Tahmid's Job Preparation

Tahmid's Job Preparation

Share

বিসিএস, প্রাইমারি শিক্ষক সহ সকল চাকরির প্রস্তুতির প্রিপারেশনের জন্য গাইডলাইন পাবেন এই গ্রুপে।

20/01/2022

♦️ আজ ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম কবি William Shakespeare এর বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবো।।

লেখকঃ William Shakespeare-
◾জন্মঃ ২৬শে এপ্রিল, ১৫৬৪ (ব্যাপ্টিজমের তারিখ, জন্মতারিখ অজ্ঞাত)।

◾মৃত্যুঃ ২৩শে এপ্রিল, ১৬১৬ (৫২ বছর) স্ট্র্যাটফোর্ড-আপঅন-অ্যাভন,ওয়ারউইকশায়ার, ইংল্যান্ড।

◾জন্মস্থানঃ Stratford-upon-Avon,Warwickshire, West Midlands, England.

◾তাকে ডাকা হতোঃ Bard of Avon.

◾তার সাহিত্য কর্মঃ-37 plays, 154 sonnets and 3 narrative poems.

◾নাটকগুলোর মধ্যেঃ কমেডি ১৬টি, ট্রাজেডি ৭টি, ঐতিহাসিক ১৪ টি।

◾তার বিখ্যাত ট্রাজেডিগুলো হলোঃ
▪️Hamlet
▪️Othello
▪️Macbeth
▪️King Lear
▪️Romeo and Juliet
▪️Troilus and Cressida
▪️Titus Andronicus.

♦️তার বিখ্যাত কমেডিগুলো হলোঃ
▪️The Tempest
▪️As You Like It
▪️Twelfth Night
▪️All’s Well that Ends Well
▪️Love’s Labour’s Lost
▪️The Merchant of Venice
▪️The Comedy of Errors
▪️Much Ado about Nothing
▪️A Mid Summer Night’s Dream
▪️Merry Wives of Windsor
▪️Two Gentlemen of Vere.

♦️বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলোঃ
▪️Julius Caeser
▪️Antony and Cleopatra
▪️Cariolanus
▪️King John
▪️Henry VII
▪️Henry V
▪️Richard II
▪️Richard III

◾তাঁর ৩টি Narrative(আখ্যান) কবিতা হলোঃ
▪️The R**e of Lucretia
▪️The Passionate Pilgrim
▪️Venus and Adonis.

◾তাঁর বিখ্যাত সনটগুলো হলোঃ
▪️Sonnet-18
▪️The Phoenix and the Turtle
▪️A Lover’s Complaint.

◾অন্যান্য তথ্যঃ
▪️ তাঁর সময়ে ইংল্যান্ডের রানী ছিলেন প্রথম এলিজাবেথ।
▪️ তিনি নাট্যাকার হিসেবে সুপরিচিত।
▪️ ষোড়শ শতাব্দীতে তিনি ছিলেন বিখ্যাত নাট্যকার।
▪️ তার রোমান্টিক নাটক tempest.
▪️তার The comedy of errors - অনুসারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর লেখেন 'ভ্রান্তি বিলাস'।
▪️ Marchant of Venice এ প্রধান দুইটি চরিত্র হলো Sjyloct and Antonio।
▪️তাঁর দাম্পত্যসঙ্গী--অ্যানি হ্যাথওয়ে (বি১৫৮২–১৬১৬)।
▪️ তাঁর সন্তান -সুসান হল,হ্যামনেট শেকসপিয়র,জুডিথ কুইনি।
▪️তাঁকে ইংল্যান্ডের "জাতীয় কবি" এবং "বার্ড অফ অ্যাভন" (অ্যাভনের চারণকবি) নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
▪️ মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি অ্যানি হ্যাথাওয়েকে বিবাহ করেন।

◾Quotation from Shakespeare:
▪️ Frailty, the name is woman! - Hamlet
▪️ But love is blind, and lovers cannot see. - The Marchant of Venice.
▪️ Cowards die many times before their deaths; The valiant never taste of death but once.- Julius Caser
▪️To be or not to be that is the question - Hamlet
▪️ Fair is foul and foul is fair. - Macbeth
▪️ All the perfumes of Arabia will not swweeten this little hand. - Macbeth
▪️ Whole world is the stage and every man & women is actor & Actress in this stage.- As you like it
▪️ I will die and never I will return. - Tempest.

#সংগৃহীত।।

11/01/2022

#প্রথম_আলো_থেকে # #
৭ ও ১০ জানুয়ারি ২০২২ ( শুক্রবার ও সোমবার)
২৩ ও ২৬ পৌষ, ১৪২৮ বাংলা
৩ ও ৬ জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরী
# #দেশ # #
১) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস – ১০ জানুয়ারি
২) মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেছিলেন -১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
৩) বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতির সংখ্যা – ৮ জন
৪) আপিল বিভাগে প্রথম নারী বিচারপতি ছিলেন – নাজমুন আরা সুলতানা
৫) আপিল বিভাগের ২য় ও ৩য় নারী বিচারপতি – জিনাত আরা ও কৃষ্ণা দেবনাথ ( নতুন নিয়োগ)
৬) বর্তমান প্রধান বিচারপতি – হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
৭) বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল – এ এম আমিন
৮) ভারত থেকে বঙ্গবন্ধু যে বিমানে স্বদেশে ফেরার কথা ছিল – রাজহংস ( ভারতের রাষ্ট্রপতির সরকারি বিমান)
৯) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন – ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে
১০) মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের যে কারাগারে বন্দী ছিলেন – মিয়ানওয়ালী ( ৯ মাস ১৪ দিন)
১১) বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন হয়ে ৯ জানুয়ারি ভারতের দিল্লিতে পৌঁছালে বিমানবন্দরে – ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।
১২) বঙ্গবন্ধুকে ঢাকা বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয়েছিল – ৩১ বার তোপধ্বনি দিয়ে
১৩) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন – ভি ভি গিরি
১৪) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন – ইন্দিরা গান্ধী
১৫) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন – ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে, রাষ্ট্রপতি – আবু সাঈদ চৌধুরী
১৬) বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর অবস্থিত – বিজয় সরনিতে, ঢাকা
১৭) সেনাবাহিনীর বর্তমান প্রধান – জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
১৮) বর্তমান নৌ প্রধান – অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল
১৯) বর্তমান বিমান প্রধান – এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান
# #আন্তর্জাতিক # #
২০) ইথিওপিয়ার ও ইরিত্রিয়া সীমান্তের একটি শহরের নাম – ডেডেবিট শহর
২১) মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম দেশ – কাজাখস্তান
২২) রাশিয়ার একটি বার্তা সংস্থা – স্পুতনিক
২৩) ইউক্রিনের রাজধানী – কিয়েভ
২৪) বর্তমান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী – অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
২৫) ইউক্রেন এর ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পথে বাঁধা – রাশিয়া
২৬) বেলজিয়ামের রাজধানী – ব্রাসেলস
২৭) আফগানিস্তানের রাজধানী – কাবুল
২৮) যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবনের নাম – ক্যাপিটল
২৯) কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী – আসকার মমিন
৩০) কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট – কাসিম জোমার্ট তোকায়েভ
৩১) রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোটের নাম – কালেকটিভ সিকিউরিটি ট্রিটি
# #সম্পাদকীয় # #
৩২) জমিদারি অধিগ্রহণ প্রজাস্বত্ব আইন পাস ও কার্যকর হয় – ১৯৫০ ও ১৯৫৬ সালে
৩৩) মীর জাফরের জন্মস্থান – ইরাক
৩৪) “ চন্দ্রকথা ও ঘেটপুত্র কমলা “ সিনেমা দুটি জমিদারি শানশওকত ভিত্তিক – হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত
# #বানিজ্য # #
৩৫)২০২১-২২ অর্থ বছরের বাজেট – ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
৩৬) বর্তমান জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার – ৫.২% ( এশিয়ার মধ্যে সবার উপরে)
৩৭) বর্তমানে জিডিপির আকার – ৩৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬০) কোটি টাকা
৩৮) বর্তমানে মাথাপিছু আয় – ২২৫৪ মা.ড
৩৯) বর্তমান রেমিট্যান্স আয় – ২৪.৮০ বিলিয়ন মা.ড
৪০) বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ – ৪৮.০৪ বিলিয়ন, মা.ড
৪১) বর্তমানে দেশের রপ্তানি আয় – ৪৫.৫ বিলিয়ন মা.ড
৪২) বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাংলাদেশ বিশ্বে – ২য় ( ১ম চীন, ৩য় ভিয়েতনাম)
৪৩) চাল ও সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে – ৩য়
৪৪) মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে – ২য় ও আলু উৎপাদনে – ৭ম
৪৫) বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার -২০% এর নিচে এবং অতি দারিদ্র্যের হার – ১০%
৪৬) বাংলাদেশের মোট সমুদ্র সীমা জয় – ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি
৪৭) পদ্মা সেতুর অগ্রগতি – ৯৬% ( ৩০ জুন ২০২২ সালে চলাচলের জন্য উম্মুত্তের সম্ভাব্য তারিখ)
৪৮) বর্তমানে গড় আয়ু – ৭৩.৬ বছর
৪৯) বর্তমানে শিশু মৃত্যুহার – ২১%
৫০) বর্তমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি – ১৪৩ টি।
# #সালমান_চৌধুরী_পিয়াস # #

07/09/2021

#সাম্প্রতিক_দর্পণ
বাংলাদেশ বিষয়াবলির হাইভোল্টেজ সাম্প্রতিক তথ্য
১.বাংলাদেশের মোট উপজেলা কতটি?

ক.৪৯৪টি
খ.৪৯৩টি
গ.৪৯৫টি√√
ঘ.৪৯৬টি

২.বর্তমানে বাংলাদেশে গ্যাসক্ষেত্র কতটি?

ক.২৭টি
খ.২৮টি√√
গ.২৯টি
ঘ.৩০টি

৩.বাংলাদেশের শীর্ষ আমদানি পণ্য কোনটি?

ক.তুলা√√
খ.তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস
গ.ডিজেল
ঘ.ফার্নেস অয়েল

৪.মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যা কত?

ক.৪৭জন
খ.৪৮জন
গ.৪৯জন√√
ঘ.৫০জন

৫.১৩তম সাফ ফুটবল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

ক.ভারত
খ.বাংলাদেশ
গ.মালদ্বীপ√√
ঘ.নেপাল

৬.বর্তমান দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কতটি?

ক.৩৭টি
খ.৩৮টি
গ.৩৯টি√√
ঘ.৪০টি

৭.বাংলাদেশে তফসিলিভুক্ত ব্যাংক কতটি?

ক.৫৮টি
খ.৫৯টি
গ.৬০টি
ঘ.৬১টি√√

৮.বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ কোথায় অবস্থিত?

ক.সুনামগঞ্জ√√
খ.বরগুনা
গ.নারায়ণগঞ্জ
ঘ.কৃড়িগ্রাম

৯.বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (UDC)প্রথম নারী প্রফেসর কে?

ক.ফারজানা ইসলাম
খ.সুফিয়া আহমদ
গ.ড.হাসিনা খান√√
ঘ.শাহলা খাতুন

১০.পদ্না সেতুর ৬.১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয় কবে?

ক.৫ ডিসেম্বর ২০২০
খ.৮ ডিসেম্বর ২০২০
গ.৯ ডিসেম্বর ২০২০
ঘ.১০ ডিসেম্বর ২০২০√√

১১.বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বর্তমান প্রধান কে?

ক.ইকবাল করিম ভূঁইয়া
খ.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ√√
গ.নুরউদ্দীন খান
ঘ.আবদুর মবীন

১২.বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর বর্তমান প্রধান কে?

ক.মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত
খ.মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম
গ.জামাল উদ্দিন আহমেদ
ঘ.শেখ আব্দুল হান্নান√√

১৩.বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক(GI)পণ্য কতটি?

ক.৭টি
খ.৭টি
গ.৯টি√√
ঘ.১০টি

১৪.বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট(BRRI)কতটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে?

ক.৯৮টি
খ.৯৯টি
গ.১০০টি√√
ঘ.১০১টি

১৫.দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে?

ক.২০২২ সালে
খ.২০২৩ সালে√√
গ.২০২৫ সালে
ঘ.২০২৭ সালে

১৬.ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা কবে অনুষ্ঠিত হবে?

ক.২৫-৩১ জুলাই ২০২১
খ.২৫-৩১ আগস্ট ২০২১
গ.২৫-৩১ অক্টোবর ২০২১√√
ঘ.২৫-৩১ ডিসেম্বর ২০২১

১৭.এ পর্যন্ত কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক পদে নিযুক্ত হয়েছেন?

ক.২৫ জন
খ.২৭ জন
গ.২৯ জন√√
ঘ.৩১ জন

১৮.GDP'র সাময়িক হিসাব—২০২০-২০২১ কত হবে?

ক.২,০৯৭ মার্কিন ডলার√√
খ.২,২২৭ মার্কিন ডলার
গ.২,৪৬২ মার্কন ডলার
ঘ.২,৪৯৯ মার্কিন ডলার

১৯.২৬ জুলাই ২০২১ NICAR-এর ১১৭তম বৈঠকে কোন উপজেলার অনুমোদন দেয়া হয়?

ক.ইদগাঁও,কক্সবাজার
খ.ডাসার,মাদারীপুর
গ.মধ্যনগর,সুনামগঞ্জ
ঘ.ওপরের সবগুলো√√

২০.বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?

ক.তিতাস,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
খ.রশিদপর,হবিগঞ্জ
গ.ছাতক,সুনামগঞ্জ
ঘ.জকিগঞ্জ,সিলেট√√
////
নোট সৌজন্য : শাহিন আলম স্যার

07/09/2021

ডেলটা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী ডেলটা প্ল্যান তথা ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ কে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছে সরকার। বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে আলোচিত ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।
ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। এই ছয়টি হলো ডেলটা প্ল্যান-এর ছয় স্তম্ভ।
এরইমধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ‘ডেলটা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’। ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেলটা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
গভর্ন্যান্স কাউন্সিল ও তহবিলের উৎসঃ
ডেলটা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, নৌমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্যকে এই কাউন্সিলের সদস্য সচিব করা হয়েছে।
ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।
এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি টাকায় ৩ হাজার ১৪৫ বিলিয়ন টাকারও বেশি। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলো কখনও একক আবার কখনও যৌথভাবে কাজ করছে।
জানা গেছে, সরকারের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার প্রধাম ধাপে অর্থাৎ আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য ৮০টি প্রকল্প ব্যায়ের অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে প্রতিবছর জাতীয় আয়ের ২ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে ২ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। বাকি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ব-দ্বীপ পরিকল্পনাটি তৈরিতে নেদারল্যান্ডস সরকার এরই মধ্যে ৮৭ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
এই মহাপরিকল্পনায় বাংলাদেশ ডেলটা তহবিল প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, তহবিলের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বাংলাদেশ সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, পরিবেশ এবং জলবায়ু সম্পর্কিত তহবিল, বিশেষ করে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব পিপিপি পদ্ধতিকে বিবেচনা করা হয়েছে।
অর্থায়নের ক্ষেত্রে ‘কস্ট রিকভারি’র জন্য ক্রমান্বয়ে বেনিফিশিয়ারি পে প্রিন্সিপাল নীতি অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বড় শহরগুলোতে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ (ওএন্ডএম) ব্যয় আদায়ের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা কার্যকর করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে এবং তা পর্যায়ক্রমে অনান্য ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়েছে।সরকারের শতবর্ষী ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয় থেকে রক্ষার কৌশল খুঁজে বের করাকে। এরপর রয়েছে পানির নিরাপত্তা। এ ছাড়া টেকসই নদী-অঞ্চল, জলাভূমি সংরক্ষণ, আন্তঃদেশীয় নদীর পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কথাও বলা হয়েছে ডেলটা পরিকল্পনায়।
হটস্পট ও সমস্যাঃ
ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে গাজীপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও শেরপুর; এই জেলাগুলো সমুদ্র ও প্রবহমান নদী থেকে অবস্থানগত দূরত্বের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিমুক্ত।
বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ জেলা ১৮টি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন উপকূলীয় জেলা ১৯টি। হাওর ও আকস্মিক বন্যাকবলিত জেলা সাতটি। নদী অঞ্চল ও মোহনাবেষ্টিত জেলা ২৯টি। নগর এলাকা সাতটি এবং পার্বত্য জেলা তিনটি। সরকার চাইলে ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকা ধরে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে।
চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ছয়টি হটস্পট। যেগুলো মূলত পানি ও জলবায়ু উদ্ভুত অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল। এগুলো হচ্ছে-২৭ হাজার ৭৩৮ বর্গ কিলোমিটারের উপকূলীয় অঞ্চল। ২২ হাজার ৮৪৮ বর্গ কিলোমিটারের বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল। ১৬ হাজার ৫৭৪ বর্গ কিলোমিটারের হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল। ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কিলোমিটারজুড়ে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। ৩৫ হাজার ২০৪ বর্গ কিলোমিটারের নদী অঞ্চল এবং মোহনা এবং ১৯ হাজার ৮২৩ বর্গ কিলোমিটারের নগরাঞ্চল।
পরিকল্পনায় হটস্পট-ভিত্তিক সমস্যাগুলো আলাদা করে তুলে ধরা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে-ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা। নদী ও উপকূলীয় এলাকায়- ভাঙন, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া। বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ এলাকার সমস্যা-স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা, পরিবেশের অবনমন। হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের সমস্যাগুলো হচ্ছে- স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, আকস্মিক বা মৌসুমি বন্যা, জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত নিস্কাশন, অপর্যাপ্ত পানি ও পয়ঃনিস্কাশন। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমস্যাগুলো হচ্ছে- স্বাদু পানির স্বল্পতা, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা ও ক্রমহ্রাসমান জীববৈচিত্র সংরক্ষণ। নদী অঞ্চল ও মোহনার সমস্যা-বন্যা, পরিবেশের অবনমন, পানিদূষণ, পলিব্যবস্থাপনা ও নৌ-পরিবহন, নদীগর্ভের পরিবর্তন, ভাঙন ও নতুন চর জেগে ওঠা। এর মধ্যে যমুনায় ভাঙন ১৭৭০ হেক্টর, পদ্মায় ভাঙন ১২৯৮ হেক্টর, মেঘনার অববাহিকায় ২৯০০ হেক্টর।
১৯৭৩ থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ নতুন চর জেগে উঠেছে মোট ৫২ হাজার ৩১৩ হেক্টর জমি। এ ছাড়া নগরাঞ্চলের সমস্যা হচ্ছে-অপর্যাপ্ত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, স্বাদু পানির পর্যাপ্ততা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। মহাপরিকল্পনায় প্রত্যেকটি হটস্পটেই পরিবেশের অবনমনকে সাধারণ সমস্যা হিসেবে ধরা হয়েছে।
মিশন ও লক্ষ্যঃ
সরকারের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার রূপকল্প, মিশন ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এই পরিকল্পনার রূপকল্প হচ্ছে-নিরাপদ, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিঘাতসহিষ্ণু সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ে তোলা। মহাপরিকল্পনার মিশন হচ্ছে- দৃঢ়, সমন্বিত ও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনশীল কার্যকরী কৌশল অবলম্বন, এবং পানি ব্যবস্থাপনা ন্যায়সঙ্গত করা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত এবং অন্যান্য ব-দ্বীপ সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা করে দীর্ঘমেয়াদী পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
পরিকল্পনায় জাতীয় পর্যায়ের লক্ষ্যগুলো হচ্ছে-
১। ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ।
২। ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যদা অর্জন এবং
৩। ২০৪০ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।
‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-এর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য হচ্ছে ৬টি। এগুলো হলো-
১। বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২। পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা ও নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা।
৩। সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
৪। জলবায়ু এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং সেগুলোর যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা।
৫। অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও সুশাসন গড়ে তোলা এবং
৬। ভূমি ও পানিসম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।
পাঁচ বছর পর পর হালনাগাদঃ
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের মূল কারিগর পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) শামসুল আলম জানিয়েছেন, ‘কয়েক ধাপে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়ন করা হবে। ২০৩১ সাল নাগাদ থাকবে প্রথম ধাপ। ২০৩১ থেকে ২০৫০ সাল নাগাদ পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ, এবং এরপর তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২১০০ সাল।’
পরিকল্পনা কমিশন পাঁচ বছর পর পর পুরো ব-দ্বীপ পরিকল্পনার তথ্য হালনাগাদ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শামসুল আলম জানিয়েছেন, ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কত টাকা খরচ হতে পারে, তারও একটি ধারণা দিয়েছে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ। এই মোতাবেক কাজ এগিয়ে নিলেই শতবর্ষী এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অসম্ভব নয়।

© ৪মে, ২০২১
Bangla Tribune

30/08/2021

★ প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান (অর্থনীতি স্পেশাল)

★ আজ ৩৫তম পর্ব। আশা করি নিয়মিত পাবেন।

১. GDP এর সাময়িক হিসাব ২০২০-২০২১ অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপি - ২,০৯৭ মার্কিন ডলার (তবে বর্তমান মাথাপিছু আয় -২,২২৭ মার্কিন ডলার) GDP'র প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৪৭%।

২. GDP'র হিসাব অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান - ১৩.৪৭%, শিল্পখাতের অবদান - ৩৪.৯৯%, সেবাখাতের অবদান - ৫১.৫৩%।

৩. বিশ্বে আমদানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র এবং রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - চীন।

৪. পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - চীন, একক দেশ হিসেবে পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়। অন্যদিকে, একক দেশ হিসেবে পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।

৫. একক দেশ হিসেবে বস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - চীন, একক দেশ হিসেবে বস্ত্র রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ৬ষ্ঠ। অন্যদিকে, একক দেশ হিসেবে বস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।

৬. বর্তমান দেশে মোট ব্যাংক(তফসিলী) - ৬১টি, রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি, বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি, বৈদেশিক ব্যাংক - ৯টি, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান - ৩৫টি(সর্বশেষ স্ট্রাটেজিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিঃ)। ইসলামি শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক ১১ টি(সর্বশেষ যমুনা ব্যাংক লিঃ) এবং অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৫টি।

৭. বাংলাদেশ থেকে একক দেশ হিসেবে আমদানির শীর্ষে - যুক্তরাষ্ট্র, ২য়- জার্মানি, ৩য়- যুক্তরাজ্য, ৪র্থ - ফ্রান্স।

৮. বাংলাদেশে রপ্তানির শীর্ষ দেশ - চীন, ২য়- ভারত, ৩য়- যুক্তরাষ্ট্র।

৯. বাংলাদেশকে একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ সাহায্যকারী দেশ - জাপান এবং সর্বোচ্চ সাহায্যকারী সংস্থা - IDA।

১০. দেশে বীমা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। মোট রাষ্ট্রয়ত্ত বীমা দুইটি - জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। দেশে মোট বীমা কোম্পানি ৮১টি (জীবন বীমা - ৩৫টি, সাধারণ বীমা - ৪৬টি)। এদের মধ্যে বিদেশি বীমা কোম্পানি - ২টি।

১১. ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার - ৭.২% এবং মুদ্রাস্ফীতি - ৫.৩%। ADP নির্ধারণ করা হয়েছে - ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট বাজেট - ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

১২. বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে মুদ্রানীতি ঘোষণা করে - ০১ বার। বর্তমান ব্যাংক রেট - ৪%।

১৩. বর্তমান দেশে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ - ৪৮.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

১৪. বিশ্বে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ - ভারত। বাংলাদেশের অবস্থান - ৭ম। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে সৈদি আরব থেকে।

১৫. সরকারি নোটে স্বাক্ষর করেন- অর্থসচিব (৩টি- ১,২,৫ টাকার নোট)। ব্যাংক নোটে স্বাক্ষর করেন - গভর্ণর (ব্যাংক নোট -৭ টি, সর্বশেষ ব্যাংক নোট - ২০০ টাকার যা ১৮ মার্চ, ২০২০ থেকে বাজারে প্রচলিত)

১৬. বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় - ১৯৯১ সালে। জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতি - ৩টি। জাতীয় আয় পরিমাপের জন্য জিডিপির খাত - ১৫টি।

১৭. বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক - ব্যাংক অব সুইডেন। ২য় - ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক - বাংলাদেশ ব্যাংক (১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে কার্যকর।) বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা - ১০টি।(প্রতিষ্ঠাকালীন ছিলো ৬টি)

১৮. বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর - ফজলে কবির (১১তম)। প্রথম গভর্নর - এ এনএম হামিদুল্লাহ। গভর্নরের মেয়াদ - ৪ বছর। অবসরের বয়স - ৬৭ বছর।

১৯. বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত এবং সর্বশেষ পরিকল্পনার মেয়াদ - ২০২১ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত।

২০. সংবিধানে 'অর্থবিল' সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ - ৮১নং অনুচ্ছেদ। সংবিধানে সরাসরি বাজেট শব্দটি উল্লেখ না থাকলেও 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'র কথা উল্লেখ আছে - ৮৭নং অনুচ্ছেদে।

সংকলনেঃ গোলাম মোর্শেদ

16/08/2021

NSI পরিচিতি
NSI কী? কী ধরনের প্রতিষ্ঠান? এর motto কী? সাংগঠনিক কাঠামো কী ধরনের? এর প্রধান কে? তার মর্যাদা কী? সহকারী পরিচালকের মর্যাদা কার সমান? এই প্রতিষ্ঠানের কাজ কী? কোন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কী আছে? আবেদন করার যোগ্যতা কী? প্রিলি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরণ কেমন?

NSI পরিচিতি
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (National Security Intelligence) সাধারণত এনএসআই (NSI) নামে পরিচিত। এনএসআই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।

আমেরিকার CIA ( Central Intelligence Agency), ভারতের RAW (Research and Analysis Wing), পাকিস্তানের ISI(Inter-Services Intelligence) এর মতো NSI ( National Security Intelligence) হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর প্রধান, জাতীয়, বেসামরিক, স্বাধীন ও আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা স্বাধীন এবং বিশ্বমানের গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং এর কর্ম পরিধিও ব্যপক। বিশ্বজুড়ে ১৯টি দেশে ৩৭টি শাখা অফিসের মাধ্যমে বৈদেশিক গোয়েন্দাবৃত্তির মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের কার্যক্রম চলছে।

NSI এর প্রধান কার্যালয়ঃ
এর প্রধান কার্যালয় সেগুনবাগিচা, ঢাকা-তে অবস্থিত। ১৯৭২ সালের ২৯শে ডিসেম্বর কেবিনেট মিটিং-এ একটি রেজুলেশনের মাধ্যমে ‘জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। MENs এটি মূলত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি কর্তৃত্বে পরিচালিত হয়। এটি স্বাধীন বেসামরিক গোয়েন্দা এজেন্সি।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়, সর্বেোচ্চ এবং একমাত্র স্বাধীণ গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে এ সংস্থার প্রধান কাজ হলো দেশি-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা, বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠি, পলিটিকাল পার্টি ,ধর্মীয়, সামাজিক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান/গোষ্ঠি এবং সন্ত্রাসী সংগঠন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ পূর্বক গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সরকারকে বিভিন্ন বিষয়ে উপদেশ প্রদান ও দেশের জন্য পতি-গোয়েন্দা(Counter-Intelligence against foreign Intelligence Agencies) কার্যক্রম গ্রহণ করা।

এনএসআই সরাসরি বাংলদেশের প্রধানমন্ত্রী তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় বিধায় অন্য কোন সরকারী সংস্থা এ সংস্থার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে না। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এ সংস্থার কার্যক্রম দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তার মাধ্যমে সরকার বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশণা পাওয়ায় সরকারের সাফল্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

NSI এর Motto:
NSI এর নীতিবাক্য (Motto) হলো Watch and Listen for the Nation,To protect National security.

গঠন
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি অধিদপ্তর হলেও এসংস্থার মহাপরিচালক/Director General(D.G) এর পদমর্যাদা বাংলাদেশ সরকারের সচিব সমমান।

Director General প্রতিষ্ঠালগ্ন হতেই ম্যাজেট্রেসি ক্ষমতাসহ গ্রেফতারি(পুলিশি) ক্ষমতা প্রাপ্ত। এবং তাঁর এ ক্ষমতা লিখিত আদেশের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের প্রদান করতে পারেন।

সাংগঠনিক কাঠামো
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা’র সাংগঠনিক কাঠামো ব্যাপক এবং বিশাল। এ সংস্থা বর্তমানে আটটি উইংয়ের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যেমনঃ

১) বহিঃ উইং (The Directorate of external),

২) সীমান্ত উইং (The Directorate of Border),

৩) অভ্যন্তরীণ উইং (The Directorate of Internal),

৪) নিরাপত্তা উইং (The Directorate of Security), বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের জন্য প্রয়োজনিয় কার্যক্রম গ্রহণ এবং সরকার ঘোষিত ভিভিআইপি-দের নিরাপত্তা প্রদান।

৫) প্রশাসন উইং (The Directorate of Administration), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা’র জনবল ব্যবস্থাপণা এবং গোয়েন্দাবৃত্তি কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনিয় লজিস্টিক সার্পোট প্রদান।

৬) প্রশিক্ষণ উইং (The Directorate of Training), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা’র জনবলের সঠিক প্রশিক্ষণ প্রদান, মানোন্নয়ন এবং সরকারী বিভিন্ন সংস্থাকে গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ।

৭) নগর অভ্যঃ উইং (The Directorate of City
Internal), বাংলাদেশের মহানগরীসমূহে গোয়েন্দাবৃত্তি এবং পতি-গোয়েন্দাবৃত্তি কার্যক্রম। আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনিয় কার্যrক্রম গ্রহণ করা।

৮) কাউন্টার টেরোরিজম উইং (The Directorate of Counter Terrorism), টেরোরিস্টদের কার্যক্রম প্রতিরোধের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং কৈদেশিক জন্য এবং প্রয়োজনিয় কার্যrক্রম গ্রহণ করা। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা’র সবচেয়ে বড় এবং বৃস্তিত উইং এটি এবং এর কার্য-পরিধি ব্যপক ও বিশাল।

মর্যাদার পদক্রমঃ
Director General (সচিব সমমান)
Director (অতিরিক্ত সচিব)
Additional Director (যুগ্ম-সচিব)
Joint Director (উপ-সচিব)
Deputy Director (সিনঃ সহকারী সচিব)
Assistant Director (সহকারী সচিব)
Field Officer
Junior Field Officer (JFO)
Watcher Constable (WC)
Armed Constable (AC)

NSI এর কাজ:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাটি দেশের বাইরের বিভিন্ন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের,স্থানের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নে কার্যক্রম পরিচালনা করা;

- রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অখন্ডতা, জঙ্গি তৎপরতা,বাইরের দেশের হুমকির বিষয়গুলি দেশের ভিতরে ট্যাকল দিয়ে গোয়েন্দা তথ্য জোগাড় করে বিশ্লেষণ করা, প্রয়োজন অনুসারে সরকারকে জানানো;

- সরকারী চাকুরীজীবীদের উপর নজর রাখা;

- যুদ্ধ কৌশল সংক্রান্ত ব্যাপারে সামরিক বাহিনীকে পরামর্শ দেয়া ইত্যাদি;

- রাষ্ট্রপতির বিশেষ অনুরোধে সেনাবাহিনী বা অন্যান্য সামরিক, আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় এবং NSI অফিসারদের মধ্য থেকে বাছাই করে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মাধ্যমে Clandestine Operation বা Covert Operation চালানো।

NSI এর প্রশিক্ষণ:
বাহিনীতে চুড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথমে মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হয়।সাধারণত গোপনীয়তা বজায় রেখে প্রশিক্ষণ হয়।চৌকশ এই গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের দেশে এবং দেশের বাইরে অনেক উচ্চতর ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ হয়। তবে সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, বিমান বাহিনী, ডিজিএফআই’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রশিক্ষণ হয়, তাদের নিজস্ব ফ্যাসিলিটিতে।

NSI Institute:
বর্তমানে ঢাকার ঢাকার ধামরাইয়ে ৯.৫৬ একর জমির উপর জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মান করা হচ্ছে, যেখানে এনএসআই সদস্যদের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যদেরকেও নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দিতে পারবে।

NSI এ আবেদন করার যোগ্যতা:
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত পদগুলোতে আবেদনের জন্য পদমর্যাদা অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়। NSI তে সহকারী পরিচালক পদে ৯ম শ্রেণির বেতনকাঠামোতে ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে স্নাতক ডিগ্রীধারীরা যোগ দিতে পারে।

NSI এর বেতন কাঠামো:
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বাহিনীতে সম্মান এবং দুঃসাহসিক ক্যারিয়ারের পাশাপাশি সদস্যরা সরকারের জাতীয় বেতন স্কেলে বেতন-ভাতাদি পেয়ে থাকেন। তবে যারা NSI তে চাকরি করে,অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তুলনায় বেশি হারে ভাতা পেয়ে থাকেন। ঝুকিপুর্ন কাজে অংশগ্রহণ করতে হয় বলে বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে এই বিশেষ ভাতা প্রদান করে থাকে।

NSI এর পরীক্ষা পদ্ধতি:
চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হতে প্রার্থীকে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং ভাইভা তিন ধাপে পরীক্ষা দিতে হয়। প্রিলিমিনারি ১০০ মার্কস এঁর হয়ে থাকে। ২০১৭ সালের প্রিলি পরিক্ষায়ঃ
(a) Bangla - 20 Marks
(b) English - 20 Marks
(c) ICT - 10 Marks
(d) Mathematics - 15
(e) G. Knowledge - 35

মিলিয়ে সর্বমোট ১০০ মার্কস এর ১০০টি এমসিকিউ থাকলেও ২০১৫ সালে বিজ্ঞান থেকে ৫ মার্কস ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ৪৫ মার্কস এসেছিল যেখানে অংক থেকে ২০ মার্কস ছিল। এছাড়া বাংলা থেকে ১০ মার্কস, ইংরেজি থেকে ১০ মার্কস এঁর পাশাপাশি আইসিটি তে ১০ মার্কস ছিল।

লিখিত পরীক্ষা সাধারণত ১০০ মার্কের হয় এবং প্রিলির ফলাফল ঘোষণার পর ৩-৪ দিন পর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে, NSI এবার "চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য বাছাই প্রক্রিয়াসমূহ অন্য সকল নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন এবং নিরুপম হতে যাচ্ছে" মর্মে যেহেতু ঘোষণা দিয়েছে, সেহেতু, সাধু সাবধান ! যেকোনো প্রক্রিয়ায় সিলেকশন হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। NSI Agent রা যেকোনো পরিস্থিতির জন্যই তো আসলে প্রস্তুত থাকে।

05/08/2021

বিসিএস লিখিত
বিষয়: বাংলা (পার্ট: সাহিত্য, মার্ক: ৩০, ১৫ কমন)
==================================
আজ ১০ ম থেকে ৩৭ তম বিসিএস লিখিত বাংলা পরীক্ষার সকল প্রশ্ন উত্তর সহ দিয়ে দিলাম।

১। বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্যের নাম কী? [১০, ১৫, ২০, ২২, ৩৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
২। কাহ্নপা কে ছিলেন? [১০, ১২ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কাহ্নপা চর্যাপদের একজন প্রধান কবি। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা ১৩ টি।
৩। বাংলা ভাষার পূর্ববর্তী স্থরের নাম কী? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ অপভ্রংশ।
৪। দৌলত উজির বাহরাম খানের কাব্যের নাম কী? [১০, ১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ লাইলী – মজনু।
৫। ’ইউসুফ – জোলেখা’ কাব্যের রচয়িতা কে? [১০, ১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শাহ মুহাম্মদ সগীর।
৬। আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্যের নাম কী? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ পদ্মাবতী।
৭। লালন শাহ কী রচনা করেছেন? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ লালনগীতি (বাউলগান)।
৮। মধুসূদন দত্তের মহাকাব্যের নাম কী? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মেঘনাদবধ কাব্য।
৯। রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ কাব্য প্রথম কোন সালে প্রকাশিত হয়? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ১৩২২ সালে।
১০। কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা কোন কাব্যের অন্তর্গত? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’অগ্নিবীনা’ (১৯২২)।
১১। ’ধূসর পাণ্ডলিপি’ কার রচনা? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস।
১২। ‘লালসালু’র লেখক কে? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
১৩। জহির রায়হানের জনপ্রিয় উপন্যাস কোনটি? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আরেক ফাল্গুন।
১৪। প্রথম কোন মহিলা কবি রামায়ণ রচনা করেন? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ চন্দ্রাবতী।
১৫। ‘অন্নদামঙ্গল’ কার রচনা? [১১, ২০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।
১৫। ‘গোরক্ষ বিজয়’ এর আদি কবির নাম কী? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শেখ ফয়জুল্লাহ।
১৬। ‘মধুমালতী’ কাব্যের অনুবাদক কে? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মুহম্মদ কবীর।
১৭। ’মধুমালতী’ কাব্য কোন ভাষা থেকে অনূদিত হয়েছে? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ হিন্দি।
১৮। ঈশ্বরগুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? [১১, ১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ’সংবাদ প্রভাকর’ (১৮৩১)।
১৯। ‘প্রফুল্ল’ নাটকটি কে রচনা করেছেন? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ গিরশিচন্দ্র ঘোষ।
২০। ’কল্লোল’ পত্রিকা কোন সালে প্রকাশিত হয়? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯২৩ সালে।
২১। ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম কী? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
২২। আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’র লেখক কে?[১১, ৩১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মীর মোশাররফ হোসেন।
২৩। আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘রাত্রিশেষ’।
২৪। ‘নেমেসিস’ নাটকটির রচয়িতা কে? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ নূরুল মোমেন।
২৫। ‘নদীবক্ষে’ কার রচনা? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কাজী আব্দুল ওয়াদুদ।
২৬। ‘সমকাল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী? [১১, ২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃসিকান্দার আবু জাফর।
২৭। ‘অমর একুশে’ এর কবির নাম কী? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আলাউদ্দীন আল আজাদ।
২৮। ’ধনধ্যান্যে পুষ্পেভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ এই লাইনাটর রচয়িতা কে? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
২৯। জয়দেব রচিত সংস্কৃত কাব্যেগ্রন্থের নাম কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ গীতগোবিন্দ।
৩০। আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কোন কবি অনুবাদ করেন? কোন কাব্যে থেকে? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মালিক মুহম্মদ জায়সীর। ’পদুমাবৎ’ কাব্য থেকে।
৩১। ভারতচন্দ্র কোন রাজসভার কবি ছিলেন? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজসভার কবি।
৩২। ফকির গরীবুল্লাহ রচিত দু’টি গ্রন্থের নাম কী কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘আমির হামজা’(১ম অংশ) ও জঙ্গনামা।
৩৩। মুসলমান সম্পাদকের সম্পাদনায় প্রথম কোন পত্রিকা সম্পাদিত হয়? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘সমাচার সভারাজেন্দ্র (১৮৩১), সম্পাদক- শেখ আলীমুল্লাহ।
৩৪। ’সধবার একাদশী’ প্রহসনটি কার লেখা? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দীনবন্ধু মিত্র।
৩৫। শেক্সপীয়রের কোন নাটকটি বিদ্যাসাগর অনুবাদ করেন? [১৩, ২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’কমেডি অব এররস’। অনূদিত নাম : ‘ভ্রান্তি বিলাস’।
৩৬। ’নৌফেল ও হাতেম’ কাব্যনাট্যটির রচয়িতার নাম কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃফররুখ আহমদ।
৩৭। ‘চাঁদের আমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৩৮। বাংলাদেশের দু’জন অকালপ্রয়ত বিশিষ্ট কবির নাম কী কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও হুমায়ুন কবির।
৩৯। ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই’ এটি কোন কবির বাণী? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দ্বিজ চণ্ডীদাসের।
৪০। কৃত্তিবাস কোন কাব্যের জন্য বিখ্যাত? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রামায়ণের অনুবাদের জন্য বিখ্যাত।
৪১। বিজয়গুপ্ত কোন কাব্যের রচয়িতা? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মনসামঙ্গল কাব্য (১৪৯৪)।
৪২। বিজয়গুপ্ত কোথায় জন্মগ্রহন করেন? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বরিশালের গৈলা নামক গ্রামে।
৪৩। বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণবিদ কে? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মানোএল দা আস্সুম্পসাওঁ। পর্তুগালের এক পাদ্রি।
৪৪। বাংলা গদ্যের জনক কে? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
৪৫। কারবালার কাহিনী নিয়ে কে গ্রন্থ রচনা করেন? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মীর মশাররফ হোসেন। ’বিষাদ সিন্ধু’।
৪৬। ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকের রচয়িতা কে? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মাইকেল মধসূদন দত্ত। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি।
৪৭। ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃকাজী নজরুল ইসলাম।
৪৮। বাংলাদেশের সাহিত্যে (১৯৪৭- বর্তমান) প্রথম উল্লেখযোগ্য উপন্যাস কোনটি? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘লালসালু’। রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।
৪৯। ‘কবর’ নাটকটি কোন ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে রচিত? নাট্যকার কে [১৫,২০,২৩,২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ভাষা আন্দোলন। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী।
৫০। একুশের প্রথম সংকলন এবং ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ : দলিলপত্র’ কে রচনা করেন? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
৫১। বাংলা কাব্যের আদি নিদর্শন কী? [১৭, ২০, ২১, ২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘চর্যাপদ’।
৫২। ‘চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কে? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। (রচনাকাল ষোড়শ শতক)।
৫৩। মনসুর বয়াতি কে? তার রচিত কাব্যের নাম কী? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মৈমনসিংহ গীতিকার অন্যতম কবি। রচিত কাব্য ’দেওয়ানা মদিনা’।
৫৪। ‘যুগসন্ধির কবি কাকে বলে? [১৭, ৩১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে।
৫৫। মধ্যযুগের কোন কাব্য প্রথমে এক কবি শুরু করেন পরে অন্য এক কবি শেষ করেন? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ’সতীময়না-লোচন্দ্রানী’। (দৌলত কাজী শুরু করেন আলাওল শেষ করেন)।
৫৬। ’তোহফা’ ক্ব্যটি কে রচনা করেন?[১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আলাওল। ফরাসি ভাসা থেকে অনূদিত।
৫৭। ‘প্রাচীন বঙ্গ সাহিত্যে মুসলমানদের অবদান’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ।
৫৮। ’ভানুসিংহ’ কার ছদ্মনাম? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।
৫৯। ফররুখ আহমদ রচিত সনেট গ্রন্থের নাম কী? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তর ‘মহূর্তের কবিতা’ (১৯৬৩)।
৬০। প্রাচীন যুগে রচিত বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন কোন কোন নামে পরিচিত? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’,’চর্যাগীত
িকোষ’, ‘চর্যাগীতিকা’, ’চর্যাপদ’, হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ ইত্যাদি।
৬১। ‘ইউসুফ-জোলেখা’ ও ‘লাইলী-মজনু’ কাব্যের উপাখ্যানসমূহ কোন দেশের? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’ইউসুফ-জোলেখা’ আরবের, ’লাইলী-মজন’ ইরান।
৬২। ’রামায়ণ’ ও ’মহাভারত’ কাব্যের মূল রচয়িতাদের নাম কী? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকি এবং মহাভারতের রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস।
৬৩। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ এর মধ্যে বাংলা ভাষা আন্দোলনের উপর কোন গ্রন্থ রচিত হয়? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি’। গ্রন্থকারঃ বদরুদ্দীন ওমর।
৬৪। কবিগান বলতে কী বোঝায়? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কবিতা বা গানের বিতর্ক।
৬৫। কবি গোলাম মোস্তফার তিনটি গ্রন্থের নাম কী কী? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বিশ্বনবী’, ’রক্তরাগ’ ও ‘মরুদুলাল’।
৬৬। ঈশ্বরচন্দ্রের বিধবা বিবাহ বিষয়ক গ্রন্থটির নাম কী? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বিধবা বিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’।
৬৭। ‘কাশবনের কন্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শামসুদ্দীন আবুল কালাম।
৬৮। বাংলা কথ্যরীতিতে প্রথম গ্রন্থ রচনা করেন কে? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর। গ্রন্থের নাম : ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
৬৯। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন প্রতিষ্ঠিত হয়? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৮ মে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে।
৭০। ’তাপস কাহিনী’ ও ‘মহর্ষি মনসুর’ প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতার নাম কী? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মোজাম্মেল হক।
৭১। জীবনানন্দ দাসের তিনটি কাব্যগ্রন্থের নাম কী কী? [২০, ২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি ও বনলতা সেন।
৭২। ’হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটির রচয়িতার নাম কী? [২০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জহির রায়হান।
৭৩। মৈমনসিংহ গীতিকার দু’টি পালা কী কী? [২০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মহুয়া ও মলুয়া।
৭৪। রবীন্দ্রনাথের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস কোনটি? [২০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’।
৭৫। তিনজন বৈষ্ণব পদকর্তার নাম কী কী? [২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস ও গোবিন্দদাস।
৭৬। রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রন্থের নাম কী? [২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘Song Offerings’ কবিতা সংকলনরে জন্য।
৭৭। কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি কাব্যের নাম কী কী? [২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘অগ্নিবীনা’, ’চক্রবাক’ ও ‘সিন্দু হিন্দোল’।
৭৮। মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের বিষয়বস্তু কী? [২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
৭৯। ইংরেজ আমলে কাজী নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থগুলোর নাম কী কী? [২২, ২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিষের বাঁশি, প্রলয় শিখা, ভাঙ্গার গান, যুগবানী ও চন্দ্রবিন্দু।
৮০। দৌলত কাজী কোন কাব্যের জন্য বিখ্যাত? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সতীময়না ও লোর চন্দ্রানী।
৮১। চরিত্রহীন উপন্যাস কার লেখা? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
৮২। শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যের নাম কী? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে।
৮৩। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের সম্পাদক কে? [২২, ২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
৮৪। ‘মোহাম্মদী’, ‘সওগাত’ ও ’বেগম’ পত্রিকার সম্পাদক কে কে? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ যথাক্রমে মাওলানা আকরাম খাঁ, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ও নূরজাহান বেগম।
৮৫। পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদকের নাম কী? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
৮৬। বাংলা কোন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ইন্দো- ইউরোপীয়।
৮৭। কাব্য পারা কে লিখেছেন? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
৮৮। রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ কাব্যের নাম কী? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শেষ লেখা।
৮৯। কাজী নজরুল ইসলামের ছোটগল্পের বইয়ের নাম কী? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শিউলিমালা।
৯০। জসীমউদ্দীনের ‘সোজান বাদিয়ার ঘাট’ কাব্যের প্রধান চরিত্র কী কী? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সোজান ও দুলি।
৯১। ‘চাঁদের আমাবস্যা’ কার লেখা? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৯২। ’সংশপ্তক’ কার লেখা? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শহীদুল্লাহ কায়সার।
৯৩। ’কাঞ্চন গ্রাম’ কার লেখা? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শামসুদ্দীন আবুল কালামের।
৯৪। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে কত সালে বাংলা বিভাগ খোলা হয়? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৮০১ সালে।
৯৫। ‘লালসালু,’ ‘ সূর্যদীঘল বাড়ী’ ও ’চিলে কাঠার সেপাই’ কে কে লিখেছেন? [২৪,২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আবু ইসহাক ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
৯৬। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কেন বিখ্যাত? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ নারী জাগরনের অগ্রদূত হিসেবে।
৯৭। রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’ কী ধরনের গ্রন্থ? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রোমান্টিক কাব্যধর্মী উপন্যাস।
৯৮। জসীমউদ্দীনকে কেন ‘পল্লিকবি’ বলা হয়? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ তাঁর কবিতায় পল্লি-প্রকৃতির রূপবৈচিত্র ফুটে উঠেছে তাই।
৯৯। ’কল্লোল’ কী? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যর পুরোধা-ব্যাক্তি
দের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের মূখপাত্র ছিলো ’কল্লোল’ নামের একটি পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস।
১০০। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯২১ সালে।
১০১। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের আবিষ্কারকের নাম কী? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শ্রী বসন্তরঞ্জন রায়। তাঁর উপাধি ছিল ‘বিদ্বদ্বল্লভ’।
১০২। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি কে? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
১০৩। বৈষ্ণব পদাবলির দু’জন পদকর্তার নাম কী কী? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিদ্যাপতি ও জ্ঞানদাস।
১০৪। ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ কার লেখা? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।
১০৫। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বীরবল।
১০৬। মুনীর চৌধুরীর দু’টি নাটকের নাম কী কী? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রক্তাক্ত প্রান্তর ও দণ্ডকারণ্য।
১০৭। ‘অশ্রুমালা’ কাব্যের রচয়িতা কে? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কায়কোবাদ। তাঁর আসল নাম মুহম্মদ কাজেম আল কোরায়শী।
১০৮। চর্যাপদ কে কখন কোথা থেকে আবিষ্কার করেন? [২৭, ২৮, ৩৩, ৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯০৭ সালে ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কার করেন।
১০৯। বাংলা মঙ্গল কাব্যধারার দু‘জন বিখ্যাত কবির নাম কী কী? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ও রায়গুণাকর।
১১০। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে স্থাপিত হয়? [২৭, ২৮ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৮০০ সালে।
১১১। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যের নাম কী? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭)।
১১২। ‘বিষাদসিন্ধু’ কার লেখা? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মীর মশাররফ হোসেন। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৯ সালে।
১১৩। রবীন্দ্রনাথ কত সালে কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলীর ইংরেজি অনূদিত গ্রন্থ ‘Song Offerings’ এর জন্য।
১১৪। ‘নীল দর্পণ’ নাটকটি কে লিখেছেন? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দীনবন্ধু মিত্র। তাঁর বিখ্যাত প্রহসন ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’।
১১৫। কাজী নজরুলের জন্ম সাল ও মৃত্যু সাল কত কত? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জন্ম : ২৫ মে, ১৮৯৯ ইং, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বাং। মৃত্যু : ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ ইং, ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বাং
১১৬। ‘অবরোধবসিনী’ কে লিখেছেন? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বেগম রোকেয়া সাখাওয়া হোসেন।
১১৭। কায়কোবাদের আসল নাম কী? তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম কী? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আসল নাম কাজেম আল কোরায়শী। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য হল ‘মহাশ্মশান’।
১১৮। বাংলাদেশের প্রধান দু’জন কবি কে কে? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কবি শামসুর রহমান ও বেগম সুফিয়া কামাল।
১১৯। ’মনসা মঙ্গল’ কাব্যের উদ্ভবের প্রেক্ষপট কী? [২৮ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দেবী মনসার গুণকীর্কন করা।
১২০। চর্যাপদ কোন ধর্মের? [২৯ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্ম।
১২১। বীরবলী গদ্যের শ্রষ্ঠা কে? [২৯ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুরী।
১২২। অ্যাবসার্ড নাটক কী [২৯ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ অদ্ভুত, অলীক বা বিদ্রুপাত্মক নাটক।
১২৩। চর্যাপদের পদকর্তা কতজন? [ ৩০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ২৪ জন। কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি ১৩ টি পদ রচনা করেছেন।
১২৪। বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ বলে কোন সময়কে? [ ৩০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১২০০ সাল থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে।
১২৫। সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক কে? প্রকাশকাল কত সাল? [ ৩০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুর। প্রকাশকাল ১৯১৪ সাল।
১২৬। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপ ‘ কাব্য কে রচনা করেছেন? [ ৩০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস।
১২৭। মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান কবি কে? [ ৩১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিজয় গুপ্ত।
১২৮। ’সান্ধ্য ভাষা’ কাকে বলে? [ ৩২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ চর্যাপদের ভাষাকে ‘সান্ধ্য ভাষা’ বলে।
১২৯। ’পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কার রচনা? [ ৩২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কবি আল মাহমুদ।
১৩০। গ্রিক ট্রাজেডি ‘ইডিপাস’’ বাংলায় অনুবাদ করেন কে? [ ৩২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ আলী আহসান।
১৩১। বাংলা গদ্যের জনক কে? [ ৩৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১৩২। ’অবসরের গান’ কবিতাটি কে রচনা করেছেন? [৩৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস।
১৩৩। বাংলা লিপির উৎস কী? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ব্রাহ্মী লিপি।
১৩৪। ’মোসলেম ভারত’ পত্রিকার সম্পাদক কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মোজাম্মেল হক (১৯২০)।
১৩৫। ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ কী? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ চণ্ডীদাসের আবির্ভাবের স্থান ও কাল নিয়ে মতভেদ।
১৩৬। বাংলা সাহিত্যে ‘ভোরের পাখি’ কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।
১৩৭। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আসল নাম কী? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৩৮। ঈশ্বরচন্দ্র কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি পান? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সংস্কৃত কলেজ থেকে।
১৩৯। বঙ্কিমচন্দ্রের ত্রয়ী উপন্যাসের নাম কী? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’আনন্দ মঠ’, ’দেবীচৌধুরাণী’ ও সীতারাম।
১৪০। বাংলাদেশে প্রথম কোথায় প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৮৪৮ সালে রংপুরে প্রথম ছাপাখানা যন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়?
১৪১। ’মজলুম আদিব’ কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কবি শামসুর রহমান ‘মজলুম আদিব বা বিপন্ন লেখক ছদ্মনামে লিখতেন।
১৪২। ‘পৃথক পলঙ্ক’ গ্রন্থের লেখক কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আবুল হাসান।
১৪৩। ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ এর লেখক কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আহমদ ছফা।
১৪৪। ব্রজবুলি কী? [৩৬ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ । মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রনে গঠিত কৃত্রিম কবিভাষাকে ব্রজবুলি বলে।
১৪৫। মুক্তিযুদ্ধ ভিক্তিক উপন্যাসের নাম কী? [৩৬ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জাহান্নাম হইতে বিদায়—শওকত ওসমান, রাইফেল রোটি আওরাত—আনোয়ার পাশা, এ গোল্ডেন এজ—তাহমিমা অনাম, আগুনের পরশমণি—হুমায়ূন আহমেদ।
১৪৬। দ্বিরুক্ত শব্দ কাকে বলে? [৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন। বাংলা ভাষায় কোনো শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন: কন কন, ভন ভন, শন শন।
১৪৭। অব্যয় পদ কাকে বলে? [৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থায় যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তাই অব্যয়। যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো বাক্যের শোভা বর্ধন করে, কখনো একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সয়যোগ বা বিয়োগ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে। যেমন: আর, আবার, ও, হ্যাঁ, না, যদি, যথা, আলবত, বহুত।
১৪৮। রোসাঙ্গ রাজসভা কোথায় অবস্থিত ছিলো? [৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মিয়ানমার বা বার্মায় অবস্থিত ছিলো। রোসাঙ্গ রাজসভা হচ্ছে আরাকান রাজসভার সংস্কৃত নাম।
১৪৯। রোসাঙ্গ রাজসভা বাংলা সাহিত্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?[৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রোসাঙ্গ রাজসভা বা আরাকান রাজসভায় বা সাহিত্য চর্চা হতো তাই এটি বাংলা সাহিত্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১৫০। অন্ধকার যুগের সাহিত্যের নিদর্শন কী কী? [৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ অন্ধকার যুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্য হলো, রামাই পণ্ডিত রচিত শূন্যপুরাণ এবং হলায়ুধ মিত্র রচিত সেক শুভদয়া।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka