27/05/2026
“কোরবানির এই পবিত্র দিনে
ত্যাগের মহিমায় জাগুক প্রাণ,
আকাশ-বাতাস মুখরিত হোক
গেয়ে আনন্দের এই গান।”
— গোলাম মোস্তফা
সময়ের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বছর শেষে আবার এলো মুসলিম সম্প্রদায়ের আনন্দের জোয়ার। মুসলমানদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব ঈদুল আজহা। ত্যাগের মহিমায় দীক্ষিত হয়ে, আল্লাহর সন্তুষ্টির চাদরে নিজেকে নিবেদিত করার এক পবিত্র লগ্ন। এ দিনে ধনী-দরিদ্র, বর্ণ আর জাতের সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই মিলে এই আনন্দ আয়োজন উপলব্ধি করে।
ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর এক অনন্য আত্মত্যাগ ও পরম আত্মসমর্পণের মহিমান্বিত উপাখ্যান। বসন্তের ঝরা পাতার মতো মনের সব হিংসা-বিদ্বেষ ঝরিয়ে দিয়ে, আজ সবাই মেতে ওঠে সৌহার্দ্যের উৎসবে। নদীর বহমান জলধারার মতো পরিবার, পরিজন আর প্রতিবেশীর সবার মাঝে বিলিয়ে দেয় সুখ আর আনন্দ; যার মাঝে মূর্ত হয়ে ওঠে ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য। সেই অনাবিল সুখের পরশে প্রতিটি প্রাণ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত।
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা— ঈদ মোবারক! ঈদের এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি মনে, প্রতিটি ঘরে।
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
24/05/2026
"শুকনো পাতার নূপুর পায়ে
নাচিছে ঘুর্ণিবায় জল তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্ ঢেউ তুলে সে যায়।।"
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বোধ হয় এই গানে প্রকৃত অর্থেই সাহিত্যে তাঁর পদার্পণের চিত্র এঁকেছেন। কে ভেবেছিল হিন্দু ও ইসলাম ধর্মের অনুসঙ্গের মিশ্রণ তুলে ধরা যায়, কিংবা সংস্কৃত, ফারসি, আরবি ও বাংলা শব্দ~ সুর ও তালের মেলবন্ধনে সামাজিক, রাজনৈতিক, পৌরাণিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে এত বৈচিত্র্যময় রচনা সম্ভব! মাত্র ৪০ বছর বয়স পর্যন্তই তিনি সাহিত্যচর্চার সুযোগ পেয়েছিলেন, অথচ এই স্বল্প সময়েই তাঁর জ্ঞানের ভাণ্ডার ও সৃষ্টিশীলতার প্রয়োগ স্থান করে নিয়েছে বাংলার অমর সাহিত্যে।
স্থবির শ্রান্ত প্রাচী-র প্রাচিন জাতিরা সব
হারায়েছে আজ দীক্ষা দানের সে- গৌরব!
অবনত-শির গতিহীন তা'রা- মোরা তরুণ
বহিব সে ভার, লব শাশ্বত ব্রত দারুণ,
শিখাব নতুন মন্ত্রবল।
রে নব পথিক যাত্রীদল,
জোর কদমে চল রে চল।।
সাম্যের জন্য মানবতার পথে চলা এই যৌবনপ্রেমী যাত্রী চিরকাল অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলমযুদ্ধ করেছেন। দারিদ্র্যকে তিনি সমাজের ভূষণ হিসেবে তুলে ধরেছেন নিজের বৈচিত্র্যময় অথচ দুঃখময় জীবনের আলোকে। বাংলার বিদ্রোহের ঝড়ের তেজ ব্যক্তিত্বে ধারণ করা কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জানাই আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাব এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন, বিদ্রোহী কবি। আপনার সৃষ্টি, আদর্শ ও বিদ্রোহী চেতনা আগামীর দিনে তরুণ সমাজের জন্য হয়ে থাকবে অনুপ্রেরণার এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা।
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
20/05/2026
ছন্দ সৃজনেই মানব-সৃষ্টিশীলতা ব্যক্ত হয়, আবার ছন্দ বিশ্লেষণের ফুটে ওঠে অন্তরের অনিন্দ্য ভাব। ছন্দের খোঁজেই সাহিত্যের উৎপত্তি, ছন্দের প্রবাহেই সাহিত্যের এগিয়ে চলা। তাই আবৃত্তির মাঝেই আমরা সন্ধান করে বেড়াই শ্রবণের মাধুর্যের, অন্বেষণ করি চারুত্বের।
ছন্দের এই জাদুর ক্রমবিকাশ তুলে ধরতে, এর হাতেখড়ি দিতেই এইবার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের আবৃত্তিকুঞ্জ থেকে এইবারের আয়োজন ছন্দ বিশ্লেষণ ও আবৃত্তি যাত্রা, আগামী কালকের সেশন নিবেন তাহসান তাহির তূর্য্য, চিফ অফ রিসাইটেশন পর্ষদ-২৬। ছন্দকে নবরূপে উপলব্ধির জন্যে চলে এসো রুম নং. ২৪৪-এ।
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
15/05/2026
প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার দীপ্ত আলোয় আলোকিত এক অনন্য ব্যক্তিত্ব আপনি। সুপরিকল্পিত কর্মধারা ও লেখনীর নিপুণ আলপনায় প্রতিনিয়ত জেগে ওঠে সাহিত্যের নবদীপ্ত সৌন্দর্য।
“সাহিত্য” যে শুধুমাত্র শব্দের বিন্যাস নয়, বরং অনুভূতি, যুক্তি ও নান্দনিকতার এক অপূর্ব সম্মিলন, তার সুন্দর প্রতিফলন মেলে প্রতিটি সৃষ্টিতে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবকে প্রাণবন্ত করে তোলার পেছনে রয়েছে আপনার সৃজনশীল ভাবনা ও আন্তরিক পদচারণা। অনুজদের জন্য আপনি এক অনুপ্রেরণার নাম, যার আলোয় বিকশিত হচ্ছে নতুন সাহিত্যচর্চার আবহ। সাহিত্যাঙ্গনে এই অগ্রযাত্রা হয়ে উঠুক আরও বিস্তৃত ও দীপ্তিময়।
আজ ১৬ মে, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের পক্ষ থেকে মুশফিকা জামান লামিয়া (চিফ অব কনটেন্ট মডারেশন) কে জানাই জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ভরে উঠুক সাফল্য, শান্তি ও সৃষ্টিশীলতায়, আর সাহিত্যচর্চায় উন্মোচিত হোক নতুন নতুন দিগন্ত।
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
13/05/2026
গল্প ও কাব্য লেখালেখির প্রধান ধরন হিসেবে প্রাধান্য পেলেও প্রবন্ধ সাহিত্য বা রচনা লিখনেই প্রকৃত মনীষীদের সৃজনশীল ও সুযৌক্তিক চিন্তার প্রকাশ পেয়েছে। তাই সব বাঙালি লেখকগণ জীবনে একবার না একবার প্রবন্ধ লিখেছেন, প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তাঁদের সুচিন্তিত জীবন ভাবনার।
এরই ধারা জারি রেখে নব্য লেখকদের হাতেখড়ি দিতে ও পারদর্শীতা বাড়াতে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের 'লেখক সংঘ' থেকে আমাদের কালকের আয়োজন গদ্যে রচনা লেখা নিয়ে। তোমার তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষমতাকে সমালোচনামূলক চিন্তায় রূপান্তরিত করতে চলে এসো রুম নং ২৪৪-এ।
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
10/05/2026
"দিবাকর যেথা বিরাজে ঘুচায়ে ম্রিয়মাণ ধূলিকণা,
নূতন কিরণে জাগে তব মন, জাগে স্তব্ধ প্রাণের ধরা।"
কালের পরিক্রমায় বদল হয় দিশারীর। আশু ভবিষ্যতের তরে নব-উদ্যমে ছুটে চলার এক অনন্য প্রাণশক্তি যেন দিশারীর চিত্তে গেঁথে দেয় অগাধ নেতৃত্বের পুলক; সাথে আত্মিক জাগরণের সন্নিবেশে ভাষার অসীম নৌকো গ্রহণ করে নেয় তার প্রবর্তিত দিশারীকে। পরিচয় করিয়ে দিতে চাই আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের নতুন দিশারীদের:
★ ★ সেন্ট্রাল ক্লাব প্রিফেক্ট: ফাতিহা ইসলাম রিচি
★ আ্যসিস্ট্যান্ট সেন্ট্রাল ক্লাব প্রিফেক্ট : নাজিফা তাবাসসুম
পর্ষদ ২৫-২৬ এর প্রিফেক্টদের উদ্ধৃতি—
"বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাব প্রাণের খুবই কাছের একটি ক্লাব। দীর্ঘ ৭মাসের দায়িত্ব আজ ন্যস্ত করছি নতুন কুড়িদের কাছে। রিচি ও নাজিফা উভয়ই ক্লাবের সূচনালগ্ন থেকে প্রাণপণে কাজ করে গিয়েছে তাই তাদের প্রতি আমার অকৃত্রিম অভিনন্দন রইলো। ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে এ আমাদের বিশ্বাস। নূতন পাতার মতো চঞ্চল হও, সূর্যের মতো হও উদ্দাম! বাংলাকে অসীমের নিকটস্থ করবে এমনই প্রত্যয়ে বিশ্বাসী আমি। শুভকামনা 🧡"
-নিসর্গ নূহ বারী (সেন্ট্রাল ক্লাব প্রিফেক্ট ২৫-২৬)
"একটি দীর্ঘ সময় ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে গর্বিত এবং আনন্দিত বোধ করছি। আজ সেই নেতৃত্বের মশাল তুলে দিচ্ছি নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের হাতে। রিচি ও নাজিফা উভয়ই অসামান্য কর্মস্পৃহা, বিনয় এবং সুরুচির পরিচয় দিয়ে এসেছে। ক্লাবে আগমনের পর থেকেই তাদের ক্লান্তিহীন নিষ্ঠা ও ত্যাগ আমি প্রত্যক্ষ করেছি; তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন। আমি নিশ্চিত, তাদের প্রজ্ঞা ও সৃজনশীলতায় এই ক্লাব অনন্য এক উচ্চতায় আসীন হবে।
তোমাদের আগামীর পথচলা হোক জ্যোতির্ময়! 🧡"
-তাওহীদুল ইসলাম (আ্যসিস্ট্যান্ট সেন্ট্রাল ক্লাব প্রিফেক্ট ২৫-২৬)
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
10/05/2026
সাহিত্যের নিরন্তর সমুদ্রে ক্ষণে ক্ষণে যুক্ত হতে থাকে নানা লেখা, সেখানে প্রতি মুহূর্তেই অবাধে পদার্পণ করে নব্য শিল্পীরা গল্প, কবিতা লেখার বা প্রবন্ধ রচনা করে অবদান রাখে সাহিত্যে। সাহিত্যের এই সমুদ্রে নতুন স্রোত যোগ করে নতুন চেহারার সমাবেশ ঘটিয়ে সাহিত্যের দিগন্তের পরিসীমা বৃদ্ধি করতেই প্রতিবছর আয়োজিত হয় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতা।
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকে প্রতিবছর, এর মধ্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩' উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান লাভ করে পরিচয় দিয়েছে নিজ কৃতিত্বের আমাদের একজন অসাধারণ শিক্ষার্থী:
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩' উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান
ফাতিহা ইসলাম রিচি
সেন্ট্রাল ক্লাব প্রিফেক্ট
আইডি : ২৫১৫১৭
10/05/2026
"ভাবি আমি
এবার মরলে তুমি হয়ে জন্মাবো
তোমার লড়াইটা দেখব লড়ে। তোমার মত— মানুষগুলোর
চাপা কান্নার গতি রুখব
জানো মা"
কেবল একটি সম্পর্ক নয়, মায়ের সঙ্গে আমাদের ভালবাসা প্রেমের বিশুদ্ধতম রূপ, অমরার উদ্ভব দিয়ে শুরু হওয়া সম্পর্কটাই আমাদের নিরাপদ আশ্রয় এবং নিঃস্বার্থ ত্যাগের জলজ্যান্ত উদাহরণ। মা হলো এমন এক শক্তি, যা নিজ ব্যথা আড়াল করে হাসি ফোটায় মুখে। একজন মা ভালোবাসা, ধৈর্য, ক্ষমা, সাহস এবং ত্যাগের দীপ্তিমান এক প্রতীক। পৃথিবীতে অনেক মানুষ ভালোবাসার কথা বলে, তবে মা এই ভালোবাসার মূলস্তম্ভ। সন্তানের এতটুকু কষ্ট হলে যার হৃদয় সবচেয়ে বেশি ব্যথিত হয়, তিনি হলেন মা। মা মানে শান্তির এক চিরন্তন ঠিকানা, আবেগপূর্ণ নীলাকাশ আর এমন এক আশ্রয় যেখানে ক্লান্ত এই বসুন্ধরার প্রতিটি ধূলিকণা যেন শান্তি খুঁজে পায়।
আজ ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ২৮শে বৈশাখ, ইংরেজি ১০ই মে ২০২৬— বিশ্ব মা দিবস। মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন হয় না, কারণ প্রতিটি দিনই শুরু হয় মায়ের ভালোবাসা, স্নেহ ও মঙ্গলকামনায়। আজকের এই বিশেষ দিনে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্লাবের পক্ষ হতে পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা ও পৃথিবীর সকল সন্তানের পক্ষ হতে কৃতজ্ঞতা-জ্ঞাপন।
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!
07/05/2026
পঁচিশে বৈশাখ— এক চিরন্তন বসন্তের নাম বাঙালির হৃদয়ে। আজ ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী কবিগুরুর। আমাদের যাপিত জীবনের এমন কোনো অনুভূতি নেই যা রবীন্দ্রনাথ স্পর্শ করেননি তাঁর কলমে। শৈশবের সেই "আমাদের ছোট নদী" থেকে শুরু করে আজকের কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার দিনগুলোতেও তাঁর লেখা আমাদের আগলে রেখেছে ছায়ার মতো। জীবনের জটিল অংকের ভিড়ে যখনই একটু ক্লান্ত হই, তখনই কবির সেই বাণী বাজে কানে—
"মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক,
আমি তোমাদেরই লোক
আর কিছু নয়,
এই হোক শেষ পরিচয়।"
আসলেই তো– তিনি আমাদেরই লোক। আমাদের বিরহে তিনি গান হয়ে ঝরেন, আমাদের বিজয়ে হয়ে ওঠেন জাতীয় সংগীতের অদম্য শক্তি। সাহিত্যের প্রতিটি আঙিনায় তাঁর যে পদচারণা, তা আমাদের ঋদ্ধ করেছে, শিখিয়েছে বিশ্বমানবতার জয়গান গাইতে। কবির গভীর জীবনদর্শন আমাদের দেখায় যে, ধ্বংসের মাঝেও লুকিয়ে থাকে সৃষ্টির আনন্দ ।
শুভ জন্মদিন, হে বিশ্বকবি। আমাদের অস্থিমজ্জায়, মননে আর নিভৃত-যাপনে তুমি ছিলে, আছো এবং চিরকাল রবে।
"তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম
নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমা নিশীথিনী-সম।"
সাহিত্যে সূচনা, সাহিত্যেই সমাপ্তি!