BD Survey Solution

BD Survey Solution

Share

অনলাইন/অফলাইন ভূমি জরিপ প্রশিক্ষন কেন্দ্র

18/08/2025

সারাদেশে ১২ হাজার চাঁদাবাজের নামের তালিকা চূড়ান্ত, গ্রেফতার অভিযান চালাবে সেনাবাহিনী, আপনার এলাকায় অপরাধ দমনে সেনাবাহিনী কে সহযোগিতা করুন,,
আপনার এলাকায় নম্বর মোবাইলে সেভ করে রাখুন। সারা বাংলাদেশে সেনাবাহিনী ক্যাম্প এর যোগাযোগের নাম্বার।
____________________
📌রাজশাহী বিভাগ
১। রাজশাহী- ০১৭৬৯১১২৩৮৬, ০১৭৬৯১১২৩৮৮।
২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ০১৭৬৯১১২০৭০, ০১৭৬৯১১২৩৭২।
৩। পাবনা- ০১৭৬৯১২২৪৭৮, ০১৭৬৯১১২৪৮০।
৪। সিরাজগঞ্জ- ০১৭৬৯১২২৪৬২, ০১৭৬৯১২২২৬৪।
৫। নাটোর- ০১৭৬৯১১২৪৪৬, ০১৭৬৯১১২৪৪৮।
৬। নওগাঁ- ০১৭৬৯১২২১১৫, ০১৭৬৯১২২১০৮।
৭। জয়পুরহাট- ০১৭৬৯১১২৬৩৪।
৮। বগুড়া- ০১৭৬৯১১২৫৯৪, ০১৭৬৯১১২১৭০।
📌বরিশাল বিভাগ
১। বরিশাল- ০১৭৬৯০৭২৫৫৬, ০১৭৬৯০৭২৪৫৬
২। পটুয়াখালী- ০১৭৬৯০৭৩১২০, ০১৭৬৯০৭৩১২২।
৩। ঝালকাঠি- ০১৭৬৯০৭২১০৮, ০১৭৬৯০৭২১২২।
৪। পিরোজপুর- ০১৭৬৯০৭৮২৯৮, ০১৭৬৯০৭৮৩০৮।
📌চট্টগ্রাম বিভাগ
১। নোয়াখালী-০১৬৪৪৪৬৬০৫১, ০১৭২৫০৩৮৬৭৭।
২। চাঁদপুর- ০১৮১৫৪৪০৫৪৩, ০১৫৬৮৭৩৪৯৭৬।
৩। ফেনী- ০১৭৬৯৩৩৫৪৬১, ০১৭৬৯৩৩৫৪৩৪।
৪। লক্ষ্মীপুর- ০১৭২১৮২১০৯৬, ০১৭০৮৭৬২১১০।
৫। কুমিল্লা- ০১৩৩৪৬১৬১৫৯, ০১৩৩৪৬১৬১৬০।
৬। ব্রাক্ষণবাড়িয়া- ০১৭৬৯৩২২৪৯১, ০১৭৬৯৩৩২৬০৯
৭। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা-০১৭৬৯১০৭২৩১, ০১৭৬৯১০৭২৩২।
৮। চট্টগ্রাম (লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ব্যতীত)-০১৭৬৯২৪২০১২, ০১৭৬৯২৪২০১৪।
📌ঢাকা বিভাগ
১। মাদারীপুর-০১৭৬৯০৭২১০২, ০১৭৬৯০৭২১০৩।
২। কিশোরগঞ্জ- ০১৭৬৯১৯২৩৮২, ০১৭৬৯২০২৩৬৬।
৩। টাঙ্গাইল- ০১৭৬৯২১২৬৫১, ০১৭৬৯২১০৮৭০।
৪। গোপালগঞ্জ- ০১৭৬৯৫৫২৪৩৬, ০১৭৬৯৫৫২৪৪৮।
৫। রাজবাড়ী-০১৭৬৯৫৫২৫১৪, ০১৭৬৯৫৫২৫২৮।
৬। গাজীপুর- ০১৭৮৫৩৪৯৮৪২, ০১৭৬৯০৯২১০৬।
৭। মুন্সিগঞ্জ- ০১৭৬৯০৮২৭৯৮, ০১৭৬৯০৮২৭৮৪।
৮। মানিকগঞ্জ- ০১৭৬৯০৯২৫৪০, ০১৭৬৯০৯২৫৪২।
৯। নারায়ণগঞ্জ- ০১৭৩২০৫১৮৫৮।
১০। নরসিংদী- ০১৭৬৯০৮২৭৬৬, ০১৭৬৯০৮২৭৭৮।
১১। শরীয়তপুর- ০১৭৬৯০৯৭৬৬০,০১৭৬৯০৯৭৬৫৫।
১২। ফরিদপুর- ০১৭৬৯০৯২১০২, ০১৭৪২৯৬৬১৬২।
📌ঢাকা মহানগর
১। ঢাকার লালবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মহাখালী, তেজগাঁও, এ্যালিফেন্ট রোড এবং কাঁটাবন-০১৭৬৯০৫১৮৩৮, ০১৭৬৯০৫১৮৩৯।
২। ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বনানী, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এবং বনশ্রী- ০১৭৬৯০১৩১০২, ০১৭৬৯০৫৩১৫৪।
৩। ঢাকার মিরপুর-১ হতে মিরপুর-১৪, খিলক্ষেত, উত্তরা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর- ০১৭৬৯০২৪২১০, ০১৭৬৯০২৪২১১।
৪। ঢাকার মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, শান্তিনগর, ইস্কাটন, রাজারবাগ, পল্টন, গুলিস্তান এবং পুরান ঢাকা- ০১৭৬৯০৯২৪২৮, ০১৭৬৯০৯৫৪১৯।
📌ময়মনসিংহ বিভাগ
১। শেরপুর- ০১৭৬৯২০২৫১৬, ০১৭৬৯২০২৫২৪।
২। নেত্রকোণা-০১৭৬৯২০২৪৭৮, ০১৭৬৯২০২৪৪৮।
৩। জামালপুর- ০১৭৬৯১৯২৫৪৫, ০১৭৬৯১৯২৫৫০।
৪। ময়মনসিংহ- ০১৭৬৯২০৮১৫১, ০১৭৬৯২০৮১৬৫।
📌খুলনা বিভাগ
১। বাগেরহাট- ০১৭৬৯০৭২৫১৪, ০১৭৬৯০৭২৫৩৬।
২। কুষ্টিয়া- ০১৭৬৯৫৫২৩৬২, ০১৭৬৯৫৫২৩৬৬।
৩। চুয়াডাঙ্গা- ০১৭৬৯৫৫২৩৮০, ০১৭৬৯৫৫২৩৮২।
৪। মেহেরপুর- ০১৭৬৯৫৫২৩৯৮, ০২৪৭৯৯২১১৫৩।
৫। নড়াইল- ০১৭৬৯৫৫২৪৫৬, ০১৭৬৯৫৫২৪৫৭।
৬। মাগুরা- ০১৭৬৯৫৫৪৫০৫,০১৭৬৯৫৫৪৫০৬।
৭। ঝিনাইদহ- ০১৭৬৯৫৫২১৫৮, ০১৭৬৯৫৫২১৭২।
৮। যশোর- ০১৭৬৯৫৫২৬১০, ০১৭৬৯০০৯২৪৫।
৯। খুলনা- ০১৭৬৯৫৫২৬১৬, ০১৭৬৯৫৫২৬১৮।
১০। সাতক্ষীরা- ০১৭৬৯৫৫২৫৩৬, ০১৭৬৯৫৫২৫৪৮।
📌রংপুর বিভাগ
১। রংপুর-০১৭৬৯৬৬২৫৫৪, ০১৭৬৯৬৬২৫১৬।
২। দিনাজপুর- ০২৫৮৯৯২১৪০০, ০২৫৮৯৬৮২৪১৪।
৩। নীলফামারী- ০১৭৬৯৬৮২৫০২, ০১৭৬৯৬৮২৫১২।
৪। লালমনিরহাট- ০১৭৬৯৬৮২৩৬৬, ০১৭৬৯৬৮২৩৬২।
৫। কুড়িগ্রাম- ০১৭৬৯৬৬২৫৩৪, ০১৭৬৯৬৬২৫৩৬।
৬। ঠাকুরগাঁও- ০১৭৬৯৬৬৬০৬২, ০১৭৬৯৬৭২৬১৬।
৭। পঞ্চগড়- ০১৯৭৩০০০৬৬২, ০১৭৬৯৬৬২৬৬১।
৮। গাইবান্ধা- ০১৬১০৬৫২৫২৫, ০১৭৫৪৫৮৫৪৮৬।
📌সিলেট বিভাগ
১। সিলেট- ০১৭৬৯১৭৭২৬৮, ০১৯৮৭৮৩৩৩০১।
২। হবিগঞ্জ- ০১৭৬৯১৭২৫৯৬, ০১৭৬৯১৭২৬১৬।
৩। সুনামগঞ্জ- ০১৭৬৯১৭২৪২০, ০১৭৬৯১৭২৪৩০।
৪। মৌলভীবাজার- ০১৭৬৯১৭৫৬৮০, ০১৭৬৯১৭২৪০০।

👉 জনস্বার্থে পোস্টটির ব্যাপক শেয়ার চাই

24/07/2025

🏠 জমি কেনার সময় যে ভুলগুলো করলে দলিল বাতিল হয়ে যেতে পারে
(Step-by-step সচেতনতা গাইড)

জমি কেনা মানেই শুধু টাকা লেনদেন না—বরং এটি আইনি দিক দিয়ে অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি কাজ। সামান্য ভুলের কারণেও আপনার সম্পত্তি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা বা দলিল বাতিলের মতো বড় ক্ষতি হতে পারে।

চলুন এখন ধাপে ধাপে জেনে নিই—জমি কেনার সময় কী কী গুরুত্বপূর্ণ ভুল সচরাচর হয়ে থাকে এবং সেগুলো কেন আপনার দলিল বাতিলের কারণ হতে পারে।

---

🔎 ধাপ ১: দলিল বাতিল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলো

✅ ভুয়া মালিকের কাছ থেকে জমি কেনা
→ মালিকানা যাচাই না করে দালাল বা আত্মীয়ের কাছ থেকে জমি কেনা।
🟥 ফল: জাল দলিল হিসেবে বাতিল হয়।

✅ ওয়ারিশদের অনুমতি ছাড়া জমি কেনা
→ জমি ওয়ারিশ সূত্রে পেয়ে এক ওয়ারিশ গোপনে পুরো জমি বিক্রি করে দেয়।
🟥 ফল: বাদপড়া ওয়ারিশরা মামলা করে দলিল বাতিল করিয়ে নিতে পারে।

✅ রেজিস্ট্রি না করে স্ট্যাম্প কাগজে জমি কেনা
→ শুধু স্ট্যাম্পে লিখে রাখা দলিল আইনি বৈধতা পায় না।
🟥 ফল: কোর্টে গ্রহণযোগ্য নয়, বাতিলযোগ্য।

---

📑 ধাপ ২: দলিলের তথ্য ভুল হলে

✅ ভুল দাগ/খতিয়ান/মৌজা উল্লেখ করা
→ জমির ভুল সনাক্তকরণে ভবিষ্যতে বিরোধ তৈরি হয়।
🟥 ফল: জমির অবস্থান না মেলায় দলিল বাতিল হয়।

✅ জমির পরিমাণ অতিরিক্ত লেখা বা অন্যের অংশ ঢুকিয়ে দেওয়া
→ প্রকৃত মালিকানা অপেক্ষা বেশি অংশ দলিলে দেখানো।
🟥 ফল: দলিল আংশিক বা সম্পূর্ণ বাতিল হতে পারে।

✅ নাবালক (১৮ বছরের নিচে) ক্রেতা বা বিক্রেতা
→ আইন অনুযায়ী চুক্তির ক্ষমতা নেই।
🟥 ফল: দলিল অবৈধ ও বাতিলযোগ্য।

---

💼 ধাপ ৩: জমির মালিকানা বা দায় সম্পর্কিত ভুল

✅ দেনা বা বন্ধক রাখা জমি না জেনে কেনা
→ জমি যদি আগে থেকেই ব্যাংক বা অন্য কারো কাছে বন্ধক থাকে।
🟥 ফল: আপনার মালিকানা প্রশ্নবিদ্ধ, দলিল বাতিলযোগ্য।

✅ জাল সাক্ষী বা জাল স্বাক্ষর
→ দলিলে থাকা সাক্ষীরা আসল না হলে বা স্বাক্ষর জাল হলে।
🟥 ফল: প্রতারণা হিসেবে ধরা পড়ে, মামলা ও দলিল বাতিল হয়।

---

📩 আপনি কীভাবে নিরাপদে জমি কিনবেন?

🟢 দলিল ও খতিয়ান যাচাই করুন (CS, SA, RS, BS)
🟢 সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে রেজিস্ট্রি নিশ্চিত করুন
🟢 জাতীয় পরিচয়পত্র ও ওয়ারিশ সনদ যাচাই করুন
🟢 জমি বেচাকেনার আগে একজন আইনজীবীর সহায়তা নিন
🟢 প্রয়োজন হলে Mutation ও খারিজ দেখে নিন

---

🛡️ চূড়ান্ত পরামর্শ

জমি কেনার সময় এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললে ভবিষ্যতের ঝামেলা, দলিল বাতিল বা কোর্ট-কাচারির ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

জনসচেতনতায়,
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোঃপুর শাখা পরিচালক,
"ঢাকা হলি সার্ভে ট্রেনিং সেন্টার"
ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
whatsapp: ০১৭৫৬১৮৬৩৬৬

24/07/2025

📱 মোবাইলে জমির নকশা দেখে জমি মাপুন – বিশ্বস্ত ৭টি অ্যাপস নিয়ে বিস্তারিত গাইড ✅

আজকাল অনেকেই জানতে চান —
"আমার হাতে জমির নকশা (PDF/DWG) আছে, এটা দেখে মোবাইলেই জমি মাপা যাবে?"
উত্তর হলো: হ্যাঁ, একদম সম্ভব!

সঠিক অ্যাপস ব্যবহার করে আপনি নিজেই:
🔹 জমির সীমানা চিহ্নিত করতে পারবেন,
🔹 নকশা ফাইল দেখে পরিমাপ করতে পারবেন,
🔹 এবং চাইলে মাঠে গিয়ে বাস্তব জমি মেপেও নিতে পারবেন।

এই পোস্টে আমি আপনাকে শেখাবো:
- কোন কোন অ্যাপ সবচেয়ে ভালো,
- কিভাবে কোন কাজের জন্য কোন অ্যাপ ব্যবহার করবেন,
- এবং জমির পরিমাণ শতক, বিঘা, একর, স্কয়ারফিটে হিসাব করবেন কিভাবে।

✅ 1. AutoCAD Mobile App (Autodesk)

📁 ফরম্যাট: .dwg
📐 ব্যবহার: AutoCAD ফাইল খুলে scale অনুযায়ী জমির সঠিক পরিমাণ বের করুন।
🧰 ফিচার: জুম ইন/আউট, লেয়ার টগল, স্কেল সেট, মেজার টুল
📱 প্লাটফর্ম: Android, iOS
⭐ বিশেষ: স্কেল ঠিক থাকলে একদম নিখুঁত জমির মাপ বের করা যায়।

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
আপনার DWG ফাইলটি AutoCAD Mobile-এ ওপেন করুন। স্কেল যাচাই করে মেজার টুল সিলেক্ট করুন। প্রয়োজনীয় দুই পয়েন্ট সিলেক্ট করে লাইন মাপুন। লাইনগুলো যোগ করে জমির পরিমাপ হিসাব করুন।

✅ 2. Planimeter – GPS Area Measure

🌍 ব্যবহার: স্যাটেলাইট ম্যাপ বা নিজের পয়েন্ট বসিয়ে জমির পরিমাণ বের করতে পারবেন।
📏 মাপের ইউনিট: স্কয়ার ফিট, শতক, একর, বিঘা, হেক্টর
🧭 ফিচার: GPS ও হাতে পয়েন্ট বসানো – দুইভাবেই মাপ নেওয়া যায়।

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
ম্যাপ ওপেন করে আপনার জমির অবস্থান খুঁজে বের করুন। তারপর পয়েন্ট বসিয়ে পুরো জমি ঘিরে ফেলুন। অ্যাপ নিজে থেকেই জমির পরিমাণ দেখাবে।

✅ 3. GPS Fields Area Measure

🏞️ ব্যবহার: মাঠে গিয়ে ঘুরে ঘুরে জমির সীমানা নির্ধারণ
📐 সহায়তা করে: Area ও Distance দুইটাই
💼 ব্যবহারকারী: কৃষক, ভূমি মালিক, নির্মাণকর্মী, সিভিল সার্ভেয়ার

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
আপনি যদি সরাসরি জমিতে যান, এই অ্যাপটি চালু করে জমির কোণায় কোণায় পয়েন্ট বসান। অ্যাপ আপনার ঘোরা অনুযায়ী GPS পয়েন্ট ট্র্যাক করে জমির সীমা ও পরিমাণ বের করে দেবে।

✅ 4. Geo Measure Area Calculator

🗺️ ব্যবহার: স্যাটেলাইট ম্যাপ দেখে ম্যানুয়ালি পয়েন্ট বসিয়ে জমির মাপ
📌 ফিচার: সহজ ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেস, পয়েন্ট দিয়ে সঠিক মাপ

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
ম্যাপে জমির এলাকা জুম করে, ৪/৫টি কোণায় ট্যাপ করে পয়েন্ট বসান। জমির পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।

✅ 5. Mapulator

🧮 ব্যবহার: ম্যাপে হাতে ড্র করে জমির সীমানা নির্ধারণ
📁 ইমপোর্ট: KML, GeoJSON
📤 এক্সপোর্ট: Excel, Image, PDF
🎯 বিশেষ: দ্রুত এবং এক্স্যাক্ট মাপ দেয়

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
Mapulator-এ আপনি নিজেই স্ক্রিনে জমির চারদিকে ড্র করে দিতে পারবেন। এটি পেশাদার সার্ভেয়ারের মতো দ্রুত ও নিখুঁত ফলাফল দেয়। রিপোর্ট এক্সপোর্টও করতে পারবেন।

✅ 6. CAD Reader

📁 ফরম্যাট: .dwg
📱 ব্যবহার: মোবাইলে AutoCAD ড্রয়িং খুলে লাইন ও এলাকা দেখুন
🎯 ভালো দিক: ইউজার-ফ্রেন্ডলি, জুম করে সহজে মাপ নেওয়া যায়

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
DWG ফাইলটি CAD Reader অ্যাপে খুলুন। স্কেল অনুযায়ী বিভিন্ন লাইনের দৈর্ঘ্য মাপুন। লাইন সংযুক্ত করে জমির পরিমাণ বের করুন।

✅ 7. Land Area Calculator – GPS Tool

📏 ব্যবহার: দৈর্ঘ্য × প্রস্থ দিয়ে জমির এলাকা বের করুন
🔁 ইউনিট সাপোর্ট: শতক, কাঠা, বিঘা, একর, হেক্টর, স্কয়ার ফিট

🔍 কীভাবে ব্যবহার করবেন:
আপনার কাছে যদি জমির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ জানা থাকে, তাহলে শুধু সেগুলো বসিয়ে দিন। অ্যাপ আপনার পছন্দমতো ইউনিটে জমির পরিমাণ দেখিয়ে দেবে।

📌 আপনার হাতে যদি জমির নকশা
(PDF বা DWG) থাকে:

➤ AutoCAD Mobile App অথবা CAD Reader অ্যাপ ব্যবহার করুন।
➤ Scale অনুযায়ী মেজার টুল ব্যবহার করে প্রতিটি দিকের মাপ নিন।
➤ সব দিকের মাপ যোগ করে প্লটের মোট এলাকা বের করুন।
➤ চাইলে শতকে বা বিঘায় কনভার্ট করে নিতে পারেন (১ একর = ৩৩ শতক, ১ শতক = ৪৩৫.৬ স্কয়ারফিট)।

📍 আপনি যদি মাঠে গিয়ে জমি মাপতে চান:

➤ GPS Fields Area Measure অথবা Planimeter অ্যাপ চালু করুন।
➤ আপনি যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, সেখানে পয়েন্ট বসিয়ে পরবর্তী কোণায় যান — এভাবে সব কোণায় ঘুরে পয়েন্ট বসান।
➤ মেপে হয়ে গেলে অ্যাপ জমির মোট পরিমাণ দেখাবে।

✍️ অতএব:

এখন আর জমির মাপ নিতে আপনাকে শুধু সার্ভেয়ারের উপর নির্ভর করতে হবে না।
এই অ্যাপসগুলো ব্যবহার করে আপনি নিজেই — ঘরে বসে বা মাঠে গিয়ে — জমির পরিমাণ নির্ভুলভাবে বের করতে পারবেন।

শুধু একটু ধৈর্য ও স্কেল বোঝার জ্ঞান থাকলেই হবে।
আর যদি কোনো নকশা বুঝতে সমস্যা হয়, আপনি একজন ভূমি বিশেষজ্ঞ বা সার্ভেয়ারের সহায়তা নিতে পারেন।

প্রচারণায়,
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোহাম্মদপুর শাখা পরিচালক,
"ঢাকা হরি সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার"
ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
whatsapp: ০১৭৫৬১৮৬৩৬৬

24/07/2025

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো:

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅ নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
"অনলাইন ভূমি সেবা" এই ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅ সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন।

প্রচারণায়:
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোহাম্মদপুর শাখা পরিচালক,
"ঢাকা হলি সার্ভে ট্রেনিং সেন্টার"
ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ :
whatsapp :01756186366

18/07/2025

ImageMeter দিয়ে নকশা দেখে জমি পরিমাপ কিভাবে করবেন শিখুন।

✅ Step 1: অ্যাপস ডাউনলোড করুন
Google Play Store বা App Store এ যান
সার্চ করুন: ImageMeter
অ্যাপটি ইনস্টল করুন (চাইলেই Pro ভার্সন কেনা যায়, কিন্তু ফ্রি ভার্সন দিয়েও অনেক কিছু হয়)

✅ Step 2: জমির নকশা তৈরি বা সংগ্রহ করুন

আপনি Mouza map, Sheet map, হাতের আঁকা নকশা, কিংবা জমির স্ক্যান কপি নিতে পারেন।
📷 মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে পরিষ্কার ও সোজা করে নকশার ছবি তুলুন।
ছবিটি যেন বাকা না হয়, লাইনগুলো যেন সোজা থাকে।

✅ Step 3: ImageMeter অ্যাপ খুলুন

অ্যাপটি ওপেন করুন
নিচে + চিহ্নে ট্যাপ করুন
"Import image from gallery" সিলেক্ট করে আপনার নকশার ছবি যোগ করুন

✅ Step 4: স্কেল ক্যালিব্রেশন (সেটিং মাপের অনুপাত)

এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখানে আমরা বলব – “ছবির এই লাইন আসলে বাস্তবে কত ফুট।”

📝 ধরুন:

ছবির মধ্যে একটি রাস্তাকে দেখাচ্ছে যা বাস্তবে 100 ফুট
➡️ আপনি সেই লাইনে ট্যাপ করুন
➡️ "Add Reference Dimension" সিলেক্ট করুন
➡️ লাইনের দুই প্রান্তে ট্যাপ করে একটি সোজা লাইন আঁকুন।
➡️ তারপর সেট করুন "This is 100 feet"
এবার অ্যাপ বুঝে যাবে: এই ছবিতে ১ সেমি = ১০ ফুট (যেমন)
👉 এখন থেকে যত লাইন দিবেন, সব মাপ সেই অনুযায়ী গণনা হবে

✅ Step 5: জমির চারপাশে মাপ নিন

এবার "Add dimension" টুল সিলেক্ট করুন
জমির উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম চার দিকের লাইনে ট্যাপ করে করে মাপ নিন
অ্যাপস দেখাবে: 60 ft, 40 ft… এইভাবে

📌 টিপস: যদি জমি ত্রিভুজ বা অনিয়মিত হয়, তাও আপনি একাধিক লাইনে মাপ নিতে পারবেন।

✅ Step 6: জমির এলাকা নির্ণয় (Area Measure) 🧮
এই ফিচার Pro ভার্সনে থাকে।

➡️ "Add Area" বা "Polygon" টুল সিলেক্ট করুন
➡️ জমির চার কোণ বা সীমারেখা ধরে ধরে ট্যাপ করুন
➡️ আপনি যখন চারপাশ ঘুরে ফিরে আবার প্রথম পয়েন্টে আসবেন, অ্যাপস জমির Total Area দেখাবে (যেমন: 2400 sqft, বা 2.5 শতক)

✅ Step 7: রিপোর্ট সংরক্ষণ বা শেয়ার করুন

আপনি চাইলে—
PDF আকারে রিপোর্ট তৈরি করতে পারেন
JPG/PNG ছবি হিসেবে এক্সপোর্ট করতে পারেন
Google Drive বা WhatsApp দিয়ে শেয়ার করতে পারেন

🎁 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (শিক্ষকের টিপস):

বিষয় ব্যাখ্যা

📏 Scale না দিলে মাপ ভুল হবে সবসময় প্রথমে স্কেল সেট করুন
📷 ছবি যেন বাঁকা না হয় না হলে মাপ ভুল আসবে
🏠 ফ্ল্যাট জায়গায় নকশা রাখুন ছবি তোলার সময় নিচে কাগজ সমান রাখুন
📐 বেশি বাঁকা জমি হলে অংশ ভাগ করে মাপ নিন ত্রিভুজ বা চারকোনা করে ভাগ করতে পারেন

✅ আপনি কোথায় ব্যবহার করবেন?

- জমির সীমা চিহ্নিত করতে
- নকশা মিলিয়ে জমি কম বা বেশি আছে কি না দেখতে
- দলিল বা জরিপের জন্য রেফারেন্স রিপোর্ট তৈরি করতে
- জরিপকারীর কাজ সহজ করতে

📽️ ভিডিও বানাতে চান?

আপনি চাইলে এই পুরো বিষয়টি নিয়ে আমি ভিডিও স্ক্রিপ্ট/কনসেপ্ট বানিয়ে দিতে পারি।
আর যদি আপনার page বা YouTube চ্যানেল থাকে, তাহলে এর উপর সিরিজ কনটেন্ট করলেও দারুণ সাড়া পাবেন।

প্রচারে,
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোহাম্মদপুর শাখা পরিচালক,
"ঢাকা হলি সার্ভে ট্রেনিং সেন্টার"
ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
whatsapp:01756186366

07/07/2025

রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....

সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করুন......

১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান।

২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন।

৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন।

৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন।

৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন।

৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন।

মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।

✪জনসচেতনতায়✪
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোহাম্মদপুর শাখা পরিচালক,
"ঢাকা হলি সার্ভে ট্রেনিং সেন্টার"
ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ :
whatsapp :০১৭৫৬১৮৬৩৬৬
০১৫২১৩৫৯১৮৫

29/06/2025

যে ১০টি কারণে নামজারি বাতিল হচ্ছে! ভূমি মালিকদের জরুরি করণীয়।

১০টি সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে নামজারি আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভূমি ক্রেতাদের অসচেতনতার ফল। নিচে এসব কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

১. দাগ নম্বরে ভুল

দাগ নম্বর জমির পরিচয় প্রকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই দলিলে ভুল দাগ নম্বর লিখিয়ে থাকেন, যা রেকর্ডে থাকা দাগ নম্বরের সঙ্গে মিলে না। ফলে দলিলে যেটি লেখা হয়েছে, সেটি হয়তো অন্য কারো জমির দাগ, ফলে নামজারি হয় না বা ভুল দাগে নামজারি হয়।

করণীয়: দলিল করার আগে খতিয়ান দেখে নিশ্চিত করুন সঠিক দাগ নম্বর ব্যবহার হয়েছে কি না। ভুল থাকলে ভ্রান্তি সংশোধনী করে নিন।

২. চৌহত্তিতে ভুল

চৌহত্তি বা বিবরণ অংশে ভুল থাকলে নামজারি বাতিল হয়। মালিকানা বিবরণ, দাগ, মৌজা, সাবেক মালিকের নাম ইত্যাদি অসংলগ্ন বা অসম্পূর্ণ থাকলে তা নামজারিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

করণীয়: দলিল লেখার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবী বা দলিল লেখক দ্বারা দলিল তৈরি করুন এবং প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।

৩. ভোটার আইডি ও দলিলের নামের অমিল

দলিলে ক্রেতার নাম যেমন লেখা হয়েছে, ভোটার আইডিতেও ঠিক তেমনই লেখা থাকতে হবে। বানান, পিতার নাম বা নামের স্টাইল ভিন্ন হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

করণীয়: দলিল এবং ভোটার আইডি মিলিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে সংশোধন করে তারপর আবেদন করুন।

৪. মালিকানা ধারাবাহিকতায় ভুল

সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ড অনুসারে মালিকানা ইতিহাস সঠিকভাবে দলিলে উল্লেখ না থাকলে নামজারি হয় না। ২৫ বছরের ধারাবাহিক ইতিহাস থাকা আবশ্যক।

করণীয়: সাবেক মালিকের মালিকানা সঠিক কি না তা খতিয়ান থেকে যাচাই করে নিন এবং দলিলে যথাযথভাবে উল্লেখ করুন।

৫. খতিয়ান নম্বরে অমিল

দলিল ও সর্বশেষ রেকর্ডের খতিয়ান নম্বর যদি না মেলে, তাহলে তা নামজারির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

করণীয়: খতিয়ানে যে নম্বর দেওয়া আছে, তা-ই দলিলে লিখুন। অমিল থাকলে আগে সংশোধন করে আবেদন দিন।

৬. জমিটি আগেই অন্য কারো নামে নামজারি হয়ে যাওয়া

একই জমি একাধিকবার বিক্রি হওয়া বা মালিকের সীমাবদ্ধ অংশের চেয়ে বেশি বিক্রি করায় পরে ক্রয়কৃত ব্যক্তির আবেদন বাতিল হয়।

করণীয়: জমি ক্রয়ের আগে দাগভিত্তিক নামজারি রেকর্ড দেখে নিন, জমির অবস্থান বুঝে ক্রয় করুন।

৭. অর্পিত সম্পত্তি থাকা

অনেকে অর্পিত (সরকারি নিয়ন্ত্রিত) সম্পত্তি ব্যক্তিগত মালিকানায় ভেবে বিক্রি করে থাকেন। দাগে অর্পিত জমি থাকলে নামজারি বাতিল হয়।

করণীয়: ভূমি অফিস থেকে জেনে নিন জমিতে কোনো অর্পিত অংশ রয়েছে কি না। থাকলে সে জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

৮. খাস জমি থাকা

ব্যক্তিগত জমির মাঝে সরকারিভাবে ঘোষিত খাস জমি থাকলে সেটির ওপর নামজারি সম্ভব নয়।

করণীয়: জমির সকল অংশের দাগ চেক করে নিশ্চিত হোন সেটি ব্যক্তিমালিকানাধীন কি না।

৯. জমির মধ্যে খাস জমি থাকা

খাস (নদী ভাঙন বা সরকার নির্ধারিত) জমি থাকলে বা সেটি ব্যক্তি মালিকানার বাইরে হলে নামজারি হবে না।

করণীয়: দলিলের আগে ভৌগোলিকভাবে জমির অবস্থা, দখল, ও প্রাকৃতিক অবস্থা দেখে নেওয়া জরুরি।

১০. অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করা

অনেক সময় ওয়ারিশানদের কেউ কেউ নিজের অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করে থাকেন। এতে ক্রেতা নামজারি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।

করণীয়: বন্টননামা বা ওয়ারিশান সনদ দেখে নিশ্চিত হোন বিক্রেতার বিক্রয় ক্ষমতা কতটুকু।

কী করবেন নামজারি রিজেক্ট হলে?

১. এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে সরাসরি জেনে নিন রিজেকশনের কারণ
২. প্রয়োজনীয় সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করুন
৩. কারো কথায় টাকা দিয়ে দ্রুত নামজারি করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না
৪. আইনি সহায়তা প্রয়োজন হলে উপজেলা ভূমি অফিস বা স্থানীয় আইনজীবীর পরামর্শ নিন

সতর্কতা:

নামজারি জমির মালিকানা স্বীকৃতির বৈধ প্রমাণ। একে অবহেলা করা মানে ভবিষ্যতে জমির ওপর অধিকার হারানোর ঝুঁকি নেওয়া। কাজেই ক্রয়ের আগেই দলিল, দাগ, খতিয়ান, মালিকানা ইতিহাস ভালোভাবে যাচাই করে নিন।

☆সচেতনতায়☆
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোহাম্মদপুর শাখা পরিচালক,
"ঢাকা হলি সার্ভে ট্রেনিং সেন্টার"
ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
whatsapp :01756186366

29/06/2025

জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ-এর “আবানা সম্মেলন ২০২৫”
আলহামদুলিল্লাহ! জামিয়া ফরিদাবাদের প্রাক্তন ছাত্রদের মাঝে বহুদিন ধরেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে মিলনের কিছু উদ্যোগ হলেও এবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে একটি নিয়মিত ও পরিপূর্ণ আয়োজন — "বার্ষিক আবনা সম্মেলন"।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর
আসছে এক রূহানী হাফলাতুল লিক্বা —
✨ বার্ষিক أَبْنَاءُ الجَامِعَةِ সম্মেলন ✨
একটা দিন…
যেখানে মিলবে হৃদয়ের নূর,
ঝরে পড়বে চোখের ভালোবাসা,
আর স্মৃতির উঠোনে বাজবে আল্লাহওয়ালাদের কণ্ঠস্বর…
ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৪৪৭ হি. মোতাবেক ২০২৫ সাল থেকে প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, যাতে প্রিয় আবনা'দের মাঝে আত্মিক বন্ধন সুদৃঢ় হয় এবং জামিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় হয়।
🗓️তারিখ: ১০ মুহাররম ১৪৪৭ হিজরি | ৬ জুলাই ২০২৫ ইং
📍 স্থান: মসজিদে বেলাল (রাঃ)
🕘সকাল ৯টা
আপনাকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে এই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের সুধাময় পরিবেশে শরিক হওয়ার জন্য।
🔴 সম্মেলনের সময়সূচি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য অচিরেই জানানো হবে ইনশাআল্লাহ।
🕌 জামিয়া ফরিদাবাদ —
স্মৃতির পবিত্র বাগান, ইলমের স্নিগ্ধ ছায়া, ভ্রাতৃত্বের নিরব অন্তঃস্বর।
#আবনা_সম্মেলন_২০২৫
#জামিয়া_ফরিদাবাদ

#আবনা_সংযোগ
#স্মৃতির_মিলনমেলা

08/06/2025

বাবার সম্পত্তি বন্টননামা এবং নামজারী করার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
সম্পত্তি বন্টননামা:
যদি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে একাধিক ওয়ারিশ থাকেন, তাহলে তাদের মধ্যে একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করতে হবে। বন্টননামা করার নিয়ম:
১. সকল ওয়ারিশগণকে সম্মতিতে আসতে হবে যে কিভাবে সম্পত্তি ভাগ করা হবে।
২. একটি বন্টননামার খসড়া তৈরি করতে হবে, যেখানে সম্পত্তির বিবরণ এবং প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
৩. স্ট্যাম্প পেপারে বন্টননামাটি লিখতে হবে এবং সকল ওয়ারিশকে স্বাক্ষর করতে হবে।
৪. বন্টননামা দলিলটি রেজিস্ট্রি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
৫. রেজিস্ট্রেশন ফি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ পরিশোধ করতে হবে।
বন্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রেশন খরচ সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভর করে। এছাড়া স্ট্যাম্প শুল্ক, ই-ফি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও প্রযোজ্য হবে।
নামজারী:
নামজারী হলো জমিতে নতুন মালিকের নাম সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া। উত্তরাধিকার সূত্রে বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় জমির মালিকানা পরিবর্তন হলে নামজারী করা আবশ্যক। নামজারী করার নিয়ম:
১. সহকারী কমিশনার (ভূমি)অফিসে নামজারীর জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে অনলাইনেও নামজারীর আবেদন করা যায়।
২. আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
* জমির মালিকানার প্রমাণপত্র (যেমন: বন্টননামা, ক্রয় দলিল, ওয়ারিশ সনদ)।
* খতিয়ানের অনুলিপি।
* দাখিলা বা খাজনার রশিদ।
* আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি।
* প্রয়োজনে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র।
৩. আবেদন ফি এবং নোটিশ জারী ফি অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে হবে।
4. সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক জমির রেকর্ড ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।
5. প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করা হতে পারে।
6. সকল কিছু সঠিক থাকলে নামজারীর অনুমোদন দেওয়া হবে এবং নতুন খতিয়ান তৈরি হবে।
7. অনুমোদিত হলে ডিসিআর (DCR) ফি প্রদান করে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করতে হবে।
বর্তমানে ই-নামজারীর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নামজারী সম্পন্ন হওয়ার কথা।

জনসচেতনতায়,
সার্ভেয়ার মাওলানা নাজমুল হক,
সিনিয়র প্রশিক্ষক ও মোহাম্মদপুর শাখা পরিচালক,
ঢাকা হলি সার্ভে টেনিং সেন্টার, ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগঃ
whatsapp :০১৭৫৬১৮৬৩৬৬

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Muhammadpur
Dhaka
1207