ঐতিহ্যবাহিক দেশিয় হালাল খাবারের বিশুদ্ধ রেসিপির টিপস এর জন্য লাইক ও ফলো করে সাথে থাকুন।
https://www.facebook.com/roshaighoor?mibextid=ZbWKwL
Fahima's Creativity we introduce the traditional and regular food and recipes.
Conveying Islamic Message Society (C I M S) is an extension for the activity of Conveying Islamic Ce
ঐতিহ্যবাহিক দেশিয় হালাল খাবারের বিশুদ্ধ রেসিপির টিপস এর জন্য লাইক ও ফলো করে সাথে থাকুন।
https://www.facebook.com/roshaighoor?mibextid=ZbWKwL
Fahima's Creativity we introduce the traditional and regular food and recipes.
21/11/2021
*পর্দার ব্যাপারে আল্লাহর সাধারণ নির্দেশ*
﴿وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى﴾
‘‘(হে নারী জাতি!) তোমরা সবগৃহে অবস্থান কর এবং প্রাক্-ইসলামী (জাহেলিয়াতী) যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়িও না।’’[1]
﴿يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ﴾
‘‘হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রী, কন্যা ও মুসলিম রমণীগণকে বল, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের (মুখমন্ডলের) উপর টেনে নেয়। এতে (ক্রীতদাসী থেকে) তাদেরকে চেনা সহজতর হবে; ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। (লম্পটরা তাদেরকে উত্যক্ত করবে না।)’’[2]
﴿وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ﴾
‘‘মুমিন নারীদেরকে বল, তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি সংযত করে ও লজ্জাস্থান হিফাযত করে এবং যা প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের (অন্যান্য) আভরণ প্রদর্শন না করে, তাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় (উড়না অথবা চাদর) দ্বারা আবৃত করে।[3]
﴿وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعاً فَاسْأَلوهُنَّ مِنْ وَرَاءِ حِجَابٍ ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ﴾
‘‘(হে পুরুষগণ!) তোমরা তাদের (নারীদের) নিকট হতে কিছু চাইলে পর্দার অন্তরাল হতে চাইবে। এ বিধান তোমাদের এবং তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র।’’[4]
সুতরাং মুসলিম নারীর নিকট পর্দাঃ- আল্লাহ ও তদীয় রসূলের আনুগত্য।
পর্দা, প্রেম ও চরিত্রের পবিত্রতা, অনাবিলতা ও নিষ্কলঙ্কতা।
পর্দা, নারীর নারীত্ব, সতীর সতীত্ব, সম্ভ্রম ও মর্যাদা।
পর্দা, লজ্জাশীলতা, অন্তর্মাধুর্য ও সদাচারিতা।
পর্দা, মানবরূপী শয়তানের দৃষ্টি থেকে রক্ষাকবচ।
পর্দা, ইজ্জত হিফাযত করে, অবৈধ প্রণয়, ধর্ষণ, অশ্লীলতা ও ব্যভিচার দূর করে, নারীর মান ও মূল্য রক্ষা করে। জিনিস দামী ও মূল্যবান হলেই তাকে গোপনে লুকিয়ে রাখা হয়। যত্রেতত্রে কাঁচ পাওয়া যায় বলেই তার কোন কদর নেই। কিন্তু কাঞ্চন পাওয়া যায় না বলেই তার বড় কদর। পর্দানশীন নারী কাঁচ নয়; বরং কাঞ্চন, সুরক্ষিত মুক্তা।
পর্দা, নারীকে কাফের ও ক্রীতদাসী থেকে বাছাই করে সম্ভ্রান্তা মুসলিম নারীরূপে চিহ্নিত করে।
পর্দা, আল্লাহর গযব ও জাহান্নামের আগুন থেকে পর্দা।
নারীদের প্রধান শত্রু তার সৌন্দর্য ও যৌবন। আর পর্দা তার লালকেল্লা।
ইসলামের সুসভ্য দৃষ্টিতে নারীর পর্দা ও সভ্য লেবাসের কয়েকটি শর্ত নিম্নরূপঃ-
১- মুসলিম মহিলা যে পোশাক ব্যবহার করবে তাতে যেন পর্দা পাওয়া যায়; অর্থাৎ সেই পোশাক যেন তার সারা দেহকে আবৃত করে। সুতরাং যে লেবাসে নারীর কেশদাম, গ্রীবা, বক্ষদেশ, উদর ও পৃষ্ঠদেশ (যেমন, শাড়ি ও খাটো ব্লাউজে) এবং হাঁটু ও জাং (যেমন, স্ক্যার্ট্, ঘাগরা, ফ্রক্ ইত্যাদিতে) প্রকাশিত থাকে তা (সাধারণতঃ গম্য পুরুষদের সম্মুখে) পরিধান করা হারাম।
২- এই লেবাস যেন সৌন্দর্যময় ও দৃষ্টি-আকর্ষী না হয়। সুতরাং কামদার (এমব্রয়ডারি করা) চকচকে রঙিন বোরকাও পরা বৈধ নয়।
৩- এমন পাতলা না হয় যাতে ভিতরের চামড়ার রঙ নজরে আসে। অতএব পাতলা শাড়ি, ওড়না প্রভৃতি মুসলিম মহিলার ড্রেস নয়। প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,
صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا قَوْمٌ مَعَهُمْ سِيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُونَ بِهَا النَّاسَ وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ لاَ يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدْنَ رِيحَهَا وَإِنَّ رِيحَهَا لَيُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ كَذَا وَكَذَا.
‘‘দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামের অধিবাসী; যাদেরকে আমি দেখিনি। (তারা ভবিষ্যতে আসবে।) প্রথম শ্রেণী (অত্যাচারীর দল) যাদের সঙ্গে থাকবে গরুর লেজের মত চাবুক, যদ্বারা তারা লোককে প্রহার করবে। আর দ্বিতীয় শ্রেণী হল সেই নারীদল; যারা কাপড় তো পরিধান করবে, কিন্তু তারা বস্ত্ততঃ উলঙ্গ থাকবে, যারা পুরুষদের আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও তাদের প্রতি আকৃষ্ট হবে, যাদের মস্তক (খোপা বাঁধার কারণে) উটের হিলে যাওয়া কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, তার গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে।’’[5]
৪- এমন টাইট্ফিট বা আঁট-সাঁট না হয় যাতে দেহাঙ্গের উচ্চতা ও নীচতা এবং আকার ও আকৃতি কাপড়ের উপরেও বুঝা যায়। তাই এমন চুস্ত্ ও ফ্যাশনের লেবাস মুসলিম রমণী পরিধান করতে পারে না, যাতে তার সুডৌল স্তনযুগল, সুউচ্চ নিতম্ব, সরু কোমর প্রভৃতির আকার প্রকাশ পায়।
টাইট্ফিট ইত্যাদি লেবাস যে বড় ফিতনা সৃষ্টিকারী ও হারাম তা বিভিন্ন লেডীস অন্তর্বাস কোম্পানীর নামই সাক্ষ্য দেয়। যেমন, Look me, Take me, Follow me, Buy me, Touch me, Kiss me প্রভৃতি। অবশ্য যে মহিলারা এই ধরনের বেলেল্লাপনা পোশাক পরে নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়ায়, তাদের মনও ঐ কথাই বলে।
৫- এই লেবাস যেন পুরুষদের অনুকৃত বা অনুরূপ না হয়। সুতরাং প্যান্ট, শার্ট প্রভৃতি পুরুষদের মত পোশাক কোন মুসলিম মহিলা ব্যবহার করতে পারে না। যেহেতু ‘‘পুরুষদের বেশধারিণী নারীদের উপর আল্লাহর অভিশাপ থাকে।’’[6]
৬- তদনুরূপ তা যেন কাফের মহিলাদের অনুকৃত বা অনুরূপ না হয়।
প্রকাশ যে, ঢিলে ম্যাক্সি ও শেলোয়ার কামীস এবং তার উপর অস্বচ্ছ চাদর বা ওড়না; যা মাথার কেশ, বক্ষস্থল ইত্যাদি আচ্ছাদিত করে তা মুসলিম রমণীর লেবাস। কেবলমাত্র শেলোয়ার কামীস বা ম্যাক্সি অথবা তার উপর বক্ষে ও গ্রীবায় থাক্ বা ভাঁজ করা ওড়নার লেবাস কাফের মহিলাদের। অনুরূপ শাড়ি যদি সর্বশরীরকে ঢেকে নেয় তবে মুসলিমদের; নচেৎ থাক্ করে বুকে চাপানো থাকলে তথা কেশদাম ও পেট-পিঠ প্রকাশ করে রাখলে---তা অমুসলিম মহিলাদের লেবাস। আর প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ.
‘‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে সেই জাতির দলভুক্ত।’’[7]
৭- এই পোশাক যেন জাঁকজমক ও আড়ম্বরপূর্ণ তথা প্রসিদ্ধিজনক না হয়।[8]
৮- লেবাস যেন সুগন্ধিত বা সুরভিত না হয়। পূর্বেই বলা হয়েছে যে, যে নারী সুগন্ধি ছড়িয়ে লোকালয়ে যায়, সে বেশ্যা নারী।
প্রকাশ যে, নারীদেহে যৌবনের চিহ্ন দেখা দেওয়া মাত্রই এই শর্তের পোশাক পরা ওয়াজেব।[9]
[1] (সূরা আহযাব (৩৩) : ৩৩) [2] (সূরা আহযাব (৩৩) : ৫৯) [3] (সূরা আন-নূর (২৪) : ৩১) [4] (সূরা সূরা আহযাব (৩৩) : ৫৩) [5] (মুসলিম,বাইহাকী,মুসনাদে আহমদ,আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ১৩২৬নং) [6] (বুখারী, মিশকাতুল মাসাবীহ ৪৪২৮-৪৪২৯নং) [7] (আবু দাঊদ, সহীহ আল-জা-মিউস সাগীর অযিয়াদাতুহ ৬১৪৯নং) [8] (মুসনাদে আহমদ, আবু দাঊদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাতুল মাসাবীহ ৪৩৪৬নং) [9] (আদাবুয যিফাফ ১৭৭পৃঃ, আফাই ১৩-১৮পৃঃ, মাসঊলিয়াতুল মারআতিল মুসলিমাহ, আব্দুল্লাহ আল-জারুল্লাহ ৫৮-৫৯পৃঃ)
👇👇👇
*মেয়েদের জন্য মুখমণ্ডল বা মুখ ঢাকা কি ফরজ?*
~~~~~~~
মেয়েদের ঘরে বা বাইরে পর পুরুষের সামনে মুখ ঢাকা ফরজ।
এ মর্মে দলীল হল,
✳ আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ قُل لِّأَزۡوَٰجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَآءِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ يُدۡنِينَ عَلَيۡهِنَّ مِن جَلَٰبِيبِهِنَّۚ ذَٰلِكَ أَدۡنَىٰٓ أَن يُعۡرَفۡنَ فَلَا يُؤۡذَيۡنَۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ٥٩ ﴾ [الاحزاب: ٥٩]
‘হে নবী, তুমি তোমার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মু’মিনদের নারীগণকে বল, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজতর হবে, ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।’ {সূরা আল-আহযাব, আয়াত : ৫৯}
পর্দা বিষয়ে এ আয়াত অত্যন্ত পরিস্কার ও স্পষ্ট। কারণ, এ আয়াত থেকে জানা যায়, পর্দার নির্দেশের মধ্যে মুখমণ্ডলও অন্তর্ভুক্ত। তাছাড়া এ আয়াতে আযওয়াজে মুতাহহারাত (রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুতঃপবিত্র সহধর্মীনীগণ) ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যাগণের সঙ্গে মুসলিম মহিলাদেরও সম্বোধন করা হয়েছে। এ আয়াতে ‘জালাবীব’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ‘জিলবাব’ শব্দের বহুবচন। আরবী অভিধানের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘লিসানুল ‘আরাব’ –এ লেখা হয়েছে, ‘জিলবাব’ ওই চাদরকে বলা হয় যা মহিলারা নিজেদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢাকার জন্য ব্যবহার করে। [১/২৭৩]
অভিধান থেকে সরে গিয়ে মুফাসসিরগণের বক্তব্য দেখলেও জানা যায়, ‘জিলবাব’ এমন কাপড়কে বলে যদ্বারা মহিলারা নিজেদের শরীর ঢাকেন। ‘জিলবাব’ অর্থ বড় চাদর, যা দ্বারা মুখমণ্ডল ও পূর্ণ দেহ আবৃত করা যায়। [কুরতুবী, আল-জামে‘ লিআহকামিল কুরআন : ১৪/২৪৩]
---------------
‘আবদুল্লাহ ইবন ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু মুখমণ্ডলের ওপর ‘জিলবাব’ ফেলার যে পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন তা হলো, ‘মুসলিম মহিলারা নিজেদের চাদর দ্বারা নিজ নিজ মাথা ও মুখমণ্ডল ঢেকে বের হবে। তারা কেবল একটি চোখ খোলা রাখতে পারে’। [শাওকানী, ফাতহুল কাদীর : ৭/৩০৭]
------------------------
✳ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয়তমা পত্নী আয়িশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার বর্ণনা থেকে। তিনি বলেন,
يَرْحَمُ اللَّهُ نِسَاءَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلَ لَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ : {وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ} شَقَّقْنَ مُرُوطَهُنَّ فَاخْتَمَرْنَ بِهِ.
‘আল্লাহ হিজরতকারী অগ্রবর্তী নারীদের ওপর রহমত করুন। যখন তিনি নাযিল করলেন, ‘আর তারা যেন তাদের বক্ষের ওপর ওড়না টেনে দেয়’ তখন তারা তাদের নিম্নাংশের কাপড়ের প্রান্ত ছিঁড়ে ফেলেন এবং তা দিয়ে ওড়না বানিয়ে নেন।’ [বুখারী : ৮৫৭৪]
আলোচ্য বর্ণনায় ‘ইখতামারনা’ শব্দটি এসেছে। সহীহ বুখারীর ব্যাখ্যাকার হাফিয ইবন হাজার ‘আসকালানী রহ. ‘ইখতামারনা’ শব্দের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিখেছেন, ‘গাত্তাইনা উজুহাহুন্না’। অর্থাৎ তারা নিজেদের মুখমণ্ডল ঢেকে রাখতেন। [ফাতহুল বারী : ৮/৩৪৭]
-----------------------------------
✳ আয়েশা রাদিআল্লাহু ‘আনহা বলেন,
كَانَ الرُّكْبَانُ يَمُرُّونَ بِنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- مُحْرِمَاتٌ فَإِذَا حَاذَوْا بِنَا سَدَلَتْ إِحْدَانَا جِلْبَابَهَا مِنْ رَأْسِهَا إِلَى وَجْهِهَا فَإِذَا جَاوَزُونَا كَشَفْنَاهُ.
‘আমরা ইহরাম অবস্থায় সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে ছিলাম। তখন আরোহীরা আমাদের সঙ্গে পথ চলছিলেন। যখন তারা আমাদের আড়াআড়ি হন, আমাদের সঙ্গীনীরা তাদের বড় চাদর মাথা থেকে চেহারায় ঝুলিয়ে দেন। তারা আমাদের অতিক্রম করে চলে যাবার পরই আমরা তা উন্মুক্ত করি।’ [আবূ দাঊদ : ৫৩৮১; বাইহাকী : ৩৩৮৮]
----------------------
17/11/2021
আগামী শুক্রবার থেকে আরবী ‘রবিউল সানী’ মাসের 'আইয়ামে বীদ' এর সিয়াম শুরু হচ্ছে।
যারা সিয়াম রাখতে চান তাদেরকে আগামী বৃহস্পতিবার রাতেই সেহরি খেয়ে সিয়াম থাকতে হবে।
আ’ব্দুল্লাহ ইবনে আ’মর ইবনে আ’স রাদিয়াল্লাহু আ’নহুহতে বর্ণিত:
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“প্রতি মাসে তিনটি করে রোযা রাখা, সারা বছরধরে রোযা রাখার সমান।"
[সহীহুল বুখারী]
اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ
কখনো কি একটু নীরবে একা একা গভীরভাবে ভেবে দেখেছি কি:- আসলে এই দুনিয়াটা কি ? নিজের চোখের সামনেই কতো আপনজন চলে গেলো:- যারা এখন শুধু স্মৃতির ঝড়াপাতার মতো হয়ে পরে আছে: আমাদের মনের কোনে। আমরা কেহই:- এ ধারার ব্যাতিক্রম হবো না।
আসলে এর কারনটা কি ?এই আসা যাওয়ার রহস্যটা কি ?জীবনটা কি শুধু শুধুই:- জন্ম আর মৃত্যু ? এই আসা আর যাওয়াটাই কি শেষ ? নাকি এর পরে:আর’ও কিছু আছে ? থাকলে- কি সেটা ? কখনো একটু ভেবে দেখেছি কি ! একটু ভাবুনতো।নির্জনে রাতের খোলা আকাশটার দিকে তাকিয়ে একটু ভাবি’তো:- শুধুমাএ নিজের অস্তিত্বের কথা ?
⭕ মানুষ কি মনে করে যে:- তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে ?
📖 আল-ক্বিয়ামাহ; আয়াত নং:-(৩৬)
فَاِنَّکَ لَا تُسۡمِعُ الۡمَوۡتٰی وَ لَا تُسۡمِعُ الصُّمَّ الدُّعَآءَ اِذَا وَلَّوۡا مُدۡبِرِیۡنَ ﴿۵۲﴾
নিশ্চয় তুমি মৃতকে তোমার কথা শোনাতে পারবে না (১) এবং বধিরকেও তোমার আহবান শোনাতে পারবে না;(২) যখন ওরা মুখ ফিরিয়ে নেয়। (৩) (১) অর্থাৎ:- যেমন মৃত ব্যক্তি কিছু বুঝতে অপারগ!অনুরূপ এরা’ও নবী (সাঃ)-এর দাওয়াত বুঝতে ও গ্রহণ করতে অপারগ! (২) অর্থাৎ:- তুমি যেমন কোন বধির বা কালা ব্যক্তিকে নিজের কথা শোনাতে পারবে না! তেমনি তোমার ওয়ায-নসীহত ওদের মধ্যে কোন প্রভাব ফেলবে না! (৩) এটা তাদের বৈমুখ্য ও সত্যচ্যুত হওয়ার আরো বিস্তারিত বর্ণনা যে:- তারা মৃত ও বধির সদৃশ হওয়ার সাথে সাথে: তারা পিঠ ফিরিয়ে পলায়নকারী’ও! সুতরাং সত্যের আহবান তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছবে কিভাবে এবং কিভাবে তা তাদের মন-মস্তিষ্ক আশ্রয় গ্রহণ করবে?
⭕ মৃত লাশের জন্য আমি এই কোরআনের কথাগুলো পাঠাইনি। এটি পাঠিয়েছি জীবিতদেরকে সতর্ক করতে।
📖 সূরা ইয়াসীন; আয়াতঃ-(৭০) ও ফাতির; আয়াতঃ-(২২)
⭕ লাশকে এই কোরআনের কথাগুলো শোনাতে ➡️ পারবেন না! আর শোনাতে পারবেন না তাদেরকে'ওঃ যারা বধির!
📖 - সূরা রূম;আয়াতঃ-(৫২)
💗 এই পবিএ কোরআন 👉 মানব জাতির জন্য ➡️ সুস্পষ্ট দলীল! 📖- সূরাঃ-জাসিয়া;আয়াতঃ-(২০)
যে ব্যক্তি জানে যে ➡️ যা কিছু পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে 👉 তা সত্য: সে কি ➡️ ঐ ব্যক্তির সমান 👉 যে অন্ধ ও মূর্খ ? কেবল বোধশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তিরাই বোঝে! 📖 সূরা রা'দ(১৩); আয়াত:-(১৯)
🔴 মৃত্যু প্রত্যেকের জন্য এক অবধারিতো বিষয়।
👉 প্রত্যেককেই মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হবে। ⭕ ‘প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু'!🔘 সূরা- আলে ইমরানঃ-(১৮৫)
🔴 এই পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ পাক্ বলেছেন:
➡️ আর বলোঃ- সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে: নিশ্চয়ই মিথ্যাতো বিলুপ্ত হয়েই থাকে!
📖 - সূরা বণী ইসরাইল; আয়াত:-( ৮১)
আসলে আমাদের সবসময় মৃত্যুর কথা ➡️ চিন্তা করা উচিৎ। এতে করে খারাপ কাজ থেকে ➡️ সহজে বেঁচে থাকা যায়। মুসলমান না হয়ে ➡️ মৃত্যুবরণ করার কথা তো:- আমরা মুসলমানরা ➡️ চিন্তা’ও করতে পারি না!
⭕ ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ➡️ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাকো! ➡️ অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।' 📖 সূরা-আলে ইমরানঃ (১০২)
কোনোভাবেই ➡️ এই মৃত্যুকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়! করোনার মহামারি হতে 👉 এ যাত্রা বেঁচে গেলে’ও ➡️ কিন্তু মৃত্যু হতে আমরা কেউ মুক্তি পাবো না! শুধুমাএ আল্লাহর ☝️ নির্ধারিত সময়ের ক্ষণটি❗
⭕ ‘তোমরা যেখানেই 🌍 থাকো না কেন ➡️ মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই❗যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান করো 🏹 তবু’ও!’ 📖 - সূরা নিসাঃ (৭৮)
🌠 যখন আমি গুনাহ করি! 👉 আল্লাহ বলেনঃ- "আল্লাহ ছাড়া ➡️ আর কে পাপ ক্ষমা করবেন ?" -✍️ সুরা ইমরানঃ-(১৩৫) ➡️ যখন আমি ক্ষমা চাই! আল্লাহ বলেনঃ-"আল্লাহই তওবা কবুলকারী ও করুণাময়।"- ✍️ সুরা তাওবাঃ-(১০৪)
আমাদের কার কখন মৃত্যু হবে ➡️ তা আমরা কেউই বলতে পারি না: পৃথিবীর যতো ক্ষমতাবান ➡️ হই না কেন! সকল ক্ষমতার একমাএ মালিক ➡️ আল্লাহ্! আজ ২ বছর ক্ষুদ্র এক অদৃশ্য করোনা আমাদের এই শিক্ষা দিয়ে গেলো❗তাই কাল-পরশু না করে ➡️ আসুন আজই আল্লাহর সত্যের আলোর পথে ফিরে ↩️ আসি ➡️ তওবা করে!
🔴 ফালাওলা ইযা বালাগাতিল হুলকুম। ➡️ ওয়া আনতুম হীনায়িযিন তানজুরুন। ওয়া নাহনু আকরবু ইলাইহি মিনকুম অলাকিল্লা তুবছিরুন। ➡️ বাংলা ভাবার্থ:- অধিকন্তু কেন নয়ঃ- মৃত্যু পথযাএীর প্রাণ যখন কন্ঠনালীতে উপনীত হয় এবং তোমরা যখন তাকিয়ে তা দেখতে থাকো (সেই মৃত্যু পতিত প্রানবায়ুকেঃ তোমরা ফিরিয়ে আনো না কেন❗) সে সময় আমি তোমাদের চেয়েও 👉 তাঁর অধিকতর নিকটে থাকি❗কিন্তু তোমরা তা দেখতে পাও না❗
➡️ সূরাহ্ ওয়াক্বিয়াহ(৫৬):-(৮৩-৮৫)
⭕ কারণ আল্লাহর ক্ষমার কোন কূল কিনারা নেই। তাঁর ক্ষমা অসীম! মনে রাখবেন: আপনার গুনাহ পাহাড়সম বড় হলে’ও ➡ তাঁর ক্ষমা (মাগফিরাত) ৭ম আঁকাশের চাইতে’ও বিশাল❗
⭕ চলুন তাওবা করি! ➡ তাওবাই একমাত্র গুনাহ মাফ করে নেওয়ার মাধ্যম! ➡ আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন: আমাদের উপর রাজি হয়ে যান। আমিন।
🔴 আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে 📢 করেছেনঃ 👉
🔘 অর্থ: জীব মাত্রই ➡️ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে ➡️ অতঃপর যাকে দোযখ থেকে মুক্তি দেয়া হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে 👉 সে হবে সাফল্যবান। বস্তুত পার্থিব জীবন ➡️ ধোঁকা ছাড়া 👉 আর কিছুই নয়।🔘 সূরা আলে ইমরান-আয়াতঃ-(১৮৫)
⭕ তুমি তোমার রবের ইবাদত করো ➡️ ততক্ষণ পর্যন্ত
👉 যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার: মৃত্যু না হয়!
📖 - সুরা হিজর:-(৯৯)
🤲 ওয়ামা তাওফিক্বী ইল্লা বিল্লাহ্ 🤲
সুরা কাহফঃ১-১০
🎙️Ghassan al sharbahi🥀
اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ
يا اَيُّهَا النَّبِيُّ اِتَّقِ اللَّهَ وَلَا تُطِعِ الْكَافِرِيْنَ وَالْمُنَافِقِيْنَ
অর্খ: হে নবী আল্লাহ্কে ভয় কর এবং কাফের ও মোনাফেকদের আনুগত্য করবেন না।
সূরায়ে আহযাফ, আয়াত নম্বর- ১
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِاََزْوَاجِكَ اِنْ كُنْتُنّ َ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِيْنَتَهَا فَتَعَالَيْنَ اُمَتِّعْكُنَّ وَاُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيْلًا
অর্থ : হে নবী আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে বলূন, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার চাকচিক্য (বিলাসীতা) কামনা কর, তবে এসো আমি তোমাদের কিছু ভোগ সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেই এবং সৌজন্যের সাথে তোমাদেরকে বিদায় দেই। সূরায়ে আহযাফ, আয়াত নম্বর- ২৮
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ اِنَّا اَحْلَلْنَا لَكَ اَزْوَاجَكَ اللَّاتِي اتَيْتَ اُجُوْرَهُنَّ
অর্থ : হে নবী আমি আপনার স্ত্রীদেরকে আপনার জন্য হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহর প্রদান করেছেন। সূরায়ে আহযাফ, আয়াত নম্বর- ৫০
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِاََزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِيْنَ يُدْنِيْنَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيْبِهِنَّ-
অর্থ : আপনি আপনার স্ত্রী, কন্যা এবং মোমিনদের নারীগণকে বলে দিন, তারা যেন তাদের চাঁদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। সূরায়ে আহযাফ, আয়াত নম্বর- ৫৯
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ اِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَاحْصُوا الْعِدَّةَ থ الى اخر الاية
অর্থ : হে নবী (উম্মতকে) বলেদিন, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিও ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা কর। সূরাতুত তালাক, আয়াত নম্বর- ১
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا اَحَلَّ اللَّهُ لَكَ تَبْتَغِي مَرْضَاةَ اَزْوَاجِكَ وَاللَّهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
অর্থ : হে নবী আল্লাহ্ আপনার জন্যে যা হালাল করেছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশি করার জন্য তা নিজের জন্যে হারাম করছেন কেন? আল্লাহ্ ক্ষমাশীল দয়াময়। সূরাতুত তাহরীম, আয়াত নম্বর-১
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ حَسْبُكَ اللَّهُ وَمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ –
অর্থ : হে নবী আপনার এবং আপনার অনুসারী মোমিনদের জন্য (সর্বক্ষেত্রে) আল্লাহ্ই যথেষ্ঠ। সূরাতুল আনফাল, আয়াত নম্বর-৬৪
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَى الْقِتَالِ اِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ عِشْرُوْنَ صَابِرُوْنَ يَغْلِبُوْا مِائَتَيْنِ وَاِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ مِائَةٌ يَّغْلِبُوْا اَلْفًا مِّنَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِاَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَفْقَهُوْنَ٦٥َ
অর্থ : হে নবী জিহাদের জন্য মোমিনদেরকে উদ্বুদ্ধ করুন তোমাদের মধ্যে যদি ২০ জন ধৈর্য্যশীল মুজাহিদ থাকে তাহলে তারা ২০০ জন কাফেরের উপর জয় যুক্ত হবে, আর তোমাদের মধ্যে ১০০ জন থাকলে তারা ১০০০ হাজার কাফেরের উপর জয়যুক্ত হবে। কারণ তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা জ্ঞানহীন। সূরায়ে আনফাল, আয়াত নম্বর- ৬৫
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِمَنْ فِي اَيْدِيْكُمْ مِنَ الْاََسْرَى اِنْ يَّعْلَمِ اللَّهُ فِيْ قُلُوبِكُمْ خَيْرًا يُّؤْتِكُمْ خَيْرًا مِّمَّا اُخِذَ مِنْكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
অর্থ : হে নবী যারা আপনার হাতে বন্ধী রয়েছে তাদেরকে বলেদিন তোমাদের অন্তরে কল্যাণকর কিছু রয়েছে বলে আল্লাহ্ পাক যদি অবগত হন তাহলে তোমাদেরকে (মুক্তিপণ রূপে) যা কিছু নেওয়া হয়েছে তা অপেক্ষা উত্তম কিছু তোমাদেরকে (আল্লাহ্ পাক) দান করবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। আল্লাহ্ পাক ক্ষমাশীল দয়ালু। সূরায়ে আনফাল, আয়াত নম্বর- ৭০
يَا اَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِد ِ الْكُفَّار َ وَالْمُنَا فِقِيْنَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِم ْ وَمَاْْ وَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيْرُ
অর্থ : হে নবী কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করুন, তাদের স্থান হচ্ছে জাহান্নাম এবং ওটা নিকৃষ্ট স্থান। সুরা তওবা, আয়াত নম্বর- ৭৩
اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ
কখনো কি একটু নীরবে একা একা গভীরভাবে ভেবে দেখেছি কি:- আসলে এই দুনিয়াটা কি?
নিজের চোখের সামনেই কতো আপনজন চলে গেলো:- যারা এখন শুধু স্মৃতির ঝড়াপাতার মতো হয়ে পরে আছে: আমাদের মনের কোনে। আমরা কেহই:- এ ধারার ব্যাতিক্রম হবো না।
আসলে এর কারনটা কি ?এই আসা যাওয়ার রহস্যটা কি ?জীবনটা কি শুধু শুধুই:- জন্ম আর মৃত্যু ? এই আসা আর যাওয়াটাই কি শেষ ? নাকি এর পরে:আর’ও কিছু আছে ? থাকলে- কি সেটা ? কখনো একটু ভেবে দেখেছি কি ! একটু ভাবুনতো।নির্জনে রাতের খোলা আকাশটার দিকে তাকিয়ে একটু ভাবি’তো:- শুধুমাএ নিজের অস্তিত্বের কথা ?
⭕ মানুষ কি মনে করে যে:- তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে ?
📖 আল-ক্বিয়ামাহ; আয়াত নং:-(৩৬)
فَاِنَّکَ لَا تُسۡمِعُ الۡمَوۡتٰی وَ لَا تُسۡمِعُ الصُّمَّ الدُّعَآءَ اِذَا وَلَّوۡا مُدۡبِرِیۡنَ ﴿۵۲﴾
নিশ্চয় তুমি মৃতকে তোমার কথা শোনাতে পারবে না (১) এবং বধিরকেও তোমার আহবান শোনাতে পারবে না;(২) যখন ওরা মুখ ফিরিয়ে নেয়। (৩) (১) অর্থাৎ:- যেমন মৃত ব্যক্তি কিছু বুঝতে অপারগ!অনুরূপ এরা’ও নবী (সাঃ)-এর দাওয়াত বুঝতে ও গ্রহণ করতে অপারগ! (২) অর্থাৎ:- তুমি যেমন কোন বধির বা কালা ব্যক্তিকে নিজের কথা শোনাতে পারবে না! তেমনি তোমার ওয়ায-নসীহত ওদের মধ্যে কোন প্রভাব ফেলবে না! (৩) এটা তাদের বৈমুখ্য ও সত্যচ্যুত হওয়ার আরো বিস্তারিত বর্ণনা যে:- তারা মৃত ও বধির সদৃশ হওয়ার সাথে সাথে: তারা পিঠ ফিরিয়ে পলায়নকারী’ও! সুতরাং সত্যের আহবান তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছবে কিভাবে এবং কিভাবে তা তাদের মন-মস্তিষ্ক আশ্রয় গ্রহণ করবে?
⭕ মৃত লাশের জন্য আমি এই কোরআনের কথাগুলো পাঠাইনি। এটি পাঠিয়েছি জীবিতদেরকে সতর্ক করতে।
📖 সূরা ইয়াসীন; আয়াতঃ-(৭০) ও ফাতির; আয়াতঃ-(২২)
⭕ লাশকে এই কোরআনের কথাগুলো শোনাতে ➡️ পারবেন না! আর শোনাতে পারবেন না তাদেরকে'ওঃ যারা বধির!
📖 - সূরা রূম;আয়াতঃ-(৫২)
💗 এই পবিএ কোরআন 👉 মানব জাতির জন্য ➡️ সুস্পষ্ট দলীল! 📖- সূরাঃ-জাসিয়া;আয়াতঃ-(২০)
যে ব্যক্তি জানে যে ➡️ যা কিছু পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে 👉 তা সত্য: সে কি ➡️ ঐ ব্যক্তির সমান 👉 যে অন্ধ ও মূর্খ ? কেবল বোধশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তিরাই বোঝে! 📖 সূরা রা'দ(১৩); আয়াত:-(১৯)
🔴 মৃত্যু প্রত্যেকের জন্য এক অবধারিতো বিষয়।
👉 প্রত্যেককেই মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হবে। ⭕ ‘প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু'!🔘 সূরা- আলে ইমরানঃ-(১৮৫)
🔴 এই পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ পাক্ বলেছেন:
➡️ আর বলোঃ- সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে: নিশ্চয়ই মিথ্যাতো বিলুপ্ত হয়েই থাকে!
📖 - সূরা বণী ইসরাইল; আয়াত:-( ৮১)
আসলে আমাদের সবসময় মৃত্যুর কথা ➡️ চিন্তা করা উচিৎ। এতে করে খারাপ কাজ থেকে ➡️ সহজে বেঁচে থাকা যায়। মুসলমান না হয়ে ➡️ মৃত্যুবরণ করার কথা তো:- আমরা মুসলমানরা ➡️ চিন্তা’ও করতে পারি না!
⭕ ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ➡️ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাকো! ➡️ অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।' 📖 সূরা-আলে ইমরানঃ (১০২)
কোনোভাবেই ➡️ এই মৃত্যুকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়! করোনার মহামারি হতে 👉 এ যাত্রা বেঁচে গেলে’ও ➡️ কিন্তু মৃত্যু হতে আমরা কেউ মুক্তি পাবো না! শুধুমাএ আল্লাহর ☝️ নির্ধারিত সময়ের ক্ষণটি❗
⭕ ‘তোমরা যেখানেই 🌍 থাকো না কেন ➡️ মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই❗যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান করো 🏹 তবু’ও!’ 📖 - সূরা নিসাঃ (৭৮)
🌠 যখন আমি গুনাহ করি! 👉 আল্লাহ বলেনঃ- "আল্লাহ ছাড়া ➡️ আর কে পাপ ক্ষমা করবেন ?" -✍️ সুরা ইমরানঃ-(১৩৫) ➡️ যখন আমি ক্ষমা চাই! আল্লাহ বলেনঃ-"আল্লাহই তওবা কবুলকারী ও করুণাময়।"- ✍️ সুরা তাওবাঃ-(১০৪)
আমাদের কার কখন মৃত্যু হবে ➡️ তা আমরা কেউই বলতে পারি না: পৃথিবীর যতো ক্ষমতাবান ➡️ হই না কেন! সকল ক্ষমতার একমাএ মালিক ➡️ আল্লাহ্! আজ ২ বছর ক্ষুদ্র এক অদৃশ্য করোনা আমাদের এই শিক্ষা দিয়ে গেলো❗তাই কাল-পরশু না করে ➡️ আসুন আজই আল্লাহর সত্যের আলোর পথে ফিরে ↩️ আসি ➡️ তওবা করে!
🔴 ফালাওলা ইযা বালাগাতিল হুলকুম। ➡️ ওয়া আনতুম হীনায়িযিন তানজুরুন। ওয়া নাহনু আকরবু ইলাইহি মিনকুম অলাকিল্লা তুবছিরুন। ➡️ বাংলা ভাবার্থ:- অধিকন্তু কেন নয়ঃ- মৃত্যু পথযাএীর প্রাণ যখন কন্ঠনালীতে উপনীত হয় এবং তোমরা যখন তাকিয়ে তা দেখতে থাকো (সেই মৃত্যু পতিত প্রানবায়ুকেঃ তোমরা ফিরিয়ে আনো না কেন❗) সে সময় আমি তোমাদের চেয়েও 👉 তাঁর অধিকতর নিকটে থাকি❗কিন্তু তোমরা তা দেখতে পাও না❗
➡️ সূরাহ্ ওয়াক্বিয়াহ(৫৬):-(৮৩-৮৫)
⭕ কারণ আল্লাহর ক্ষমার কোন কূল কিনারা নেই। তাঁর ক্ষমা অসীম! মনে রাখবেন: আপনার গুনাহ পাহাড়সম বড় হলে’ও ➡ তাঁর ক্ষমা (মাগফিরাত) ৭ম আঁকাশের চাইতে’ও বিশাল❗
⭕ চলুন তাওবা করি! ➡ তাওবাই একমাত্র গুনাহ মাফ করে নেওয়ার মাধ্যম! ➡ আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন: আমাদের উপর রাজি হয়ে যান। আমিন।
🔴 আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে 📢 করেছেনঃ 👉
🔘 অর্থ: জীব মাত্রই ➡️ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে ➡️ অতঃপর যাকে দোযখ থেকে মুক্তি দেয়া হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে 👉 সে হবে সাফল্যবান। বস্তুত পার্থিব জীবন ➡️ ধোঁকা ছাড়া 👉 আর কিছুই নয়।🔘 সূরা আলে ইমরান-আয়াতঃ-(১৮৫)
⭕ তুমি তোমার রবের ইবাদত করো ➡️ ততক্ষণ পর্যন্ত
👉 যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার: মৃত্যু না হয়!
📖 - সুরা হিজর:-(৯৯)
পবিএ কোরআনের ১১৪ টা সূরার বাংলা অর্থ’টা আপনার জীবনের ১ টা চ্যালেন্জ হিসাবে নিয়ে:- এই করোনাকালে ১/৩ বার পাঠ করুন! বিশ্বাস করুন:- বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাবেন! আর যদি অলস হোন:- কমপক্ষে সূরা মূলক ১/৩ বার পড়ুন! হেদায়েত ও সরল-পথ দানকারী:- একমাএ আল্লাহ্!
🤲 ওয়ামা তাওফিক্বী ইল্লা বিল্লাহ্ 🤲
👉✍️বিষয় ভিত্তিক কুরআনের আয়াত 📚
স্রষ্টা:- বাকারা= 21, 22, 28, 29, 117, 255, 259, 260, ইমরান= 5, 6, 18, 47, 59, 189- 191,মায়িদাহ= 40, 120, আনাআম= 1, 2, 12, 13, 14, 73, 79, 96-98, 102, আরাফ= 12, 29, 54, 158, 185, 189, 191, ইউনুস= 3, 4, 5, 34, 56, ইউসুফ= 101, রাদ= 16, ইব্রাহীম= ২, 10, 19, 20, 32, হিজর= 19-29, 85, 86, নাহল=2-5, 40, ইসরাইল= 99, 102, কাহাফ= 14, 48, মারিয়ম= 9, 65, 67, ত্বোয়াহ= 4, আম্বিয়া= 21-23, 56, 104, হাজ্জ্ব= 65, মুমিনূন= 19, 20, 78, নূর= 42, 64, ফুরকান= 2,
আল্লাহর পরিচয়:- ফাতিহা= 1-4, বাকারা= 116, 255, ইমরান= 2, 5, 6, আনআম= 14, 100, 101, 103, আরাফ= 54, 143, 180, 190, ইউনুস= 3, 18, 68, হুদ= 5, 6, 56, রাদ= 40 ইব্রাহীম= 8, 32- 34, 47, হিজর= 19- 25, নাহল= 1-3, 51, 52, ইসরাইল= 111, কাহাফ= 4, 5, 26, 109, মারিয়াম= 35, 64, 70, 88-93, ত্বোয়াহ= 5-8, 39, 46, 50, 52, 98, 110, 111, আম্বিয়া= 5, 21-23, 26, 110, হাজ্জ্ব= 6, 37, 52, 62, 64, 70, 74, 75, মূমিনূন= 91, 92, 116,
গায়েব শুধু আল্লাহ জানে:- বাকারা= 30, 33, ইমরান= 5, 29, 62,179, মায়িদাহ= 99, 109, 116, 117, আনাআম= 3, 59, 73, আরাফ= 187, 188, তাওবাহ= 101,105, ইউনুস= 20, হুদ= 5, 6, 36, 37, 49, ইউসুফ= 3, 102, রাদ= 9,10, ইব্রাহীম= 38, হিজর= 24, নাহল= 19, 21, 23, 28, 77, কাহাফ= 26, ত্বোয়াহ= 15, 98, 110, আম্বিয়া= 28, 110, হাজ্জ্ব= 70, 76, ফুরকান= 6,
রাসূল সঃ এর পরিচয় :- বাকারা= 252, ইমরান= 144, 159 নিসা= 105, 113, আনআম= 50, 66, আরাফ= 158, 184, 188, 199, 200, ইউসুফ= 3, 102, রাদ= 38, 40, ইব্রাহীম= 11, ইসরাইল= 93, 95, কাহাফ= 110, মারিয়াম= 87, 93, আম্বিয়া= 34, 107-109, হাজ্জ্ব= 49, 67,
রাসূল সঃ সম্পর্কে কাফেরদের অপবাদের জবাব:- বাকারাহ= 252, ইমরান= 7 নিসা= 166, আনআম= 24, 25,আরাফ= 184, হুদ=35, ইউনুস= 2, 31,হুদ=7, 8, ইউসুফ= 108, নূহ আঃ সারা পৃথিবী ডুবেনি হুদ= 27, 48 87ও 91, ইউসুফ= 3, 104, রাদ=32, 37, হিজর= 6, 7, 17, ইসরাইল= 47, 48, 95, 105, মারিয়াম= 58, ত্বোয়াহ= 4, 99, আম্বিয়া= 3, 5, 10, হাজ্জ্ব= 42-44, 46, 67, মুমিনূন= 24-26, 33-38, 79, 70-73, ফুরকান= 4, 5, 7, 8, 20, 21,
অভিযোগের জবাব:- মুমিনূন= 43,
আল্লাহর কাছে আবেদন :- ফাতিহ= 4 - 7, বাকার= 45, 153, 201, 286, ইমরান= 53, 147, 191, 193, 194, নিসা = 86, 106, 110, আরাফ= 128, 149. 151, 155, 189, 205, ইউনুস= 85, 86, হুদ= 3, 47, ইউসুফ= 33, 101, ইব্রাহীম= 35, 37, 40, 41, নাহল= 53, 98, ইসরাইল= ২৪ 73, 74, 80, কাহাফ= 10, ত্বোয়াহ= 25-35, 73, 114, আম্বিয়া= 83, 87, 89, 90, মুমিনূন= 28-30, 94, 97, 98, 118,
আল্লাহ কাছে সবাই সমান:- বাকারা= 48, 96, 123, 178, 179, 187, 188, 190-194, ইমরান= 75, 84, 193, 194, নিসা= 58, 123, 162, মায়িদাহ= 8, 13, 32, 38, 42, আনআম= 132, আরাফ= 159, 168, তাওবাহ= 98, 99, ইসরাইল= 23, আম্বিয়া= 1, 2, হাজ্জ্ব= 17, 38, নূর= 2, 6-9,
আল্লাহর কাছে নারী-পুরুষ সমান:- বাকারা=178, 179, 187, 195, নিসা= 32, 124, মায়িদাহ= 38, 89, আনআম= 132, 139, তাওবাহ= 68, 72, নূর= 2, 6-9,
নারীর অধিকার :- বাকারা= 187, 178, 179, 223, 228, 229, 231, 233, 234, 236, 237, 240, 241, ইমরান= 36, 37, 42, 195, নিসা:- 7, 11, 12, 15, 19, 20, 24, 25, 34, 35, 36, 124, 127-129, আনআম= 139, 140, আনফাল= 28 বুখারী= 4786, নাহল= 97, ইসরাইল=23, ত্বোয়াহ= 121, নূর= 4, 6-9, 13, 23-25,
আল্লাহ ন্যায্য কথা বলে ও ন্যায় বিচারক:- বাকারা= 48, 62, 96, 123, 134, 141, 178,179, 188, 190- 194, 220, 233, 281, 286, ইমরান= 25, 30, 75, নিসা= 58, 85, 112, 123, মায়িদাহ= 8, 32, 42, 45, 69, 105, আনআম= 69, 131, 132, 151, 152, 160, 164, আরাফ= 6, 8, 28, 29, 147, 159, 165, 168, 181, আনফাল= 51, 52, তাওবাহ= 75, 76, 91, 92, 98, 99, 101,102, নাহল= 63, 64, 89, 90, 106, কাহাফ= 49, মারিয়াম= 72, ত্বোয়াহ= 56, আম্বিয়া= 47, 77, হাজ্জ্ব= 17, 39, মুমিনূন= 44, 78,
ইসলামে দাস- দাসীর অধিকার :- বাকারাহ= 177, 178, 221,নিসা= 36, 25, মায়িদাহ= 89, তাওবাহ= 60, নাহল= 71, নূর= 32, 33, মুজাদালাহ= 3,
অমুসলিমদের অধিকার :- বাকারা= 190 - 194, 285, ইমরান= 199 নিসা= 90, 123, 162 মায়িদাহ= 2, 8,13, 32, 34, 42, আনআম= 52, 108, 131, আরাফ= 129, 140, আনফাল= 19, 25, 38-40, 61, 62, 70, 72, তাওবাহ= 1- 7, 123, ত্বোয়াহ= 44, মুমিনূন= 44
ইহুদী-খৃষ্টান ও কাফেরদের প্রশংসা :- বাকারা= 96, 249, ইমরান= 35, 75, 110, 113, 114, 199, নিসা= 162, মায়িদাহ= 66, 82, আরাফ= 137, 159, 165, 168,181, তাওবাহ= 102, ইউনুস= 40,
সকল কাফেরকে আল্লাহ তিরস্কার করেনি:- ইমরান= 23, 75, 110, 113, 114, 199, নিসা= 46, 55, 162, মায়িদাহ= 13, 59, 60, 66, 69, 71, 82,আরাফ= 159, 165, 168, 181, তাওবাহ= 75, 76, 98, 99, 101,102, ইউনুস= 40, ত্বোয়াহ= 104,
মুসলিমদের শর্তক্য করেছে:- বাকারা= 48, 108, 120, 135, 145, 178, 179, 188, 190 - 193, 208, 220, ইমরান= 95, 159, নিসা= 102, 113, 123, মায়িদাহ= 2, 8, 49, 51, 54, আনআম= 14, 35, 56, 114, 121, 133, 158, আরাফ= 31, 55, আনফাল= 21, 25, 27, তাওবাহ= 24, 34, 35, 36, ইউনুস=12, 14, 15, 95, 104-106, হুদ= 3, 4, 17, 36, 40, 46, 47, 49, 111-115, ইউসুফ = 108, রাদ= 37, ইব্রাহীম= 42, হিজর= 67-77, 85, 89, নাহল= 91, 92, 94 -96, 120, 127, ইসরাঈল= 2, 26, 27, 29, 31, 32-39, 54, 73-75, কাহাফ= 14, 16, 23, 24, 28, 47, 55-57, মারিয়াম= 31, 32, 47-49, 65, 71, 96, ত্বোয়াহ= 2, 3, 16, 131, আম্বিয়া= 1, 16, 35, 42, 90, 93, 104, 109, হাজ্জ্ব= 1, 2, 7, 11, 39, 49, মুমিনূন= 7, 51, 78, নূর=16, 17, 19, 21, 58-60, 63,
বিশেষ আয়াত:- ইমরান= 64, ইসরাইল= 81, আম্বিয়া= 18, 107,
মুসলিমদের তিরষ্কার:- বাকারা= 96, 108, আরাফ= 181, তাওবাহ= 24, 35, ইউনুস=12, নাহল= 54, আম্বিয়া= 2, হাজ্জ্ব= 11, 38, নূর= 11, 15,
মুসলিমদের কষ্ট কেন:- বাকারা= 155, 214, ইমরান= 142, 145, 166, আরাফ=54, তাওবাহ= 16,
ধর্মের ধারাবাহিকতা:- বাকারা= 83, 87, 125-133, 135, 136, 140, 253, ইমরান= 3, 4, 33, 48, 67, 84, 95 - 97, নিসা= 47, 125, 136, 163, 164, মায়িদাহ= 12, 44, 46- 48, 66, 68, আনআম= 84- 87, 91, 92, 154, 161, আরাফ= 59, 65, 73, 80, 85, 103- 108, 126, 157, তাওবাহ= 70, ইউনুস= 37, 71, 72, 74, 75, 84, 87, হুদ= 25, 50, 61, 84, 96, 110 ইউসুফ= 40, ইব্রাহীম= 5 হিজর= 10, নাহল= 43, 120- 123 ইসরাঈল= 2, 3, মারিয়াম= 41, 51, 54, 56, ত্বোয়াহ= 11-13, আম্বিয়া= 25, 48, 51, 71, 72, 76, 78, হাজ্জ্ব= 26-29, 34, 78, মুমিনূন= 23, 44, 45, 51-53,
সকল নবীই মুসলিম :- বাকারা= 125-133, 135, 136, 140, 67, ইমরান= 84, 95, নিসা= 125, মায়িদাহ= 46- 47, আনআম= 78, 79, 161, আরাফ= 59, 65, 73, 80, 85, 126, 157. ইউনুস= 71, 72, 84, 87, হুদ= 25, 110 নাহল= 120-123, আম্বিয়া= 25, হাজ্জ্ব= 26-29, 78, মুমিনূন= 23, 45, 51-53,
ইসলাম আল্লাহর একমাত্র মোননীত ধর্ম:- বাকারা= 131 -133, 135, 208, ইমরান= 19, 67, 83, 85, মায়িদাহ= 3, আনআম= 90, আরাফ= 126, ইউসুফ= 101, ইউনুস= 84, ইহুদীদের আল্লাহ মুসলিম বলেছে। নাহল= 120-123, আম্বিয়া= 25, হাজ্জ্ব= 26-29, 34, 78, মুমিনূন= 23, 45, 51- 53, যুমার= 22,
সকল সৃষ্টি আল্লাহর প্রশংসা করে, হুকুম মানে বা মুসলিম:- 116 ইমরান= 18, 83, রাদ= 13, 15, নাহল= 49, ইসরাইল= 44, আম্বিয়া= 19, 20, হাজ্জ্ব= 18, নূর= 41,
চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ বানী:- বাকারা= 2, 23, 24, 94, 95, 111, ইমরান= 61, নিসা= 81, আনআম= 89, তাওবাহ= 52, 57, 101, ইউনুস= 38, 90-92, হুদ= 13, হিজর= 9, ইসরাইল= 88, কাহাফ=1, 27, মুমিনূন= 40,
কাদের আল্লাহ হেদায়াত দেন:- বাকারাহ= 137, নিসা= 66-69, 175, মায়িদাহ= 93, আনআম= 84. 88, আরাফ= 203, তাওবাহ= 18, ইউসুফ= 22, রাদ= 27, নাহল= 99, ইসরাইল= 25, কাহাফ= 13, ত্বোয়াহ= 123, আম্বিয়া= 86, আনকাবুত= 69
জান্নাতি কারা বা সফল কারা:- বাকারা= 3- 5, 25, 82, 112, 152, 156, 157, 177, 207, 218, 274, 277, ইমরান= 15- 17, 57, 132- 136, 173, 195, নিসা= 57, 122, 152, 162, 173, মায়িদাহ= 9, 85, 93, 119, আনআম= 82, আরাফ= 35, 42, 43, 157, 170, 201, 206, আনফাল= 2-4, 74, 75, তাওবাহ= 18, 20-22, 44, 71, 72, 88, 89, 100, 111, 112, ইউনুস= 9, 26, 62-64, হুদ= 11, 23, 49, 108, ইউসুফ= 56, 57, 90, রাদ= 18-24, 28, 29, 35, ইব্রাহীম= 23, 31, হিজর= 45- 48, 56, নাহল= 30-32, 41, 42, 50, 96, 97, 99, 110, 128, ইসরাইল= 19, 107- 109, কাহাফ= 2, 3, 30, 38- 41, 87, 107, 108, মারিয়ম= 13, 14, 31, 32, 48, 49, 58, 60-63, 76, 85, 96, ত্বোয়াহ= 14, 48, 72, 75, 76, আম্বিয়া= 28, 48, 79, 83, 84, 88, 90, 91, 94, 105, হাজ্জ্ব= 14, 18, 23, 24, 34, 41, 50, 54, 56, মুমিনূন= 1-5, 8-10, 57-61, 111, নূর= 51, 52,
আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু:- ইমরান= 89, 138, 159, নিসা= 31, 40, 64, 83, 113, 147, 149, 152, মায়িদাহ= 9, 13, 34, 39, 45, 71, 74, 98, 101, 118, আনআম= 54, 160, 165 আরাফ= 8, 153, 155, 167, 199,তাওবাহ= 11, 91,102, 103, 104, 117, 118, ইউনুস= 107, হুদ= 11 ইউসুফ= 92, 98, রাদ= 6, ইব্রাহীম= 36, হিজর=49, নাহল= 7, 18, 47, 64, 110, 119, ইসরাইল= 25, ত্বোয়াহ= 82, 122, হাজ্জ্ব= 52, নূর= 5, ফুরকান= 6,
আল্লাহ কেন নগত শাস্তি বা পুরষ্কার দেন না:- বাকারা= 126, আনআম= 2, 67, 128, 135, 157, আরাফ= 24, 34, 183, 186, আনফাল= 68, তাওবাহ= 55, 82, 94, ইউনুস= 11, 19, 23, 49, হুদ= 15, 16, 104, 110, রাদ= 31, 32, ইব্রাহীম= 11, 30, 42, হিজর= 3, 8, 96, নাহল= 55, 61, 117, ইসরাঈল= 18, 99, কাহাফ= 48, 58, 59, মারিয়াম= 37, 59, 75, 84, ত্বোয়াহ= 103, 104, 127, 129, 134, 135, আম্বিয়া= 29, 37, 97, 103, 104, 111, হাজ্জ্ব= 17 44, 47, 48, 69, মুমিনূন= 54-56, 64, 65, 77, 99, 104-108, 112, 113, নূর= 14, 20, ফুরকান= 18, 22,
কেবলা পরিবর্তন :- বাকারা= 142- 146, 149, 150,
দান ও গরিবদের প্রতি কর্তব্য :- বাকারা= 3, 83, 195, 215, 219, 245, 254, 261- 265, 267, 271- 274, 276, 280, ইমরান= 92, 180, নিসা= 37, 38, 127, মায়িদাহ= 89, তাওবাহ =60, 103, 104, ইসরাইল= 26, 28, 29, 34, হাজ্জ্ব= 28, নূর = 22,
হালাল ও হারাম :- বাকারা= 168, 172, 173, মায়িদাহ= 1-5, 87, 88, 90, আনআম= 118, 119, 121, 145, আরাফ= 32, 33, 158, নাহল= 114- 116, মুমিনূন= 51,
আল্লাহ সাধ্যের বাইরের বোজা দেন না: - বাকারা= 173, 184,185, 187, 196, 236, 239, 286, নিসা= 43, 98, 99, 102, 103, মায়িদাহ= 6, 89, আনআম= 119, 131, 145, 152, আরাফ= 42, তাওবাহ= 91, 92, 115, 118, ইউনুস= 47, নাহল= 106, 119, ত্বোয়াহ= 134, 62, মূমিনূন= 62,
আল্লাহ জুলুম করেনা:- নিসা= 62, 153, আনাআম= 10, 131, ইউনুস= 44, 47, 54, 73, 98, হুদ= 17, 21, 25, 32, 101, 117, রাদ= 7, 32,নাহল= 33, 63, 78, 89, 106, 111-113, 116-119, ইসরাঈল= 7, 8, 13-15, 59, 71,72, কাহাফ= 4, 5, 15, 49, 53, 57, 59, মারিয়াম= 59, 60, 66-72 ত্বোয়াহ= 43, 56, 74, 82, 112, 124-127, 134, আম্বিয়া= 6, 9, 11, 14, 29, 35, 46, 47, 70, 77, 94, 95, 97, হাজ্জ্ব= 10, 17, 25, 44, 45, 51, মুমিনূন= 27, 44, 48, 62,
আল্লাহ কাফেরদের শতর্ক্য করেছে:- আরাফ= 65, 73, ইউনুস= 21, 32, 34, 35, 50, হুদ= 3, 4, 14, 22, 24, 26, 28- 31, 39, 50-52, 57, 84, 85, 88-90, 92, ইউসুফ= 107, 109, ইব্রাহীম= 42, 44, হিজর= 2, 67-77, 85, 89,ছ নাহল= 35, 45-47, 64, 74, 82, 84, 87, ইসরাঈল= 2, 22, 23, 41-43, 56, 67-69, কাহাফ= 4, 5, 29, 47, 52, 54, 36- 45, 74, 78-82, 97, 98, ত্বোয়াহ= 43, 81, 113, 128, আম্বিয়া=1, 12, 16, 21, 22, 35, 42-45, 66, 67, 93, 98, 99, 104, 109, হাজ্জ্ব= 1-3, 7, 12, 13, 30, 31, 49, 73, 74, মুমিনূন= 32, 64, 65, 68, ফুরকান= 3,
দাওয়াত না গ্রহণ করলে করনীয় কি:- মূমিনূন= 54, 96, নূর= 54,
কেন সত্য গ্রহণ করে না:- ইউনুস= 83, 96, 97,
কাকে কুরবানি করা হয়েছিল : হুদ= 71 ইব্রাহীম= 39,
আল্লাহর তরফ হতে ইহুদী-খৃষ্টান ও কাফেরদের প্রতি অনুগ্রহ :- বাকারা= 40, 47, 49, 50, 56-58, 60, 63, 64, 122, ইমরান= 3, 36, 37, 42, 44- 47, নিসা= 54, 64, 164, মায়িদাহ= 12, 13, 15, 19, 20, 43, 44, 46, 70, 71, 110, 115, 91 আনআম= 46, 65, 105, 110,154, আরাফ= 58- 89, 103-108, 117, 129, 137, 138, 140, 141, 143, 144, 153, 160, 161, 172-174, ইউনুস=16, 22, 37, 75, 76, 77, 89, 90, 93, ইব্রাহীম= 6, ইসরাঈল= 2, 70, 101, 103, মারিয়াম= 51-53, ত্বোয়াহ= 19-23, 36-41, 43, 68, 69, 77, 78, 80, 83, 89, 90, আম্বিয়া= 44, 48, 72, 80-82, 91, 105, মুমিনূন= 49, 50,
ইহুদী-খৃষ্টান ও কাফেরদের স্বভাব ও তারা কেন নিকৃষ্ট :- বাকারা= 6, 51, 54, 55, 59, 61, 65, 67- 73, 75, 79, 85- 87, 91- 93, 97, 100, 101, 105, 109, 113, 118, 120, 139, 141, 146, 170, 171, 176, 212, 246, 247, 249, ইমরান= 65, 66, 69- 71, 78, 99, 112, 181-184, 186, 187, নিসা= 42, 44, 46, 55, 102, 153, 155-157, 160, 161, 171, মায়িদাহ= 13, 15, 18, 22, 24, 41, 42, 43,44, 52, 57- 59, 61, 62, 64, 70, 71, 72, 78, 79, 110, 113, আনআম= 5-7, 9,10, 34, 39, 91, 109, 124, 136, 138, 139, 140, 146-148, 157,158, আরাফ= 28, 59-90, 109, 112, 115, 116, 123, 124, 126,127, 131,132, 134, 135, 138, 148, 150, 162, 163, 166,169, 172, 176, 191,193, 194, 197, 198, 203, আনফাল= 30, 35, 36, 53, 54, 62, 71, তাওবাহ= 8, 10, 30-33, 37, ইউনুস= 12,15, 17, 18, 21-23, 36, 39, 42, 43, 48, 49, 52, 54, 75, 76, 78, 80, 81, হুদ= 8- 10, 20, 27, 32, 38, 53, 62, 64, 65, 77-80, 87, 91, ইউসুফ=87, রাদ= 6, 7, 32, ইব্রাহীম= 9, 10, 11, 13, হিজর= 7, 11, 14, 15, 67- 74, নাহল= 22, 24-27, 33- 36, 55- 60, 62, 73, 83, ইসরাইল= 40, 47, 57, 67, 73, 101, কাহাফ= 4, 5, 15, 20, 34-36, 56, 57, মারিয়াম= 46, 66, 68, 77, 81, 88, 91, 49, 51, ত্বোয়াহ= 57-66, 71, 78, 79, 85, 86, 88, 91, 96, 133, আম্বিয়া= 2, 3, 6, 24, 26, 36, 41, 52-56, 68, 74, হাজ্জ্ব= 12, 53, 55, 72, 74, মুমিনূন= 24, 25, 33-38, 46-48, 63, 64, 79, 70, 75, 76, মূমিনূন= 46, 47, 81-83,
ইহুদী-খৃষ্টান ও কাফেররা কেন শ্রত্রু:- বাকারা= 61, 97, 98, 105, 109, 190,191, 221, নিসা= 155, মায়িদাহ= 57 -59, 64,আরাফ= 123,124, 126, 127, আনফাল= 30, 34, হাজ্জ্ব= 25, 39, 40,
কেন ইহুদী-খৃষ্টান ও কাফেরদের বন্ধু করা নিষেধ:- বাকারা= 105, 109, 190,191, 221, ইমরান= 118- 120, নিসা= 44, 89, মায়িদাহ= 57-59, 64, আরাফ= 123,124, 126, 127, হাজ্জ্ব= 25, 39, 40,
কেন যুদ্ধ করতে বলা হয়েছে :- বাকারা= 114, 190- 194 217, 251, ইমরান= 195, নিসা= 75, 76, 89, 91, মায়িদাহ= 33, 64, আরাফ= 123,124, আনফাল= 30, 34, 38-40, 56-58, 73, তাওবাহ= 12, 13, 16, 36, 43, নাহল= 126 হাজ্জ্ব= 25, 39, 40, 58, 60, মুমিনূন= 63-67