School of Financial Intelligence

School of Financial Intelligence

Share

❝স্কুল অব ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স❞ আর্থিক বোধবুদ্ধির সাথে জড়িত মানবজীবনের সকল উপাদানই যার আলোচ্য।

13/05/2026

নিজের জীবন ও ক্যারিয়ারকে সম্পূর্ণ বদলে ফেলার এখনই সুযোগ!

আপনি কি আপনার জীবনের লক্ষ্য স্থির করতে পারছেন না? ব্যবসা শুরু করতে চান কিন্তু বিক্রয় বা উপস্থাপনার সঠিক কৌশল জানেন না?

আপনার ভেতরের লিডারশিপ ও মানসিকতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে SFI (School of Financial Intelligence) নিয়ে এলো এক দুর্দান্ত Beginners Course!

✨ এই ১টি কোর্সেই থাকছে ১৩টি লাইফ-চেইঞ্জিং ক্লাস টপিক:
জীবন পরিবর্তনকারী শিক্ষা (Life Changing Education)
১ স্বনির্ভর উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি
২. কল্পনাশক্তি, স্বপ্ন এবং লক্ষ্য নির্ধারণ
৩ নিজের সেরা সংস্করণ (Best Version) প্রকাশ করা
৪. বিক্রয় কলাকৌশল: সঠিক পদ্ধতি (The Art of Selling)
৫. প্রেজেন্টেশন ও পাবলিক স্পিকিং-এর আর্ট
৬. অবজেকশন বা বাধা হ্যান্ডেল করার কৌশল
৭. ফলো-আপ এবং কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজমেন্ট
৮. বিজনেস ক্লোজিং এবং মাস্টারমাইন্ড হওয়া
৯. টিচিং, কোচিং ও ডুপ্লিকেশন পদ্ধতি
১০. লিডার ও লিডারশিপ গাইডলাইন
১১. আধ্যাত্মিক ও মানসিক জাগরণ
১২. শরীর, মন ও আত্মার নিয়ন্ত্রণ এবং
১৩. একটি শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ

👨‍🏫 কোর্স মেন্টর (৩০ হাজারেরও বেশি ক্লাস করানোর বিশাল অভিজ্ঞতা সম্পন্ন):
আবদুল মালেক স্বাধীন (Abdul Malek Shadhin)
— ফাউন্ডার: SFI & RtB-TNH GROUP.

💻 ক্লাস প্ল্যাটফর্ম: জুম ওয়ার্কপ্লেস (সম্পূর্ণ অনলাইন লাইভ ক্লাস)

🔥 ধামাকাদার অফার! (সীমিত সময়ের জন্য)
কোর্সের রেগুলার ফি ২০০০ টাকা, কিন্তু প্রথম ৩০ জন শিক্ষার্থীর জন্য থাকছে ফ্ল্যাট ৫০% ডিসকাউন্ট!
💰 অফার ফি: মাত্র ১০০০ টাকা!

আপনি যদি জীবনে বড় কোনো অগ্রগতি এবং আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চান, তবে এই কোর্সটি আপনার জন্য মাস্ট-হ্যাভ (Must-Have)। আসন সংখ্যা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে!

📞 আজই আপনার সিট বুক করতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন:
👉 01624-449294

01/05/2026

এই গরুটা প্রতি বছর ভাইরাল হয়-

এই গরুটার নাম 'মানিক'। বেশ কিছু বছর ধরে কোরবানির ঈদে এই গরুটা ভাইরাল হয়, কিন্তু বিক্রি হয় না।

এদিকে গরুর বয়স যত বাড়ছে, বাজারে তার আকর্ষণ তত কমছে, স্বাভাবিকভাবে দামও কমছে। অন্যদিকে, প্রতি বছর এই গরুটা লালন-পালন করতে যে অর্থ, শ্রম এবং সময় ব্যয় হচ্ছে—সেটা নিঃসন্দেহে একটি ‘বিগ অ্যামাউন্ট’।

এখন প্রশ্ন হলো—যিনি একে এত বড় করে পুষতে পারলেন, তিনি গরুটা বিক্রি করতে পারছেন না কেন?
অনেকেই হয়তো বলবেন দাম বেশি চায়, কিংবা এত বড় গরু কেনার মতো ক্রেতা নেই। কিন্তু আসলেই কি তাই? উত্তর হলো—না। কারণ এর চেয়েও বেশি দামে এবং আরও বড় গরু কিন্তু দেশে প্রতি বছরই বিক্রি হচ্ছে।

তাহলে এই গরুটা বিক্রি না হওয়ার মূল কারণ 'দাম' বা 'সাইজ' নয়; মূল কারণ হলো—এই বিক্রেতার 'প্রোডাক্ট' তৈরি করার স্কিল থাকলেও সেটি 'বিক্রি' করার স্কিল একেবারেই নেই।

ঠিক একইভাবে, আমাদের দেশে বহু উদ্যোক্তা আছেন যাদের প্রোডাক্ট খুব ভালো, পণ্য তৈরির দক্ষতাও চমৎকার; তবুও তারা মার্কেটে টিকতে পারছেন না। কারণ তাদের প্রোডাক্ট বিক্রয় করার বা বাজারজাত করার দক্ষতা নেই।

আবার অন্য একটা চিত্র দেখুন—যাদের অনেকগুলো ভালো স্কোর করা একাডেমিক সার্টিফিকেট আছে, কিন্তু জব হচ্ছে না। তাদের বেলায়ও হিসাবটা একই। তারা প্রিন্টেড সার্টিফিকেট কীভাবে অর্জন করতে হয় তা জানলেও, চাকরির বাজারে সেই সার্টিফিকেট বা নিজেকে কীভাবে বিক্রি (প্রেজেন্ট) করতে হয়, তা জানেন না।

তাই আমরা বরাবরই বলে আসছি—আপনি যে প্রফেশনেই নিজেকে ভালো জায়গায় নিতে চান না কেন, আপনাকে কিছু 'বেসিক স্কিল' অর্জন করতেই হবে। মাস্ট! নইলে এই প্রতিযোগিতার যুগে আপনার অবস্থাও উপরের ওই 'মানিক'-এর মতোই হবে।

- মিতা শাহানী

Photos from School of Financial Intelligence's post 26/04/2026

"বিগিনার্স মাস্টারি" — এই একটি কোর্সই হতে পারে আপনার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট!

কেন? তার আগে জেনে নেওয়া যাক 'মাস্টারি' আসলে কী?

মাস্টারি মানে শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, বরং নিজের জীবন, ক্যারিয়ার এবং পরিস্থিতির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। এটি গতানুগতিক কোনো শিক্ষা নয়; এটি নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এক অনন্য শিল্প।

আমাদের বিশেষত্ব কী?
আমরা আপনাকে বলে দেব না যে আপনি কোন প্রফেশনে যাবেন। কারণ আমরা জানি আপনার স্বপ্ন আপনারই। আমাদের কাজ হলো—আপনি যে প্রফেশনেই থাকুন না কেন, তার চূড়ায় (Peak) পৌঁছাতে আপনাকে সাহায্য করা।

এই ১৩টি ক্লাস আপনার জীবনের প্যারাডাইম বদলে দেবে-

কীভাবে?
মাইন্ডসেট শিফট: সাধারণ কর্মচারী মানসিকতা থেকে বেরিয়ে একজন 'সেলফ-এমপ্লয়েড এন্টারপ্রেনার' হওয়ার আত্মবিশ্বাস ও লজিক তৈরি।

আনবিটেবল সেলিং পাওয়ার: আপনি যে কাজই করুন, নিজেকে এবং নিজের আইডিয়াকে 'সেল' করার সাইকোলজি জানাটা সবচেয়ে জরুরি।

পাবলিক ইনফ্লুয়েন্স: ভিড়ের মাঝে হারিয়ে না গিয়ে নিজের ব্যক্তিত্ব আর কথা বলার জাদু দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার সক্ষমতা।

আল্টিমেট সেলফ-কন্ট্রোল: নিজের শরীর, মন এবং আত্মার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা—যা আপনাকে দেবে অটুট মানসিক শান্তি ও একটি ফোকাসড ভবিষ্যৎ।

স্বপ্ন সবাই দেখে, কিন্তু মাস্টারি কেবল তারাই অর্জন করে, যারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে জানে।

আপনি কি আপনার প্রফেশনের 'মাস্টার' হতে প্রস্তুত?

অফার:
প্রথম ৩০ জন পাবেন ৫০% ছাড়!
কোর্স ফি: ২০০০/- টাকার পরিবর্তে মাত্র ১০০০/- টাকা।

সময় সীমিত! আপনার সিটটি আজই কনফার্ম করুন।
📱 হোয়াটসঅ্যাপ: 01624-449294

23/04/2026

১ম বা ২য় বার বিজনেসে লস করে আর শুরু করার সাহস পাচ্ছেন না?

নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের সফলতার সমীকরণ ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ:

বিষয়: প্রথমবার ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে প্রস্তুতির অভাব এবং কাঠামোগত ব্যর্থতার কারণ।

তথ্যসূত্র: হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল (HBR), ফোর্বস স্ট্যাটস এবং মার্কেট অ্যানালাইসিস।

১. এক্সিকিউটিভ সামারি (Executive Summary)
গবেষণায় দেখা গেছে, ৯৫% নতুন ব্যবসায়িক আইডিয়া ব্যর্থ হয় শুধুমাত্র সুপরিকল্পিত প্রস্তুতির অভাবে। সফলতার ১৮% হার মূলত তাদের জন্য, যারা ব্যবসার 'আইডিয়া'র চেয়ে 'প্রস্তুতি' এবং 'টিম' গঠনে বেশি সময় দেয়।

২. মূল আর এন ডি (Key R&D Findings):
ক) আর এন ডি (R&D) ছাড়া ব্যবসায় নামার ঝুঁকি:
হার্ভার্ডের প্রফেসর টম আইজম্যান (Tom Eisenmann) তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, অধিকাংশ উদ্যোক্তা "False Start" বা ভুল শুরুতে আক্রান্ত হন। তারা পর্যাপ্ত মার্কেট রিসার্চ না করেই সরাসরি পণ্য তৈরিতে নেমে পড়েন।

ফলাফল: এমন পণ্য তৈরি হয় যা বাজারে কেউ চায় না। প্রস্তুতির অভাবই হলো প্রথম বড় ধাক্কা।

খ) সুপরিকল্পিত আইডিয়ার অভাব (The 'Good Idea' Trap):
ফোর্বসের একটি নিবন্ধ অনুযায়ী, শুধু একটি 'ভালো আইডিয়া' থাকলেই ব্যবসা হয় না। আইডিয়াটিকে একটি Business Model-এ রূপান্তর করতে হয়।

বিবেচ্য: আপনার আইডিয়াটি কি কোনো বাস্তব সমস্যার সমাধান করছে? যদি না করে, তবে সেটি কেবল একটি শখ, ব্যবসা নয়।

গ) টিম গঠন ও পরিচালনার অক্ষমতা (The Founder's Dilemma):
HBR-এর গবেষণা বলছে, ৬৫% স্টার্টআপ ব্যর্থ হয় টিমের ভেতরের দ্বন্দ্বের কারণে।

সমস্যা: প্রতিষ্ঠাতা অনেক সময় সব কাজ একা করতে চান অথবা অদক্ষ বন্ধুদের নিয়ে টিম করেন।

সমাধান: দক্ষ এবং পরিপূরক (Complementary) স্কিলসেট সম্পন্ন টিম ছাড়া স্কেল করা অসম্ভব।

ঘ) বিনিয়োগের উৎস ও আর্থিক অশিক্ষা:
ব্যর্থ হওয়া উদ্যোক্তাদের বড় অংশই জানেন না 'ক্যাশ বার্ন' (Cash Burn) কী।
বিনিয়োগ কোথায় পাবেন (Angel Investors, Venture Capital, বা লোন) তা না জানা এবং ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও ব্যবসায়িক মূলধনের পার্থক্য না বুঝতে পারা দেউলিয়া হওয়ার প্রধান কারণ।

ঙ) না শেখার মানসিকতা (Fixed Mindset):
বাজার প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। যে উদ্যোক্তা নতুন টেকনোলজি বা কাস্টমার ফিডব্যাক থেকে শিখতে রাজি নন, তিনি দ্রুত প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েন।
৩. হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ (HBR) থেকে প্রাপ্ত রিভিউ ও বিশ্লেষণ:
হার্ভার্ডের গবেষণাপত্র "Why Startups Fail" থেকে পাওয়া যায়-
- সফলতা মানে শুধু প্রথম পণ্য বিক্রি নয়, বরং একটি টেকসই প্রক্রিয়া তৈরি করা।

৪. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (Conclusion):
প্রস্তুতির অভাব, টিম না থাকা, বিনিয়োগের অস্বচ্ছতা, প্রকৃতপক্ষে একটি ব্যবসার টিকে থাকার মূল স্তম্ভ। এগুলো বাদ দিয়ে ব্যবসা শুরু করা মানে হলো নিশ্চিত পতনের দিকে যাওয়া।

বি.দ্র. বিজনেসে বিনিয়োগ করার আগে শেখায় বিনিয়োগ করুন।



যোগাযোগ : 01624-449294 WhatsApp

19/04/2026

তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে?

অর্থনীতির একটি রূঢ় চক্র: পার্ট ০১

যাকে 'কস্ট-পুশ ইনফ্লেশন' বা খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলতে পারি।

বিষয়টি সাধারণত এভাবে কাজ করে:
১. খরচের শৃঙ্খল: জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে সরাসরি পরিবহণ খরচ বাড়ে । এর প্রভাবে চাল, ডাল থেকে শুরু করে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায় কারণ পণ্যগুলো বাজারে পৌঁছাতে এখন বেশি খরচ হচ্ছে।

২. স্থির আয় বনাম ব্যয়: জিনিসের দাম বাড়লেও আপনার স্যালারি বাড়ছে না, এর মানে হলো আপনার 'ক্রয়ক্ষমতা' কমে যাচ্ছে। মাস শেষে হাতে থাকা টাকা দিয়ে আগের মতো বাজার করা সম্ভব হয় না।

৩. কর্মী ছাঁটাইয়ের ঝুঁকি: মুদ্রাস্ফীতির কারণে কোম্পানিগুলোর উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আবার মানুষের হাতে টাকা কম থাকায় বাজারে পণ্যের চাহিদাও কমে যেতে পারে । এই দুই চাপের মুখে ব্যবসায়িক ক্ষতি কমাতে অনেক প্রতিষ্ঠান তখন 'ডাউনসাইজিং' বা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটে। এর মানে হলো, ফিক্সড স্যালারি দিয়ে কেনাকাটায় সঙ্কট দেখা দিচ্ছেনা শুধু, চাকরি চলে যাবারও সম্ভাবনা আছে।

এটি একটি কঠিন বাস্তব যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জে ফেলে দেয়।

19/04/2026

Why is a job your first choice for a career?

12/04/2026

প্রচলিত জ্ঞান বনাম ভিশনারি মিশন: একটি নির্মোহ পর্যালোচনা
---
​আমরা যাকে 'জ্ঞান' বলি, তার সিংহভাগই মূলত অতীতের অভিজ্ঞতার আউটপুট। গবেষকরা অতীত বিশ্লেষণ করে যে নির্যাস বের করেছেন, বই বা মিডিয়ায় আমরা যা পড়ি—তা ধারণ করাই হচ্ছে তথাকথিত জ্ঞানী হওয়া। কিন্তু ভিশন সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। ভিশন হলো অতীত ও বর্তমানের অভিজ্ঞতায় দাঁড়িয়ে সমাজ, অর্থনীতি বা রাজনীতির ভবিষ্যৎ দৃশ্যকল্পকে নিজের কল্পনাশক্তি দিয়ে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা।
​এজন্যই একজন ভিশনারি মানুষ কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানীর চেয়ে অনেক বেশি প্রভাবশালী হন। জ্ঞানী মানুষ যেখানে তত্ত্বের বিশ্লেষণ করেন, ভিশনারি মানুষ সেখানে ভবিষ্যতের বাস্তবতাকে বর্তমানের ক্যানভাসে এঁকে একজন 'এক্সিকিউটর' হিসেবে তা বাস্তবায়ন করেন। সমাজ গঠনে উভয়েরই প্রয়োজন আছে, তবে পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে ভিশনারি মিশনের গুরুত্ব অপরিসীম।
​আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আমরা প্রচুর কথা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, এমনকি সামাজিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখি। কিন্তু যা দেখা যায় না, তা হলো পরিবর্তনের জন্য টেকসই ও অর্থবহ কাজ। আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় সংকট হলো 'ভবিষ্যতে ভালো কিছু হওয়া সম্ভব'—এই বিশ্বাসের অভাব। এই অবিশ্বাসের মহামারি বাংলাদেশের জন্য এখন এক বিপজ্জনক সীমারেখা স্পর্শ করেছে।
​এখন সময় কথার চেয়ে কাজের। অন্ধকার ভবিষ্যৎ এড়াতে হলে আমাদের প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অবিশ্বাসের এই চক্র থেকে বেরিয়ে এসে যদি আমরা কাজে মনোনিবেশ করি, তবে আগামী এক দশকের মধ্যেই এই সুজলা-সুফলা দেশ এক আমূল পরিবর্তনের সাক্ষী হবে।
​আসুন, অবিশ্বাসের মহামারি কাটিয়ে কর্মঠ ও ভিশনারি হওয়ার শপথ নিই।

​— আবদুল মালেক স্বাধীন
ফাউন্ডার: প্যান্থিয়ন, এসএফআই ও আরটিবি-টিএনএইচ।
১৩০৪২৬

01/04/2026

অভিজ্ঞতা বনাম আইডিয়া: ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি নির্মোহ পর্যালোচনা
---
​ভূমিকা: পৃথিবীতে যদি নিত্যনতুন আইডিয়ার জন্ম না হতো, তবে মানবসভ্যতা আজও সেই প্রাগৈতিহাসিক অন্ধকারেই পড়ে থাকত। গত ৫০০ বছরের বৈজ্ঞানিক বিপ্লব আমাদের যতটুকু সমৃদ্ধ করেছে, তা এক কথায় অকল্পনীয়। এই অগ্রযাত্রা যেমন আশার আলো দেখায়, তেমনি আমাদের আদিম পাশবিক প্রবৃত্তিগুলো (সংঘাত ও হানাহানি) আজও রয়ে গেছে দেখে কিছুটা হতাশও হতে হয়। তবে এই লেখায় আমি মূলত আইডিয়া এবং অভিজ্ঞতার মধ্যকার সেই চিরাচরিত দ্বন্দ্ব ও মেলবন্ধন নিয়ে আলোকপাত করব।
​আইডিয়া মানেই কি অযৌক্তিক কল্পনা?
​অনেকেই মনে করেন আইডিয়া মানেই বুঝি লাগামহীন যা খুশি তা ভাবা। মানুষের কল্পনাশক্তি অবশ্যই অসীম, কিন্তু ব্যবসায়িক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে 'রিয়েল আইডিয়া' মানে নিছক অনুমান নয়। বরং সমাজ ও জীবনের বিদ্যমান অসঙ্গতি, সমস্যা বা সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে কোনো সৃজনশীল ও কার্যকরী সমাধানের নামই হলো আইডিয়া। সত্য এই যে, সব আইডিয়া বোঝার সক্ষমতা বা দূরদর্শিতা সবার থাকে না; তাই মহৎ সব উদ্ভাবন শুরুর দিকে সাধারণের হাসাহাসির পাত্র হয়েছে।
​অভিজ্ঞতা: জীবন থেকে অর্জিত জ্ঞানের কংক্রিট কাঠামো
​সমাজে অভিজ্ঞতার কদর সবসময় বেশি, কারণ এটি বাস্তব জীবনের চড়াই-উতরাই থেকে সংগৃহীত শিক্ষার এক নির্ভরযোগ্য ভিত্তি। তবে মনে রাখতে হবে, আজ যিনি অভিজ্ঞ, তিনি জন্মসূত্রে এটি পাননি। যাপিত জীবনের কর্মপ্রক্রিয়া থেকেই তিনি এটি অর্জন করেছেন। অর্থাৎ, আজকের কোনো এক অভিনব 'আইডিয়া'র সফল বাস্তবায়নই আগামী দিনের সমৃদ্ধ 'অভিজ্ঞতা'।
​বুড়ো কুকুর ও আনলার্নিংয়ের চ্যালেঞ্জ: প্রশাসনিক বা গোয়েন্দা সংস্থার 'ডগ স্কোয়াড'-এ কেন সবসময় বাচ্চা কুকুরকে রিক্রুট করা হয়? কারণ, বয়স্ক কুকুর তার অর্জিত অভ্যাসের বাইরে গিয়ে নতুন কিছু শিখতে পারে না। ঠিক যেমন একজন সঙ্গীত শিক্ষক পুরনো (ভুলভাবে শেখা) ছাত্রের কাছে দ্বিগুণ পারিশ্রমিক চান—কারণ তাকে আগে আগের ভুলগুলো 'আনলার্ন' বা ভুলিয়ে দিতে হয়, তারপর নতুন করে শেখাতে হয়। ​মানুষের ক্ষেত্রেও বিষয়টি খাটে। অধিকাংশ মানুষ যা জানে, সেটাকেই ধ্রুব সত্য বলে আঁকড়ে ধরে থাকে। নতুন আইডিয়াকে তারা মনে করে 'আকাশকুসুম কল্পনা'। এখানেই সৃষ্টি হয় আইডিয়া ও অভিজ্ঞতার সংঘাত। অভিজ্ঞ মানুষেরা যখন নতুনত্বের চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পান, তখনই তারা প্রগতির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ান।

​সমাধানের পথ; দৃঢ়তা ও সুযোগের মেলবন্ধন: ​এই সংকট উত্তরণে আমাদের দুটি পথ অবলম্বন করতে হবে:
​১. আইডিয়া নির্মাতার ভূমিকা: নতুন কোনো দর্শনের জন্মদাতাকে হতে হবে অটল এবং 'ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট'। চারপাশের মানুষ শুরুতে তার কথা বুঝবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাকে নিজের দর্শনের ওপর আস্থা রেখে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে।
​২. অভিজ্ঞদের ভূমিকা: অভিজ্ঞতার দোহাই দিয়ে যেকোনো সাহসী আইডিয়াকে শুরুতেই নাকচ করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং আইডিয়া যার মস্তিষ্ক থেকে এসেছে, তাকে নির্দিষ্ট শর্তে হলেও প্রমাণের সুযোগ দেওয়া উচিত।
​উপসংহার: অভিজ্ঞতা যদি হয় একটি শক্ত ভিত্তি, তবে আইডিয়া হলো সেই ভিত্তির ওপর গড়ে ওঠা আকাশচুম্বী ইমারত। অভিজ্ঞতা আর নতুন ভাবনার মধ্যে দ্বন্দ্ব না রেখে যদি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা যায়, তবেই একটি সমাজ বা প্রতিষ্ঠান প্রকৃত উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে।

আবদুল মালেক স্বাধীন
ফাউন্ডার, স্কুল অব ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স এন্ড আরটিবি-টিএনএইচ গ্রুপ।
০১০৪২৬

01/04/2026

Customers never buy products; they buy solutions to their problems.

28/03/2026

আপনি কি সমাজ গড়ার কারিগর হতে চান❓

"আমাদের ঘুণে ধরা সমাজ ও শিক্ষা-ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ইশতেহার
---
​গত ২০০২ সাল থেকে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি আমাদের শিক্ষা-কারিকুলাম ও সমাজকাঠামো নিয়ে গবেষণা করছি। এই দীর্ঘ পথচলায় আমি অনেকগুলো মৌলিক ক্ষত চিহ্নিত করেছি যার মধ্যে ৮ টি পয়েন্ট এখানে উল্লেখ করছি, যা আমাদের জাতিকে ভিতর থেকে পঙ্গু করে দিচ্ছে:
​১. প্যারেন্টিং গ্যাপ।
২. অপূর্ণ পেশাদারিত্ব।
৩. সম্পর্কের বিজ্ঞান।
৪. কমিউনিকেশন।
৫. মানসিক ব্যবস্থাপনা।
৬. আর্থিক বুদ্ধিমত্তা।
৭. উদ্যোক্তা তৈরির শিক্ষা।
৮. নেতৃত্ব ও রাজনীতি।
​আমাদের লক্ষ্য:
আমি বিশ্বাস করি, সমাধান সম্ভব। SFI (School of Financial Intelligence)-এর মাধ্যমে আমরা এমন একটি মডেল তৈরি করছি যা প্রথমে বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হবে। এরপর গভীর গবেষণা ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিটি দেশের নিজস্ব আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বুঝে এই মডেল আমরা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেব।
​এটি কেবল একটি স্বপ্ন নয়, এটি ২৪ বছরের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার ফসল। "

​— আব্দুল মালেক স্বাধীন
ফাউন্ডার, RtB-TNH গ্রুপ।

আমরা আসছি এক নতুন দিনের কারিগর তৈরি করতে। নিচের এই কোর্সটি তাদের জন্যই-

প্রথম ৩০ জন পাবেন ৫০% ডিস্কাউন্ট। আর মাত্র অল্প কিছু আসন বাকি!



যোগাযোগ 01624-449294 (WhatsApp)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


House-7, Road-2/D, Block-J, Baridhara
Dhaka
1212