Engineer's Diary, BUET

Engineer's Diary, BUET This is the BUET Student Chapter page of Engineer's Diary. Check out Merch at edy.pw/EdHud

বুয়েটিয়ানরা নাকি বিসিএস এর সব সিট খেয়ে দিচ্ছে, অথচ বুয়েটিয়ানদের ৫-১০ শতাংশ শিক্ষার্থীও বিসিএস দিতে আগ্রহী না।৪ বছর আগে য...
13/08/2026

বুয়েটিয়ানরা নাকি বিসিএস এর সব সিট খেয়ে দিচ্ছে, অথচ বুয়েটিয়ানদের ৫-১০ শতাংশ শিক্ষার্থীও বিসিএস দিতে আগ্রহী না।
৪ বছর আগে যখন বুয়েটে নতুন এসেছিলাম, ১৭ তখন র‍্যাগ ব্যাচ ছিলো। এই ব্যাচই হলো সেই ব্যাচ যারা বুয়েট থেকে রাজনীতিকে ঝাড়ু দিয়ে তাড়িয়ে বের করেছে। আজ অনেকদিন পরে ইইই-১৭ ব্যাচের বড় ভাইদের অবস্থা জানতে পারলাম।

১৮৯ জনের মধ্যে ১৫৩ জনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যা জানলামঃ

PhD করছেন- ৭৪ জন
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন- ২৮ জন
BCS Cadre হয়েছেন- ৪ জন
পাওয়ার সেক্টরে জব করছেন- ১৬ জন
প্রাইভেট সেক্টরে জব করছেন- ৮ জন
অন্যান্য- বাকিরা

ভার্সিটি শেষ করার পরে- মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই PhD করতে গিয়েছেন ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী। যেসকল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছেন তার প্রায় প্রতিটাই বিশ্বের টপ-নচ ভার্সিটিঃ

Carnegie Mellon, Caltech, Georgia Tech, Rice, Purdue, Penn State, USC, University of Virginia, UC Santa Barbara, University of Florida, Ohio State, NC State, University of Washington, University of Minnesota, and others

বাকি ৫০ শতাংশ যারা দেশে আছেন, তাদের মধ্যেও ৬০ শতাংশ একাডেমিয়ার জগতে আছেন- মানে যেকোনো সময়ে তারাও পিএইচডির জন্য চলে যেতে পারেন।

মাত্র ২.৫ শতাংশ বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন। এর চেয়েও অনেক বেশি সংখ্যক বুয়েটিয়ান ঝুকেছেন প্রাইভেট সেক্টরে এবং পাওয়ার সেক্টরে। প্রাইভেট জবগুলোও প্রধানত ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেডঃ

Robi Axiata PLC, Ulkasemi, Cybernetics Hi-Tech Solutions, Neural Semiconductor Limited, iSmartu Technology BD Limited, Polock Group, OMI ইত্যাদি।

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে- বিসিএস দেয়াটা বুয়েটে খুবই অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। একান্ত বাধ্য না হলে কেও পলিসি মেকিংয়ে যায় না। তবে আমার মতে এই সংখ্যাটা আরও বেশি হওয়া উচিৎ। বুয়েট থেকে অধিক পরিমাণ শিক্ষার্থীর বিসিএসমুখী হওয়াটা দেশের জন্যই কল্যাণকর।
বুয়েটিয়ানরা নাকি বিসিএস এর সব সিট খেয়ে দিচ্ছে, অথচ বুয়েটিয়ানদের ৫-১০ শতাংশ শিক্ষার্থীও বিসিএস দিতে আগ্রহী না।

©️ মুহাম্মদ রাফি

08/08/2026

ধরুন আপনার মেয়ে বা বোনের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর তার হাজবেন্ড বললো সে বউকে নিয়ে আলাদা থাকবে, তার বাড়ি থেকে কেউ কোন যোগাযোগ করতে পারবে না, এমনকি পরিচিত দীর্ঘদিনের বান্ধবীদের সাথেও যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হল। আপনি ভাবলেন ঝামেলা এড়ানোর জন্য যোগাযোগ না হয় না করলাম। তারা ভালো থাকলেই ভালো। কয়েক বছর চলে গেল।

হঠাৎ একদিন সকালে ফোন পেলেন আপনার মেয়ে/বোন হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। জামাইয়ের দাবি মেয়েটি সু*সাইড এটেম্পট করেছে, এবং কয়েকদিন অনেক প্রচেষ্টার পর তাকে কোনভাবেই ফেরানো গেলো না।

কিন্তু রহস্যজনকভাবে সেই হাজবেন্ড যদি কোন তথ্য না দিয়ে, মৃত্যুর পর ওর ডেডবডিও কাউকে দেখতে না দিয়ে দ্রুত দাফনের ব্যাবস্থা করতে চায়, সেই মুহূর্তে আপনার কাছে কী মনে হবে ? আপনার কী চাওয়া থাকবে ? আপনি কি জানতে চাইবেন না ওর সাথে কী ঘটেছিল ? আপনার মেয়ে/বোন জামাই কি সত্যি বলছে কি না। আপনি চাইবেন না পোস্ট মর্টেম হোক এবং সেইসাথে প্রপার জিজ্ঞাসাবাদ হোক যাতে অন্তত আপনি জানতে পারেন যে ওর শেষ মুহূর্তগুলো কেমন ছিল ?

কিন্তু মেয়েটির জায়গায় একটি ছেলে হলে বাস্তবতা কতটা ভিন্ন।

জ্বী আমাদের বন্ধু ইরফানের পরিবারের কথা বলছিলাম। ওর ফ্যামিলিকে এখনো ওর ডেডবডি দেখতে দেওয়া হয়নি, ওর মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল, তা জানতে দেওয়া হচ্ছে না, আশ্চর্যজনকভাবে ইরফানের ইন-লজের পক্ষ খুবই নিশ্চুপ এবং খুবই কেয়ারফুল।

ইরফানের ফ্যামিলির এখন শুধুমাত্র এটাই চাওয়া যেন ওর মৃত্যুর সঠিক কারণ উপযুক্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় এবং ওর দাফনের দায়িত্বটা অন্তত তাদেরকে দেওয়া হয়। এই দাবিটা ডিনাই করা কতটা অমানবিক ও পৈশাচিক ?

একটা পরিবার যারা ছোট থেকে ওকে এত বছর এত যত্ন, ভালোবাসা দিয়ে বড় করলো, একজন বন্ধু যে ছোট থেকে একসাথে স্কুল কলেজ, ভার্সিটি এবং উচ্চশিক্ষা শেষ করলো, তাদের কি এইটুকু জানার অধিকার নেই ? আমি মনে করি এটা শুধু অধিকারই নয়, এটা তাদের দায়িত্ব। আপনার পোষা প্রাণিটাকেও যদি কোথাও মৃত খুজে পাওয়া যায়, আপনি চেষ্টা করেন এই একই প্রশ্নগুলোর জবাব খুজে পেতে।

Its called closure. Everyone dies someday. But the closed ones try to find a closure. Otherwise life becomes hell, if you have to keep wondering for answers for the rest of your life. I truly hope that Irfan's family gets it. Its the least they can ask for, its their right and their responsibility.



- আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

এই জুটিকে প্রথম চোখে পড়েছিল ২০২৪ সালে। যুক্তরাষ্ট্রে জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (জর্জিয়া টেক) ড. ইরফান এবং তার স্ত...
07/08/2026

এই জুটিকে প্রথম চোখে পড়েছিল ২০২৪ সালে। যুক্তরাষ্ট্রে জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (জর্জিয়া টেক) ড. ইরফান এবং তার স্ত্রী ড. অ্যাথেনার বিয়ের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে চমৎকার কয়েকটি কথা লিখেছিল।

অনুপ্রেরণাদায়ক কথা- একই ক্যাম্পাসে একাডেমিক যাত্রা, তারপর এখানেই পরিচয়, একই সাথে পিএইচডি! আর, বিয়ের মাধ্যমে হ্যাপি এন্ডিং! একেবারে আদর্শ জুটি!

আর এখন শোনা গেলো সম্পর্কটা মোটেও আদর্শ ছিলো না! বরং ধারণা করা হচ্ছে- ড. ইরফানের সুইসাইডের পেছনে তার স্ত্রীই জড়িত! যার প্রমাণ ইরফানের বন্ধুদের বিবৃতিতে স্পষ্ট!

ইরফানের বন্ধুদের বিবৃতি (ইংরেজিতে লেখা ছিল, আমি অনুবাদ করে দিলাম):

"আমাদের প্রিয় বন্ধু ইরফান আল-হুসাইনি-যিনি ছিলেন আমাদের কমিউনিটির অন্যতম সদয়, বিনয়ী এবং সবার প্রিয় একজন মানুষ। তাকে ২২ জুলাই ২০২৬, সকালে স্ট্যানফোর্ডে অবস্থিত তার অ্যাপার্টমেন্টে তার স্ত্রী অচেতন অবস্থায় পেয়েছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে প্রায় ৯ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মৃত্যুবরণ করে। এই মৃত্যু কোনোভাবেই স্বাভাবিক বা স্বাভাবিক পরিস্থিতির বলে মনে হয় না। এই ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি গুরুতর এবং উদ্বেগজনক অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তার পরিবার, বন্ধু এবং পুরো কমিউনিটি এই ঘটনার পূর্ণ স্বচ্ছতা, একটি নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত তদন্ত এবং কী ঘটেছিল তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার অধিকার রাখে।

দাবি করা হয়েছে, তিনি নিজের অ্যাপার্টমেন্টের রান্নাঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। কিন্তু তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়ার আগে যেসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়, তার সঙ্গে এই দাবি পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয় না। আইসিইউতে তাকে দেখতে যাওয়া তার সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন সকালে তার একটি প্রেজেন্টেশন ছিল, যা সকাল প্রায় ৯টার দিকে শেষ হওয়ার কথা। এর কিছুক্ষণ পর তিনি দলের গ্রুপ চ্যাটে একটি বার্তা পাঠিয়ে জানান যে, "আথি" অসুস্থ বোধ করছে এবং তিনি দিনের বাকি সময় ছুটি নেবেন। তবে তার সহকর্মীরা জানান, "আথি" নামে কাউকে তারা আগে কখনও চিনতেন না।

পালো অল্টো পুলিশের নথি অনুযায়ী, সকাল প্রায় ১০:৩০টার দিকে ইরফানের ঠিকানা থেকে ৯১১ নম্বরে একটি কল করা হয়। সেদিন সকালে অ্যাথেনা বাসায় ছিলেন এবং ইরফানকে অচেতন অবস্থায় পাওয়ার সময়ও তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চিকিৎসকদের মতে, মস্তিষ্কে প্রায় আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর্যাপ্ত অক্সিজেন বা রক্ত সরবরাহ না হওয়ার কারণে ইরফানের মস্তিষ্কে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি হয়। সহকর্মীদের বক্তব্য, ৯১১ কলের সময়রেখা এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ-সবকিছু মিলিয়ে সেদিন সকালে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

অ্যাথেনা ইরফানকে ‘অচেতন’ অবস্থায় পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে কী পদক্ষেপ নিয়েছিল?

ইরফান কি সত্যিই নিজের জীবন নিজেই শেষ করেছিল?

যদি তিনি সত্যিই আত্মহত্যা করে থাকে, তাহলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-কে তাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছিল?

নিশ্চিতভাবেই এটি তার পেশাগত জীবনের কারণে ছিল না। কর্মক্ষেত্রে ইরফান অত্যন্ত সফল হিসেবে পরিচিত ছিল। সম্প্রতি পদোন্নতিও পেয়েছিল। আমরা শুনেছি, তার স্কিপ-লেভেল ম্যানেজার প্রায় ৫০ সদস্যের একটি দলে তাকে অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করতেন। দলের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বা জটিল সমস্যার সমাধানে ইরফানই ছিলেন তাদের প্রথম ভরসা।

তবে তার জীবনের যে দিকটি মারাত্মকভাবে অস্থির হয়ে উঠেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে, তা হলো তার বৈবাহিক জীবন এবং এর প্রভাবে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক। বহুজনের কাছ থেকে শোনা গেছে যে, গত কয়েক বছরে অ্যাথেনা নাকি ইরফানকে তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাধ্য করেছিলেন। প্রায় দুই দশকের পরিচিত তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুরাও জানিয়েছেন, কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই ইরফান হঠাৎ তাদের সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তার বহু সহপাঠী, সহকর্মী এবং ঘনিষ্ঠ সামাজিক পরিমণ্ডলের মানুষও একই ধরনের আকস্মিক নীরবতার মুখোমুখি হয়েছেন। যারা ইরফানকে চিনতেন, তাদের মতে, এমন আচরণ তার স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল।

বন্ধুরা আরও অভিযোগ করেছে, অ্যাথেনা ইরফানের প্রতি অত্যন্ত কর্তৃত্বপরায়ণ, নিয়ন্ত্রণমূলক এবং মানসিকভাবে প্রভাব বিস্তারকারী আচরণ করতো। এমনকি একাধিকবার শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও শোনা গেছে। বিয়ের আগে ইরফান যখন দ্বিতীয়বার ভাবার কথা বলেছিল, তখন অ্যাথেনা নাকি আত্মহত্যার হুমকি দেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরফানকে পুলিশ ডাকতে হয়েছিল।

ইরফান আজ আর নিজের কণ্ঠে কথা বলতে পারবেন না। কিন্তু আমরা তার নামে সত্য, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচার চাই। যাদের কাছে এ ঘটনার বিষয়ে কোনো প্রমাণ, প্রত্যক্ষ তথ্য বা প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে সামনে এগিয়ে এসে সত্য উদঘাটনে সহায়তা করুন।

#বদরুজ্জামান #বাংলাদেশ

- ড. বদরুজ্জামান খোকন

Statement from Irfan’s Friends:Our dear friend, Irfan Al-Hussaini - one of the kindest, most humble, and beloved members...
05/08/2026

Statement from Irfan’s Friends:

Our dear friend, Irfan Al-Hussaini - one of the kindest, most humble, and beloved members of our community - was reportedly found unconscious on the morning of 22nd July, 2026 by his wife in his apartment at Stanford. He eventually passed away after being on life support for around 9 days. Nothing about his death is natural or normal. The circumstances raise serious and deeply troubling questions. His family, friends, and community deserve transparency, a thorough investigation, and a clear account of what happened.

It is claimed that he was a victim of su*c*de by hanging in the kitchen of his apartment. However, what does not make sense is the context of the events leading up to him being found unconscious. According to his work colleagues who visited him in the ICU, he had a presentation that morning ending around 9 am. Not too long after, he sent a text to the team group chat saying that ‘Athe’ is not feeling well and he would take the rest of the day off. His colleagues mentioned they had no prior idea who ‘Athe’ was.

Palo Alto police records show that a 911 call was made from Irfan’s address around 10:30 am. Athena was at home that morning and when Irfan was found unconscious. The doctors reported that he suffered from irreversible brain damage due to lack of supply to his brain for half an hour to an hour. Irfan’s colleagues' statements, the timeline of the 911 call, and what the doctor reported raises serious questions about what conspired that morning.

What immediate steps did his wife take when she found him ‘unconscious’?
Did Irfan actually take his own life?
If he actually did, then MOST importantly what pushed him to do it?

It certainly wasn’t his professional life – Irfan was known to be very successful at work and even got promoted recently. We have heard that his skip level manager considered him one of his main-man in a team of ~50. Whatever critical problem that needed a solution, Irfan was there to step up.

However, the aspect of Irfan’s life that was in shocking disarray was his married life with Athena and connections with friends and family as a result of that. It was widely heard that Athena forced him to cut off all communication with his family and close friends over the past couple of years. Some of his dearest and closest friends, people he has known for almost 2 decades, report that he suddenly stopped all contact with them out of the blue, with no explanation. Many of his peers and his inner social circle, also faced abrupt radio-silence. Such withdrawal was completely out of character for the Irfan everyone knew. He refuted all approaches for communication from all his closest people, almost as if he were frightened of potential repercussions. Friends have also described what they believe to be possessive, controlling and manipulative behaviors of Athena towards Irfan, including rumors of physical assaults on multiple occasions. On at least one reported occasion, before their marriage, Athena allegedly threatened to take her own life after Irfan had voiced having second thoughts, requiring him to call the police to ensure she was safe.

Irfan’s voice can no longer be heard - but we seek answers, accountability, and justice in his name. Anyone with evidence, firsthand information, or relevant experiences is urged to come forward and help bring the truth to light.

যারা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছে তাদের জব দিতে পারছেনা, শিক্ষামন্ত্রী লেগে আছে ডিপ্লোমাদের ইঞ্জিনিয়ার বানানোর ধান্ধায়।
01/08/2026

যারা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছে তাদের জব দিতে পারছেনা,
শিক্ষামন্ত্রী লেগে আছে ডিপ্লোমাদের ইঞ্জিনিয়ার বানানোর ধান্ধায়।

নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যা...
26/07/2026

নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যাল) ইমিডিয়েট জুনিয়র সুইসাইড করলো, এই ঘটনা আমি নিজে ফিল করতে পারতেছি। যদিও ওর সাথে সরাসরি পরিচয় ছিল না কিন্তু সে কোন ধরনের মেন্টাল সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়ে গেছে এটা ফিল করতে পারতেছি।

BUET কে অনেকে Land of Living বলে কিন্তু আমার কাছে এটা Land of Depressed Souls।বেশিরভাগ ছেলেপেলের চোখেমুখে হতাশা খেয়াল করলেই বুঝা যায়।ফাস্ট ইয়ারের ছেলেদের চোখেমুখে যে আনন্দ থাকে তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না।

এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে বের হতে পারেনি।খুব বেশি বাকি ছিল এমনও না। ১/২ টার্ম আরেকটু ধৈর্য ধরলেই হয়তো হয়ে যেত।বুয়েটে যারা একবার পিছিয়ে পড়ে তাদের জন্য বুয়েট লিটারেলি একটা জাহান্নাম।একটা পরীক্ষা না দিতে পারলে / ল্যাগ খাইলে সেটা আবার এক্সাম দিলে ৪ এর মধ্যে ৩ এর বেশি পাওয়ার অপশন নাই।
এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে থিসিসও নিতে পারেনি।থিসিস নেওয়ার জন্য মিনিমাম ক্রেডিট বেশ কিছু ডিপার্টমেন্টে কয়েক ক্রেডিট কম থাকলেও কন্সিডার করে কিন্তু মেকানিক্যালে ০.২৫ ক্রেডিট কম থাকলেও দেয়নি এমনও শুনেছি।ব্যাচের সাথে থিসিস না পেলে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পার্টনার ছাড়া একা থিসিস করতে হয়।কোনো স্যার ল্যাগারদের প্রতি কোনো সিম্প্যাথী দেখায় না। পদে পদে অপদস্ত হওয়ার সব বন্দোবস্ত বুয়েট করে রাখছে।

মেন্টালি স্ট্রং না থাকলে এই ফেইজ পার করে পাশ করে বের হওয়া বেশ কঠিন।জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে যাদের হয় তারা কি রকম মেন্টাল কন্ডিশনের মধ্যে দিয়ে যায় তা সরাসরি এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও ফিল করতে পারি।এই সিচুয়েশনে যারা পড়ে তাদের সেল্ফ কনফিডেন্স পুরো ধ্বংস হয়ে যায়।এমন না যে তারা স্টুডেন্ট হিসেবে খারাপ কিন্ত নিজের প্রতি কনফিডেন্স ধ্বংস হয়ে গেলে সেই মানুষের বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়।বুয়েটে চান্স পাওয়া প্রায় সবার উপরই পরিবারের এক্সপেকটেশন অনেক হাই থাকে।ফলে এই সিচুয়েশনে পরিবারের কারো সাথেও সে নিজের দুঃখ-কষ্ট শেয়ার করতে পারে না।

এই সিচুয়েশনে ফেস করা স্টুডেন্টের সংখ্যা টেন পার্সেন্টও হবে না হয়তো। বুয়েটের টিচাররা সবাই ডিপার্টমেন্টের টপার ছিল।তাই তারাও এই ক্যাটাগরির স্টুডেন্টদের সাফারিংস ফিল করতে পারে না।আল্টিমেটলি যখন বন্ধুবান্ধবরা হল থেকে বের হয়ে যায় সবাই, ফ্যামিলির সামনে দেওয়ার মত কোনো সদুত্তর থাকে না, টিচারদের থেকেও কোনো মেন্টাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না তখন যারা একটু ইন্ট্রোভার্ট তাদের দুনিয়া একদম সংকীর্ণ হয়ে আসে। বুয়েটে যারা আসে তাদের প্রায় সবারই জীবনে কখনো ফেইলুর হ্যান্ডেল করার এক্সপেরিয়েন্স থাকে না।ইন্টার পর্যন্ত সব কাপায় এসে বুয়েটে ভর্তি হয়ে যখন পিছায়ে যায় তখন যেই সাইকোলজিক্যাল ট্রমার লুপে একবার আটকে যায়, তার জন্য সেখান থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ দূরূহ।

ছেলেটা প্র্যাকটিসিং না এমনও না, সে সুইসাইড করার আফটার ইফেক্ট ভালোভাবেই জানতো কিন্তু এত রাজ্যের হতাশায় হয়তো নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি।

সুইসাইড করা কাপুরুষের কাজ।জীবনে পিছায় পড়লে আবার লড়াই করে ঘুড়ে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখতে হবে।জুনিয়রদের প্রতি অনুরোধ কারোর যদি এমন চিন্তাভাবনা মাথায় আসে ক্লোজ সিনিয়রদের সাথে একটু বসিস।গল্প করিস দেখবি হালকা হয়ে যাবি।আমাকেও নক দিতে পারিস যেকোনো সময়।বুয়েটে গিয়ে একসাথে চা খেতে খেতে গল্প করে আসবো।হয়তো কিছু সুপরামর্শও দিতে পারবো।

- শেখ আসিফ আহমেদ

𝐃𝐞𝐞𝐩𝐥𝐲 𝐌𝐨𝐮𝐫𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐭𝐡𝐞 𝐏𝐚𝐬𝐬𝐢𝐧𝐠 𝐨𝐟 𝐌𝐚𝐬𝐭𝐮𝐫𝐚 𝐒𝐚𝐟𝐚𝐲𝐞𝐭With a heavy heart, we inform you that Mastura Safayet, a graduate of the ...
22/07/2026

𝐃𝐞𝐞𝐩𝐥𝐲 𝐌𝐨𝐮𝐫𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐭𝐡𝐞 𝐏𝐚𝐬𝐬𝐢𝐧𝐠 𝐨𝐟 𝐌𝐚𝐬𝐭𝐮𝐫𝐚 𝐒𝐚𝐟𝐚𝐲𝐞𝐭
With a heavy heart, we inform you that Mastura Safayet, a graduate of the Department of Urban and Regional Planning (URP), BUET, passed away on 17 July 2026 (Bangladesh time: 10:00 AM) in the USA after a courageous battle with brain cancer. Inna lillahi wa inna ilayhi raji'un (Surely, we belong to Allah, and to Him we shall return).
Mastura Safayet completed her Bachelor's degree from the Department of Urban and Regional Planning (URP), BUET, in 2016. She later earned her Master's degree from Arizona State University, USA, in 2020 and was in the final stage of her Ph.D. studies at Texas A&M University, USA.
Throughout her professional career, Mastura made valuable contributions to the field of planning through her work as a Research Associate at the Centre for Policy Dialogue (CPD) and the International Food Policy Research Institute (IFPRI).
Mastura will be remembered by her teachers, colleagues, and friends for her warmth, humility, kindness, and intellectual curiosity. May Allah (SWT) forgive Mastura's shortcomings, envelop her in His infinite mercy, and grant her the highest place in Jannatul Firdaus.
We extend our deepest condolences to her husband, Yusuf Mahid, also a graduate of the Department of URP, BUET, and to their beloved 15-month-old daughter. We pray that Allah (SWT) grants Yusuf and their family strength, patience, and comfort during this time of immense grief.

13/07/2026

ইতিহাসের সবচেয়ে ফালতু, গোঁয়ার শিক্ষামন্ত্রী পেয়েছি এবার। ১০ লাখ শিক্ষার্থীর সাথে ওনি তামাশা করে।
বাচ্চারা কোমর সমান পানিতে ঝুম বৃষ্টির মধ্যে পরীক্ষা দিতে আসছে। কেউ পড়ে যাচ্ছে, এডমিট ভিজে যাচ্ছে, ড্রেস ভিজে যাচ্ছে। এরপরও ওনি বলেন যে আবহাওয়া ভালো, পরীক্ষা হবে।
জুলাই আগস্ট মাসে দেশের পরিস্থিতি কেমন হয় সেটা কি শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানে না? নাকি এটা জানার জন্য ১০০ কোটির বাজেট প্রয়োজন? জানলে জুলাই আগস্টে পরীক্ষা রাখলেন কেন? ছেলেমেয়েরা যাতে পিছিয়ে না যায় এজন্য শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে গত সময় গুলোতে। আমি শর্ট সিলেবাস এর ব্যাচ। কই আমি তো আহামরি প্রবলেম ফেস করছি না বুয়েটে এসে। তাহলে কেন এই বাচ্চাদের ফুল সিলেবাস ধরিয়ে দিলেন? সিলেবাস কমিয়ে হলেও ১ মাস আগে এক্সাম নেওয়া যেত না? তাহলে তো বাচ্চারা এই প্রবলেমে পড়ে না।

বিএনপির সবচেয়ে ফ্লপ মন্ত্রীদের একজন হতে যাচ্ছে এই শিক্ষা মন্ত্রী। ওনি এখনো ২০০১ এ পড়ে আছে।

- মোস্তাকিম আহমেদ

12/07/2026

Bro got the whole point 🫡

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সোহরাওয়ার্দী হলের পেছনের অংশে আজ সকালে একটি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক ...
12/07/2026

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সোহরাওয়ার্দী হলের পেছনের অংশে আজ সকালে একটি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, বৈদ্যুতিক লাইনের একটি অংশে বাহ্যিক পানি প্রবেশ করার কারণে সৃষ্ট শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ধারণা করা হয় পানি যখন মেইন লাইনের বা শাখা তারের সংস্পর্শে আসে, তখন হঠাৎ বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে প্রচণ্ড তাপের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে চারপাশের দাহ্য পদার্থে আগুন ধরে যায়। সাধারণত ভবনের দেয়াল বা ছাদ চুইয়ে পানি পড়া এবং পর্যাপ্ত ওয়াটারপ্রুফিং না থাকার কারণেই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
হলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এই জাতীয় ঝুঁকি এড়াতে অনতিবিলম্বে পুরো ভবনের বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং পরীক্ষা করে পানি প্রবেশের সম্ভাব্য উৎসগুলো বন্ধ করা জরুরী।

Address

Lalbagh
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engineer's Diary, BUET posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Engineer's Diary, BUET:

Shortcuts

Share

Category