জাপানে নতুন গিয়েছেন বা যাবেন তাহলে এই তথ্যগুলো আপনার জানা খুব জরুরি!!!
জাপানে বিদেশি শ্রমিকদের জন্য দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন বিষয় (জব, ভাষা, ভাড়া, ইন্টারনেট, গ্রোসারি ইত্যাদি) আসলেই বড় চ্যালেঞ্জ। নিচে পয়েন্ট আকারে সহজভাবে সাজিয়ে দিলাম, যাতে বোঝা যায় কিভাবে এসব সুবিধা ঘরে বসে বা অনলাইনে করা যায়:
---
🏢 জব (কাজ পাওয়া)
অনলাইনে জব সার্চ সাইট
GaijinPot Jobs, Daijob, Jobs in Japan, Indeed Japan, MyNavi, Rikunabi
জাপান সরকারের হ্যালোওয়ার্ক (Hello Work) অফিসে নিবন্ধন করলে কাজ পাওয়া সহজ হয়।
লাইন/ফেসবুক গ্রুপ– বাংলাদেশি বা বিদেশি শ্রমিকরা অনেক জব লিঙ্ক শেয়ার করে।
---
🗣️ ভাষা (জাপানি শেখা ও যোগাযোগ)
অনলাইন কোর্স: Duolingo, LingoDeer, NHK World Easy Japanese
কমিউনিটি ক্লাস: স্থানীয় সিটি অফিসে বিনামূল্যে বা কম খরচে "Nihongo Kyōsh*tsu" থাকে।
লাইভ অনুবাদ: Google Translate / Papago অ্যাপ কাজে দেয়।
---
🚔 ক্রাইম / নিরাপত্তা
জাপান বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশগুলির একটি।
জরুরি ফোন নম্বর:
পুলিশ – 110
অ্যাম্বুলেন্স/ফায়ার – 119
বিদেশিদের জন্য কিছু সাপোর্ট সেন্টার আছে (Tokyo, Osaka, Nagoya ইত্যাদিতে)।
---
🚕 ট্যাক্সি
অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসে বুক করা যায়:
JapanTaxi, DiDi, Uber Japan
ভাড়া একটু বেশি, তাই অনেকেই ট্রেন/বাস ব্যবহার করে।
---
🏠 বাড়ি ভাড়া
Real Estate সাইট/অ্যাপ: Suumo, Homes, GaijinPot Housing
বিদেশিদের জন্য বিশেষ “ফার্নিশড এপার্টমেন্ট” বা “শেয়ার হাউজ” পাওয়া যায় (LeoPalace, Sakura House)।
অনেক জায়গায় জাপানি গ্যারান্টর লাগে, তাই এজেন্সির মাধ্যমে নিলে সুবিধা হয়।
---
🌐 ইন্টারনেট / ডিস লাইন
ফাইবার ইন্টারনেট: NTT Flets, AU Hikari, Softbank Hikari
পকেট ওয়াই-ফাই বা সিম কার্ড: Sakura Mobile, Mobal, Rakuten Mobile
সবকিছু অনলাইনে অর্ডার করা যায়, হোম ডেলিভারি দেয়।
ডিস (টিভি)– NHK লাইসেন্স ফি দিতে হয় যদি টিভি থাকে।
---
🛒 গ্রোসারি / কেনাকাটা
সুপারশপ ডেলিভারি: Aeon, Seiyu, Life, Ito-Yokado (অ্যাপ/ওয়েবসাইটে অর্ডার → বাসায় ডেলিভারি)।
অনলাইন শপিং: Rakuten, Amazon Japan, Yahoo Shopping
বাংলাদেশি/হালাল খাবার: Tokyo, Osaka-তে হালাল মার্কেট আছে। এছাড়া Amazon Japan-এ হালাল জিনিস পাওয়া যায়।
---
📱 অ্যাপ/ওয়েবসাইট যা সবচেয়ে কাজে লাগবে
1. Line → কমিউনিকেশন
2. Google Maps / HyperDia / Japan Travel (Navitime) → ট্রেন/বাস
3. PayPay, Rakuten Pay → পেমেন্ট
4. Amazon / Rakuten → অনলাইন শপিং
5. JapanTaxi, Uber → ট্যাক্সি
---
👉 মোট কথা, জাপানে প্রায় সবকিছু অনলাইনে বা অ্যাপ দিয়ে করা যায়—চাকরি খোঁজা, ভাড়া নেয়া, ইন্টারনেট নেওয়া, এমনকি গ্রোসারি অর্ডারও।
...
আমি আপনার জন্য জাপানে নতুন বিদেশি শ্রমিকদের জন্য একটি PDF বুকলেটের মতো স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড তৈরি করেছি।
---
🇯🇵 জাপানে নতুন বিদেশি শ্রমিকদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড
1️⃣ প্রথম ধাপ: আগমনের পর
Residence Card (在留カード) পাবেন → এটি আপনার আইডি কার্ড।
সিটি অফিসে রেজিস্টার করুন:
হেলথ ইন্স্যুরেন্স
মাই নম্বর কার্ড (My Number Card)
বিদেশিদের জন্য ভাষা সাপোর্ট
2️⃣ চাকরি খোঁজা
অনলাইন জব সাইট: GaijinPot Jobs, Daijob, Jobs in Japan, Indeed Japan
সরকারি অফিস: Hello Work
কমিউনিটি: ফেসবুক/Line গ্রুপ
দক্ষতা না থাকলে: কারখানা, কৃষি, নির্মাণ, কেয়ারগিভার জব
3️⃣ ভাষা শেখা
অনলাইন কোর্স: Duolingo, LingoDeer, NHK World Easy Japanese
সিটি অফিস ক্লাস: Nihongo Kyosh*tsu
অনুবাদ অ্যাপ: Google Translate, Papago
4️⃣ বাসা ভাড়া
সাইট: Suumo, Homes, GaijinPot Housing
বিদেশিদের জন্য সহজ: LeoPalace, Sakura House, Share House
খরচ: Shikikin, Reikin, এজেন্সি ফি
5️⃣ ইন্টারনেট / সিম কার্ড
সিম/পকেট ওয়াইফাই: Sakura Mobile, Rakuten Mobile, Mobal
ফাইবার ইন্টারনেট: NTT Flets, AU Hikari, Softbank Hikari
অনলাইন অর্ডার → হোম ডেলিভারি
6️⃣ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
ব্যাংক: Japan Post Bank, Shinsei Bank, Rakuten Bank
প্রয়োজন: Residence Card + Address Proof
বেতন ব্যাংকে যাবে → আগে অ্যাকাউন্ট খুলুন
7️⃣ ট্রান্সপোর্ট / ট্যাক্সি
পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সবচেয়ে সস্তা
IC কার্ড: Suica, Pasmo, ICOCA
ট্যাক্সি অ্যাপ: JapanTaxi, DiDi, Uber Japan
8️⃣ গ্রোসারি / শপিং
সুপারশপ ডেলিভারি: Aeon, Seiyu, Life, Ito-Yokado
অনলাইন: Amazon Japan, Rakuten, Yahoo Shopping
হালাল খাবার: Tokyo, Osaka বা অনলাইনে (Halal Japan, Amazon)
9️⃣ বিল পেমেন্ট / ফাইন্যান্স
বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট → কনভিনিয়েন্স স্টোরে পরিশোধ
মোবাইল পেমেন্ট: PayPay, Rakuten Pay, Line Pay
🔟 নিরাপত্তা / জরুরি নম্বর
পুলিশ: 110
অ্যাম্বুলেন্স/ফায়ার: 119
বিদেশি সাপোর্ট সেন্টার → ইংরেজি/বাংলায় হেল্প
---
সারসংক্ষেপ:
আগমনের পর → রেজিস্ট্রেশন → সিম/ইন্টারনেট → ব্যাংক → চাকরি খোঁজা → বাসা → গ্রোসারি → ভাষা শেখা।
শামিম খান ✒️
✅শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন, অনেক কাজে লাগবে 🔰
Civil Engineer to Japan
Only for Civil Engineering information
ভাইয়েরা তোমাদের দাবি মানা হবে, কিন্তু ডিপ্লোমা + বি.এস.সি তাহলে ইন্টার+বি.এস.সি এর উপরে তোমাদের ভাষ্যমতে । তাহলে ডিপ্লোমা+বি.এস.সি দের সরাসরি ৮ম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হোক, কিন্তু নবম গ্রেড পর্যন্ত তোমাদের লিমিটেশন।
Engr. Md. Al Amin
Diploma+B.Sc Engineer from Japan
পাইল নিয়ে সামান্য অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পরামর্শ...
১। প্রথমে পাইলের জন্য পর্যাপ্ত মালামাল সাইটে আছে কি না তা দেখতে হবে।
২। যারা পাইল করবে তাদের জনবল এবং যন্ত্রপাতি ঠিক মতো আছে কি না তা দেখতে হবে।
৩। তার পরে কলামের সেন্টার লাইন থেকে মাপ নিয়ে পাইলের পয়েন্ট দিতে হবে।
৪। এবং পাইল পয়েন্টে ১০মিমি ১' রডের টুকরা পুঁতে দিয়ে টা ঢালাই করি দিতে হবে।
৫। তার পরে বোরিং এর সময় চিজেল টা কে তাদের যে তেপায়া টা আছে। ওটায় সেট করতে হবে। এবং ওই তিন পায়ার সব গুলো পায়ার নিছে কাঠ বা বালির বস্তা দিয়ে সঠিক ভাবে বসাতে হবে যাতে এটি নড়ে না যায় এটি নড়ে গেলে বোরিং ঠিক হবে না।
৬। চিজেলের মাথা পাইলের জন্য পুঁতে দেওয়া রডের সেন্টারে এনে চিজেলের মাথায় পানি দিতে হবে যদি পানি গুলো রডের মাথায় ঠিক ভাবে পড়ে তা হলে বুঝতে হবে চিজেল সঠিক অবস্থানে আছে। তবে এই ক্ষেত্রে চিজেলের মাথা টা ভালো করে দেখতে হবে যাতে এটাতে কোন বাকা না থাকে। যদি বাকা থাকে তা হলে সমস্যা হবে। বোরিং ঠিক মতো হবে না। তার পর পাইলের ডায়গোনাল চেক দিতে হবে। এর পর ১.৫ মিটার পর্যন্ত আনকেস্ড অবস্থায় বোরিং করা হয় তার পর কেসিং প্রবেশ করানো হয়। বোরিং কাজ শেষ হলে মিনিমাম ৩০ মিনিট পাইল ওয়াশ দিতে হবে তবে যতক্ষন পরিষ্কার পানি না বের হয় ততক্ষণ ওয়াশ দিতে হবে। পাইল ওয়াশ দেওয়া পানির সাথে বেন্টনাইট ব্যবহার করা উচিত। এতে ওয়াশের সময় পাইলের পাশ্ব হতে মাটি প ভেঙ্গে পড়বে না।
৭। বোরিং কত টুকু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে তারা যখন তাদের বোরিং যন্ত্রপাতি সাইটে আনবে তখন সেই গুলো মাপ দিয়ে নিতে হবে।
৮। পাইলের খাচা বাঁধার সময় দেখেতে হবে spiral রড গুলোর ওয়েল্ডিং ঠিক ভাবে করেছে কি না৷ এটা পরিক্ষার জন্য একটা হাতুড়ি দিয়ে জয়েন্ট গুলোতে আঘাত করলে যদি জয়েন্ট ছুটে যায় তা হলে আবার ওয়েল্ডিং করাই নিতে হবে। যদি ডিজাইনে একটা স্পাইরাল ওয়েল্ডিং আরেকটা বুনন তার দিয়ে বাঁধাই করতে বলে । তা হলে ডিজাইন মতে কাজ করতে হবে।
৯। স্পাইরাল রড গুলো লেপিং যেই খানে হবে ওখানে যাতে মিনিমাম দুইটা মেইন রড এর শেষে লেপিং যেনো শেষ হয়। এবং লেপিং করা পুরো জায়গায় ওয়েল্ডিং করাই দিতে হবে।
১০। পাইলের স্পাইরাল বাধার সময় মেইন রড গুলো কে সোজা রেখে বাধাই করতে হবে না হলে ওয়েলডিং এর পর পাইলের খাচা মোচড় অবস্থা হয়ে থাকবে।
১১। পাইলের ডায়া মিনিমাম ১৮" হয়ে থাকে। এবং এটাতে ১৬ মিমি রড মিনিমাম ৬ টা ব্যবহার করতে হয়। এবং স্পাইরাল এর জন্য মিনিমাম ৮মিমি বা ১০মিমি রড ব্যবহার করা হয়।
১২। মিনিমাম ৫' পর পর পাইলের ৩ দিকে ৩" পরিমান কাভারিং ব্যবহার করা হয়।
১৩। পাইলের মেইন রডের লেপিং মিনিমাম ২.৫'/৩' দেওয়া উচিত এবং লেপিং এর জায়গায় ১.৫"-২" এর মতো ওয়েল্ডিং করা ৩ স্হানে উচিত।
১৪। বোরিং এ যখন খাঁচা ঢুকাবে তখন যাতে সোজা করে খাচা ঢুকায় যদি বাঁকা করে খাঁচা ঢুকায় তখন কাভারিং ব্লক গুলো ভেঙ্গে যাবে।।
১৫। এবং পাইলের যেই স্থানে ধরে পাইলটির খাঁচা বোরিং এ ঢুকাবে ওই জায়গায় স্পাইরাল গুলো ভালো করে ওয়েল্ডিং করে দিতে হবে।
১৬। ডিজাইম মতো রডের ডায়া এবং স্পাইরাল গুলোর স্পেসিং ঠিক আছে কি না দেখতে হবে।
১৭। কাস্টিং এর সময় ট্রিমি পাইপ টি পাইলের বটম থেকে ৬" উপর থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত এর বেশি উপর থেকে কংক্রিট ফেললে কংক্রিটের সাথে কাঁদা পানি মিশে কংক্রিটের শক্তি কমিয়ে দিবে।
১৮। ট্রিমি পাইপের ডায়া মিনিমাম ৬" হয়ে থাকে
১৯। কিছু ক্ষান কংক্রিটিং করার পর ট্রিম্বি পাইপ টি কে উপর নিছে উঠা নামা করে ভাইব্রেট করে দিতে হবে যাতে পাইলে ভয়েড না থাকে।
২০। পাইলের সাধারণত ১ঃ১.৫ঃ৩ রেশিও তে কংক্রিটিং করা হয়ে থাকে।
২১। কংক্রিটিং এর সময় ট্রিম্বি পাইপ টি কে পরিস্কার করে নিতে হবে যাতে আগের কোন কংক্রিট এর ভিতর না থাকে।
২২। ২৪ ঘন্টার ভিতর ১০' এর মধ্যে অন্য পাইল করা যাবে না এতে নতুন করা পাইলটি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
২৩। পাইল থেকে পাইলের দুরত্ব ৪' হয়ে থাকে
২৪। হপার টা পরিস্কার করে রাখতে হবে
২৫। ট্রিম্বি পাইপের জয়েন্ট যখন উপর উঠে আসবে তখন তা খুলতে হবে এর আগে নয়।
২৬। পাইলের Cut of level এ রেশি ১:৩:৬ রাখতে হবে। কারন এটি ভেঙ্গে পেলা হয়
Tiles Installation Method – আমার কাছে টাইলসের কাজটা জটীলই মনে হয় কারণ টাইলসের কাজ একবার হয়ে গেলে সেটা আর প্রোপারলি ভুল সংশোধনের সুযোগ নেই তাই। টাইলসের মধ্যে ফ্লোর টাইলসের কাজ কিছুটা জটীল যা একমাত্র মিস্ত্রীর দক্ষতা ও প্রোপারলি সুপারভিশনই কাজের একোরেসি আনতে পারে। দক্ষ মিস্ত্রি না হলে ফলাফল শূন্য।
এখন আমরা টাইলস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
টাইলস কি?
টাইলস এর প্রকার।
ফ্লোর টাইলস এর কাজ।
ওয়াল টাইলস এর কাজ।
টাইলস কত পিস লাগবে তার হিসাব।
টাইলস এর জন্য মালামালের হিসাব।
টাইলস কি?
সিভিল কাজে টাইলস একটা ফিনিশিং আইটেম।আগে ফ্লোরে নেট সিমেন্ট ফিনিসিং করতো আর এক্সপেনসিভ আইটেম বড়জোর মোজাইক আর এখন টাইলস অন্যতম ফিনিশিং আইটেম ।টাইলস হল সর্বাধুনিক ফ্লোর ফিনিসড এটা স্থাপনে জটিলতা নেই দেখতে সুন্দর এটা ফ্লোর ওয়াল দুজায়গাতেই করা হয়।টাইলস সাধারনত ফ্লোর,বাথরুম,কিচেনের ভেতর ই কমনলি লাগানো হয়।
টাইলস এর প্রকার
আমরা এখন অনেক প্রকার টাইলস ব্যবহার করে থাকি যেমন:-
ফ্লোর ও ওয়াল টাইলস
রাস্টিক টাইলস
পেভম্যান্ট টাইলস
সিরামিক্স টাইলস
সিটি-৫ টাইলস বা বির্ক
বিভিন্ন সাইজের টাইলস বাজারে পাওয়া যাই ফ্লোর
১২”x১২, ১৬”x১৬”, ২০”x২০”
২৪”x২৪”,৩২”x৩২”,২৪”x৪৮” ইত্যাদি
ওয়াল ৮”x১২”, ১০”x১৩”, ১০”x১৬”, ১২”x১৮”,
১২”x২০”, ১২”x২৪”, ১২”x৪৮”
এছাড়া চায়না অনেক প্রকার ওয়াল টাইলস পাওয়া যায়।
ফ্লোর টাইলস লাগানোর নিয়ম ( Tiles Installation Method )
১।প্রথমে ফ্লোর চিপিং কর এবং ধুয়ে পরিস্কার করে পাতলা সিমেন্ট গ্রাউটিং করতে হবে পুরোনো ফ্লোর হলে।
২। যদি হোমোজিনিয়াস টাইলস হয় তবে টাইলস ভেজানোর দরকার নেই
৩। শুকনা মশলা ১:৩ রেশিওতে বানাতে হয় কারন ফ্লোরে অনেক কিছুর লোড পড়ে ও ব্যবহার হয় বেশী ।
৪। যথারিতি স্যনিটারী লাইন যদি নীচ দিয়ে যায় তবে লিকেজ ও প্রেসার চেক কর এর পর লেভেল পায়া কর।
৫। দরজার নীচে যেন ১/২” ক্লিয়ার থাকে সে মত পায়া হবে এর পর শুকনা মশলা ফ্লোরে ছড়িয়ে দিয়ে এর উপর টাইলস বসিয়ে লেভেল কর প্রয়োজন মত উঠানো, নামানো, সরানো যা প্রয়োজন করবে এর পর লেভেল ওকে হলে টাইলস সরিয়ে সিমেন্ট পানি মিশ্রিত গ্রাউটিং শুকনা মসলার উপর দিয়ে ঢেলে ভেজা বানাইয়ে নিয়ে মাঝে মাঝে কর্নি দিয়ে উক্ত মসলা কেটে কেটে রাফ করে দিবে এর পর টাইলস বসাতে হবে, প্রয়োজন মত রাবার হেমার দিয়ে হালকা হিট কর এবং লেভেল ফাইনাল কর ঠিক আগের নিয়মে ফাকা,পরিস্কার, কিউরিংকরতে হবে।
৬। সব টাইলস যেন এক লাইনে থাকে শর্টপিস যেন দৃষ্টি কটু না লাগে এরুপ ব্যবহার করবে আর বাথরুম হলে স্লোপ দিতে হবে খুব ক্লোজ করে ধর ৫ ‘ এ ১”।
৭। ফ্লোর টাইলস এর মসলার পুরুত্ব ফ্লোর লেভেলের উপর নির্ভর করবে তাই ছাদ ঢালাইয়ের সময় ই ছাদের টপ লেভেল সমান রাখতে হবে নতুবা টাইলস করার সময় মসলার পুরুত্ব বেড়ে যাবে এতে লোড ও নির্মান ব্যয় বেড়ে যাবে।
৮। ১ থেকে ১.৫” পুরুত্ব ফ্লোরের ক্ষেত্রে এলাওবেল।
৯। বাথরুম কিচেনের বেলায় কমোডের অংশ,ওয়েষ্ট ওয়াটার পাইপের জায়গা,ফিটিংসের,ও হাউস, বার্নার স্ল্যাব এর জায়গায় টাইলস লাগাতে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে আর কোনার টাইলস জয়েন্টে দুটো টাইলস আর সাইড গুলো V শেইপে কেটে নেবে একে মুখোমুখি মিলে যাবে একে টাইলসের চোজ করা বলে।
সতর্কতা ( Tiles Installation Method )
১) সারফেসকে ২/১ দিন পানি দিয়ে কিউরিং করতে হবে এবং শুকাতে হবে এভাবে কয়েদিন করতে হবে। নতুবা সারফেস মর্টারের পানি শোষন করে নেবে ফলে পানি ছাড়া মর্টারের সাথে টাইলসের বন্ড হবে না অথবা টাইলস বসানোর কয়েকদিনের মধ্যেই মর্টার – টাইলস বন্ড ছেড়ে দেবে।
২) মর্টারকে সঠিক নিয়মে ও রেশিওতে মিক্সিং করতে হবে প্রথম থেকে ভেজা বালি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ বালির সাথে সিমেন্ট মিসবে না। আমাদের মিস্ত্রী হেলপার সঠিকভাবে মর্টার পেস্টিং করতে চায়না অনেক জায়গায় দেখছি মর্টার ভেজানোর পর বালির কালার রয়েগেছে সেই অবস্থায় মর্টার কাজে লাগাচ্ছে। মর্টার এমনভাবে মিক্সিং করতে হবে যেন পেস্ট গ্রে কালার ধারন করে। নতুবা বন্ডিং দূর্বল হবে।
৩) আধা ভেজা মর্টার লেভেলের পর যখন এর উপর টাইলস বসানোর জন্য সিমেন্ট গোলানা পানি বা গ্রাউট দিবে তখন সেই গ্রাউটিং মিশ্রিত মর্টার বেডকে কর্ণি দিয়ে কেটে কেটে আধাভেজা মর্টারের ভেতর গ্রাউটিং ঢোকাতে হবে এখানেই আসল খেলা কারণ এই অবস্থায় মর্টার নেড়েচেড়ে মেশানোর সুযোগ নেই তাই প্রথম ড্রাই মর্টার তৈরীর সময়ই উত্তমরুপে মিশ্রণ সমুহ মেশাতে হবে। অন্যথায় এখানে সাময়িকভাবে বন্ডিং হলেও একসময় বন্ড ছেড়ে দেবে ফলে টাইলস উঠে যাবে।
৪) টাইলস করার পর দুটো টাইলসের মাঝে যে ফাঁকা জায়গা রাখা হয় সেটা পাতলা টিন বা স্ক্রেপ বা পাতলা কর্ণির মাথা দিয়ে যতটা সম্ভব গবীর করে পরিস্কার করতে হবে যাতে কিউরিং এর পানি ঢোকে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যে কোন মিশ্রণের একটা ক্যামিক্যল রিয়েকশন থাকে যার বিক্রিয়ায় একপ্রকার গ্যাস তৈরি হয়। এখন টাইলসের নীচে যে মর্টার ব্যবহার হয়। তাতে থাকে সিমেন্ট আমরা জানি সিমেন্টের মধ্যে নানা প্রকার উপাদান মিশ্রীত যা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ফলে তাপতো উৎপন্ন হয়ই সাথে গ্যাসও উৎপন্ন হয় । অন্যান্ন মর্টার পানি মিশিয়ে উন্মুক্ত রাখা হয় বলে আমরা টের পাইনা।
কিন্তু ফ্লোর টাইলসের ক্ষেত্রে আধাভেজা মর্টারে সিমেন্ট পানি দিয়েই কিন্তু টাইলস বসিয়ে ফেলি ফলে এর মধ্য রিয়েকশান হয়ে রেজাল্ট (গ্যস) বের হওয়ার সুযোগ পায়না সেটা বের হওয়ার জন্যই দুটো টাইলসের মাঝের ফাঁক যা ৭ দিন রাখলে ভাল নতুবা ৩-৪ দিন। অনেক সময় শোনা যায় টাইলস লাগানোর কয়েকবছর পর প্রচন্ড শব্দে ফেটে যাচ্ছে আসলে এর কারণ হচ্ছে এই গ্যস এটা রেখেই যখন ফাঁক বন্ধ করা হয় তখন আস্তে আস্তে এটা স্টোর হতে থাকে একসময় তাপে ও চাপে এটা বিস্ফোরিত হয়।
৫) চটের বস্তা বা পানি জমিয়ে কিউরিং করতে হবে যাতে টাইলসের নীচের মর্টার আস্তে আস্তে পানি শোষনের সময় ও সুযোগ পায়। পানি সার্বক্ষনিক রাখলে টাইলসের নীচের পুরো সারফেসে পানি যাওযার সুযোগ পাবে।
ওয়াল টাইলস লাগানোর নিয়ম ( Tiles Installation Method )
১। টাইলস ওয়ালের হলে সর্ব প্রথম টাইলস গুলো পানিতে ভেজান ১-২ ঘন্টা কারন ইটের মত এগুলো ও পানি শোষন করে ।
২। ওয়াল ভেজান প্রয়োজন মত যেন ওয়াল টাইলসের মসলার পানি শোষন করতে না পারে
৩।দেয়ালের বাড়তি ইট গুলো ভেংগে নিন আর রাফ হিসাব করে দেখেন পূর্ন টাইলস কোথায় পড়বে আর শর্ট পিস কোথায় পড়বে
৪।শর্ট পিস সব সময় দরজার পিছনে দেবেন যাতে দরজা খুললে ঢাকা পড়ে যায়
৫। স্যনিটারি লাইন পানি দিয়ে চেক করুন লিকেজ আছে কিনা বা প্রেসার কেমন না হলে পরে টাইলস ভাংগা লাগবে।
৬। মসলা তৈরী করতে হবে ১:৪ ক্ষেত্র বিশেষে ১:৩ ও করা হয় এর পর দেয়ালে পায়া বা লেভেল করুন আর টাইলস লাগানো শুরু করুন।
৭। খেয়াল রাখবেন সব টাইলস যেন সমান হয় আর ২ টাইলস এর মাঝে ১-২ সুতা ফাকা থাকে
৮। টাইলস এর নীচে মসলা ঠিক মত মানে পুরো টাইলসএই যেন মসলা লাগানো হয় অন্যথা শুকালে আওয়াজ করবে আর অল্প আঘাতেই ওই অংশ ভেঙ্গে পড়বে।
৯। টাইলস সময়ই মার্কিন কাপড় দিয়ে অবশ্যই পরিস্কার করে নেবেন সাথে সাথে না হলে করার পরে উঠবেনা বা অতিরিক্ত ঘষাঘষিতে টাইলস ডিসকালার বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
১০। শর্টপিস করার সময় টাইলস কার্টার দিয়ে খুব সাবধানে কাটতে হবে অন্যথা টাইলসের নিকেল উঠে যাবে।
১১। মসলার থিকনেস ১/২” থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১” পর্যন্ত এলাও তবে সব নির্ভর করবে ওয়ালের লেভেলের উপর।
১২। টাইলস করার ১২ ঘন্টা পর থেকে কিউরিং করবেন।
১৩। ৫/৭ দিন পর টাইলস ধুয়ে শুকিয়ে ফাঁকা জায়গাগুলোতে ফুটিং করবেন এর পূর্বে করলে মসলার ভেতরকার গ্যাস বের হতে না পারলে টাইলস ফেটে যাবে।
১৪।ওয়াল টাইলস সব সময় উপর থেকে নীচের দিকে করে আসলে টেকনিক্যলি সুবিধা পাওয়া যায়।
১৫। টাইলস নির্বাচনের সময় অবশ্যই সমান মাপের টাইলস নির্বাচন করবেন এবং একই রকমের টাইলস একবারে কিনে ফেলবেন।
টাইলস হিসাব
কত পিচ টাইলস লাগবে?
ফ্লোর
১৫০০ বর্গফুট জায়গায় টাইলস লাগাতে হবে তাহলে ৮% ওয়েস্টেজ সহ মোট পরিমান ১৬২০
বর্গফুটটাইলসের সাইজ ১২”x১২” হলে একটি টাইলসের এরিয়া
(১২”x১২”)÷১৪৪ = ১ বর্গফুট
টাইলসের সংখ্যা= ১৬২০÷১= ১৬২০ পিচ.টাইলস
ওয়াল
ওয়াল টাইলসে আমরা ১০% ওয়েজস্টেজ ধরি
তাহলে টাইলসের পরিমান
= ১৫০০x১.১০
= ১৬৫০ বর্গফুট
টাইলসের সংখ্যা= ১৬৫০÷১= ১৬৫০ পিচ.টাইলস
টাইলস এর জন্যে মসলার হিসাব
ওয়ালে আমরা ১” পুরুত্ব মসলা ধরে থাকি
ওয়ালে মসলার অনুপাত (১:২)
ফ্লোরে আমরা ১.৫” পুরুত্ব মসলা ধরে থাকি
ফ্লোরে মসলার অনুপাত (১:৩)
১৫০০ বর্গফুট ওয়াল টাইলসের মালামাল
বের করবো
প্লাষ্টারের ভেজা মসলার পরিমান
= ১৫০০x(১”÷১২)
= ১২৫ ঘনফুট
শুকনা মসলার পরিমান = ১২৫x১.৫
= ১৮৭.৫০
অনুপাতের যোগফল = (১+২)=৩
মালামাল
সিমেন্ট = (১৮৭.৫০x১÷৩)x০.৮
= ৫০.০০ ব্যাগ
বালি = (১৮৭.৫০x২÷৩)
= ১২৫.০০ ঘনফুট
টাইলস লাগানোর আগে করনীয়:
চেকিং:
প্রথমেই চেক করে নিতে হবে স্যানিটারি, ইলেকট্রিক, গ্যাস লাইন, ওয়ারিং, টিভি, ইন্টারনেট লাইন, ডোর ফ্রেম ইত্যাদির কাজ শেষ হয়েছে কিনা কিংবা কোন সমস্যা রয়েছে কিনা?
ক্লিনিং:
এরপর বাসুলা দিয়ে চিপিং করে ফ্লোর থেকে সকল আগলা/ লুজ ময়লা তুলে ফেলে ওয়্যার ব্রাশ ও ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। বিশেষ করে স্কার্টিং/ ওয়াল টাইল লাগানোর পূর্বে দেওয়াল থেকে শ্যাওলা বা লুজ মর্টার ফেলে দিয়ে পানি সহকারে তারের ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
ওয়াটারিং স্প্রেইং:
টাইলের কাজ শুরুর একদিন পূর্বে ফ্লোর কিংবা ওয়ালকে ভিজিয়ে নিতে হবে যেন তা মর্টারের পানিকে শুষে নিতে না পারে। তবে ওয়ালকে হালকা কিছুটা শুষ্ক রাখতে হবে, না হলে লাগানোর সময় টাইলস ধরে রাখা কষ্টকর হবে।
কার্যপদ্ধতি:-
সিড়ি বা লিফ্ট এর ফ্লোর থেকে লেভেল পাইপ বা লেভেল মেশিনের সাহায্যে ইউনিট বা ফ্ল্যাটের রুমগুলোতে লেভেল মার্ক করে নিতে হবে, তারপর কোন রুমে কতটুকু মর্টার লাগবে তা চেক করে নিয়ে সব রুমের জন্য একটা টপ লেভেল ফিক্সড করে নিতে হবে যেন ওই নির্দিষ্ট লেভেল থেকে সব জায়গাতে টাইলসের টপ পর্যন্ত একই মাপ পাওয়া যায়।
ওয়াল টাইলসের ক্ষেত্রে ওয়াল এর টপ থেকে মেপে নিয়ে লেভেলিং এবং উলম্ব শল করে নিচ থেকে কাজ শুরু করতে হবে, শর্টপিচ লাগলে তা নিচেই দিতে হবে।
ডোর সিল দিয়ে থাকলে আলাদা ফ্ল্যাটে রিংব লেভেল নিতে পারেন, তবে টয়লেটের লেভেল রুম থেকে আলাদা হবে, দরজার পাল্লার নিচে যেন কমপক্ষে ১/২” ফাঁকা থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মিশ্রন অনুপাত:-
ফ্লোর টাইলস ১:৪ থেকে ১:৩
ওয়াল টাইলস ১:৩ থেকে ১:২
টাইলস সারফেস লেভেলিং:
টাইলের উচুনিচু চেক করার জন্য চার টাইলসের জয়েন্টে হাত দিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন কোন টাইলস উচু কিংবা নিচু রয়েছে কিনা
জয়েন্টে আপ/ ডাউন বুঝার জন্য একটি টাইলসকে যে কোন জয়েন্টে খাড়াভাবে ধরুন, দেখুন তা দুটো টাইলের সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা, কিংবা একটির সাথে মিললে অন্যটি থেকে ফাঁকা থাকে কিনা?
টাইলেস লেভেল আপনি স্প্রিরিট লেভেল দিয়েও চেক করতে পারেন, বড় স্পিরিট লেভেল হলে একাধিক টাইলের লেভেল এক সাথে চেক করতে পারেন।
যদি আপনি বৃহৎ এরিয়ার লেভেল চেক করতে চান তবে গজ বা সূতা দিয়ে চেক করতে পারেন। ৭ ফিটের একটি স্ট্রেট গজ নিন, তাকে ফ্লোরের সাথে চেপে ধরুন, ফ্লোর যদি লেভেলে থাকে তবে গজের নিচে কোথাও ফাঁকা থাকবেনা, যদি ফাঁকা থাকে তবে বুঝবেন টাইল ঠিকভাবে বসানো হয় নি।
সূতা দিয়ে চেক করতে চাইলে ১০ ফুট দূরুত্বের দুইটি টাইলস নির্ধারন করুন, এবার সেই দুই টাইলস থেকে সুতাটিকে ৫ মিলি উপরে তুলে টেনে ধরে রাখুন, নিজেই দেখতে পাবেন কোনটা উচুঁ আর কোনটা উচুঁ।
টাইলস লায়িং:
প্রথমে রুমের চার কর্নারে চারটি পায়া করে নিতে হবে, এবার পায়াগুলোর লেভেলের সাথে মিল রেখে যে কোন এক সাইড থেকে টাইস লাগিয়ে আসতে হবে, শর্টপিচ লাগলে সেটা প্রান্তের দিকে লাগাতে হবে। সবচেয়ে ভাল হবে যদি রুমের তিনদিকেই এক সারি টাইল বসিয়ে সে অনুযায়ী মাঝের টাইলগুলো বসানো যায়। খেয়াল রাখতে হবে প্রতি টাইলসের মাঝে যেন ২/৩ মিলির বেশি গ্যাপ না থাকে এবং টাইলের কর্নারগুলো একই লেভেলে থাকে।
ওয়াল টাইলসের বেলায় প্রথমে উলম্বভাবে শল ও লেভেলিং করে নিচে এক লাইন টাইলস বসিয়ে নিতে হবে, এবার পায়ার সাথে মিল রেখে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে টাইসগুলো যেন আড়াআড়ি ভাবে লেভেলে থাকে, কর্নারের টাইলকে ভি-কাটিং [ #চোস] করে লাগাতে হবে। কাজ শেষে টাইলসগুলোকে পরিষ্কার করে মুছে ফেলতে হবে। সিরামিক টাইলসকে অবশ্যই কাজের পূর্বে পর্যাপ্ত ভিজিয়ে নিতে হবে।
কিউরিং:
কিউরিং এর ক্ষেত্রে ভাল হবে যদি ফ্লোরকে পানিতে চুবিয়ে কিউরিং করা যায়, কারণ টাইলস পানি অপ্রবেশ্য বিধায় সহজে শোষন করে না, সে ক্ষেত্রে জয়েন্টগুলোতে এমনভাবে পানি মারতে হবে যেন তা ভিতরে পৌঁছে।
পুডিং:-
কিউরিং পিরিয়ড শেষ হলে তা শুকানোর পর জয়েন্টগুলো ভালভাবে পরিষ্কার করে টাইলসের কালারের সাথে মিল রেখে পুডিং করে দিতে হবে এবং পুডিং করার পর তাও #কিউরিং করতে হবে। পুডিং কে ভালভাবে চেপে লাগাতে হবে যেন ভিতরে ঢুকতে পারে।
সাবধানতা ও সতর্কতা:-
গ্রাউটিং:
যদি আপনি ড্রাই মর্টার ব্যবহার করেন তবে খেয়াল রাখবেন মসলাকে ড্রেসিং করার পর এর উপর যে তরল গ্রাউটিং দেওয়া হয় তা যেন মর্টারের সর্বত্র প্রবেশ করতে পারে। মসলার উপরের গ্রাউটিং নিচে পৌঁছানোর জন্য ড্রাই মর্টারগুলোকে কিছুটা গর্ত/ কেটে দিন, তবে লক্ষ্য রাখবেন ভেতরে যেন বাতাস না থাকে।
স্পেস:
রুমের ভিতরে স্পেসের প্রয়োজন নেই, তবে বারান্দা এবং টয়লেটে কমপক্ষে ১/২” স্পেস রাখুন যাতে খুব সহজেই পানি চলে যেতে পারে, সর্বপরি এগুলো যেন সবসময় শুষ্ক থাকে।
অপচয়:-
টাইলের কাজে ওয়েস্টেজ একটু বেশিই হয়, তবে সেটাকে ৮% এর মধ্যে রাখতে চেষ্টা করবেন। কাজ চলাকালীন সময়ে টাইলসের উপর দিয়ে হাটা যাবে না, টাইলসকে রাবারের হ্যামার ছাড়া আঘাত করতে দেবেন না। ওয়াল টাইসের ক্ষেত্রে লেভেল চেক করুন যেন, চারদিকের টাইলস একই লেভেলে থাকে, সর্বপরি টপে ১/২” বেশি ফাঁকা যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কালারে ভিন্নতা থাকলে তা আলাদা করুন, কাটিং এর জন্য টাইলস কাটার মেশিন ব্যবহার করুন।
পরবর্তী পোস্টে টাইলস এর এডহেসিভ নিয়ে বিস্তারিত থাকবে।
বিভিন্ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তথ্য সম্বলিত পোস্ট পেতে ডিজাইন ইন্টিগ্রিটির সাথে থাকুন
fb/Design Integrity BD
বাথরুমের ফিটিংসের নাম ও হাইট:-
১. কমোড: পিছনের ওয়াল থেকে ১১" এবং পাশের ওয়াল থেকে ১৬" - ১৮"
২. কমোডের জন্য এ্যাংগেল স্টপ কক: ফ্লোর লেভেল থেকে ৯"
৩. বেসিন: ফ্লোর লেভেল থেকে ২'-৯" উচ্চতা এবং পয়েন্ট ১'-৬" ওয়াল থেকে
৪. বেসিনের এ্যাংগেল স্টপ কক: ফ্লোর লেভেল থেকে ১'-৯"
৫. শাওয়ার: ফ্লোর লেভেল থেকে ৬-৬" কিংবা ফ্লস স্লাব হতে ৬" নিচে
৬. ট্রাওয়েল রেল: ফ্লস স্লাব হতে ৬" নিচে
৭. রিং ট্রাওয়েল রেল : ফ্লোর লেভেল থেকে ৬'-৬"
৮. গ্লাস শেলফ : ফ্লোর লেভেল থেকে ৪০"-৪২"
৯. মিরোর: এর বটম ফ্লোর লেভেল থেকে ৩'-৮" উপরে
১০. পেপার হোল্ডার : ফ্লোর লেভেল থেকে ১৪"-১৬"
১১. ডাউন ওয়াল লং বিব কক: ফ্লোর লেভেল থেকে ১'-৬"
১২. কনসিল্ট স্টপ কক: ফ্লোর লেভেল থেকে ৪০"
১৩. বিব কক বালতি: ফ্লোর লেভেল থেকে ৩০"
১৪. বিব কক বদনা: মেইন ফ্লোর লেভেল থেকে ১৮" কিংবা pan floor হতে ১২"
১৫. শোপ কেস: ফ্লোর লেভেল থেকে ৩'-৪"
১৬. চুলার স্লাব: ফ্লোর লেভেল থেকে টপ পর্যন্ত ২৭"
১৭. কিচেনের সিংক: ফ্লোর লেভেল থেকে টপ পর্যন্ত ৩৩" উপরে
(কপি পোস্ট)
গুরুত্বপূর্ণ হিসাব-নিকাশ টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন
বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি
বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি
প্রথমে কি কি ডায়ার পাইপ লাগে
সাধারন্ত ইলেকট্রিক কাজে ১.২৫" ১" ০.৭৫" ০.৫০" ডায়ার পাইপ ব্যবহার হয়ে থাকে
১.২৫" পাইপ ভাটিক্যাল লাইনে
১"/০.৭৫" পাইপ ছাদে
০.৭৫" পাইপ ওয়ালে
০.৫০" পাইপ সিলিং যদি কেটে পয়েন্ট সরানো লাগে তখন এবং টাইলসের নীচ দিয়ে কোন লাইন নেওয়া লাগলে যেমন ডিস টেলিফোন লাইনে ০.৫০" ব্যবহার হয়।
এবার এমকে স্টীল বক্স
৩ গ্যাং
২ গ্যাং
১ গ্যাং
স্টীল বক্স ব্যবহার করে থাকি
এবার তার
৯৫ আরএম
৭০ আরএম
৫০ আরএম
..............
১৬ আরএম
১০ আরএম
৬ আরএম
৪ আরএম
৩ আরএম
২.৫০ আরএম
২ আরএম
১.৫০ আরএম
১.৫০ আরই
১.৩ আরএম
১.৩ আরই
১ আরই
আমরা মেন লাইনে ৯৫ আরএম ~ ১৬ আরএম ব্যবহার দেখে থাকি
১০ আরএম ~ ৬ আরএম এমডিবি থেকে এসডিবি ব্যবহার করে থাকি
৪ আরএম ~ ৩ আরএম এসি জন্য
৩ আএম ~ ২ আরএম পাওয়ার পয়েন্ট
১.৫০ আরএম~ ১.৩০ আরএম লাইট ও ফ্যান পয়েন্ট
১.৩০ আরই ~ ১.০০ আরই আর্থিং ও আইপিএস জন্য ব্যবহার করে থাকি
তার আমরা ৪ টি কালার ব্যবহার করে থাকি যেমন
লাল কালার মেন লাইন
কালো কালার নিউটাল
সবুজ কালার আর্থিং
হলুদ কালার আইপিএস
এখন বাজারে নীল কালারের তার পাওয়া যায়।
এবার সুইচ সকেট
১ গ্যাং সুইচ
২ গ্যাং সুইচ
৩ গ্যাং সুইচ
৪ গ্যাং সুইচ
৫ গ্যাং সুইচ
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যাম্পিয়ার
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যাম্পিয়ার
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৫~৬ এ্যাম্পিয়ার
ডিপি সুইচ
টিপি সুইচ
টিভি আউট লেট
টেলিফোন আউট লেট
বেল পুশ
১০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
১৬ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
২০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৩০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৪০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৫০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬৩ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬" রাউন্ড ফ্যান কাভার
৫"x৭" এবোনাইট সিট জাংশন বোর্ড
এখন কোনটার কত উচ্চতা
সুইচ বোর্ড ৪'-৬"
এসডিবি ৭'-০"
এমডিবি ২'-৬"
পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
এসি পয়েন্ট ৭'-১০"
এসির সুইচ ৪'-৬"
গ্রীজার পয়েন্ট ফল্সচ ছাদে
গ্রীজার সুইচ ৪'-৬"
লাইট পয়েন্ট ৭'-১০"
বেল পুস ৪'-৬"
এক্সজাষ্ট ফ্যান পয়েন্ট ৭'-১০"
এক্সজাষ্ট ফ্যান সুইচ ৪'-৬"
মিরর লাইট টপ অফ মিরর
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যা ৭'-১০"
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যা ৯"
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
টিভি আউট লেট ৯"
টেলিফোন আউট লেট ৯"
ইন্টারকম ৪'-৬"
কলিং বেল ৭'-০"
গার্ডেন লাইট সুবিধা মোতাবেক
গার্ডেন ওয়াল লাইট ওয়াটার পুভ করে দিতে হয়
বাথ রুম রান্নার রুমে পাওয়ার পয়েন্ট ৪'-৬"
পাইল ক্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত
টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন
১। পাইল ক্যাপ বিল্ডিং এর অতিগুরুত্ব পুর্ন অংশ।
২। পাইল ক্যাপ বিল্ডিং এর সকল লোড পাইলে স্থানান্তর করে।
৩। দৈর্ঘ্য প্রস্থ সমান এমন পাইল ক্যাপ কে বর্গাকার পাইল ক্যাপ দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে বড় হলে তাকে আয়তাকার পাইল ক্যাপ বলা হয়।
৪। পাইল ক্যাপ এর পুরুত্ব মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটির ও বিল্ডিং এর লোডের উপর নির্ভর করে।
৫। পাইল ক্যাপ এর রড সাধারন্ত সিঙ্গেল জালী হয়, তবে অনেক ক্ষেত্রে ডাবল জালী হয়।
৬। পাইল ক্যাপ এর রডে এল বা মাটাম লাগে।
৭। পাইল ক্যাপ ঢালায়ের আগে আমরা পাইলের মাথা ভেঙ্গে রড বের করি তারপর পাইল ক্যাপ এর নীচে বালি
দিয়ে ড্রেসিং লেভেলিং পানি দিয়ে কম্পেটিং পলিথিন সোলিং সিসি করে (সিসি করার সময় খেয়াল রাখতে
হবে য়েন পাইলের মাথার উপর না যায়) তার পর রড বাইন্ডিং করে সাটারিং করে ঢালায় করা হয়।
৮। পাইল ক্যাপ এর ঢালায়ের পুরুত্ব বেশী থাকায় ভালভাবে ভাইব্রেটিং করা উচিৎ যেন ভিতরে ভয়েড না থাকে।
৯। পাইল ক্যাপ ঢালায়ের সময় কলামের সেন্টার যেন কোন সমস্যা না হয়।
১০। ভালভাবে কিউরিং করতে হবে।
১১। সাটারিং খোলার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন পাইল ক্যাপ এর কোন প্রকার ক্ষতি না হয়।
পাইল ক্যাপ চেক লিষ্ট
-------------------------------------------
• পাইলের উপর থেকে দুর্বল কংক্রিট সরিয়ে ফেলুন
• শাটার এর সকল ছিদ্র বা ফাকা বন্ধ করতে হবে
• সব সাইট শলে (সঠিক উলম্ব) রাখতে হবে
• সাটার এর সাপোর্ট ভালভাবে চেইক করতে হবে যাতে করে সাটার ঢালাই এর সময় খুলে না যায় বা ঢালাই মোটা না হয়
• সাটারে কংক্রিট ঢালার লেভেল মার্কিং করতে হবে
• কলামের রডের আনুভুমিক সাপোর্ট কংক্রিট লেভেল এর উপরে থাকতে হবে
• ক্লিয়ার কভার ভালমত চেইক করতে হবে
• রড বাধাই এর তারের কোন অংশ যেন কংক্রিট কভারের মধ্যে না যায় খেয়াল রাখতে হবে
• কলাম রিং নিচে, মাঝে ও উপরে দিতে হবে। কংক্রিট এর চার ইঞ্চ উপরে একটি রিং দিতে হবে।
• কলামের রড শলে (উলম্ব/খাড়া) রাখতে হবে
• কংক্রিট ঢালার পুর্বে ভালভাবে পরিস্কার করতে হবে।
কালেক্ট
Project visit.
Roof casting.
ছাদ ঢালাই এর সময় লক্ষনীয় বিষয় গুলো।
১. ছাদ অনুযায়ী কংক্রিট তৈরির পর্যাপ্ত মালামাল, যেমন, খোয়া/পাথর ,বালি ,সিমেন্ট ,পানি সরবরাহ ,নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং নির্মান কর্মী সাইটে রাখা জরুরী।
২.ফর্মওয়ার্ক বা সাটারিং এর যেন কোনো গ্যাপ বা ফাঁকা অংশ যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।এবং লেভেল চেক করা ,দরকার হলে বারতি সাপোর্টের ব্যবস্থা করা জরুরী।
৩.কংক্রিটের পানি যাতে চুইয়ে না পড়ে, এর জন্য ফর্ম ওয়ার্কের বা সাটারিং এর উপরিভাগে পুরু পলিথিন শীট দিয়ে ্মুড়ানো আছে কিনা চেক করা জরুরী।
৪.ছাদর ঢালাইয়ের সময় বিদ্যুৎ এর ক্যাবল বাহনের জন্য PVC পাইপ যথাযথ ঠিক ভাবে বিছানো আছে কিনা তা পর্যবেক্ষন করতে হবে। এবং পাইপ রডের নিচের জালি ও উপরের জালির মাঝখানে বিছাতে হবে।
৫.কংক্রিটের সঠিক অনুপাত অনুযায়ী ঢালাইয়ে মশলা তৈরি হচ্ছে কিনা ,সেটা পর্যবেক্ষনে সাইট ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে।
৬.ঢালাইতে কংক্রিটের উপাদান গুলো মিক্সিং এর সময় পানি ও সিমেন্টের অনুপাত ঠিক রাখতে হবে , নতুবা কংক্রিটের স্ট্রেংথ কমে যাবে।
৭.যতটুকু কংক্রিট তৈরি হবে সেটুকু কংক্রিট সাথে সাথেই ঢালাই করে কম্প্যাকশন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে । কারণ ৪৫ মিনিট পরেই কংক্রিটের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হবে। এই সময়ে কংক্রিট নাড়াচাড়া করলে কংক্রিটের শক্তি কমে যায়।
কম্প্যাকশনের পর ঢালাই কোন অবস্থাতেই যেন নড়াচড়া করা বা কিছু মেশানো যাবেনা। এতে সেগ্রিগেশন বা বালি ও খোয়া আলাদা হয়ে যাবে । কোনো ভাবেই শক্ত হয়ে যাওয়া ঢাইয়ের মশলা নরম করার জন্য নতুন করে পানি মিশানো যাবে না এবং পুনরায় ঢালাইয়ের কাজ ব্যবহার করা যাবে না।
৮.কংক্রিট ধিরে সুস্তে ঢালতে হবে এবং তিন ফুটের বেশী উপর থেকে ঢালা যাবেনা ,এতে বালি ও খোয়া আলাদা হয়ে যাবে ।
৯.একটি ১০ ফুট কলাম একভারে ঢালাই সম্পূর্ণ না করে ,প্রথমে ৫ফুট পর্যন্ত ঢালাই কাজ করে পরবর্তীতে নূনতম ৩ দিন পর অবশিষ্ট ৫ফুট ঢালাই করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
১০.বীম ও বীম কলামের সংযোগ স্থানে ঘন হয়ে থাকা রডের ভিতরে দিয়ে যাতে সর্বত্র কংক্রিট পৌছে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে । সেজন্য একটি রডের মাধ্যমে কংক্রিটের ভিতর দিয়ে উত্তম রুপে খোঁচাতে হবে।
১১.বৃষ্টির হওয়ার সম্ভাবনা থাকুক আর না থাকুক সাইটে ত্রিপলের মজুদ রাখতে হবে।
#স্লাবে_কি_কি_চেক_দিতে_হয়_তা_নিয়ে_বিস্তারিত ঃ
আজ আমি আমার বাস্তব কাজের অবিজ্ঞতা থেকে একটা স্লাবে কি কি চেক দিতে হয়।
#স্লাব চেক
#বিমের রডের ঝালি নামানোর পর স্লাবের রড বাইন্ডিং করতে হয় আমরা বিমে যেসব চেক করবো তা হলোঃ
১/ ডিজাইন অনুযায়ী আমাদের রডের ডায়া ঠিক আছে কি না
২/ বিমের রডের লেপিং ঠিক আছে কি না।বিমের লেপিং কোথায় দিতে হয় তা দেখা।
৩/ stirrup এর হুক গুলো 6d যেটি 10mm রডের জন্য 3",, যেটি ১৩৫° তে দেওয়া হয় তা ঠিক আছে কি না।
৪/ বিমের সেপারেটর হিসাবে ২৫ মিমি রডের টুকরা ব্যবহার হয়েছে কি না।
৫/ বিমের মাটাম বা হুক ১০d পর্যন্ত বা ৬" এর রাখা হয়েছে কি না।
৬/ বিমের কাভারিং ১.৫" ঠিক আছে কি না।
৭/ বিমের গভীরতা প্রস্থ চেক দিতে হবে।ডিজাইন মতে আছে কি না।
৮/ stirrup গুলো হুক একটির একদিকে দিয়ে placement করা হয়েছে কি না।
৯/ বিমের সাটার লিক মুক্ত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হতে হবে।
১০/ বিমের রড কলামের রডের ভিতর দিয়ে দিয়েছে কি না তা চেক দিতে হবে।
#স্লাবের_চেক_লিস্ট ঃ
১/ বিমের রডের ঝালি নামানোর পর স্লাবের সাটারে দাগদিয়ে নিতে হয় রড বসানোর জন্য।
২/ স্লাবের বটম রডের কাভারিং ১.৫" এবং টপ রডের কাভারিং ৩"/৪" রাখতে হবে পর্যাপ্ত ক্লিয়ার কাভার ব্যবহার করতে হবে। এবং কাভারিং গুলোকে রডের সথে বেদে দেওয়ার জন্য এগুলোতে ২৪ নং জি আই তার লাগিয়ে নিতে হবে।
৩/কাভারিং হিসাবে স্টিল চিয়ার ব্যবহার করলে তা যেন টপ এবং বটম রডের মাঝে ব্যবহার হয়, যদি এটি সাটারের সাথে লাগি বসানো হয় তা হলে স্লাবের কনটাক্টে পানি এসে করসন হবে।
৪/ ক্রাক to ক্রাংক বারের speech ঠিক আছে কি না তা চেক দিতে হবে এবং extra top এর দূরত্ব ঠিক আছে কি না তা চেকদিতে হবে ক্রাক বার L/4 & extra top L/3 তে দেওয়া হয়েছে কি না তা দেখতে হবে।
৫/ স্লাবের টপ রডের ঝালি যেন বিমের রডের সাথে লেগে না থাকে তা খেয়াল রাখতে হবে সে জন্য speech এর জন্য কাভারিং ব্লক ব্যবহার করতে হবে।
৬/ কর্নার রিইনফোর্সমেন্ট ঠিক আছে কি না তা চেকদিতে হবে। কারন স্লাবের এক্সেটেরিয়া কর্নার ডিপলেক্সন এর কারনো উপরে পেরি পেরি এবং নিছে ডায়াগনাল বরা বর ক্রাকফর্ম করে। উপরের স্লাব হলে এর মধ্যে বৃষ্টির পানি এবং ভিতেরের স্লাব হলে বাথরুমের পানি লিক করে।
৭/ রড বাইন্ডিং শেষ হলে স্লাবটি লেভেল করতে হবে।
৮/ ইলেকট্রিকাল ড্রয়িং অনুযায়ী কন্ডুইট পাইপ গুলো টপ এবং বটম রডের মাঝে বসাতে হবে।
৯/ এবং স্লাবটি পরিষ্কার আছে কি না।ও লিক মুক্ত হয়েছে কি না তা দেখতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Dhaka