22/11/2025
যারা ভাবছেন আমেরিকা কি আমার জন্য?— এই পোস্টটি শুধু আপনাদের জন্যই।
পর্ব ১ — এখান থেকেই শুরু। অনেকেই inbox বা group এ এসে বলেন:“আপাতত ভেবে দেখছি, আমেরিকায় পড়তে যাওয়া কি আমার পক্ষে সম্ভব হবে?”
উত্তর — হ্যাঁ, ১০০% সম্ভব।
কিন্তু শর্ত হলো: ধৈর্য + ধারাবাহিকতা + সঠিক দিকনির্দেশনা।
যারা এইমাত্র সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, “না, আমি আমেরিকাতেই পড়তে যেতে চাই”—তাদের জন্য এ পোস্টটি মূলত একেবারে বেসিক ধারণা তৈরি করার জন্য। পোস্টটা একবার মন দিয়ে পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, প্রক্রিয়াটা মোটেও ভয়ংকর না এবং যে কেউ, সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে, সফল হতে পারে।
Undergraduate Program (অনার্স প্রোগ্রাম)
বাংলাদেশে যেটাকে আমরা অনার্স বলি, আমেরিকাতে সেটাকে বলে Undergraduate Program।Undergraduate প্রোগ্রামটি মোট চার বছরের, এবং এই চার বছরকে তারা ধাপে ধাপে ভিন্ন নামে ডাকেন। প্রথম বছরকে বলা হয় Freshman year, যেটি আমাদের দেশে অনার্স প্রথম বর্ষের সমতুল্য। দ্বিতীয় বছর হলো Sophomore year, অর্থাৎ অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ। তৃতীয় বছরকে বলা হয় Junior year, যা আমাদের অনার্স তৃতীয় বর্ষের মতো। আর চতুর্থ বছর বলা হয় Senior year, যেটি অনার্স চতুর্থ বর্ষের সমান। অর্থাৎ, আমাদের অনার্সের চার বছরকে তারা Freshman → Sophomore → Junior → Senior নামে চিহ্নিত করে। উদাহরণ:আপনি যদি এখন HSC শেষ করেন এবং আমেরিকাতে পড়তে যেতে চান → আপনি Freshman হিসেবে ভর্তি হবেন।
Graduate Program (Masters + PhD)
বাংলাদেশের মাস্টার্স + পিএইচডি প্রোগ্রামকে আমেরিকায় একসাথে বলা হয় Graduate Program। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে Master’s → ১.৫ – ২ বছর আর PhD → ৪ – ৬ বছর (কিন্তু এতে থাকছে ফান্ডিং + স্টাইপেন্ড, অর্থাৎ খরচ লাগে না, বরং টাকা পাওয়া যায়)
F1 Visa — স্টুডেন্ট ভিসা
আপনি যখন কোন আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন, আপনাকে দেওয়া হবে একটি I-20 Form। এই Form দেখিয়ে আপনি F1 Student Visa এর জন্য আবেদন করবেন। সহজ করে বললে: ফান্ডিং + I-20 = ভিসার সবচেয়ে বড় শক্তি Assistantship = Scholarship = Funding (সব একই জিনিস) অনেকেই ভাবে স্কলারশিপ মানে শুধু টিউশন ফি কমে যাওয়া। না।
USA-তে Funding মানে হচ্ছে— টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে মাসে মাসে বেতন দেবে আপনি নিজের বাসা + খাবার + সব খরচ নিজেই চালাতে পারবেন বাংলাদেশি টাকায় সাধারণত মাসে $1300 – $2500+ পাওয়া যায় মা