টাকা আসামিকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন কি না, সেটিও এখন আদালতের বিবেচ্য বিষয়। বাদী যদি বড় অংকের টাকা লেনদেনের দাবি করেন, তবে তার ইনকাম ট্যাক্স ফাইলে সেই টাকার উল্লেখ আছে কি না, তা যাচাই করা হতে পারে। বাদী নগদ টাকা দিয়ে থাকলে সেই টাকা তার কাছে কোত্থেকে এলো, তা প্রমাণ করতে না পারলে মামলা দুর্বল হয়ে যায়। কেবল চেক ছাড়া আর কোনো চুক্তিপত্র বা সাক্ষী না থাকলে আদালত আসামিকে ‘বেনিফিট অফ ডাউট’ দিতে পারেন।

অনেক সময় মহাজনি ঋণের বিপরীতে বা কাউকে চাপে ফেলে ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়া হয়। যদি বাদী প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন যে তিনি চেক-এ উল্লেখিত টাকা আসামিকে কোনো সুদ চুক্তির ভিত্তিতে দিয়েছিলেন, তবে চেক থাকা সত্ত্বেও আসামি দ- পাবেন না। আদালত এটাকে "পাওনা টাকার অস্তিত্বহীনতা" হিসেবে গণ্য করবেন। (৬৪ ডিএলআর পৃষ্ঠা ৪২০)।

আবার অনেক সময় ব্যবসার জামানত হিসেবে চেক দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যদি প্রমাণিত হয় চেকটি কোনো নির্দিষ্ট পাওনা মেটানোর জন্য নয় বরং জামানত বা নিরাপত্তা হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই চুক্তির শর্ত লঙ্ঘিত হয়নি, তবে ১৩৮ ধারায় সাজা দেওয়া যাবে না। ৬৩ ডিএলআর (আপিল বিভাগ) পৃষ্ঠা ৭২ আব্দুল আওয়াল বনাম রাষ্ট্র।

প্রতিদান ছাড়া যেমন চুক্তি হয় না, তেমনি প্রতিদান ছাড়া কোন হস্তান্তরযোগ্য দলিল কার্যকর করা যাবে না। কাজেই স্বাক্ষরসহ চেক কারও নিকট হস্তগত হলেই কিংবা ব্যাংক ডিসঅনার করলেই চেকের মামলায় আসামীকে শায়েস্তা করা যাবে না। প্রতিদান বা দেনা পাওনা বা লেনদেন প্রমাণ করতে না পারলে মামলায় আসামী খালাস পাবে-এমনটিই বলেছেন উচ্চ আদালত। (লোকমান বনাম আয়ুব আলী এবং রাষ্ট্র মামলা, যা ৩৮ বিএলডি, পৃষ্ঠা ৬১৬, ৬১৭-৬২০)।

তবে মনে রাখবেন যদি বৈধ চুক্তি থাকে এবং লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে বা দালিলিক প্রমাণসহ হয়, তবে চেক ডিজঅনারের শাস্তি (১ বছর জেল ও চেকের তিনগুণ জরিমানা) আগের মতোই বলবৎ আছে।

23/02/2026

পরিবারের মধ্যে বন্টনামা দলিল করার নিয়ম:
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগির জন্য একটি বন্টননামা দলিল করতে হয়, যেখানে মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, সম্পত্তির দলিল, এবং সকল ওয়ারিশের লিখিত সম্মতি আবশ্যক; এটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখে রেজিস্ট্রি করতে হয় এবং এর জন্য যথাযথ ফি প্রদান করতে হয়, যা ভবিষ্যতে বিবাদ এড়াতে ও নামজারির জন্য অপরিহার্য।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

➡️ মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ (Death Certificate): যার সম্পত্তি বন্টন হবে, তার।

➡️ ওয়ারিশ সনদ (Succession Certificate): সকল ওয়ারিশের।

➡️ সম্পত্তির মূল দলিল: বন্টন করা হবে এমন সম্পত্তির।

➡️ সকল ওয়ারিশের সম্মতিপত্র: প্রত্যেকের স্বাক্ষরসহ।

➡️ বন্টনামা দলিলের খসড়া: সম্পত্তির বিবরণ ও অংশ উল্লেখসহ।

পদ্ধতি:
খসড়া তৈরি: একজন আইনজীবীর সহায়তায় একটি বন্টনামা দলিল তৈরি করুন, যেখানে সম্পত্তির প্রতিটি অংশ ও ওয়ারিশদের নাম স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।

স্ট্যাম্প পেপারে লেখা: দলিলটি উপযুক্ত মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।

সকল ওয়ারিশের স্বাক্ষর: সকল ওয়ারিশ (বা তাদের বৈধ প্রতিনিধি) দলিলের উপর স্বাক্ষর করবেন।

রেজিস্ট্রেশন: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে, যা (1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন) অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।

ফি জমা: রেজিস্ট্রেশন ফি, ই-ফি, এন-ফি ইত্যাদি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আইনের প্রয়োগ: 《১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩(খ)》 ধারা অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টননামা দলিল করা হয়।

উদ্দেশ্য: এটি ওয়ারিশদের মধ্যে ভবিষ্যতে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ এড়াতে এবং নামজারির (Mutation) জন্য একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

আইনি বাধ্যবাধকতা: বন্টনামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করা কঠিন, তাই এটি রেজিস্ট্রি করা জরুরি।

উৎস কর: বন্টনামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য হয় না (উৎস কর বিধিমালা, ২০২৪ অনুযায়ী) সংগৃহীত।

17/10/2025

ইনশাআল্লাহ আগামীকাল রাত ৮.০০ মধ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী তালিকাভুক্ত লিখিত পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হতে পারে।

05/06/2025

মাদক মামলায় আসামির পক্ষের জেরার সময় করণীয় :

মাদকের মামলায় উদ্ধারকৃত মাদক দ্রব্য -এর Chain of Custody বজায় না থাকলে আসামি খালাস পাবে। আমাদের দেশে রাষ্টপক্ষ Chain of Custody intact থাকার প্রমান আদালতে উপস্থাপন করে না।
মামলার ডকেট পরীক্ষা করে দেখুন পুলিশ নিম্নলিখিত কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেননি।
এই পয়েন্টে ভালো করে জেরা করলেই আসামিকে খালাস দেওয়া সম্ভব।

১. জব্দ (Seizure) এর সময় করণীয়

আইনি ভিত্তি: Code of Criminal Procedure-এর Section 103, Narcotics Control Act 1990-এর Section 27

স্বতন্ত্র সাক্ষীর উপস্থিতি: জব্দ অবশ্যই স্থানীয় ও নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে করতে হবে।

তল্লাশির ভিত্তি: অফিসারকে অবশ্যই তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে তল্লাশির কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে (CrPC 165(1), NCA 19 অনুযায়ী)।

সময়, স্থান ও বর্ণনা: জব্দের ঠিক সময়, স্থান, ও বস্তুটির বর্ণনা (ওজন, রঙ, গন্ধ ইত্যাদি) নথিভুক্ত করতে হবে।

সিল ও মার্কিং: জব্দ করা বস্তুতে সরকারি সিল ও অফিসারের নাম/ইনিশিয়াল/তারিখ দিয়ে সিল করতে হবে।

Seizure List (Form-61): একটি জব্দ তালিকা (সাক্ষী ও অভিযুক্তের স্বাক্ষরসহ) তৈরি করতে হবে।

লেবেলিং: প্রতিটি প্যাকেট লেবেল করতে হবে — FIR নম্বর, মামলা নম্বর, তারিখ, স্টেশন নাম ইত্যাদি দিয়ে।

২. ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি (যদি সম্ভব হয়)

জব্দের সময়, সিল মারার সময়, সাক্ষী ও অভিযুক্তদের ছবি/ভিডিও নেয়া উচিত — যা পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

৩. Seizure Memo ও অন্যান্য ডকুমেন্টেশন

জব্দের ওজন প্যাকেট করার আগে ও পরে লিখতে হবে।

বস্তুটির রঙ, গন্ধ, ধরন, গঠন ইত্যাদি বিস্তারিতভাবে লিখতে হবে।

একটি লিখিত মেমো সংযুক্ত করতে হবে যেখানে সিল ও লেবেল নম্বর থাকবে।

৪. থানায় বা সংরক্ষিত জায়গায় নিরাপদে নিয়ে যাওয়া

আইনি নীতি: তল্লাশির পরে তামpering যেন না হয়।

Tamper-proof evidence bag ব্যবহার করতে হবে (যদি পাওয়া যায়)।

সিল নম্বর ও ইনিশিয়াল চেক করে Transit Memo বা Seizure Transmission Register এ এন্ট্রি দিতে হবে।

---

📘 ৫. মালখানা (Malkhana) রেজিস্টারে এন্ট্রি

আইনি ভিত্তি: PRB Rule 416–418

মালখানা রেজিস্টারে লিখতে হবে:

জিডি নম্বর

জব্দের তারিখ ও সময়

বস্তুটির ধরণ ও পরিমাণ

সিল ও লেবেল নম্বর

মালখানা ইনচার্জের স্বাক্ষরসহ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

---

৬. ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো

Sample packet তৈরি করতে হবে — সাক্ষীদের উপস্থিতিতে।

প্রতিটি স্যাম্পল:

অফিসিয়াল সিল সহ প্যাকেট

Forwarding memo (Form-76) সহ

লেবেল ও সিল নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে

Dispatch Register-এ ফরেনসিকে পাঠানোর সময় ও তারিখ লিখতে হবে।

---

৭. ফরেনসিক রিপোর্ট গ্রহণ

FSL বা Chemical Examiner-এর রসিদ সংগ্রহ করতে হবে।

রসিদে সিল ও প্যাকেটের অবস্থা স্পষ্টভাবে লিখতে হবে।

রসিদ ও রিপোর্টে seizure memo-এর তথ্যের সাথে মিল থাকতে হবে।

৮. আদালতে উপস্থাপন

সেই অফিসার (Seizing Officer বা IO) যিনি জব্দ করেছেন তিনিই আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন করবেন।

তিনি বলবেন:

কোনো tampering হয়নি

সিল ও লেবেল ঠিক আছে

বস্তুটি সেই যেটি জব্দ করা হয়েছিল

Forensic report ও seizure memo-এর মধ্যে সামঞ্জস্য প্রমাণ করবেন।

৯. Exhibit Marking ও কোর্ট রেকর্ড

আদালতে বস্তুটি Material Exhibit হিসেবে চিহ্নিত হবে।

কোর্ট চাইলেই নতুন করে সিল মারতে পারে বা কোর্ট মেহেরার মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে পারে।

পুরো custody chain এর মধ্যে যারা ছিলো:

মালখানা ইনচার্জ

ফরেনসিকে পাঠানো অফিসার

কেমিক্যাল পরীক্ষক

কোর্ট ক্লার্ক — সকলকে সাক্ষ্য দিতে হতে পারে।

১০. বিচার শেষে ধ্বংস

বিচার শেষে আদালতের আদেশ অনুযায়ী contraband ধ্বংস করতে হবে (NCA Section 25 অনুসারে)।

ধ্বংসের সময় আদালতের প্রতিনিধি বা ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন এবং রেকর্ড তৈরি হয়।

---

⚖️ আইনি গুরুত্ব

যদি এই চেইনের যেকোনো ধাপে ঘাটতি থাকে, তাহলে আদালত ধরে নিতে পারে:

বস্তুটি তামpering হয়েছে

প্রমাণ বিশ্বাসযোগ্য নয়

সন্দেহের সুবিধা অভিযুক্তকে দিতে হবে ⇒ মুক্তি।

প্রাসঙ্গিক মামলার দৃষ্টান্ত

1. State vs. Lokman, 72 DLR (AD) 17

> সীল ও ওজন সংক্রান্ত তথ্য স্পষ্ট নয় — আদালত সন্দেহ পোষণ করে।

2. State vs. Jamal Uddin, 69 DLR (HCD) 225

> Forensic এ পাঠাতে দেরি ও ডকুমেন্টের অনুপস্থিতিতে benefit of doubt প্রদান করা হয়।

3. State of Punjab v. Balbir Singh, AIR 1994 SC 1872

> India’র সুপ্রিম কোর্ট বলে: “Chain of custody এর প্রতিটি ধাপ প্রমাণ করতে হবে, নাহলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

04/06/2025

সময় বৃদ্ধির নোটিশ…

25/05/2025

Hello...Everyone

06/04/2025

বার কাউন্সিলের MCQ পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্যঃ
ইনশাআল্লাহ আগামী ২৫ এপ্রিল, ২০২৫ শুক্রবার বিকাল ৩-৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এডভোকেট তালিকাভুক্তির জন‍্য MCQ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

06/04/2025

বার কাউন্সিলের MCQ পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্যঃ
ইনশাআল্লাহ আগামী ২৫ এপ্রিল, ২০২৫ শুক্রবার বিকাল ৩-৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এডভোকেট তালিকাভুক্তির জন‍্য MCQ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০৬২৭।
অনেকে নানা মাধ্যমে আমার কাছে জানতে চান পরীক্ষা হবে কিনা। তাদের উদ্দেশ্যে বলবো, সময় বেশী নেই। সিরিয়াসলি সবাই প্রস্তুতি নিন।
শুভ কামনায়,
মোঃ রুহুল কুদ্দুস (কাজল)
ব‍্যারিস্টার-এট ল’
সিনিয়র এডভোকেট
চেয়ারম্যান, এক্সিকিউটিভ কমিটি
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

26/03/2025

Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Photos from Superior Law firm's post 26/03/2025

♦️সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰
জমির নকশায় ব্যবহৃত সাংকেতিক চিহ্নগুলো সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ভূমির পরিচয় দেয়। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংকেতিক চিহ্ন এবং তাদের অর্থ দেওয়া হলো।

▭ (আয়তক্ষেত্র/চৌকো খোপ): বসতভিটা বা বাড়ি

〰️ (তরঙ্গরেখা): জলাশয়, পুকুর বা নদী

— — — (ড্যাশড লাইন): কাঁচা রাস্তা বা সীমানা

▬ (গাঢ় রেখা): পাকা রাস্তা

⛏️ (কোদাল চিহ্ন): চাষযোগ্য জমি

▲ (ত্রিভুজ): উঁচু ভূমি বা টিলা

● (বৃত্ত): গাছ বা বৃক্ষ চিহ্নিতকরণ

≡ (তিনটি সমান্তরাল রেখা): বাঁধ বা উঁচু মাটির জায়গা

✳️ (তারকা চিহ্ন): বিশেষ স্থান বা নিদর্শন

+ (প্লাস চিহ্ন): সমতল জমি বা পতিত জমি

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka