16/09/2023
"Do you have a mother?" |
When the great scholar Sulaym b. Ayyūb as-Sulaym (known as Abū Fatḥ ar-Rāzī, d. 447 hijrī) was a ten year old child in his hometown of Rey, Iran, he went to a sheikh to learn recitation of the Qurʾān.
He narrates:
The sheikh called me over and asked me to start reciting the Qurʾān. I started to recite sūrat al-Fātiḥah but struggled to do so and couldn't complete its recitation because of how poor my pronunciation was. So the sheikh asked me, “Do you have a mother?”
I replied, “Yes.”
The sheikh said, “Tell her to make duʿāʾ that Allāh grants you recitation of the Qurʾān and knowledge.”
So I went home and asked her to make duʿāʾ for me and she did.
When I grew up, I travelled to Baghdād and stayed there until I mastered the Arabic language and Fiqh. Then I returned to Rey.
One day, as I was sitting in a masjid teaching 'Mukhtaṣar al-Muzanī', that same sheikh entered the masjid and greeted us but did not recognise me. When he heard me teach–and he had no idea what we were discussing–he exclaimed, “How does one gain this much knowledge?!”
Sulaym narrates, "I wanted to ask him if he had a mother, to tell her to make duʿāʾ for him. But I was shy to do so."
😅
07/07/2023
To find own faults and correcting is best neyamah from Allah subhanahu wa tayala....
SubhanAlloh...
‘কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকি হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে আত্মপর্যালোচনায় কঠোর না হয়।’
—মাইমন বিন মিহরান (রাহ.)
(ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, পৃষ্ঠা : ৪২৯)
প্রকৃত জ্ঞানীরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে। অন্যদের নিয়ে নাক গলানোর মতো সময় তার থাকে না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি, যে নিজের হিসাব নেয় এবং মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। আর নির্বোধ ও অক্ষম সেই ব্যক্তি, যে মনোবৃত্তির অনুসরণ করে এবং অলীক কল্পনায় ডুবে থাকে।’’ (তিরমিযি: ২৪৫৯)
এটা বাস্তব সত্য যে, আপনি যখন মানুষের ভালো গুণগুলো খুঁজে বেড়াবেন, তখন নিজের মধ্যে সেই গুণগুলো অটো চলে আসবে। মনের অজান্তেই আপনি সেসব গুণে অভ্যস্ত হতে শুরু করবেন। আর যদি আপনি মানুষের খারাপ গুণগুলো খুঁজে বেড়ান, তবে না চাইতেও সেসব খারাপ অভ্যাসগুলো আপনার মধ্যে চলে আসবে। তাই, খারাপ বিষয়গুলো নিয়ে পড়ে থাকতে নেই।
জ্ঞানীরা বলতেন, ‘যে ব্যক্তি তার নিজেকে ভালোভাবে চিনতে পেরেছে, সে অন্যের দোষ-ত্রুটি বাদ দিয়ে নিজের সংশোধনে লেগে গেছে।’
06/07/2023
কুরআনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব এবং সালাতের বাইরে কুরআন তিলাওয়াতের বিধান
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
প্রশ্ন: কুরআনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব কি? সালাত ব্যতীত নিয়মিত কুরআন পড়া কি ফরজ?
উত্তর:
এ কথায় কোনও সন্দেহ নাই যে, যাবতীয় কল্যাণ, সর্বপ্রকার জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা ও রহস্যের আধার হল আল কুরআন। একে অনুসরণ করেই দুনিয়া ও আখেরাতে পাওয়া যায় সুখের সন্ধান, মেলে সঠিক পথের দিশা। পক্ষান্তরে কুরআন থেকে দূরে থাকলে, কুরআনকে একমাত্র সংবিধান হিসেবে গ্রহণ না করলে নানারকম দুর্ভাগ্য, দুশ্চিন্তা, হতাশা, ব্যঞ্জনা ইত্যাদি মানব জীবনকে ঘিরে ফেলে, প্রতি পদে নেমে আসে গহীন অন্ধকার।
তাই আমাদের কর্তব্য, কুরআন মর্যাদা উপলব্ধি করত: কুরআনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব-কতর্ব্য পালনে সবোর্চ্চ চেষ্টা করা।
◈◈ কুরআনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব এবং সালাতের বাইরে কুরআন তিলাওয়াতের বিধান:
প্রত্যেক মুসলিমের উপর অপরিহার্য কতর্ব্য, সালাতের বাইরেও রাত-দিন যথাসাধ্য কুরআন তিলাওয়াত করা, কুরআন নিজে শেখা, অন্যকে শেখানো, মুখস্ত করা, তরজমা ও তাফসির পাঠ করা, কুরআন অনুযায়ী আমল করা এবং কুরআনের শিক্ষাকে সমাজে ছড়িয়ে দেয়া।
● আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَأُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَأَنْ أَتْلُوَ الْقُرْآنَ
“আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই এবং যেন আমি কুরআন পাঠ করি।" (সূরা নমল: ৯১ ও ৯২)
● রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لِأَصْحَابِهِ
“তোমরা কুরআন পাঠ কর। কেননা, কুরআন কিয়ামতের দিন তার পাঠকদরে জন্য শুপারিশ করবে।” (সহীহ মুসলিম)।
● রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন,
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَه
“তোমদের মধ্যে সেই উত্তম যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়। (সহীহ বুখারী)।
● আল্লাহ তাআলা বান্দাদেরকে কুরআন নিয়ে গবেষণা করার নির্দেশ প্রদান করে বলেছেন, যারা তা করে না তারা অন্ধ এবং বদ্ধ হৃদয়ের অধিকারী। তিনি বলেন,
أَفَلا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا
“তারা কি কুরআন নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা করে না? না তাদের অন্তর তালাবন্ধ?” (সূরা মুহাম্মাদঃ ২৪)
এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে, কুরআনের সম্মান কত বেশি! কুরআন পাঠ করা, মুখস্থ করা, কুরআন নিয়ে গবেষণা করা, কুরআনের অর্থও মর্মবাণী উপলব্ধি করার চেষ্টা করা, একে নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করার মর্যাদা কত উন্নত!
যাহোক, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তো প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য ফরজ। আর কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া সালাত শুদ্ধ হয় না। বিধায় সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করাও ফরজ। কিন্তু সালাতের বাইরে যথাসাধ্য পাঠ করা উচিৎ। কেউ যদি কখনোই কুরআন তিলাওয়াত না করে, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে চলে তারা কুরআন পরিত্যাগ করার অপরাধে অপরাধী হবে।
◈◈ কুরআনকে কিভাবে পরিত্যাগ করা হয়?
আল্লামা ইবনুল কায়্যেম রাহ. বলেন, "কুরআনকে কয়েক ভাবে পরিত্যাগ করা হয়। যথা:
◍ এক: কুরআন শ্রবণ না করা, কুরআনের প্রতি বিশ্বাস পোষণ না করা এবং কুরআনের প্রতি মনোযোগ না দেয়া।
◍ দুই: আমল না করা, বৈধ-অবৈধের প্রতি তোয়াক্কা না করা- যদিও পড়ে এবং বিশ্বাস করে।
◍ তিন: দ্বীনের মৌলিক এবং শাখা সর্বক্ষেত্রে কুরআনকে সংবিধান হিসেবে গ্রহণ না করা।
◍ চার: কুরআনের অর্থ এবং ব্যাখ্যা না জানা এবং কুরআনের মধ্যে আল্লাহ তাআলা কি বলতে চেয়েছেন তা অনুধাবন করার চেষ্টা না করা।
◍ পাঁচ: কু প্রবৃত্তি মনের যাবতীয় রোগ-ব্যাধির চিকিৎসা করতে কুরআন থেকে সাহায্য না নেয়া।
উল্লেখিত বিষয়গুলো সবই এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় যেখানে আল্লাহ তা’য়ালা বলেন,
وَقَالَ الرَّسُولُ يَا رَبِّ إِنَّ قَوْمِي اتَّخَذُوا هَذَا الْقُرْآَنَ مَهْجُورًا
“রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আমার পরওয়ারদেগার, আমার সম্প্রদায় এ কুরআনকে পরিত্যাগ করেছে।" (সূরা ফুরকান: ৩০)
যদিও উল্লেখিত দিকগুলো কোনটা বেশী কঠিন, কোনটা তুলনা মূলক হালকা।
◈◈ কুরআন থেকে দূরে থাকার কারণ:
যেসব কারণে মানুষ কুরআন থাকে দূরে থাকে বা কুরআন পরিত্যাগ করে সেগুলো নিন্ম রূপ:
● ১) কুরআনকে সে অবিশ্বাস করে বা মিথ্যা মনে করে যদিও সে তা প্রকাশ করে না।
● ২) কুরআনের মর্মবাণী এবং বিস্ময়কর দিকগুলোর ব্যাপারে সে অজ্ঞ।
● ৩) দুনিয়া নিয়ে সে এতটাই মগ্ন যে পরকালকে ভুলে গেছে।
● ৪) গান-বাজনা শোনায় অভ্যস্ত বা গান-বাজনা চর্চা করে।
● ৫) আজ নয়, কাল থেকে শুরু করব এভাবে সময় ক্ষেপণ করতে থাকা।
● ৬) কুরআন বাদ দিয়ে অন্য জ্ঞান চর্চায় সময় ব্যয় করা। যেমন: কতিপয় মানুষ ইসলামী জ্ঞান চর্চার নামে হাদীস, ফিক্হ, ইসলামী সাহিত্য ইত্যাদি নিয়ে সার্বক্ষণিক সময় ব্যয় করে কিন্তু একবারও কুরআন পড়তে বসে না। এটা খুবই দূষণীয়। বরং উচিৎ হল, এসবের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করা। কারণ, কুরআন বাদ দিয়ে কোন জ্ঞানই অর্জন করা সম্ভব নয়।
আল্লাহ আমাদেরকে সালাতে এবং সালাতের বাইরে যথাসাধ্য কুরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি তার প্রতি আমাদের দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব।
01/07/2023
▌আমরা কী করব সে অনুযায়ী কি আল্লাহ তাকদীর লিখেছেন?
সম্পাদনাঃ শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া [হাফিযাহুল্লাহ]
–––––
সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় হয়। আল্লাহ লিখেছেন, নির্ধারণ করেছেন, আমাদের জন্য পার্টিকুলার কিছু ভাল-মন্দ রাস্তা সৃষ্টি করেছেন, অত:পর সৎকর্মের আদেশ দিয়েছেন।
আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করে যা খুশি তা করার স্বাধীনতা দেন নি। মানুষ কী করবে না করবে তার উপর ভিত্তি করে আল্লাহ কিছু লিখেন নি।
আল্লাহ লিখেছেন তাঁর ইলম, হিকমত ও সুন্নাহ অনুযায়ী। প্রত্যেকটি মানুষের জন্য আল্লাহ সকল কাজের একাধিক অপশন দিয়েছেন, ভালোটা করতে বলেছেন।
যেমন- আল্লাহ অপশন দিয়েছেন ওমুক লোক চুরি করবে অথবা চুরি করতে গিয়েও ফিরে আসবে। এবার এই দুটি অপশনের কোনটা সে বেছে নিবে সেটার স্বাধীনতা তার আছে।
চুরি করা অথবা চুরি করতে গিয়ে ফিরে আসা ছাড়া অন্য কিছু সে করতে সক্ষম নয়, সে চাইলেই দোকানে গিয়ে আড্ডা দিতে পারবে না। এর বাইরে কোন কাজ ভালো বা মন্দ কাজে সে সক্ষম নয়।
''রব্বুল আলামীন আল্লাহ না চাইলে তোমরা কিছুই চাইতে পারো না" [সূরা তাকওয়ীর]
এভাবে মানুষের প্রতি মুহূর্তের কর্ম আল্লাহর সৃষ্টি করা। আল্লাহ নিজের ইচ্ছায় লিখে রেখেছেন, লেখাটা আল্লাহর কর্ম, এটাই ক্বদর।
মানুষের জন্য আল্লাহ কোন কাজটা পছন্দ করেন, আদেশ করেন সেটা হলো শরীয়ত।
আমভাবে বলা যায় আল্লাহ ভালো-মন্দ দুটি সৃষ্টি করেন। আর ভালো-মন্দের স্পেসিফিক অপশনগুলোও আল্লাহর ইচ্ছায় সৃষ্টি হয়। তারপর আমি কোনটা বেছে নিব সেটার স্বাধীনতা আমার আছে। উন্মুক্ত স্বাধীনতা আমার নেই।
কাজেই, আমরা করব আল্লাহ জানেন, সেটাই লিখেছেন - এ কথা বাতিল।
আমাদের করার ভিত্তিতে আল্লাহ লিখলে লিখার দরকার কী ছিল? আর তখন তাকদীরের দোহাই দিয়েই বা কী লাভ হবে? আমরা কি তখন বলতে পারব "আমি এই কাজে সফল হই নি তবুও আল্লাহর তাকদীরের উপর আমি সন্তুষ্ট।"? তখন কি বলা যাবে 'ভাগ্যে যা আছে তাই হবে'?
আমার কাজ অনুযায়ী লিখলে তো আমার ইচ্ছাই সর্বেসর্বা হলো। আল্লাহর ইচ্ছার কী মূল্য রইল?
© Mahathir Bin Muhammad
25/06/2023
তুমি যদি অন্তরের শুদ্ধি চাও, চাও তোমার সন্তানের ভালো হোক, তোমার বন্ধুবর্গ, আত্মীয়ের কল্যাণ হোক, তাহলে তাদেরকে কুরআন তিলাওয়াতের জায়গায় নিয়ে আসো। তাদেরকে কুরআনের সঙ্গী বানাও। তারা না চাইতেই আল্লাহ তাআলা তাদের ভালো করে দেবেন।
~~ইমাম শাফিয়ী (রহ.) বলেন,
সূত্র: হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৯/১২৩
➖➖➖
আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি কুরআনের সাথে থাকার তৌফিক দান করুন।
আমিন
16/06/2023
একজন তলেবুল ইলমের মর্যাদা :
" যে ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের জন্য কোন পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ্ তার পরিবর্তে তাকে জান্নাতের পথসমূহের মধ্যে কোন একটি পথে পৌঁছে দেন। ফেরেশতারা জ্ঞান অন্বেষণকারীর সন্তুষ্টির জন্য নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। জ্ঞানীর জন্য আসমান ও যমীনের যারা আছে তারা আল্লাহর নিকট ক্ষমা ও দু‘আ প্রার্থনা করে, এমনকি পানির গভীরে বসবাসকারী মাছও । "
সুনানে আবু দাউদ : ৩৬৪১
05/06/2023
You have already lost sight of your value if you find yourself continuously attempting to prove your value to someone other than Allah.
01/06/2023
তাজউইদ কি?
তাজউইদ অর্থ কোন কিছু শুদ্ধ ও সুন্দর করা। পারিভাষিক অর্থে কুরআনের প্রতিটি হরফকে তার যথাযথ মাখরাজ ও সিফাত ঠিক রেখে সঠিক ও শুদ্ধ নিয়মে উচ্চারণ করা।
তাজউইদ শিক্ষা করা ফরজ। যারা শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে পারেন না, তাদের জন্য শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করা ফরজ।
সূরা মুযাম্মিলের ৪ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন
"أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا
"আর কুরআন তিলাওয়াত কর সুবিন্যস্ত ভাবে ও স্পষ্ট করে।"
তাজউইদ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা:
এই সম্পর্কে জানতে হলে আমাদেরকে প্রথমে লাহান সম্পর্কে জানতে হবে।
লাহান অর্থ ভূল পড়া। কুরআন মাজিদ তাজউইদের সাথে আদায় না করে পড়াকে লাহান বলে।
লাহান দুই প্রকার-
১)ﻟﺤﻦ ﺟﻠﻲ (লাহানে জালী) প্রকাশ্য ভূল বা মারাত্মক ভূল,
২)ﻟﺤﻦ ﺧﻔﻲ (লাহানে খাফী) ছোট ভূল বা সূক্ষ্ম ভূল।
১)ﻟﺤﻦ ﺟﻠﻲ (লাহানে জালী): যে ভূলের কারণে
অর্থের পরিবর্তন ঘটে। কুরআন মাজিদ লাহানে জালী পড়া হারাম এবং কুফুরী।
নামাজে লাহানে জালী পড়লে নামাজ ফাসেদ হয়ে যায় এবং ঐ নামাজ পুনরায় পড়তে হয়।
লাহানে জালী ছয় প্রকার-
১) এক হরফের স্থলে অন্য হরফ পড়া। যেমন-
اَلۡحَمۡدُ لِلّٰہ এর স্থলে (اَلۡهَمۡدُ لِلّٰہ ) বলা।
অর্থ "সমস্থ প্রসংশা আল্লাহর জন্য।" এর স্থলে অর্থ হবে- "সমস্থ আবর্জনা আল্লাহর জন্য"।
قُلۡ هُوَ اللّٰہُ اَحَدٌ এর জায়গায় كلۡ هُوَ اللّٰہُ اَحَدٌ বলা।
অর্থ- "বল মুহাম্মাদ(সাঃ), তিনি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়" এর পরিবর্তে অর্থ হবে- "খাও মুহাম্মাদ (সাঃ), তিনি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়।"
২)এক হরকতের স্থলে অন্য হরকত উচ্চারণ করা। যেমন- اَنۡعَمۡتَ এর স্থলে اَنۡعَمۡتُ পড়া।
অর্থ- "আপনি যে নিয়ামত দিয়েছেন" এর স্থলে অর্থ হবে- "আমি যে নিয়ামত আপনাকে দিয়েছি"।
৩) হরকতের পরিবর্তে মাদ্দ পড়া। যেমন اَلَمۡ تَرَ এর স্থলে اَلَمۡ تَرَا - পড়া।
অর্থ-"তুমি কি দেখো নাই" এর স্থলে অর্থ হবে "তোমরা কি দেখো নাই?"
৪) মাদের জায়গায় মাদ না করে হরকত পড়া। যেমন- لاَ اِلٰهَ اِلٌَا اللّٰهُ " এর জায়গায় لَاِ لٰهَ اِلَّا اللّٰهُ পড়া।
অর্থ- "আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই" এর স্থলে অর্থ হবে "নিশ্চয়ই আল্লাহ ছাড়া আরো ইলাহ আছে"।
৫) জযমের জায়গায় হরকত পড়া। যেমন-خَلَقْنَا" এর স্থলে خَلَقَنَا পড়া।
অর্থ- "আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি" এর স্থলে অর্থ হবে " তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন"।
৬) হরকতের পরিবর্তে জযম উচ্চারণ করা। যেমন-
وَلِیَ دِیۡنِ এর স্থলে وَلْیَ دِیۡنِ পড়া।
অর্থ- "আমার জন্য আমার কর্মফল" এর স্থলে অর্থ হবে " দ্বীনের অভিভাবক"।
⭐️ যেসব হরফের মাখরাজ একই কিন্তু সিফাত ভিন্ন, সেসব হরফের সিফাত আদায় না করা হলে লাহানে জালী হবে। যেমন-
ت ط ,ك ق
২)ﻟﺤﻦ ﺧﻔﻲ (লাহানে খাফী: হরফ সমূহকে নিজ নিজ মাখরাজ হতে সিফাত অনুযায়ী পড়া হয়, কিন্তু গুন্নাহর স্থানে গুন্নাহ না করা, ইজহারের পরিবর্তে ইখফা করা, মোটা করে পড়ার পরিবর্তে চিকন করা, ক্বলকলা না করা ইত্যাদিকে লাহানে খাফী বলে।
এই ভূলের কারণে অর্থের কোন পরিবর্তন ঘটে না। নামাজ ফাসেদ হয় না, তবে পড়ার সুন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। লাহানে খাফীর হুকুমের ব্যপারে তাজউইদ বিশেষজ্ঞদের মাঝে মতভেদ রয়েছে, কারো কারো মতে, তিলাওয়াতের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা অলসতার কারণে এমন ভূল করা হারাম। আর কেউ কেউ মত দিয়েছেন, যদি তিলাওয়াতকারী ভূলে অথবা অজ্ঞতার কারণে এমন ভূল করে তবে গুনাহগার হবে না।
কুরআনের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মর্যাদা:
রাসূল(সাঃ) বলেন, তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে উত্তম যে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিখায় (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫০২৭)।
রাসূল(সাঃ) বলেছেন, যারা সহী শুদ্ধ ভাবে কুরআন তিলাওয়াত করে, তারা সম্মান্নিত নেককার লিপিকার ফেরেশতাদের সাথে থাকবে এবং যারা কষ্ট সত্ত্বেও কুরআন সহি শুদ্ধভাবে পড়ার চেষ্টা ও মেহনত চালিয়ে যায়, তাদের জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব ।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৪৯৩৭।
তাজউইদের জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : তাজউইদের জ্ঞান অর্জন করার একমাত্র উদ্দেশ্য যেন হয় পবিত্র কুরআন মাজিদ সঠিক ও শুদ্ধ করে তিলাওয়াত করা এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার আরো নিকটবর্তী হওয়া।
25/05/2023
মানুষ যখন তার সাধ্যের বাইরে কারো জন্য কিছু করে বা করার চেষ্টা করে, তখন সে ইহসান করে।
মানুষ যখন অন্যের যা হক তার থেকে তাকে বেশি দেয় তখন সে ইহসান করে।
মানুষ যখন তার হকের পাওনাটুকু পরিস্থিতি বুঝে আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দেয় তখন সে ইহসান করে।
আল্লাহ সুবহানাল্লাহুতায়ালা ইহসানকারীকে উত্তম পুরস্কারে পুরস্কৃত করবেন। মানুষ যদি ইহসান করার প্রতিদান উপলব্ধি করতে পারত তবে মানুষে মানুষে ইহসান করার প্রতিযোগিতা হত।
প্রত্যেক সম্পর্কে "ইহসান" খুব জরুরী। সম্পর্কের যে সীমাবদ্ধতা, যে অমানবিকতা, রুঢ়তা, যা কিছু অপ্রত্যাশিত ইহসানের মাধ্যমে বোঝাপড়া করে নেওয়া যায়।
যে সত্যবাদী সে মিথ্যুক মুনাফিকের সাথে ও সত্যবাদী। আর সে সত্যবাদী কারণ এটা তার চরিত্র।
যে ধৈর্য্যশীল সে অস্হির, হঠকারী, বেসবরের সাথেও ধৈর্য্যশীল কারণ এটা তার চরিত্র।
অতঃপর ইহসান যে করে সে ইহসানকারী আর এটা তার চরিত্র।
কোন সন্দেহ নেই আল্লাহর কাছে এদের মর্যাদা অনেক।
#
19/05/2023
اللهم إننا نسألك لذة النظر إلى وجهك، والشوق إلى لقاءك في غير ضراء مضرة، ولا فتنة مضلة
O Allah we ask You for the sweetness of looking upon Your Face and a longing to meet You – in a manner that does not entail a condition of hardship that harms (my worldly life), nor a trial that causes deviation (in my religious practice)
Memorize the dua:
https://sunnah.com/nasai:1306
19/05/2023
I was trying to understand what Musa alayhi salam saw from the Madyan girl who owes him to spend ten years of his life as a dowry for her.
Then the answer became clear.
Allah ﷻ says:
{فَجَاءَتْهُ إِحْدَاهُمَا تَمْشِي عَلَى اسْتِحْيَاءٍ }
She came to him walking shyly.
Allah ﷻ didn’t describe her height, shape or colour. He ﷻ described her with the most precious thing about her, her modesty.
13/05/2023
Gradual Steps In Seeking Knowledge
By Shaykh Saalih al-Fawzan (Hafidhahullaah)
Question:
Noble Shaykh, what matters should a student of knowledge focus upon, should he begin with the books of 'Aqeedah?
Answer:
He should begin with that which is easiest step by step, he should begin with the small tre atises and study them with the Mashaykh, then gradually advance to more extensive books and like this he continues. He does not go to the major extensive books from the very beginning, rather he should progress to them little by little, and gradually advancing to them step by step.
Reference: Silsilatu Sharh ar-Rasaa'il, Sittah mawaadih min as-Seerah, (p.117), by Shaykh Saalih al-Fawzaan. Translated by Aboo Abdillaah Bilaal Hussain al-Kashmiree
Markaz al-Imām at-Tahawee