আয়েশা সিদ্দিকা রা: মহিলা মাদরাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আয়েশা সিদ্দিকা রা: মহিলা মাদরাসা

আয়েশা সিদ্দিকা রা: মহিলা মাদরাসা একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা মিশন

***যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ...
14/10/2024

***যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?
এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?
বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।
কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।
ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?
বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।
সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?
বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।
অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?
বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?
বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?
বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?
বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না।
যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
মহান রব আমাদের দুনিয়ার জীবন ও আখেরাতের জীবনে কল্যান দান করুন। আমীন

স্বাগতম প্রিয় রাহবার। 🇧🇩ড. মিজানুর রহমান আজহারী সাহেব বাংলাদেশে এসেছেন।
02/10/2024

স্বাগতম প্রিয় রাহবার। 🇧🇩
ড. মিজানুর রহমান আজহারী সাহেব বাংলাদেশে এসেছেন।

28/09/2024

ঈমান বাঁচাতে দৌড় শুরু করার পরও ইউসুফ (আঃ) জানতেন না দরজা খুলে যাবে"
ফিরাউন বাহিনীর আক্রমণ থেকে বাঁচতে মুসা (আঃ) যখন সাগরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি জানতেন না সাগর চিরে পথ তৈরি হবে"
গভীর সমূদ্রে মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনুস (আঃ) জানতেন না-মাছ তাকে হজম করতে না পেরে আবার তাকে তীরে ফিরিয়ে দিবে"
ইব্রাহীম (আঃ) জানতেন না প্রজ্বলিত আগুন তাঁর জন্য আরামদায়ক হয়ে যাবে"
কুরবানী করতে নিয়ে যাওয়ার সময় ইসমাঈল (আঃ) জানতেন না যে- ধারালো ছুরি তাকে হত্যা করতে পারবে না"
আইয়ুব (আঃ) জানতেন না যে, পোকায় খেয়ে ফেলা তাঁর শরীর আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে"
তারা প্রত্যকেই নিশ্চিত জানতেন তাদের একজন দয়াময় রব আছেন" আর রবের উপর ছিলো তাদের প্রত্যেকের পূর্ণ তাওয়াক্কুল- নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) বিপদ থেকে রক্ষা করবেন" আর তাই হয়েছিল"
মহান আল্লাহ আমাদেরকেও বিপদের সময় পরিপূর্ণ তাওয়াক্কুলের সাথে শোকর ও সবর করার তাওফিক দান করুন'
আমিন"

27/09/2024

🌷প্যারেন্টিং টিপস🌷
👨‍🦰👨‍🦳👨‍🦱👩‍🦰🧑‍🦰👩
🌹 শিশুর হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা জাগিয়ে তুলুন

⛳ যদি আমরা শিশুদের কৃতজ্ঞ হতে না শেখাই, তাহলে তারা সহজেই:

• অভিযোগ করবে: ছোটখাটো বিষয়েও তারা অভিযোগ করতে শুরু করবে।

• তুলনা করবে: তারা নিজেদেরকে অন্যদের সাথে তুলনা করবে এবং কখনোই সন্তুষ্ট হবে না।

• আরো চায়: তারা সবসময় আরো বেশি কিছু চাইবে, যা তাদের কাছে আছে সেটাকে তারা কখনোই মূল্য দিবে না।

• কখনো সন্তুষ্ট হয় না: তারা কখনোই যেটা পায় তার জন্য সন্তুষ্ট হবে না।

• অন্যের পরিশ্রমের মূল্য দেয় না: তারা অন্যের জন্য কাজ করা বা পরিশ্রম করা কত কঠিন তা বুঝতে পারবে না।

🛟 কৃতজ্ঞতা শেখানো কেন জরুরি?

কৃতজ্ঞতা শেখানো খুবই জরুরি কারণ এটি:

• আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া: কৃতজ্ঞতা তার সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার বিশ্বাসকে দৃঢ় করবে।

• অন্যের প্রতি সম্মান জাগায়: যখন বাচ্চা কৃতজ্ঞতা জানাতে শিখবে, তখন সে অন্যের প্রতি সম্মান দেখাবে।

• সন্তুষ্টি বাড়ায়: কৃতজ্ঞতা বাচ্চাকে তার যা আছে তাতে সন্তুষ্ট থাকতে শেখাবে।

• মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে: কৃতজ্ঞতা বাচ্চার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

• পজিটিভ মনোভাব: নিয়মিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে বাচ্চারা জীবনের প্রতি একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে পারবে।

• সম্পর্ক ভালো রাখে: কৃতজ্ঞতা বাচ্চার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

• সামাজিক দক্ষতা: কৃতজ্ঞতা জানানোর অভ্যাস বাচ্চাদের সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

🛟 বাচ্চাকে কীভাবে কৃতজ্ঞতা শেখাবেন?

• "জাযাক আল্লাহু খাইরান", "ধন্যবাদ" বলতে শিখান: বাচ্চাকে ছোটবেলা থেকেই "জাযাক আল্লাহু খাইরান", "ধন্যবাদ" বলতে শিখান।

• উদাহরণ দেখান: আপনি নিজেও অন্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।

• কৃতজ্ঞতার কারণ খুঁজে বের করতে সাহায্য করুন: কেন সে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করবে, কোন কোন ভালো কাজে সে কৃতজ্ঞ হবে, সেগুলো খুঁজে বের করতে সাহায্য করুন।

• ডায়েরি লেখার অভ্যাস করান: বাচ্চাকে প্রতিদিন কয়েকটি জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞ থাকার জন্য ডায়েরি লেখার অভ্যাস করান। অর্থাৎ সে কেন কৃতজ্ঞ তা লিখে রাখতে বলুন।

🛟 কিছু উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করি :

• খাবার খাওয়ার আগে: "আল্লাহ, এই খাবারের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।" এছাড়াও আমরা বাচ্চাদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লাকে সবকিছুর জন্য শুকরিয়া/ধন্যবাদ দিতে শিখাতে পারি।

• কোনো উপহার পেলে: "জাযাক আল্লাহু খাইরান", "ধন্যবাদ", আম্মু/আব্বু এত সুন্দর গিফট দেয়ার জন্য ।"

• কোনো কাজ করার পর: "জাযাক আল্লাহু খাইরান", "ধন্যবাদ, তুমি আমাকে সাহায্য করেছ।"

এই পদ্ধতি অনুসরণ করে, আমরা আমাদের বাচ্চাদের একটি ইতিবাচক, কৃতজ্ঞ এবং সুখী জীবনযাপনের দিকে পরিচালিত করতে পারব ইন শা আল্লাহ

16/09/2024

বয়স বাড়ছে-বন্ধু কমছে-
দায়িত্ব বাড়ছে-আদর কমছে
চাপ বাড়ছে-সুখ কমছে! হ্যাঁ এটাই হলো ছেলেদের জীবন।

12/09/2024
11/09/2024

সরকারি অনুদানের কার্ড
দিতে গেলে ১ ঘরে হয় ৪ ফ্যামিলি।
আর মসজিদের মাসিক বেতন
চাইতে গেলে ৪ ঘর মিলে হয় ১ ফ্যামিলি।

নববধু বিয়ে হয়ে সবেমাত্র শ্বশুর বাড়িতে এসেছে। দাদী শাশুড়ী এসে কানে কানে বললো, আমার একজন পুতি চাই। নবুবধু লজ্জা মিশ্রিত মু...
09/09/2024

নববধু বিয়ে হয়ে সবেমাত্র শ্বশুর বাড়িতে এসেছে। দাদী শাশুড়ী এসে কানে কানে বললো, আমার একজন পুতি চাই।
নবুবধু লজ্জা মিশ্রিত মুচকি হেসে বললো, দোয়া করেন।
একটু পর শাশুড়ি এসে বললো, আমার একজন নাতি চাই।
নববধু মাথা নেড়ে আশ্বাস দিলো।
কিছুক্ষণ পর ননদ এসে বললো, আমার একটা ভাইপো চাই। নববধু স্মিত হেসে বললো, সবর কর না বাপু। একটু সময় তো লাগবে নাকি?
অবাক কান্ড! স্বামী বাসর ঘরে ঢুকেই বলছে, আমার দ্রুত বেবি চাই। কথা শুনে নববধূ একটু বিস্মিত চোখে চেয়ে ফিসফিস কন্ঠে বললো, তোমাদের পরিবার কি পাগল নাকি?
কেন?
সবাই যে দাবি করছো ভালো। কিন্তু দাবি কি এখনই পূরণ সম্ভব? দাবি পূরণের জন্য আল্লাহর রহমত এবং যৌক্তিক সময় তো লাগবে নাকি? তোমাদের দাবি শুনে মনে হচ্ছে, সাথে করে নাতি-পুতি, ভাইপো এবং তোমার জন্য বেবি ব্যাগে করে নিয়ে এসেছি। "তোমরা চাহিবামাত্র আমি দিতে বাধ্য থাকিব।"
গল্পের শিক্ষা:
প্রত্যাশা ঠিক আছে এবং দাবিও ঠিক আছে। কিন্তু এসবের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আন্দোলন শুরু করলেই কি নববধুর পক্ষে দাবি পূরণ

অতীত এর সব কিছু ভুলে গিয়ে ইসলামি দলগুলোকে এক হতে হবে।
07/09/2024

অতীত এর সব কিছু ভুলে গিয়ে ইসলামি দলগুলোকে এক হতে হবে।

27/08/2024

ভারতের প্রতি ভালোবাসা থাকবে না কেন? শেখ মুজিব তো ভারতের ই ছেলে। এমনকি তিনি মুসলিম ও নন। তিনি হিন্দু তার আসল নাম দেবদাস চক্রবর্তী।
কলকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মিঃ চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যার নাম গৌরিবালা দাস। চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মিঃ অরন্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলকাতাস্থ বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতো। এই সুযোগে চন্ডিদাসের মেয়ে গৌরিবালার সাথে অরন্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। এভাবে চলতে থাকে দিনের পর দিন। তার ফলশ্রুতিতে এরই মধ্যে গৌরিবালা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন। অরন্য কুমার চক্রবর্তী ইহাতে রাজি না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেন।
এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী।
চন্ডিদাস অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্যচাপ দিতে থাকেন। কিন্তু অরন্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে গৌরিবালার ছেলে দেবদাস বয়স ২ বছরে উন্নিত হয়। চন্ডিদাস হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েন এবংভীষণ অসুস্থতা বোধ করেন।
চন্ডিদাসের বিশ্বস্ত মহুরী শেখ লুতফুর রহমান ছিলেন একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। চন্ডিদাস মেয়েকে নিয়ে সমাজে মুখ দেখাতে পারছেন না এমন অবস্থায় গৌরীবালার ছেলে দেবদাসের বয়স যখন ৩ বছর, তখন চন্ডিদাসের মহুরী শেখ লুৎফর রহমান চন্ডিদাসের সমূহ সম্পত্তিসহ গৌরিবালাকে বিয়ে করেন।
তখন এফিডেভিট করে গৌরিবালার নাম রাখা হয় ছাহেরা বেগম এবং ছেলের নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তীর পরিবর্তে শেখ মজিবুর রহমান।
এফিডেভিট নং- ১১৮
তারিখ- ১০/১১/১৯২৩ ইং সাল
কোলকাতা সিভিল কোর্ট, পচিমবঙ্গ, ভারত।
সাক্ষীঃ-
(১) জনাব আব্দুর রহমান সাফায়াত, কোর্ট দারোগা, কলিকাতা, থানা+পোঃ- ভান্ডারিয়া, সাবেক জেলা- বরিশাল।
(২) শ্রী অনিল কুমার, কোর্ট দারোগা, সাবেক জেলা- বরিশাল।

ধেয়ে আসছে গাজওয়াতুল হিন্দ!পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল "গাজওয়ায়ে হিন্দ" তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধ...
27/08/2024

ধেয়ে আসছে গাজওয়াতুল হিন্দ!
পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল "গাজওয়ায়ে হিন্দ" তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধে মুসলমান উম্মাহদের যুদ্ধ। এই সম্মানিত যুদ্ধে নিশ্চিত মুসলমান উম্মাহরা বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.!
কিন্তু এই সম্মানিত যুদ্ধে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাত বরন করবেন এবং শেষাংশ যুদ্ধ শেষ করে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানাল্লআহ.!
যারা এই সম্মানিত যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন উনারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! এবং যেসব মুসলমানগন এই সম্মানিত যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজী হয়ে ফিরবেন উনারা ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরন করে জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!
আবার এই সম্মানিত যুদ্ধ থেকে যেসব নামধারী মুসলমানরা পালিয়ে যাবে তারা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ!
পবিত্র হাদিস শরীফে গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটা হবে কাফির মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের পৃথিবীর ভিতর বৃহত্তম জি"হ|দ/যুদ্ধ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মোট মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, আরেক অংশ পালিয়ে যাবে আর শেষ অংশ
জি"হ|দ চালিয়ে যাবে।
মুসলমানদের নিশ্চিত জয় হবে কিন্তু এটা এতোটাই ভয়াবহ যে হয়তো অল্প কিছু সংখ্যক মুসলিমই বেঁচে থাকবেন বিজয়ের খোশ আমদেদ করার জন্য।
অন্য বর্ণনায় আছে,
গাজওয়াতুল হিন্দ হিন্দুস্তানের (চুড়ান্ত) যুদ্ধ। রাসুল (ﷺ) একদিন পুর্ব দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন সময় এক সাহাবি রাসুল (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন, "ইয়া রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আপনি এমন করছেন কেন!"
রাসুল (ﷺ) বললেন, "আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।" সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে। যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশরিক সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক।
ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা তিন ভাগে বিভক্ত থাকবে; এক ভাগ বিশাল মুশরিক বাহিনি দেখে ভয়ে পালিয়ে যাবে, তারাই হলো জাহান্নামী! আর এক ভাগ সবাই যুদ্ধে শহীদ হবেন। শেষ ভাগ আল্লাহর ওপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ করবেন।
রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!(সুবহানাল্লাহ)
তিনি আরো বলেছেন, ঐ সময় মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুক না কেন তারা যেন সেই যুদ্ধে শরিক হন।
নাসায়ী খন্ড ০১,পৃষ্টা ১৫২
সুনানে আবু দাউদ খন্ড ০৬,পৃষ্টা ৪২
এই যুদ্ধে আমাদের শামিল হওয়ার
তাওফিক দিও আল্লাহ🤲🤲🤲

📌 লিস্ট দেখে দেখে বাজার করবো এই এক মাস চলেন-🔰দেশী পণ্যের লিষ্ট -সাবান: - মেরিল, কেয়া, সেপনিল, তিব্বত, তিব্বত ৭৭৭, Lifegu...
26/08/2024

📌 লিস্ট দেখে দেখে বাজার করবো এই এক মাস চলেন-
🔰দেশী পণ্যের লিষ্ট -
সাবান: - মেরিল, কেয়া, সেপনিল, তিব্বত, তিব্বত ৭৭৭, Lifeguard, Cute.
বাথরুম পরিষ্কার:– Shakti, Clean Master, Finis, Amana, Xtreme.
টুথপেষ্ট:- Magic Harbal, White Plus, Cute, Active Toothpaste.
চুলের তৈল:- জুঁই, মায়া, কলম্বো, মেরিল অলিভ অয়েল, Cute.
গুড়োদুধ:– Pusti, ACI, Pure Milk, AMA, Mars, Starship.
ডিটারজেন্ট:- কেয়া, তিব্বত, White Plus, Chaka, Jet.
চা:- ইস্পাহানি, Bengal, Kazi, Cylon (আবুল খায়ের)।
শ্যাম্পু:- কেয়া, Cute, Revive, Meril, Select Plus.
সয়াবিন তৈল: – পুষ্টি, বসুন্ধরা, সেনা, Teer, Fresh.
Petrolium Jelly:- Meril, Tibet, Cute, SMC.
মশা নিরোধ সামগ্রী:– Xpel, Sepnil, Xtreme -
Room Freshner:- Spring, Basundhara.
ময়দা, আটা:– Teer, Basundhara, Fresh.
নুডলস:- কোকোলা, বসুন্ধরা, Foodi.
চাল:- পুষ্টি, চাষী, চিনিগুড়া, Teer.
চিনি:- Teer, Fresh, আখের চিনি।
সরিষার তৈল:- রাধুনি, পুষ্টি, Teer.
বিস্কুট:- Radisho, Olympic.
লবণ:- Teer, ACI, Fresh.
পানি:- Jibon, Mum.
টিস্যু:- বসুন্ধরা, ফ্রেশ

Address

Dhaka

Telephone

+8801993221276

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আয়েশা সিদ্দিকা রা: মহিলা মাদরাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to আয়েশা সিদ্দিকা রা: মহিলা মাদরাসা:

Shortcuts

Share

Category