An-Nahdah Online Institute একটি অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নাহদাহর মূল লক্ষ্য উম্মাহকে অজ্ঞতার বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে ইসলামের বিশুদ্ধ ইলম ও সঠিক চেতনায় জাগিয়ে তোলা।
উম্মাহর জাগৃতির লক্ষ্যে নাহদাহর আত্মপ্রকাশ
দৃশ্যমান লড়াইয়ে বিজয়ের পূর্বশর্ত অদৃশ্যমান লড়াইয়ে বিজয়ী হওয়া। অদৃশ্য লড়াইয়ের ক্ষেত্র ব্যাপক ও বিস্তৃত। এর চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি বহুমাত্রিক। মুশকিল হলো, অদৃশ্য লড়াইয়ের ক্ষেত্র ও এর প্রয়
োজনীয়তা সম্পর্কে অজ্ঞতা বর্তমান সময়ের অসংখ্য দ্বীনি জাগরণকে ব্যার্থতায় পর্যবসিত করেছে। অদৃশ্য-লড়াইয়ের প্রয়োজনীয় রসদ ও সাফল্য ব্যতীত দৃশ্যমান লড়াইয়ে পরাজয়ের অনিবার্যতা—আমরা যত দ্রুত উপলব্ধি করবো, ততই কল্যাণ।
জ্ঞানের গভীরতা, চিন্তার প্রসারতা, বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা, ঐতিহ্য-উৎসারিত প্রগতিশীলতা, সাংস্কৃতিক সচলতা, আত্মপরিচয়ের সুস্পষ্টতা, রাজনৈতিক সচেতনতা, আদর্শের শক্তিমত্তা এবং পরিবর্তিত যুগ ও বিশ্ববাস্তবতার আলোকে আদর্শের যুগভাষ্য-নির্মাণ ও বয়ানের নবায়ন-সহ অসংখ্য বিষয় অদৃশ্য লড়াইয়ের অপরিহার্য অনুষঙ্গ।
বাঙালি মুসলিম সমাজের চিন্তার অচলায়তন দূর করতে এবং উম্মাহর মাঝে দ্বীনের নিখাঁদ বোধ-বিশ্বাস ও সঠিক চেতনা জাগিয়ে তুলতে একটি ব্যাপকভিত্তিক জ্ঞানগত জাগরণের প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলো An-Nahdah Online Institute - AOI।
নাহদাহ মানে জাগৃতি। জাগরণ। সে প্রজন্মের সকল অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের আলোকায়ন চায়। ছুঁড়ে ফেলতে চায় মন ও মস্তিষ্কের সকল কাঁটাতার। কাটিয়ে ওঠাতে চায় জ্ঞান ও চিন্তার সবরকম বন্ধ্যাত্ব।
আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। কারণ তারুণ্যের ঐশ্বর্যে দীপ্তমান কিছু তরুণের স্বপ্নের ভেলা হয়ে যাত্রা করলো নাহদাহ। তাদের আকাশসম স্বাপ্নিকতার উর্ধ্বযাত্রার বাহন হতে যাচ্ছে আন-নাহদাহ ইনস্টিটিউট।
নাহদাহর সামনে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জের উত্তরণে বহুমুখী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলবে নাহদাহ। আল-হালক্বাতুল ইলমিয়্যাহ এর পাশাপাশি স্কীল ডেভেলপমেন্ট থেকে শুরু করে নিজস্ব প্রকাশনা বিভাগ, রচনা বিভাগ এবং মিডিয়া বিভাগের মাধ্যমে খুব দ্রুতই কার্যক্রমের পরিপূর্ণতা লাভ করবে ইন শা আল্লাহ।
জয় হোক তারুণ্যের। কেটে যাক সকল জরাজীর্ণতা।
জাগরণ হোক ইলমের, আন-নাহদাহ এগিয়ে চলুক দৃঢ় প্রত্যয়ে।