Jana Ojana

Jana Ojana Welcome to my page "Jana Ojana". On this page, I will discuss technology and knowledge. Technology helps us to make our life easy and smooth.

Day by day modern technologies are upgrading and it reflects in our lifestyle. If we aware and take help fro

"এক পা কবরে, অথচ শরীরে সেক্সের দাউ দাউ আগুন! একে কি বলবেন? 'বুড়ো বয়সের ভীমরতি' নাকি প্রকৃতির নিষ্ঠুর খেলা? ৫০ পেরোলেই না...
16/01/2026

"এক পা কবরে, অথচ শরীরে সেক্সের দাউ দাউ আগুন! একে কি বলবেন? 'বুড়ো বয়সের ভীমরতি' নাকি প্রকৃতির নিষ্ঠুর খেলা?

৫০ পেরোলেই নাকি মানুষের সব শেষ হয়ে যায়! দাড়ি পেকেছে, চামড়া কুঁচকেছে, ছেলের বউ ঘরে এসেছে—এখন আর কিসের সেক্স? এখন তো তসবিহ টিপে আর মসজিদে গিয়ে সময় কাটানোর বয়স। ছিঃ ছিঃ! এই বয়সেও শরীর গরম? লোকে শুনলে কী বলবে? সমাজ তো থুথু দেবে!

আজ আমি সেই 'থুথু' দেওয়া সমাজের মুখে আয়না ধরতে এসেছি।
ওহে সমাজপতিরা, ওহে তথাকথিত ভদ্রলোকেরা—আপনারা কি শরীরের ভাষা বোঝেন? আপনারা কি হরমোনের কান্না শুনতে পান? নাকি আপনারা মনে করেন ৫০ বছর বয়সে বার্থডে কেক কাটার সাথে সাথে মানুষের লিঙ্গ আর জরায়ু অকেজো হয়ে যায়?

আজকের এই লেখাটি পড়ার পর আপনার বিবেকের আদালতে আপনাকে দাঁড়াতেই হবে। কারণ, আমাদের সমাজের হাজার হাজার 'ভদ্র' পুরুষ আর 'সতীসাধ্বী' নারী প্রতিদিন রাতে বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদে—শুধুমাত্র এই 'বুড়ো বয়সের যৌনতা' নিয়ে কুসংস্কারের কারণে।

দৃশ্যপট-১: "তোমার কি মরণকালে ভীমরতি ধরলো?" (পুরুষের নীরব কান্না)

রহমান সাহেব (ছদ্মনাম), বয়স ৫২। সরকারি চাকরি থেকে আর কদিন পরেই রিটায়ার্ড করবেন। সমাজে তার প্রচুর সম্মান। দুই ছেলে ইঞ্জিনিয়ার, মেয়ে ডাক্তার। কিন্তু রহমান সাহেবের রাতের জীবন? এক ভয়াবহ নরক!

প্রতি রাতে তিনি যখন বিছানায় এপাশ ওপাশ করেন, শরীরের ভেতরের পুরুষটা যখন হুংকার দিয়ে ওঠে, তিনি তার স্ত্রীর দিকে হাত বাড়ান। আর ওপাশ থেকে ৪৫ বছর বয়সী স্ত্রী ঝাঁঝিয়ে ওঠেন—
"ছিঃ! তোমার কি লজ্জা শরম সব ধুয়ে মুছে গেছে? পাশের রুমে ছেলের বউ, ওই রুমে নাতনি ঘুমায়, আর তুমি বুড়ো বয়সে শরীর নিয়ে পড়ে আছো? তোমার এই চুলকানি কবে যাবে? মরণকালে কি ভীমরতি ধরলো?"

রহমান সাহেবের হাতটা অবশ হয়ে যায়। তিনি চুপসে যান।
তিনি একজন 'ভদ্র' পুরুষ। তিনি তো আর ১৮ বছরের বখাটে ছেলের মতো তর্ক করতে পারেন না। তিনি তো আর বস্তির লোকের মতো স্ত্রীকে পেটাতে পারেন না।
তার শরীরের আগুন তাকে পোড়ায়। কিন্তু তিনি নিরুপায়।

বাস্তবত হচ্ছে পুরুষের যৌন চাহিদা বা টেস্টোস্টেরন হরমোন ৫০ বছরে ফুরিয়ে যায় না। বিজ্ঞান বলে, একজন সুস্থ পুরুষের যৌন সক্ষমতা ৭০, ৮০ এমনকি ৯০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।
কিন্তু সমাজ তাকে শিখিয়েছে—৫০ পেরোলে সেক্স চাওয়া 'পাপ' বা 'লজ্জা'।

ফলাফল হচ্ছে এই রহমান সাহেবেরাই তখন ডিপ্রেশনে ভোগেন। কেউ কেউ লুকিয়ে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হন। কেউ কেউ, যারা একটু দুর্বল চিত্তের, তারা বাধ্য হয়ে বাইরের কম বয়সী মেয়েদের ফাঁদে পা দেন বা পতিতালয়ে যান।
আর সমাজ তখন বলে—"দেখেছো? বুড়ো বয়সে চরিত্র নষ্ট হয়েছে!"
আরে বোকার দল! তার চরিত্র নষ্ট হয়নি, তার ঘরের 'বৈধ' খাবার তাকে দেওয়া হয়নি বলেই সে ডাস্টবিনে মুখ দিয়েছে। তার শরীর তো মিথ্যা বলে না!

দৃশ্যপট-২: "স্বামী যখন জীবন্ত লাশ, আর স্ত্রী জীবন্ত আগ্নেয়গিরি" (নারীর নরক যন্ত্রণা)

এবার উল্টো পিঠটা দেখুন।
শেফালী বেগম (ছদ্মনাম), বয়স ৪২। শরীর স্বাস্থ্য বেশ ভালো। কিন্তু তার স্বামী? ৫৫ বছর বয়সী স্বামী আজ সারা জীবনের অনিয়ম, চেইন স্মোকিং আর মদ্যপানের ফলে বিছানায় এক প্রকার 'নপুংসক'।

শেফালী বেগমের শরীরে তখনো ভরা যৌবন। তার শরীর চায় একটু আদর, একটু পিষে ফেলা আলিঙ্গন। কিন্তু তার স্বামী?
বিছানায় আসার সাথে সাথে তিনি নাক ডাকতে শুরু করেন। কিংবা চেষ্টা করলেও তার অঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে থাকে। সিগারেটের ধোঁয়ায় ফুসফুস যেমন পুড়েছে, তেমনি তার ধমনীগুলো ব্লক হয়ে গেছে। রক্ত সঞ্চালন নেই, উত্তেজনা নেই।

শেফালী বেগম কী করবেন?
তিনি কি ডিভোর্স দেবেন? অসম্ভব! দুই মেয়ে বড় হয়েছে, তাদের বিয়ে দিতে হবে। এই বয়সে ডিভোর্স নিলে সমাজ তাকে 'নষ্টা' বলবে। মেয়েদের বিয়ে হবে না।
তিনি কি পরকীয়া করবেন? না, তার বিবেকে বাধে। তিনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের বউ। তিনি কি হস্তমৈথুন করবেন? ছিঃ! এই বয়সে আঙুল ব্যবহার করতে তার নিজের কাছেই নিজেকে অপরাধী মনে হয়।

ফলাফল কি হয় জানেন ? শেফালী বেগমের কাছে তার সাজানো সংসারটা মনে হয় জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড। স্বামীর প্রতি তার ঘৃণা জন্মে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। সন্তানদের অকারণে বকাঝকা করেন। রাতে ঘুমাতে পারেন না।
তিনি এমন এক দোজখের বাসিন্দা, যেখানে আগুন আছে কিন্তু বের হওয়ার দরজা নেই। স্বামীর এই অক্ষমতা তাকে তিলে তিলে মেরে ফেলে। অথচ তিনি কাউকে বলতেও পারেন না, সইতেও পারেন না।

একবার ঠান্ডা মাথায় ভাবুন তো—
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটা ছেলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করতে করতে ৩০-৩২ বছর পার করে দেয়।
বিয়ে হলো। এরপর বাচ্চা, ক্যারিয়ার, টেনশন।
৪০-৪৫ বছরে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই যদি সমাজ বলে—"তোমার সেক্সের বয়স শেষ"—তাহলে সে সুখ পেল কতদিন?
মাত্র ১০ থেকে ১৫ বছর?
একটা মানুষ বাঁচে গড়ে ৭০ বছর। তার যৌবন থাকে অন্তত ৫০-৬০ বছর পর্যন্ত। অথচ সে বৈধভাবে সঙ্গম করবে মাত্র ১৫ বছর? আর বাকি ৩৫-৪০ বছর সে নপুংসকের মতো বা সন্ন্যাসীর মতো জীবন কাটাবে?
এটা কি প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ নয়? এটা কি অন্যায্য নয়?

যেখানে ইউরোপ-আম আমেরিকায় ৭০ বছরের বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও নতুন করে প্রেমে পড়ে, বিছানায় ঝড় তোলে, সেখানে আমরা ৫০ হলেই কেন কবরের মাটি খুঁজি?

এখানেই প্রকৃতির এক অদ্ভুত রসিকতা আছে।
নারীদের সাধারণত ৪৫ থেকে ৫০ এর মধ্যে মেনোপজ (ঋতুস্রাব বন্ধ) হয়ে যায়। এর ফলে তাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যায়, যোনিপথ শুকিয়ে যায় এবং যৌন ইচ্ছাও কমে আসে। শারীরিক মিলনে তারা ব্যথা পান।
অন্যদিকে, পুরুষের ঠিক এই সময়েই দ্বিতীয় যৌবন বা 'Second Wind' আসে অনেকের। তাদের চাহিদা কমে না, বরং অভিজ্ঞতার কারণে আরও বাড়ে।

স্বামী চায় সপ্তাহে ৩ দিন, স্ত্রী চায় মাসে ১ দিনও না।
স্বামী এগিয়ে গেলে স্ত্রী বলে, "তোমার শুধু শরীর দরকার।"
স্ত্রী ফিরিয়ে দিলে স্বামী ভাবে, "আমাকে আর ভালোবাসে না।"

নারীদের বলছি
আপনার মেনোপজ হয়েছে মানেই আপনার নারীত্ব শেষ হয়ে যায়নি। হ্যাঁ, আপনার ইচ্ছে কমেছে, কিন্তু আপনার স্বামীর তো কমেনি! আপনি কি চান আপনার স্বামী অতৃপ্ত হয়ে অন্য কোথাও যাক?
সহবাস মানেই তো সব সময় পেনিস প্রবেশ করানো নয়।
আপনার যদি ব্যথা লাগে, লুব্রিকেন্ট (জেল) ব্যবহার করুন।
যদি একদমই ইচ্ছে না করে, তবুও স্বামীর পাশে শুয়ে তাকে আদর করুন। তাকে হাত দিয়ে তৃপ্ত করুন (Hand Stimulation)। তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকুন।
বৃদ্ধ বয়সে সেক্সের চেয়ে 'ইন্টিমেসি' বা ঘনিষ্ঠতা বেশি জরুরি। আপনার স্বামী চায় আপনি তাকে স্পর্শ করুন। সে চায় তার পৌরুষের স্বীকৃতি। তাকে সেটা দিন। তাকে ফিরিয়ে দিয়ে "বুড়ো শয়তান" বলে গালি দেবেন না। ওই গালিটা তার হৃদয়ে তীরের মতো বিঁধে।

পুরুষদের বলছি
ভাই, আপনার শরীরে আগুন আছে বুঝলাম, কিন্তু স্ত্রীর শরীরের খবর রাখেন?
তার মেনোপজ চলছে। তার শরীর এখন মরুভূমির মতো শুষ্ক। সেখানে জোর করে লাঙল চালাতে গেলে রক্তক্ষরণ হবে।
তাকে আগে প্রস্তুত করুন। এই বয়সে ফোর-প্লে (Foreplay) ১০ গুণ বেশি দরকার। তাকে মানসিক সাপোর্ট দিন। তার যখন ভালো লাগবে না, তখন জোর করবেন না।
আর হ্যাঁ, যৌবনের শুরুতে যেসব বদমাইশি করেছেন—সিগারেট, মদ, তামাক—সেগুলোর ফল এখন ভোগ করছেন। আপনার উত্থান হচ্ছে না মানে আপনার হার্টের অবস্থা খারাপ। আজই সতর্ক হন।

মেডিসিনের মরণফাঁদ: সাবধান!
৪০-৫০ এর পর যখন পুরুষরা দেখে তাদের শক্তি কমছে, তারা পাগলের মতো ফার্মেসিতে ছোটে। ভায়াগ্রা বা ওয়ান-টাইম ট্যাবলেটের খোঁজ করে।

এই বয়সে আপনার উচ্চ রক্তচাপ (Pressure), ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যা থাকতে পারে। এই অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একটা সেক্স পিল খাওয়া মানে আত্মহত্যার শামিল।
বিছানায় সুখ নিতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক করে লাশ হয়ে ফিরবেন না।
আপনার স্ত্রীর কাছে 'মৃত স্বামী'র চেয়ে 'দুর্বল স্বামী' অনেক ভালো।

সমাধান কী?
মেডিসিন নয়, খাবারে নজর দিন।
চিনি ও লবণ কমান: এগুলো আপনার লিঙ্গ শিথিল হওয়ার প্রধান কারণ।
প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা: প্রতিদিন সকালে ২ কোয়া রসুন, ১ চামচ খাঁটি মধু এবং কালোজিরা খান।
তরমুজ ও ডালিম: এগুলো রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
ব্যায়াম: পেটের চর্বি কমান। ভুড়ি বাড়লে সেক্স কমে—এটা ধ্রুব সত্য।

দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলাবে

আমাদের সমাজ শেখায়—বাবা-মা মানেই ফেরেশতা, তাদের কোনো যৌন জীবন থাকতে নেই।
আজ আপনি সন্তান হিসেবে ভাবুন তো—আপনার বাবা কি শুধু আপনার বাবা? নাকি সে একজন পুরুষ? আপনার মা কি শুধুই মা? নাকি সে একজন রক্তমাংসের নারী?
তাদেরও ইচ্ছে করে। তাদেরও একান্তে সময় কাটানোর অধিকার আছে।

৪০ বা ৫০ এর পর সেক্স শেষ নয়, বরং এক নতুন অধ্যায়ের শুরু।
তখন আর বাচ্চার ভয় থাকে না, প্রেগন্যান্সির টেনশন থাকে না। তখন অফুরন্ত সময়।
স্বামী-স্ত্রীরা, আপনারা এই সময়টাকে উপভোগ করুন।
লোকে কী বলল—তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। লোকের কথায় আপনার শরীর চলে না।
বিছানায় আপনারা একে অপরের। সেখানে কোনো বয়স নেই, কোনো লজ্জা নেই।

যদি শরীরে কুলায়, তবে ৮০ বছর বয়সেও মিলন করুন।
যদি শরীরে না কুলায়, তবে একে অপরের হাত ধরে শুয়ে থাকুন, গল্প করুন, আদর করুন।
কিন্তু দোহাই আপনাদের, "বুড়ো বয়সের ভীমরতি" বলে এই পবিত্র সম্পর্কটাকে অপমান করবেন না।

একজন অতৃপ্ত আত্মার চেয়ে একজন তৃপ্ত বৃদ্ধ অনেক বেশি সুন্দর।
সমাজ বদলাবে না, আপনাকে বদলাতে হবে। নিজের সুখের চাবি নিজের হাতে রাখুন।

লেখাটি পড়তে পড়তে হয়তো আপনার চোয়াল শক্ত হয়ে গেছে, কিংবা অজান্তেই চোখের কোণে জল এসেছে। হয়তো আপনি সেই ভুক্তভোগী স্বামী, কিংবা সেই অবহেলিত স্ত্রী।

আপনার মনে কি কোনো প্রশ্ন জাগছে?
— আপনার বয়স বাড়ছে কিন্তু মিলনে সমস্যা হচ্ছে?
— মেনোপজের পর কীভাবে সম্পর্ক ঠিক রাখবেন?
— স্বামী বা স্ত্রীর অমিল কীভাবে দূর করবেন?

প্রিয় পাঠক, আমরা বিশ্বাস করি একটি সুস্থ সম্পর্ক ও সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তুলতে সঠিক জ্ঞানের কোনো বিকল্প নেই। আমি চেষ্টা করছি আপনাদের জীবনের না বলা সমস্যাগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে।

আগামীতে আপনারা ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পড়তে চান?
— বাচ্চা নেওয়ার পরের দাম্পত্য জীবন?
— পর্নোগ্রাফির আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়?
— প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে কীভাবে শক্তি বাড়াবেন?
— নাকি অন্য কোনো গোপন সমস্যা?

লজ্জা ভেঙে কমেন্টে করে আপনাদের পছন্দের টপিকগুলো জানান। আপনাদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই আমার পরবর্তী লেখাগুলো তৈরি হবে। কারণ আপনার সমস্যার সমাধানই আমার মূল লক্ষ্য।

13/01/2026
07/01/2026

Laughter is the best medicine 🤣
-------------------------------------
দুটি গাড়ির মুখোমুখি মারাত্মক সংঘর্ষ হল। দুটি গাড়িরই সামনের অংশ ভেঙ্গে চুরমার। সৌভাগ্যক্রমে দুটি গাড়িরই চালকের কিন্তু কিছু হয়নি। ওরা একদম অক্ষত থেকে গেছে। একটি গাড়ির চালক একজন পুরুষ আর অপর গাড়ির চালক একজন মহিলা।
দুর্ঘটনার পর দু'জনই ভাঙ্গা গাড়ি থেকে কোনক্রমে বেরিয়ে এলেন। মহিলাটি বলছেন--- "দেখুন, আমাদের গাড়ির আর অবশিষ্ট কিছুই রইলো না। তবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ তিনি যে আমাদেরকে রক্ষা করেছেন। ঈশ্বরের হয়ত এটাই ইচ্ছে যে, এই ঘটনায় আপনার আর আমার মধ্যে একটা সুন্দর বন্ধুত্ব গড়ে উঠবে এবং এই ঘটনার জন্য আমরা কেউ কাউকে দায়ী করব না।"

পুরুষটি খুশি হয়ে বললেন---"হ্যা, আপনি একদম ঠিক বলেছেন, আমি আপনার সাথে পুরো সহমত পোষণ করছি।

তখন ভদ্রমহিলা নিচে পড়ে থাকা একটা মদের বোতলের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বলছেন--- "আরেকটা মিরাকেল লক্ষ করেছেন.? এই বোতলটা আমি আমার এক বন্ধুর জন্য নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু গাড়ি চুরমার হয়ে গেল তবু বোতলটা কিন্তু অক্ষত থেকে গেল। ঈশ্বর বোধ হয় চাইছেন আমরা এটা দিয়ে আমাদের আজকের এই সৌভাগ্যের সেলিব্রেট করি। এবার মহিলাটি মদের বোতলটি লোকটির হাতে দিয়ে বললেন---

নিন শুরু করুন।"

বোতলের ক্যাপ খুলে তিন বার খেয়ে বোতলটি মহিলাটিকে দিয়ে বলল---"থাঙ্কস, এখন আপনি নিন।"

মহিলাটি বলল---"আমি আসলে এত বেশি খাই না, আপনি আরেকটু খেয়ে আমাকে দিন।"

লোকটি তখন বোতলের প্রায় ৭৫% খেয়ে বোতলটি মহিলা কে দিয়ে বলল---"নিন ম্যাডাম, এখন আপনি খান।"

মহিলাটি বলছে---"প্লিজ মাইন্ড করবেন না, আমি এখন খাব না, কারণ আমি এখন পুলিশের জন্য অপেক্ষা করছি, পুলিশ এসে দেখে বলুক এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কে-।

মরাল অব দ্যা স্টোরি :- *বয়স বাড়ছে, মহিলা প্রীতি কমাও, এখন দেখ্ কেমন লাগে! হলো তো!*

প্রায় বাইশ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল।নান্দনিক স্থাপত্যের একটা নিদর্শন ও...
24/12/2025

প্রায় বাইশ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল।নান্দনিক স্থাপত্যের একটা নিদর্শন ও বটে। কিন্তু উদ্বোধন এর আগমুহূর্তে জানা গেল যোগাযোগের অন্যতম বাহন ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়নি ভুলে সেটা করা হয়নি । এখন নান্দনিক সিলিং ভাংচুর করে তার মধ্যে সেটা বসাতে হবে। আগে জানতাম বড্ডভুলো মন আমার, এখন দেখছি মেগাপ্রজেক্টের বড় বড় বোধ্যারাও....

07/11/2025
ফার্স্ট ইয়ার ফাইনালে ফেল করে বসল এক ছাত্র। কিন্তু ফেল করলে তো চলবে না, যেভাবেই হোক পাশ করতে হবে, ছাত্রটি মনে মনে ফন্দি ...
06/11/2025

ফার্স্ট ইয়ার ফাইনালে ফেল করে বসল এক ছাত্র। কিন্তু ফেল করলে তো চলবে না, যেভাবেই হোক পাশ করতে হবে, ছাত্রটি মনে মনে ফন্দি আঁটে।

সে সরাসরি প্রিন্সিপাল স‍‍্যারের রুমে গিয়ে বলে, "স্যার, আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করব। আপনি যদি সঠিক উত্তর দিতে পারেন, আমি আমার রেজাল্ট মেনে নেব। আর যদি উত্তর ভুল হয়, তাহলে আমাকে পাশ করিয়ে দিতে হবে।"

প্রিন্সিপাল স্যার মনে মনে হাসেন। ফেল করা একটি ছেলে তাকে কি এমন প্রশ্ন করবে যার জবাব তার মতো অভিজ্ঞ শিক্ষক দিতে পারবে না! অতএব, তিনি রাজি হয়ে গেলেন।

ছাত্রটি একটা ফিচলে হাসি দিয়ে বলে, "স্যার, বলুন তো, কোনটা লিগ্যাল, কিন্তু লজিকাল না? কোনটা লজিক্যাল, কিন্তু লিগ্যাল না? আর কোনটা লিগ্যাল বা লজিক্যাল কোনোটাই না?"

প্রিন্সিপাল স‍‍্যার এবার বেকায়দায় পড়লেন। ভেবে ভেবে চুল ছিঁড়ে ফেলার অবস্থা, কিন্তু সঠিক উত্তর কিছুতেই মাথায় আসছে না। শেষে ছাত্রের শর্ত মেনে নিয়ে তাকে পাশ করিয়ে দিলেন।

পরদিন ক্লাসে গিয়ে তিনি ভাবলেন, গতকালের প্রশ্নটিই তিনি আজ ছাত্রছাত্রীদেরকে জিজ্ঞাসা করবেন। প্রশ্ন করতেই তিনি অবাক, প্রায় সবাই হাত তুলেছে!

তিনি তখন সামনের বেঞ্চে বসা একজন ছাত্রকে বললেন, "বল দেখি!"

ছাত্রটি মুচকি হেসে বলল, "স‍‍্যার, আপনার বয়স ৫৮, আর আপনার স্ত্রীর ১৮। এটা লিগ্যাল, কিন্তু লজিক্যাল নয়!"

স্যার তখন ছাত্রটিকে তাড়াতাড়ি থামিয়ে দিয়ে বললেন, "আরে বস বস হারামজাদা, আর বলতে হবে না।"

আরেকজন ছাত্র মাঝের সারি থেকে লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, "স‍‍্যার, আপনার স্ত্রীর সাথে তার সমবয়সী একটি ছেলের অ্যাফেয়ার চলছে! এটা লজিক্যাল, কিন্তু লিগ্যাল না।"

স‍‍্যারের তো বিষম খাওয়ার অবস্থা। গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোচ্ছে না।

ঠিক তখন লাস্ট বেঞ্চের একজন ছাত্র বলে উঠল, "স‍‍্যার, আপনার স্ত্রীর বয়ফ্রেন্ড ফাইনাল পরীক্ষায় ফেল করা সত্ত্বেও আপনি তাকে পাশ করিয়ে দিয়েছেন! এটা না লজিক্যাল, না লিগ্যাল।"

স্যার মাথা ঘুরে ধপাস করে পড়ে গেলেন।

18/10/2025

নারী বনাম গাড়ি
গাড়ীর কোম্পানিতে সেলসম্যান পদে লোক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য প্রশ্ন এসেছে,

“নারী আর গাড়ির তুলনামূলক আলোচনা করুন।“

এই প্রশ্নের একজন উত্তরে লিখলোঃ
১। নারী আর গাড়ি দু’টোই পুরনো হলে ডিস্টার্ব (শব্দ) করে।
২। নারী আর গাড়ি দু’টোই তেলে চলে। যত ভালো মানের তেল দিবেন, তত ভালো সার্ভিস।
৩। নারী আর গাড়ি দু’টোই অন্যের হাতে নিরাপদ নয় (নষ্ট করে ফেলতে পারে)।
৪। সুন্দর গাড়ি আর সুন্দরী নারী থাকলে বন্ধুমহলে ভালো দাম পাওয়া যায়।
৫। নারী আর গাড়ি কখন বিগড়ায়, আগে থেকে তা বলা মুশকিল।
৬। নারী আর গাড়ির আউটলুক যত ভালো হয়, দামও তত ভালো হয়।
৭। দু’টোরই ব্র্যান্ড ভ্যালুর উপর দাম নির্ভর করে।
৮। নারী আর গাড়ি দু’টোকেই দৌড়ের ওপর রাখলে সার্ভিস ভালো দেয়।
৯। নারী আর গাড়ি দু’টোই লাইসেন্স ছাড়া চালানো দন্ডনিয় অপরাধ।
১০। ফিটনেস বিহীন গাড়ি এবং নারী উভয়টাতেই দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ব্যাপক।
১১। গাড়িতে দুর্ঘটনা ঘটলে জনসংখ্যা কমে, কিন্তু নারীতে বাড়ে।

কোম্পানির এমডি তৎক্ষণাৎ উত্তরদাতাকে জড়িয়ে ধরে বললো চাকরী Confirmed.

ওরা তোমাকে বিনা মূল্যে অনেক কিছুই দিবে, কিন্তু শিক্ষা নয় কারন শিক্ষা প্রজন্মের জন্মদেয়। প্রকৃত শিক্ষা হল বাঘের দুধের মত,...
28/08/2025

ওরা তোমাকে বিনা মূল্যে অনেক কিছুই দিবে, কিন্তু শিক্ষা নয় কারন শিক্ষা প্রজন্মের জন্মদেয়। প্রকৃত শিক্ষা হল বাঘের দুধের মত, যে পান করবে সেই গর্জন করবে।

04/08/2025

পথে পড়ে থাকা ধুলো বালি নিতান্তই তুচ্ছ বস্তু, কিন্তু আপনি কি জানেন? একটা দমকা বাতাসে সেই ধুলো বালি আপনার চোখে পড়লে, আপনার চোখে ব্যাথা বেদনা শুরু হয়ে যেতে পারে। তেমনি সমাজের কোন মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না কারণ তুচ্ছ ব্যাক্তিই হঠাৎ দমকা বাতাসের মত শক্তি অর্জন করে আপনার চক্ষুশূলের কারণ হতে পারে।

Address

House 21 Road 13 Sector 11 Uttara Dhaka
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jana Ojana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Jana Ojana:

Shortcuts

Share