16/06/2022
প্রথম আলো থেকে নেওয়া।
নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
An Intensive Care Unit for Admission Test.
শুধুমাত্র মানবিক শাখ?
16/06/2022
প্রথম আলো থেকে নেওয়া।
নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
15/06/2022
পরিবেশ সুরক্ষা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮০ টি দেশের মধ্যে ১৭৭।
13/06/2022
♦️♦️ College Ambassador Recruitment ♦️♦️
HSC-2022,তোমাদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য HSC-2022(Suggestion+Exam) গ্রুপের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেছে।
📣📣📣📣কোন কোর্স ফী নেই।সম্পূর্ণ ফ্রী।
তোমাদের জন্য আমাদের পরিকল্পনাঃ
🔴প্রতিটি বিষয়ের জন্য দক্ষ শিক্ষক দ্বারা প্রনয়ণকৃত সাজেশন।(কমন পড়ার মতো)
🔴HSC এর পাশাপাশি Admission test কে গুরুত্ব দিয়ে পড়ানো।
🔴সপ্তাহে ২টি পরীক্ষা + ক্লাস।
🔴মেসেঞ্জার গ্রুপ বা টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে সকলকে নিবিড় পরিচর্যা করা।
🔴দেশ সেরা ৫০+ কলেজের ২০০০+ স্টুডেন্টদের মধ্যে নিজেকে যাচাই করা।
♦️যারা উক্ত প্রোগ্রামে যুক্ত হতে চাও তারা আমাদের পেজে নক দাও♦️
যেকোনো প্রয়োজনেঃ ০১৩০৯-২২২৭৭৯( WhatsApp)
[যে যে কলেজ এম্বাসেডর হতে চাও তাদের নিচের ছবিতে দেওয়া প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে]
(কলেজ এম্বাসেডরদের জন্য থাকবে বিশেষ পুরস্কারের ব্যাবস্থা)
লালসালু উপন্যাস থেকে ১০০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
🎴লালসালু ( MCQ কমন ৯০% প্রায় )
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহন করেন- চট্রগ্রামে।
২। সৈয়দ ওয়াল্লিউল্লাহর উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়- লালসালু ।
৩। সাংবাদিক হিসেবে- কর্মজীবন শুরু করেন সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৪। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন- ১৯৭১ খ্রিষ্ট্রাব্দ।
৫।বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ ছিলেন- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৬। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
৭। ‘নয়নচতারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়- ১৯৪৬ সালে।
৮।‘লালসালু’ উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না- বদনা।
৯। নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি- টুপি।
১০। ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ – বলা হয়েছে- শস্যহীন বলে।
১১।মজিদের শারীরিক গড়ন-শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উম্মোচিত হয়েছে- মিথ্যাচার চরিত্রে।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানেুষ আসতে লাগে- মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ ভয় দেখেছে- রহিমার চোখে।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে –কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস- মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হল- রহিমার্ চরিত্রটি |
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল- মজিদের বাড়িতে।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল- হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল- তামাক।
২১। মহিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল- বেগুনি রঙ্গের।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়- অন্য পীরদের আধিপত্য।
২৩।‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’।– পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে- মজিদকে।
২৪। আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল – মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল- নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার- বাল্যবিবাহ।
২৭। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল- ছেলের মৃত্যুতে।
২৮।‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে-ডোমপাড়া।
২৯। যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৩০।মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল তার তদারকির দায়িত্ব ছিল- রহিমা ও জমিলার |
৩১। জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল- আমেনা বিবি।
৩২। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে- সিংহের।
৩৩। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিল- জমিলা।
৩৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ্য রয়েছে- বালা।
৩৫। সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক -জমিলা।
৩৬। গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে - অনুশোচনায়।
৩৭। মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়- গ্রামবাসীর ওপর।
৩৮। বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে- ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৯। মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল- ধর্ম।
৪০। মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল- মতিগঞ্জের সড়কের ওপর ।
৪১। আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে- লালসা।
৪২। খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে- ধলা মিঞা।
৪৩। শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে – জমিলার চোখ ।
৪৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুথু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে- ক্রোধ।
৪৫। মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত- গারো পাহাড়ে।
৪৬। মজিদের দুদু মিয়াকে শাসনের মধ্যে নিহিত- আধিপত্য বিস্তার।
৪৭। রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে- জমিলা।
৪৮। প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বৌ এর স্বপ্ন দেখতো-জমিলার মতো।
৪৯। ঢেঙ্গা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সূরা পাঠ করেছিল- সূরা আন-নূর।
৫০। ‘ বতর’ শব্দের অর্থ- ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৫১। ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আর্জিটি করেছিল- হাসুনির মা।
৫২। মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়- শিলা বৃষ্টি হলে।
৫৩। ‘শস্যের চেয়ে টুটি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- ধর্মীয় গোঁড়ামী।
৫৪। গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই- অন্য সংস্করণ।
৫৫। বিশ্বাসের পাথরে যেন- খোদাই করা চোখ।
৫৬। ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা - মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৫৭। আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল – ১৩ বছর বয়সে।
৫৮। মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল – উত্তর দিকে।
৫৯। আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে – নিঃসন্তানের দিকটা।
৬০। ঘুমকাতুরে- জমিলা।
৬১। খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি- ইংরেজি পড়েছে বলে।
৬২। গ্রামে হিড়িত পড়েছে- মসজিদ স্থাপনের।
৬৩। আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা- থোতা মুখের তালগাছ।
৬৪। আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে- ধর্মব্যবসা।
৬৫।আওয়ালপুরের পীর আছরের সময় যে নামাজ পেয়েছে- জোহর।
৬৬। মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল- সমবেদনা প্রকাশ করতে।
৬৭। আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে- অন্ধবিশ্বাস।
৬৮। খালেক ব্যাপারি সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল- শ্যালক।
৬৯। ধলা মিয়াকে ব্যাপারী আওয়ালপুরে যেতে বলেছিল- পানিপড়া আনতে।
৭০। ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে - কুসংস্কার বিশ্বাস।
৭১। মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে- দৃঢ়তা।
৭২। আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে - ইবলিশ।
৭৩। খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভায় পায় -ধর্মভীতির কারণে।
৭৪। ‘আমেনা’ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য- নিঃসন্তান।
৭৫। ঢেঙ্গা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পাড়ানোর কথা ছিল- মোল্লা শেখের।
৭৬। “তানি যে খোদার মানুষ” উক্তিটি হল - রহিমার।
৭৭। উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিপ্রান্ত বোধ করে- অসুস্থাতায়।
৭৮। আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল- পালকি।
৭৯। আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন- মাজারে।
৮০। মজিদ বার বার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল- রূপের মোহে।
৮১। মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় – ধর্মভীতির কারণে।
৮২। আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল- ডান দিক থেকে।
৮৩। রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল- বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৮৪। আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল- শারীরিক দুর্বলতায়।
৮৫। খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে- সন্দেহে।
৮৬। আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রজোয্য- স্বামীভীরু।
৮৭। যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌছেছে- তালগাছ।
৮৮।মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম- আক্কাস।
৮৯। মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উম্মোচিত হয়েছে- শোষণ।
৯০। ‘পুলক’ শব্দের অর্থ- আনন্দ।
৯১।“বেত্তমিজের মতো কথা কইস না” উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল- আক্কাস।
৯২।মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল - খালেক ব্যাপারী।
৯৩। মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল- মজিদ।
৯৪। সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ ছিল- মজিদ।
৯৫। মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস –পুরনো কবরটি।
৯৬। মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ- নিঃসন্তান হওয়ায়।
৯৭। যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৯৮। রহিমা পোষ্য রাখতে চায়- হাসুনিকে।
৯৯। “মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে” এখানে অন্য কথা বলতে বোঝানো হয়েছে- দ্বিতীয় বিয়ে।
১০০। ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু- গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি
পড়া শেষ হলে Done / ok লিখে উৎসাহিত করেন❤️🧡
©️
04/06/2022
ঢাবি খ ইউনিট প্রশ্ন।
২০২১-২২
02/06/2022
খ ইউনিটের সীট প্ল্যান প্রকাশিত হয়েছে। কার কোথায় সীট পড়েছে কমেন্টে জানাও।
ইনশাআল্লাহ সবসময় পাশে থাকবে।প্রয়োজনে আমাদেরকে নক দেওয়ার অনুরোধ রইল।
31/05/2022
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করে ,রাজনীতি করে , প্রেমও করে ।😎
তারা একই সাথে রাজনৈতিক নেতাও হয় আবার ট্যালেন্টেড স্টুডেন্টও হয় ।😇🎓👑
রাতের বেলা আড্ডা দিয়ে সকাল বেলা পরীক্ষা দিতে যায় ।😜😜
এরা বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যেতেও অভ্যস্ত ,আবার গাড়ির সিটে ভাব নিয়ে বসতেও পটু ।
চটি জুতায় বছর পার করে ,আবার স্নিকার্স পড়ে কুল হ্যান্ডসাম ডিউড সাজতেও এদের জুড়ি মেলা ভার ।
হলের পচা খাবার খেয়েও অভ্যস্ত । আবার দামী রেস্টুরেন্টের ফাস্টফুডও পেটে হজম হয় ।🍴😋
এখানকার হলে/ মেসে প্রতি রাতে গল্প তৈরি হয় ।😍😍
অনুপ্রেরনার গল্প , সম্ভাবনার গল্প , রিলেশন ব্রেকাপ হওয়ার গল্প । পরিবার ছেড়ে দুরে থাকার গল্প । সবাই মিলে একসাথে মুড়ি মাখা খাওয়ার গল্প । রাত জেগে তাস পেটানোর গল্প ।
অসাধারন বন্ধুত্ব আর অপরিসীম শত্রুতা দুইটাই পাবেন এখানে ।
মেট্রিক ইন্টারে ডবল এ প্লাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে ইয়ার লস খাওয়া ছেলে যেমন পাবেন একই ভাবে দুইটা এ মাইনাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে একবারে প্রতিটা সেমিস্টার পাস করা ছেলেও পাবেন । সেমিস্টারে ভালো মার্কস পেয়েও বেকার গ্রাজুয়েট যেমন পাবেন ,আবার কম টেনেটুনে গ্রেস মার্ক নিয়ে সেমিস্টার পাশ করে শাইন করা ছেলেমমেয়েও পাবেন ।
এখানে এক রাত পড়াশুনা করে টেনেটুনে পাশ করা ছেলে যেমন আছে , একইভাবে সারা বছর পড়াশুনা করে অনার্স মার্ক পাওয়া স্টুডেন্টও আছে ।😎😎
মেকাপের আস্তরনে ঢাকা পটের বিবিও যেমন আছে ,একই সাথে ঘামে ভেজা সংগ্রামী মেয়েও পাবেন ।
😎🙋🙋
এইটা বিশ্ববিদ্যালয় ।😍
এখানে প্রতিটা ছেলে মেয়ে একেকটা ক্রিয়েটর ।😎😎
এখানে স্বপ্ন তৈরি হয় না । এখানে স্বপ্নের স্রষ্টা তৈরি হয় 😍😍😇😇 প্রতিটা স্টুডেন্ট তার জায়গা থেকে একেকজন বড় মাপের ড্রিমার ।😇
কারন এরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।"🥰
(সংগৃহীত)
30/05/2022
সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে পরিশ্রম করো ইনশাআল্লাহ জয় এসে ধরা দেবেই💓💓