লহরি একাডেমি

লহরি একাডেমি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশুদ্ধ চর্চা, প্রচার ও প্রসারের জন্য আমাদের ক্ষুদ্র এ প্রয়াস ।

আমাদের কোর্স সমূহ:
★ ছাত্র ছাত্রীদের জন্য:
ও
★ চাকুরী প্রার্থীদের জন্য:

★ চাকুরীজীবী ও গৃহিণীদের জন্য:
#ব্যবহারিক_বাংলা।
ভর্তি, তথ্য ও যোগাযোগ:
লহরি একাডেমি
(বিশুদ্ধ বাংলা শিক্ষা কেন্দ্র)
বৃহত্তর যশোর সমিতি ভবন
(চতুর্থ তলা), নীলক্ষেত, ঢাকা- ১২০৫।
মুঠোফোন: +880 1911-636825

দেখা হবে আজ রাত ১১ টায়। লহরি একাডেমি পেজটিতে ফলো দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।
22/09/2026

দেখা হবে আজ রাত ১১ টায়। লহরি একাডেমি পেজটিতে ফলো দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

কায়েদে আযম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে বাংলার বিখ্যাত কবিদের লেখা কবিতা! ১. জিন্নার প্রতি— সুকান্ত ভট্টাচার্যযুযুধান দেশ...
20/09/2026

কায়েদে আযম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে বাংলার বিখ্যাত কবিদের লেখা কবিতা!

১. জিন্নার প্রতি— সুকান্ত ভট্টাচার্য

যুযুধান দেশ কে আজ নির্বিরােধ!
কুচক্রান্ত ছড়ায় রাত্রিচারী
মিথ্যার মদে ভুলবে না নির্বোধ
দিনরাত্রি যে বিদ্যুৎ সঞ্চারী।
তপস্যা শেষ, ভাঙ্গো আজ মৌনতা,
দুর্গের দ্বার খােলো বিনিদ্র দ্বারী,
শত্রুরা মূঢ়; সম্ভাষে স্বাধীনতা,
আমরা জয়ের সাগরে জমাবাে পাড়ি,
আজকে এ-দেশ শুনেছে যে ব্রত কথা
সােনার খাঁচার সঙ্গে তাইতাে আড়ি।

২. হে মহান নেতা— বেগম সুফিয়া কামাল

কায়েদে আজম! হে মহান নেতা সাড়া দাও,
দাও সাড়া,
তোমারে ভোলেনি, আজিও ডাকিছে বঞ্চিত সর্বহারা
তোমারে হেরেনি, শুনেছিল শুধু তোমার কন্ঠবাণী;
জেনেছিল তারা, তুলেছে পতাকা তোমার বজ্রপাণি
অবিচল ন্যায়ে, সত্যের আলো ইসলামী ছায়াতল
বহু যুগান্ত আঁধার অন্তে আবার সমুজ্জ্বল
হয়ে এল, নীল নভ হতে হাসে অর্ধচন্দ্র-তারা
শ্যামা বসুমতী বিছায়ে আঁচল নিশীথ তন্দ্রাহারা
হেরিল দিনের দীপ্তরবির আলোক বিথারি পথ
ভরে জনতায় তব জয়গানে পুরাইয়া মনোরথ
দৃপ্ত স্বাধীন বক্ষের বলে লাখো লাখো তাজা প্রাণ-
কায়েদে আযম! তোমারে স্মরিয়া করিয়াছে কোরবান।
এনেছে আযাদী শতাব্দী শেষে, তোমার মহান দান
অঞ্জলী পাতি করেছে গ্রহণ, রাখিয়াছে সন্মান
সর্বহারার দল ।
আর যারা লোভী, ক্রুর শয়তান, তাহারা করেছে ছল।”

​৩. কায়েদে আজম স্মরণে— জসীমউদ্দীন

পাকিস্তানের ভাগ্যবিধাতা, হে জাতির কাণ্ডারী,
কোন দূর দেশে চলে গেলে আজ মোদের একাকী ছাড়ি!
ধানের ক্ষেতেতে বাতাসে বাতাসে বাজে আজ হাহাকার,
কোটি কৃষকের ঘরে ঘরে কাঁদে শোকের অশ্রুধার।
যে রূপ তুমি দিয়া গেলে ভাই নতুন এই দেশেরে,
সে রূপ যে আজ মলিন হয়েছে তোমারে হারায়ে ফেলে।
গাঁয়ের নদীটি বয়ে চলে আজ বিষাদের সুর তুলি,
তোমারে আমরা কি করি ভুলিব, হে মহান নেতা ভুলি?
তোমার ত্যাগের স্মৃতি নিয়ে মোরা বাঁচিয়া রহিব আজ,
মাথার উপরে রহিবে তোমার রেখে যাওয়া গুরুকাজ...

৪. কায়েদে আজম — গোলাম মোস্তফা

​হে কায়েদে আজম! তোমারে সালাম জানায় নিখিল জন,
তব ত্যাগ আর সাধনায় আজ মুক্ত মোদের মন।
কাটিয়েছ তুমি শৃঙ্খল-জাল, আনিলে স্বাধীনতা,
ইতিহাস মাঝে রবে অক্ষয় তোমার অমর কথা।
নব ইতিহাস রচিলে বন্ধু মুসলিম জাতির তরে,
আলোকের শিখা জ্বালাইলে আজ প্রতি মুসলিম ঘরে।
ধন্য তোমার বীরত্ব আর ধন্য তোমার বাণী,
পাকিস্তান নামে একটি মুলুক দিলে তুমি টানি।
চিরদিন তব নাম রবে লেখা আকাশের তারা সম,
শত কোটি মুসলিম হৃদয়ে তুমি প্রদীপ্ত অনুপম...

৫. জাতির জনক— বন্দে আলী মিয়া

জাতির জনক তোমারে সালাম!
পাক-ভারতের ইতিহাসে তোমার নাম লেখা রইলো।
লেখা রইলো কালের পাতায়,
লেখা রইলো ধরিত্রীর ধূসর ধূলায়।
শতাব্দীর অন্ধ কারাগারের দ্বার ঠেলে
হে জ্যোতির্ময়, পরাধীন মুসলিম জাহানে তুমি এলে।
তোমার আবির্ভাবে খসে পড়লো গোলামীর জিঞ্জির।

৬. আফতাব— ফররুখ আহমেদ

​চাঁদ ডুবে গেল। নিভে গেল আফতাব!
লাখো সেতারার মাঝে চাঁদ ডুবে গেল,
জামানার ঘোর জুলমাতে হায় নিভে গেল আফতাব।
সংকট-ক্ষণে নিভে গেল বুঝি তদীরে আফতাব।।

যে খররশ্মি ছড়াতে ছিলো সে মখলুকাতের তীরে,
একতার মালা গাঁথিতেছিল যে কোটি মুমিনের দীলে,
অবেলায় সেই রোশনি যে গেল নিভে;
অসময়ে হায় থেমে গেল তার হাত!
মওতের ছায়া পড়ল আমার সিপা'সালারের মুখে
নাই আলো নাই যেদিকে তাকাই আলো নাই সম্মুখে,
মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া করে ওঠে হাহাকার
নিভে গেছে আজ আফতাব, হায় হারায়ে সিপা'সালার।।

ঘুমে অচেতন সে সিপা'সালার দীর্ঘ জেহাদ-শেষে,
ফউজের ডাক যায় না কো তার কাছে;
মওতের মেঘ ঘন জুলমাতে কৃষ্ণ ছায়ার মতো
অন্ধ নিশীথে আজ তাকে ঘিরে আছে।
বাসা বেঁধে রেখে বিহঙ্গ পিতা আকাশে দিয়েছ পাড়ি,
সেনানী আমার চলে গেছে তার জয়-অভিযান শেষে।
জঙ্গী ফউজ ঐ দেখ তার জঙ্গের ময়দান-
ঐ দেখ তার নিশান উড়ছে অজানার উদ্দেশে॥

​৭. পনেরই আগস্ট — আহসান হাবীব

​রাত পোহাল আজ কাঙ্ক্ষিত সেই আলোর রেখা ধরে,
বন্দী আত্মার মুক্তি এলো মুক্ত আকাশের তরে।
দ্বিজাতি তত্ত্বের কঠিন সোপানে দাঁড়ায়ে যে পুরুষ,
আনিলে কাটায়ে বহু সংগ্রাম রক্তে ভেজা ক্রুশ।
সে যে কায়েদে আজম, তাহার ডাকেই জাগিল কোটি প্রাণ,
আজাদির এই পুণ্য দিনে গাহি তাহারি জয়গান।
শত শোষণের প্রাচীর ভাঙিয়া জন্ম নিল দেশ,
পাকিস্তান নামের ভূখণ্ডে মিটিল দুঃখের শেষ।
যে পথ দেখালে মহৎ নেতা, সে পথেই চলি মোরা,
সত্যের আলোয় আলোকিত আজ নব প্রভাতের ধরা...

​৮. জিন্নাহ মেহমান— সৈয়দ আলী আহসান

​স্বাগত তোমারে হে মহান নেতা, পূর্বের এই তীরে,
কোটি জনতা জাগিছে আজকে তোমারে নেহারে ঘিরে।
ঢাকা নগরের আকাশে বাতাসে আজ আনন্দের বান,
ধন্য হইল নিখিল বাংলা পাইয়া তোমারে মেহমান।
সুদূর করাচি হতে আসিলে যে নব আশার বাণী লয়ে,
তোমারে সালাম জানাই মোরা বিজয়ের গান গেয়ে।
মোদের এই মাটি সুফলা ও সবুজ, প্রেমে ভরা এই ধরা,
তব শুভ পদার্পণে আজ আশার আলোয় ভরা।
গাহে গান পাখি, বহে সমীরণ তোমারি আগমনে,
পাকিস্তান সেরা একতার শক্তি জাগুক মোদের মনে...

​৯. নিশান বরদার— সিকান্দার আবু জাফর

তোমার একান্ত স্বপ্ন সাধনার মূল্যে পাওয়া
আজাদীর পরম সম্মান।
এ দিনের ক্ষয় নেই তাই
এ দিনের অধিবাসী আমরা সবাই,
জাতির মহান পিতা : তোমার স্মরণে আজ
সালাম জানাই।

১০. কায়েদে আজমের প্রতি — আব্দুল কাদির

​হে কায়দে আজম, তব দূরদর্শী চোখে
ফুটলো নতুন দিন মুসলিম এই লোকে।
শৃঙ্খল ভেঙে ফেলি আনলে মুক্তির বায়ু,
জাতির হৃদয়ে তুমি পাবে চির-আয়ু।
পরাধীনতার দিন অবসান হলো আজ,
মাথায় পরিলে তুমি ত্যাগেরই শিরস্তাজ।
দূর করি দিলে সব তিমির ও সংশয়,
সংগ্রাম চেতনায় আনিলে মহাজয়।
তোমারে প্রণাম জানায় কোটি কোটি জনতা,
আকাশে বাতাসে আজ তব বিজয়ের বার্তা...

১১. কায়েদে আজমের স্মরণে — শাহাদাৎ হোসেন

​ঝরিল কি তবে আঁধার রাতে আশার পুঞ্জি-তারা?
শোকের সাগরে ডুবিল আজিকে পাকিস্তান-ধারা!
যে পুরুষ আনিল আযাদী-সূর্য তিমির-রজনী ফাড়ি,
সে আজ চলিল চির-অজানায় পারায়ে মৃত্যুর বাড়ি।
কান্দে কোটি প্রাণ, কান্দে আকাশ, কান্দে ধরণী মাতা,
স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তব ত্যাগ ও অমর গাথা।
যে পথ দেখালে বীর কায়েদে, সে পথেই যাব চলি,
শত শৃঙ্খল ভাঙিয়া মোরা নব জীবনের কথা বলি।
মোদের হৃদয়ে জ্বেলে গেলে তুমি দেশপ্রেমেরই শিখা,
ইতিহাস মাঝে চিরদিন রবে তোমার নামটি লিখা

১২. কায়েদে আজম — বেনজীর আহমদ

​তোমারে চিনেছে নিখিল পাকিস্তান, চিনেছে বঙ্গভূমি,
আঁধার রাতের মুক্তিসূর্য হইয়া দেখা দিলে তুমি।
শত শোষণের শৃ্ঙ্খল কাটি দিলে আজাদী-পয়গাম,
হে কায়েদে আজম, তোমারে জানাই অগণন সালাম।
তোমার মন্ত্রে জাগিল জাতি, ভাঙিল মনের ভয়,
সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের মাঝে আনিলে মহাজয়।
একতা, ঈমান, শৃঙ্খলা দিয়া গড়িলে রাষ্ট্র নতুন,
তব ত্যাগের কথা মনে রাখিবে কোটি মুজাহিদ-মন।
নীল আকাশেতে উড়িছে পতাকা সবুজ-সফেদ রঙে,
চিরদিন তব স্মৃতি রবে জাগি এই নদী-ঘেরা বঙ্গে...

১৩. কায়েদে আজমকে— ফজল শাহাবুদ্দীন

মাঝে মাঝে দেখিয়াছি প্রভাতের আলােক রঙীন।
তবু সেই ঝড় এলাে-মেলাে সেই রাত্রির হাওয়ায়।
তুমি এলে হে নাবিক, প্রভাতের পানপাত্র হাতে
আঁধার মুখর হলাে জীবনের প্রদীপ্ত শপথে
রাত্রির বন্দর থেকে মৌসুমীর হাসিন উষায়।

১৪. ইতিহাস— আবু হেনা মােস্তফা কামাল

তােমাকে জেনেছি আকাশের চেয়ে বড়
সাগরের চেয়ে অনেক মহত্তর কেননা
ক্লান্ত চোখের পাতায় নতুন আলাের ঝড় তুমি এনে দিলে। নতুন জোয়ার ছুঁয়ে গেল বন্দর।

১৫. কায়েদে আজম — কাজী মঈনউদ্দীন

​হে মহাপুরুষ, জাগালে আজকে শত কোটি ঘুমন্ত প্রাণ,
তোমারি ডাকেতে মুক্ত হইল পরাধীন আসাম-আজাদ স্থান।
দ্বিজাতি তত্ত্বের মশাল জ্বালিয়া দেখাইলে সত্যের পথ,
থামিল না কভু বাধার মুখেতে তোমার বিজয়-রথ।
পরাধীনতার শৃঙ্খল কাটি জন্ম নিলে পাকিস্তান,
ইতিহাসে তুমি রবে চিরদিন অমর মহীয়ান।
মোদের চেতনা, মোদের শক্তি, তুমি যে জাতির কান্ডারী,
তব পদচিহ্ন ধরি চলিব মোরা সংকট-নদী পারি।
তোমারি স্মরণে অবনত শির জানায় সালাম তোমায়,
চিরপ্রদীপ্ত নাম তব রবে যুগান্তরের সীমায়

১৬. স্রষ্টার প্রতি (কায়েদে আজমকে)— মযহারুল ইসলাম

সহসা আলোর পরশ লাগলে
প্রাণে প্রাণে এক চেতনা জাগে আঁধার দুয়ার খুলে গেল সম্মুখে
কে তুমি হে নব-পথ-সন্ধানী আলােকদ্রষ্টা?

১৭. স্মৃতির মিনার— সাজ্জাদ হোসাইন

​আকস্মিক নেমে এলো শোকের নিবিড় আঁধার,
নিভে গেল মহাতারা পাকিস্তান-আকাশের মাঝার।
হে কাণ্ডারী, তুমি আজ বিদায় নিলে যে চিরতরে,
কান্নার রোল ওঠে কোটি মুসলিমের ঘরে ঘরে।
যে পথ দেখালে তুমি মুক্তির আলোকময় যাত্রায়,
সে স্মৃতি অমর হয়ে রবে মোদের প্রতিটি মাত্রায়।
তোমার সুদৃঢ় নীতি, একতা ও বিশ্বাসের বল,
মোদের প্রেরণা হয়ে রবে চিরদিন সমুজ্জ্বল।
কোটি প্রাণের অশ্রুতে গড়ে ওঠে স্মৃতির মিনার,
তোমার চরণে জানাই শ্রদ্ধা ও সালাম বারবার...

১৮. আজাদীর দিনে — তালিম হোসেন

​শৃঙ্খল ভাঙার এই শুভ দিনে স্মরি হে তোমারে নেতা,
যাহার সাহসে ঘুচিয়া গেল গো যুগান্তরের ব্যথা।
তুমি দেখালে যে মুক্তির পথ নিবিড় আঁধার মাঝে,
তোমার মন্ত্রে জাগিল জাতি নতুন জীবন-কাজে।
পনেরই আগস্টের আলোতে আজ তোমারি নাম ফুটে,
পাকিস্তানের এই নতুন প্রভাতে শৃঙ্খল গেল টুটে।
তুমি শিখালে যে একতার পাঠ, ঈমান ও শৃঙ্খলা,
ভেঙে ফেলিলে পরাধীনতার শত প্রাচীর ও শলা।
তোমার সুদৃঢ় নেতৃত্বের বলে মুক্ত মুসলিম জাতি,
আঁধার রজনী শেষে এলো আজ নতুন আলোর ভাতি

১৯. মহাতপস্বী জিন্নাহ — আবুল হোসেন

​হে মহাতপস্বী নেতা, রাজনীতির জটিল প্রাঙ্গণে
দাঁড়ালে একাকী তুমি অবিচল সংকল্পের মনে।
ঝঞ্জা ও বাধার মুখে ক্ষুরধার যুক্তি ও আশায়,
গড়িয়া তুলিলে দেশ কোটি জনতার ভালোবাসায়।
কোনো প্রলোভন কভু পারেনি নোয়াতে তব শির,
ইতিহাসের বুকে তুমি নির্ভীক অনন্য এক বীর।
অধিকার আদায়ের কণ্টকময় দীর্ঘ এই পথে,
আনিলে বিজয়-রথ জয়ী হয়ে সত্যের মতে।
তব ত্যাগে পাইলাম মুক্ত ও স্বাধীন এই ধরা,
শুভ পদার্পণে তব নতুন আশার আলোয় ভরা।

19/09/2026

এক ক্লাসেই মুখস্থ করুন বাংলা ভাষায় আগত সকল দেশি ও বিদেশি শব্দ। 🔥🔥🔥

18/09/2026
17/09/2026

আমি এর আগে একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য পোস্ট করেছিলাম, তখন অনেকেই আমাকে নক দিয়েছিলেন। কিন্ত আমি তখনও সবকিছু পুরোপুরি গুছিয়ে উঠতে না পারার কারণে কাউকেই কথা দেইনি। আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমরা পুরোপুরি গুছিয়ে ফেলেছি। ব্যাংক একাউন্ট থেকে আরম্ভ করে আমাদের সবকিছুই রেডি। আমার প্রিয় শিক্ষার্থী, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে যারা আগ্রহী, তারা আজকের মধ্যেই নিচের Whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। কারণ শেয়ার মাত্র ১০০ টি। শুধু আমার ওপর যাদের আস্থা আছে এবং আমাকে কাছ থেকে চিনেন, কেবল তারাই যোগাযোগ করবেন।
01911-636825

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর বিরুদ্ধে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে কণ্ঠস্বর। AI-এর উপর শুধুমাত্র লাগাম পরানোর দাবিই নয়, সম্পূর্ণ ভা...
16/09/2026

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর বিরুদ্ধে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে কণ্ঠস্বর। AI-এর উপর শুধুমাত্র লাগাম পরানোর দাবিই নয়, সম্পূর্ণ ভাবে AI-এর গতিরোধ করার দাবি উঠছে। AI-এর ভয়াবহত আঁচ করে সম্প্রতি Anthropic থেকে পদত্যাগ করেছেন জেকব কক্সন। এবার Google-এর DeepMind AGI সেফটি টিম থেকে সরে দাঁড়ালেন জশ এঙ্গেলস। তিনি জানিয়েছেন, ঝুঁকির মাত্রা অত্যধিক হয়ে গিয়েছে। তাই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। (Artificial Intelligence Risks)

মাইক্রোব্লগিং সাইট X-এ Google-এর DeepMind AGI থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন জশ। জানিয়েছেন, তিন সপ্তাহ আগে পদত্যাগ করেছেন তিনি। বর্তমানে অলাভজনক সংস্থা METR-এ যোগ দিয়েছেন। AI-এর ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য বিপদ ঠেকাতে কাজ করে ওই সংস্থা। জশ লেখেন, ‘GDM-এ নিডের কাজ উপভোগ করতাম আমি। Anthropic, OpenAI-এর অফারও ফিরিয়েছি দিয়েছিলাম। কিন্তু বিপদের আঁচ পেয়ে এই সিদ্ধান্ত নিলাম’। (AI Risks)

মানুষের চেয়ে বেশি দক্ষ এবং বুদ্ধিমান AI বানানোর দৌড়ে নেমে মানবসভ্যতার জন্য বিপদ ডেকে আনা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জশ। তাঁর কথায়, ‘আমাদের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার কথা ছিল AI-এর। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে, ততই অসামঞ্জস্য চোখে পড়ছে। গত কয়েক সপ্তাহে এমন সব মডেলের কথা জানতে পেরেছি, যারা আমাদের ফাঁকি দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে আঁতাত গড়েছে। সিস্টেম হ্যাক করেছে বিভিন্ন সংস্থার। নিজেদের কর্মকাণ্ডের চিহ্ন মুছে ফেলেছে নিজেরাই। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে মানুষকে। আমার মনে হয়, আগামী পাঁচ বছরে AI-এর দরুণ ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। যথেষ্ট কারণ রয়েছে ভীত হওয়ার। ঝুঁকি এতটাই বেশি যে আমার মনে হয় বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমস্যা এটাই’।

AI-কে নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষে সওয়াল করেছেন জশও। তিনি জানিয়েছেন, অসামঞ্জস্যগুলি খতিয়ে দেখা দরকার। সঠিক পথে এগোচ্ছে কি না সবকিছু, মূল্যায়ন করে দেখতে হবে। AI সংস্থাগুলির জবাবদিহি করা উচিত, সমাজের সকলের সচেতন হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ঘটনাচক্রে সম্প্রতি Anthropic থেকে পদত্যাগের সময় একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন জেকব। তাঁর দাবি ছিল, চলতি দশকের শেষেই মানুষকে মেরে ফেলতে পারে AI. এর পর স্যাম অল্টম্যান থেকে ইলন মাস্ক, AI-এর গতিরোধ করার দাবি সরব হয়েছেন একে একে অনেকেই।

16/09/2026

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মোট সরকারি ঋণ: প্রায় ২২.০৬ লাখ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ (External Debt): প্রায় ৭৮.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯.৫৯ লাখ কোটি টাকা)। এখন বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৩৫ লাখেরও অধিক। এই সমস্যা দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। রপ্তানী আয় দিন দিন কমছে। এদেশের অধিকাংশ রাজনীতিবিদেরা চোর। তাই এই সমস্যা সমাধানে কারও কোনো উদ্যোগ নেই। শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই। ঘুষ দুর্নীতিি নিয়ে সকলেই নিশ্চুপ। একটা জাতি কতটা মাদার চো* হলে এইগুলো বাদ দিয়ে পড়ে আছে ডাকসুতে কার ছবি রাখবে, আর কার ছবি ছিঁড়বে সেটা নিয়ে। মরা মানুষের বা* ফেললাম; আর তাতে এ দেশের মানুষের অনেক উপকার হলো, এই আর কী?
মাদর চো* একটা কথা বলি শোন, এই বেশি বোঝার কারণেই তোদেরকে বছরের পর বছর বিদেশিরা ঠাাপাইছে; পর্তুগিজ ঠাপাইছে, ওলন্দাজ ঠাপাইছে, ডাচ ঠাপাইছে, ফরাসিরা ঠাপাইছে, দুশো বছর ইংরেজরা ঠাপাইছে, এরপর পাকিস্তানিরা ঠাপাইছে। এর আগে মারাঠারা ঠাপাইছে, বর্গীরা ঠাপাইছে, আরাকানী মগেরাও ঠাপাইছে। এত ঠাপ খাবার পরেও যে জাতির হুশ ফেরেনি, তাদের আর কিসে হুশ ফিরবে, আমাকে বলতে পার?
-শামসুল আলম
পরিচালক, লহরি একাডেমি (বিশুদ্ধ বাংলা শেখার প্রতিষ্ঠান); চেয়ারম্যান, এডুকেশন রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ই. আর. এফ)।

লহরি একাডেমির সাবেক শিক্ষার্থীগণ। সময় কত দ্রুত চলে যায়।
15/09/2026

লহরি একাডেমির সাবেক শিক্ষার্থীগণ। সময় কত দ্রুত চলে যায়।

13/09/2026

রাতের ঢাকা: মেট্রোরেল স্টেশন, মিরপুর- ১০।

12/09/2026

ধিক তাকে শত ধিক, নির্লজ্জ যে জন! যে শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের সন্তানদের বাংলা বর্ণমালার পঞ্চাশটি বর্ণ পর্যন্ত শুদ্ধ করে শেখাতে পারে না, আমি সেই শিক্ষাব্যবস্থাকে ধিক্কার জানাই। নিজের মাতা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমির প্রতি যদি ন্যূনতম দরদ থাকে, তাহলে এই ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে সকলের কাছে পৌঁছে দিন।

Address

Nilkhat
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when লহরি একাডেমি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to লহরি একাডেমি:

Shortcuts

Share