16/11/2023
কোরআন-হাদিসে গাছের কথোপকথন | বাংলাদেশ প্রতিদিন কোরআন-হাদিসে গাছের কথোপকথন
আমাদের এই পেইজের উদ্দেশ্য হলো, উপসহকা?
16/11/2023
কোরআন-হাদিসে গাছের কথোপকথন | বাংলাদেশ প্রতিদিন কোরআন-হাদিসে গাছের কথোপকথন
28/06/2023
#ক্লেফট_গ্রাফটিং
মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত কলম করার উপযুক্ত সময়। কারন এ সময় বাতাসে আদ্রতা ও গাছের কোষের কার্যকারিতা বেশী থাকে। ফলে তাড়াতাড়ি জোড়া লাগে এবং সফলতার হারও বেশী পাওয়া যায়।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
১. রুটস্টক
২. সায়ন (এটি ভালো জাত ও ফলনশীল গাছ হতে সংগ্রহ করা হয়)
৩. ধারালো ছুরি/ব্লেড
৪. গ্রাফটিং টেপ বা পলিথিন ফিতা
৫. পলিথিন ক্যাপ
পদ্ধতিঃ
ক) সাধারনত স্টক গাছের গোড়া হতে ১৫-২০ সেমিঃ উপরে গ্রাফ্টিং করা হয়।
খ) খেয়াল রাখতে হবে যেন জোড়া স্থানটির নিচে অবশ্যই যেন কিছু পাতা থাকে।
গ) এবার নিদ্দিষ্ট উচ্চতায় স্টক গাছের মাথাটি সমভাবে কেটে অপসারন করতে হবে।
ঘ) এবার ধারালো চাকু/ব্লেড দিয়ে স্টক গাছের মাথাটি ২-৩ সেমিঃ লম্বালম্বি ভাবে চিরে দিতেহবে এবং সায়নের গোড়ার উভয় পাশ একই ভাবে ২-৩ সেমিঃ তেরছা কাট দিতে হবে।
ঙ) এবার স্টক গাছের কাটা অংশে সায়নের কাটা অংশ সমান ভাবে প্রবিস্ট করাতে হবে।
চ) অতপর জোড়া লাগানোর যায়গাটি গ্রাফটিং টেপ বা পলিথিন ফিতা দিয়ে পেচিয়ে শক্ত ভাবে বেধে দিতে হবে।
ছ) এবার একটি পলিথিন ক্যাপ বা টুপি দিয়ে সায়নের মাথা হতে জোড়ার নিচ পর্যন্ত ঢেকে বেধে দিতে হবে।
জ) সায়নে নতুন পাতা বের হলে বুঝতে হবে গ্রাফটিং সফল হয়েছে এবং পলিথিন ক্যাপ খুলে দিতে হবে।
★স্টক ও সায়ন অসমান হলে অর্থাৎ মোটা কমবেশি হলে স্টক ও সায়নের যেকোন একপাশের ছাল মিলিয়ে পলিথিন পেচাতে হবে।
সতর্কতাঃ
√সায়ন বা রুটস্টক মসৃণভাবে কাটতে হবে। অমসৃণ হলে জোড়া লাগবে না।
√ধারালো ছুরি/ব্লেড ব্যবহার করতে হবে।
√কাটা স্থানে ময়লা বা পানি জমলে ছত্রাক বা জীবাণু আক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।
√জোড়াটি স্থায়ী হয়ে গেলে অথাৎ কলম করার প্রায় তিন মাস পর পলিথিনের ফিতাটি খুলে দিতে হবে।
অধিকাংশ গাছই এই পদ্ধতিতে গ্রাফটিং করা যায়। বিশেষ করে ফল গাছ।
আমলকির ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
07/04/2023
আল হামদুলিল্লাহ্
বিজ্ঞাপনের পিছনের আসল দৃশ্য 😳🙄
Jamuna Television
৩০বছরের রেকর্ড ভেঙে এমন চৈত্র মাস দেখলো বাংলাদেশ৷
কৃষি ও কৃষকের উন্নতির জন্য নিরলস পরিশ্রম করেন যান উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ
💥 বাংলাদেশ পরিচিতি (Introduction to Bangladesh)
✔️ এক নজরে বাংলাদেশ (Bangladesh at a Glance)
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (ইংরেজিতে The People’s Republic of Bangladesh)
▫️রাজধানী: ঢাকা
▫️বাণিজ্যিক রাজধানী: চট্টগ্রাম।
▫️স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস: ২৬-শে মার্চ
✔️ বাংলাদেশের সীমান্ত ও ছিটমহল
▫️বাংলাদেশের ভূখণ্ডগত বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল (২২.২২ কিমি) এবং উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪০ কিমি) পর্যন্ত হলো অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা।
▫️বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের Maritime boundary বিদ্যমান রয়েছে।
▫️বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য ৫টি। তন্মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বাদে বাকি রাজ্যগুলো সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্গত। সেভেন সিস্টার্স হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৭টি রাজ্য।
ভারত ও মিয়ানমারের যৌথ সীমানা আছে রাঙ্গামাটি জেলার সাথে।
▫️মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার।
▫️বাংলাদেশের সাথে ভারতের অমীমাংসিত সীমান্ত হলো ফেনীর মুহুরির চরের ২ কি.মি.।
▫️ভারতের সাথে সীমান্ত যোগাযোগ নেই বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের।
▫️সেভেন সিস্টার্স সহজে মনে রাখার কৌশল
“আমেত্রিঅমিনাম”
আ- আসাম , মে- মেঘালয়, ত্রি- ত্রিপুরা, অ- অরুণাচল, মি- মিজোরাম, না- নাগাল্যান্ড, ম- মণিপুর
✔️ ছিটমহল
▫️বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ছিটমহল ১৬২টি।
▫️ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহল ৫১টি এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল।
▫️তিন বিঘা করিডোর: তিন বিঘা করিডোর লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত। এর ক্ষেত্রফল ১৭৮মি. X ৮৫ মি.।
▫️ভারতের অধিকাংশ ছিটমহল আছে লালমনিরহাটে- ৫৯ টি।
✔️ বাংলাদেশের বিভাগ ও জেলা
▫️ বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ ৮টি।
▫️সর্বশেষ বিভাগ ময়মনসিংহ যা ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর শুরু হয়েছে।
▫️ বাংলাদেশের জেলা রয়েছে ৬৪টি।
✔️ বিভিন্ন জেলার পূর্বনাম
▫️বর্তমান নাম -পূর্ব নাম
বরিশাল - চন্দ্রদ্বীপ/ বাকলা
নোয়াখালী- ভুলুয়া/ সুধারাম
কুমিল্লা- ত্রিপুরা
গাজীপুর- ভাওয়াল
ময়মনসিংহ - নাসিরাবাদ
ভোলা- শাহবাজপুর
যশোর- খলিফাতাবাদ
খুলনা- জাহানাবাদ
বাগেরহাট- খলিফাবাদ
সিলেট- জালালাবাদ/ শ্রীহট্ট
সংগৃহীত..!!
19/10/2022
👉ইউরিয়া সার অতিরিক্ত প্রয়োগের লক্ষণ এবং ক্ষতিসমূহ:-
১।গাছের পাতার রং কালচে সবুজ হয়।
২। ইউরিয়া সার প্রয়োগের মাত্রা বেশি হলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়।
৩। গাছে ফুল ফল কিছুটা দেরিতে আসে।
৪। গাছ অতিরিক্ত লম্বা হয় ফলে অল্প বাতাসে হেলে পড়ে যায়।
৫। জমিতে রোগ এবং পোকার আক্রমণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়।
৬। অনেক সময় পাতার অংশ ভারি হয়ে গিয়ে গাছ হেলে পড়ে যায়।
৭। অতিরিক্ত ইউরিয়া প্রয়োগের কারণে ফলের স্বাদ পানি পানি ভাব হয়।
৮। অতিরিক্ত ইউরিয়ার সার ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যায়।
তাই,
আসুন আমরা অতিরিক্ত পরিমাণে ইউরিয়া সার জমিতে প্রয়োগ না করি।