03/08/2026
বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে একজন ছাত্র বা ছাত্রীর নিম্নোক্ত যোগ্যতাগুলো থাকতে হবে:
১. জাতীয়তা
অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. শিক্ষাগত যোগ্যতা
ষষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বাংলা, ইংরেজি বা মাদ্রাসা—যে মাধ্যমেই পড়ুক, সমমানের যোগ্যতা থাকতে হবে।
৩. বয়স
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত তারিখে (যেমন ২০২৬ সালের ভর্তির জন্য ১ জানুয়ারি ২০২৬) সর্বোচ্চ বয়স ১৩ বছর ৬ মাস হতে হবে।
৪. শারীরিক যোগ্যতা
ন্যূনতম উচ্চতা ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি (ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য)।
শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে। �
৫. দৃষ্টিশক্তি
সাধারণভাবে চশমা ছাড়া এক চোখে ৬/১২ এবং অন্য চোখে ৬/১৮ দৃষ্টিশক্তি থাকতে হয়।
চশমা ব্যবহার করলে দুই চোখে ৬/৬ দৃষ্টিশক্তি অর্জনযোগ্য হতে হবে।
৬. ভর্তি পরীক্ষার ধাপ
ভর্তি সাধারণত তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়:
লিখিত পরীক্ষা
মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা
স্বাস্থ্য (মেডিকেল) পরীক্ষা
৭. লিখিত পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর
মোট ৩০০ নম্বর:
ইংরেজি – ১০০
গণিত – ১০০
বাংলা – ৬০
বিজ্ঞান, ইতিহাস, সামাজিক বিজ্ঞান, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা – ৪০
৮. যেসব কারণে অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে
মেডিকেল পরীক্ষায় নিচের সমস্যাগুলো থাকলে ভর্তি বাতিল হতে পারে:
কালার ব্লাইন্ডনেস
ফ্ল্যাট ফুট
অতিরিক্ত ওজন
অ্যাজমা
হৃদ্রোগ
মৃগী
ডায়াবেটিস
যক্ষ্মা
হেপাটাইটিস
হেমোফিলিয়া
রাতকানা
বিছানায় প্রস্রাবের অভ্যাসসহ কিছু নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত সমসAlবাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়া অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করলেও সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। ভর্তি প্রক্রিয়াটি শুধু লিখিত পরীক্ষার ওপর নয়; শারীরিক সক্ষমতা, মৌখিক পরীক্ষা এবং মেডিকেল পরীক্ষার ওপরও নির্ভর করে।
১. শিক্ষাগত যোগ্যতা
অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
ষষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
ভর্তি হয় সপ্তম শ্রেণিতে।
২. বয়স
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত তারিখে (যেমন ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ১ জানুয়ারি ২০২৬) সর্বোচ্চ ১৩ বছর ৬ মাস হতে হবে।
৩. শারীরিক যোগ্যতা
উচ্চতা: ন্যূনতম ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি।
শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে।
নিয়মিত খেলাধুলা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের সক্ষমতা থাকতে হবে।
৪. মেডিকেল পরীক্ষায় যা দেখা হয়
দৃষ্টিশক্তি
শ্রবণশক্তি
হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস
দাঁত ও মাড়ি
মেরুদণ্ড ও হাড়ের গঠন
ফ্ল্যাট ফুট আছে কি না
রঙ শনাক্ত করার ক্ষমতা (Colour Vision)
দীর্ঘমেয়াদি বা গুরুতর রোগ আছে কি না
৫. লিখিত পরীক্ষা
মোট নম্বর ৩০০।
বিষয়
নম্বর
ইংরেজি
১০০
গণিত
১০০
বাংলা
৬০
বিজ্ঞান, ইতিহাস, সামাজিক বিজ্ঞান, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা
৪০
প্রশ্ন আসে এনসিটিবির ষষ্ঠ শ্রেণির সিলেবাস থেকে।
৬. মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় কী দেখা হয়?
আত্মবিশ্বাস
স্পষ্টভাবে কথা বলার দক্ষতা
সাধারণ জ্ঞান
উপস্থিত বুদ্ধি
শৃঙ্খলাবোধ
ভদ্র আচরণ
৭. আবেদন করতে যে কাগজপত্র লাগে
জন্মনিবন্ধন/জন্মসনদ
ষষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানে উত্তীর্ণের সনদ
পঞ্চম শ্রেণির সনদ (যেখানে প্রযোজ্য)
বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
আয়ের প্রত্যয়নপত্র
অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী)
৮. সফল হওয়ার জন্য প্রস্তুতি
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
প্রতিদিন সাধারণ জ্ঞান চর্চা করতে হবে।
আগের বছরের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে।
নিয়মিত মডেল টেস্ট দিতে হবে।
শারীরিক ব্যায়াম ও দৌড়ের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশে বর্তমানে ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে:
ছেলেদের জন্য: ৯টি ক্যাডেট কলেজ
মেয়েদের জন্য: ৩টি ক্যাডেট কলেজ
প্রতি বছর সপ্তম শ্রেণিতে মোট প্রায় ৬০০–৬৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। কলেজভেদে আসনসংখ্যা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
নিচে সাধারণভাবে প্রতি কলেজের আসনসংখ্যা দেওয়া হলো:
ক্যাডেট কলেজ
আসন (প্রায়)
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
৫০
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ
৫০
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ
৫০
রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ
৫০
রংপুর ক্যাডেট কলেজ
৫০
সিলেট ক্যাডেট কলেজ
৫০
কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ
৫০
পাবনা ক্যাডেট কলেজ
৫০
বরিশাল ক্যাডেট কলেজ
৫০
ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ
৫০
জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ
৫০
ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ
৫০
মোট আসন: প্রায় ৬০০টি (বছরভেদে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে)।
বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর সশস্ত্র বাহিনীর নির্ধারিত মেডিকেল বোর্ড স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। এই পরীক্ষায় শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রশিক্ষণের উপযোগী কি না তা যাচাই করা হয়। কোনো সমস্যা থাকলেই যে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে, তা নয়; তবে নিচের গুরুতর সমস্যাগুলো থাকলে সাধারণত অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।
১. চোখের সমস্যা
দৃষ্টিশক্তি নির্ধারিত মানের নিচে হওয়া
রঙ শনাক্ত করতে না পারা (Colour blindness)
গুরুতর স্কুইন্ট (চোখ ট্যারা)
গুরুতর চোখের রোগ
২. কান, নাক ও গলা
শ্রবণশক্তি কম থাকা
দীর্ঘমেয়াদি কানের সংক্রমণ
গুরুতর নাক বা গলার সমস্যা
৩. হৃদযন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্র
জন্মগত বা গুরুতর হৃদরোগ
অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ
দীর্ঘমেয়াদি বা গুরুতর হাঁপানি (Asthma)
দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ
৪. হাড় ও অস্থিসন্ধির সমস্যা
Flat Foot (পায়ের তলা সমতল)
গুরুতর Knock Knee (হাঁটু ভেতরের দিকে বেঁকে থাকা)
Bow Leg (পা বাঁকা)
মেরুদণ্ডের বক্রতা (Scoliosis/Kyphosis)
বড় ধরনের অস্থি বা জয়েন্টের বিকৃতি
৫. স্নায়বিক ও মানসিক সমস্যা
মৃগী (Epilepsy)
গুরুতর স্নায়বিক রোগ
গুরুতর মানসিক রোগ
৬. দীর্ঘমেয়াদি রোগ
ডায়াবেটিস
যক্ষ্মা (Tuberculosis)
হেপাটাইটিস বি বা সি (সক্রিয় সংক্রমণ)
কিডনির গুরুতর রোগ
দীর্ঘস্থায়ী লিভারের রোগ
রক্তক্ষরণজনিত রোগ (যেমন Hemophilia)
৭. অন্যান্য সমস্যা
বিছানায় প্রস্রাব করার অভ্যাস (Persistent bedwetting)
গুরুতর ত্বকের সংক্রামক রোগ
বড় হার্নিয়া
গুরুতর ভ্যারিকোস ভেইন
শারীরিকভাবে অতিরিক্ত দুর্বল বা প্রশিক্ষণ গ্রহণে অক্ষম হওয়া
ওজন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
অনেকেই মনে করেন ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য নির্দিষ্ট ওজন (যেমন ৩০ কেজি বা ৩৫ কেজি) বাধ্যতামূলক। বাস্তবে এমন কোনো একক নির্দিষ্ট ওজনের নিয়ম নেই। মেডিকেল বোর্ড শিক্ষার্থীর উচ্চতার সঙ্গে ওজনের সামঞ্জস্য (Height–Weight Proportion), সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং শারীরিক সক্ষমতা মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত দেয়
বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজে ভর্তির মেডিকেল পরীক্ষার জন্য উচ্চতা, ওজন, বুকের মাপ ইত্যাদির পূর্ণাঙ্গ সংখ্যাগত মানদণ্ড (যেমন উচ্চতা–ওজনের চার্ট, বুকের মাপের ন্যূনতম সীমা) প্রকাশ্যে প্রকাশ করা হয় না। এসব মানদণ্ড বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল বোর্ডের অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকা অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হয়। তাই নির্দিষ্ট সংখ্যা দাবি করা নির্ভুল হবে না।
তবে সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও প্রচলিত মূল্যায়নের ভিত্তিতে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়:
বিষয়
সাধারণ মানদণ্ড
উচ্চতা
ন্যূনতম ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি (১৪২ সেমি)
ওজন
উচ্চতা ও বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ (BMI/Height-Weight proportion) হতে হবে; অতিরিক্ত কম বা বেশি ওজন গ্রহণযোগ্য নয়।
বুকের মাপ
বয়স ও উচ্চতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং শ্বাস নেওয়ার সময় বুকের স্বাভাবিক প্রসারণ (Chest expansion) থাকতে হবে।
দৃষ্টিশক্তি
এক চোখে সাধারণত ৬/১২ এবং অন্য চোখে ৬/১৮ বা তার কাছাকাছি; চশমা ব্যবহার করলে ৬/৬ পর্যন্ত সংশোধনযোগ্য হতে হবে।
রঙ শনাক্তকরণ
Colour blindness থাকা যাবে না।
শ্রবণশক্তি
স্বাভাবিক হতে হবে।
দাঁত
গুরুতর দাঁতের সমস্যা বা চোয়ালের ত্রুটি থাকা যাবে না।
হাড় ও জয়েন্ট
Flat Foot, Knock Knee, Bow Leg, মেরুদণ্ড বাঁকা ইত্যাদি গুরুতর সমস্যা থাকা যাবে না।
হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস
স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে হবে; গুরুতর হৃদরোগ বা দীর্ঘমেয়াদি হাঁপানি থাকলে অযোগ্য হতে পারেন।
মানসিক স্বাস্থ্য
সামরিক প্রশিক্ষণের উপযোগী মানসিক সক্ষমতা থাকতে হবে।
যেসব কারণে অযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
উচ্চতার তুলনায় অতিরিক্ত কম বা বেশি ওজন
Flat Foot
Knock Knee
Colour Blindness
গুরুতর দৃষ্টিশক্তির সমস্যা
দীর্ঘমেয়াদি হাঁপানি (Asthma)
জন্মগত হৃদরোগ
মৃগী (Epilepsy)
ডায়াবেটিস
যক্ষ্মা (TB)
হেপাটাইটিস বি/সি (সক্রিয় সংক্রমণ)
কিডনি বা লিভারের গুরুতর রোগ
শারীরিক বিকৃতি বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের জটিলতা।
ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করতে কত টাকা লাগে?
অনেক অভিভাবক মনে করেন ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনার খরচ হয়তো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। কারণ ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন, উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেখে অনেকেই ভাবেন এখানে পড়াশোনা করতে অনেক টাকা লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হলো— বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয় তাদের অভিভাবকের মাসিক আয় অনুযায়ী।
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি-সংক্রান্ত খরচ: বিস্তারিত তথ্য
ভর্তি ফি:
ভর্তির সময় এককালীন একটি জামানত বাবদ ৫০,০০০ টাকা জমা দিতে হয়। এটি কলেজ কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত এবং ক্যাডেটের কলেজজীবন শেষ হলে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এই জামানতের অর্থ ফেরতযোগ্য।
অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ:
ভর্তির সময় শুধু জামানতই নয়, শিক্ষার্থীর প্রাথমিক প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, পোশাক, মেডিকেল পরীক্ষাসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক খরচও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
ইউনিফর্ম ও ড্রেস সামগ্রী
বইপত্র ও স্টেশনারি
বেডিং ও ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী
মেডিকেল চেকআপ ও রিপোর্ট
পরিচয়পত্র, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি খাত
এইসব আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ক্যাডেট কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়ার শুরুতে আনুমানিক ৮০,০০০ থেকে ৮৫,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
মাসিক বেতন (টিউশন ফি)
বর্তমানে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন সর্বনিম্ন ১,৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। তবে সর্বোচ্চ বেতন ২৮,৬০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে।
নিচে অভিভাবকের মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বেতনের বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো:
আয় ০–৮,০০০ টাকা: বেতন ১,৫০০ টাকা
আয় ৮,০০১–১০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ২,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৩,৮০০ টাকা
আয় ১০,০০১–১৪,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৩,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৫,৮০০ টাকা
আয় ১৪,০০১–১৮,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৬,৫০০ টাকা
আয় ১৮,০০১–২২,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,২০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৭,৫০০ টাকা
আয় ২২,০০১–২৬,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৮,০০০ টাকা
আয় ২৬,০০১–৩০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,৮০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৯,০০০ টাকা
আয় ৩০,০০১–৩৪,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৬,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১০,৫০০ টাকা
আয় ৩৪,০০১–৪০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৭,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১২,৫০০ টাকা
আয় ৪০,০০১–৪৬,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৭,৮০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১২,৮০০ টাকা
আয় ৪৬,০০১–৫২,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৩,০০০ টাকা
আয় ৫২,০০১–৬০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,২০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৩,৫০০ টাকা
আয় ৬০,০০১–৭০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৪,০০০ টাকা
আয় ৭০,০০১–৭৫,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,৮০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৫,০০০ টাকা
আয় ৭৫,০০১–৮০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১০,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৬,০০০ টাকা
আয় ৮০,০০১–৯০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১২,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৮,০০০ টাকা
আয় ৯০,০০১–১,০০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১২,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ২০,০০০ টাকা
আয় ১,০০,০০১–১,২০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১৫,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ২২,০০০ টাকা
এছাড়াও প্রতিটি ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীর পেছনে সরকার বার্ষিক প্রায় ৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয় করে থাকে।
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন ফি ২৫০০ টাকা। এই ফি বিকাশের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করা যায়।
বাংলাদেশে বর্তমানে ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে, যার মধ্যে ৯টি ছেলেদের এবং ৩টি মেয়েদের জন্য।
প্রতিবছর প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী (৪৫০ ছেলে ও ১৫০ মেয়ে) ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হয়।
শিক্ষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য পেতে পেজটি ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ
#ক্যাডেট_কলেজের_মাসিক_বেতন #ক্যাডেট_কলেজে_ভর্তি_ফি
#ক্যাডেট_কলেজে_লেখাপড়ায়_খরচ
#ক্যাডেট_কলেজ