আত তারতীল। AT-Tarteel Academy

আত তারতীল। AT-Tarteel Academy

Share

হিফযের যাত্রায় অন্যতম এক নাম "তারতীল"

26/06/2026

আহলান ওয়া সাহলান,

আমাদের Hifzul Quran Batch System Course এ ভর্তি হয়েছেন Fahmida Fatima আপু,🌺

নবী (সাঃ) বলেছেন

আল্লাহ তা'আলা কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ তিনি নবীর সুমধুর তিলাওয়াত শুনেন। রাবী বলেন, এর অর্থ সুস্পস্ট করে আওয়াজের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা।

বুখারি-৫০২৩

🔻আমাদের ৩০ তম পারা হিফয ও মাশক কোর্সে ভর্তি চলছে। বিস্তারিত জানতে কমেন্ট করুন অথবা ইনবক্স করুন।

26/06/2026

কুরআনের সেই মহামূল্যবান নীতিমালা, যা ব্যক্তিত্ব গঠনের অসংখ্য কোর্সের চেয়েও কার্যকর

মানুষ আজ নিজের ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, আত্মশুদ্ধি, নেতৃত্বগুণ, মানসিক প্রশান্তি এবং সফল জীবন গঠনের জন্য অসংখ্য বই পড়ে, সেমিনারে অংশ নেয় এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কিতাবুল্লাহ আল-কুরআনে এমন কিছু মৌলিক নীতিমালা দান করেছেন, যা একজন মানুষকে পরিপূর্ণ চরিত্রবান, বিচক্ষণ, ধৈর্যশীল ও আল্লাহভীরু মানুষে পরিণত করতে যথেষ্ট।

কুরআন কেবল একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়; এটি মানবজীবনের পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ, সম্পর্ক, দায়িত্ববোধ এবং আত্মিক উন্নতির জন্য এতে রয়েছে অনন্য শিক্ষামালা। যে ব্যক্তি কুরআনের নির্দেশনাকে জীবনের কর্মপদ্ধতি বানায়, তার জীবন বদলে যায়; তার অন্তর পরিশুদ্ধ হয়, চরিত্র সৌন্দর্যমণ্ডিত হয় এবং সে পৃথিবী ও আখিরাতে সফলতার পথে অগ্রসর হয়।

১. জিহ্বার সংযম ও কথার দায়িত্বশীলতা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿مَا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ﴾

“মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে, তার কাছে তা লিপিবদ্ধ করার জন্য সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে।”
(সূরা কাফ ৫০:১৮)

মানুষের অধিকাংশ গুনাহ জিহ্বার মাধ্যমে সংঘটিত হয়। গীবত, অপবাদ, মিথ্যা, কটুক্তি, পরনিন্দা, অশ্লীল ভাষা এবং অন্যকে কষ্ট দেওয়া—সবই জিহ্বার অপব্যবহারের ফল।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ»

“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন কল্যাণকর কথা বলে অথবা নীরব থাকে।”
(সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ৬০১৮; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৭)

আরও বলেছেন—

«إِنَّ الْعَبْدَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مَا يَتَبَيَّنُ فِيهَا يَزِلُّ بِهَا فِي النَّارِ أَبْعَدَ مِمَّا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ»

“বান্দা কখনো এমন একটি কথা বলে, যার পরিণতি সম্পর্কে চিন্তা করে না; অথচ সেই কথার কারণে সে পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্বের চেয়েও দূরে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়।”
(সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ৬৪৭৭; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৯৮৮)

ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য কথার সৌন্দর্যের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায়। তাই জিহ্বার সংযম আত্মগঠনের প্রথম ধাপ।

২. অপ্রয়োজনীয় কৌতূহল ও গুজব থেকে বেঁচে থাকা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ ۚ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا﴾

“যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, তার অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ ও হৃদয়—এগুলোর প্রত্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”
(সূরা আল-ইসরা ১৭:৩৬)

বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে যাচাই ছাড়া তথ্য প্রচার করা খুব সহজ হয়ে গেছে। অথচ ইসলামে এটি গুরুতর অপরাধ।

আল্লাহ বলেন—

﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوا﴾

“হে মুমিনগণ! যদি কোনো পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও।”
(সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:৬)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ»

“মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তাই বলে বেড়ায়।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫)

জ্ঞানহীন আলোচনা, গুজব, মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়ে অযথা অনুসন্ধান এবং ভিত্তিহীন মন্তব্য একজন মানুষের মর্যাদা নষ্ট করে দেয়। জ্ঞান ও প্রজ্ঞার পরিচয় হলো প্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বলা এবং অপ্রয়োজনীয় বিষয় থেকে দূরে থাকা।

৩. রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ ۗ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ﴾

“যারা ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে; আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।”
(সূরা আলে ইমরান ৩:১৩৪)

রাগ মানুষের বিচারবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে দেয়। মুহূর্তের উত্তেজনায় বলা একটি কথা বছরের সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে।

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে উপদেশ চাইলে তিনি বারবার বলেছিলেন—

«لَا تَغْضَبْ»

“রাগ করো না।”
(সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ৬১১৬)

আরও বলেছেন—

«لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ، إِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ»

“প্রকৃত শক্তিশালী সে নয় যে কুস্তিতে অন্যকে পরাজিত করে; বরং প্রকৃত শক্তিশালী সে, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।”
(সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ৬১১৪; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬০৯)

রাগের সময় নীরব থাকা, অজু করা, স্থান পরিবর্তন করা এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া ইসলামের শিক্ষা। এ গুণ অর্জন করতে পারলে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অসংখ্য সমস্যা দূর হয়ে যায়।

৪. অন্তরের পবিত্রতা ও সম্পর্ক রক্ষার মানসিকতা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿وَلَا تَنسَوُا الْفَضْلَ بَيْنَكُمْ﴾

“তোমরা পরস্পরের প্রতি অনুগ্রহ ও সৌজন্যের কথা ভুলে যেও না।”
(সূরা আল-বাকারাহ ২:২৩৭)

মানবসম্পর্ক টিকে থাকে কৃতজ্ঞতা, সহনশীলতা ও ক্ষমাশীলতার উপর। যারা সাময়িক ভুলের কারণে মানুষের সব ভালো কাজ ভুলে যায়, তারা কখনো সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«لَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا»

“তোমরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, হিংসা করো না, সম্পর্কচ্ছেদ করো না; বরং আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে থাকো।”
(সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ৬০৬৫; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৫৯)

হৃদয়ের পবিত্রতা মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদগুলোর একটি। যে অন্তর হিংসা, বিদ্বেষ ও প্রতিশোধস্পৃহা থেকে মুক্ত, সে-ই প্রকৃত শান্তি লাভ করে।

৫. ধৈর্যকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বানানো

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ﴾

“নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।”
(সূরা আল-বাকারাহ ২:১৫৩)

আরও বলেন—

﴿إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُم بِغَيْرِ حِسَابٍ﴾

“ধৈর্যশীলদের প্রতিদান অগণিতভাবে প্রদান করা হবে।”
(সূরা আয-যুমার ৩৯:১০)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«وَمَا أُعْطِيَ أَحَدٌ عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ»

“ধৈর্যের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোনো নেয়ামত কাউকে দেওয়া হয়নি।”
(সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ১৪৬৯; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০৫৩)

সফল মানুষদের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো তারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ধৈর্য হারায় না।

৬. আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধি

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّاهَا ۝ وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّاهَا﴾

“সফল হয়েছে সে, যে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেছে; আর ব্যর্থ হয়েছে সে, যে তাকে কলুষিত করেছে।”
(সূরা আশ-শামস ৯১:৯-১০)

উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলতেন—

«حَاسِبُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْلَ أَنْ تُحَاسَبُوا»

“তোমাদের হিসাব নেওয়ার আগে তোমরা নিজেদের হিসাব নাও।”

আত্মসমালোচনা মানুষকে অহংকার থেকে বাঁচায় এবং উন্নতির পথ খুলে দেয়।

৭. তাকওয়া: চরিত্র গঠনের মূল ভিত্তি

আল্লাহ তা‘আলা বলেন—

﴿إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ﴾

“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সে, যে সর্বাধিক তাকওয়াবান।”
(সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১৩)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«اتَّقِ اللَّهَ حَيْثُمَا كُنْتَ»

“তুমি যেখানেই থাকো, আল্লাহকে ভয় করো।”
(সুনান আত-তিরমিযি, হাদিস: ১৯৮৭; হাসান)

তাকওয়া মানুষকে একাকী অবস্থায়ও সৎ থাকতে শেখায়। এটি এমন এক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, যা মানুষের চরিত্রকে দৃঢ় ও নির্মল করে তোলে।

কুরআনের এসব নীতিমালা শুধু ব্যক্তিত্ব উন্নয়নের তত্ত্ব নয়; বরং এগুলো এমন বাস্তব জীবনবিধান, যা একজন মানুষকে সত্যবাদী, ধৈর্যশীল, আত্মনিয়ন্ত্রিত, বিচক্ষণ, ক্ষমাশীল ও আল্লাহভীরু মানুষে পরিণত করে। যে ব্যক্তি এগুলোকে জীবনের অংশ বানাতে পারে, তার চরিত্র, পরিবার, সমাজ ও আখিরাত—সবকিছুই কল্যাণময় হয়ে ওঠে।
:

26/06/2026

আহলান ওয়া সাহলান,

আমাদের Hifzul Quran Private Course এ ভর্তি হয়েছেন Mousumi Mahbub আপু,🌺

আমরা আল্লাহর উপর ভরসা কেবল দুনিয়াবী বিষয়ে করবো না, বরং ইবাদতের ক্ষেত্রেও করবো। যেমন কুরআন মুখস্থের বেলায়, একটি ছোট সূরাই হোক অথবা হোক একটি মাত্র পাতা, আল্লাহরই সাহায্য চাইতে হবে এবং তাঁর উপরই তাওয়াক্কুল করতে হবে।

একই ভাবে, দোয়ার ক্ষেত্রেও। তাঁর কাছে যেকোনো কিছু চাইতে হবে তাঁর প্রতি দৃঢ় আস্থা নিয়ে।

~আওয়াদ আল জুমাইলি

🔻আমাদের ৩০ তম পারা হিফয ও মাশক কোর্সে ভর্তি চলছে। বিস্তারিত জানতে কমেন্ট করুন অথবা ইনবক্স করুন।

26/06/2026

আল্লাহওয়ালা হবার আমল

বর্তমান যামানায় আপনি শুধু নজরের হিফাযত করুন, আল্লাহর ওলী হয়ে যাবেন। এই যামানায় লম্বা লম্বা ওযীফা, তাহাজ্জুদ ও ইশরাক, নফল, হজ ও উমরার প্রয়োজন নেই। শুধু একটা কাজই করুন যে, আমি অকাজ করবো না। নজর দৌড়াবো না। লায়লাদের খপ্পরে পড়বো না। ব্যস, মাওলাকে পেয়ে যাবেন।

বলুন, এটি কি কোনো কঠিন কাজ হলো?
কাজ করা কঠিন নাকি কাজ না করা কঠিন?

আমার মুরশিদ শায়খ আবদুল গনী রহ. বলতেন, কাজ না করলেই আল্লাহকে পাওয়া যায়। কোন কাজ না করলে? যেই কাজ করলে মালিক অসন্তুষ্ট হন সে কাজ করবে না। মালিককে পেয়ে যাবে।"

বর্তমান যামানায় যেহেতু পরহেযগারিতা ও আমলীয়তার সংকটাবস্থা চলছে কাজেই অন্য কোনো দায়ীত্ব পালন করতে হবে না। স্রেফ নজরের হিফাযত করলেই আল্লাহর ওলী হয়ে যাবেন।

এ কারণেই নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু হুরায়রা রাদিঃ-কে বলেছিলেন,
يَا أَبَا هُرَيْرَةَ اتَّقِ الْمَحَارِمَ تَكُنْ أَعْبَدَ النَّاسِ
‘হে আবু হুরায়রা! তুমি হারাম থেকে বেঁচে থাকো, দুনিয়ার সমস্ত আবেদদেরকে ছাড়িয়ে যাবে।’

এক ব্যক্তি রাতভর ইবাদত করে, প্রতিদিন দশ পারা তিলাওয়াত করে, নফল রোযাও রাখে, দান-খয়রাতও করে; কিন্তু নজরের হিফাযত করেন না। মেয়েদের চক্রে পড়ে থাকে।
তার অবস্থা হলো ওই ব্যক্তির মতো; যে পেট্রোল পাম্প থেকে অনেক বেশি পেট্রোল নেয়; কিন্তু তার পেট্রোলের ট্যাংকিতে ফুটো আছে। যার কারণে সমস্ত পেট্রোল পড়ে যায়। ঠিক তার মতো এ ব্যক্তিও তাহাজ্জুদ, তিলাওয়াত, যিকির ও নফলের মাধ্যমে তার অন্তরের পাত্রে নূর ভরতে থাকে;
কিন্তু অন্য দিকে সে তার সেই পাত্রের নিচ থেকে বদনজরের ফুটো করে রেখেছে। যার কারণে তার সমস্ত নূর গড়িয়ে নিচে পড়ে যায়।

আমার অন্তরে আল্লাহ তাআলা এ কথা ঢেলে দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে সে-ই সবচেয়ে বড় আবেদ।
ওই ব্যক্তি নফল ইবাদত করছে কি করছে না, তা বিবেচ্য নয়। কেননা সে তো চব্বিশ ঘণ্টাই গুনাহ না করার ও আল্লাহকে অসন্তুষ্ট না করার ইবাদত করছে। নমুনা বলুন, একজন মানুষের পক্ষে কতক্ষণ ইবাদত করা সম্ভব? আট থেকে বড় জোর দশ ঘণ্টা। কিন্তু যে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট না করার ইবাদত করছে তার সঙ্গে মুকাবিলা করা কার পক্ষে সম্ভব?

© করাচীর হযরত হাকিম মুহাম্মাদ আখতার রহ:
[ করাচির হযরত এর রেঙ্গুন সফরে বই হতে লিখিত ]

নজর হেফাজতের নির্দেশ আল্লাহ ছেলে মেয়ে সবাইকেই দিয়েছেন। আমরা কি গুনাহ বর্জন ও নজর হেফাজতের দ্বারা আল্লাহওয়ালা হবার চেষ্টা করতে চাইনা?

Jumana Puspo

25/06/2026

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
(আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ)

বেশি বেশি দরুদ পাঠ করুন। দরূদ পাঠের ফযীলত সম্পর্কে ইমাম সাখাউই (রাহ.) বলেন,

"তা হচ্ছে সর্বাধিক বরকতপূর্ণ ও ফযীলতপূর্ণ আমল এবং দ্বীন ও দুনিয়ায় সর্বাধিক উপকারী আমল"।
[আল ক্বাউলুল বাদি, পৃ: ১০৯]

25/06/2026

আজ মাগরিব বা এশার নামাজে কোন সূরাগুলো পড়েছেন, একটু মনে করতে পারেন?
অধিকাংশেরই উত্তর হবে—সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস কিংবা কাফিরুন।

​বছরের পর বছর ধরে আমাদের নামাজগুলো একই ৪/৫টি সূরার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে নামাজে দাঁড়িয়ে মনোযোগ ধরে রাখা বা সেই স্পিরিচুয়াল কানেকশনটা পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। সালাতে নতুনত্ব আর অন্তরে প্রকৃত প্রশান্তি আনতে ৩০তম পারার সূরাগুলো মুখস্থ থাকা কতটা জরুরি, তা আমরা অনেকেই উপলব্ধি করি না।

​আপনার নামাজকে আরও জীবন্ত ও অর্থপূর্ণ করতে আত-তারতীল নিয়ে এসেছে ৬ মাসের "৩০তম পারা হিফজ কোর্স"। মাত্র ৬ মাসে ধাপে ধাপে আপনি পুরো জুয আম্মা মুখস্থ করে ফেলতে পারবেন। সামান্য কিছু সময় বিনিয়োগ করে আপনিও আপনার হৃদয়ে গেঁথে নিতে পারেন পবিত্র কুরআনের শেষ পারাটি।

📩 বিস্তারিত জানতে সরাসরি ইনবক্স করুন।

25/06/2026

তোমরা কুরআনের যথাযথ যত্ন নাও, তা হিফাযত ও সংরক্ষণ কর। ওই সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন, অবশ্যই উট তার রশি থেকে যেমন দ্রুত পালিয়ে যায় তার চেয়েও আরো তীব্র বেগে এ কুরআন চলে যায়। (অর্থাৎ কুরআনের প্রতি যত্নবান না হলে কুরআন স্মৃতি থেকে দ্রুত চলে যাবে।)”

বুখারী: ৫০৩৩; মুসলিম: ৭৯১

🔻আমাদের ৩০ তম পারা হিফয ও মাশক কোর্সে ভর্তি চলছে। বিস্তারিত জানতে কমেন্ট করুন অথবা ইনবক্স করুন।

25/06/2026

সকাল থেকে রাত—অফিস, ব্যবসা, পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারের ইঁদুরদৌড় চলতেই থাকে। দিনশেষে যখন আমরা বিছানায় যাই, মনটা কেমন যেন খালি খালি লাগে তাই না? এক অদ্ভুত শূন্যতা আর মানসিক ক্লান্তি ভর করে।

​অথচ এই ক্লান্তি দূর করার সবচেয়ে বড় উপায় হলো আল্লাহর কালামের সাথে সময় কাটানো। কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা যখন নিজে নিজে কুরআন তিলাওয়াত করতে যাই, ফ্লুয়েন্সির অভাবে বারবার আটকে আটকে যাই। সুন্দর সুর আসে না বলে বেশিক্ষণ পড়তে ভালো লাগে না। মন এদিক-ওদিক ছুটে যায়।

​আচ্ছা, কেমন হতো যদি সপ্তাহে ৪টি দিন মাত্র ৩০ মিনিটের জন্য আপনি এমন একজন মেন্টর বা উস্তাযের মুখোমুখি বসতেন, যিনি শুধু আপনার তিলাওয়াত সুন্দর করার পেছনে শ্রম দেবেন?

​‘আত তারতীল’-এর ওয়ান-টু-ওয়ান ‘মাশক্ব কোর্স’ ঠিক এই কাজটিই করে। এটি কোনো গদবাঁধা ক্লাস নয়, এটি আপনার তিলাওয়াতকে নিখুঁত করার একটা পার্সোনাল কেয়ার। উস্তায আপনার সাথে বসে প্রতিটি আয়াত ৫-৭ বার রিপিট করিয়ে আপনার জিহ্বায় সাবলীলতা এনে দেবেন। প্রতিদিনের প্রোগ্রেস মনিটর করা হবে, ফলে অল্প দিনেই আপনি নিজেই টের পাবেন দিনে দিনে আপনার তিলাওয়াত কতটা গভীর আর মিষ্টি হয়ে উঠছে। এরপর যখন আপনি একা একা তিলাওয়াত করবেন, দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাবে কিন্তু আপনার মন আর উঠতে চাবে না!

💠 পুরুষ ও মহিলা উভয়েই কোর্সটি করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

25/06/2026

সীরাতের মাজলিস মানেই হৃদয়ের এক প্রশান্তির মরূদ্যান। যেন সময়ের চাকা উল্টে সেই মদিনার পবিত্র আঙিনায় গিয়ে দাঁড়াই।
কী এক অদ্ভুত মায়া এই মজলিসে!

সীরাতের আলোচনা শুনতে শুনতে মনে হবে কখনো আপনি দাঁড়িয়ে আছেন সেই তায়েফের রক্তাক্ত প্রান্তরে, কখনো বা মাদিনার মসজিদে নববীর খেজুরগাছের খুঁটিতে হেলান দিয়ে।

আমরা কি অনুভব করতে পারি, সেই মদিনার পথে পথে যে ধূলিকণা ছিল, তাতে আজও হয়তো আমাদের প্রিয় নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া'সাল্লাম) পায়ের ছাপ লেগে আছে? কখনো কি মনে হয়, ইশ! এই যুগে কেন তিনি নেই? কিন্তু পরক্ষণেই এক গভীর উপলব্ধিতে হৃদয় ভরে যায়, তিনি আমাদের সঙ্গেই আছেন তাঁর সুন্নাহতে, তাঁর ভালোবাসায়, আর আমাদের হৃদয়ের গহীনে।

এমনি এক সুন্দর অনুভূতি পেতে আগামীকাল সন্ধ্যা ৭.৩০ এ উস্তাযা নিশাত আসনিম হাবিবা আপুর সীরাতের মাজলিশে উপস্থিত থাকতে হবে।

যুক্ত হতে পারবেন যেকোনো বয়সী বোনেরা (তারতীলের স্টুডেন্ট এবং নন-স্টুডেট)
পুরুষদের জন্য কড়াকড়িভাবে নিষিদ্ধ।

যুক্ত হতে চাইলে ' আগ্রহী ' লিখে কমেন্ট করুন।

25/06/2026

🌻কেন জুয-আম্মা দিয়েই শুরু করবেন?

জুয আম্মায় থাকা সূরাগুলো তুলনামূলক ছোট এবং সহজ। নতুনদের জন্য এই সূরাগুলো দ্রুত আয়ত্ত করা সহজ। হিফজের দীর্ঘ যাত্রায় জুয-আম্মা দিয়ে শুরু করা হতে পারে সহজ হাতেখড়ি।

এছাড়াও আমরা আমাদের প্রতিদিনের নামাজে ৩০তম পারার এই সূরাগুলোই সবচেয়ে বেশি পাঠ করি। তাই এই সূরাগুলোর সহীহ ও নির্ভুল তিলাওয়াত আমাদের ইবাদতকে করে তোলে আরও প্রশান্তিময়।

তাই বোনদের জন্য সহজ ও সুন্দর হিফজ যাত্রার সূচনা করতে আত-তারতীল আয়োজন করেছে "জুয-আম্মা হিফজ কোর্স"। অভিজ্ঞ হাফেজা উস্তাযার তত্তাবধানে সাবলীল ও সহজ পদ্ধতিতে হিফজ করতে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন।

বিস্তারিত জানতে কমেন্টবক্সে থাকা লিংকটি ভিজিট করুন অথবা সরাসরি ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka